S' Note Book

S' Note Book মনুষ্যত্বের শিক্ষা হল চরম শিক্ষা
আর সমস্তটাই তার অধীনে।
R.Tagore

02/02/2026

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য:
১। গুণফল = গুণ্য × গুণক
২। গুণক = গুণফল ÷ গুণ্য
৩। গুণ্য = গুণফল ÷ গুণক
নিংশেষে বিভাজ্য হলে
৪। ভাগফল = ভাজ্য ÷ ভাজক
৫। ভাজক =ভাজ্য ÷ ভাগফল।
৬। ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল।
নিংশেষে বিভাজ্য না হলে
৭। ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ।
৮। ভাজক = (ভাজ্য – ভাগশেষ) ÷
ভাগফল।
৯। ভাগফল = ( ভাজ্য – ভাগশেষ)
÷ ভাজক।
১০। গড় = রাশিগুলোর যোগফল ÷
রাশিগুলোর সংখ্যা।
১১। লাভ = বিক্রয়মূল্য – ক্রয়মূল্য।
১২। ক্ষতি = ক্রয়মূল্য – বিক্রয়মূল্য।
১৬। ১০ কুইন্টাল = ১ মেট্রিক টন।
১৭। ১ কুইন্টাল ১০০ কিলোগ্রাম (কেজি)
১৮। ১ মেট্রিক টন = ১০০০ কিলোগ্রাম (কেজি)।
১৯। ১ এয়র = ১০০ বর্গমিটার।
২০। ১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গ মিটার।
২১। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
২২। সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভুমি × উচ্চতা।
২৩। ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (ভুমি × উচ্চতা) ÷ ২
২৪। দৈর্ঘ্য = ক্ষেত্রফল ÷ প্রস্থ।
২৫। প্রস্থ = ক্ষেত্রফল ÷ দৈর্ঘ্য।
২৬। ভুমি = (ক্ষেত্রফল × ২) ÷ উচ্চতা।
২৭। উচ্চতা = (ক্ষেত্রফল × ২) ÷ ভুমি।
২৮। পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)।
২৯। জনসংখ্যার ঘনত্ব = জনসংখ্যা ÷ আয়তন।
৩০। আয়তন = জনসংখ্যা ÷ ঘনত্ব।
৩১। ঘনত্ব = জনসংখ্যা ÷ আয়তন।
৩২। জনসংখ্যা = ঘনত্ব × আয়তন।
৩৩। ভাগ কী?
উঃ ভাগ হলো পুনঃ পুন বিয়োগ।
৩৪। খোলা বাক্য কাকে বলে?
উঃ যখন কোনো বাক্যের সত্য, মিথ্যা যাচাই করা যায় না, তাকে খোলা বাক্য বলে।
৩৫। গাণিতিক বাক্য কাকে বলে?
উঃ যখন কোনো বাক্যের সত্য না মিথ্যা যাচাই করা যায়, তাকে গাণিতিক বাক্য বলে?
৩৬। অক্ষর প্রতীক কী?
উঃ অজানা সংখ্যা নির্দেশ করতে যে বিশেষ প্রতীক বা অক্ষর ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ষর প্রতীক বলে।
৩৭। গাণিতিক প্রতিক কী?
উঃ গণিতে যে প্রতীক ব্যবহার করা হয় তাই গাণিতিক প্রতীক।
৩৮। সংখ্যা প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উঃ সংখ্যা প্রতীক ১০ টি। যথা – ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯।
৩৯। প্রক্রিয়া প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উঃ ৪টি যথাঃ ➕, ➖, ✖, ➗
৪১। গুণিতক কাকে বলে?
উঃ কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা দ্বারা যে সকল সংখ্যাকে নিঃশেষে ভাগ করা যায়, সেই সকল সংখ্যার প্রত্যেককে ঐ নির্দিষ্ট সংখ্যার গুণিতক বলে।
৪২। ল.সা.গু. কাকে বলে?
উঃ দুই বা ততোধিক সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে ছোট সাধারণ গুণিতককে বলে ল.সা.গু.।
৪৩। গ.সা.গু. কাকে বলে?
উঃ একাধিক সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সাধারণ গুণনীয়ক হলো গ.সা.গু.।
৪৪। গুণনীয়ক কাকে বলে?
উঃ কোনো সংখ্যা যে সকল সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য, সেই সকল সংখ্যাকে ঐ সংখ্যাটির গুণনীয়ক বলে।
৪৫। মৌলিক সংখ্যা কাকে বলে?
উত্তর: যে সব সংখ্যার ১ এবং ঐ সংখ্যা ব্যতিত আর কোনো গুণনীয়ক নেই সেই সব সংখ্যাকে মৌলিক সংখ্যা বলে।
৪৬। সংখ্যা রাশি কী?
উঃ কতিপয় সংখ্যাকে প্রক্রিয়া চিহ্ন এবং প্রয়োজনে বন্ধনী দ্বারা যুক্ত করলে একটি সংখ্যা রাশি তৈরি হয়।
যেমনঃ (৩৬ ÷৪) × ৫ -৭
৪৭। ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ কোনো বস্তু বা পরিমানের অংশ নির্দেশ করতে যে সংখ্যা ব্যবহৃত হয় তাকে ভগ্নাংশ বলে।
৪৮। প্রকৃত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ যে ভগ্নাংশের লব ছোট এবং হর বড় তাকে প্রকৃত ভগ্নাংশ বলে।
৪৯। অপ্রকৃত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ যে ভগ্নাংশের লব বড় এবং হর ছোট তাকে অপ্রকৃত ভগ্নাংশ বলে।
৫০। সমহর বিশিষ্ট ভগ্নাংশ কাকে বলে?
যেসব ভগ্নাংশের হর একই তাকে সমহর বিশিষ্ট ভগ্নাংশ বলে।
৫১। মিশ্র ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ যে ভগ্নাংশে পূর্ণ সংখ্যার সাথে প্রকৃত ভগ্নাংশ যুক্ত হয়ে থাকে তাকে মিশ্র ভগ্নাংশ বলে।
৫২। গড় কাকে বলে?
উঃ রাশিগুলোর যোগফলকে রাশিগুলোর সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে মান পাওয়া যায় তাই গড়।
৫৩। শতকরা কী?
উঃ শতকরা হলো এমন একটি অনুপাত যা ১০০ এর ভগ্নাংশ রুপে প্রকাশ করা হয়।
৫৪। আসল কী?
উঃ বিনিয়োগকৃত টাকাকে আসল বলে।
৫৫। বৃত্ত কী?
উঃ বৃত্ত হলো একটি আবদ্ধ বক্ররেখা যার প্রত্যেক বিন্দু ভিতরের একটি বিন্দু থেকে সমান দুরে থাকে।
৫৬। পরিধি কী?
উঃ যে বক্ররেখাটি বৃত্তকে আবদ্ধ করে রেখেছে তাকে বলে পরিধি।
৫৭। জ্যা কী?
উঃ জ্যা হলো একটি বৃত্তচাপের শেষ প্রান্ত বিন্দু দুইটির সংযোজক রেখাংশ।
৫৮। ব্যাসার্ধ কী?
উঃ কেন্দ্র থেকে পরিধির দূরুত্বই হলো ব্যাসার্ধ।
৫৯। কর্ণ কাকে বলে?
উঃ বিপরীত শীর্ষবিন্দুর সংযোগকারী রেখাকে কর্ণ বলে।
৬০। রম্বস কাকে বলে?
উঃ যে চতুর্ভুজের চারটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান তাকে রম্বস বলে।
৬১। আয়ত কাকে বলে?
উঃ যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল তাকে আয়ত বলে।
৬২। বর্গ কাকে বলে?
যে আয়তের চারটি বাহু সমান ও কোনগুলো সমকোণ তাকে বর্গ বলে।
৬৩। চতুর্ভুজ কাকে বলে?
উঃ চারটি বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে চুতুর্ভূজ বলে।
৬৪। অধিবর্ষ কী?
উঃ সাধারণত চার দ্বারা বিভাজ্য বছরকে অধিবর্ষ বলে। তবে একক ও দশকের ঘরে ০ থাকলে ৪০০ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হতে হবে।
৬৫। ১ শতাব্দি কী?
উঃ ধারাবাহিক ১০০ বছর সময় কালকে ১ শতাব্দি বলে।
৬৬। যুগ কী?
উঃ ধারাবাহিক ভাবে ১২ বছর সময় কালকে ১ যুগ বলে।
৬৭। ১ দশক কী?
উঃ ধারাবাহিক ভাবে ১০ বছর সময় কাল হয় ১দশক।
৬৮। উপাত্ত কাকে বলে?
উঃ প্রাপ্ত তথ্য সমূহকে সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করাকে উপাত্ত বলে।
৬৯। উপাত্ত কত প্রকার ও কী কী?
উঃ উপাত্ত ২ প্রকার। বিন্যস্ত উপাত্ত ও অবিন্যস্ত উপাত্ত।
৭০। বিন্যস্ত উপাত্ত কাকে বলে?
উঃ যে উপাত্ত গুলো কোনো বৈশিষ্ট অনুযায়ী সাজানো থাকে তাকে বিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
৭১। অবিন্যস্ত উপাত্ত কাকে বলে?
উঃ যে উপাত্ত গুলো কোনো বৈশিষ্ট অনুযায়ী সাজানো থাকে না তাকে অবিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
৭২। লেখ চিত্র কাকে বলে?
উঃ চাক্ষুষ প্রদর্শনের জন্য রেখার সাহায্যে আঁকাচিত্র হলো লেখচিত্র।
৭৩। শ্রেনি ব্যবধান কী?
উঃ শ্রেণির উর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমার মধ্যে পার্থক্যই হলো শ্রেণি ব্যবধান।
৭৪। ঘটন সংখ্যার অপর নাম কী?
উঃ গণসংখ্যা
৭৫। জনসংখ্যার ঘনত্ব কী?
উঃ প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বসবাসরত লোক সংখ্য হলো জনসংখ্যার ঘনত্ব।
৭৬। ক্যালকুলেটর কী?
উঃ ক্যালকুলেটর হলো একটি সাধারণ গণনার জন্য হস্তচালিত একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা একটি বৈদুতিক ব্যটারি দ্বারা চলে।
৭৭। মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কী ক্যালকুলেটর ব্যবহৃত হয়?
উঃ বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেটর।
৭৮। কম্পিউটার কী?
উঃ কম্পিউটার একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা ক্যালকুলেটর অপেক্ষা বড় গণনা করতে পারে।
৭৯। রাশিগুলোর যোগফল = গড় × রাশিগুলোর সংখ্যা।
৮০। যৌগিক সংখ্যা কাকে বলে?ৎ
উঃ যে সংখ্যার ১ এবং ঐ সংখ্যা ব্যতীত কমপক্ষে আরও একটি গুণনীয়ক রয়েছে সে সকল সংখ্যাকে যৌগিক সংখ্যা বলে।
৮১। ওজন পরিমাপের এককের নাম কী?
উত্তর: ওজন পরিমাপের এককের নাম গ্রাম।
৮২। গুণ্য কাকে বলে?
উঃ যে সংখ্যাকে গুণ করা হয় তাকে গুণ্য বলে।
৮৩। গুণক কাকে বলে?
উঃ যে সংখ্যা দিয়ে গুণ করা হয় তাকে গুণক বলে।
৮৪। গুণফল কাকে বলে?
উঃ গুণ্যকে গুণক দ্বারা গুণ করার পর যে মান পাওয়া যায় তাকে গুণফল বলে।
৮৫। ভাজ্য কাকে বলে?
উঃ যে সংখ্যাকে ভাগ করা হয় তাকে ভাজ্য বলে।
৮৬। ভাজক কাকে বলে?
উঃ যে সংখ্যা দ্বারা বা দিয়ে ভাগ করা হয় তাকে ভাজক বলে।
৮৭। ভাগশেষ কাকে বলে?
উঃ ভাজ্যকে ভাজক দ্বারা ভাগ করে যদি কোনো অবশেষ সংখ্যা থেকে যায় তবে তাকে ভাগশেষ বলে।
৮৮। ভাগফল কাকে বলে?
উঃ ভাজ্যকে ভাজক দ্বারা ভাগ করার পর যে মান পাওয়া যায় তাকে ভাগফল বলে।
৮৯। সমলব ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ যে ভগ্নাংশগুলোর লব সমান তাদেরকে সমলব বিশিষ্ট ভগ্নাংশ বলে।
৯০। ঐকিক নিয়ম কাকে বলে?
উঃ হিসাবের সুবিধার্তে প্রথমে একটির হিসাব বা দাম বের করে সমস্য সমাধানের পদ্ধতিকে ঐকিক নিয়ম বলে।
৯১। ১ জোড়া = ২টি।
৯২। ১ হালি = ৪টি।
৯৩। ১ ডজন = ১২ টি।
৯৪। ১ কুড়ি = ২০ টি।
৯৫। ১ দিস্তা = ২৪ তা।
৯৬। ১ রীম = ২০ দিস্তা।
৯৭। ১ সপ্তাহ = ৭ দিন।
৯৮। ১ মাস = ৩০ দিন।
৯৯। ১ বছর = ১২ মাস = ৩৬৫ দিন।
১০০। গুণনীয়কের অপর নাম কী?
উঃ উৎপাদাক
১০১। দশমিক ভগ্নাংশ কী?
উঃ ভগ্নাংশ প্রকাশের একটি বিশেষ পদ্ধতি হলো দশমিক ভগ্নাংশ।
১০২। বিপরীত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উঃ কোনো ভগ্নাংশের লবকে হর এবং হরকে লব করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া যায় তাকে বিপরীত ভগ্নাংশ বলে।
১০৩। শতকরাকে কী বলা হয়?
উঃ শতকারাকে শতাংশ বলা হয়।
১০৪। ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি।
১০৫। ১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি।
১০৬। ১ লিটার = ১০০০ মিলিলিটার = ১০০০ ঘন সেন্টিমিটার।
১০৭। ১ ঘনমিটার = ১০০০ লিটার।
১০৮। ১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি।
১০৯। ১০০০ গ্রাম = ১ কেজি।
১১০। ১ পক্ষ = ১৫দিন।
১১১। আদর্শ বাটখারা কতটি?
উত্তর: আদর্শ বাটখারা ৮ টি।

