Mokim Sheikh

Mokim Sheikh

Share

Ꭿѕsαℓαмü Ꮿℓïкüм°᭄" �

Ꮿєℓꉔõмє ƚσ Ꮇყ 𝕡я𝚘̃ϝ𝚒̈ℓє�

17/08/2023

পাঁচ বছর রিলেশন করার পর আজকে জানতে পারলাম আমার প্রেমিকা দুইবছর আগেই মারা গিয়েছে। কথাটা শুনেই আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো। দুইবছর আগে যদি মেঘলা মারা গিয়ে থাকে তাহলে এতোদিন আমি কার সাথে কথা বলেছি? এই দু'বছর ধরে আমার সাথে কে কথা বলেছে! তাহলে কি এই জন্য মেঘলা বিয়ের আগে আর আমার সাথে দেখা করা থেকে শুরু করে তার ছবি দেওয়া, ভিডিও কল দেওয়া সব অফ করে দিয়েছে। তার মানে এই জন্য বিয়ের আগে আমাদের আর দেখা হবেনা বলল। মেঘলার মৃত্যুর খবর শুনে আমার বুকের ভিতরটা পেটে যাচ্ছে। কিন্তু একটা জিনিস আমি বুঝতে পারছিনা এতো দিন আমার সাথে কথা কে বলেছে? হুবহু মেঘলার কণ্ঠ। আমার মাথায় কোনো কিছুই কাজ করছেনা। আর দশদিন পরে আমাদের বিয়ে হওয়ার কথা। আমার বিয়ের ব্যপার টা সবাই জেনে গেছে এখন আমি সবাইকে কি বলব? কেউ কি আমার কথা বিশ্বাস করবে? আমার মাথা কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে।

এমন সময় আমার বন্ধু জুয়েল আমার কাছে এসে বলল -- কিরে তোর ফোন কোথায়? তোকে আমি কতোগুলো কল দিলাম। আর তুই কোনো রেসপন্স করলিনা।

আমি অন্যমনস্ক হয়ে বসে রইলাম। আমার মাথায় শুধুই মেঘলার কথা ঘুরপাক খাচ্ছিলো। কারো কথা আমার কানে আসছেনা। এবার জুয়েল আমাকে একটা ধাক্কা দিতেই আমার ধ্যান ফিরে আসল।

-- কিরে তুই কি আমার কথা শুনতে পাচ্ছিস না আবির? তখন কখন থেকে ডেকে যাচ্ছি আমি।

-- কি হয়েছে বল?

-- এতক্ষণ ধরে তোকে আমি কি বলছি তুই কি কিছুই শুনতে ফেলিনা? আমি বলছি তোর ফোনটা একটু দেখ তোকে আমি কতোগুলো কল দিয়েছি। তুই আমাকে অপেক্ষা করতে বলে দুই ঘন্টা পার হয়ে গেলো কিন্তু তোর কোনো খোঁজ খবর নেই। শপিং করতে যাবি কখন?

জুয়েলের কথা শুনে আমার আমার কান্না চলে আসছে। চোখের পানি আর আঁটকে রাখতে পারলাম না। নিজের অজান্তেই চোখের পানি টলমল করে পড়তে শুরু করে দিল।

-- আবির কিরে কান্না করছিস কেন? কোনো সমস্যা হইছে নাকি?

-- দোস্ত মেঘলা নাকি দু'বছর আগে মারা গিয়েছে।

-- মানে কি?

-- আমিও বুঝতে পারছিনা। আমার মাথায় কাজ করছেনা।

-- তোকে এই কথা কে বলেছে? কেউ হয়তো মজা করছে তোর সাথে। তুই লাস্ট কবে মেঘলার সাথে কথা বললি?

-- আমি তো কাল রাতেও মেঘলার সাথে কথা বলেছি।

-- আচ্ছা এটা বল তোকে এই কথা কে বলেছে?

-- মেঘলার আম্মু বলেছে।

-- আবির তোর সব কথা আমার মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে দোস্ত। আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা। মেঘলার আম্মু কেন তোর সাথে মজা করবে? আচ্ছা মেঘলার সাথে তোর লাস্ট কবে দেখা হয়েছে?

-- দু'বছর আগে।

-- এর মধ্যে আর দেখা করিসনি একবারও?

-- না। আসলে মেঘলা আমাকে বলছে বিয়ের আগে আর আমারা দেখা করব না দুই বছর। কোনো রকম দেখা করা হবেনা। আর মেঘলা আমাকে এটাও বলছে ও যদি আমাকে কল না দেয় যেনো আমি নিজের থেকে ওর নাম্বারে কল না দেয়।

-- তুই আমাকে এসব আগে কেন বলিসনি আবির? আচ্ছা যাইহোক, তোকে ফোন দিয়ে এসব বলছে নাকি মেঘলার আম্মু?

