09/06/2025
২০২৫ সালে মোট হজযাত্রীর সংখ্যা ১৬,৭৩,২৩০ জন।
An online Institute of islamic education.
09/06/2025
২০২৫ সালে মোট হজযাত্রীর সংখ্যা ১৬,৭৩,২৩০ জন।
07/06/2025
May this Eid al-Adha strengthen our faith and bring us closer to Allah (SWT).
Sk Ajab Ali Abdul Kaium Mohammad Nasim Shaikh DrSarikul Islam Md Fazlur Rahman Momezul Haque SK Saharul SK Asraful Bablu Rahaman Babu Miya Md Kurban M***i Aminul Qasmi
02/06/2025
ইসলামে ইলমের গুরুত্ব অপরিসীম। মুসলিমের প্রতি ইসলামের প্রথম বার্তাই- اِقْرَاْ- পড় (ইলম অর্জন কর)। ইসলামের প্রতিটি অংশের মধ্যেই ইলম বিরাজমান।
ইলমের ব্যাপারে হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে-
طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ.
প্রত্যেক মুসলিমের উপর ইলম অর্জন করা ফরয। -মুসনাদে আবু হানীফা (হাছকাফী), হাদীস ১, ২; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ২২৪
Sk Ajab Ali M***i Aminul Qasmi Abdul Kaium DrSarikul Islam Md Fazlur Rahman Momezul Haque SK Saharul SK Saharul Syma Khatun SK Asraful Habib Rahaman Md Kurban Mohammad Nasim Shaikh Bablu Rahaman Babu Miya
Daawat academy part- 03
🔠 1. English Parts of Speech
English traditionally has 8 parts of speech:
1. Noun – names a person, place, thing (e.g., book)
2. Pronoun – replaces a noun (e.g., he, she, it)
3. Adjective – describes a noun (e.g., blue, tall)
4. Verb – shows action or state (e.g., run, is)
5. Adverb – modifies a verb/adjective/other adverb (e.g., quickly, very)
6. Preposition – shows relationship in space/time (e.g., in, on, at)
7. Conjunction – joins words or sentences (e.g., and, but)
8. Interjection – expresses sudden emotion (e.g., oh!, wow!)
🇧🇩 *2. Bengali (Bangla) Parts of Speech :-- classification -----
1. বিশেষ্য (Noun)
2. সর্বনাম (Pronoun)
3. বিশেষণ (Adjective)
4. ক্রিয়া (Verb)
5. অব্যয় (Particles / Indeclinables) – includes:
সম্বন্ধবাচক অব্যয় (Prepositions)
যোগসূত্র (Conjunctions)
উৎসমাচক শব্দ (Interjections)
So Bengali often groups prepositions, conjunctions, interjections under অব্যয় (indeclinable/unchanging words).
🕋 3. Arabic Parts of Speech
Arabic classifies all words into 3 categories:
1. اِسْمٌ (Ism)
– noun-like words: includes nouns, adjectives, pronouns, adverbs.
Definition:- যে শব্দের একটা নিজস্ব অর্থ থাকে, যার অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোন শব্দের বা সময়ের উপর নির্ভরশীল নয়, সেই শব্দকে اِسْمٌ বলে।
উদাহরণ: كِتَابٌ - Book , مَدْرَسَةٌ - school, قَلَمٌ - pen , اَنْتَ - you
2. فِعْلٌ (Fi‘l) – verbs (past, present, command)
Definition:-- যে শব্দের একটা নিজস্ব অর্থ থাকে, যার অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোন শব্দের উপর নির্ভরশীল নয় কিন্তু সময়ের উপর নির্ভরশীল, সেই শব্দকে فِعْلٌ বলা হয়।
উদাহরণ:-- دَخَلَ - He entered, كَتَبَ - he wrote, اِذْهَبْ - you go. يَدْرِسُ - he is reading
3. حَرْفٌ (Ḥarf) – particles: includes prepositions, conjunctions, interjections, and other "function words"
