Uttaran

Uttaran উত্তরণ, বাধা পেরোনোর পথ, কুশলতা ও চেষ্টা

    is power   to success   প্রাচীনতম প্রজাতির উদ্ভিদ এর সন্ধান মেদিনীপুরে,,,,,,পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নতুন ...
23/12/2025


is power
to success


প্রাচীনতম প্রজাতির উদ্ভিদ এর সন্ধান মেদিনীপুরে,,,,,,

পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নতুন একটি উদ্ভিদের সন্ধান মিলল পশ্চিম মেদিনীপুরের জঙ্গলে। নতুন লিভারওয়ার্ট প্রজাতির এই উদ্ভিদের নাম রাখা হয়েছে 'ফসমব্রোনিয়া বেঙ্গলিনসিস' (Fossombronia bengalensis)। পশ্চিমবঙ্গের নামানুসারেই এই নামকরণ বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

লিভারওয়ার্ট প্রজাতির উদ্ভিদগুলি পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তা ছাড়াও পৃথিবীর প্রাচীনতম স্থলজ উদ্ভিদের মধ্যেও অন্যতম। নতুন এই উদ্ভিদটির সন্ধান প্রথমে পান বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।

গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক জার্নাল 'ফাইটোট্যাক্সা'-তে। এর আগে অযোধ্যা পাহাড় থেকে এমনই একটি নতুন উদ্ভিদের সন্ধান পেয়েছিলেন গবেষকরা। যাঁর নামকরণ করা হয়েছিল ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নামে।
সম্প্রতি মেদিনীপুরের ভাদুতলার. জঙ্গলের হরিণামারি এলাকায় স্যাঁতসেঁতে ও ছায়াঘেরা শাল জঙ্গলে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রসমীক্ষার সময়ে হঠাৎ একটি উদ্ভিদ নজরে আসে গবেষকদের। আকারে ক্ষুদ্র হলেও জহুরির চোখ চিনতে ভুল করেনি।

গবেষকরা বলছেন, এই প্রজাতির উদ্ভিদের অর্থনৈতিক মূল্য না থাকলেও জীববৈচিত্রের ক্ষেত্রে গুরুত্ব অপরিসীম। দেবেন্দ্র বলেন, 'এই প্রজাতির উদ্ভিদটি বিশ্বে প্রথম পশ্চিম মেদিনীপুরের জঙ্গলে পাওয়া গেল। তাই পশ্চিমবঙ্গের নামেই এর নামকরণ হয়েছে। এই আবিষ্কার আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।'

তথ্য সূত্র : এই সময় পত্রিকা

      **** মহালয়ার আগেই তাণ্ডব  ,,,মণ্ডু খেকো """"অসুরের""" নাম তার আমিবা( নাগলেরিয়া ফাউলেরি)**** 'ব্রেন-খেকো' অ্যামিব...
18/09/2025






**** মহালয়ার আগেই তাণ্ডব ,,,
মণ্ডু খেকো """"অসুরের""" নাম তার
আমিবা( নাগলেরিয়া ফাউলেরি)****

'ব্রেন-খেকো' অ্যামিবার সংক্রমণ ও তার জেরে মৃত্যু মাথাচাড়া দিতেই ফের সতর্কতা জারি করল দক্ষিণের রাজ্য কেরল। চলতি বছরে গত ন'মাসে এই ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯ জন, তার মধ্যে প্রাণ গিয়েছে ১৯ জনের। যার মধ্যে বেশির ভাগেরই মৃত্যু হয়েছে গত কয়েক সপ্তাহে। কেরালার স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রের খবর, মৃতের তালিকায় তিন মাসের শিশু থেকে শুরু করে, ৫২ বছরের প্রৌঢ়া, এমনকী ৯১ বছরের বৃদ্ধও রয়েছেন। আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৭০ ছুঁইছুঁই। কোঝিকোড়, কান্নুপুর এবং মালামুরমে রোগের দাপট বেশি হলেও গোটা রাজ্যই এই ঘিলু-খেকো (ব্রেন-ইটিং) অ্যামিবার দাপটে তটস্থ। এর মোকাবিলাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে স্বীকার করে নিলেন কেরালার স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ।

চিকিৎসা পরিভাষায় মস্তিস্কের এই বিরল সংক্রমণের নাম 'প্রাইমারি অ্যামিবিক মেনিঙ্গো-এনকেফেলাইটিস' (পিএএম)। যার নেপথ্যে রয়েছে 'নাগলেরিয়া ফাউলেরি' নামের একটি এককোষী অ্যামিবা। এই রোগে মৃত্যুর হার সারা বিশ্বে প্রায় ৯০ শতাংশ। নাক-মুখ দিয়ে ঢুকে ক্ষতিকারক অ্যামিবা কয়েক দিনের মধ্যেই মস্তিষ্কের অলফ্যাক্টরি নার্ভে আক্রমণ করে। কুরে কুরে খেতে শুরু করে মস্তিষ্কের কোষ। শেষমেশ যাতে মৃত্যু হয় রোগীর। সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে তীব্র মাথাব্যথা, জ্বর, বমি। একটা সময়ে রোগীর মধ্যে খিঁচুনি ভারসাম্যহীনতাও দেখা দিতে পারে। শেষের দিকে হয়তো কোমা। লক্ষণ দেখা দেওয়ার ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বেশ কিছু।