আচ্ছা তাহলে শুন,,,

ফ্ল্যাশব্যাক
______________________

আমি তোকে অপেক্ষা করতে বলে বাসায় আসলাম। তখন হঠাৎ করে মনে পড়লো মেঘলাকে একটা কল দিয়ে বলি। তখন আমি মেঘলার নাম্বারে ফোন দিলাম। দু'বছরের মধ্যে আজ প্রথম আমি মেঘলার নাম্বারে নিজে থেকে কল দিলাম। আমি ভুলেই গিয়েছিলাম মেঘলার বলা সেই কথা। আমি মেঘলার নাম্বারে কল দিতেই মেঘলার আম্মু ফোন রিসিভ করেই বলল -- হ্যালো কে আপনি?

বয়ষ্ক কণ্ঠ শুনে আমি সালাম দিলাম। আমার সালামের উত্তর দিয়ে আবার বলল -- কে তুমি বাবা?

-- জ্বী আন্টি আমি আবির। কেমন আছেন আপনি?

-- আলহামদুলিল্লাহ ভালো। কিন্তু বাবা তোমাকে তো আমি চিনতে পারলাম না।

-- আন্টি মেঘলা কি আমার ব্যপারে কিছু বলে নাই আপনাকে?

-- বুঝলাম না বাবা।

-- আচ্ছা আন্টি মেঘলা কোথায়? মেঘলাকে ফোন টা দেন।

মেঘলার আম্মু নিশ্চুপ।

-- কি হলো আন্টি? কথা বলছেন না কেন?

আন্টি এবার কান্না মাখা গলায় বলল -- বাবা তুমি কি জানোনা মেঘলা আর নেই?

আন্টির কথা আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা। আমি আন্টিকে আবার বললাম -- আন্টি মেঘলা আর নেই মানে কি? কোথায় গেছে মেঘলা?

আন্টি এবার কান্না করে দিয়ে বলল -- বাবা মেঘলা তো দুইবছর আগেই মারা গিয়েছে।

আন্টির কথা শুনে আমি হতবাক হয়ে গেলাম। আন্টি এসব কি বলছে? আমি তো কাল রাতেও মেঘলার সাথে কথা বলেছি।

-- আন্টি কি বলছেন এসব? আমি তো কাল রাতেও মেঘলার সাথে কথা বলেছি। তাহলে মেঘলা দু'বছর আগে কি ভাবে মারা যায়? আপনি কি আমার সাথে মজা করছেন?

-- বাবা আমি তোমার সাথে মজা করব কেন? আর তুমি কি ভাবে কথা বললে মেঘলার সাথে? যে কিনা দু'বছর আগেই চলে গিয়েছে না ফেরার দেশে।

-- আন্টি প্লিজ মজা করবেন না। মেঘলা কোথায়? প্লিজ আমি মেঘলার সাথে কথা বলতে চাই।

-- যে মারা গেছে তার সাথে তুমি কি ভাবে কথা বলবে? মেঘলার ব্লাড ক্যান্সার ছিল।

-- আন্টি আমি বিশ্বাস করিনা। কারণ আমি নিজে কাল রাতেও মেঘলার সাথে কথা বলেছি। আপনি এখন এসব কি বলছেন? আর দশদিন পরে আমাদের বিয়ে।

-- কিহ!

-- জ্বি আন্টি আমি সত্যি কথা বলছি।

-- আমার কথা বিশ্বাস না করলে তুমি আমাদের বাসায় আসো। এখন রাখি বাবা ভালো থেকো।

এই কথা বলে আন্টি ফোন রেখে দিল। এবার বাস্তবে ফিরে আসি।

আমার কথা শুনে জুয়েলও হতবাক হয়ে গেলো।

-- আবির আন্টির কথা যদি সত্যিই হয় তাহলে চল আমরা মেঘলার বাসা থেকে ঘুরে আসি।

-- দোস্ত আমার কিছু ভালো লাগছেনা।

-- চল তুই আমার সাথে।

এবার আবির আমাকে নিয়ে চলে গেলো মেঘলার বাসায়। বাসার সামনে গিয়ে দরজার কলিং বেলে চাপ দিতেই আন্টি এসে দরজা খুলে দিল।

-- কে তোমরা?

-- আসসালামু আলাইকুম। আন্টি আমি আবির। আপনার সাথে ফোনে কথা বলছিলাম তখন।

-- ওয়া আলাইকুম সালাম। বাবা ভিতরে এসে বসো।

এবার আমরা বাসার ভিতরে গেলাম। সোফায় বসে রইলাম।

-- বাবা তোমারা আমার সাথে আসো।

আন্টি আমাদের সাথে করে নিয়ে গেলো একটা রুমের ভিতরে।

-- এটা মেঘলার রুম।

আমি রুমের দিকে তাকিয়ে দেখি রুম খুব সুন্দর করে ঘুচানো হয়েছে। কিন্তু রুমটা পুরো অন্ধকার করে রেখেছে। রুমের ভিতরে তাকালেই বুঝা যায় এখানে আসলেই অনেক দিন ধরে কেউ থাকে না।

আন্টি কান্না করে দিয়ে বলল -- বাবা এই ঘর থেকেই বের করছি মেঘলার মৃত লাশ। আমার মেয়েটা আমাদের না জানিয়েই চলে গিয়েছে। একটি বার ও এই অভাগা মায়ের কথা ভাবেনি। আর তুমি বলছ আমার মেয়ে তোমার সাথে কাল রাতেও কথা বলছে। এটা কি করে সম্ভব হয়?