Definition:-- যে শব্দের একটা নিজস্ব অর্থ থাকে কিন্তু অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোন শব্দের উপর নির্ভরশীল হয় এবং যার অর্থ সময়ের উপর নির্ভরশীল নয়, সেই শব্দকে حَرْفٌ বলা হয়।
উদাহরণ:--- مِنْ - from , لَا - no , اِنَّ - surely
✅ Summary of Relationships:
1.Arabic's "اسم" = **English ** nouns, adjectives, pronouns, many adverbs = Bengali *** বিশেষ্য পদ ।
2.Arabic's "فعل" = English verbs = Bengali*** ক্রিয়া পদ ।
3.Arabic's "حرف" = English prepositions, conjunctions, interjections = **Bengali অব্যয় পদ।
এই Relationship ভালভাবে বুঝতে পারলে আরবী ব্যাকরণ এর পদ প্রকরণ মনে রাখতে সুবিধা হবে।
Daawat academy online Alim course এ আলেম ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের দ্বারা শিক্ষা দিয়ে চলেছেন। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন এবং ভর্তি হয়ে সঠিক শিক্ষা গ্রহণ করুন।
Daawat academy - party 02
# # # আরবী ব্যাকরণের ইতিহাস
আরবী ব্যাকরণ বা "নাহ্ব" (النحو) হলো এমন একটি শাস্ত্র যা আরবী ভাষার শব্দ গঠনের নিয়ম, বাক্য গঠনের ধারা এবং শব্দের অবস্থান অনুযায়ী তাদের পরিবর্তন বোঝাতে সাহায্য করে। আরবী ব্যাকরণের ইতিহাস অনেক প্রাচীন এবং ইসলামি সভ্যতার সূচনার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
# # # # আরবী ব্যাকরণের সূচনা:
ইসলামের প্রাথমিক যুগে আরবদের ভাষা ছিল প্রাকৃতিক ও নির্ভুল, কারণ তারা ছিল আরবভাষী গোত্রের অন্তর্ভুক্ত এবং প্রতিদিনের জীবনে বিশুদ্ধ আরবী ব্যবহার করত। তবে ইসলাম বিস্তারের সাথে সাথে অ-আরব জনগণ ইসলাম গ্রহণ করতে থাকে এবং কুরআন ও হাদীস বোঝার প্রয়োজনে আরবী ভাষা শেখার প্রয়োজন দেখা দেয়। এতে ভাষাগত ভুল বা ভাষাগত বিচ্যুতি দেখা দিতে থাকে।
# # # # আবুল আসওয়াদ আদ-দুয়ালীর অবদান:
ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রাঃ)-এর সময় , তাবেয়ী হজরত আবুল আস ওয়াদ দুয়াইলী জনৈক ব্যক্তিকে কোরআন এর একটি আয়াত ভূল পড়তে শোনেন ।
আয়াতটি ছিল:
اِنَّ اللّٰهَ بَرِئٌ مَنْ الْمُشْرِكِيْنَ وَرَسُوْلُهُ
অর্থ:- নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর রাসূল মুশরিকদের প্রতি অসন্তুষ্ট।
আয়াতটির শেষে رَسُوْلُهُ এর লাম বর্ণটি পেশ বিশিষ্ট।
কিন্তু জনৈক ব্যক্তি বর্ণটিকে পেশের পরিবর্তে যের দিয়ে পড়েছিলেন। ফলে আয়াতের অর্থ পাল্টে যায়।
তখন অর্থ দাঁড়ায়: নিশ্চয়ই আল্লাহ মুশরিকদের ও তাঁর রাসূলের প্রতি অসন্তুষ্ট। এটা পাঠ করা কুফরী।
এই বিষয়ে হজরত আলী যাঃ এর নিকট উপস্থাপন করা হলে তিনি তার সংশোধন করেন।
আর আবুল আস ওয়াদ বললেন - আমার ইচ্ছে হয় যে, আমি আরবী ভাষা -ভাষীদের জন্য এমন নিয়ম পদ্ধতি প্রণয়ন করি যার অনুসরণে তারা নিজেদের ভাষাকে শুদ্ধ করে নিতে পারবে। তখন হজরত আলী রাঃ বললেন - অনুরূপ কর। তারপর হজরত আবুল আস ওয়াদ আরবী শব্দরাজিকে اِسْمٌ ، فِعْلٌ ، حَرْفٌ এই তিনটি ভাগে বিভক্ত করে আরবী ব্যাকরণ এর মৌলিক সূত্র উপস্থাপন করেন।
তিনি প্রথম আরবী ব্যাকরণের নিয়মকানুন লিপিবদ্ধ করেন। তিনি শব্দের ই’আরাব (إعراب) বা বাক্যে শব্দের অবস্থা বোঝাতে চিহ্ন (যেমন: ফাতহা, দম্মা, কাসরা) ব্যবহার শুরু করেন।
# # # # আরবী ব্যাকরণের উন্নয়ন:
পরবর্তী কালে অনেক জ্ঞানী আলিমরা এই ব্যাকরণ শাস্ত্রকে উন্নত করেন। বিশেষ করে:
