Iskcon Mayapur Nadia West Bengal

Iskcon Mayapur Nadia West Bengal Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Iskcon Mayapur Nadia West Bengal, Religious school, Mayapur.

04/03/2023

It has been observed that village people of Nadia district of West Bengal, India organize "Harinaam Sangkirtan" for 24 hours or 72 hours or even for one week and singers (Kirtoniya Dal) do not switch off mike sound box during any hours of the day and during any hours of the night. Though it has been ordered by the court that mike and sound box must be switched off during night but singers are very obstinate and violent and showing thumb to court order they rather increase the volume of the mike and sound box. Continuous 24 hours heavy sound of Mike increases the blood pressure and heart beat. We have to find a solution for this. If during late night of the hours if powerful bomb is blasted at the site then message will reach to whole community people of Mayapur Nabadwip Vaishnav Samproday of Nadia district of West Bengal, India. Once they are obstinate and violent, we have to be obstinate and violent for them. If Christian community people do bomb blast then no sin will be added as you are of other religious belief. Once you have got my message, you must obey my orders. I don't find any other way to stop the sound of the mike sound box atleast during late night of the hours. Actually it was Shri Chaitanya Mahaprabhu taught saints to utter Hare Krishna mantra along with heavy drum beat always, during night also and he refused to obey the orders of the then Kazi saab, local ruler of Nabadwip. Since then saint community people do not obey any instructions of court, police or government. And local people think individually that if they protest then they will be bad in the eyes of others and if I protest alone then I may face assault of organizers of Kirtan gaan. So, my option remain left and that is powerful bomb blast at the site. If you are unable to do this then contaminate drinking water tank at Mayapur Nabadwip municipality with powerful corona virus or with similar powerful virus. If powerful virus enter into the blood of saint people then they will feel sleepy and sleep at night. They will feel the need of getting well sleep at night. Police cannot take any step against them as Police get afraid of saints and supporters of saints. So silent way is to mix powerful virus in the over head drinking water tank of Nabadwip municipality so that it works well and make the blood cool. If muslim community people execute my plan then no sin will be added to them. Now I have understood that formation of mere Hindu Rashtra will give pain in the mind of many common educated hindu people in India. There will be many unnecessary customs and rituals followed by uncivilized rural people. To stop this Christian community people increase in number so that they can act atleast as pressure group in Indian society. It is very much required to stop playing of mike and sound box continuously for round the clock. You have to make arrangement so that mike remain silent positively atleast from 11 o clock to 5 o clock at night.

You should know weak points of bjp in India who want to make Ram as the only hero of India. As per Hindu dharm, Ram and Shri Krishna both are incarnation of Lord Vishnu but people of North India want to symbolize Ram as the real God and bjp also doing that. Ram was very simple man, he sacrificed his everything and went to jungle to obey orders of his father. So if common people follow the path of sacrifice then it will be very good for capitalists in India to retain their capital and property. On the other hand, hindi speaking people and entire north Indian people do not follow Lord Shri Krishna as Shri Krishna conducted the war of Kurukshetra to bring back snatched property of Pandavas. To get back property, Lord Shri Krishna arranged war and he taught that during war you can kill your relatives once they are standing against you. As Lord Shri Krishna taught to fight a war among own relatives and kill each other and hence it is similar to the path of Naxalites and Maoists struggle hence people of north India do not obey Shri Krishna from their mind and utter, "Ram Ram" . They say, "Both Ram and Krishna are same" still they are very unhappy with Lord Shri Krishna and tell him as "Chhaliya". But we educated men know that Lord Krishna is the most powerful incarnation of Lord Vishnu and he is the only God of Kali era but clever bjp bringing Ram in front as they want to do politics with innocent people of India so that poor people sacrifice their everything and remember only "Ram Ram, Jai Shri Ram" so that capitalist form of society remain intact. If people know the teaching of Lord Shri Krishna then people will follow the path of Naxalites and Maoists struggle and ruling class of India will fall in great troubles. Hence at any cost clever people want to show Ram as God, not Shri Krishna. They want to keep Krishna as hidden God so far as practicable.