সুইমিং পুল, পুকুর, খাল, ওয়াটার পার্ক, লেক- দূষিত বা বন্ধ কোনও জলাশয় থেকে এই সংক্রমণ ছড়ায় বেশি। নাক-মুখ দিয়ে ঢুকে এই অ্যামিবা সরাসরি অ্যাটাক করে সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমকে। ছয়ের দশকে ভারতে প্রথম বার ব্রেন-ইটিং অ্যামিবা সংক্রণের খবর মেলে। কেরালায় প্রথম বার এই রোগ ধরা পড়ে ২০১৬-য়।

স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ রবি শঙ্করের মতে, 'প্রাণঘাতী এই অ্যামিবা নিজে থেকে অ্যাটাক করে না। মানুষের থেকে মানুষের মধ্যে ছড়ায় না। কিন্তু যেখানকার জলে এই অ্যামিবা রয়েছে, সেখানে যদি কেউ স্নান করেন বা সাঁতার কাটতে গিয়ে তাঁর নাক-মুখ দিয়ে জল ঢুকে যায়, সেটাই মারাত্মক। এটি বিশ্বের সবচেয়ে মারাত্মক সংক্রমণগুলোর মধ্যে একটি। তবে সতর্ক থাকলে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।' যেহেতু এই রোগের চিকিৎসা সীমিত এবং মৃত্যুর হার বেশি, তাই প্রতিরোধই সবচেয়ে ভালো উপায় বলে জানিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরও। প্রশাসনের তরফে জলাশয়গুলোতে নজরদারি বাড়ানো এবং জল পরিষ্কার রাখার জন্য যথাযথ ক্লোরিনেশনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রোগ দ্রুত চিহ্নিত করার উপরেও জোর দিচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর। প্রি-সেরিব্রাল স্টেজে ককটেল ড্রাগে কিছুটা হলেও সুরাহা মিলছে বলে দাবি চিকিৎসকদের। নোংরা, অপরিষ্কার পুকুরে স্নান, কুয়োর জল খাওয়া বা স্নানে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

তথ্য সূত্র: হিন্দু, বি সি সি এল, এই সময়, ইন্টারনেট

"""সমুদ্র নিচে ঘুমিয়ে আছে স্বপ্নের নগর"""ছ'বছরের পরিশ্রম এবং প্রায় ১৩ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা খরচ করে সমুদ্র...
16/09/2025

"""সমুদ্র নিচে ঘুমিয়ে আছে স্বপ্নের নগর"""

ছ'বছরের পরিশ্রম এবং প্রায় ১৩ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা খরচ করে সমুদ্রের নীচে অভিযান চালানোর ফল শেষ পর্যন্ত পাওয়া গেল। ইউরোপের পশ্চিমে নর্থ সি-র তলদেশে প্রায় ২৬ ফুট গভীরে ৪৩০ বর্গফুট এলাকায় খোঁজ মিলেছে অন্তত ৮৫০০ বছরের পুরোনো অর্থাৎ নতুন প্রস্তর যুগের একটি 'শহরের' অবশেষ। আরহাস উপসাগরে সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়া এই প্রাচীন শহরকেই উপকথার তলিয়ে যাওয়া শহর 'অ্যাটলান্টিস'-এর সঙ্গে তুলনা করছেন মেরিন আর্কিওলজিস্টরা।
তাঁদের একটা বড় অংশ বহু বছর ধরেই দাবি করে আসছেন যে, কয়েক হাজার বছর আগের পৃথিবীতে সত্যিই এমন একটা শহর ছিল, যেটা তলিয়ে গিয়েছিল সমুদ্রে। মিশর দখল করার পরে স্মারক হিসেবে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট আলেকজান্দ্রিয়া শহর তৈরি করান। পরে ওই শহরের অনেকটা অংশ ভূমধ্যসাগরে তলিয়ে গিয়েছিল।

আটলান্টিস হল পৌরাণিক উপকথা অনুযায়ী সমুদ্রতলে হারিয়ে যাওয়া একটি দ্বীপ। খ্রিষ্টপূর্ব ৩৬০ সাল এর দিকে বিশ্ববিখ্যাত দার্শনিক প্লেটো তাঁর ”টাইমাউস এন্ড ক্রিটিয়াস” বই এ প্রথম আটলান্টিস এর কথা বলেন। তৎকালীন সময় ওনার বয়স ছিল প্রায় ৬৭ বা ৬৮ বছর। প্লেটোর লেখা মতে প্রায় ৯০০০ বছর আগে আটলান্টিস ছিল হারকিউলিসের পিলারের পাদদেশে একটি দ্বীপ। এর অধিবাসী নৌ-সক্ষমতা দিয়ে ইউরোপের অধিকাংশ স্থান জয় করেছিল। কিন্তু এথেন্স জয় করার একটি ব্যার্থ প্রয়াসের পর এক দিন ও এক রাতের প্রলয়ে এটি সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