আমার মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হচ্ছেনা সব যেনো আমার মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে। এবার আন্টি আমাদের নিয়ে আবার সোফায় চলে আসলো। আর ওখানে বসেই কান্না করছে। আমার বন্ধু জুয়েল আন্টিকে সান্ত্বনা দিচ্ছে।

-- কিন্তু আন্টি একটা জিনিস বুঝতে পারছিনা। মেঘলা যদি দু'বছর আগে মারা গিয়ে থাকে তাহলে আবিরের সাথে আপনার এই নাম্বার দিয়ে এতোদিন কথা কে বলেছে?

এই ফোন তো সব সময় আমার কাছেই থাকে। আমি তো এই নাম্বার আজ প্রথম দেখলাম।

-- আচ্ছা আন্টি আপনি আপনার কল লিস্ট একটু চেক করে দেখুন তাহলেই বুঝতে পারবেন।

এবার জুয়েল আন্টির ফোন নিয়ে চেক করে দেখে। কিন্তু অদ্ভুত বিষয় হলো এখানে কোনো ডিটেইলস নেই। শুধুই আজকে যে কল দিয়েছি সেটাই আছে। এবার জুয়েল আমার ফোন নিয়ে চেক করে দেখে আমার এখানে সব ডিটেইলস আছে। আমি কাল রাতেও কথা বলছি সেটাও আছে। সব কেমন জানি হয়ে যাচ্ছে।

জুয়েল আমাকে আবার বলল -- আচ্ছা আবির তোকে মেঘলা প্রতিদিন কখন এখন কল দেয়?

-- রাত বারোটায় কল দেয়।

জুয়েল ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে এখন রাত ১০ টা বাজে। জুয়েল আন্টিকে বলল -- আচ্ছা আন্টি আপনার বাসায় কি আর কোনো মেয়ে আছে?

-- না বাবা। এই বাসায় আমি একাই থাকি।

-- আচ্ছা আন্টি আপনি যদি কিছু মনে না করেন আমরা কি আজকে রাত বারোটা পর্যন্ত এখানে থাকতে পারি?

-- অবশ্যই বাবা।

-- আর আপনার ফোন আপনার হাতেই রাখুন। দেখি আজকেও কল আসে নাকি।

এবার আমরা বারোটার অপেক্ষায় বসে রইলাম। দেখতে দেখতে বারোটা বাজতে চলছে। বারোটা বাজতেই আবিরের ফোন বেজে উঠল। আর নাম্বারে দিকে তাকিয়ে দেখে এই সেই নাম্বার যেটা আন্টির হাতে আছে। এটা দেখে সবাই হতবাক হয়ে গেলো। এটা কি করে হতে পারে? সবাই খুব ভয় পেয়ে যায়।

চলবে???

#তোমার_অপেক্ষায়
[সূচনা পর্ব]
#লেখক - Mokim Sheikh

গল্পটা রহস্যময় হবে। আশা করি সবার কাছে ভালো লাগবে। ❤️
আপনাদের একেকটা কমেন্ট, আমাদের গল্প দেওয়ার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়। আশা করি নিজের মতামত প্রকাশ করবেন। তাহলে দ্রুত সময়ে পরের পার্ট দিবো🥰

17/08/2023

#তোমার_অপেক্ষায়
[দ্বিতীয় পর্ব]
লেখক - Mokim Sheikh

কল আসার সাথে সাথে সবাই হতবাক হয়ে গেলো। যে নাম্বার থেকে কল আসলো সেই নাম্বার মেঘলার আম্মুর হাতে। তাহলে কি ভাবে সম্ভব! ভয়ে আমার হাত কাঁপতে শুরু করে দিল।

-- আবির তুই ফোন রিসিভ করে লাউডস্পিকার অন করে কথা বল।

আমি ফোন রিসিভ করতে যাব এমন সময় ফোন কেটে গেলো। ফোন রিসিভ করতে পারলাম না।

-- আবির তুই আবার এই নাম্বারে ফোন দে তাড়াতাড়ি।

আমি আর দেরি না করে তাড়াতাড়ি করে ফোন দিলাম যে নাম্বার থেকে ফোন এসেছে। কিন্তু অদ্ভুত বিষয় হলো আবার কল এসেছে আন্টির ফোনে। বুঝতে পারছিনা এসব কি হচ্ছে? কি ভুতুড়ে কান্ড।

আমি আবার সোফায় বসে পড়লাম। সবাই নিশ্চুপ হয়ে বসে আছে। আবার আমার ফোন বেজে উঠল। তাকিয়ে দেখি আবার কল এসেছে। আমি আর দেরি না করে ফোন রিসিভ করলাম।

-- হ্যালো,,

-- তোমার ফোন ব্যাস্ত ছিল কেন? তোমাকে ফোন দেওয়ার পরে দেখি ব্যাস্ত দেখাচ্ছে।

মেঘলার কণ্ঠ শুনে সবাই হতবাক হয়ে গেলো। মেঘলার আম্মু তো কান্না করে দিল। আন্টি কিছু বলতে যাবে তখনই জুয়েল আন্টিকে থামতে বলল। আমি মেঘলাকে বললাম -- আসলে একটা ফ্রেন্ড ফোন দিয়েছে তাই। আচ্ছা তুমি এখন কোথায় আছো?

