14/05/2026
আজকে চন্ডিগাছী চাঁচলে থাকবো,ইন শা আল্লাহ
welcome to my page
14/05/2026
আজকে চন্ডিগাছী চাঁচলে থাকবো,ইন শা আল্লাহ
জাহেদুল বুখারী এক বাপের সন্তান হলে সামনে এসো।
জাহেদুল বুখারীর নাম শুনে নাকি সুন্নি আলিম ভয় পেয়ে জলসা ক্যানসেল করেছে।তাই জাহেদুলের চ্যালেঞ্জ তার সঙ্গে কোনো সুন্নি আলিম নাকি ১০ মিনিট আলোচনা করতে পারবে। আরে ব্যাটা নির্লজ্জ তোমাকে আমি প্রায় ছয় থেকে সাত মাস আগে চ্যালেঞ্জ করেছি আর এখনো করছি যদি এক বাপের বৈধ সন্তান হয়ে থেকো তাহলে এসো আমার সাথে আলোচনা করো ১০ মিনিটে যদি তোমার চৌদ্দগুষ্টি কে বিদআতি ও মুশরিক প্রমাণ না করতে পারি তাহলে জাতির সামনে মুখ দেখাবো না।
জাহেদুল বুখারী একটা কথা বলুন তো তোমাদের মতো আহলে হাদীসদের কি লাজ লজ্জা বলতে কিছুই নেই, আরে ব্যাটা তাক্ববীয়াতুল ঈমানের ইবারাত নিয়ে তোমার বাপ ইসমাইল দেহলভী বাঁচাতে না পেরে লেজ গুটিয়ে পালালে। বুখারী শরীফের ৭৪০ নং হাদীস থেকে বুকের উপর হাত বাঁধা প্রমাণ না করতে পেরে মায়ের আঁচলের তলায় আশ্রয় নিলে। আবার তোমার রুহানি বাপ ওয়াহেদুজ্জামান কে অস্বীকার করতে গিয়ে ধরা খেলে।
এতোবার লজ্জিত হওয়ার পর ও মুর্খতার পরিচয় দিতে লজ্জা করে না।
ইতি: মুফতি মানিরুল ইসলাম আমজাদী,কালিয়াচক, মালদা
২১/০৪/ ২০২৬
পবিত্র হাদীস ও আহলে হাদীসদের পুস্তক থেকে ফরয নামাযের পর সম্মিলিত মোনাজাত করার দলীল।
আলোচক : মুফতি মানিরুল ইসলাম আমজাদী।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পিতা-মাতা কি জাহান্নামি ? ওয়াহাবী সম্প্রদায়ের মুখোস উন্মোচন।
12/04/2026
কোন বিষয়কে হারাম প্রমাণ করার জন্য অকাট্য দলিলের প্রয়োজন
সুনানে ইবনে মাজাহ-হাদিসনং-3367-
عن سَلْمَانَ الفارِسَیّ : قَالَ : سُئل رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ السَمنِ وَالْجُبْنِ وَالْفِرَاءِ قَالَ : الْحَلَالُ مَا أَحَلَّ اللهُ فِي كِتَابہ . والحَرَامُ مَا حَرَّمَ اللهُ فِي كِتَابِهِ، وَمَا سَكَتَ عَنْهُ فَهُوَ مِمَّا عفا عنه. :
অনুবাদ:- হযরত সালমান ফারসী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রসূল স্বল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করা হলো ঘি পানির ও জংলি গাধা সম্পর্কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, হালাল ওই বস্তু যাকে আল্লাহ পাক পবিত্র কুরআনে হালাল করেছেন। এবং হারাম ওই বস্তু যাকে আল্লাহ পাক পবিত্র কুরআনে হারাম করেছেন। আর যেই সমস্ত জিনিষে আল্লাহ পাক চুপ থেকেছেন সেগুলি হচ্ছে মুআফ (মুবাহ) জায়েয।–—
লা মাজহাবীদের ইমাম ইবনে তাইমিয়া
মাজমুয়ায়ে ফাতাওয়া-খণ্ড-1-পৃষ্ঠা-180
انه لا يجوز أن يُحرم شَيئٌ إِلَّا بِدَليلٍ شَرْعِيّ
অর্থাৎঃ- শারয়ী দলীল ব্যাতিত কোনো জিনিষ কে হারাম বলা না জায়েয।
দোয়াপ্রার্থী : মুফতি মানিরুল ইসলাম আমজাদী,কালিয়াচক, মালদা
ভারতের বুকে মুসলমানদের মাঝে সর্ব প্রথম ফিতনা সৃষ্টিকারী ব্যক্তি ইসমাইল দেহলভী।
আলোচক : মুফতি মানিরুল ইসলাম আমজাদী।
08/04/2026
প্রশ্নঃ- ক্ববরে মাটি দেওয়ার সময় দুআ হিসাবে, মিনহা খলাকনাকুম ওয়াফিহা নুইদুকুম ওয়ামিনহা নুখরি জুকুম তারাতান উখরা পড়া যাবে কিনা?