আমাদের সমাজে সবচাইতে গোড়া প্রকৃতির লোক হলো কির্তনিয়াদে র দল । এরা সমস্ত আইন কানুন কে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে অনবরত 24 ঘণ্টা ব্যাপী মাইক বাজিয়ে কীর্তন গান গেয়ে আমাদের ব্লাড প্রেসার হাই করে সারা রাত জাগিয়ে সকাল বেলা বুক ফুলিয়ে চলে যায় । এরা কিছুতেই কখনো মাইক বন্ধ করবে না । এদের মাইক বন্ধ করতে যতই বলা হোক না কেনো এরা আরো একটু জোর দিয়ে কীর্তন গাইতে থাকবে । এরা হবে কেউ প্রতিবাদ করবে না আর প্রতিবাদ না করলে এরা জয়ী হয়ে গেলো । এদেরকে না তো কেউ গুলি করে মারতে পারবে, না তো কেউ এদেরকে বম্ব ব্লাস্ট এ উরিয়ে দিতে পারবে । এরা ভগবানের ভক্ত, খানকি মাগীর বাচ্চা । এরা অতি উচ্চ শ্রেণীর খানকি মাগীর বাচ্চা । যে সব হিন্দু মেয়ে বিয়ের আগে অতি আওয়াজে দি জি বাজিয়ে নৃত্য করে এরা হলো সেই সব খানকি মাগীর বাচ্চা । এদের হেড অফিস হলো নবদ্বীপ মায়াপুর । নবদ্বীপ মায়াপুরের বাদমাইশদের দল এদের সাহস জুগিয়েছে যে তোমরা অনবরত 24 ঘণ্টা ব্যাপী মাইক বাজিয়ে কীর্তন গান করবে যাতে অনেক দুর থেকে তোমাদের কীর্তন গান শোনা যায় । তোমরা মাইক বাজালে পুলিশ প্রশাসন কেউ তোমাদের কাজে বাধা দেবে না । কির্টনিয়াদের দল হলো কেউটে সাপের বাচ্চা হিন্দু খানকি মাগীর বাচ্চা । নবদ্বীপ মায়াপুর এর উপর নিউক্লিয়ার বম্ব ফেলে কির্তনিয়াদে র হেড অফিস ধ্বংস করে দিলে তবেই এদের মনে ভয়ের সঞ্চার হবে । যতদিন খানকি মাগীর বাচ্চাদের হেড অফিস ধ্বংস করা না হচ্ছে ততদিন এরা অবাধে 24 ঘণ্টা মাইক বাজিয়ে কীর্তন গান করে চলবে । আবার কোথাও কোথাও এরা অনবরত তিন দিন, আবার কোথাও সাত দিন ব্যাপী অনবরত মাইক বাজিয়ে কীর্তন গান গেয়ে ওখান থেকে কেটে পড়ে । এদেরকে সোজা করার সহজ উপায় হলো রাত দুটোর সময় বম্ব ব্লাস্ট করে এদের উরিয়ে দেওয়া । বম্ব ব্লাস্টে খানকি মাগীর বাচ্চারা উরে গেলে তবেই কমপক্ষে ওই জায়গায় 24 ঘণ্টা ব্যাপী মাইক বাজাতে লোকে ভয় পাবে । এইভাবে বিভিন্ন জায়গায় যদি বম্ব ব্লাস্ট করে করে কীর্তন গানের আসর উরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে বাকি খানকি মাগীর বাচ্চারা প্রশাসনের দারস্ত হবে । মাইক বন্ধ করার জন্য আমরা প্রশাসনের কাছে যাবো না । ওরা যাবে । ওরা তখুনি যাবে যখন বম্ব ব্লাস্টে খানকি মাগীর বাচ্চাদের দল উরে যাবে । সাধারণত গভীর রাতে কীর্তন গানের আসরে বেশি লোক থাকে না, অধিকাংশ লোক বাড়ি চলে যায় আর সেই সময় বম্ব ব্লাস্ট করা খুব সহজ হবে । বম্ব যেনো বেশ শক্তিশালী