-- এতো রাতে আমি কোথায় থাকব আর? আমি তো বাসায় আছি। আমার রুমে। কেন কি হয়েছে?

-- কিছু না এমনিতেই জিজ্ঞেস করলাম।

জুয়েল আমাদের ইশারা করে দাড়াতে বলল। আমি মেঘলার সাথে কথা কন্টিনিউ করছি। কিছুক্ষণের মধ্যে মেঘলার রুমের সামনে চলে গেলাম। দরজার মধ্যে জুয়েল কান পেতে শোনার চেষ্টা করছে ভিতর থেকে কোনো শব্দ আসছে কিনা। ভিতর থেকে সিলিং ফ্যান এর শব্দ আসছে। জুয়েল আন্টিকে ফিসফিস করে বলল -- আন্টি আপনি কি ফ্যান চালিয়ে গেছিলেন তখন?

-- নাতো।

-- ভিতরে কেউ আছে। কেউ ফ্যান চালিয়ে রুমের ভিতরে বসে আছে। আমি শিউর।

-- কি ভাবে সম্ভব এটা? দরজা তো বাহিরে থাকে বন্ধ। কেউ ভিতরে কি ভাবে যাবে?

আপনি দরজা টা খুলুন। এবার আন্টি সাথে সাথে দরজা খুলে ভিতরে চলে আসলো। পুরো রুম অন্ধকার। আন্টি তাড়াতাড়ি করে লাইট ঝালিয়ে দেয়। লাইট অন করতেই দেখে রুম ঠিক আগের মতই আছে। সিলিং ফ্যান ও অফ।

-- আবির কি হইছে তোমার কথা বলছনা কেন?

-- কিক কিক কিছুনা।

-- তুমি এমন করছ কেন আবির? কিছু হয়েছে তোমার?

-- না কিছু হয়নি। তুমি এখন কোথায় আছো?

-- একটু আগেনা বলছি আমি আমার রুমে শুয়ে আছি। কি হইছে আবির সত্যি করে বলো আমাকে।

-- কিছু হয়নি। আচ্ছা বিয়ের আগে তো আমাদের একবার দেখা করা দরকার তাইনা?

-- তোমাকে না বলছি বিয়ের আগে আর আমরা দেখা করব না। একে বারে বিয়ের দিন আমি তোমার সামনে যাবো। এর আগে আর না।

-- তোমাকে দেখতে ইচ্ছে করছে খুব।

-- আবির আর তো মাত্র দশদিন। এই কয়েকটি দিন কি তুমি অপেক্ষা করতে পারবেনা?

-- হুম।

জুয়েল আমার হাত থেকে ফোন কেড়ে নিয়ে মিউট করে দিয়ে আমাকে বলল -- আবির তুই ওকে বল যে তোদের বিয়ের কথা বাসায় বলেছে কিনা৷ আর বলযে তুই ওর আম্মুর সাথে কথা বলতে চাইছিস। তারপর দেখ ও কি বলে।

ওকে বলে আমি জুয়েলের হাত থেকে ফোন নিয়ে নিলাম।

--- আচ্ছা মেঘলা তুমি কি আমাদের বিয়ের ব্যাপারটা তোমার ফ্যামিলিকে জানিয়েছ?

-- না, এখনো কাওকে বলা হয়নি। সময় হলে বলে দেব।

-- আমাদের বিয়ের আর মাত্র ১০ দিন বাকি, আর তুমি এখনও কাওকে বললে না। পরিবারকে তো জানানো দরকার। আমি তো সবাইকে জানিয়ে দিয়েছি।

-- আমি সময় হলে জানিয়ে দেব। এখন রাখছি আবির ভালো থেকো। নিজের যত্ন নিবে। অনেক ভালোবাসি তোমায়।

এই কথা বলে মেঘলা ফোন কেটে দিল।

-- জুয়েল সব কিছুই আমার কাছে কেমন যেনো লাগছে।

-- আমার মাথায় কোনো কিছুই কাজ করছেনা। এটা কি করে সম্ভব হতে পারে? মৃত মানুষ ফোন কি ভাবে দিতে পারে? তাও সেই নাম্বার দিয়ে। যেটা ৫ বছর আগে মেঘলা ইউস করছে। সব কেমন যেনো এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। আচ্ছা আন্টি একটু মনে করে দেখুন মেঘলা কি তার মৃত্যুর আগে আপনাকে কিছু বলে গিয়েছে?