03/11/2025

#সাধারণ_জ্ঞান (জনক)
❖ পদার্থ বিজ্ঞানের জনক : আইজ্যাক নিউটন।
❖ সমাজ বিজ্ঞানের জনক : অগাষ্ট কোঁৎ।
❖ হিসাব বিজ্ঞানের জনক : লুকাপ্যাসিওলি।
❖ চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক : ইবনে সিনা।
❖ দর্শন শাস্ত্রের জনক : সক্রেটিস।
❖ রসায়ন বিজ্ঞানের জনক : জাবির ইবনে হাইয়ান।
❖ ইতিহাসের জনক : হেরোডোটাস।
❖ সনেটের জনক : পের্ত্রাক।
❖ বিজ্ঞানের জনক : থ্যালিস।
❖ মেডিসিনের জনক : হিপোক্রটিস।
❖ জ্যামিতির জনক : ইউক্লিড।
❖ বীজ গণিতের জনক : আল খাওয়াজমী।
❖ জীবাণু বিদ্যার জনক : লুইস পাস্তুর।
❖ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক :এরিস্টটল।
❖ অর্থনীতির জনক : এডাম স্মিথ।
❖ অংকের জনক : আর্কিমিডিস।
❖ বিবর্তনবাদ তত্ত্বের জনক : চার্লস ডারউইন।
❖ সনেটের জনক : পের্ত্রাক।
❖ ক্যালকুলাসের জনক : আইজ্যাক নিউটন।
❖ বাংলা গদ্যের জনক : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
❖ বাংলা কবিতার জনক : মাইকেল মধুসুদন দত্ত।
❖ বাংলা উপন্যাসের জনক : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
❖ ইংরেজী কবিতার জনক : জিউফ্রে চসার।
❖ মনোবিজ্ঞানের জনক : উইলহেম উন্ড।
❖ প্রাণী বিজ্ঞানের জনক : এরিস্টটল।
❖ বাংলা মুক্তক ছন্দের জনক : কাজী নজরুল ইসলাম।
❖ বাংলা চলচিত্রের জনক : হীরালাল সেন।
❖ বাংলা গদ্য ছন্দের জনক : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
❖ জীব বিজ্ঞানের জনক : এরিস্টটল।
❖ ভূগোলের জনক : ইরাটস থেনিস।
❖ ইংরেজি নাটকের জনক : শেক্সপিয়র।
❖ সামাজিক বিবর্তনবাদের জনক: হার্বাট স্পেন্সর।
❖ বংশগতি বিদ্যার জনক : গ্রেডার জোহান মেনডেল।
❖ শ্রেণীকরণ বিদ্যার জনক : কারোলাস লিনিয়াস।
❖ শরীর বিদ্যার জনক : উইলিয়াম হার্ভে।
❖ বাংলা নাটকের জনক : দীন বন্ধু মিত্র।
❖ বাংলা সনেটের জনক : মাইকেল মধু সুদন দত্ত।
❖ আধুনিক রসায়নের জনক : জন ডাল্টন।
❖ আধুনিক গণতন্ত্রের জনক : জন লক।
❖ আধুনিক অর্থনীতির জনক : পল স্যমুয়েলসন।
❖ আধুনিক বিজ্ঞানের জনক : রজার বেকন।
Copied

29/09/2025

🔗ছন্দে ছন্দে Preposition মনে রাখার টেকনিক 🔗

● নগর, শহর, দেশ, এদের আগে in বসিয়ে
করবে বেশ।
-
● সপ্তাহ, মাস, বছর, ঋতু, দশক, যুগ,
শতাব্দী,
এদের আগে in বসানো হয় আজ অব্দি।
-
● প্রভাত, দুপুর, গোধূলি, রাত, এদের আগে
at বসিয়ে করবে বাজিমাত।
-
● সময়ের আগে at বসে, দিনের আগে on,
দিনের অংশ ভাগে in না বসালে,
করবে তবে Wrong।
-
● Festival-এ at, নম্বরেও at, with হয় বস্তুতে,
এইভাবে preposition শিখবে আনন্দ আর
ফুর্তিতে।
-
● Person-এ by, পাশে বুঝাতেও by,
(যানবাহনের আগে) কিন্তু in a car,
দক্ষতায় অদক্ষতায় at না বসালে সব হবে
ছারখার।
-
● ছোট হলে at, বড় হলে in, কখন হয়? এই
পার্থক্য না বুঝলে মনে থাকবে ভয়।
-
● বাহির থেকে ভিতরে into ব্যবহার
করো, ভিতর থেকে বাহিরে হয় out of,
Preposition না বুঝলে মুড থাকবে off.
-
● লেগে (স্পর্শ করে) থাকলে on হয়, নইলে
হয় above, Since, for বুঝ না, কেন না।
● শুরু থেকে বুঝাতে since হয়, নইলে হয় for,
গতি বুঝাতে (উপর দিয়ে) over, নিচে হয়
under, Preposition আসলেই খুব মজার।
-
● মাত্রা (স্তর) বুঝাতে হয় below, Preposition
শিখতে পেরে, আমি আছি খুব ভালো।
-
● On- এ গিয়ে গতি হলে শেষ হয় onto,
সাথে বুঝাতে with হয়,দিক বুঝাতে to.
কোনো কিছুর ভিতর দিয়ে যেতে হয়
through (বাধা থাকলে)।
-
● এ পাশ থেকে ওপাশে যেতে হয় across,
(বাধা না থাকলে)
°_______________________________________________________°

কোন Preposition কোথায় বসে:-

Preposition কাকে বলে? Preposition হল এমন শব্দ যা কোন Noun, pronoun, Noun phrase এর আগে বসে তার সাথে বাক্যস্থিত অন্য কোন শব্দের সম্পর্ক প্রকাশ করে।

যেমনঃ I go to University.

