পুজোতে খুব সহজে বানিয়ে নিন শঙ্খ সন্দেশ।
Sizzling Plate by Smitashree
follow me on https://www.instagram.com/smitashreemukherjee/?hl=en
আজকে বানিয়েছি ধাবা স্টাইল চিকেন মসালা। মোটামুটি ৩০-৪০ মিনিটের মধ্যেই হয়ে যায়। খুব সহজ একটা রেসিপি। কেমন লাগলো, কমেন্ট করে জানালে খুশি হব।
12/02/2024
আজ বানিয়ে নিলাম ডেকার্স লেনের মতো চিকেন স্টু। শীতের সময় এটা খেতে কিন্তু বেশ লাগে। আর বানানো খুবই সহজ। অল্প সময়ের মধ্যে তৈরি হয়ে যায় আর এতো টেস্টি আর হেল্দি হয় যে বাড়ির বয়স্ক বা ছোট বাচ্চারা সবাই কিন্তু চেয়ে চেয়ে খাবে।
আমার you tube channel র লিংক টা শেয়ার করলাম, ইচ্ছে হলে রেসিপি টা দেখতে পারেন।
https://youtu.be/LuZfWaq1yyQ?si=GZG6aAkHjhZKyS31
20/11/2023
কার্তিক মাসের শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে ছট পুজো উদযাপিত করা হয় । এটি একটি প্রাচীন হিন্দু পার্বণ যা মূলত বিহার ঝাড়খন্ড উত্তর প্রদেশ পশ্চিমবঙ্গের কিছু জায়গায় পালন করা হয়। ছট পূজা, সূর্যদেবতা ও ছটী মাঈয়ের উদ্দেশ্যে পালিত হয়। পশ্চিমবঙ্গে ছট পূজা, সূর্য ষষ্ঠী নামেও পরিচিত।
চারদিন ধরে চলা এই ব্রতের শেষ দিনে , সূর্যকে প্রণাম করে উপবাস ভঙ্গ করা হয়। উপবাস ভঙ্গ করে ক্ষীর নাড়ু এসবের সাথে দেওয়া হয় ঠেকুয়া। ঠেকুয়া আমার খুবই প্রিয়। আমার বাপের বাড়ি নিচের ফ্ল্যাটে থাকতেন এক বিহারী ফ্যামিলি। সেই জেঠিমা অনেক ফল প্রসাদের সাথে নিয়ে আসতেন ঠেকুয়াও, তখন থেকেই আমার ঠেকুয়া খেতে খুব ভালো লাগে।
ঠেকুয়া খুব সহজেই ঘরে বানিয়ে নেওয়া যায়। আটা সুজি মোটা দানার চিনি নারকেল কুচি নারকেল কুড়োনো এলাচ গুঁড়ো মৌরি গুড়ো ঘি দুধ আর ভাজার জন্য তেল।
প্রথমে আটা সুজি নারকেল কুচি নারকেল কুড়োনো এলাচ মৌরি গুঁড়ো সবকিছু ঘি দিয়ে ভালো করে ময়ান দিতে হবে। (আমি মাখার সময় সাথে অল্প একটু সাদা তিল ও দি)।তারপর অল্প অল্প করে দুধ দিয়ে শক্ত করে আটাটা মেখে নিতে হবে। আটা মাখা হয়ে গেলে কিছুক্ষণ রেস্টে রেখে দিয়ে, ঠেকুয়ার শেপ দিয়ে বা ঠেকুয়ার ছাচে দিয়ে গড়ে নিতে হবে। এরপর ভালো করে তেল গরম করে দুদিক লালচে করে ভেজে নিতে হবে। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল খাস্তা মুখরোচক ঠেকুয়া। আপনারাও বাড়িতে এটা তৈরি করে দেখতে পারেন। খেতে কিন্তু খুবই ভালো হয়।
19/10/2023
রাত পোহালেই মহাষষ্ঠী। বাঙালির প্রাণের আরাম আর মনের আনন্দ উৎসবের শুরু।
আনন্দ উৎসবের সূচনা হওয়া উচিত খাবারের আনন্দ দিয়ে। নাহলে, কি আর পেটুক বাঙালির মন ভরবে?