প্লেটোর এই মতবাদ কে সত্য বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রখ্যাত অভিযাত্রী ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফির গবেষক ‘রবার্ট বেলিয়াড’ যিনি “টাইটানিক” জাহাজ আবিস্কার করেন।
প্লেটোর লেখা মতে ঐ সময়ে আটলান্টিসবাসীরা স্থাপত্য নির্মাণশৈলীতে অত্যন্ত নিপুন ছিল এবং তাদের যন্ত্র শিল্পে ছিল আধুনিক যন্ত্রের ছায়া। ওই সভ্যতার ভিত্তি গড়ে উঠে লোহার স্থাপনা দিয়ে। বলা হয় আটলান্টিস বাসীদের বাড়িঘর কনক্রিট এর ছিল এবং প্রতিটি ঘর একটি আর একটির সাথে সংযুক্ত ছিল যোগাযোগ এর জন্য।

কেউ কেউ মনে করেন, ওই ঘটনাই পরবর্তী কালে অ্যাটলান্টিস-উপকথার জন্ম দেয়। আবার মহাভারত অনুযায়ী, যাদবরা যখন তাঁদের রাজধানী দ্বারকায় সরিয়ে আনেন, সেই সময়ে কৃষ্ণের অনুরোধে সমুদ্র পিছিয়ে গিয়ে নগর তৈরির জন্য জায়গা ছেড়ে দেয়। পরে সমুদ্র আবার 'নিজের জায়গা' ফিরিয়ে নিয়েছিল এবং প্রাচীন দ্বারকা তলিয়ে যায় সমুদ্রে। সুতরাং, সমৃদ্ধ কোনও প্রাচীন শহরের সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার বিষয়টি একেবারে উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয় বলে বিশেষজ্ঞদের অনেকের অভিমত।

নর্থ সি-র নীচে সাড়ে ৮ হাজার বছরের পুরোনো শহরের অবশেষ পাওয়া দলের সদস্যরা জানাচ্ছেন, ওই প্রত্নক্ষেত্র থেকে পাথরের তৈরি নানা ধরনের যন্ত্র, তিরের ফলা, বিভিন্ন রকমের হাড় থেকে তৈরি গৃহস্থালির সরঞ্জাম, কাঠ খোদাই করে তৈরি যন্ত্র এবং সিল মাছের দাঁত থেকে তৈরি একটি গয়না পাওয়া গিয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, সমুদ্রের একেবারে পাড় বরাবর প্রাচীন ওই জনপদ তৈরি করা হয়েছিল। তার পরে সমুদ্রতল খুব দ্রুত বেড়ে গিয়ে ওই শহরকে ডুবিয়ে দেয়। গোটা শহরটা থকথকে কাদার নীচে চলে যাওয়ার ফলে সে ভাবে অক্সিজেনের সংস্পর্শে আসতে পারেনি। যার ফলে কাঠের তৈরি বিভিন্ন ধরনের সামগ্রীও পচে যায়নি।

প্রত্নতাত্ত্বিকদের অনেকে জানাচ্ছেন, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সমদ্রে তলিয়ে যাওয়া এই ধরনের জনপদ শুধু মানুষের প্রাচীন ইতিহাস জানার জন্য প্রয়োজনীয় নয়। একই সঙ্গে এই ধরনের আবিষ্কার থেকে এখনকার মানুষ বুঝতে পারে, জলবায়ু পরিবর্তন ও ভৌগোলিক অবস্থার বদলের সঙ্গে কী ভাবে প্রাচীন মানুষ খাপ খাওয়াতে শিখেছিল, সেটাও।

সূত্র : এই সময়, বি বি সি, ডাউন টু আর্থ,ইন্টারনেট।

        ***রহস্য ময় লাল হ্রদ***"""যার এক বিন্দু জলের স্পর্শেই সব পাথর হয়ে যায়""রক্তের মতো টকটকে লাল রং হ্রদের জলের। আ...
11/09/2025






***রহস্য ময় লাল হ্রদ***
"""যার এক বিন্দু জলের স্পর্শেই সব পাথর হয়ে যায়""

রক্তের মতো টকটকে লাল রং হ্রদের জলের। আর তার চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য পাথরের তৈরি মূর্তি। যার মধ্যে বাদুড় বা ছোট স্থলচর প্রাণীও আছে। কিন্তু এইসব মূর্তির নির্মাতা আসলে কে? কেনই বা জনহীন প্রান্তরে আশ্চর্য সব শিল্পকর্ম সাজিয়ে রাখা হয়েছে? না, কোনও ব্যক্তি নন। বরং, এক্ষেত্রে শিল্পীর ভূমিকায় রয়েছে খোদ প্রকৃতিই।