এখানে to শব্দটি go এবং University এর মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে।

📍সাধারণ নিয়মাবলীঃ২৪ ঘন্টার বড় সময় (দিন, সপ্তাহ, মাস, বছর, সাল,) ইত্যাদির পূর্বে in বসে। (যেমনঃ in 1980, in February etc.)২৪ ঘন্টার ছোট সময় (সকাল, দুপুর, বিকাল, সন্ধা, রাত, ঘড়ির সময়) ইত্যাদির পূর্বে at বসে।(নোটঃ সকাল হতে সন্ধ্যা অবধি সময়ের পূর্বে the থাকলে তার পূর্বে in বসে। যেমনঃ in the morning)দিবস, তারিথ, সাপ্তাহিক বার ইত্যাদির পূর্বে on বসে।বড় স্থান/জায়গার পূর্বে in ও ছোট স্থান/জায়গার পূর্বে at বসে। (যেমনঃ I live in Bangladesh at Dhaka.) Perfect continuous tense এর ক্ষেত্রে সময়ের সমষ্টির পূর্বে for এবং নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে since বসে

কোন কিছু স্পর্শ করে আছে বুঝালে তার পূর্বে on বসে।

শূণ্যস্থানের পরের শব্দ verb এর present (base from) হলে শূণ্যস্থানে to বসে।

📍বিভিন্ন ক্ষেত্রে Preposition এর ব্যবহার

At এর ব্যবহার

১. ছোট স্থান/শহর/জায়গার পূর্বে at বসে। যেমন: He lives at lalbag

২. নিদ্দিষ্ট সময় বুঝাতে at বসে। যেমন: I go to school at 9 am.

৩. দূরত্ব বুঝাতে at বসে। যেমন: Khulna is at 100 kilometers from here.

৪. দামের পূর্বে at বসে। যেমন: Potato sells at 10 tk. Per kg.

৫. দায়িত্ব বুঝাতে at বসে। যেমন: You must do this at your own risk.

৬. বয়স বুঝাতে at বসে। যেমন:He passed S.S.C at 16.

On এর ব্যবহার

১. কোন কিছুর উপর সংলগ্ন বুঝাতে On বসে। যেমন: Keep the mobile on the table.

২. বার/দিন/তারিখের পূর্বে© On বসে। যেমন: I went there on Saturday.

৩. নদীর তীরে বুঝাতে On বসে। যেমন: Khulna is on the rupsha.

৪. নির্ভরতা বুঝাতে On বসে। যেমন: We live on rice.

৫. Floor এর সংখ্যা বুঝাতে on বসে। যেমনঃ The Bank is on the 5th floor.

৬. সম্বন্ধ বুঝাতে On বসে। যেমন: He wrote an essay on Liberation.

In এর ব্যবহার

১. বড় স্থানের পূর্বে in বসে। যেমন: I live in Bangladesh.

Note: (“I live in Bangladesh at Dhaka” উদাহরণটিতে লক্ষ্য করুন- Bangladesh বড় জায়গা হওয়ায় in ও Dhaka ছোট জায়গা হওয়ায় at বসেছে)

২. কোন বিষয় বা ভাষা বুঝালে তার আগে in বসে। যেমন: In English, In Bengali. I wrote a novel in English.

৩. সময়ের ক্ষেত্রে বছর/মাসের পূর্বে In বসে। যেমন: He was born in 1980.

৪. পেশার পূর্বে In বসে। যেমন: He joined in navy.

৫. বিষয়ের পূর্বে In বসে। যেমন: He studies in History.

৬. অবস্থা বুঝাতে In বসে। যেমন: She is in happy mode.

৭. ক্ষেত্র বুঝাতে In বসে। যেমন: I have nothing to say in this regard.

To এর ব্যবহার

১. কোন স্থানে আসা এবং যাওয়া বুঝালে ঐ স্থানের আগে to বসে।

যেমন: He goes to market. He went to Italy.

২. ব্যক্তির কাছে বুঝালে তার আগে to বসে। যেমন: Razu came to me,

৩. অনুসারে বুঝাতে to বসে। যেমন: I work according to rule.

৪. সীমানার বাইরে বুঝাতে to বসে। যেমন: Korea is to the east of our country.

OF এর ব্যবহার

১. অধিকার/মালিকানা বুঝাতে Of বসে। যেমন: This is the car of Mr Azad.

২. উপকরণ বুঝাতে Of বসে। যেমন: The shoe is made of leather.

৩. কারণ বুঝাতে Of বসে। যেমন: The man died of cancer.

৪. সম্পর্ক বুঝাতে Of বসে। যেমন: I know everything of it.

Over এর ব্যবহার

১. কোন কিছু স্পর্শ না করে উপরে বুঝাতে Over বসে। যেমনঃ The plane is over the field

২. মাধ্যম বুঝাতে Over বসে। যেমনঃ He talked over telephone.

৩. বিপরীত পাশ বুঝাতে Over বসে। যেমনঃ They live over the road.

৪. অধিক বুঝাতে Over বসে। যেমনঃ Simu was in India for over a month.

৫. সমগ্র/সারা অর্থ বুঝাতে Over বসে। যেমনঃ They have traveled over the world.

Above এর ব্যবহার

১. সংযুক্ত না হয়ে উপরে বুঝাতে Above বসে। যেমনঃ The fan is above my head.

২. মানের উপরে বুঝালে Above বসে। যেমনঃ I got above 90% marks in history.

Between ও Among এর ব্যবহার

Between: দুইয়ের মধ্যে বুঝাতে/তুলনা করতে Between বসে।

যেমনঃ Bangladesh will win between India & England.

Divide the apple between the two boys.

Among: দুইয়ের অধিকের মধ্যে বুঝাতে/তুলনা করতে Among বসে।

যেমনঃ Bangladesh will win among 30 countries.

Divide the apple between the boys.

With এর ব্যবহার

১. সাথে বুঝাতে With বসে। যেমনঃ He came with me.

২. দ্বারা/দিয়া বুঝাতে With বসে। যেমনঃ I write with this pen.

For এর ব্যবহার

১. জন্য বুঝাতে For বসে।যেমন: I would like to do something for you.

২. সময়ের আগে ধরে/যাবৎ/ব্যাপিয়া বুঝাতে For বসে। যেমন: He has been working for 4 hours.

৩. কারণ বুঝাতে For বসে। যেমন: I will go to India for a tour.

৪. মূল্য বুঝাতে For বসে। যেমন: I have bought a Mobile for 5000 tk.

৫. সাহায্য অর্থে বুঝাতে For বসে। যেমন: Please do this favor for me.

By এর ব্যবহার

১. পাশে বুঝাতে By বসে। যেমন: She sat by me.

২. পথ অর্থে বুঝাতে By বসে। যেমন: They will go there by road.

৩. কোন উপায় বা পদ্ধতি বুঝাতে তার আগে By বসে। যেমন: By hard work.

৪. মাধ্যম বুঝাতে By বসে। যেমন: He achieved success by hard labour.

৫. পরিমাপ বুঝাতে By বসে। যেমন: The table is 2 feet by 3 feet.

৬. হার বুঝাতে By বসে। যেমন: He is improving day by day.

From এর ব্যবহার

কারো নিকট হতে অথবা কোন স্থান হতে/থেকে বুঝালে ব্যক্তির বা স্থানের আগে From বসে।

যেমন: তোমার নিকট হতে – From you, I took this pen from Rina.

খুলনা থেকে – from Khulna

He bought sweets from market. |

Into এর ব্যবহার

১. বাইরে থেকে ভিতরে বুঝাতে Into বসে।যেমনঃ The boy entered into the room.

২. সংঘর্ষ বুঝাতে Into বসে।যেমনঃ The car crashed into a parked microbus.

৩. সংখ্যায় ভাগ হওয়া বুঝাতে Into বসে। যেমনঃ They were divided into five groups

Within এর ব্যবহার

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বুঝাতে Within বসে। যেমনঃ I will come back within 20 minutes.

Towards এর ব্যবহার

দিকে বা বরাবর বোঝাতে Towards বসে। যেমনঃ I’m going towards university.

Before এর ব্যবহার

১. পূর্বে বুঝাতে Before বসে। যেমনঃ Rina came before launch.

২. সম্মুখে বুঝাতে Before বসে। যেমনঃ Rina stood before me.