ষষ্ঠীর সকালে তাই সবার প্রিয় ফুলকো লুচি না হলে কি চলে? আর সাথে যদি থাকে ফুলকপি করাইশুটি নিরামিষ তরকারি, নারকেল দিয়ে ছোলার ডাল,আর ঘরের তৈরি গুড়ের রসগোল্লা, তাহলে জাস্ট ফাটাফাটি কী বলো বন্ধুরা।
15/10/2023
কথায় বলে, মাছ আর এখন বাঙালির কাছে শুধু খাবার নয়। মাছ এখন মোর। মাছ এখন বাঙালির সংস্কৃতি। রসনার আনন্দ, উদরের আরাম।
কিন্তু মজার ব্যাপার কী জানেন? মাছ কিন্তু শুধু বাঙালির স্টেপল ফুড নয়, ভারতের বহু জাতি - কোঙ্কনি, মহারাষ্ট্রিয়ান এবং পৃথিবীর অন্যান্য জাতি - জাপানিজ, চায়নিজ , ড্যানিশ, ইংরেজ - এরা সকলেই মাছ পেলে আর কিছু চায় না। অথচ দেখুন, মছলীখোর নাম পেল শুধু বাঙালিরাই। যাক গে যাক নামে কী আসে যায়! রুই, বোয়াল, খলসে, সরপুঁটি, পাবদা, চিতল এবং মাছের রাজা ইলিশ - এসবের ভুবনভোলানো স্বাদের জন্য এটুকু না হয় মেনেই নিলাম। কী বলেন?
রোববারের দুপুরের রেসিপিতে থাকল, মাছের একটি স্পেশাল রেসিপি - গন্ধরাজ কাতলা।
দেখুন আর চটপট বানিয়ে ফেলুন। কেমন!
#মাছ #বাঙালি #মাছের #রান্না
https://www.instagram.com/reel/Cswa883oNWQ/?igshid=NTc4MTIwNjQ2YQ==
15/10/2023
পুজো মানে তো শুধু পুজো নয়, তার সঙ্গে থাকবে দেদার আড্ডাও। আর আড্ডা মানেই সকলের চাই, স্ন্যাক্স। তবে আজকাল সকলে বড়ই ক্যালরি কনশাস। শনি রবির উইকেন্ডের আড্ডাই হোক বা পুজোর গালগল্প, সে সব চালাতে সেই আগের মতো পেঁয়াজি, ফুলুরি বা ইয়াব্বড় সিঙ্গাড়া এখন সকলেই হাতে তুলতে সামান্য সংকোচ বোধ করেন।
খেতে তো ইচ্ছে করে, কিন্তু ওজন বাড়বে না তো ?
ভাজাভুজি খাবার আগে সকলেরই মনের মধ্যে এইসব প্রশ্নই ঘুরঘুর করে। আজ আমি জানাচ্ছি এমন এক স্ন্যাক্সের কথা , যা কিনা ট্রেন্ডি এবং ফুরফুরে। তন্বী কিশোরী থেকে স্বাস্থ্য সচেতন কিশোর কিং বা মাঝবয়েসী মানুষ - খেতে আপত্তি হবে না কারোরই।
স্ন্যাক্সের নাম : নাচোস।
কী শুনেই মনটা নাচি নাচি করে উঠল তো! দাঁড়ান আরও আছে। শুধু নাচোসই বা ভাল লাগবে কেন? আসুন তাতেই দিই একটা ছোট্ট টুইস্ট। বানিয়ে ফেলুন ম্যাঙ্গো সালসা নাচোস। কী কী লাগবে ? আর কী ভাবে বানাবেন? আসুন বলে দিচ্ছি :
১. এক কাপ পাকা আম কুচি করে কাটা,
(পাকা আম না পেলেও কাঁচা আম দিয়েও চলবে),২. ১/৪ কাপ লাল ক্যাপসিকাম আর সবুজ ক্যাপসিকাম কুচি,
৩. ১/৪ কাপ পেঁয়াজ কুঁচানো,
৪. ১/৪ কাপ সুইট কর্ন,
৫. একটা কাঁচা লঙ্কা কুচানো,
৬. একটা পাতিলেবুর রস,
৭. ১/৪ কাপ ধনেপাতা কুঁচানো,
৮. নুন স্বাদমতো আর একটু টব্যাস্কো সস(যদি না পাওয়া যায় তবে চিলি সস দিলে ও দিব্যি হবে)। এই উপকরণগুলি একটা বাটিতে নিয়ে হালকা হাতে মিশিয়ে নিলেই চলবে।
ব্যস! তৈরী মুখরোচক নাচোস। বানিয়ে ফেলুন। কথা দিচ্ছি যারা মুখে দেবেন তাদের মন একেবারে নেচে উঠবে। আর আপনি! আপনিই বা রান্নাঘরে বসে থাকবেন কেন? চটজলদি স্ন্যাক্স তো তৈরী! এবার আপনিও যোগ দিন সকলের সঙ্গে।
#স্ন্যাক্স #রেসিপি #রান্না #মুখরোচক #ব্লগ
14/10/2023
অনেকেই হয়তো জানেন না শ্রাদ্ধ কথাটির সঙ্গে শ্রদ্ধা শব্দটা জড়িয়ে আছে। যেমন, পিতরৌ - কথাটি বলতে বোঝায় পিতা, মাতা, পিতামহ, মাতামহ ....
