28/11/2025
অন্ধ্রপ্রদেশ ১ নভেম্বর ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এটি ভারতের প্রথম রাজ্য ছিল যা ১৯৫৬ সালের রাজ্য পুনর্গঠন আইন অনুসারে গঠিত হয়েছিল। পরে, এই রাজ্য থেকে তেলেঙ্গানা আলাদা হয়ে একটি নতুন রাজ্য হিসেবে গঠিত হয়। এটি ভারতের পঞ্চম বৃহত্তম রাজ্য। অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলরেখা ভারতের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ।
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ (Andhra Pradesh) রাজ্যে তিনটি রাজধানী রয়েছে। 👇
1️⃣✅বিশাখাপত্তনম (Visakhapatnam) — কার্যনির্বাহী রাজধানী (Executive Capital)
এটি অন্ধ্র প্রদেশের প্রথম রাজধানী। এটি একটি উত্তেজনাপূর্ণ সমুদ্রতীরবর্তী শহর, যা তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং শিল্প দক্ষতার জন্য পরিচিত
2️⃣✅অমরাবতী (Amaravati) — আইনসভা রাজধানী (Legislative Capital)
এটি অন্ধ্র প্রদেশের দ্বিতীয় রাজধানী, যেখানে রাজ্য বিধানসভা অবস্থিত। এটি একটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বপূর্ণ শহর, যেখানে রাজ্য সরকারের নীতিমালা তৈরি এবং আলোচনার কেন্দ্রস্থল।
3️⃣✅কুর্নুল (Kurnool) — বিচার বিভাগীয় রাজধানী (Judicial Capital)
এটি অন্ধ্র প্রদেশের তৃতীয় রাজধানী, যা রাজ্যের উচ্চ আদালতের আসন। এটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি বিষয়গুলোর সিদ্ধান্ত নেয়ার স্থান হিসেবে কাজ করে।
এই ব্যবস্থা করা হয়েছিল রাজ্যের প্রশাসনিক ভারসাম্য রাখার জন্য এবং এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হল রাজ্যের বিভিন্ন অংশে উন্নয়ন সুষমভাবে ছড়িয়ে দেওয়া, এবং স্থানীয় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। (For promote decentralized development and balanced regional growth)
Geography Scanner ✅
21/05/2025
#𝐌𝐢𝐳𝐨𝐫𝐚𝐦 𝐈𝐧𝐝𝐢𝐚’𝐬 𝐅𝐢𝐫𝐬𝐭 𝐅𝐮𝐥𝐥𝐲 𝐋𝐢𝐭𝐞𝐫𝐚𝐭𝐞 𝐒𝐭𝐚𝐭𝐞.
#সম্পূর্ণভাবে_সাক্ষর_রাজ্য_হল_মিজোরাম
কেন্দ্রীয় সরকারের Understanding Lifelong Learning for All in Society (ULLAS) বা উল্লাস-নব ভারত সাক্ষরতা কার্যক্রম (নতুন ভারত সাক্ষরতা কর্মসূচি) প্রকল্পের আওতায় দেশের প্রথম সম্পূর্ণ ভাবে সাক্ষর রাজ্যের তকমা পেল ১১ লক্ষ জনসংখ্যার রাজ্য মিজোরাম।
এই ULLAS স্কিমের অধীনে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ১.৭৭ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী (নব্য সাক্ষর) ফাউন্ডেশনাল লিটারেসি এবং সংখ্যাসূচকতা মূল্যায়ন পরীক্ষায় (Foundational Literacy and Numeracy Assessment Test, FLNAT) অংশগ্রহণ করেছে
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে যে আদমশুমারি বা জনগননা হয়, তার নিরিখে কেরলই সাক্ষরতার হারে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল, ৯৪ শতাংশ। ৯২.২৮ শতাংশ সাক্ষরতার হার ছিল লক্ষদ্বীপে। তারা দ্বিতীয় স্থান পেয়েছিল। তৃতীয় স্থানে ছিল মিজোরাম। সেই সময় মিজোরামের সাক্ষরতার হার ছিল ৯১.৩৩ শতাংশ, যা বেড়ে ৯৮.২ শতাংশ হল। মহিলাদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৯৭.৯৭%, এবং পুরুষদের হার ৯৯%, যার ফলে সামগ্রিক সাক্ষরতার হার ৯৮.০২%
উল্লেখ্য এই "উল্লাস" প্রকল্পের আওতায় সাক্ষরতার হার কমপক্ষে ৯৫ শতাংশ হলেই সেই রাজ্যটিকে পূর্ণ সাক্ষরতার রাজ্যের শিরোপা দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের গোটা রাজ্য জুড়ে ক্লাস্টার রিসোর্স সেন্টার কোঅর্ডিনেটরদের (CPC) দ্বারা পরিচালিত একটি Door to Door Survey তে ৩,০২৬ জন অশিক্ষিত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছিল। যার মধ্যে ১,৬৯২ জন শিক্ষার্থী সক্রিয়ভাবে শিক্ষাদানে অংশ নিয়েছিল।
মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী লালদুহোমা মঙ্গলবার, ২০শে মে ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে মিজোরামকে পূর্ণ সাক্ষর রাজ্য ঘোষণা করেন।
14/05/2025
#ভারতের_ব্রহ্মাস্ত্র_ব্রহ্মস(𝐁𝐫𝐚𝐡𝐌𝐨𝐬)
"ফুটবলে" রক্ষণভাগ (Defence) মজবুত না হলে বিপক্ষ যেমন সহজেই ঘরে ঢুকে "গোল" দিয়ে চলে যায়। ঠিক একই ভাবে কোনো দেশের Defence System মজবুত না হলে একইভাবে যেকোনো সময় বহিঃশত্রুর আক্রমনের মুখে পড়তে হয় সেই দেশকে। আবার প্রতিবেশী যদি পাকিস্তান হয় তাহলে তো কোনো কথায় নেই।
তাই যে কোনো দেশের সুরক্ষা অর্থাৎ প্রতিরক্ষা ও প্রত্যাঘাতের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সেই দেশের শক্তিশালী ডিফেন্স সিস্টেম (Defence System) ও শক্তিশালী মিসাইল। এই দুটি পরস্পর close and interconnected অর্থাৎ একটির সাথে আর একটি জড়িয়ে থাকে।
#মিসাইল_কি?
