Majdia College N.C.C

Majdia College N.C.C National Cadet Corps is the youth wing of the Indian Armed Forces with its headquarters in New Delhi

কেসি বোকাদিয়া ও অমিতাভের 'আজ কা অর্জুন': প্রথমবার ১ কোটি পারিশ্রমিক ও আনকাট কাহিনি​ প্রযোজক কে. সি. বোকাদিয়ার প্রোডাকশ...
26/08/2026

কেসি বোকাদিয়া ও অমিতাভের 'আজ কা অর্জুন': প্রথমবার ১ কোটি পারিশ্রমিক ও আনকাট কাহিনি

​ প্রযোজক কে. সি. বোকাদিয়ার প্রোডাকশন ম্যানেজার দুবেজি তাঁকে পরামর্শ দেন অমিতাভ বচ্চনকে নিয়ে ছবি বানানোর। বোকাদিয়া প্রথমে রাজি হননি, তিনি ধর্মেন্দ্র, মিঠুন চক্রবর্তী বা জ্যাকি শ্রফের মতো তারকাদের নিয়ে কাজ করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। তিনি স্পষ্ট জানান, কারও মেকআপ রুমের বাইরে তিনি বসে থাকতে পারবেন না। তখন দুবেজি নিজে দায়িত্ব নিয়ে তাঁকে অমিতাভের সঙ্গে সরাসরি দেখা করানোর ব্যবস্থা করেন।

​ নটরাজ স্টুডিওতে অমিতাভের শ্যুটিং চলাকালীন বোকাদিয়া তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। বোকাদিয়া কাজের প্রস্তাব দিতেই অমিতাভ সানন্দে রাজি হন। এর পরেই বোকাদিয়া সরাসরি জানতে চান তিনি পারিশ্রমিক কত নেবেন।


সেই যুগে অমিতাভ বচ্চনের পারিশ্রমিক ছিল প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা। অভিনেতার সেক্রেটারি বোকাদিয়ার কাছে ৮০ লক্ষ টাকার ডিমান্ড করেন। কিন্তু বোকাদিয়া এক ধাক্কায় অফার বাড়িয়ে দিয়ে বলেন, "আপনার হিরো কি শুধু লাখের হিসাschema-তেই ঘুরবে? আমি বচ্চন সাহেবকে ১ কোটি টাকা দেব।" এর মাধ্যমেই ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে প্রথমবার ১ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নেওয়া নায়ক হন অমিতাভ এবং তা দেওয়া প্রথম প্রযোজক হন কে. সি. বোকাদিয়া।

​ সাইনিং অ্যামাউন্ট নেওয়ার সময় অমিতাভ মজা করে বলেন, এটিই প্রথমবার যেখানে গল্প বা পরিচালক কে তা না জেনেই তিনি শুধুমাত্র বোকাদিয়ার নামের ওপর ভরসা করে অ্যাডভান্স নিচ্ছেন। বোকাদিয়া তাঁকে আশ্বস্ত করেন যে অমিতাভকে মানায় এমন সেরা চিত্রনাট্যই তিনি খুঁজে আনবেন।


প্রায় দু'মাস পর বোকাদিয়া কিছু পরিচালকের নাম প্রস্তাব করলেও অমিতাভের তা পছন্দ হয়নি। এরপর বোকাদিয়া নিজেই একটি গল্প শোনান, যা শুনেই বিগ বি কাজটি করতে গ্রিন সিগন্যাল দেন। এদিকে পরিচালক চূড়ান্ত না হওয়ায় টিমের পরামর্শে বোকাদিয়া নিজেই পরিচালনার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। অমিতাভ এতে সম্মতি জানান।


ক্যামেরার লেন্স বা ডিরেকশনের টেকনিক্যাল অভিজ্ঞতা না থাকলেও ভরপুর আত্মবিশ্বাস নিয়ে বোকাদিয়া কাজ শুরু করেন।

লতা মঙ্গেশকরের উপস্থিতিতে মহরত হয় 'আজ কা অর্জুন'-এর। ১৯৯০ সালে মুক্তির পর ছবিটি বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলে এবং ব্লকবাস্টার হিট তকমা পায়।

পরিচালক হিসেবে অভিষেকেই বাজিমাত করে পরবর্তীতে বোকাদিয়া নিজেও অন্য ব্যানারের জন্য পরিচালনা করতে ১ কোটি টাকা ফি নিতেন।