After এর ব্যবহার

১. ‘পরে’ অর্থ প্রকাশ করতে After বসে। যেমনঃ I will play after study.

২. চলমান অবস্থার পিছনে বুঝাতে After বসে। যেমনঃ Police run after the criminal.

Below এর ব্যবহার

নিচে অর্থ প্রকাশ করতে Below বসে। যেমনঃ We live below the sky. Please see the rule which is given below.

Under এর ব্যবহার

১. নিচে অর্থ প্রকাশ করতে Under বসে। যেমনঃ Let’s sit under the tree.

২. বিবেচনাধীন অর্থ প্রকাশ করতে Under বসে। যেমনঃ This case is under the court.

৩. অধীনে অর্থ প্রকাশ করতে Under বসে। যেমনঃ He serves under me.

Across এর ব্যবহার

এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত বুঝাতে across বসে।

যেমনঃ Poverty is increasing across the country. Go across the street

Along এর ব্যবহার

বরাবর অর্থ প্রকাশ করতে along বসে। যেমনঃ Go along the bed.

Through এর ব্যবহার

কোন কিছুর মাধ্যমে বা মধ্যদিয়ে বুঝাতে Through বসে।

যেমনঃ They went our village Through the forest

Against এর ব্যবহার

১. বিরুদ্ধে বুঝাতে Against বসে। যেমনঃ We fought against Pakistan in liberation war.

২. বিপরীত অর্থ বুঝাতে Against বসে। যেমনঃ Rina Sat against the wall.

About এর ব্যবহার

১. সম্বন্ধে অর্থ প্রকাশ করতে About বসে। যেমনঃ Rafiq told me about the game.

২. প্রায় অর্থ প্রকাশ করতে About বসে। যেমনঃ The movie is about to end.

Beside এর ব্যবহার

পাশে অর্থ প্রকাশ করতে beside বসে। যেমনঃ She sat beside me.

Behind এর ব্যবহার

পিছনে অর্থ প্রকাশ করতে behind বসে। যেমনঃ Please stay behind me.

Beyond এর ব্যবহার

সাধ্যের বাইরে বুঝাতে Beyond বসে। যেমনঃ The price of the Dress is beyond my budget.

Down এর ব্যবহার

উপর থেকে নিচে বুঝাতে Down বসে। যেমনঃ He fell down from a building.

Since এর ব্যবহার

নির্দিষ্ট সময় বুঝাতে Since বসে। যেমনঃ It has been raining since morning.

Without এর ব্যবহার

ছাড়া/ব্যতিত বুঝাতে without বসে। যেমনঃ Fish cannot live without water

26/09/2025

*গুরুত্বপূর্ণ কম্পিউটার জিকে* 👇

💥কম্পিউটারের জনক *চার্লস ব্যাবেজ* ।
💥কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয় *CPU* কে।
💥CPU এর পুরো কথাটি – *সেন্ট্রাল প্রোসেসিং ইউনিট* ।
💥 *Microsoft* এর কর্ণধারের নাম – বিল গেটস।
💥একটি *CD* রম ড্রাইভের ক্যাপাসিটি হোলো *700 মেগাবাইট* ।
💥 *ইন্টারনেটের জনক* বলা হয় *ভিন্সেন্ট কার্ফ* কে।
💥 *BIT* হোলো কম্পিউটারের বেসিক ইউনিট।এর দুটি ভ্যালু *এক এবং শূন্য* ।
💥 *ই- কমার্সে* ভারতের স্থান 17তম।
💥 *চারটি* BIT এর সমন্বয় কে *NIBBLE* বলে।
💥বিশ্বের প্রথম বিদুৎ চালিত কম্পিউটার হোলো *ইনিয়াক* ।
💥 *ANSI* এর পুরো নাম American National Standard Institute.
💥 *C হোলো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ* এর পরিভাষা।
💥 কম্পিউটারের সব অংশ নিয়ন্ত্রণ করে _কন্ট্রোল ইউনিট_ ।
💥 1 কিলোবাইট = _1024 বাইট_ ।
💥 ট্রান্সমিটারের কাজ হোলো তথ্য প্রেরণ করা।
💥পার্সোনাল কম্পিউটারে যে অপারেটিং সিস্টেম ব্যাবহার করা হয় ,তাকে *ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম বা DOS* বলে।
💥কম্পিউটারের দুটি অংশ।হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার।
💥C, D,E,F এই চারটি হল *হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ* ।
💥 কম্পিউটারের যাবতীয় হিসাব নিকেশ হয় *বাইনারি সিস্টেমে* ।
💥 *Byte* হোলো *আট টি bit* এর সমন্বয়।
💥 *চিকাগো* হোলো *উইন্ডোজ – 95* এর কোড নাম।
💥ব্যাবসার কাজে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিংয়ের ভাষা হোলো *COBOL* .
💥💥 *http* এর সম্পূর্ণ নাম – *HyperText Transfer Protocol* .
💥💥 *1 টেরাবাইট* = *1024 গিগাবাইট* ।
সংগৃহীত ✍️

26/09/2025

🏆 পুরস্কার সম্পর্কিত যেসব প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে 📝

★ ম্যান বুকার পুরস্কার কোন ক্ষেত্রে দেওয়া হয়?
উঃ- সাহিত্য
★ কলিঙ্গ পুরস্কার দেওয়া হয়?
উঃ- ইউনেস্কো থেকে
★ প্রথম কোন বিদেশী ভারতরত্ন পুরস্কার পান?
উঃ- খান আব্দুল গফফর খান
★ নোবেল পুরস্কার কটি বিভাগে দেওয়া হয়?
উঃ- ৬টি [সাহিত্য, শান্তি, রসায়নবিদ্যা, পদার্থবিদ্যা ও চিকিৎসাবিদ্যা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি]
★ নোবেল পুরস্কার প্রতিবছর কোথায় দেওয়া হয়?
উঃ- স্টকহোম
★ সি.কে.নাইডু অ্যাওয়ার্ড কোন ক্রিকেটার প্রথম জেতেন?
উঃ- লাল অমরনাথ
★ নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রতি বছর কোথায় দেওয়া হয়?
উঃ- ওসলো
★ প্রথম ভারতীয় সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান?
উঃ- রবীন্দ্রনাথ(১৯১৩)
★ ম্যাগসেসে পুরস্কার দেওয়া হয় কোন বিভাগে?
উঃ- সামাজিক কাজকর্ম
★ প্রথম নেহেরু অ্যাওয়ার্ড কে জেতেন?
উঃ- ইউ থান্ট
★ নিশাই পাকিস্তান পুরস্কার কে পান?
উঃ- মোরাজী দেশাই
★ প্রথম রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কার কে পান?
উঃ- বিশ্বনাথন আনন্দ
★ অর্জুন পুরস্কার দেওয়া হয় কোন ক্ষেত্রের জন্য?
উঃ- খেলাধূলার অবদানের জন্য
★ পুলিত্জার পুরস্কার দেওয়া হয় কোন ক্ষেত্রের জন্য?
উঃ- সাংবাদিকতা ও সাহিত্য
★ রামন ম্যাগসেসে পুরস্কার দেওয়া হয় কোন দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের নামে?
উঃ- ফিলিপিন্স
★ ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিকত্ব পুরস্কার কোনটি?
উঃ- ভারতরত্ন
★ ভারতের সর্বোচ্চ সাহসী (wartime) পুরস্কার কোনটি?
উঃ- পরমবীর চক্র
★ ভারতের সর্বোচ্চ গ্যালান্ট্রি (peacetime) অ্যাওয়ার্ড কোনটি?
উঃ- অশোকচক্র
★ জ্ঞানপীঠ পুরস্কার দেওয়া হয় কোন ক্ষেত্রে?
উঃ- সাহিত্যকর্ম
★ প্রথম মহিলা যিনি জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পান?
উঃ- আশাপূর্ণা দেবী (প্রথম প্রতিশ্রুতি উপন্যাসের জন্য)
★ দ্রোণাচার্য পুরস্কার দেওয়া হয় কোন ক্ষেত্রে?
উঃ- খেলার কোচেদের জন্য
★ প্রথম মহিলা যিনি পুলিৎজার পুরস্কার পান?
উঃ- ঝুম্পা লাহিড়ী
★ অস্কার পুরস্কার দেওয়া হয়?
উঃ- সিনেমা জগৎ এর ক্ষেত্রে
★ প্রথম ভারতীয় যিনি অস্কার পান?
উঃ- ভানু আথাইয়া
★ প্রথম ভারতীয় যিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান?
উঃ- ডঃ এস.চন্দ্রশেখর(১৯৮৩)
★ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন?
উঃ- ভি.এস.নাইপল
সংগৃহীত ✍️
👍👍👍👍.....