মিসাইল (Missile) বা ক্ষেপনাস্ত্র হল একটি মাধ্যম (Medium) বা একটি রকেট-চালিত অস্ত্র যার মাধ্যমে কোনো বিস্ফোরক পদার্থ (Explosive material) কে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বয়ে নিয়ে উচ্চ গতিতে অত্যন্ত নির্ভুলতার সাথে নিদিষ্ট টার্গেটে নিক্ষেপ করা হয় যা সেই টার্গেট কে আঘাত বা ধ্বংস করে। অর্থাৎ এককথায় মিসাইল হল ডেলিভারি বয় (Delivery Boy) যা কোনো কিছুকে একজায়গা থেকে অন্য জায়গায় বয়ে নিয়ে যায়।
ভারতের মিসাইল ভাণ্ডারের (Missile System) সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ এমনই এক অস্ত্র হলো "ব্রহ্মস"। পৃথিবীতে যত রকমের ক্রুজ় মিসাইল (অন্যটি হল ব্যালাস্টিক মিসাইল) রয়েছে তার মধ্যে "ব্রহ্মস" সবচেয়ে দ্রুতগামী। ক্রুজ মিসাইল মূলত Short range এবং নিম্ন উচ্চতায় এবং স্থিতিশীল গতিবেগে বয়ে চলে। এটি মূলত জেট ইঞ্জিনে চলে। এবং এটি Tactical missile অর্থাৎ permanent ক্ষতি করে না, শুধু মাত্র সাময়িক কিছু ক্ষতি করে।
#ব্রহ্মসের_নামকরণ
ভারত ও রাশিয়ার যৌথ Technology তে তৈরি হয়েছে এই "ব্রহ্মস" মিসাইল। তাই এই নামকরণ করা হয়েছে ভারত ও রাশিয়া দুটি দেশের দুটি নদীর নামের সাথে সাদৃশ্য রেখে একদিকে ভারতের ব্রহ্মপুত্র নদ (𝐁𝐫𝐚𝐡maputra) ও অন্যদিকে রাশিয়ার মসকোভা নদী (𝐌𝐨𝐬kva) অর্থাৎ দুটোই মিলিয়েই হয়েছে "ব্রহ্মস" (𝐁𝐫𝐚𝐡𝐌𝐨𝐬)
#ব্রহ্মসের_বৈশিষ্ট্য
"ব্রহ্মস" র্যামজেট সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র যা ডুবোজাহাজ জাহাজ, বিমান বা ভূমি থেকে উৎক্ষেপণ করা যায় অর্থাৎ জল, স্থল এবং আকাশ এই তিন জায়গা থেকেই লঞ্চ করা যায় এই "ব্রহ্মস" মিসাইল। এই মিসাইলের রেঞ্জ 300 থেকে 450 কিলোমিটার।এর সর্বোচ্চ গতি মাক 2.8। অর্থাৎ শব্দ যে বেগে ছোটে তার থেকেও 2.8 গুণ বেশি গতি এই মিসাইলের।
#ব্রহ্মসের_চুক্তি
1998 সালের ফেব্রুয়ারিতে মস্কোতে তৎকালীন প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (Defence Research and Development Organisation (DRDO) প্রধান তথা "মিসাইলম্যান" ডঃ এ.পি.জে আব্দুল কালাম এবং রাশিয়ার উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী এনভি মিখাইলভের মধ্যে একটি আন্তঃসরকার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আর এই চুক্তির ফলেই DRDO এবং রাশিয়ার NPO Mashinostroyenia (NPOM) এর একটি যৌথ উদ্যোগে 𝐁𝐫𝐚𝐡𝐌𝐨𝐬 Aerospace গঠিত হয়।skb
#ব্রহ্মসের_উৎপাদন
সম্প্রতি ভারত-পাক সংঘাত আবহেই ক্ষেপণাস্ত্র "ব্রহ্মস"-এর নতুন ইউনিটের উদ্বোধন হল। 300 কোটির বাজেটে তৈরি এই ইউনিট বছরে প্রায় 80-100 টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে সক্ষম হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এ এই মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছিল কিনা সেবিষয়ে কোনো অফিসিয়াল কনর্ফামেশন না পাওয়া গেলেও অনুমান করা যেতে পারে যে এই মিসাইল ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে।এখন দেখার ভবিষ্যতে এই মিসাইল ভারতের প্রতিরক্ষাকে আরও কতটা মজবুত করতে পারে।
10/04/2025
#মেঘালয়ের_জীবন্ত_মূলের_সেতু
Double Decker Living Root Bridge
27/05/2024
#ভারতের_সাইক্লোন_ম্যান
তার নিখুঁত পূর্বাভাসের জন্যই আজ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি কম হয়। আয়লা থেকে ফনি, ইয়াশ থেকে আমফান সবেতেই ছিল তার নিখুঁত পূর্বাভাস। বর্তমানে 'রেমাল' ও তার ব্যাতিক্রম নয়। এজন্যই তিনি আজ ভারতের "সাইক্লোন ম্যান" নামে পরিচিত।
11/05/2024
India’s Only Floating Post Office