- **সিবাওয়াইহ্ (سيبويه):** তিনি ছিলেন পারস্যের বাসিন্দা এবং আরবী ব্যাকরণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ “আল-কিতাব” (الكتاب) রচয়িতা। তাঁর কাজকে আরবী ব্যাকরণের ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়।
- **আল-মুবাররাদ, আল-আখফাশ, আল-জুরজানি** প্রমুখ আলিমরাও ব্যাকরণে বিশাল অবদান রেখেছেন।
আরবী ব্যাকরণে দুটি প্রধান ঘরানা গড়ে ওঠে:
1. **বসরা ঘরানা (مدرسة البصرة):** যারা ভাষাগত বিশুদ্ধতা ও যুক্তিনির্ভর নিয়মের উপর বেশি গুরুত্ব দেয়।
2. **কুফা ঘরানা (مدرسة الكوفة):** যারা ভাষার প্রচলিত রীতিনীতি ও কথ্য রীতির উপর জোর দেয়।
# # # উপসংহার:
আরবী ব্যাকরণ কুরআন ও হাদীস বোঝার জন্য অপরিহার্য। এর ইতিহাস শুধুমাত্র ভাষাগত প্রয়োজনে নয়, বরং ইসলামি জ্ঞানচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
এই বিষয়ে Daawat academy online Alim course অভিজ্ঞ শিক্ষকদের দ্বারা শিক্ষা দিয়ে চলেছেন। আগ্রহীদের ভর্তি হওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
**Daawat Academy – Part 01** **আরবি ভাষা শিক্ষা: উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব**
আরবি ভাষা শিক্ষার উদ্দেশ্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বহুমাত্রিক। প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো:
১. বেহেশতের ভাষা হলো আরবি। ২. কোরআন মাজিদ অবতীর্ণ হয়েছে আরবি ভাষায়। ৩. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাতৃভাষা ছিল আরবি। ৪. ঈমানের পর প্রধান ইবাদত হলো নামাজ, আর নামাজ আদায় করতে হলে সহীহ ও শুদ্ধভাবে কোরআন তিলাওয়াত জানা অত্যন্ত জরুরি।
আরবি ভাষা শিখতে হলে আরবি ব্যাকরণ জানা অপরিহার্য, বিশেষ করে যারা আরব নন, তাদের জন্য। আরবি ব্যাকরণ ভালভাবে জানতে হলে পাঁচটি বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা আবশ্যক:
**১. عِلْمُ الإِمْلَاءِ (বর্ণ প্রকরণ):** এটি মূলত নূরানী কায়েদা ও কোরআন নাজেরা শিক্ষার মাধ্যমে জানা যায়। বিশুদ্ধভাবে কোরআন তিলাওয়াত করার পদ্ধতি শেখা হয়।
**২. عِلْمُ الصَّرْفِ (শব্দ গঠনবিদ্যা):** শব্দের গঠন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন এবং রূপান্তরের নিয়মাবলী শেখা হয়।
**৩. عِلْمُ النَّحْوِ (ব্যাকরণ বা সিনট্যাক্স):** শব্দের অবস্থান, হরকতের পরিবর্তন হওয়া বা না হওয়ার নিয়ম এবং শব্দের পরস্পরের সাথে সংযুক্ত হওয়ার পদ্ধতি শেখা হয়।
**৪. عِلْمُ الْبَلَاغَةِ (অলংকার শাস্ত্র):** আরবি ভাষায় সুন্দর, মার্জিত ও প্রাঞ্জলভাবে কথা বলার দক্ষতা অর্জন করা যায়।
**৫. عِلْمُ العُرُوضِ (ছন্দ প্রকরণ):** বাক্যে ছন্দ ও ছন্দের প্রয়োগ কিভাবে হয়, তা শেখা হয়।
**গুরুত্বের স্তর অনুযায়ী পরামর্শ:**
উপরের প্রথম তিনটি বিষয়ে (ইমলা, সরফ, নাহু) ভালোভাবে জ্ঞান না থাকলে আরবি ব্যাকরণ জানা সম্ভব নয়। অন্যদিকে, বালাগা ও উরূদ (৪ ও ৫) বিষয়ে জ্ঞান থাকলে কোরআন, হাদিস এবং আরবি ভাষা শেখার ক্ষেত্রে তা বিশেষ সহায়ক ভূমিকা রাখে।
**আমাদের কোর্স:**
এই সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে *Daawat Academy Online Alim Course* এ প্রতিনিয়ত বিশিষ্ট আলেম ও অভিজ্ঞ শিক্ষকগণ দ্বারা শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। আগ্রহীদের আমাদের কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে আহ্বান জানানো যাচ্ছে।
28/05/2025
28/05/2025
নিচের শব্দগুলোর অর্থ জানা থাকলে কোরআন মাজিদ এর অর্থ বোঝা সহজ হবে। কারণ এই সমস্ত শব্দগুলো বেশিরভাগ সময় ব্যবহার হয়েছে।
28/05/2025