In the Memory of Latika Sengupta

In the Memory of Latika Sengupta

Share

LATIKA SENGUPTA IS A LEGENDARY EX-HEADMISTRESS OF CC GIRL'S SCHOOL.

Photos from Raiganj Sister Nivedita Seva Pratisthan's post 17/02/2023

Thank you..

09/03/2018

নারী দিবসে নারী ---আমার ব্যাক্তিত্বময়ী শ্বাশুড়ি মা ------
By - Krishna Sengupta

নিজে বিয়ে এবং সংসার না করেও যিনি সকলের মা ,তিনি আমার শ্বাশুড়ি মা |তিনি আমার স্বর্গত শ্বশুরের আপন সহোদর ছোট বোন ,আমার পিসি শ্বাশুড়ি |তিনি ছিলেন একটি উচ্চবালিকা বিদ্যালয়ের প্রধানা শিক্ষিকা |যে স্কুলটা তিনি তিলে তিলে নিজের হাতে তৈরি করে
উচ্ছ মাধ্যমিক পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলেন | স্কুলটি হলো চিন্তামণি চমৎকার বালিকা বিদ্যালয় |
তিনি স্কুলে শুধু দশটা পাঁচটা করেই ক্ষান্ত ছিলেন না ,তিনি আরো লেখাপড়া না জানা বাড়ির
গৃহবধূদের শিক্ষিত করার জন্য সেই স্কুলে সান্ধ্য ক্লাসের আয়োজন করেছিলেন |যাতে সেই
গৃহবধূরা অন্তত নিজের নামটা নিজে লিখতে পারে ,তাদের ছেলেমেয়েদের প্রাইমারি শিক্ষাটুকু
দিতে পারে |তিনি বয়স্ক মহিলাদের সাক্ষরতার জন্য রামকৃষ্ণ মিশনেও একটা ক্লাসের ব্যবস্থা
করেছিলেন |তাছাড়া আরো অনেক সংগঠন যেমন নারী কল্যাণ সমিতি ,নাগরিক কমিটির
সদস্য ,রামকৃষ্ণ মিশন ,সারদা সংঘের প্রেসিডেন্ট প্রভৃতি সংঘঠনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন |
এত গেলো বাইরের জগৎ |আর বাড়ির সংসারের জগতে তার ছত্রছায়ায় ? কে ছিল না |
সকলে বলতো এই বাড়িটা একটা আশ্রম |আর সেই আশ্রমে তার ছত্রছায়ায় কে কে ছিল জানেন
ছিল নিঃসন্তান দাদা বৌদি ,৮০ বছরের অবিবাহিত পিসতুতো ভাই , পিতৃমাতৃহীন বড় দাদার
তিন মেয়ে ও দুই ছেলে ,নিজের বিধবা দিদি ও তার অসুস্থ মেয়ে ,অন্যান্য দিদির ছেলেরা
দিদির নাতনি ,এবং আরো কোনো আত্মীয় যদি চোখের জল ফেলতো তবে সেও তার ছত্রছায়ায়
আশ্রয় পেয়ে যেতো |যদি কোনো পরিচিত সহায়হীন ব্যাক্তি হাসপাতালে ভর্তি থাকতো তবে
তিনি তার জন্য নিত্য খাবার পাঠানোর ব্যাবস্থাও করতেন |আসল কথা আকাশের মতো
উদার একখানা হৃদয় ছিল তার আর সেখানে দায়িত্ব আর কর্তব্য পাশাপাশি অবস্থান করতো |
তার ছত্রছায়ায় আমি এবং আমার ছোট জা তার দাদার ছেলের বৌ হিসাবে জায়গা পাই |ইতিমধ্যে তিনি তার দাদার মেয়েদের ও নাতনিকে যোগ্য করে যোগ্য পাত্রের হাতে তুলে দেন |
বাড়ির গেটের বাইরে তিনি ছিলেন ভীষণ কঠোর ,আপোষহীন ,এবং ব্যাক্তিত্বময়ী |বাইরের লোকেরা তাকে যেমন ভয় পেতো তেমন সন্মান করতো |কিন্তু বাড়ির গেটের মধ্যে ঢুকলেই
তার চেহারা একদম পাল্টে যেতো |তিনি হয়ে উঠতেন সকলের মা |বাড়িতে উনি হাসিমুখে
ঢুকতেন ,বাড়িতে এসে তিনি ক্লান্ত হয়ে বসে পড়তেন না ,আগে দেখতেন বাড়িতে সবাই ঠিক আছে কিনা ,কারো কোনো সমস্যা হয়েছে কিনা ,রান্নার লোক ,কাজের লোক এসেছে কিনা |
বিশ্রাম বলে তাঁর কিছু ছিল না |সকালে উঠে প্রাণায়াম ,স্নান করে ,পুজো করে স্কুল যাওয়ার জন্য তৈরি হতেন রোজই একই সময়ে |বাসন মাজার লোক না আসলে আমাদের সরিয়ে দিয়ে
নিজেই বসে পড়তেন বাসন মাজতে |বিশ্রামের সময় সবসময় উনার হাতে থাকতো বই |
বেশিরভাগ আধ্যাতিক ,বা ঠাকুর আর মা সরদার বই |আমাদের পুরানো আমলের দোতালা বাড়ি |উপর তলায় ছিল দুই ছেলের মানে আমি আর আমার জায়ের ঘর ,আর বাকি সবাই নিচের তলায় থাকতো |কিন্তু আমাদের সবার আড্ডাখানা ছিল নিচের তলায় একটা বড় ঘরে |
সেখানে আমরা দুই জা শ্বাশুড়ি ,আমাদের ছেলেমেয়েরা সবাই মিলে আড্ডা দিতাম ,টি.ভি দেখতাম ,লুডো খেলতাম ,|ওটাই ছিল আমাদের সকলের বসার ঘর |আর সেই সাধারণ ঘরেই
ছিল স্কুল টিচার ,প্রফেসর ,ডাক্তার ,এম.এল এ .সাংবাদিকদের আনাগোনা |সবাই আসতো
আমার স্বাশুড়ীমার কাছে নানারকম আলোচনার জন্য |শ্বাশুড়ি মা কিন্তু আমাদের একবারও
সেই ঘর থেকে চলে যেতে বলতেন না |বলতেন বৌমারা ওনাদের কিছু খেতে দাও |আমরা ওই ঘরে বসেই সবাই একসঙ্গে গল্প করতাম |সাংবাদিকরা বাড়িতে এসে স্বাশুড়ীমার সম্বন্দে কিছু
জানতে চাইলে বলতেন আমার সম্বন্দে আর কি লিখবেন |আমি খুব সাধারণ |সভা সমিতিতে
উদ্বোধনের জন্য বাড়ির সামনে গাড়ি আসলে উনি খুব উনি খুব সাধারণ ভাবেই যেতেন |
একই সাজ একটা ভালো শাড়ি হাতে ঘড়ি ,আর ঘরে ব্যাগ |আমরা দুই বৌ জোর করে হাতে একটা বালা পরিয়ে ,গায়ে বডিস্প্রে দিয়ে দিতাম |উনি হাসিমুখে বিরক্ত হতেন |বলতেন কি করছো তোমরা ,আমার এসব ভালো লাগে না |পরবর্তীকালে উনি সভা সমিতি পছন্দ করতেন
না |বলতেন আরো অনেক লোক আছে ,ওদের নিয়ে যাও ,আমার ভালো লাগে না |বাইরের কত লোককে যে উনি অর্থ সাহায্য করতেন |মেয়েদের উনি খুব সন্মান করতেন |মেয়েদের অপমান
সহ্য করতে পারতেন না |নাতি নাতনিরা বলতো দিদা চলন্ত ডিকশনারি |নাতি নাতনিদের সব সময় বলতেন ভালো করে পড়াশুনা করে নিজের পায়ে দাড়াও |উনি নিজের কাজ নিজেই করতে ভালোবাসতেন |বলতেন আমাকে করতে দাও নইলে পঙ্গু হয়ে যাবো |শেষের দিকে অবশ্য
আমরা জোর করে আয়া রেখেছিলাম |কিন্তু শেষপর্যন্ত উনাকে যেতেই হলো |নিত্য প্রাণায়াম ,
যোগাসন ,ব্যায়াম ,স্বল্প আহার ,কিছুই তাকে অনিবার্য্য অবধারিত পরিণতির হাত থেকে
রেহাই দিলো না |নিজের জেদ ,অহমিকা ,দাপট ,সবকিছু ঠিক রেখে মাথা উঁচু রেখেই পরিণত
৯০ বছরে পা রেখে ১৯১১ সালে ২৩সে ফেব্রুয়ারী তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন |আমরা আমাদের মা কে হারালাম |বিশ্বাস রাখি তিনি মর্ত্যধামে যে সুকর্ম করে গেলেন ,স্বর্গধামে
গিয়ে তিনি নিশ্চয় তাঁর সুফল লাভ করবেন |