হয় যাতে কির্তনিয়াদের দল পুরো উরে যায় । পাশে বসে থাকা মাইক ম্যান ও যাতে উরে যায় । কারণ যে মাইকের ব্যবসা করে সে তো মহা হারামি । লেখাপড়া শেখেনি । গাবার প্রকৃতির । কাজী শুধু দু চারটে ঢোল ভেঙে দিয়েছিল কিন্তু এখন আর প্রশাসন পুলিশ পাঠিয়ে ঢোল ভাঙবে না । এ কাজ আমাকে, আপনাকে করতে হবে । আর সহজ উপায় হলো গভীর রাতে বম্ব ব্লাস্ট করে কীর্তন গানের আসর উরিয়ে দেওয়া । যারা মাইক বানায় এবং মাইক সাউন্ড বক্স বিক্রি করে তাদের শো রুম, গুদাম যদি বম্ব ব্লাস্ট এ উরিয়ে দিতে পারো তাহলে সব থেকে ভালো হয় । এদের দেখা তুমি কলকাতায় পাবে । কলকাতার কোথায় কোথায় মাইক এবং সাউন্ড বক্স বিক্রি হয় তার খোঁজ নিতে হবে । যারা এই দোকান চালায়, যারা মালিক যদি পারো এদের মেয়দের ধরে বাইরের দেশে চালান করে দাও । এটা আরো সহজ রাস্তা । চলনকারীদের সাথে সম্পর্ক করে মাইক সাউন্ড বক্স ব্যবসায়ীদের মেয়েদে র ধরে ধরে বাইরের দেশে চালান করে দিতে হবে । ওরা ওদের ব্যবসা করে আমাদের ব্লাড প্রেসার হাই করেছে আর আমরা ওদের নেয়েদের ধরে ধরে বেশ্যা খানায় পাঠিয়ে দেবো । রাস্তা ঘাটে চলার সময় যদি পারো তাহলে এদের লাথি মেরে ফেলে দিও । কেউটে সাপের বাচ্চা কিরতনিয়াদে র রাগ তো দেখো । পশুদের লাথি মেরে ফেলে দিয়ে মাথায় লাথি মেরে মেরে শেষ করে দিতে হবে । এই ধোনের বালেদে র জন্য সমাজে মাইক সাউন্ড বক্স বাজানো শুরু হয়েছে । ধোনের বালেরা আমাদের কাছ থেকে সম্মান চায় । ধোনের বালে দের সম্মান তো দূরের কথা, রাতে মাইক বাজিয়ে কীর্তন করলেই বম্ব ব্লাস্ট করে এদের উরিয়ে দিতে হবে । এদের ধোনের বাল বলে গণ্য করতে হবে ।

ভারতে হিন্দু মাগীদের সংখ্যা প্রায় 110 কোটি । হিন্দু মাগীর 110 কোটি বাচ্চা যদি হাই ভলিউমে দি জে শোনে তাহলে শব্দ পলিউশন হয়ে আমাদের বয়স্কদের রক্তচাপ উচ্চ হয়ে হার্ট এ্যাটাক ও হতে পারে । তাই আমাদের আসল কারণ কে শেষ করতে হবে আর আসল কারণ হলো তারা যারা মাইক, দি জে বানায় এবং এর ব্যবসা করে । আদালতকে এমন রায় দিতে হবে যে, "কেউ যদি কোনো মাইক এবং দি জে ম্যানুফ্যাকচরিং কে বা এদের হোল সেলার, মাইক এবং সাউন্ড বক্স বিক্রেতাকে হত্যা করে তাহলে হত্যাকারীকে দোষী ধরা হবে না । এদের মেয়ে বউকে ধরে যদি কেউ দি জে সাউন্ডের তালে তালে রেপ করে তাহলে সেই রেপকে রেপ ধরা হবে না । যে রেপ করবে তাকে সমাজ সেবক হিসেবে সম্মান দিতে হবে ।" ইয়েস, আদালতের এই ফরমান শুনাতে হবে । আজ থেকে মাইক এবং সাউন্ড বক্স দি জে সিস্টেমের শো রুম যদি কেউ বম্ব ব্লাস্ট