10/09/2024

প্রেসার কুকারের রান্নার বিস্তারিত‼️🥰

🍚ভাত- ✅
জলের পরিমান:- যেই পট দিয়ে চাল মাপবেন, সেই পট দিয়ে চালের ডাবল পরিমান জল দেবেন।
সিটি:- লো আচে ২ টো সিটি এবং হাই আচে ৪ টে সিটি।

আলু- ✅
জলের পরিমান:- আলু ডুবিয়ে বা অর্ধেক ডুবিয়ে জল দেবেন। (আলু তে বেশি জল দিলে পানসে হয়)
সিটি:- লো আচে ২ টো সিটি এবং হাই আচে ৪ টে সিটি।

কাবলি ছোলা- ✅
জলের পরিমান:- ছোলা ডুবিয়ে জল দেবেন। আগে অবশ্যই ৬-৭ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখবেন।
সিটি:- লো আচে ৩ টে সিটি এবং হাই আচে ৫ টা সিটি।

গোটা মটর -✅
জলের পরিমান:- মটর আগে থেকেই ৬/৭ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে।মটর ডুবিয়ে জল দিতে হবে।
সিটি :- লো আঁচে ৪টে সিটি এবং হাই আঁচে ৭ টা সিটি।

খিচুড়ি- ✅
পানির পরিমান:- যেই পট দিয়ে চাল এবং ডাল মাপবেন, সেই পট দিয়ে চাল ডালের ডাবল পরিমান পানি দিবেন। নরম খিচুড়ি করতে চাইলে আরো একটু বেশি পানি দিবেন।
সিটি:- লো আচে ২ টো সিটি এবং হাই আচে ৪ টে সিটি।

পোলাও- ✅
জলের পরিমান:- যদি ১ পট চাল হয় তাহলে ডাবল জল দেবেন। এর বেশি চাল হলে ডাবলের একটু কম জল দেবেন। যেমন ২ পটে ১.৫ পট জল এইভাবে ।
সিটি:- লো আচে ১ টা সিটি এবং হাই আচে ২ টো সিটি।

সবজি - ✅
জলের পরিমান:- কষিয়ে নিয়ে সামান্য জল দিয়ে দেবেন।
সিটি:- লো আচে ১ টা সিটি এবং হাই আচে ২ টো সিটি।

লাউ ডাল- ✅
জলের পরিমান:- জল না দিলেও হবে। চাইলে সামান্য দিতে পারেন।
সিটি:- ২ টো সিটি।

পাতলা ডাল- ✅
জলের পরিমান:- ডালের ডাবল জল। প্রথমে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে ভালো হয়।
সিটি:- লো আচে ২ টো সিটি এবং হাই আচে ৪ টে সিটি।

মুগ ডাল ঘাটি- ✅
জলের পরিমান:- কষিয়ে নিয়ে সামান্য জল দিয়ে দেবেন।
সিটি:- ১ টা সিটিই যথেষ্ট।

বিরিয়ানি- ✅
জলের পরিমান:- যদি ১ পট চাল হয় তাহলে ডাবল জল দেবেন। এর বেশি চাল হলে ডাবলের একটু কম জল দেবেন। যেমন ২ পটে ১.৫ পট জল এইভাবে ।
ধন্যবাদ সবাইকে❣️😍❤️

21/03/2024

Copied...........
১. কাঁঠাল—-Jack fruit
২. পেয়ারা—-Guava
৩. কলা —–Banana
৪. আম —- Mango
৫. কমলা—- Orange
৬. আনারফল—-Pomegranate
৭. আপেল—–Apple
৮. আনারস—-Pineapple
৯. লিচু ——Litchi
১০. আমড়া——Golden apple
১১. চালতা——-Elephant apple
১২. আতা——–Custard apple

১৩. লেবু —– Lemon****-
** শশা~~Cucumber

১৪. খেজুর—-Dates
১৫. নাশপাতি-Pear
১৬. এভোকাডো- Avocado
১৭. পেঁপে——Papaya
১৮. তেঁতুল —-Tamarind
১৯. আলুচা—–Plum
২০. কামরাঙ্গা —-starfruit
২১. নীল রঙের বেরি — Blue Beery
২২. সপেতা / সবেদা —-Sapodilla or Sapota
২৩. তরমুজ-Watermelon
২৪. স্টবেরি —–Strawberry
২৫. আঙুর -Grapes
২৬. চেরি ——Cherry
২৭. নারকেল—-Coconut
২৮. খুবানি —Apricots
২৯. তাল —–palm
৩০. জাম ——-Berry
৩১. আমলকী —-Indian gooseberry
৩২. কিউই —-kiwi
৩৩. কাজু বাদাম —–Cashew nuts
৩৪. আখরোট —–Walnuts
৩৫. ডাব —-Green Coconut
৩৬. পীচ ফল —-Peach
৩৭. পানিফল —–water chestnut
৩৮. ডালিম ——Pomegranate
৩৯. ড্রাগন ফল ——Dragon fruit
৪০. বেল/কতবেল ——-Wood apple
৪১. ডুমুর ——Figs
৪২. আমড়া ——Hog Plum
৪৩. ফুটি —–Cantaloupe
৪৪. খরবুজ——Muskmelon
৪৫. পাতিলেবু —–Lime
৪৬. জামরুল —-Rose apple
৪৭. শরিফা —–Sugar apple