-- আসলে বাবা মেঘলা রাতে মারা যায়। তখন ওর পাশে কেউ ছিলনা। সকালে এসে দেখি মেঘলার লাশ পড়ে আছে। কিন্তু সেদিন রাতে মেঘলা আমাদের সাথে খুব হাসিখুশি ভাবে কথা বলেছে। বুঝতেই পারিনি আমার মেয়েটা আমাকে একা করে দিয়ে চলে যাবে।

আন্টি কথা শেষ করার আগেই কান্না করে দিল। আন্টিকে সান্ত্বনা দিয়ে আমি আর জুয়েল বেরিয়ে চলে আসলাম। বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম।।

ওহ গল্পের এতদূর অব্দি চলে আসলাম আর আমাদের পরিচয় এখনো দেওয়ার হয়নি। বাসায় যেতে যেতে আমার পরিচয় দিয়ে দেয়। আমি আবির। পড়াশোনা শেষ করে একটা বেসরকারি কোম্পানিতে জব করছি। আমার উচ্চতা ৫ফিট্৮ ইঞ্চি। গায়ের রঙ ফর্সা। এই পৃথিবীতে আমি একাই। আমার মা বাবা দুজনেই অনেক আগে মারা গিয়েছে।

আর আমাদের গল্পের হিরোইন মেঘলা। গায়ের রঙ ফর্সা। বড় চুল, টানাটানা চোখ, মায়াবী মুখ। যে কোনো ছেলেই প্রেমে পড়ে যাবে। মেঘলার ব্যাপারে বাকি সব পরে জানতে পারবেন৷ গল্পের সাথে থাকুন।

আপনাদের পরিচয় দিতে দিতে কিছুক্ষণের মধ্যে আমার বাসায় সামনে পৌছে গেলাম। বাসায় সামনে গিয়ে দরজার কলিং বেলে চাপ দিতেই আম্মু এসে দরজা খুলে দিল।

-- কিরে এতো রাত পর্যন্ত কোথায় চিলি তোরা? তোকে কতগুলো ফোন দিলাম ফোব বিজি।

-- আম্মুকে কিছুই বলতে চাইছিনা এখন। তাই অন্যকিছু বলে আমার রুমের দিকে যাচ্ছি এমন সময় জুয়েল আমাকে বলল -- আবির আমি আমার বাসায় চলে যাই।

-- এতো রাতে? আজকে তুই আমার বাসায় থেকে কাল সকালে চলে গেলেই তো পারিস।

-- নারে বাসায় যেতে হবে। আসি দোস্ত।

এই কথা বলে জুয়েল বেরিয়ে চলে গেলো। আমিও আমার রুমে দিকে চলে গেলাম। রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে আসলাম। দেখলাম আমার টেবিলের উপরে অনেক রকমের খাবার রেডি করে রেখেছে। আমি খাবার দেখে অবাক হলাম। হঠাৎ করে এতো খাবারের আয়োজন কেন করেছে? এবার আমি আম্মুকে ডাক দিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে আম্মু চলে আসলো।

-- কিরে কি হয়েছে? এতো রাতে ডাকছিস কেন? কিছু লাগবে?

-- আম্মু এতো খাবারের আয়োজন কেন?

-- এতো খাবার মানে? তোর জন্য তো আমি খাবার বেড়ে রাখিনি। আমি তো ভাবছি তুই বাহিরে থেকে খেয়ে এসেছিস তাই।

-- তাহলে এ-তো খাবার,,

আম্মুকে খাবার গুলো দেখানোর জন্য তাকিয়ে দেখি ওখানে কোনো খাবার নেই।

-- কিরে কোথায় এতো খাবার?

-- আরে একটু আগে দেখলাম এখানে অনেক খাবার ছিল। এখন সব খাবার কই হারিয়ে গেছে?

-- আবির বাবা তুই ঠিক আছিস তো? এখানে তো কোনো খাবার নেই। অনেক রাত হয়েছে ঘুমা।

এই কথা বলে আম্মু রুম থেকে বেরিয়ে চলে গেলো।
আমি বুঝতে পারছিনা একটু আগেও তো আমি অনেক রকমের খাবার দেখলাম এখন এসব খাবার কই চলে গেলো? নাকি ঘুমের জন্য আবল তাবল দেখছি। আমি ওয়াশরুমের ভিতরে গিয়ে চোখেমুখে পানি দিচ্ছি তখন হুট করে আমার বুকের ভিতর মোচড় দিয়ে উঠলো। কারণ এই বাসায় তো আমি একাই থাকি। আমার আম্মু তো অনেক বছর আগে মারা গিয়েছে। আম্মু কি ভাবে আবার ফিরে আসল?

চলবে?

যদি সকলের ইন্টারেস্ট থাকে, তাহলে পরের পার্ট দিব❤️ ভালো লাগলে শেয়ার করে টাইমলাইনে রাখতে পারেন🥰

17/08/2023

রাত ১টার সময় রাফি ওর গার্লফ্রেন্ড আনিকার সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে বললো,
-- বাবু, তোমার একটা ন্যূ'ড ভিডিও দাও না!
রাফির কথা শুনে আনিকা কিছুক্ষণ নীরব থেকে তারপর বললো,
-তুমি আবার এই জিনিস নিয়ে কথা বলা শুরু করলে? এই জন্যই আমি তোমার সাথে রাতে কথা বলতে চাই না। তুমি খুব ভালো করেই জানো আমি এই ধরনের কাজে অভ্যস্থ না। তবুও কেন তুমি বার বার জোর করো?