করে উড়িয়ে দেয় তাহলে তাকে যেনো অ্যারেস্ট করা না হয় বা তার বিরুদ্ধে যেনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া না হয় । যারা মাইক এবং সাউন্ড বক্স বানায় তাদেরকে নির্মম ভাবে হত্যা করতে হবে এবং তাদের বাড়ি ঘরে আগুন ধরিয়ে দিতে হবে । তাদের মেয়ে বউকে ধরে ধরে রেপ করতে হবে এবং এই রেপ কে অন্যায় বলে ধরা হবে না । এই রেপ হবে ন্যায়ের প্রতীক । যদি কেউ এই রেপের বিরোধিতা করে তাহলে তাদেরকেও রাতের অন্ধকারে শেষ করে দিতে হবে । আমি জানি হিন্দি ভাসি ক্ষেত্রের আই এ এস অফিসার, এম পি, মন্ত্রী এরা চায় দি জি র অতি উচ্চ আওয়াজ শুনতে শুনতে দেশের ইয়ং রা এবং যুবকেরা যুদ্ধের গোলা বর্ষনের সাথে পরিচিত হবে যাতে আর্মিতে জয়েন্ করলে গোলা গুলির আওয়াজ এর সাথে আগে থাকতেই পরিচিত হতে পারে । শুধু তাই নয়, দীপাবলিতে যে বাজি ফোটানো হয় তার পিছনেও এই একই কারণ । বাজির আওয়াজের সাথে সাথে অভ্যস্ত হতে থাকলে আর্মিতে জোয়েণ করার পর যে গুলি চালাতে হয় তার সাথে অভ্যস্ত হতে থাকবে । এটা হলো কেন্দ্রীয় সরকারের গোপন নীতি যেটা বাইরের লোক জানে না । যাই হোক সারাদিন এবং অধিক রাত পর্যন্ত কোনো পুজো উপলক্ষে হোক, বিয়ে উপলক্ষে হোক মাইক, সাউন্ড বক্স বাজানো চলবে না, আমরা চলতে দেবো না । আদালত যতই পারমিশন দিক মাইক সাউন্ড বক্স বাজানোর আমরা আদালতের আদেশ মানি না । আমরা গোপনে গণ আদালত গড়ে তুলে গোপনে মাইক নির্মাতা এবং মাইক সাউন্ড বক্স বিক্রেতা এদের কুপিয়ে হোক আর গুলি করে হোক খুন করবো, দেখি ওদের দলে লোকের সংখ্যা 140 কোটি না 240 কোটি ।

ঢাক ঢোল বাজিয়ে সারা রাত কীর্তন গান করা শিখিয়েছিলেন শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু । তার প্রতিবাদ করেছিলেন কাজী সাহেব কিন্তু শ্রী চৈতন্য দেব কাজীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সমস্ত বৈষ্ণব দের একত্রিত করে আরো জোড়ে কর্ণ বিদারক শব্দে ঢাক ঢোল বাজিয়ে কাজীর ফরমানের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছিলেন । আর সেই মহাপ্রভুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আজকের ক্লাবের ছেলেরা, বেকার যুবকরা অতি সাউন্ড দিয়ে দি জে বক্স, মাইক বাজিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমাদের হার্ট বিট বাড়িয়ে দিতে থাকে । কারণ এক দিন মাইক সাউন্ড বক্স বাজানো হয় কিন্তু লাগাতার ঘণ্টার পর ঘন্টা শব্দ দূষণ চলতে থাকে । মাইক এবং সাউন্ড বক্সের আওয়াজে আমাদের হৃদ স্পন্দন বেড়ে যায় এবং