২০১৩ সাল। আফ্রিকা মহাদেশের তাঞ্জানিয়ার অরণ্যে বন্যপ্রাণীদের ছবি তুলতে তুলতেই আরুশা প্রদেশের 'নেট্রন' নামের এই হ্রদে পৌঁছে গিয়েছিলেন ব্রিটিশ ফোটোগ্রাফার নিক ব্র্যান্ড। সেই সময়ই তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই আশ্চর্য সব মূর্তি। প্রাথমিকভাবে তিনিও ঠাহর করেছিলেন স্থানীয় কোনও উপজাতির মানুষ হয়তো পশুপাখিদের প্রতিকৃতি তৈরি করে স্থাপন করেছেন হ্রদের চারপাশে। তবে ভুল ভেঙেছিল কয়েক মুহূর্ত পরই। কারণ সেখানে কোনও বসতি নেই। পরবর্তীকালে বিভিন্ন গবেষণার পর জানা যায়, হ্রদের জল লাল হওয়ার অন্যতম কারণ নেট্রন ও ট্রনা নামের দু'টি বিশেষ যৌগের উপস্থিতি। এই যৌগগুলির কারণেই হ্রদের জল টকটকে লাল। নেট্রনের নামানুসারেই নাম রাখা হয় হ্রদের। সবমিলিয়ে এই দুই

যৌগের কারণেই জলের পিএইচ মাত্রা প্রায় ১২-র কাছাকাছি। যা উচ্চ ক্ষার হিসাবেই পরিগণিত হয় রসায়নের জগতে। মূলত এই ক্ষারই জীবিত পাখিদের শরীর পরিণত করে পাথরের মূর্তিতে। তবে মজার বিষয় হল, এতকিছুর পরেও এই হ্রদে দিব্যি ঘুরে বেড়ায় এক বিশেষ প্রজাতির পাখি। রেড ফ্লেমিঙ্গো।

তাঞ্জানিয়ায় বসবাসকারী প্রাচীন উপজাতির মানুষজনের কথায়, এই হ্রদে শতকের পর শতক ধরে বসবাস করে আসছে ফ্লেমিঙ্গোরা। আজও এই হ্রদের ধারে ঘুরতে গেলেই দেখা যাবে, লম্বা লম্বা পায়ে হ্রদের জলে হেঁটে বেড়াচ্ছে তারা। জলজ প্ল্যাংটন এবং অন্যান্য ছোট প্রাণীরাই তাদের শিকার। কিন্তু এই জলে কীভাবে বেঁচে থাকে তারা? সেই রহস্যের সমাধান মেলেনি আজও।

সূত্র: বর্তমান পত্রিকা

 # key to success         অন্য রূপে সন্ন্যাসী ও ফকির বিদ্রোহআমাদের স্বাধীনতা লাভের নেপথ্যে রয়েছে ভারতীয় জনগণের আপসহীন ধা...
29/08/2025