তিন দিন আগে এই মহারাষ্ট্রেই এমন একটা ঘটনা ঘটেছে, যেটা শুধু মহারাষ্ট্র নয়—সারা ভারতকেই একবার থমকে দাঁড়িয়ে ভাবতে বাধ্য ...
25/08/2026

তিন দিন আগে এই মহারাষ্ট্রেই এমন একটা ঘটনা ঘটেছে, যেটা শুধু মহারাষ্ট্র নয়—সারা ভারতকেই একবার থমকে দাঁড়িয়ে ভাবতে বাধ্য করেছে। ঘটনাটা প্রথম শুনলে হয়তো আপনার মনে হবে—“একটা আইফোনের জন্য এত বড় কিছু হয়ে গেল?” কিন্তু একটু গভীরে গেলে বোঝা যায়, গল্পটা আসলে একটা ফোনের নয়।
গল্পটা অভিমান, রাগ, মানসিক অস্থিরতা, পরিবারের ভেতরের দূরত্ব আর এক মুহূর্তের ভুল সিদ্ধান্তের।

আর সেই ভুলের মূল্য?

একটা পরিবার, তিনটে জীবন, একটা পাহাড় আর অসংখ্য মানুষের মনে থেকে যাওয়া একটা প্রশ্ন— আমরা কি আমাদের সন্তানদের সত্যিই বড় করছি, নাকি শুধু তাদের বড় হওয়ার অপেক্ষা করছি?

ছত্রপতি সম্ভাজিনগরের তিসগাঁওয়ের কাছে খাবদিয়া ডঙ্গর পাহাড়। সাধারণ একটা পাহাড়। কিন্তু দু’দিন আগে সেই পাহাড়ের একটা কিনারা যেন একটা পরিবারের সমস্ত সুখ, স্বপ্ন আর ভবিষ্যৎকে নিজের মধ্যে টেনে নিল। সেখানে গিয়েছিল ১৯ বছরের কুণাল। বয়সটা এমন—যে বয়সে একটা ছেলে স্বপ্ন দেখে, পৃথিবীটা নিজের মতো করে চিনতে চায়, নিজের পছন্দ-অপছন্দ নিয়ে জেদ করে, কখনও বাবা-মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে, আবার কিছুক্ষণ পর সেই বাবা-মায়ের কাছেই ফিরে আসে।
সেই কুণালের সঙ্গেই সেদিন বাড়িতে কোনো একটা বিষয় নিয়ে তীব্র অশান্তি হয়েছিল। শুরুতে মানুষের মধ্যে যে কথা ছড়িয়ে পড়েছিল, তা হলো—দামি একটি iPhone এবং তার EMI নিয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে তার ঝামেলা হয়েছিল। সেই রাগ-অভিমানের পর কুণাল চলে যায় পাহাড়ের দিকে।
তবে এখন তদন্তে পুলিশ বলছে, বিষয়টি শুধু iPhone-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। পরিবারের মধ্যে আগে থেকেই গুরুতর কিছু অশান্তি ও মতবিরোধ ছিল। অর্থাৎ, ফোনটি হয়তো আলোচনায় উঠে আসা একটি কারণ ছিল, কিন্তু পুরো গল্পটা তার চেয়েও অনেক গভীর।

কিন্তু সেদিন পাহাড়ে যা ঘটেছিল, সেটাই সবচেয়ে ভয়ঙ্কর।
কুণাল দাঁড়িয়ে ছিল খাদের একেবারে কিনারায়।
একজন বাবা-মায়ের কাছে সেই দৃশ্য কল্পনা করাটাই অসম্ভব। তাঁরা কি তখন আইফোনের কথা ভাবছিলেন? EMI-এর কথা ভাবছিলেন? কে ঠিক, কে ভুল—সেটা ভাবছিলেন?
না।

একজন বাবা তখন শুধু নিজের ছেলেটাকে বাঁচাতে চাইছিলেন। পরিবারের মানুষ, গ্রামের লোক, পুলিশ, দমকল—সবাই ছুটে এসেছিল। তাঁকে বোঝানো হচ্ছিল। বলা হচ্ছিল ফিরে আসতে। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চেষ্টা চলেছিল তাঁকে সেই কিনারা থেকে সরিয়ে আনার।