শরীরের রক্ত চাপ বাড়িয়ে দেয় । শ্রী চৈতন্যের জেহাদ গোষ্ঠী কির্তনিয়া দল যা করার আছে করে নিস এই কথা বলে সারারাত মাইক বাজিয়ে কীর্তন গান করে সবাইকে জাগিয়ে রেখে একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে থাকে । ধর্মীয় কারণে যেহেতু কেউ প্রতিবাদ করে না তাই কির্টনিয়া র দল আরো জোরে ঢোল বাজায় এবং লাফায় । কারণ এরা জেনে গেছে কেউ এদের প্রতিবাদ করবে না, আর প্রতিবাদ করলে এরা বলবে "সুদর্শন চক্র" আর সুদর্শন চক্র গলা কাটার জন্য প্রকট হবে আর সাধুদের মধ্যে কেউ বলে ফেলবে, "খান্ত হও সুদর্শন চক্র" তাই সুদর্শন চক্র খান্ত হয়ে ফিরে যাবে । ঠিক সেই রকম ক্লাবের ছেলেরা বা দি জে অনুষ্ঠান করা পার্টির লোকেরা যখন দি জে বক্স বাজিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ড্যান্স করে তখন আপনি প্রতিবাদ করলে ওরাও ওদের সুদর্শন চক্র দিয়ে আপনাকে মারতে আসবে । সেই দিনের বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের একগুয়েমী আর আজকের ক্লাবের ছেলেদের একগুয়েমী র মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই । বৈষ্ণবরা যেমন একগুয়েমী ধৃঢ় সংকল্প হয়ে ঢাক ঢোল বাজিয়ে সারারাত কীর্তন গান করে তারা বলতে চায়, "আমরা সারারাত মাইক বাজিয়ে কীর্তন গান করবো, যার ক্ষমতা আছে আয়, আমাদের কাজে বাধা দিয়ে দেখ, কার কত সাহস আছে দেখি" ঠিক তেমনি অবস্থা আজকের ক্লাবের ছেলেদের, যুবকদের । কির্তনিয়াদের দল ক্লাবের ছেলেদের থেকেও অনেক বেশি জেদী । ক্লাবের ছেলেরা তো রাত একটার সময় দি জে বন্ধ করে দেয় কিন্তু কির্তনিয়াদের দল একটার সময় আওয়াজ টা একটু বাড়িয়ে দেয় । ওরা জানে কেউ ওদের বিরুদ্ধে কিছুই করার সাহস পাবে না । ওরা শ্বাশত এবং অপ্রতিহত । কিন্তু ওরা জানে না যে হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা মহাপ্রভু কে বিষ্ণুর পূর্ণ অবতার বলে মানে না, বিশেষ করে হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের শিক্ষিত এবং চাকুরী জিবিরা তো এ কথা শুনে হেসে উরিয়ে দেয় যে উনি বিষ্ণুর অবতার । কিন্তু এ কথা বলার জন্য হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের অফিসারদের কোনো ক্ষতি হয় নি। বরঞ্চ তারা বাঙালিদের থেকে অনেক আগে প্রমোশন পেয়ে থাকে । এ কথা এই জন্য বললাম কারণ কর্তনিয়াদের দল যখন জানতে পারবে যে, হিন্দিভাষী এবং সাউথ ইন্ডিয়ার লোক মহাপ্রভু কে বিষ্ণুর অবতার বলে মানে না তখন কির্তনিয়ার দল ভাববে, "আহা রে ! যারা মহাপ্রভু কে