21/03/2024

ড্রাইভিং_লাইসেন্স_করতে_চাচ্ছেন!
ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর নিজে শিখুন এবং অন্যকে শেখার জন্য উৎসাহিত করুন।
=====================================
০১. প্রশ্ন : মোটরযান কাকে বলে ?
উত্তরঃ মোটরযান আইনে মোটরযান অর্থ কোনো যন্ত্রচালিত যান, যার চালিকাশক্তি বাইরের বা ভিতরের কোনো উৎস হতে সরবরাহ হয়ে থাকে।
০২. প্রশ্ন : গাড়ি চালনার আগে করণীয় কাজ কী কী ?
উত্তরঃ ক. গাড়ির হালনাগাদ বৈধ কাগজপত্র (রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্সটোকেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ইনসিওরেন্স (বিমা) সার্টিফিকেট, রুট পারমিট ইত্যাদি) গাড়ির সঙ্গে রাখা।
খ. গাড়িতে জ্বালানি আছে কি না পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
গ. রেডিয়েটর ও ব্যাটারিতে পানি আছে কি না পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
ঘ. ব্যাটারি কানেকশন পরীক্ষা করা।
ঙ. লুব/ইঞ্জিন অয়েলের লেবেল ও ঘনত্ব পরীক্ষা করা, কম থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
চ. মাস্টার সিলিন্ডারের ব্রেকফ্লুইড, ব্রেকঅয়েল পরীক্ষা করা, কম থাকলে নেওয়া।
ছ. গাড়ির ইঞ্জিন, লাইটিং সিস্টেম, ব্যাটারি, স্টিয়ারিং ইত্যাদি সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, নাট-বোল্ট টাইট আছে কি না অর্থাৎ সার্বিকভাবে মোটরযানটি ত্র“টিমুক্ত আছে কি না পরীক্ষা করা।
জ. ব্রেক ও ক্লাচের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা।
ঝ. অগ্নিনির্বাপকযন্ত্র এবং ফাস্টএইড বক্স গাড়িতে রাখা।
ঞ. গাড়ির বাইরের এবং ভিতরের বাতির অবস্থা, চাকা (টায়ার কন্ডিশন/হাওয়া/নাট/এলাইমেন্ট/রোটেশন/স্পেয়ার চাকা) পরীক্ষা করা।
০৩. প্রশ্ন : মোটরযানের মেইনটেনেন্স বা রক্ষণাবেক্ষণ বলতে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ ত্রুটিমুক্ত অবস্থায় একটি গাড়ি হতে দীর্ঘদিন সার্ভিস পাওয়ার জন্য প্রতিদিন গাড়িতে যে-সমস্ত মেরামত কাজ করা হয়, তাকে মোটরযানের মেইনটেনেন্স বলে।
০৪. প্রশ্ন : একটি মোটরযানে প্রতিদিন কী কী মেইনটেনেন্স করতে হয় ?
উত্তরঃ ২ নং প্রশ্নের উত্তরের খ থেকে ঞ পর্যন্ত।
০৫. প্রশ্ন : সার্ভিসিং বলতে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ মোটরযানের ইঞ্জিন ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশের কার্যক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর যে-কাজগুলো করা হয়, তাকে সার্ভিসিং বলে।
০৬. প্রশ্ন : গাড়ি সার্ভিসিংয়ে কী কী কাজ করা হয় ?
উত্তরঃ ক. ইঞ্জিনের পুরাতন লুবঅয়েল (মবিল) ফেলে দিয়ে নতুন লুবঅয়েল দেওয়া। নতুন লুবঅয়েল দেওয়ার আগে ফ্লাশিং অয়েল দ্বারা ফ্লাশ করা।
খ. ইঞ্জিন ও রেডিয়েটরের পানি ড্রেন আউট করে ডিটারজেন্ট ও ফ্লাশিংগান দিয়ে পরিষ্কার করা, অতঃপর পরিষ্কার পানি দিয়ে পূর্ণ করা।
গ. ভারী মোটরযানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গ্রিজিং পয়েন্টে গ্রিজগান দিয়ে নতুন গ্রিজ দেওয়া।
ঘ. গাড়ির স্পেয়ার হুইলসহ প্রতিটি চাকাতে পরিমাণমতো হাওয়া দেওয়া।
ঙ. লুবঅয়েল (মবিল) ফিল্টার, ফুয়েল ফিল্টার ও এয়ারক্লিনার পরিবর্তন করা।
০৭. প্রশ্ন : গাড়ি চালনাকালে কী কী কাগজপত্র গাড়ির সঙ্গে রাখতে হয় ?
উত্তরঃ ক. ড্রাইভিং লাইসেন্স, খ. রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ব্লু-বুক), গ. ট্যাক্সটোকেন, ঘ. ইনসিওরেন্স সার্টিফিকেট, ঙ.ফিটনেস সার্টিফিকেট (মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়) এবং চ. রুটপারমিট (মোটরসাইকেল এবং চালক ব্যতীত সর্বোচ্চ ৭ আসন বিশিষ্ট ব্যক্তিগত যাত্রীবাহী গাড়ির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)।
০৮. প্রশ্ন : রাস্তায় গাড়ির কাগজপত্র কে কে চেক করতে পারেন/কোন কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণকে গাড়ির কাগজ দেখাতে বাধ্য ?
উত্তরঃ সার্জেন্ট বা সাব-ইনসপেক্টরের নিচে নয় এমন পুলিশ কর্মকর্তা, মোটরযান পরিদর্শকসহ বিআরটিএর কর্মকর্তা এবং মোবাইলকোর্টের কর্মকর্তা।
০৯. প্রশ্ন : মোটরসাইকেলে হেলমেট পরিধান ও আরোহী বহন সম্পর্কে আইন কী ?
উত্তরঃ মোটরসাইকেলে চালক ব্যতীত ১ জন আরোহী বহন করা যাবে এবং উভয়কেই হেলমেট পরিধান করতে হবে (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১০০)।
১০. প্রশ্ন : সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ কী কী?
উত্তরঃ ক. অত্যধিক আত্মবিশ্বাস, খ. মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, গ. অননুমোদিত ওভারটেকিং এবং ঘ. অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন।
১১. প্রশ্ন : গাড়ি দুর্ঘটনায় পতিত হলে চালকের করনীয় কী ?
উত্তরঃ আহত ব্যক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনে নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করা এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটবর্তী থানায় দুর্ঘটনার বিষয়ে রিপোর্ট করা।
১২. প্রশ্ন : আইন অনুযায়ী গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা কত ?
উত্তরঃ হালকা মোটরযান ও মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭০ মাইল, মাঝারি বা ভারী যাত্রীবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৫ মাইল এবং মাঝারি বা ভারী মালবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০ মাইল।
১৩. প্রশ্ন : মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কী ?
উত্তরঃ সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে মোটরযান চালানোর জন্য লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত বৈধ দলিলই মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স।
১৪. প্রশ্নঃ অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে-লাইসেন্স দিয়ে একজন চালক কারো বেতনভোগী কর্মচারী না হয়ে মোটর সাইকেল, হালকা মোটরযান এবং অন্যান্য মোটরযান (পরিবহনযান ব্যতীত) চালাতে পারে, তাকে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলে।
১৫. প্রশ্ন : ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স কত ?
উত্তরঃ পেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ২১ বছর এবং অপেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ১৮ বছর।
১৬. প্রশ্ন : কোন কোন ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে?
উত্তরঃ মৃগীরোগী, উন্মাদ বা পাগল, রাতকানারোগী, কুষ্ঠরোগী, হৃদরোগী, অতিরিক্ত মদ্যপব্যক্তি, বধিরব্যক্তি এবং বাহু বা পা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে অসুবিধা হয় এমন ব্যক্তি।
১৭. প্রশ্ন : হালকা মোটরযান কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে-মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭ কেজির অধিক নয়, তাকে হালকা মোটরযান বলে।
১৮. প্রশ্ন : মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে-মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাইওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭ কেজির অধিক কিন্তু ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক নয়, তাকে মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান বলে।
১৯. প্রশ্ন : ভারী মোটরযান কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে-মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক, তাকে ভারী মোটরযান বলে।
২০. প্রশ্ন : প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান কাকে বলে ?
উত্তরঃ ড্রাইভার ব্যতীত আটজনের বেশি যাত্রী বহনের উপযোগী যে-মোটরযান মালিকের পক্ষে তার ব্যবসা সম্পর্কিত কাজে এবং বিনা ভাড়ায় যাত্রী বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান বলে।
২১. প্র্রশ্নঃ ট্রাফিক সাইন বা রোড সাইন (চিহ্ন) প্রধানত কত প্রকার ও কী কী ?
উত্তরঃ ট্রাফিক সাইন বা চিহ্ন প্রধানত তিন প্রকার। ক. বাধ্যতামূলক, যা প্রধানত বৃত্তাকৃতির হয়,
খ. সতর্কতামূলক, যা প্রধানত ত্রিভুজাকৃতির হয় এবং গ. তথ্যমূলক, যা প্রধানত আয়তক্ষেত্রাকার হয়।
২২. প্রশ্ন : লাল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে ?
উত্তরঃ নিষেধ বা করা যাবে না বা অবশ্যবর্জনীয় নির্দেশনা প্রদর্শন করে।
২৩. প্রশ্ন : নীল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে ?
উত্তরঃ করতে হবে বা অবশ্যপালনীয় নির্দেশনা প্রদর্শন করে।
২৪. প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজাকৃতির সাইন কী নিদের্শনা প্রদর্শন করে ?
উত্তরঃ সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা প্রদর্শন করে।
২৫. প্রশ্ন : নীল রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন ?
উত্তরঃ সাধারণ তথ্যমূলক সাইন।
২৬. প্রশ্ন : সবুজ রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?
উত্তরঃ পথনির্দেশক তথ্যমূলক সাইন, যা জাতীয় মহাসড়কে ব্যবহৃত হয়।
২৭. প্রশ্ন : কালো বর্ডারের সাদা রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?
উত্তরঃ এটিও পথনির্দেশক তথ্যমূলক সাইন, যা মহাসড়ক ব্যতীত অন্যান্য সড়কে ব্যবহৃত হয়।
২৮. প্রশ্ন : ট্রাফিক সিগন্যাল বা সংকেত কত প্রকার ও কী কী ?