তাঁর কথায় বলতে চাই -----জীবনের লক্ষ্য নয় সুখ | সাধারণ জীবনের লক্ষ্য হলো কর্তব্য পালন |

05/07/2017
Photos 08/03/2017
Photos 17/02/2017

Usain Bolt has won 9 gold medals in last 3 and he has run less than 2 mins on the track. That's economy of effort😎

Usain Bolt ran for less than 115 secs in total in his 3 Olympics and made 119 million dollars!

That's more than $1M for each second he ran!

That's a new unit of speed for the "run" for ...

$ 1Million/sec

But for those 2 mins he trained for 25+ years!

(Forward this wonderful words)

Photos 05/09/2016

Teacher you may not see the fruit of today's work but have seeded a lifetime of knowledge. Happy !!

www.databrio.com

Photos 05/09/2015

We are grateful to have you as our guide and teacher. The way you have cared and guided us make us what we are today.

We

Photos 23/02/2015

Aj tomar chole jaoar 4 bochor hoe gelo.. Sei 23-Feb-2011. Amader modhe tumi akhono acho. Tomar kotha tomar sikha niyei jibon er pothe agiye cholechi. Tomar ashirbad sobmoye amader songe ache.. Amader pronam niyo. Amra valo achi tumio valo theko. We miss you.. We love you..

Photos 12/11/2014

Rajasthan Trip with Dida. :)

Photos 05/09/2014

Happy Teacher's Day We miss you. But the lessons you have taught us will always remain with us. And we will try to Be a good human being like you .. --- A tribute From Grand Daughters and GrandSons

Want your school to be the top-listed School/college in Old Malda?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Old Malda
732101