উত্তরঃ- ক্ববরে মাটি দেওয়ার সময় পবিত্র কুরআনের সুরা ত্বহা 55 নং আয়াত, এই আয়াত টিকে দুআ হিসেবে পড়া অবশ্যই জায়েয ও মুস্তাহাব। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো কিছু জ্ঞানপাপী কথাকথিত লামাযহাবী শায়েখরা এই আমল টিকে না জায়েজ হারাম ও শির্ক এর ফাতাওয়া দিয়ে সাধারণ মানুষ কে বিভ্রান্ত করছে। কিন্তু তারা তাদের দাবীর পক্ষে কুরআন ও হাদিস বা আসারে সাহাবা বা কোনো ইমামদের ক্বৌল দলীল হিসেবে উল্লেখ করতে পারেনি আর ইনশা আল্লাহ পারবেও না।
প্রিয়ো সূধী মণ্ডলীঃ- এবার আসুন আমরা আমাদের পক্ষের দলিল নিয়ে আলোচনা করি ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল রাহমাতুল্লাহি আলাইহি ইন্তেকাল -241-হিজরী মুসনাদে আহমাদ-খন্ড-36-পৃষ্ঠা-524-হাদিস-22187 ইমাম বাইহাকী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি-ইন্তেকাল-458 -আস সুনানুল কুবরা-খণ্ড-3-পৃষ্ট-574-হাদিস নং-6726- ইমাম ইবনে কাসির রাহমাতুল্লাহি আলাইহি ইন্তেকাল -774 জামিউল মাসানিদে ওয়াস সুনান-খন্ড-8-পৃষ্টা-569- হাদিস নং-11024.
ইমাম আলাউদ্দিন আল্ল হিন্দি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি ইন্তেকাল-975 হিজরী-
কানযুল উম্মাল-খন্ড-15 - পৃষ্ঠা-602-হাদিস নং-42396
ইমাম ইবনে মুলাক্বীন রাহমাতুল্লাহি আলাইহি-ইন্তেকাল 804 আল বাদরুল মুনির-খন্ড-13-পৃষ্ঠা-242 ইমাম নুরুদ্দিন হাইসামী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি ইন্ডেকাল-807-হিজরী-
'মাজমাউয যাওয়ায়িদ -খন্ড 6 পৃষ্ঠা-486 হাদিস নং 4288 – এছাড়া আরো অসংখ্য হাদিস গ্রন্থে হাদিস খানা লিপিবদ্ধ রয়েছে- হাদিস খানা হচ্ছে।
عَنْ أَبِى أُمَامَةَ قَالَ: لَمـَّا وُضِعَتْ اُمُّ كُلْثُمِ اِبْنَـةُ رَسُوْلِ اللّٰهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ فِيْ الْقَبْرِ قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ : مِنْهَا خَلَقْنَا كُمْ وَ فِيْهَا نُعِيْدُ كُمْ وَ مِنْهَا نُخْرِ جُكُمْ تَارَةً اُخْرَى
অর্থাৎ:- আবু উমামা, রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নিজ কন্যা উম্মে কুলসুম রাদিয়াল্লাহু আনহা কে দাফন করেন তখন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মিনহা খলাকনাকুম ওয়াফিহা নুইদুকুম ওয়ামিনহা নুখরি জুকুম তারাতান উখরা।
অতএব:- নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত ব্যক্তিকে দাফন বা মাটি দেওয়ার সময় উক্ত আয়াতকে দুয়া হিসেবে পাঠ করেছেন যা হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে সুতরাং এই আমলকে নাজায়েজ ও হারাম বলা চরম পর্যায়ের মূর্খতা।
সনদ পর্যালোচনা:- ইমাম বায়হাকী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এই হাদিস খানা উল্লেখ করার পর বলেন, هَذَا اِسْنَادٌ ضَعِيْفٌ
