22/09/2024
AAMAM🤍
Reunion Trip 🎊
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al-Ameen Mission Academy Memari, School, durgadanga more, Memari.
22/09/2024
AAMAM🤍
Reunion Trip 🎊
30/08/2024
2018
Al Ameen Mission Academy Memari
*সত্য টা সামনে আসুক*
মহ হাশমত আলী শাহ,
২০২১ উচ্চমাধ্যমিক মেমারি ক্যাম্পাস।
লিখব লিখব করে লেখাই হয় না..কিন্তু যা অপপ্রচার শুরু হয়েছে না লিখে আর থাকতে পারিনা...জেনে নিই প্রধান কারণ টা...
তথ্যসূত্রঃ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যিনি সামনে থেকে ঘটনাটি লক্ষ্য করেছেন।
#ছেলেরা স্যার দের কথা শুনত না,অনেক ছাত্র মোবাইল ফোন রাখত,রাত্রে হই হুল্লোড় করত,রাত জেগে সিনেমা, খেলা দেখত ড্যান্স করত। কিছু স্যার এটা জানত, তাদের মধ্যেই একজন এই গুলো দিনের পর দিন সহ্য করতে না পরে হাসিবুল স্যার কে জানায়।
আমি একদিন মিশনে যাই নিয়ে ওখানের একজন শিক্ষক কে জিজ্ঞেস করি এখন কেমন চলছে মিশন?নামাজ পড়ছে ছেলেরা? তিনি আমাকে জানান,"ভোরে তুলতে গেলে বলে আমরা ৮-৯ হাজার বেতন দিয়ে পড়ছি আমরা কেন ভোরে উঠব?" এই তো কিছু জনের চরিত্র।
হাসিবুল স্যার সব জেনে মিটিং করে ছাত্র দের সঙ্গে কেন ওরা এরকম করছে...গ্রুপে মেসেজ দেই যে," ছাত্ররা এখন খুব উসসৃঙ্খল আচরণ করছে। স্যার দের কোনো কথা শুনছে না । রুমের মধ্যে মোবাইলে খেলা দেখছে, সিনেমা দেখছে। স্যাররা বরণ করলে তাদের হুমকি দিচ্ছে। ক্যাম্পাস ছেড়ে পাড়ায় ঘুরতে যাচ্ছে কেউ কেউ। রাত্রে হৈ হুল্লোর করছে। গ্রামের লোকেরা আমাদের বলছে ওদের অসুবিধা হচ্ছে। এমত অবাস্থাই হোস্টেল খোলা রাখা অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে। আপনাদের কাছে অনুরোধ আপনারা মিশনে আসুন এই কদিন আপনারা মিশনে থাকুন । আপনারা থাকলে ছেলেরা শান্ত থাকবে সুষ্ঠ ভাবে পরীক্ষা দিতে পারবে। আপনাদের সহযোগিতা না পেলে যে কোনো দিন যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। এমত পরিস্থতিতে আপনারা না এলে মিশন ছুটি দিয়ে দিতে বাধ্য হবো।"
#এই মেসেজ দেখেই ছাত্ররা আবার মিটিং ডাকে সুপার স্যার পুনরায় জিজ্ঞেস করে সমস্যা কি ওরা কেউ কিছু না বলে চুপ করে থাকে, তখন সুপার স্যার জোর গলায় বলেন ২০-২৫ জনকে বাড়ি পাঠিয়ে দেব,বাড়ি থেকে এসে পরীক্ষা দেবে।এর জন্যই ছাত্র রা ভাংচুর শুরু করে কম্পিউটার প্রজেক্টের থেকে শুরু করে ফ্যান কাচ সব কিচ্ছুই যদিও এটা পূর্ব পরিকল্পিত ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা ছিল।
কিছু ছাত্র স্যারদের জামা/পাঞ্জাবী,মোবাইলের চার্জার,কম্পিউটার এর মনিটর নিয়ে নিয়েছে।কিছু স্যারের বাইকের চাবি, হাজার খানেক টাকা নিয়ে নিয়েছে,একটা শিক্ষকের সমস্ত অরিজিনাল ডকুমেন্টস অ্যাডমিট কার্ড থেকে পাসপোর্ট সবকিছু পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
#এই অবস্থা দেখে গ্রামের লোক রা জোর করে মিশন চত্বরে প্রবেশ করে।এমনিতেই তারা ছাত্র দের চিতকার চেঁচামেচি তে অতিস্ট ছিল।কর্তৃপক্ষ মানা করে যেত এতদিন কিন্তু তারা আর তাদের মানা শুনেনি।।উপরে উঠে ছেলেদের মারধর করে, ভিডিও তে যেটা দেখতে পাচ্ছি কেউই বহিরাগত নয়।সুপার স্যার কখনই লাঠি হাতে নেননি সেদিন ও নেননি হাতে কয়েকজন কে চড় মেরেছেন...এটাও কি তিনি করতে পারেন না একজন শিক্ষক হিসেবে এইটুকুও কি ক্ষমতা তার নেই??