ভাবুন তো—
একটা ছেলে কয়েক ফুট দূরে দাঁড়িয়ে। নিচে গভীর খাদ।
আর তার বাবা-মা দাঁড়িয়ে কাঁদছেন, অনুরোধ করছেন—
“বাবা, ফিরে আয়…” কতবার যে তাঁরা এই কথাটা বলেছিলেন, আমরা জানি না। কতবার একজন বাবা নিজের বুকের ভেতরটা কাঁপতে কাঁপতে ছেলের দিকে হাত বাড়িয়েছিলেন, আমরা জানি না। কিন্তু একটা সময় কুণাল আরও কিনারার দিকে চলে যায়। আর তখন একজন বাবা আর নিজেকে আটকে রাখতে পারেননি। ছেলেকে বাঁচাতে তিনি ছুটে গেলেন। তিনি ছেলেকে টেনে ধরতে গেলেন।
আর তারপর…
দুজনেরই ভারসাম্য চলে গেল। বাবা আর ছেলে—একসঙ্গে গভীর খাদে পড়ে গেলেন। একজন মা তখন কী দেখলেন?
নিজের চোখের সামনে তাঁর স্বামী পড়ে গেলেন। তারপর তাঁর একমাত্র সন্তানও। একটা পরিবারের দুইজন মানুষ—যাদের ঘিরেই হয়তো তাঁর পৃথিবীটা ছিল—এক মুহূর্তে তাঁর চোখের সামনে হারিয়ে গেল। সেই দৃশ্য একজন মায়ের হৃদয় কতটা ভেঙে দিতে পারে, সেটা আমরা কেউ কল্পনাও করতে পারি না।
এরপর সঙ্গীতাও পাহাড় থেকে পড়ে মারা যান। একটা পরিবার শেষ হয়ে গেল। যে বাড়িতে হয়তো একদিন হাসির শব্দ ছিল, সেখানে এখন নীরবতা। যে ঘরে একটা ছেলে পড়াশোনা করত, স্বপ্ন দেখত—সেই ঘর এখন শূন্য।
আর সেই বাড়ির দরজার ভেতরে একটি কুকুরও নাকি তার মানুষগুলোর জন্য অপেক্ষা করছিল—পরে পুলিশ বাড়ি খুললে তাকে উদ্ধার করা হয়। এই ছোট্ট ঘটনাটাও যেন পুরো কাহিনিটাকে আরও অসহ্য করে তোলে।
ভাবুন… একটা কুকুর জানে না তার মানুষগুলো আর কোনোদিন ফিরবে না। সে শুধু অপেক্ষা করে। আর আমরা মানুষ? আমরা অনেক সময় পাশে থাকা মানুষটার কষ্টটাই বুঝতে পারি না।

এখানে কিছু কথা উঠে আসে-
আজকের তরুণদের মধ্যে অসাধারণ প্রতিভা আছে, স্বপ্ন আছে, সাহস আছে, ভালোবাসা আছে। কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের সমাজে এমন কিছু তরুণও তৈরি হচ্ছে, যারা খুব দ্রুত সবকিছু চায়। এখনই চাই। অন্যের কাছে যা আছে, আমারও চাই। অন্যের জীবন যেমন দেখছি, আমার জীবনও তেমন হতে হবে। একটা না শুনলেই মনে হয়—�“আমাকে কেউ বোঝে না।” একটা চাওয়া পূরণ না হলেই মনে হয়— “আমার জীবনটাই শেষ।”

আর এখানেই বিপদ। কারণ জীবন কখনও আমাদের সব চাওয়া পূরণ করবে না। কখনও বাবা-মা বলবেন “না”। কখনও টাকা থাকবে না। কখনও নিজের পছন্দের জিনিসটা পাওয়া যাবে না। কখনও প্রেম ভেঙে যাবে। কখনও পরীক্ষায় ব্যর্থ হব। কখনও বন্ধুরা এগিয়ে যাবে, আর মনে হবে আমি পিছিয়ে পড়ছি। কিন্তু একটা কথা মনে রাখতে হবে— জীবনের কোনো একটা মুহূর্ত কখনও পুরো জীবন নয়।
আজ যে কষ্টটা অসহ্য মনে হচ্ছে, কয়েক বছর পর সেই কষ্টটাই হয়তো জীবনের একটা ছোট্ট অধ্যায় হয়ে থাকবে।
কিন্তু আমরা যদি সেই একটা মুহূর্তের রাগে পুরো জীবনটাই শেষ করে ফেলি—তাহলে আর কোনো আগামীকাল থাকে না।