# key to success





অন্য রূপে সন্ন্যাসী ও ফকির বিদ্রোহ

আমাদের স্বাধীনতা লাভের নেপথ্যে রয়েছে ভারতীয় জনগণের আপসহীন ধারাবাহিক সংগ্রাম। ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ সেই ধারাবাহিক সংগ্রামেরই অন্যতম দিক। ১৭৫৭-র পলাশি যুদ্ধের পরই এই বিদ্রোহ বঙ্গদেশের ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে সবচেয়ে বড় আঘাত দেয়। ব্রিটিশ বিরোধী এই বিদ্রোহ ৩৭ বছর (১৭৬৩-১৮০০) স্থায়ী হয়। কৃষক, কারিগর, ইংরেজ শাসনে সামন্ত রাজা ও জমিদারদের ছত্রভঙ্গ বেকার সৈন্য, লাঠিয়াল, পাইক, বরকন্দাজ আর ফকির-সন্ন্যাসীদের সম্মিলিত উদ্যোগে ১৮শতকের শেষ চার দশক এই বিদ্রোহ খুবই সক্রিয় ছিল। ১৭৭০ সালে ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় থেকে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ব্যাপকতা বৃদ্ধি পায়। দুর্ভিক্ষের সঙ্গে যুক্ত হয় কোম্পানির নির্মম শোষণ, অত্যাচার। আঠারো শতকের ছয়ের দশকে ঢাকার মসলিন শিল্পের কারিগরদের উপর অত্যাচার শুরু হয়, বৃদ্ধাঙ্গুলি কেটে দিয়ে কারিগরদের পঙ্গু করে ফেলার চেষ্টা চলে। দেশের মানুষের দুর্দশার সীমা ছিল না। ফলে সাধারণ মানুষ দলে দলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহে যোগ দিয়ে কোম্পানির শাসন প্রায় বিকল করে দেয়। ১৭৭২ সালের মধ্যে বিদ্রোহ রংপুর থেকে অতি দ্রুত ঢাকা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। বিদ্রোহীদের প্রবল আক্রমণের মুখে ইংরেজ রাজশক্তি প্রায় কর্তৃত্বহীন হয়ে পড়েছিল। প্রকৃতপক্ষে এই বিদ্রোহ ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে ভারতীয় গণ শক্তির প্রথম গৌরবময় সশস্ত্রঅভ্যুত্থান। বিদ্রোহ মূলত ধর্মকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে। মুসলিমদের মাদারিয়া সম্প্রদায়ের ফকিররা ছিলেন ফকির বিদ্রোহের হোতা। আর হিন্দুদের শৈব সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসীরা ছিলেন সন্ন্যাসী বিদ্রোহের হোতা। উভয় সম্প্রদায়ের এই মিলিত সংগ্রামকে ব্রিটিশরা 'হিন্দুস্থানের যাযাবর'দের সংগ্রাম বলে অভিহিত করেছেন। অথচ, কেউ মনে রাখেনি এই লড়াইয়ের কথা। আসলে বাংলার উত্তর ভাগের একদা স্বাধীনতা পরবর্তীতে ইংরেজ আশ্রিত করদৃমিত্র রাজ্য কোচবিহারের দক্ষিণভাগ ও তদানীন্তন রংপুর জেলার উত্তরভাগ অষ্টাদশ শতকের সাত ও আটের দশকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনাদলের সঙ্গে সন্ন্যাসী ও ফকির সেনাদলের সংঘর্ষের ঘটনা প্রবাহ যতটুকু চিত্রায়িত হয়েছে তা অনেকটাই ইংরেজ শাসকবর্গের পৃষ্ঠপোষকতায় আচ্ছন্ন। ফলে এই সকল বিদ্রোহীদের ডাকাত হিসেবে প্রতিপন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সকলেই সচেষ্ট ছিলেন। যেমন- দেবী চৌধুরানি। কৃষক-অন্ত প্রাণ দেবী চৌধুরানি ইংরেজ শাসককুলের দু'চোখের বিষ। অথচ, ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল ঔপনিবেশিক শাসকবর্গের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ সংগ্রাম।

৭৫ বছর ধরে নিখরচায় যাতায়াত করছেন নিত্যযাত্রীরা! দেশের কোথায় চলে এমন ট্রেন?যতবার খুশি চড়ুন এই ট্রেনে, লাগবে না টিকিট-এক ...
07/05/2025

৭৫ বছর ধরে নিখরচায় যাতায়াত করছেন নিত্যযাত্রীরা! দেশের কোথায় চলে এমন ট্রেন?
যতবার খুশি চড়ুন এই ট্রেনে, লাগবে না টিকিট-এক টাকাও! , জানলে অবাক হবেন....
""বিনা টিকিটে ট্রেনে ভ্রমণ"""

প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হল ট্রেন। যেখানে চড়তে গেলে টিকিট কাটা বাধ্যতামূলক।

বিনা টিকিটে ট্রেনে উঠলেই জরিমানা। কিন্তু ভারতেই এমন এক রুট রয়েছে যেখানে ট্রেনে সফর করলেও লাগবে না টিকিট। দিতে হবে না জরিমানাও! এমনকী বিনা টিকিটের এই ভ্রমণ সম্পূর্ণ বৈধ। এই কথাগুলি শুনে অবাক হচ্ছেন তো? তবে বাস্তবেই রয়েছে এই ট্রেন রুট। যার নাম ভাকরা-নাঙ্গাল। পাঞ্জাবে নাঙ্গাল এবং হিমাচল প্রদেশের সীমান্ত এলাকায় ভাকরা স্টেশন অবস্থিত। দু'টি স্টেশনের মধ্যে দূরত্ব ১৩ কিলোমিটার। শতদ্রু নদীর তীর বরাবর পাহাড়ি পথ বেয়ে ট্রেনটি এগিয়ে যায়। মূলত পর্যটকদের ভাকরা-নাঙ্গাল বাঁধ ঘুরিয়ে দেখানোর জন্যই এই পরিষেবা চালু করা হয়েছিল। তবে এই পরিষেবা ভারতীয় রেলের অন্তর্গত নয়।