#এই ঘটনার পর ছেলেরা ভিডিও করে থানায় এফ আই আর করে, খুনের মামলা রুজু করেছে।।মিডিয়া তাদের কে জিজ্ঞেস করলে তারা নিজেরাই জানেনা কেন তারা এই ভাংচুর চালাল...তাদের দাবী কি তাও তারা জানেনা,শুধু একটাই দাবী সংবাদমাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে খাবার নাকি খারাপ দেওয়া হত আর অভ্যন্তরীণ সমস্যা এইসব আসলে এটা কোন কারণ ই নয় যদি কারণ হত তো শেষ মুহুর্তে কয়দিনের জন্য কি এরকম করতে হবে??আমার সাথেই পড়ত একজন ছাত্র এখন বেচারা কোটাতে গিয়ে মেমারির খাবার কে ভুলতে পারছে না।ওখানে শুধু আলু আর ডাল অথচ সে আবার স্ট্যাটাস এ ভাংচুর কে সমর্থন ও করেছে কিরকম ডাবল স্ট্যান্ডার্ড চিন্তা করেন.. .শেষ এ মিডিয়া ভাল কিছু না পেয়ে প্রচার চালাল বহিরাগত রা এসে মিশন ভাংচুর চালাল। রিপাবলিক মিডিয়া আবার দেখাচ্ছে হুমায়ুন(TIC) স্যার এর রুমের পাশে কিছু কাগজ কুড়িয়ে যে এখানের শিক্ষক রা ছাত্র দের নোটস গুলো ছিড়ে ফেলে দিয়েছি..ভাবা যায়?
#ফলাফল টা কি হল শেষ এ একবারও কি আমরা ভেবে দেখেছি??
মিডিয়া কোনদিকে নিয়ে গেল ব্যপার টা....এমনিতেই মুসলিম বলে সারা দেশ জুড়ে মিডিয়া অপপ্রচার চালাচ্ছে আর আমরা তাদেরকেই সুযোগ করে দিচ্ছি একটা ছোট বিচ্ছিন্ন ঘটনা কে এত বড় করে দেখানোর।।
কই মিডিয়া তো আল আমিন মিশন থেকে কয়েকশো ছাত্র ডাক্তারী পড়ার সুযোগ পাচ্ছে এগুলো দেখাচ্ছে না।।অনেকে এটাকে তালিবান Vs ISIS, দুধেল গাইদের অভ্যন্তরীণ লড়াই, এন আর সি ট্যাগলাইন দিচ্ছে সমগ্র মুসলিম সমাজকে দাঁড় করাচ্ছে।এর জন্য দায়ী তো আমরাই..আমরাই তো তাদের কে সুজোগ করে দিচ্ছি।।
#অনেকে হাসিবুল স্যার কে নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন...আমি যতটুকু দেখেছি তাঁকে
প্রথমত, হাসিবুল স্যার প্রথম দিকে অনেক টাই একগুঁয়ে প্রকৃতির ছিলেন নিজের ডিসিশন টাই ফাইনাল।।গার্লস এ অনেক অনুষ্টান হয় বয়েজ এ হয়না এসব কিছু অভিযোগ ছিলই...
দ্বিতীয়তঃ হাসিবুল স্যারকে যখন করোনাভাইরাস এর লকডাউনের পর প্রথম ২০২১ সালে দেখি তখন ই মানুষ হিসেবে অনেক অনেক শ্রদ্ধাবোধ বেড়ে যায়।।কখনোই উচ্চস্বরে কাউকে বকতে অবধি দেখিনি।।কখনই হাতে লাঠি দেখিনি।
তিনি ২০২১ এর জানুয়ারির পর দিনে ২ বার প্রায় আসতেন মিটিং ও করতেন সুবিধা অসুবিধা জানার জন্য...অনেক বেশি ইসলামিক ও হয়েছিলেন..দাড়িও রেখেছেন।ছাত্র শিক্ষক দের কাছে থেকে জুম্মার দিন অর্থ আদায় করে গ্রামের অসহায় দের কে দিতেও অব্দি দেখেছি আমি।। অনেক ভাল ব্যবহার ও ছিল...ব্যক্তিগত ভাবে খুব ই ভাল মানুষ উনি শেষের দিকে এরকম ই ছিলেন।।
এই মানুষ টির বিরুদ্ধেই কিছু ছাত্র নামের সমাজের কলণক খুনের মামলা রুজু করেছে এই মাত্র জানতে পারলাম।।
দায়ী কে?