আর বাবা-মায়েদের জন্যও এই গল্পের শিক্ষা কম নয়। সন্তানের সব চাহিদা পূরণ করতে হবে—এমন কথা কেউ বলছে না।
বরং সন্তানকে “না” শুনতেও শেখাতে হবে। কিন্তু সেই “না”-এর সঙ্গে তাকে এটাও বোঝাতে হবে—
“তুই যা চাইছিস, সেটা হয়তো এখন দিতে পারছি না। কিন্তু তোর কষ্টটা আমি বুঝতে চাই।”
সন্তানকে শুধু ভালো স্কুল, ভালো খাবার, ভালো জামাকাপড় আর দামি ফোন দিলেই বাবা-মায়ের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। তার মনের দরজাটাও খোলা রাখতে হয়। সে কী নিয়ে কষ্ট পাচ্ছে? কী নিয়ে রাগ করছে? কী নিয়ে নিজেকে ছোট মনে করছে? কেন সে হঠাৎ চুপ হয়ে যাচ্ছে? কেন সে আগের মতো কথা বলছে না? এই প্রশ্নগুলোও করতে হয়। কারণ অনেক সময় সন্তান মুখে বলে— “আমি ঠিক আছি।”
কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে হয়তো একেবারেই ঠিক নেই।

আর এই ঘটনাটা আমাদের সবাইকে একটা কথা মনে করিয়ে দেয়।
আইফোনের দাম যতই হোক, একটা জীবনের দাম তার চেয়ে অসীম বেশি। EMI আবার দেওয়া যায়। ফোন আবার কেনা যায়। ঝগড়া মিটে যেতে পারে। অভিমান একদিন ভেঙে যেতে পারে। কিন্তু একজন বাবা চলে গেলে আর ফিরে আসবেন না।
একজন মা চলে গেলে আর ফিরে আসবেন না। একটা সন্তান চলে গেলে তার ঘরটা আর কোনোদিন আগের মতো হবে না।

হয়তো খাবদিয়া ডঙ্গরের সেই পাহাড় থেকে আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় শিক্ষা এটাই— কখনও কখনও একটা পরিবারের সর্বনাশ কোনো বড় ঘটনার কারণে হয় না।�হয়তো হয় এক মুহূর্তের রাগে, এক মুহূর্তের অভিমানে, এক মুহূর্তের ভুল সিদ্ধান্তে।
তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটু থামুন। সন্তানের সঙ্গে কথা বলুন। বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলুন। যে মানুষটা রেগে আছে, তার পাশে দাঁড়ান। কারণ একটা জীবন বাঁচাতে অনেক সময় বড় কোনো ওষুধ লাগে না—শুধু একজন মানুষ দরকার, যে বলবে, “আমি আছি, তুমি একা নও।”
আর যদি আমরা এই মর্মান্তিক ঘটনাটার পরও নিজেদের পরিবারে একটু বেশি কথা বলা, একটু বেশি বোঝা, একটু বেশি ধৈর্য ধরা শিখতে পারি— তাহলেই হয়তো এই তিনটি হারিয়ে যাওয়া জীবনের গল্প শুধু একটি মর্মান্তিক গল্প হয়ে থাকবে না।
এটা হয়ে থাকবে আমাদের সমাজের জন্য একটি সতর্কবার্তা। একটি শিক্ষা, একটি আয়না যেখানে আমরা নিজেদের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করব—
“আমরা কি আমাদের সন্তানদের শুধু সফল হতেই শেখাচ্ছি, নাকি বেঁচে থাকতেও শেখাচ্ছি?