আনিকার কথা শুনে রাফি কিছুটা রাগ দেখিয়ে বললো,
-- আমার বন্ধুর গার্লফ্রেন্ড ওর সাথে প্রতি সপ্তাহে রুমডেট করে । আমি কি তোমকে কখনো বলেছি আমার সাথে রুম ডেট করো? শুধু একটা ন্যূ'ড ভিডিও চেয়েছি এতেই তোমার এত আপত্তি?

আনিকা এই মুহূর্তে কী করবে ঠিক বুঝতে পারছে না। কারণ আনিকা প্রচন্ডরকমভাবে ভালোবাসে রাফিকে।

আনিকাকে চুপ থাকতে দেখে রাফি বললো,
-- সত্যি করে বলো তো, তুমি কি আমায় বিশ্বাস করো না?
আনিকা নিচু গলায় বললো,
- করি। খুব বিশ্বাস করি।
রাফি এইবার বার বার রিকুয়েস্ট করতে করতে বললো,
--তাহলে প্লিজ একটু ভিডিও করে দাও। প্রমিস, আমি একবার দেখেই ডিলিট করে দিবো।

রাফির এত রিকুয়েস্ট করা দেখে আনিকা বললো,
-ঠিক আছে দিবো। কিন্তু আমি তো এখন বেলকনিতে দাঁড়িয়ে কথা বলছি। রুমে লাইন অন করে ভিডিও করলে আম্মু জেগে যাবে।
রাফি তখন বললো,
-- তুমি তাহলে ওয়াসরুমে গিয়ে ভিডিও করে দাও।
আনিকা অবাক হয়ে বললো,
- ওয়াশরুমে মোবাইল নিয়ে যাবো যদি কেউ দেখে ফেলে!
-- দেখে ফেললে বলবে ভুলে নিয়ে চলে গিয়েছো। নয়তো কিছু একটা মিথ্যা বলে কাটিয়ে দিবে..

২০ মিনিট পর রাফির ইনবক্সে আনিকার ৩মিনিটের একটা ভিডিও আসে। ভিডিও ওপেন করতেই আনিকার ন'গ্ন শরীরটা রাফির চোখের সামনে ভেসে উঠে। অনিকার স্পর্শ কাতর অ'ঙ্গ গুলো দেখার পর রাফি ফোনটা রেখে যখন ওয়াশরুমের সামনে গেলো তখন দেখলো ওর ছোটবোন মোবাইল হাতে নিয়ে ওয়াশরুম থেকে বের হচ্ছে। রাফিকে দেখে ওর বোন চমকে গেলো তারপর নিজ থেকেই আমতা আমতা করে বললো,
~" আসলে ভাইয়া আমি ভুল করে মোবাইল নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গিয়েছিলাম! "

রাফি ওর ছোট বোনকে কিছু না বলে চুপচাপ নিজের রুমে চলে আসলো। ওর কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমা হয়েছে। হঠাৎ সে শুনতে পেলো কেউ একজন ওর কানে কানে বলছে,
" কি! ভয় লাগছে না কি? তুমি অন্য জনের বোনকে যেটা শিখিয়ে দিয়েছো তেমনি তোমার বোনকেও অন্যজন এই জিনিসটাই শিখিয়ে দিয়েছে। অন্যের বোনের ন'গ্ন শরীর দেখে তুমি যেমন তৃপ্তি পাচ্ছো; তেমনি অন্য কেউ তোমার বোনের ন'গ্ন শরীর দেখে ঠিক সেভাবেই তৃপ্তি নিচ্ছে। মনে রেখো, আমাদের জীবনটা একটা গোলাকার বৃত্তের মত। তুমি যেখান থেকে শুরু করবে ঠিক সেখানে এসেই শেষ হবে। "

-----
---------
এই মুহূর্তে মামুন আর লামিয়া দম্পতি ডাক্তার রেহানা ইসলামের সামনে বসে আছে। লামিয়া ১ বছর ধরে কনসিভ করার চেষ্টা করছে কিন্তু পারছে না। রিপোর্টের দিকে তাকাতেই ডাক্তার রেহানা ইসলাম ভ্রু কুঁচকে লামিয়ার দিকে তাকিয়ে বললো,
~ আপনি কি কোনো কারণে এবরশন করিয়েছিলেন?
ডাক্তারের মুখ থেকে এমন কথা শুনে লামিয়া আর মামুন দুইজন দুইজনের দিকে তাকিয়ে রইলো। তারপর লামিয়া বললো,
- হ্যাঁ, ৪ বছর আগে করিয়েছিলাম।
ডাক্তার রেহানা ইসলাম একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো,
~বলতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্যি আপনি আর কখনো মা হতে পারবেন না। এবরশন করার কারণেই এমনটা হয়েছে....