উত্তরঃ ৩ (তিন) প্রকার। যেমন- ক. বাহুর সংকেত, খ. আলোর সংকেত ও গ. শব্দ সংকেত।
২৯. প্রশ্ন : ট্রাফিক লাইট সিগন্যালের চক্র বা অনুক্রমগুলি কী কী ?
উত্তরঃ লাল-সবুজ-হলুদ এবং পুনরায় লাল।
৩০. প্রশ্ন : লাল, সবুজ ও হলুদ বাতি কী নির্দেশনা প্রদশন করে ?
উত্তরঃ লালবাতি জ্বললে গাড়িকে ‘থামুনলাইন’এর পেছনে থামায়ে অপেক্ষা করতে হবে, সুবজবাতি জ্বললে গাড়ি নিয়ে অগ্রসর হওয়া যাবে এবং হলুদবাতি জ্বললে গাড়িকে থামানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।
৩১. প্রশ্নঃ নিরাপদ দূরত্ব বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ সামনের গাড়ির সাথে সংঘর্ষ এড়াতে পেছনের গাড়িকে নিরাপদে থামানোর জন্য যে পরিমাণ দূরত্ব বজায় রেখে গাড়ি চালাতে হয় সেই পরিমাণ নিরাপদ দূরত্ব বলে।
৩২. প্রশ্ন : পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চললে নিরাপদ দূরত্ব কত হবে?
উত্তরঃ ২৫ মিটার।
৩৩. প্রশ্ন : পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ মাইল গতিতে গাড়ি চললে নিরাপদ দূরত্ব কত হবে ?
উত্তরঃ ৫০ গজ বা ১৫০ ফুট।
৩৪. প্রশ্ন : লাল বৃত্তে ৫০ কি.মি. লেখা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. অর্থাৎ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না।
৩৫. প্রশ্ন : নীল বৃত্তে ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. লেখা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ সর্বনিম্ন গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. অর্থাৎ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারের কম গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না।
৩৬. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের মধ্যে হর্ন আঁকা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ হর্ন বাজানো নিষেধ।
৩৭. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের ভিতরে একটি বড় বাসের ছবি থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ বড় বাস প্রবেশ নিষেধ।
৩৮. প্রশ্ন : লাল বৃত্তে একজন চলমান মানুষের ছবি আঁকা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ পথচারী পারাপার নিষেধ।
৩৯. প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজে একজন চলমান মানুষের ছবি আঁকা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ সামনে পথচারী পারাপার, তাই সাবধান হতে হবে।
৪০. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের ভিতর একটি লাল ও একটি কালো গাড়ি থাকলে কী বুঝায়?
উত্তরঃ ওভারটেকিং নিষেধ।
৪১. প্রশ্ন : আয়তক্ষেত্রে ‘চ’ লেখা থাকলে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান।
৪২. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে গাড়ির হর্ন বাজানো নিষেধ ?
উত্তরঃ নীরব এলাকায় গাড়ির হর্ন বাজানো নিষেধ। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত বা অনুরূপ প্রতিষ্ঠানসমূহের চতুর্দিকে ১০০ মিটার পর্যন্ত এলাকা নীরব এলাকা হিসাবে চিহ্নিত।
৪৩. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে ওভারটেক করা নিষেধ ?
উত্তরঃ ক. ওয়ারটেকিং নিষেধ সম্বলিত সাইন থাকে এমন স্থানে, খ. জাংশনে, গ. ব্রিজ/কালভার্ট ও তার আগে পরে নির্দিষ্ট দূরত্ব, ঘ. সরু রাস্তায়, ঙ. হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায়।
৪৪. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে গাড়ি পার্ক করা নিষেধ ?
উত্তরঃ ক. যেখানে পার্কিং নিষেধ বোর্ড আছে এমন স্থানে, খ. জাংশনে, গ. ব্রিজ/কালভার্টের ওপর, ঘ. সরু রাস্তায়,
ঙ. হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায়, চ. পাহাড়ের ঢালে ও ঢালু রাস্তায়, ফুটপাত, পথচারী পারাপার এবং তার আশেপাশে, ছ. বাস স্টপেজ ও তার আশেপাশে এবং জ. রেলক্রসিং ও তার আশেপাশে।
৪৫. প্রশ্ন : গাড়ি রাস্তার কোনপাশ দিয়ে চলাচল করবে ?
উত্তরঃ গাড়ি রাস্তার বামপাশ দিয়ে চলাচল করবে। যে-রাস্তায় একাধিক লেন থাকবে সেখানে বামপাশের লেনে ধীর গতির গাড়ি, আর ডানপাশের লেনে দ্রুত গাতির গাড়ি চলাচল করবে।
৪৬. প্রশ্ন : কখন বামদিক দিয়ে ওভারটেক করা যায় ?
উত্তরঃ যখন সামনের গাড়ি চালক ডানদিকে মোড় নেওয়ার ইচ্ছায় যথাযথ সংকেত দিয়ে রাস্তার মাঝামাঝি স্থানে যেতে থাকবেন তখনই পেছনের গাড়ির চালক বামদিক দিয়ে ওভারটেক করবেন।
৪৭. প্রশ্ন : চলন্ত অবস্থায় সামনের গাড়িকে অনুসরণ করার সময় কী কী বিষয় লক্ষ্য রাখা উচিত ?
উত্তরঃ (ক) সামনের গাড়ির গতি (স্পিড) ও গতিবিধি, (খ) সামনের গাড়ি থামার সংকেত দিচ্ছে কি না, (গ) সামনের গাড়ি ডানে/বামে ঘুরার সংকেত দিচ্ছে কি না, (ঘ) সামনের গাড়ি হতে নিরাপদ দূরত্ব বজায় থাকছে কি না।
৪৮. প্রশ্ন : রাস্তারপাশে সতর্কতামূলক ‘‘স্কুল/শিশু” সাইন বোর্ড থাকলে চালকের করণীয় কী ?
উত্তরঃ (ক) গাড়ির গতি কমিয়ে রাস্তার দু-পাশে ভালোভাবে দেখে-শুনে সতর্কতার সাথে অগ্রসর হতে হবে।
(খ) রাস্তা পারাপারের অপেক্ষায় কোনো শিশু থাকলে তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
৪৯. প্রশ্ন : গাড়ির গতি কমানোর জন্য চালক হাত দিয়ে কীভাবে সংকেত দিবেন ?
উত্তরঃ চালক তার ডানহাত গাড়ির জানালা দিয়ে সোজাসুজি বের করে ধীরে ধীরে উপরে-নীচে উঠানামা করাতে থাকবেন।
৫০. প্রশ্ন : লেভেলক্রসিং বা রেলক্রসিং কত প্রকার ও কী কী ?
উত্তরঃ লেভেলক্রসিং বা রেলক্রসিং ২ প্রকার। ক. রক্ষিত রেলক্রসিং বা পাহারাদার নিয়ন্ত্রিত রেলক্রসিং, খ. অরক্ষিত রেলক্রসিং বা পাহারাদারবিহীন রেলক্রসিং।
৫১. প্রশ্নঃ রক্ষিত লেভেলক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?
উত্তরঃ গাড়ির গতি কমিয়ে সতর্কতার সাথে সামনে আগাতে হবে। যদি রাস্তা বন্ধ থাকে তাহলে গাড়ি থামাতে হবে, আর খোলা থাকলে ডানেবামে ভালোভাবে দেখে অতিক্রম করতে হবে।
৫২. প্রশ্নঃ অরক্ষিত লেভেলক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?
উত্তরঃ গাড়ির গতি একদম কমিয়ে সতর্কতার সাথে সামনে আগাতে হবে, প্রয়োজনে লেভেলক্রসিংয়ের নিকট থামাতে হবে। এরপর ডানেবামে দেখে নিরাপদ মনে হলে অতিক্রম করতে হবে।
৫৩. প্রশ্ন : বিমানবন্দরের কাছে চালককে সতর্ক থাকতে হবে কেন ?
উত্তরঃ (ক) বিমানের প্রচণ্ড শব্দে গাড়ির চালক হঠাৎ বিচলিত হতে পারেন, (খ) সাধারণ শ্রবণ ক্ষমতার ব্যাঘাত ঘটতে পারে, (গ) বিমানবন্দরে ভিভিআইপি/ভিআইপি বেশি চলাচল করে বিধায় এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়।
৫৪. প্রশ্নঃ মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীর হেলমেট ব্যবহার করা উচিত কেন ?
উত্তরঃ মানুষের মাথা শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এখানে সামান্য আঘাত লাগলেই মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে।
তাই দুর্ঘটনায় মানুষের মাথাকে রক্ষা করার জন্য হেলমেট ব্যবহার করা উচিত।
৫৫. প্রশ্ন : গাড়ির পেছনের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য কতক্ষণ পর পর লুকিং গ্লাস দেখতে হবে ?
উত্তরঃ প্রতিমিনিটে ৬ থেকে ৮ বার।
৫৬. প্রশ্নঃ পাহাড়ি রাস্তায় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় ?
উত্তরঃ সামনের গাড়ি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ১ নং গিয়ারে বা ফার্স্ট গিয়ারে সতর্কতার সাথে ধীরে ধীরে ওপরে উঠতে হবে। পাহাড়ের চূড়ার কাছে গিয়ে আরো ধীরে উঠতে হবে, কারণ চূড়ায় দৃষ্টিসীমা অত্যন্ত সীমিত। নিচে নামার সময় গাড়ির গতি ক্রমে বাড়তে থাকে বিধায় সামনের গাড়ি থেকে বাড়তি দূরত্ব বজায় রেখে নামতে হবে। ওঠা-নামার সময় কোনোক্রমেই ওভারটেকিং করা যাবে না।
৫৭. প্রশ্নঃ বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালনার বিষয়ে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়?
উত্তরঃ বৃষ্টির সময় রাস্তা পিচ্ছিল থাকায় ব্রেক কম কাজ করে। এই কারণে বাড়তি সতর্কতা হিসাবে ধীর গতিতে (সাধারণ গতির চেয়ে অর্ধেক গতিতে) গাড়ি চালাতে হবে, যাতে ব্রেক প্রয়োগ করে অতি সহজেই গাড়ি থামানো যায়। অর্থাৎ ব্রেক প্রয়োগ করে গাড়ি যাতে অতি সহজেই থামানো বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেইরূপ ধীর গতিতে বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালাতে হবে।
৫৮. প্রশ্ন : ব্রিজে ওঠার পূর্বে একজন চালকের করণীয় কী ?
উত্তরঃ ব্রিজ বিশেষকরে উঁচু ব্রিজের অপরপ্রান্ত থেকে আগত গাড়ি সহজে দৃষ্টিগোচর হয় না বিধায় ব্রিজে ওঠার পূর্বে সতর্কতার সাথে গাড়ির গতি কমিয়ে উঠতে হবে। তাছাড়া, রাস্তার তুলনায় ব্রিজের প্রস্থ অনেক কম হয় বিধায় ব্রিজে কখনো ওভারটেকিং করা যাবে না।
৫৯. প্রশ্ন : পার্শ্বরাস্তা থেকে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করার সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় ?
উত্তরঃ পার্শ্বরাস্তা বা ছোট রাস্তা থেকে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করার আগে গাড়ির গতি কমায়ে, প্রয়োজনে থামায়ে, প্রধান রাস্তার গাড়িকে নির্বিঘেœ আগে যেতে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রধান সড়কে গাড়ির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে সুযোগমত সতর্কতার সাথে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করতে হবে।