এই হাদিসের সনদ জয়ীফ- ইমাম মুলাক্কিন তিনি তাঁর স্বীয় গ্রন্থ আল বাদরুল মুনির- ও ইমাম বায়হাকীর উদ্ধৃতী দিয়ে বলেন। اِسْنَادُہُ ضَعِيْفٌ - এই হাদিসের সনদ দুর্বল ইমাম নুরুদ্দিন হাইসামি রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনিও এই হাদিস খানা উল্লেখ করার পর বলেন, اِسْنَادُہُ ضَعِيْفٌ
অতএব:- মোহাদ্দিসীনে কেরামের দৃষ্টিতে এই হাদিসের সনদ দুর্বল। আর জয়ীফ হাদিস এর গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে সমস্ত মুহাদ্দিসীনে কেরাম ঐক্যমত পোষণ করেছেন। যে জয়ীফ হাদিস ফজিলতের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য। যেমন ইমাম নবাবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ইন্তেকাল- 676- আল আযকার- পৃষ্ঠা-11- এর মধ্যে তিনি স্পষ্ট ভাবে বলেছেন।
قَالَ الْعُلَمَاءُ مِنَ الْمُحَدِّ ثِيْنَ وَالْفُقَهَاءِوغَيْرَ هُمْ يَجُوْزُ و یستَحِبُّ العَمَلُ فِيْ الْفَضَائِلِ وَالتَّرْغِيْبِ وَالتَّرْهِيْبِ باِالْحَدِيْثِ الضَّعِيْفِ مَا لَمْ يَكُنْ مَوْ ضُوعًا
অর্থাৎ:- মুহাদ্দিসীনে কেরাম ও ফোঁকাহায়ে ইযাম এবং অন্যান্য উলামায়ে কেরামগণ বলেছেন। ফজিলতের ক্ষেত্রে ও আকর্ষণ সৃষ্টি ও ভিতি সঞ্চারের ক্ষেত্রে জয়ীফ হাদিসের প্রতি আমল করা জায়েজ ও মুস্তাহাব রয়েছে।
অতএব:- উপরোক্ত হাদিস ও মুহাদ্দিসীনে কেরামের নীতিমালা থেকে পরিষ্কার বুঝা যায় যে উক্ত আয়াতটি কে মাটি দেওয়ার সময় দুয়া হিসেবে পড়া জায়েজ। যা গ্রহণযোগ্য ও আমলযোগ্য হাদিস থেকে প্রমাণিত। এ বিষয়ে জগৎবিখ্যাত মুহাদ্দিশ ইমাম নবাবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর ফতোয়া। ইমাম নবাবী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি আল আজকার পৃষ্ঠা- 155-
سُّنَّةُ لِمَنْ كَانَ عَلَى الْقَبْرِ اَنْ يَحثىَّ فِيْ الْقَبْرِ ثَلاَثَ حَشَيَاتٍ بِيَدَيْهِ جَمِيْعًا مِنْ قَبْلِ رَاْئسِهِ
অর্থাৎ:- কবরে মাটি দেওয়ার ক্ষেত্রে সুন্নত হল, মৃত ব্যক্তির মাথার দিক থেকে তিন মুষ্টি মাটি নিয়ে কবরের উপর মাটি দেওয়া।
তারপর তিনি বলেন..…
قَالَ جَمَاعَةُ مِنْ اَصْحَابِنَا: يُسْتَحَبُّ اَنْ يَّقُوْل فِيْ الْحَشِيْـةِ الْاُوْلَى : مِنْهَا خَلَقْنَا كُمْ وَ فِىْ الثَّانِيَةِ وَ فِيْهَا نُعِيْدُ كُمْ ، وَ فِىْ الثَّالِثَةِ:وَ مِنْهَا نُخْرِجُكُمْ تَارَةً اُخْرٰى
অর্থাৎ:- আমাদের ওলামাদের এক জামাত বলেছেন। যে মুস্তাহাব আমল হচ্ছে, প্রথম মুষ্টি মাটি দিবে তখন বলবে- মিনহা খলাকনাকুম, দ্বিতীয় মুষ্টি মাটি দিবে তখন- ওয়াফিহা নুইদুকুম, এবং তৃতীয় মুষ্টি মাটি দিবে তখন বলবে- ওয়ামিনহা নুখরি জুকুম তারাতান উখরা।
এ বিষয়ে গাইর মুকাল্লিদ আলিমদের ফাতাওয়া:-
সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি, শায়েখ আব্দুল আজিজ বিন বায-মাজমুয়ায়ে ফাতাওয়া ওয়া মাক্কা লাতে মাতনুওয়া- খন্ড- 13- পৃষ্ঠা- 196- 197...