#মর্মান্তিক_ঘটনা
Sarkar

একদম ছোটবেলার সেইসব দিন গুলোর  কথা মনে পড়লে চোখের সামনে ভেসে ওঠে দুটি চলন্ত মোটরসাইকেলের ওপর পা রেখে এক যুবকের বলিউডে রা...
25/08/2026

একদম ছোটবেলার সেইসব দিন গুলোর কথা মনে পড়লে চোখের সামনে ভেসে ওঠে দুটি চলন্ত মোটরসাইকেলের ওপর পা রেখে এক যুবকের বলিউডে রাজকীয় এন্ট্রি। হ্যাঁ, অভিনেতা অজয় দেবগনকে রুপালি পর্দায় নিয়ে এসেছিলেন যিনি, তিনি আর কেউ নন—আমাদের সবার প্রিয় পরিচালক কুকু কোহলি।

তাঁর পরিচালিত ১৯৯১ সালের ব্লকবাস্টার ছবি 'ফুল অউর কাঁটে' শুধু একটি সিনেমাই ছিল না, তা ছিল আমাদের জেনারেশনের অন্যতম সেরা এক নস্টালজিয়া।আজ তিনি আমাদের ছেড়ে ওপারে পাড়ি জমিয়েছেন, কিন্তু রেখে গেছেন তাঁর কালজয়ী সব সৃষ্টি।🕊️ শ্রদ্ধার্ঘ্য ও স্মৃতিচারণ বার্তানস্টালজিয়ার অবসান: 'ফুল অউর কাঁটে', 'সুহাগ', কিংবা 'হকীকত'-এর মতো সিনেমা দিয়ে যিনি আমাদের কৈশোরকে রোমাঞ্চ আর ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন, সেই কুকু কোহলি স্যারকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।একটি যুগের সমাপ্তি।

রাজ কাপুরের সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করে যিনি পরবর্তীতে নিজের পরিচালনায় একের পর এক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছিলেন, তাঁর চলে যাওয়া চলচ্চিত্র জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি।চিরকাল অম্লান স্মৃতি....

সিনেমার পর্দা থেকে ক্যাসেটের ফিতায় 'ফুল অউর কাঁটে'-র সেই কালজয়ী গানগুলো আজও আমাদের স্মৃতির পাতায় নস্টালজিয়া জাগিয়ে তোলে। ধন্যবাদ স্যার, আমাদের এত সুন্দর কিছু উপহার দেওয়ার জন্য। এইতো কয়েক মাস আগে তার আরেকটি ছবি "ইয়ে দিল আসিকানা" রি রিলিজের সময় তাকে আমরা বিভিন্ন চ্যানেলে ইন্টারভিউ দিতে দেখেছি

অভিনেত্রী অরুণা ইরানির স্বামী এবং একজন দূরদর্শী পরিচালক হিসেবে কুকু কোহলি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ওপারে ভালো থাকবেন, সিনেমার জাদুকর,তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করি এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার এবং তার স্ত্রী অরুনা ইরানি জিকে গভীর সমবেদনা জানাই।


Filmy D PLUS

বেশিরভাগ বিস্কুটের গায়ে যে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা যায়, সেগুলোকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় 'ডকার হোলস' বলা হয় এবং এগুলো বিস্কুট নিখ...
25/08/2026

বেশিরভাগ বিস্কুটের গায়ে যে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা যায়, সেগুলোকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় 'ডকার হোলস' বলা হয় এবং এগুলো বিস্কুট নিখুঁতভাবে তৈরি করার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। বিস্কুট সেঁকার সময় ওভেনের উচ্চ তাপে ময়দার মন্ডে বা ডো-এর ভেতরে থাকা জলীয় বাষ্প এবং বাতাস গরম হয়ে প্রসারিত হতে শুরু করে। যদি বিস্কুটের গায়ে এই ছিদ্রগুলো না থাকত, তবে ভেতরের বাতাস বের হতে না পেরে বিস্কুটটিকে বেলুনের মতো ফুলিয়ে দিত, যার ফলে এর উপরিভাগ ফেটে যেত বা আকৃতি নষ্ট হয়ে যেত। এই ছিদ্রগুলো মূলত ভেন্টিলেশন বা বাতাস চলাচলের পথ হিসেবে কাজ করে, যা ভেতরের বাড়তি বাষ্পকে সহজেই বাইরে বের হয়ে যেতে সাহায্য করে। এর ফলে বিস্কুটটি সবদিকে সমানভাবে ও সুন্দরভাবে সেঁকা হয়, এর চ্যাপ্টা আকৃতি ঠিক থাকে এবং এটি কাঙ্ক্ষিত মুচমুচে বা ক্রিস্পি ভাব লাভ করে।