এখানে প্রথমত আল আমিন মিশন এখন বেশি বেশি ফিজ নিয়ে ছাত্র ভর্তি করছে..প্রথম সারির ব্রাঞ্চ গুলোতে কম ফিজের ছাত্র নেই বললেই চলে।ভাল ছেলেদের আল আমিন আর নেই..সুন্দর করে সাজানো গোছানো মেমারি ক্যাম্পাস এ টাকা দিয়ে ছাত্র ভর্তি হয়েছে তাই তাদের মধ্যে ছাত্র সুলভ আচরণ নেই এর জন্য আল আমিন কর্তৃপক্ষ দায়ী। প্রথমবার ঝামেলা হবার পরও হাসিবুল স্যার কখনই বয়েজ এর দায়িত্ব নিতে চান নি..জোর করেই সেক্রেটারি স্যার দিয়েছিলেন এটাও একটা কারণ।
দ্বিতীয়ত,মেমারি ক্যাম্পাস এর মত এত নিয়ম অন্য ব্রাঞ্চ এ আছে নাকি জানা নেই..ছাত্রদের ১৪ দিন পর ৫ মিনিট কথা বলতে দেওয়া হয়, সারা ক্যাম্পাস চত্বরে খালি পা এ ঘুরতে হয়।গার্জেন রা দেখলে এলেও তাদের মোবাইল গেট এ জমা করতে হয় যাতে ছাত্র দের দিতে না পারে।১৪ দিন পর সাক্ষাৎকার কিন্তু কোন গার্জেন যদি ২ মাস পরেও তৃতীয় রবিবার আসেন তাহলে যেখান থেকে আসুক না কেন ছেলের মুখ টা অব্দি দেখতে দেওয়া হত না শুধু খাবার টা সিকিউরিটি কাকু কে দিতে হত।এসব এত নিয়ম কানুন ওদের পছন্দ হয়নি।।আর৷ ১১-১২ এত নিয়মকানুন না থাকাই শ্রেয়।
সবশেষে বলি..ছাত্ররা আল্টিমেটলি কাজ টা অতিরিক্ত করে দিয়েছে এটা শোভনীয় নয়
"হাসিবুল স্যার কে পুলিশ হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এগুলোকে নিয়ে কোন সাধারণ ভাল ছাত্র কখনই উপহাস করতে পারে না।
পেটের দায়ে ৪-৫ হাজার বেতনে থাকা গেটম্যান কাকু (যিনি পাঁচ ওয়াক্ট নামাজ পরতেন)কে কোমড়ে দড়ি বেঁধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে উনি কি দোষ করেছিলেন??এইগুলো দেখে কি করে সহ্য হয় ওদের??
অনেকে ব্লগ করছে " হ্যলো গাইজ,আমরা।মেমারি ভাংচুর করলাম" বাপরে কি মহান কাজ টাই না তোরা করেছিস।।
এখন শুনছি ২৬-২৭ তারিখ এ নাকি মেমারির গার্লস রাও ভাংচুর চালাবে...ছেলেদের কাছে অনুপ্রেরণা পেয়ে ওরাও চাই একটু ফুটেজ খেতে,টিভিতে নিজেদের মুখ দেখতে আর ব্লগ করতে।বাধা দিলেই উচ্চমাধ্যমিক পরিক্ষার্থী সব ছাড়, যা খুশি করতে দিন..
😶
হা হা রিয়াক্ট দাতা দের জন্য সালাম।
"বল, ‘সত্য এসে গেছে আর মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, মিথ্যা তো বিলুপ্ত হওয়ারই।’"
(QS. Al-Isra' 17: Verse 81
30/08/2021
আল আমীন মিশন সাঁতরাগাছি (নতুন ছাত্রীদের দেখার সুবিধার্থে)
30/08/2021
আল আমীন মিশন মেমারি বয়েজ ক্যাম্পাস ❤️
30/08/2021
আল আমীন মিশন মেমারি গার্লস ক্যাম্পাস ❤️
Memari Boys ❤️
15/08/2021
Memari boys' & girls' campus.
Memari girls (Independence day )
13/08/2021
Memari boys campus Detailed photos