س: ما حكم قول: مِنْهَا خَلَقْنَا كُمْ وَ فِيْهَا نُعِيْدُ كُمْ وَ مِنْهَا نُخْرِجُكُمْ تَارَةً اُخْرٰى عِنٍدَ الدَّفَنْ ؟
অর্থাৎ:- দাফন করার সময়, মিনহা খালাকনাকুম, উক্ত আয়াতটি পড়ার বিধান কি?- তিনি উত্তরে বলেন।
ج: هَذَا سُنَّةٌ وَيَقُوْلُ مَعَهُ: بِسْمِ اللّٰهِ وَاللّٰهُ اَكْبَرُ
উত্তর:- উক্ত দুআর সাথে বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার পড়া সুন্নত।
কাজী শাউকানী- নাইলুল আউতার- খন্ড- 7- পৃষ্ঠা- 421- হযরত আবু উমামা, রাদিয়াল্লাহু আনহু হাদিস খানা উল্লেখ করেছেন। তার সাথে বিসমিল্লাহি ওয়াফি সাবিলিল্লাহ ওয়া আলা মিল্লাতি রাসূলুল্লাহি.. এই শব্দগুলো যুক্ত করেছেন। তারপর তিনি বলেন..
নাইলুল আউতার - খন্ড-7- পৃষ্ঠা- 425.. এর মধ্যে
قَوْلُـهُ: ( مِنْ قَبْلِ رَأسِهِ) فِيْهِ دَلِيْل عَلٰى اَنَّ الْمَشْرُوعَ اَنْ يَحْثَى عَلٰى الْمَيِّتِ مِنْ جِهَةِ رَاْسِهِ
অর্থাৎ:- এখান থেকে প্রমাণিত হয়। যে মৃত ব্যক্তিকে মাটি দিতে হবে মাথার দিক থেকে .তারপর তিনি বলেন..,
وَيَسْتَحِبُّ اَنْ يَقُوْلَ عِنْدَ ذٰلِكَ : مِنْهَا خَلَقْنَا كُمْ وَ فِيْهَا نُعِيْدُ كُمْ وَ مِنْهَا نُخْرِجُكُمْ تَارَةً اُخْرٰى ذَكَرَهُ اَصْحَابُ الشَّافِعِى
অর্থাৎ:- উলামায়ে শাফি গণ বলেছেন. যে মাটি দেওয়ার সময় মিনহা খালাকনাকুম উক্ত আয়াতকে দুআ হিসেবে পড়া মুস্তাহাব।
তারপর আহলে হাদিসের শাইখুল কুল. নাজির হোসেন মুহাদ্দিস দেহলবী..
ফাতাওয়ায়ে নাজারিয়া- খন্ড-1-পৃষ্ঠা- 683.., এর মধ্যে তিনাকে প্রশ্ন করা হলো..
سوال: کیا فرماتے ہیں علماء دین اور مفتیان شرع متین مسائل زیل میں کہ دہلی میں مٹی دیتے وقت ایت، مِنْهَا خَلَقْنَا كُمْ اَيه٠٠٠ پڑھتے ہیں تو کیا حکم ہے
অর্থাৎ:- ওলামায়ে কেরাম ও মুফতিয়ানে ইযাম এর কাছে আমার প্রশ্ন যে দিল্লিতে কিছু লোক মাটি দেওয়ার সময় মিনহা খালাকনাকুম পড়ে। এই আয়াতকে দোয়া হিসেবে পড়ার হুকুম কি?