শান্তিপুরের রাহুল চক্রবর্তীর জীবনটা যেন প্রমাণ করে দেয়—বিয়ে শুধু দুটো মানুষের এক হওয়া নয়, কখনও কখনও এটা একটা ভাঙা জী...
25/08/2026

শান্তিপুরের রাহুল চক্রবর্তীর জীবনটা যেন প্রমাণ করে দেয়—বিয়ে শুধু দুটো মানুষের এক হওয়া নয়, কখনও কখনও এটা একটা ভাঙা জীবনের হাতে নতুন করে বাঁচার সাহস তুলে দেওয়ারও গল্প। ❤️

ছোট্ট রাহুলের জীবনে সুখ বেশিদিন থাকেনি।

বাবা চলে যাওয়ার পর মা-ও ছেড়ে গিয়েছিলেন তাঁকে আর তাঁর দাদাকে। তখন রাহুলের বয়স মোটে পাঁচ-ছয় বছর—যে বয়সে একটা শিশুর মায়ের কোলে ঘুমোনোর কথা, সেই বয়সেই তাকে শিখে নিতে হয়েছিল একা দাঁড়ানো। এরপর দাদু সন্তোষ চক্রবর্তীর ছায়াতেই বড় হয়ে ওঠা।

ঘরে অভাব ছিল, কিন্তু রাহুলের চোখে স্বপ্ন নিভে যায়নি।

ক্লাস নাইনে পড়তে পড়তেই সংসারের ভার কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন তিনি। কখনও কাপড়ের হাটে, কখনও শাড়ির দোকানে, কখনও ছোট হোটেলের রান্নাঘরে—নিজের হাতখরচ নিজেই জোগাড় করতেন সেই কিশোর ছেলেটা।

তবু পড়াশোনাটা পুরোপুরি ছাড়তে চাননি তিনি।

২০২২ সালে শান্তিপুর হিন্দু উচ্চ বিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছিলেন রাহুল। কিন্তু কলেজে ভর্তি হওয়ার টাকাটুকুও তখন হাতে ছিল না। অভাব আর দায়িত্ব তাঁকে বই-খাতার বদলে জীবিকার পথ বেছে নিতে বাধ্য করেছিল।

কাজের খোঁজে একবার বেঙ্গালুরুও পাড়ি দিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎই খবর এল—দাদুর কোমরের হাড় ভেঙে গেছে। আর দেরি করেননি, ছুটে ফিরেছিলেন বাড়িতে।

দাদুর বয়স তখন গড়িয়েছে অনেকটা। কিডনির সমস্যা, ভাঙা কোমর, নানা রোগভোগ—ছোট্ট মুদির দোকানটাও আর চালাতে পারছিলেন না তিনি।

তখন রাহুলের সামনে ছিল একটাই পথ—

নিজেকেই দাঁড়াতে হবে।

দাদুর ওষুধের খরচ, ঘরের দু'বেলার খাবার—সব জোগাড় করতে শুরু হল লোকাল ট্রেনে হকারি।

কাঁধে ব্যাগ, হাতে বাদামের খাজা আর তিলের খাজা।

এক কামরা থেকে আরেক কামরায় হেঁটে হেঁটে হাঁক দিতেন—

“বাদামের খাজা... তিলের খাজা...”

দিনের পর দিন এভাবেই কেটেছে জীবন।

কখনও ক্লান্তি জাপটে ধরেছে, কখনও অভাব চেপে বসেছে বুকের ওপর, কিন্তু রাহুল থামেননি। এমনকি তাঁর সংগ্রামের কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পরও তিনি নিজেই বলেছিলেন—অন্যের সাহায্য চিরকাল থাকে না, নিজের লড়াইটা শেষমেশ নিজেকেই লড়তে হয়।

আর ঠিক তখনই তাঁর জীবনে এল এক নতুন অধ্যায়।

শর্মিষ্ঠা।

শর্মিষ্ঠা রাহুলের জীবনে শুধু স্ত্রী হয়ে আসেননি, এসেছিলেন একজন সহযোদ্ধা হয়ে।

যখন রাহুলের নিজের বড় বাড়ি ছিল না, স্থায়ী চাকরি ছিল না, ভবিষ্যতের কোনও নিশ্চয়তা ছিল না—ঠিক সেই সময়েই তাঁর হাতটা শক্ত করে ধরেছিলেন শর্মিষ্ঠা।