বিষ্ণুর পূর্ণ অবতার বলে মানে না তাদের বুঝি কতো ক্ষতি হবে" কিন্তু তারা অনেক বড়ো বড়ো অফিসার এবং বাঙালিদের থেকে অনেক বড়ো অফিসার। ওরা বাঙালিদের কিছুটা নিম্ন শ্রেণীর জাতি বলে মনে করে তাই ওরা ভাবে যে ভগবান বিষ্ণু কিভাবে বাঙালিদের মধ্যে গিয়ে জন্ম গ্রহণ করলো ? বাঙালিরা তো মাছ মাংস খায়, তামসিক গুন সম্পন্ন । তাহলে ভগবান তো কখনো তামসিক গুন সম্পন্ন লোকেদের মধ্যে অবতার নেন না, তাহলে কিভাবে বিষ্ণু নবদ্বীপে গিয়ে অবতার নিলেন যখন ওখানকার লোক পাইকারি রেটে মাছ মাংস খায় । কিন্তু এ ধরনের কথা ভাবার ফলে ওদের কোনো ক্ষতি হয় নি । ওদের ক্ষেত্রের লোকেদের প্রচুর পরিমাণে কৃষিজমি আছে, ব্যবসা উন্নত, ব্যাংকে প্রচুর টাকা জমা, সেই টাকাগুলো সুদে দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে আর বাঙালিরা দিনের পর দিন গরীব হয়েই চলেছে । হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা মনে করে যে যদি ওরা মহাপ্রভু কে বিষ্ণুর পূর্ণ অবতার মেনে নেয় তাহলে বাংলা ভাষা এবং বাঙালিদের ভাও বেড়ে যাবে । ওরা চায় না যে বাঙালিদের ভাও বেড়ে যায় আর ওরা বাংলা ভাষার কাছে নত স্বীকার করে । তাই বিভিন্ন পাঠ্য বইয়ে মহাপ্রভু কে নানক, কবীর, মীরা বাইয়ের সমকক্ষ বলে বর্ণনা করা হয়েছে । ভক্তি আন্দোলনের সাথে তাকে দেখানো হয়েছে । এই যে সারারাত ঢাক ঢোল বাজিয়ে মাইক লাগিয়ে কীর্তন গান করার শাস্তি । 24 ঘণ্টা ব্যাপী কোনো জায়গায় যদি মাইক বাজে তাহলে সেখানকার লোকেদের হার্ট বিট বেড়ে যায়, রক্তচাপ বৃদ্ধি পায় । একথা কিরতনিয়াদের বোঝানো বড়ো দায় । যারা কীর্তন গানের আয়োজন করে তারা কখনোই আদালতের আদেশ মানে না । তাদের মধ্যে একটা অপ্রতিহত এক গুয়েমি রয়েছে যে, আমরা 24 ঘণ্টা ব্যাপী মাইক বাজাবো, তোমাদের যা করার আছে করে নাও । হিন্দুরা সহ্য করে নেয় কিন্তু কেউ প্রতিবাদ করে না । মুসলমানরাও প্রতিবাদ করতে ভয় পায় । মুসলমানরা প্রতিবাদ করলে হিন্দুরা বলবে, "তোরা মাইক লাগিয়ে আজান দিস কেনো ?" কিন্তু মুসলমানরা 24 ঘণ্টা ব্যাপী লাগাতার আজান দেয় না । ওরা তো কয়েক মিনিট আজান দিয়ে আবার বন্ধ করে দেয় । কিন্তু হিন্দুরা তো অনবরত 24 ঘণ্টা ব্যাপী আবার কোথাও 1 সপ্তাহ ব্যাপী মাইক লাগিয়ে কীর্তন গান চালিয়ে যায় । এরা কখনো মাইক বন্ধ করার কথা ভাবে না ।

Address

Mayapur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Iskcon Mayapur Nadia West Bengal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share