উত্তরে তিনি বলেন।
علمائے حنیفہ اور شافعیہ نے لکھا ہے کہ مٹی دیتے وقت آیت مِنْهَا خَلَقْنَا كُمْ (الخ )پڑھنا مستحب ہے
অর্থাৎ:- ওলামায়ে হানাফী আর শাফিগণ বলেন মাটি দেওয়ার সময় মিনহা খালাকনাকুম সম্পূর্ণ আয়াতটি দোয়া হিসেবে পড়া মুস্তাহাব। তারপর তিনি সুবুলুস সালাম কিতাব এর রেফারেন্স দিয়ে মিরকাত শারাহ মিশকাত এর রেফারেন্স দিয়ে ইমাম মোল্লা আলী কারীর বক্তব্য নকল করেছেন। তারপর তিনি নাইলুল আউতার রেফারেন্স দিয়ে কাজী শাইকানির বক্তব্য নকল করেছেন। যা আমি পূর্বেই তিনাদের বক্তব্য উল্লেখ করেছি।
অতএব:- উল্লেখিত আলোচনা থেকে দিবালোকের ন্যায় পরিষ্কার হয়ে যায়। যে গাইর মুকাল্লিদ ঘরানার গ্রহণযোগ্য ওলামাদের নিকট ও মাটি দেওয়ার সময় উক্ত আয়াতটি দোয়া হিসেবে পড়া নাজায়েজ হারাম বা শির্ক নয়। বরং মুস্তাহাব।
আপত্তি:- মাটি দেওয়ার সময় উক্ত আয়াতটি দোয়া হিসেবে পড়া শিরক কেননা আয়াতের অর্থ হচ্ছে মাটি থেকেই আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি মাটিতেই আমি তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেব। এবং মাটি থেকেই তোমাদেরকে পুনরায় বের করে আনবো।
আমাদের উত্তর:- উক্ত আয়াত পড়লে যদি শিরক হয়ে যায় তাহলে সূরা কাওসার এর প্রথম আয়াত, ইন্না আতাইনা কাল কাওসার, এর অনুবাদ কি করবেন আপনারা? অর্থ:- হে হাবিব নিশ্চয় আমি তোমাকে আলকাউসার দান করেছি। তাদের কথা অনুযায়ী এ আয়াত পড়লেও মানুষ মুশরিক হয়ে যাবে। তাহলে কি আমরা সবাই এই আয়াত পড়া ছেড়ে দেব? আর তারা এখনো পর্যন্ত সূরা কাওসার পড়ার কারণে মুশরিকের ফাতাওয়া লাগাই না কেন?
দ্বিতীয় উত্তর:- উক্ত আয়াতটি দোয়া হিসেবে পড়া জায়েজ ও সুন্নত এই ফাতাওয়া দিয়েছে, শাইখ বিন বাজ- কাজী শাউকানি-ও নাজির হোসেন দেহলবী। , এখন বর্তমান যুগের গায়ের মুকাল্লিদদের বল এই আলিমদেরকে মুশরিকের ফাতাওয়া কখন দেবেন? উক্ত দোয়া পড়ার কারণে আমরা যদি মুশরিক হয়। তাহলে আপনাদের ঘরের আলিমগণ মুশরিক হবে না কেন???
অন্যের ছেলে দোষ করলে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবেন। আর নিজের ছেলে দোষ করলে মাথায় উঠিয়ে আনন্দ করবেন। এটা কোন নীতি?
অতএব:- উপরের আলোচনা থেকে পরিষ্কার হয়ে যায় যে দলিলের আলোকে ও গায়ের মুকাল্লিদ আলিমদের বক্তব্যের আলোকে ও প্রমাণ হয়ে যায়। যে উক্ত আয়াতটিকে দোয়া হিসেবে পড়া জায়েজ ও মুস্তাহাব রয়েছে। যারা অতি বাড়াবাড়ি করে নিজের মতকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্য গবেষণা না করেই কাউকে মুশরিক বানিয়ে দেওয়া কখনো শিক্ষিত ব্যক্তির কর্ম হতে পারে না। আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে ফিতনাবাযদের ফিতনা থেকে হেফাজত করেন আমীন।
ইতি- মুফতি মানিরুল
ইসলাম আমজাদী
কালিয়াচক মালদা.
শিক্ষক, মাদ্রাসা গাউসিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া হরিবাটি, কুলি, মুর্শিদাবাদ...
মাযার কেন্দ্রিক কুসংস্কার কে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের মান্যকারিগণ সমর্থন করে না।
আলোচক : মুফতি মানিরুল ইসলাম আমজাদী।
আল্লাহর নৈকট্য প্রাপ্ত বান্দাদের কবরে চাঁদর দেওয়া যাবে কিনা ?
আলোচক : মুফতি মানিরুল ইসলাম আমজাদী।
নাজাতপ্রাপ্ত দল নিয়ে আহলে হাদীস সম্প্রদায়ের ধোঁকাবাজি।
আলোচক : মুফতি মানিরুল ইসলাম আমজাদী।
31/03/2026
আলহামদুলিল্লাহ ৩০/০৩/২০২৬ মালদা জেলার নবীনগর গ্রামে আমার প্রাণ প্রিয় শিক্ষক মুফতি মুখলেসুর রহমান হাফিজাহুল্লাহ কে পাশে বসিয়ে প্রায় ১:৩০ মিনিট আলোচনা করলাম।
আল্লাহ পাক আমাদের এই পথ চলা কে কবুল করুন।