ভালোবাসার আসল পরীক্ষা বোধহয় এখানেই হয়।

পকেটে টাকা না থাকলে পাশে থাকাটা সহজ নয়।

ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হলে স্বপ্ন দেখাটা সহজ নয়।

আর যে মানুষটা রোজ ট্রেনে হকারি করে সংসার চালান, তাঁর লড়াইকে নিজের লড়াই বলে মেনে নেওয়া তো আরও কঠিন।

কিন্তু শর্মিষ্ঠা ঠিক সেটাই করে দেখিয়েছেন।

ভিডিওতে ধরা পড়েছে—বাড়িতে দাদুর সেবাযত্নের ভারটাও তিনিই সামলাতেন। রাহুল যখন রাস্তায়, ট্রেনে, দোকানে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য দৌড়েছেন, শর্মিষ্ঠা তখন নীরবে ঘরের হাল ধরে রেখেছেন।

এক সময় রাহুলের হকারি থেকে দিনে আয় হতো মেরেকেটে ২০০ টাকা।

সেই সামান্য টাকাতেই চলত পুরো সংসার।

কিন্তু মানুষ যখন হাল ছাড়ে না, তখন সেই সামান্য আয়ও একদিন বড় স্বপ্নের বীজ হয়ে ওঠে।

রাহুলও ধীরে ধীরে সেই বীজটাকেই যত্ন করে বড় করে তুলতে লাগলেন।

ট্রেনের কামরা থেকে এবার নিজের একটা দোকান।

শান্তিপুর স্টেশনের কাছে নিজের দোকান দাঁড় করানোর স্বপ্ন নিয়ে এগোতে শুরু করলেন তিনি।

আর এই গল্পের সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্যটা ঠিক এখানেই লুকিয়ে—

রাহুল একা নন।

দোকানের প্রতিটা কাজে পাশে দাঁড়িয়ে শর্মিষ্ঠাও।

কখনও পাশাপাশি কাজ করা, কখনও মালপত্র গোছানো, কখনও ক্রেতার জন্য অপেক্ষা—দুজনের নিঃশব্দ লড়াই যেন ধীরে ধীরে একটা সংসারের স্বপ্নকে সত্যি করে তুলছে।

যে ছেলেটা একসময় দাদুর ওষুধের টাকা জোগাড় করতে ট্রেনের এক কামরা থেকে আরেক কামরায় ঘুরে বেড়াতেন, আজ সেই ছেলেটাই নিজের একটা দোকান দাঁড় করানোর স্বপ্ন বাস্তব করছেন।

আর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটা যেন নীরবেই বলে চলেছেন—

“তুমি একা নও। তোমার লড়াইটা এখন আমারও লড়াই।”

এই গল্পের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য বোধহয় এখানেই।

শর্মিষ্ঠা রাহুলের কাছে টাকার জন্য আসেননি। রাহুলের তখন বড় কোনও সম্পদ ছিল না, নিশ্চিত ভবিষ্যৎও ছিল না। ছিল শুধু একটা অসম্ভব কঠিন জীবন, আর সেই জীবনটা বদলে ফেলার এক জেদ।

সেই জেদটাকেই ভালোবেসেছিলেন শর্মিষ্ঠা।

তাই রাহুলের গল্প শুধু ‘হকার থেকে দোকানদার’ হয়ে ওঠার গল্প নয়।

এটা একজন অনাথ শিশুর লড়াই করে বড় হয়ে ওঠার গল্প।

এটা দাদুর জন্য নিজের স্বপ্নকে সাময়িক বিসর্জন দেওয়া এক তরুণের গল্প।

এটা অভাবের সামনে হার না মানার গল্প।

আর সবচেয়ে বড় কথা—

এটা এমন এক ভালোবাসার গল্প, যেখানে একজন মানুষ আরেকজনের টাকা নয়, তার লড়াইটাকেই বেছে নিয়েছিলেন।

জীবনে অনেক মানুষ আসে, যখন সবকিছু সুন্দর, সাজানো, নিশ্চিত।

কিন্তু যে মানুষটা আপনার সবচেয়ে খারাপ সময়ে হাতটা শক্ত করে ধরে রাখে, আপনার স্বপ্নকে নিজের স্বপ্ন বলে মনে করে, আপনার ব্যর্থতায় পাশে দাঁড়ায় আর আপনার ছোট্ট সাফল্যেও চোখ চিকচিক করে ওঠে—সেই মানুষটাই তো সত্যিকারের জীবনসঙ্গী।