এই ট্রেন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ভাকরা বিয়াস ম্যানেজমেন্ট বোর্ড। ১৯৪৮ সালে ভাকরা-নাঙ্গাল বাঁধ নির্মাণে কর্মরত শ্রমিকদের জন্যই মূলত এই ট্রেন চালু করা হয়েছিল। সেই সময়েই বিনামূল্যে এই ট্রেনে চড়ে বাঁধ নির্মাণের কাজে যেতেন শ্রমিকরা। ভারী জিনিসপত্র নিয়ে যাতায়াত করতেন তাঁরা। বাঁধ নির্মাণ শেষ হলে, পরবর্তীতে এটিতে গ্রামবাসীরা চড়ে গন্তব্যে পৌঁছতেন। ধীরে ধীরে পর্যটকদের মধ্যেও সাড়া ফেলে এই ট্রেন। শুরুতে এই ট্রেনটি বাষ্পচালিত ইঞ্জিনে চলত। তবে বর্তমানে চলে ডিজেলে। তবে ট্র্যাডিশন মেনে ট্রেনের বগি আজও কাঠের। যে কামরাগুলি তৈরি হয়েছিল অবিভক্ত ভারতের করাচিতে। ট্রেনে একসঙ্গে প্রায় ৮০০ জন যাত্রী যাতায়াত করতে পারেন। ১৩ কিলোমিটার যাত্রাপথে ছ'টি স্টেশনে থামে এবং তিনটি টানেলের মধ্যে দিয়ে যায় এই ট্রেন। প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১৮ থেকে ২০ লিটার ডিজেল খরচ হয়। ব্যয়বহুল হওয়া সত্ত্বেও ভাকরা বিয়াস ম্যানেজমেন্ট বোর্ড এই পরিষেবা এখনও বন্ধ করেনি।
সূত্র: বর্তমান ও আনন্দবাজার পত্রিকা

  Madhyamik suggestion 2025        to success লাস্ট মিনিট সাজেশন২০২৫যাদের ভূগোল নিয়ে ভয় আছে ,শেষ সময়ে একবার রিভিশন কর...
07/02/2025


Madhyamik suggestion 2025





to success

লাস্ট মিনিট সাজেশন২০২৫

যাদের ভূগোল নিয়ে ভয় আছে ,শেষ সময়ে একবার রিভিশন করে নাও।টপিক অনুসারে আসন্ন মাধ্যমিকের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

বিভাগ-ঘ

(সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন

অধ্যায়-১ একটি প্রশ্ন আসে।

প্রশ্নের নম্বর ৪.১।

মরু অঞ্চলে বায়ুর কাজের প্রাধান্য দেখা যায় কেন। নদীর মোহানায় ব-দ্বীপ গড়ে ওঠার তিনটি অনুকুল কারণ সম্পর্কে লেখো, ; /সিফ বালিয়াড়ি ও বার্থানের তিনটি পার্থক্য করো ; /রসে মতানে ও ড্রামলিনের তিনটি পার্থক্য করো; /সুন্দরবন-বদ্বীপের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের তিনটি প্রভাব সম্পর্কে লেখো, নদীর বহন কার্যের তিনটি প্রক্রিয়া সংক্ষেপে আলোচনা করো, মরুভূমি সম্প্রসারণ প্রতিরোধে গৃহীত তিনটি পদক্ষেপ সম্পর্কে আলোচনা করো; নদীর ক্ষয়কাজের তিনটি প্রক্রিয়া সংক্ষেপে আলোচনা করো; বায়ুর ক্ষয়কাজের তিনটি প্রক্রিয়া আলোচনা করো; গিরিখাত ও ক্যানিয়নের তিনটি পার্থক্য করো।

অধ্যায়-২ একটি প্রশ্ন আসে।
প্রশ্নের নম্বর ৪.১ অথবা. :

সমুদ্রবায়ু ও স্থলবায়ুর পার্থক্যগুলি আলোচনা করো,
উষ্ণতা-বৃষ্টিপাত লেখচিত্রে ক্রান্তীয় মৌসুমি/নিরক্ষীয়/ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু চিহ্নিত করার তিনটি যুক্তি সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো, চরম আর্দ্রতা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতার তিনটি পার্থক্য করো; জেট বায়ুপ্রবাহের সাথে ভারতীয় মৌসুমি বায়ুর সম্পর্ক উল্লেখ করো, আনাবেটিক ও ক্যাটাবেটিক বায়ুর তিনটি পার্থক্য করো; ট্রপোস্ফিয়ারে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে উদ্ভুতা হ্রাস পায় কেন?

অধ্যায়-এ দুটি প্রশ্ন আসে।
প্রশ্নের নম্বর ৪.২ এবং ৪.২ অথবাঃ

কর্জা ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের যে কোনো তিনটি ভূমিকা সংক্ষেপে আলোচনা করো, প্রকৃতি অনুসারে বর্জ্যের উপদাহরণসহ শ্রেণিবিভাগ করো, ; বর্জ্য কম্পোস্টিং পদ্ধতির প্রধান সুবিধাগুলি কী কী?, বর্জ্যের পরিমাণগত হ্রাস কিভাবে করা যায়? গ্যাসীয় বর্জ্য নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলি কী কী?, বর্জ্যের পূনর্ব্যবহার ও পুনর্নবীকরণ পদ্ধতির তিনটি পার্থক্য করো, ভাগীরথী-হুগলি নদীর জল কীভাবে বিভিন্ন বর্জ্য দ্বারা দূষিত হচ্ছে লেখো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার তিনটি প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করো, ; বর্জ্য ব্যবস্থাপনার 3R পদ্ধতি সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো; স্ক্রাবার পদ্ধতির প্রধান সুবিধাগুলির উল্লেখ করো; তরল বর্জ্য নিষ্কাশন পদ্ধতির তিনটি ধাপের উল্লেখ করো।

