01/01/2026
সম্মানীয়/সম্মানীয়া
আগামী ৪ঠা জানুয়ারী রবিবার, সকাল ১০টায় ধামসিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মা ওয়েলফেয়ার এন্ড চ্যারিটেবল অর্গানাইজেশন আয়োজিত স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির-এ আপনাকে সাদর ও সশ্রদ্ধ আমন্ত্রণ জানাই।
কারা রক্তদান করতে পারে?
১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী যেকোন সুস্থ ব্যক্তি রক্তদান করতে পারেন।
রক্তদান করা কেন জরুরী?
ভারতবর্ষে প্রতিবছর ১ কোটি ৪৬ লক্ষ ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হলেও কেবল ১ কোটি ১০ লক্ষ ইউনিট রক্ত সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুরা অনেক সময় রক্তের অভাবে চিকিৎসা পায় না। ডেঙ্গু-র মতন রোগে রক্তের অনুচক্রিকা প্রাণ বাঁচায়। এছাড়াও সার্জারি ও কিছু রোগের ক্ষেত্রে রক্তের যোগান না থাকলে রোগীর প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হয় না।
রক্তদান করলে কী শরীর দূর্বল হয়?
১ বার রক্তদান করলে তিন মাসের মধ্যেই সেই রক্ত পুনরায় তৈরী হয়ে যায়। শুধু তাই নয় রক্ত ততটুকুই নেওয়া হয় যা আমাদের দূর্বল করে না।
রক্তদান করলে রক্তদাতার সুবিধা কী?
সংগ্রহ করা রক্ত ব্লাড ব্যাঙ্কে পরীক্ষা করা হয়। রক্তদাতার শরীরে কোন রোগ থাকলে তা জানা যায়। এবং এই তথ্য সুরক্ষিত ভাবে কেবল ওই নির্দিষ্ট দাতাকে জানানো হয়। এ কারনে দাতা-র ফোন নম্বর নেওয়া হয়। রক্তদানের মহৎ কাজ করার ফলে যে আনন্দ অনুভব করেন রক্তদাতা, তা, তাঁর শরীরে ডোপামিন সেরোটোনিন এর স্তর বাড়ায়, উদ্বেগ কমায়।
কোন ক্ষতি হতে পারে কী?
একেবারে নয়। প্রশিক্ষিত ডাক্তার ও নার্স রক্ত সংগ্রহ করেন। প্রতি রক্তদাতার জন্য আলাদা কিট ব্যাগ ব্যবহার করা হয়। রক্ত দানের জন্য নিডল লাগানোর সময় পিপড়ে কামড়ানোর মতন লাগে, ব্যস ওটুকুই। আর মনে লাগে আনন্দ।
সকলে রক্তদিন, রক্তদানে অন্যকে উৎসাহ দিন। সমাজ ও দেশের জন্য এই শুভকাজের সুযোগ হারাবেন না। এমনও রক্তদাতা আছেন যিনি তাঁর জীবদ্দশায় ৫০ বারের বেশি স্বেচ্ছায় রঅক্তদান করেছেন।
আহ্বানে - মা ওয়েলফেয়ার এন্ড চ্যারিটেবল অর্গানাইজেশন