মধ্যরাতে জানালার গ্রিল ধরে লামিয়া বাহিরের দিকে তাকিয়ে আছে। এমন সময় মামুন লামিয়ার পিছনে দাঁড়িয়ে বললো,
-- তোমার মনে আছে ৪ বছর আগের কথা? তুমি প্রেগন্যান্ট এই কথা শুনে আমি যতটা খুশি হয়েছিলাম, তুমি ঠিক ততটাই অখুশি হয়েছিলে। তোমার জন্য আমি আমার খুশিটা কারো সাথে শেয়ার করতে পারি নি। তুমি বলেছিলে এখন তুমি বাচ্চা চাও না কারণ এখন তোমার ক্যারিয়ার গড়ার সময়। অফিসে নিজের পজিশন উপরে তোলার সময়। এই মুহূর্তে বাচ্চা নিয়ে তুমি ঝামেলা বাড়াতে চাও না। আমি তোমায় অনেক বুঝিয়েছিলাম বাচ্চাটা নষ্ট না করার জন্য। তোমার হাত ধরে বলেছিলাম বাচ্চা আমি মানুষ করবো। এমন কি দরকার পড়লে নিজের চাকরি ছেড়ে দিবো। কিন্তু তুমি সেদিন আমার কোন কথা শুনো নি...

মামুনের কথা শুনে লামিয়া নিচের দিকে তাকিয়ে আছে। মামুন তখন আকাশের দিকে তাকিয়ে বললো,
-- তোমার ভুল ছিলো তাই তুমি মা হতে পারবে না। কিন্তু আমার তো কোন ভুল ছিলো না তাহলে আমি কেন বাবা হওয়া থেকে বঞ্চিত হবো?

লামিয়ার চুপ হওয়া দেখে মামুন যখন চলে যাবে তখন লামিয়া অস্পষ্ট স্বরে বললো,
- এখন আমি কী করবো?
মামুন অন্য দিকে তাকিয়ে বললো,
-- তুমি চাইলে আমার সাথে থাকতে পারো। আর যদি মনে হয় তুমি সতীনের সংসার করতে পারবে না, তাহলে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দিবো। তুমি সাইন করে দিও।

এই কথা বলে মামুন চলে গেলো। আর কেউ একজন লামিয়ার কানে কানে বললো,
" কি! কান্না করছো না কি? আজ তোমার ক্যারিয়ার উজ্জ্বল। চাকরি ক্ষেত্রে তোমার পজিশন অনেক উপরে। কিন্তু এত কিছুর পরেও তুমি তৃপ্তি পাচ্ছো না! কারণ নারীর স্বার্থকতা হলো মাতৃত্বে যা তুমি নিজ হাতে নষ্ট করেছো। মনে রেখো, পৃথিবী একটা নিয়মে চলে আর তুমি যদি সেই নিয়ম ভেঙে ফেলো; এর শাস্তি তোমাকে একাই ভোগ করতে হবে। অতি আপন জনেরাও এর ভাগ নিবে না..."

---
------

আরিফ আহমেদ নাক দিয়ে গড়িয়ে পড়া রক্ত রুমাল দিয়ে মুছতে মুছতে একটা চায়ের দোকানের সামনে বসলেন। দোকানদার উনার ৩বছরের ছোট বাচ্চাকে কোলে বসিয়ে পড়াচ্ছে; অ তে অজগর, আ তে আম।
আরিফ আহমেদ ভাবছেন, এত কষ্ট করে ছেলেকে মানুষ করে যখন সেই ছেলের হাতে রক্তাত্ত হতে হয় তখন সেই কষ্টটা মেনে নেওয়া যায় না। নিজের সবকিছু এমনকি নিজের পেনশনের টাকাটাও ছেলের হাতে তুলে দিলেন অথচ সেই ছেলে আজ উনাকে র'ক্তা'ত্ত করে বের করে দিলো।

দোকানদারের ডাকে আরিফ আহমেদ বাস্তবে ফিরে এলেন। দোকানদার বললো,
-স্যার, আপনার কিছু লাগবে? তা না হলে আমি দোকানটা বন্ধ করতাম।
আরিফ আহমেদ বললো,
-- এখন তো সকাল ১১ট বাজে। এখনি দোকান বন্ধ করবে?
দোকানদার আরিফ সাহেবের দিকে তাকিয়ে বললো,
- স্যার, বাবাকে নিয়ে একটু ডাক্তারের কাছে যাবো। আসলে কাল রাতে ঘুমানোর সময় বাবাকে কাশতে শুনেছি। অভাব অনটনের সংসার দেখে বাবা অসুখের কথা আমায় বলে না। কিন্তু সন্তান হিসাবে আমার তো একটা দায়িত্ব আছে না কি?

আরিফ সাহেব এখনো বসে আছে আর দোকানদার দোকান বন্ধ করে চলে গেলো। হঠাৎ কেউ একজন আরিফ সাহেবের কানে কানে বললো,
" কি! কষ্ট হচ্ছে না কি? মনে পড়ে আগের কথা? অসুস্থতার জন্য তোমার বাবা বিছানায় বাথরুম করে দিয়েছিলো আর তুমি তখন তোমার বাবাকে খাট থেকে ফেলে দিয়েছিলে। তোমার বাবার আর খাটে জায়গা হয় নি, তেমনি আজ তোমার বাড়িতে তোমারই জায়গা হয় নি। মনে রেখো, মানুষ ভাবে প্রকৃতির নিয়ম অনেক রহস্যময় কিন্তু এটা ভুল কথা। প্রকৃতির নিয়ম অনেক সহজ। তোমার পরবর্তী জীবন কেমন হবে সেটা নির্ভর করবে আজ তোমার কর্ম কেমন তার উপর।