যেমন, পুত্রাণ শব্দের মানে পুত্র , কন্যা, উভয়েই।
পুত্রান হিসাবে আমরা আমাদের পূর্বপুরুষকে শ্রদ্ধা জানাই আমাদের প্রতিটি শুভ কাজে - বিবাহ, উপনয়ন কিংবা অন্নপ্রাশণে। সেজন্যেই আজ একটি বিশেষ দিন। আজ মহালয়া। পিতৃপুরুষের দিন।
এমন শুভ দিনে বানাতে চাইছিলাম একটি সাধারণ, ছিমছাম অথচ পরিবারের সকলের প্রিয় কোন একটি ডিশ। বানালাম হিং এর কচুরী, আলুর তরকারি আর রসবড়া। সিম্পল অথচ স্পেশাল। বাড়ির সকলের সঙ্গে আমিও খুব এনজয় করলাম, বানানোর সময় এবং খাওয়ার সময়ে।
সকলকে শুভ মহালয়ার আন্তরিক শুভেচ্ছা। সকলের পুজো ভাল কাটুক।
#রেসিপি #খাবার
26/09/2023
ডিমের ডেভিল! নাম শুনলেই কেমন জিভে জল, চোখে হাসি। ওই জিনিসটি আমি বড়ই ভালবাসি। তা শুধু আমি কেন? ডিমের ডেভিল কোন বাঙালিই বা ভাল না বাসে শুনি। সেই বাঙালি যদি আবার কলকাতার হয়, তবে তো আর কথাই নেই। কলকাতার গলি তস্য গলি, প্রিয় মানুষের হাত ধরে ঘুরে বেড়ানো, অমুক কেবিন তমুক কেবিন আর এক প্লেট ডিমের ডেভিল দুজনে ভাগ করে খাওয়া - এই নিয়েই একটা প্রজন্ম নস্টালজিয়ার সমুদ্রে ডুবে যেতে পারে।
অথচ নেহাত ক্যালকেশিয়ান বা বাঙালি করে ফেলা এই খাদ্যটি কিন্তু খাঁটি ইউরোপিয়ান। আরও ভাল করে বললে ডিমের ডেভিল পূর্বপুরুষ হল, সেই খোদ রোমের এক প্রাচীন রেসেপি।
আর হ্যাঁ উইকির মতো বিভিন্ন রেফারেন্স জানাচ্ছে, ওই ডেভিল - এর সঙ্গে শয়তানির কোন যোগাযোগ নেই। সেই সময়ে অতি স্পাইসি বা মশলাদার খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে ডেভিল কথা খানা যোগ করা হতো।
নিচে রইল আমার বানানো ডিমের ডেভিলের ছবি।
কী করে বানাবে ডিমের ডেভিল?
প্রথমে ৬খানা ডিম সেদ্ধ করতে বসিয়ে দাও। হার্ড বয়েল হবে। মানে ডিমগুলো ১০ মিনিট ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে। ঠাণ্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে হাফ করে কেটে নিতে হবে।
তিন চারটে আলু সেদ্ধ করে, মেখে নাও। এবার কড়াইতে তেল গরম করে পরিমাণ মতো পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালো করে ভেজে নিয়ে আদা রসুন বাটা মিশিয়ে নিতে হবে। কাঁচা গন্ধটা চলে গেলে নুন, হলুদ, কাশ্মীরি লাল মির্চ,অল্প করে জিরে আর ধনে গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর সেদ্ধ আলু টা ভালো করে মশলার সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। ২-৪ মিনিট রান্না করে ভাজা মশলা, গরম মশলা আর কুচোনো ধনেপাতা দিয়ে নেড়েচেড়ে গ্যাস অফ করে দিতে হবে। এবার চপটা তৈরি করার আগে নুন, গোলমরিচ দিয়ে একটা ডিম ফেটিয়ে রেখে দিতে হবে। কয়েকটা পাউরুটি মিক্সিতে দিয়ে ব্রেডক্রাম্ব বানিয়ে নিতে হবে।
কোটিংটা পারফেক্ট বানাতে একটু ময়দার কর্নফ্লাওয়ার সমপরিমাণে নিয়ে একসাথে একটা প্লেটে নিতে পারো। এতক্ষনে আলুর পুরটা ঠাণ্ডা হয়ে যাবে। এবারে হাতের তালুতে অল্প তেল মেখে আলুর পুরটা নিয়ে মাঝে হাফ ডিমটা দিয়ে একটা চপের শেপ দিতে হবে। এরপর কাজ খুব সহজ। একবার ডিমের গোলাতে দিয়ে ময়দাতে এপিঠ ওপিঠ করে আবার ডিমে দিয়ে আবার ব্রেড ক্রাম্ব দিয়ে শেপটা পারফেক্ট করে নিতে হবে। শেষে গরম তেলে ভেজে নিয়ে কাসুন্দি, সস, পেঁয়াজ, শশা কুচি দিয়ে সার্ভ করে দাও।
বানানোটা কিন্তু খুবই সোজা। ট্রাই করে দেখতে পারো।
#রান্না #রেসিপি #খাবার #ডিমেরডেভিল
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Mumbai