৬০. প্রশ্ন : রাস্তার ওপর প্রধানত কী কী ধরনের রোডমার্কিং অঙ্কিত থাকে ?
উত্তরঃ রাস্তার ওপর প্রধানত ০৩ ধরনের রোডমাকিং অঙ্কিত থাকে।
ক. ভাঙালাইন, যা অতিক্রম করা যায়।
খ. একক অখন্ডলাইন, যা অতিক্রম করা নিষেধ, তবে প্রয়োজনবিশেষ অতিক্রম করা যায়।
গ. দ্বৈত অখন্ডলাইন, যা অতিক্রম করা নিষেধ এবং আইনত দণ্ডনীয়। এই ধরনের লাইন দিয়ে ট্রাফিকআইল্যান্ড বা রাস্তার বিভক্তি বুঝায়।
৬১. প্রশ্ন : জেব্রাক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?
উত্তরঃ জেব্রাক্রসিংয়ে পথচারীদের অবশ্যই আগে যেতে দিতে হবে এবং পথচারী যখন জেব্রাক্রসিং দিয়ে পারাপার হবে তখন গাড়িকে অবশ্যই তার আগে থামাতে হবে। জেব্রাক্রসিংয়ের ওপর গাড়িকে থামানো যাবে না বা রাখা যাবে না।
৬২. প্রশ্ন : কোন কোন গাড়িকে ওভারটেক করার সুযোগ দিতে হবে ?
উত্তরঃ যে-গাড়ির গতি বেশি, এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ইত্যাদি জরুরি সার্ভিস, ভিভিআইপি গাড়ি ইত্যাদিকে।
৬৩. প্রশ্ন : হেড লাইট ফ্ল্যাশিং বা আপার ডিপার ব্যবহারের নিয়ম কী ?
উত্তরঃ শহরের মধ্যে সাধারণত ‘লো-বিম বা ডিপার বা মৃদুবিম’ ব্যবহার করা হয়। রাতে কাছাকাছি গাড়ি না থাকলে অর্থাৎ বেশিদূর পর্যন্ত দেখার জন্য হাইওয়ে ও শহরের বাইরের রাস্তায় ‘হাই বা আপার বা তীক্ষ্ম বিম’ ব্যবহার করা হয়। তবে, বিপরীতদিক থেকে আগত গাড়ি ১৫০ মিটারের মধ্যে চলে আসলে হাইবিম নিভিয়ে লো-বিম জ্বালাতে হবে। অর্থাৎ বিপরীতদিক হতে আগত কোনো গাড়িকে পাস/পার হওয়ার সময় লো-বিম জ্বালাতে হবে।
৬৪. প্রশ্ন : গাড়ির ব্রেক ফেল করলে করণীয় কী ?
উত্তরঃ গাড়ির ব্রেক ফেল করলে প্রথমে অ্যাক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিতে হবে। ম্যানুয়াল গিয়ার গাড়ির ক্ষেত্রে গিয়ার পরিবর্তন করে প্রথমে দ্বিতীয় গিয়ার ও পরে প্রথম গিয়ার ব্যবহার করতে হবে। এর ফলে গাড়ির গতি অনেক কমে যাবে। এই পদ্ধতিতে গাড়ি থামানো সম্ভব না হলে রাস্তার আইল্যান্ড, ডিভাইডার, ফুটপাত বা সুবিধামত অন্যকিছুর সাথে ঠেকিয়ে গাড়ি থামাতে হবে। ঠেকানোর সময় যানমালের ক্ষয়ক্ষতি যেনো না হয় বা কম হয় সেইদিকে সজাগ থাকতে হবে।
৬৫. প্রশ্ন : গাড়ির চাকা ফেটে গেলে করণীয় কী ?
উত্তরঃ গাড়ির চাকা ফেটে গেলে গাড়ি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। এই সময় গাড়ির চালককে স্টিয়ারিং দৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে হবে এবং অ্যাক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে ক্রমান্বয়ে গতি কমিয়ে আস্তে আস্তে ব্রেক করে গাড়ি থামাতে হবে। চলন্ত অবস্থায় গাড়ির চাকা ফেটে গেলে সাথে সাথে ব্রেক করবেন না। এতে গাড়ি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে।
৬৬. প্রশ্ন : হ্যাজার্ড বা বিপদ সংকেত বাতি কী ?
উত্তরঃ প্রতিটি গাড়ির সামনে ও পিছনে উভয়পাশের কর্ণারে একজোড়া করে মোট দু-জোড়া ইন্ডিকেটর বাতি থাকে। এই চারটি ইন্ডিকেটর বাতি সবগুলো একসাথে জ্বললে এবং নিভলে তাকে হ্যাজার্ড বা বিপদ সংকেত বাতি বলে। বিপজ্জনক মুহূর্তে, গাড়ি বিকল হলে এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এই বাতিগুলো ব্যবহার করা হয়।
৬৭. প্রশ্ন : গাড়ির ড্যাশবোর্ডে কী কী ইন্সট্রুমেন্ট থাকে ?
উত্তরঃ ক. স্পিডোমিটার- গাড়ি কত বেগে চলছে তা দেখায়।
খ. ওডোমিটার – তৈরির প্রথম থেকে গাড়ি কত কিলোমিটার বা মাইল চলছে তা দেখায়।
গ. ট্রিপমিটার- এক ট্রিপে গাড়ি কত কিলোমিটার/মাইল চলে তা দেখায়।
ঘ. টেম্পারেচার গেজ- ইঞ্জিনের তাপমাত্রা দেখায়।
ঙ. ফুয়েল গেজ- গাড়ির তেলের পরিমাণ দেখায়।
৬৮. প্রশ্ন : গাড়িতে কী কী লাইট থাকে ?
উত্তরঃ ক. হেডলাইট, খ. পার্কলাইট, গ. ব্রেকলাইট, ঘ. রিভার্সলাইট ঙ. ইন্ডিকেটরলাইট, চ. ফগলাইট এবং ছ. নাম্বারপ্লেট লাইট।
৬৯. প্রশ্ন : পাহাড়ি ও ঢাল/চূড়ায় রাস্তায় গাড়ি কোন গিয়ারে চালাতে হয় ?
উত্তরঃ ফার্স্ট গিয়ারে। কারণ ফার্স্ট গিয়ারে গাড়ি চালানোর জন্য ইঞ্জিনের শক্তি বেশি প্রয়োজন হয়।
৭০. প্রশ্ন : গাড়ির সামনে ও পিছনে লাল রঙের ইংরেজি “খ” অক্ষরটি বড় আকারে লেখা থাকলে এরদ্বারা কী বুঝায় ?
উত্তরঃ এটি একটি শিক্ষানবিশ ড্রাইভারচালিত গাড়ি। এই গাড়ি হতে সাবধান থাকতে হবে।
৭১. প্রশ্ন : শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে গাড়ি চালানো বৈধ কী ?
উত্তরঃ ইনসট্রাক্টরের উপস্থিতিতে ডুয়েল সিস্টেম (ডাবল স্টিয়ারিং ও ব্রেক) সম্বলিত গাড়ি নিয়ে সামনে ও পিছনে “খ” লেখা প্রদর্শন করে নির্ধারিত এলাকায় চালানো বৈধ।
৭২. প্রশ্ন : ফোরহুইলড্রাইভ গাড়ি বলতে কী বুঝায় ?
উত্তরঃ সাধারণত ইঞ্জিন হতে গাড়ির পেছনের দু-চাকায় পাওয়ার (ক্ষমতা) সরবরাহ হয়ে থাকে। বিশেষ প্রয়োজনে যে-গাড়ির চারটি চাকায় (সামনের ও পিছনের) পাওয়ার সরবরাহ করা হয়, তাকে ফোরহুইলড্রাইভ গাড়ি বলে।
৭৩. প্রশ্ন : ফোরহুইলড্রাইভ কখন প্রয়োগ করতে হয় ?
উত্তরঃ ভালো রাস্তাতে চলার সময় শুধুমাত্র পেছনের দু-চাকাতে ড্রাইভ দেওয়া হয়। কিন্তু পিচ্ছিল, কর্দমাক্ত রাস্তায় চলার সময় চার চাকাতে ড্রাইভ দিতে হয়।
৭৪. প্রশ্ন : টুলবক্স কী ?
উত্তরঃ টুলবক্স হচ্ছে যন্ত্রপাতির বাক্স, যা গাড়ির সঙ্গে রাখা হয়। মোটরযান জরুরি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মালামাল টুলবক্সে রাখা হয়।
৭৫. প্রশ্ন : ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী ?
উত্তরঃ সর্বোচ্চ ৪ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৩৮ ধারা)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন।
৭৬. প্রশ্ন : গাড়িতে গাড়িতে নিষিদ্ধ হর্ন কিংবা উচ্চশব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র সংযোজন ও তা ব্যবহার করলে শাস্তি কী ?
উত্তরঃ ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৩৯ ধারা)।
৭৭. প্রশ্ন : রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রুটপারমিট ব্যতীত গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী?
উত্তরঃ প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড অথবা ২০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড। দ্বিতীয়বার বা পরবর্তী সময়ের জন্য সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৫২ ধারা)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন।
৭৮. প্রশ্ন : মদ্যপ বা মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?
উত্তরঃ সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড। পরবর্তী সময়ে প্রতিবারের জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড এবং নির্দিষ্ট মেয়াদে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪৪ ধারা)।
৭৯. প্রশ্ন : নির্ধারিত গতির চেয়ে অধিক বা দ্রুত গতিতে গাড়ি চালনার শাস্তি কী?
উত্তরঃ প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ দিন কারাদণ্ড বা ৩০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড। পরবর্তীতে একই অপরাধ করলে সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের কার্যকারিতা ১ মাসের জন্য স্থগিত (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪২ ধারা)।
৮০. প্রশ্ন : বেপরোয়া ও বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?
উত্তরঃ সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং যে-কোনো মেয়াদের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্সের কার্যকারিতা স্থগিত (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪৩ ধারা)।
৮১. প্রশ্ন : ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গত গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?
উত্তরঃ ২০০ টাকা জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১৫০)।
৮২. প্রশ্ন : নির্ধারিত ওজন সীমার অধিক ওজন বহন করে গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী ?
উত্তরঃ প্রথমবার ১,০০০ পর্যন্ত জরিমানা এবং পরবর্তী সময়ে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ২,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড (ধারা-১৫৪)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন ।
৮৩. প্রশ্ন : ইনসিওরেন্স বিহীন অবস্থায় গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?
উত্তরঃ ২,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১৫৫)।
৮৪. প্রশ্ন : প্রকাশ্য সড়কে অথবা প্রকাশ্য স্থানে মোটরযান রেখে মেরামত করলে বা কোনো যন্ত্রাংশ বা দ্রব্য বিক্রয়ের জন্য সড়কে রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে শাস্তি কী ?
উত্তরঃ সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা। অনুরূপ মোটরযান অথবা খুচরা যন্ত্র বা জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা যাবে (ধারা-১৫৭)।
৮৫. প্রশ্ন : ফুয়েল গেজের কাজ কী ?
উত্তরঃ ফুয়েল বা জ্বালানি ট্যাংকে কী পরিমাণ জ্বালনি আছে তা ফুয়েল গেজের মাধ্যমে জানা যায়।ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চাচ্ছেন ?
(সংগ্রহিত)

Address

Nandigram

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when S' Note Book posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share