নিয়ম



ভালো লাগলে আপনার মূল্যবান মতামত জানাবেন❤️
💕মন ছুঁয়ে যাওয়া নতুন নতুন গল্প পড়তে পেইজটি ফলো করে রাখুন, 👉 স্পর্শহীন

17/08/2023

" ছেঁড়া ব্লা'উজে বু'কের কিছু অংশ ঢেকে রাস্তার পাশে এসে দাঁড়ালাম।একটু আগে আমাকে গনধ'র্ষন করা হয়েছে "

ওরা আমায় মে'রে ফেললো না কেন ঠিক বুঝলাম না।দু-হাতে কোনোরকমে বু'ক ঢেকে রাস্তার পাশে এসে দাঁড়ালাম।কি করবো ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না।এমন সময় কেউ একজন আমার দিকে টর্চের আলো ফেললো।আমি ভয়ে,আতঙ্কে কুঁকড়ে উঠলাম।বাবার কন্ঠ শুনতে পেলাম।বাবা তখন বাজার থেকে ফিরছিলেন।আমাকে এই অবস্থায় দেখে নিজের শার্টে খুলে আমায় জড়িয়ে বাড়িয়ে নিয়ে এলো।

মা আমার শরীরের কে'টে যাওয়ায় যায়গাগুলিতে ডেটল লাগাচ্ছেন।বাবা মাথায় হাত রেখে থম মে'রে মেঝেতে বসে পড়লো।সমাজে আমি এখন কলঙ্কিনী।কিছুক্ষণ পর ভাইয়া আসলো টিউশন থেকে।এই অবস্থা দেখে ভাইয়ার বুঝতে বাকি রইলো না আমার সাথে কি ঘটেছে।ভাইয়া খুবই শান্ত স্বভাবের একটা ছেলে।কারো সাথে চোখ রাঙ্গিয়ে কথা পর্যন্ত বলে না।ভাইয়া আমার ঠোঁ'টে লেগে থাকা র'ক্ত মুছে দিলো।আমি নিজেকে সামলাতে না পেরে ভাইয়াকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দিলাম।

বাবা ভাইয়াকে উদ্দেশ্য করে বললো " পুলিশের কাছে চল।ওদের ফাঁ'সি না দেখে আমার শান্তি নেই "

ভাইয়া বললো " এসব পুলিশি ঝামেলা করলে লোকজন জানাজানি হবে।কি দরকার শুধু শুধু ঝামেলা বাড়িয়ে! "

ভাইয়ার কথায় আমি হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে রইলাম।ভাইয়া এখনো চুপ করে থাকবে?বাবা কটমট চাহনিতে বললেন " বোনের এই অবস্থা দেখেও তোর ভয় পাওয়া স্বভাব গেলো না?চুপ করে থাকবি?কুলা'ঙ্গার কোথাকার "

সে রাতে মা আমার সাথে শুয়েছে।ভোররাতে দরজার টকটক আওয়াজ পেলাম। বাইরে গিয়ে দরজা খুলতেই ভাইয়ার র'ক্তে মাখামাখি শার্ট নজরে এলো।ভাইয়া আমার গা'লে আদর করে নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলো।আমি র'ক্তের বিষয়টা ঠিক বুঝতে পারলাম না।

পরেরদিন সকালে বাবা আমাকে ডেকে টিভির সামনে নিয়ে গেলেন।টিভিতে নিউজ হচ্ছে

" তিনটা ছেলেকে নদীর ধারে পাওয়া গেছে।তাদের কারোর শরীরে চা'মড়া নেই।চাম'ড়া ধারালো ছু'রি দিয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে।শুধু তাই নয়,বেঁচে থাকা অবস্থায় কেউ তাদের পুরু'ষা'ঙ্গ শরীর থেকে কে'টে আলাদা করেছে।ডাক্তাররা জানিয়েছেন প্রথমে তাদের পু'রু'ষা'ঙ্গ কে'টে ফেলা হয়েছে।এরপর শরীর থেকে চাম'ড়া তুলে ফেলা হয়েছে "

#কলঙ্কের_প্রতিশোধ
#জয়ন্ত_কুমার_জয়

পরের গল্প পেতে পেইজটা ফলো করে রাখুন।নইলে গল্পটা কোথাও খুঁজে পাবেন না ❤

26/07/2023

Mokim Sheikh Ꭿѕsαℓαмü Ꮿℓïкüм°᭄" �

Ꮿєℓꉔõмє ƚσ Ꮇყ 𝕡я𝚘̃ϝ𝚒̈ℓє�

16/07/2023

__!❛লাইফে!❛কে!ছিলো !❛সেটা!🥀
❛_𝐈𝖒𝐩𝐨𝐫𝖙𝐚𝐧𝖙_ না❛__❤️

__!❛❛শেষ!!!পর্যন্ত.!.কে.!.থাকবে.!.সেটা!!!🙂
❛_𝐈𝖒𝐩𝐨𝐫𝖙𝐚𝐧𝖙_ "💚🥀🙃

Want your school to be the top-listed School/college in Murshidabad?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


𝙳𝚊𝚞𝚕𝚊𝚝𝚊 𝚋𝚊𝚍
Murshidabad
742302