অধ্যায়-৫

দুটি প্রশ্ন আসে।

প্রশ্নের নম্বর ৪.৩ এবং ৪.৩ অথবা,:

ভারতে বৃষ্টির জল সংরক্ষণের তিনটি পদ্ধতির উল্লেখ করো, ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের উন্নতির তিনটি কারণ বিশ্লেষণ করো, ভারতীয় জনজীবনে হিমালয় পর্বতের তিনটি গুরুত্বের উল্লেখ করো, পাঞ্জাব-হরিয়ানা রাজ্যের কৃষি উন্নতির তিনটি কারণ সংক্ষেপে আলোচনা করো, ভারতে পশ্চিমবাহিনী নদীগুলির মোহনায় ব-দ্বীপ না গড়ে ওঠার তিনটি কারণ বিশ্লেষণ করো, ভারতে রেলপথ ও সড়কপথের গুরুত্বের তুলনামূলক আলোচনা করো, ভারতে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ উদ্ভিদ এবং ক্রান্তীয় পর্ণমোচী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের তিনটি পার্থক্য উল্লেখ করো,; ভারতে শিল্প গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে কাঁচামালের প্রভাব উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো, পূর্বঘাট ও পশ্চিমঘাট পর্বতমালার তিনটি পার্থক্য করো, ভারতে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির তিনটি কারণ আলোচনা করো; ভারতের জলবায়ুর ওপর মৌসুমি বায়ুর তিনটি প্রভাব লেখো; আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার তিনটি মাধ্যম উল্লেখ করো।

অধ্যায়-৬

দুটি প্রশ্ন আসে।

প্রশ্নের নম্বর ৪.৪ এবং ৪.৪ অথবা,:

দূর সংবেদন ব্যবস্থার সুবিধা ও অসুধিাগুলি উল্লেখ করো; উপগ্রহচিত্রের প্রধান তিনটি ব্যবহার উল্লেখ করো, ; ভুবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের তিনটি ব্যবহার উল্লেখ করো, উপগ্রহচিত্রের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য সংক্ষেপে আলোচনা করো, ); জিওস্টেশনারী ও সানসিনক্রোনাস উপগ্রহের মধ্যে পার্থক্য করো, সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় সেন্সরের মধ্যে পার্থক্য করো; দূর সংবেদন ব্যবস্থার গুরুত্ব আলোচনা করো, ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য সংক্ষেপে আলোচনা করো,; বিভিন্ন প্রকার ভুবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র শিটগুলির নাম অক্ষাংশ-দ্রাঘিমার বিস্তৃতি ও স্কেলের ব্যবহার ও সূচক সংখ্যা ছকের মাধ্যমে উল্লেখ করো।

সরস্বতী পূজা ২০২৫
06/02/2025

সরস্বতী পূজা ২০২৫

অংক নিয়ে আর আতঙ্ক নয়.....সমাধান করতে আসছে  গণিত  গুরু। """ব্যাকটোনিউরন"""""শুনতে কল্পবিজ্ঞানের গল্প মনে হতে পারে। সাহা...
16/01/2025

অংক নিয়ে আর আতঙ্ক নয়.....

সমাধান করতে আসছে গণিত গুরু।

"""ব্যাকটোনিউরন"""""

শুনতে কল্পবিজ্ঞানের গল্প মনে হতে পারে। সাহা ইন্সটিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের বিজ্ঞানী সংগ্রাম বাগের তত্ত্বাবধানে গবেষকরা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর সাহায্যে কিছু ব্যাকটেরিয়া তৈরি করেছেন যারা অঙ্ক কষতে পারবে। তাঁরা ব্যাকটেরিয়া কোষগুলো নিয়ে একটি মডুলার মাল্টিসেলুলার সিস্টেম তৈরি করেছেন। এই সিস্টেমটি এমন ভাবে প্রোগ্রাম করা হয়েছে যে তারা সিদ্ধান্তমূলক গণনার সমস্যা সমাধান করতে পারবে। তারা নাম দিয়েছেন 'ব্যাক্টোনিউরন'। এরা যোগ এবং বিয়োগ করতে পারে। এছাড়াও এই সিস্টেমটি ০ থেকে ৯-এর মধ্যে কোনও সংখ্যা মৌলিক (প্রাইম) কিনা তা চিনতে পারে এবং A থেকে I-এর মধ্যে কোনও অক্ষর স্বরবর্ণ কিনা তা নিধারণ করতে পারে। আরও একটি সিস্টেম তারা তৈরি করেছে, যা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক সরলরেখা দিয়ে সর্বাধিক পাইয়ের অংশ কাটা সম্ভব কিনা তা গণনা করতে পারে। এই গবেষণা বায়োকম্পি উটার প্রযুক্তি এবং বহু-কোষীয় সিন্থেটিক জীববিদ্যার ক্ষেত্রে বড় উন্নয়নের সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।

তথ্য সূত্র: হিন্দু পত্রিকা ,পল্লব রায় গুপ্ত

     #উত্তরণ     MP2025  মাধ্যমিক পরীক্ষায় ইতিহাসের  ৪ নম্বরের আদর্শ  উত্তরপত্রের একটি  নমুনা,,,১।  'হুতোম প্যাঁচার নকশ...
15/01/2025



#উত্তরণ

MP2025


মাধ্যমিক পরীক্ষায় ইতিহাসের ৪ নম্বরের আদর্শ উত্তরপত্রের একটি নমুনা,,,

১। 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' গ্রন্থে উনিশ শতকের বাংলার সমাজচিত্র-এর বিবরণ:

• ভূমিকা:

উনিশ শতকের কলকাতা তথা বাংলার তৎকালীন সমাজ এবং সংস্কৃতির কাহিনীচিত্র যেসমস্ত গ্রন্থে প্রস্ফুটিত হয়েছে, কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' নামক ব্যঙ্গাত্মক রচনাটি তার মধ্যে অন্যতম।

• গ্রন্থ প্রকাশ:

কালীপ্রসন্ন সিংহ 'হুতোম প্যাঁচা' ছদ্মনামে ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে চড়ক শিরোনামের একটি নকশায় রচনাটি প্রথম প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে প্রথম ভাগ ও ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় ভাগ প্রকাশিত হয়।

১৮৬৮ খ্রিস্টাব্দে সম্পূর্ণ গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হয় এই ব্যঙ্গ বিদ্রূপাত্মক রচনাটি।

• বিষয়বস্তু:

গ্রন্থটির একদিকে চড়কপার্বণ, রথযাত্রা, দুর্গাপূজা, বারোয়ারি পূজা-পার্বণ যেমন স্থান পেয়েছে, তেমনি আবার কলকাতার বাবু সমাজের ভণ্ডামি, বেপরোয়া জীবনের অন্ধকার দিক, ক্রিশ্চানি হুজুগ, মিউটিনি, লঙ সাহেব, লখনউ-এর বাদশাহ-এর কথাও ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিমায় তুলে ধরা হয়েছে।

• উনিশ শতকের বাংলার সমাজচিত্র:

◆ বাংলার সামাজিক প্রতিচ্ছবি:

সমকালীন কলকাতার নাগরিক সমাজের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে এই গ্রন্থে। একই সাথে গণিকাবৃত্তি,ঘৃণহত্যা, মাদক সেবন ও সামাজিক কু-প্রথার নিন্দা করা হয়েছে উক্ত গদ্য উপাখ্যানটিতে।

◆ বাবু কালচার:

ঔপনিবেশিক সমাজে একদিকে ইংরেজি জানা নব্য বাবুদের উচ্ছৃঙ্খল ও অনিয়মিত জীবনযাপনের কথা তুলে ধরা হয়েছে গ্রন্থে। বাবু সংস্কৃতির তীর সমালোচনা করে তৎকালীন শিক্ষিত বাঙালি সমাজকে সচেতন করতে তাঁর সামাজিক দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

◆ পূজাপার্বন:

তৎকালীন সমাজের শিক্ষিত বাঙালি ও বাবু সম্প্রদায়ের প্রগতিশীলতার পরিবর্তে ধর্মীয় গোঁড়ামিকে অধিকমাত্রায় প্রাধান্য দেওয়ার কথা জানা যায়। সেই সময়ে বাংলায় বারো মাসে তেরো পার্বণ যেমন-চড়কপূজা, নীলষষ্ঠী, গাজন সন্ন্যাসীদের শিবের কাছে মাথা দোলানো, রাসলীলা, রথযাত্রা, বারোয়ারি দুর্গাপূজা ইত্যাদি নানা ধরনের পুজা ও উৎসবের উল্লেখ রয়েছে গ্রন্থটিতে।

• মূল্যায়ন

কালীপ্রসন্ন সিংহ তাঁর 'হুতোম প্যাঁচার নকশা'-য় সমসাময়িক সমাজ ও কলকাতার ভোগবাদী নাগরিক জীবনের তীব্র সমালোচনা করলেও শালীনতার গণ্ডী কখনোই অতিক্রম করেনি। লেখকের রসবোধ, সাহিত্যগুণ এবং সমাজ সচেতনতাবোধ গ্রন্থটিকে সুউচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গেছে। তাই বিবেচকদের মতে, 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' হল উনিশ শতকের ইতিহাসে তৎকালীন সমাজচিত্রের একটি জীবন্ত দলিল।

তথ্য সূত্র: টেক্সট বই - সচিন্দ্র নাথ মন্ডল ও ছায়া প্রকাশনী

Address

Nimta

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Uttaran posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share