তাই রাহুলের জীবনে শর্মিষ্ঠার আসাটা নেহাত একটা বিয়ের গল্প নয়।

এ যেন একটা ভাঙা জীবনের পাশে আরেকটা মানুষের নিঃশব্দে এসে দাঁড়ানো।

একসময় ট্রেনের কামরায় দাঁড়িয়ে রাহুলকে নিজের দু'বেলার খাবারের জন্য লড়তে হতো।

আজ সেই রাহুল নিজের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে চোখ তুলে তাকাতে পারছেন ভবিষ্যতের দিকে।

পথ এখনও শেষ হয়নি।

অভাব হয়তো পুরোপুরি মেটেনি।

সংগ্রামও থামেনি।

কিন্তু পার্থক্যটা একটাই—

আগে রাহুল একা লড়তেন।
আজ তাঁর পাশে আছেন শর্মিষ্ঠা।

আর হয়তো এই কারণেই রাহুলের জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ ওই দোকানটা নয়, টাকাটাও নয়—

তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটাই। ❤️

কখনও কখনও ভালোবাসা বড় বড় কথা বলে না।

ভালোবাসা চুপচাপ পাশে দাঁড়ায়, হাত লাগায়, ঘর সামলায়, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যায়।

রাহুল আর শর্মিষ্ঠার গল্প তাই বারবার মনে করিয়ে দেয়—

ভালোবাসা যদি সত্যিই হয়, তাহলে দুটো মানুষ মিলে অভাবের মধ্যেও একটা গোটা ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে।

আপনার কী মনে হয়—রাহুলের জীবনে শর্মিষ্ঠার মতো একজন সঙ্গীর পাশে দাঁড়ানোটাই কি তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠেছে? ❤️

আপনার মতামতটা কমেন্ট বক্সে জানাবেন।

📌তথ্য সূত্র:
১. Ei Samay — রাহুল চক্রবর্তীর শৈশব, পরিবার, পড়াশোনা, দাদুর দায়িত্ব ও ট্রেনে হকারি করার জীবনসংগ্রাম।
২. The Better India — সমাজকর্মী অতীন্দ্রর সূত্রে প্রকাশিত রাহুলের জীবনসংগ্রাম, বিয়ের পর শর্মিষ্ঠার পাশে থাকা এবং শান্তিপুর স্টেশনে দোকান গড়ে তোলার ভিডিও-ভিত্তিক তথ্য।

#সত্যিকারেরভালোবাসা #জীবনসংগ্রাম

24/08/2026

Today class
New 1st year Boys

১৯৯৮ সালের সুপারহিট ছবি 'সোলজার'-এর 'জোজো' চরিত্রটি নিশ্চয়ই সবার মনে আছে। অদ্ভূত লুক আর মজার হাসির সেই চরিত্রটিতে অভিনয...
24/08/2026

১৯৯৮ সালের সুপারহিট ছবি 'সোলজার'-এর 'জোজো' চরিত্রটি নিশ্চয়ই সবার মনে আছে। অদ্ভূত লুক আর মজার হাসির সেই চরিত্রটিতে অভিনয় করেছিলেন জিতু ভার্মা।
​বলিউডের পর্দায় পরিচিত মুখ হলেও তাঁর আসল পরিচয় ও জীবনকাহিনি অনেকেরই অজানা।

​পারিবারিক প্রেক্ষাপট ও শুরু
​জিতুর বাবা বদ্রী প্রসাদ ভার্মা ছিলেন রাজস্থানের দৌসা জেলার বাসিন্দা। ৬০ ও ৭০-এর দশকে তিনি বলিউডের ছবিতে ঘোড়া সরবরাহ করতেন এবং অভিনেতাদের ঘোড়সওয়ারি ও স্টান্ট শেখাতেন।
​কালজয়ী ছবি 'শোলে'-র ঘোড়সওয়ারি ও স্টান্ট দৃশ্যে তাঁর বাবার অবদান ছিল অনস্বীকার্য।

​বদ্রী প্রসাদ মুম্বাই চলে আসার পর সেখানেই জন্ম হয় তাঁর কনিষ্ঠ অর্থাৎ সপ্তম সন্তান জিতু ভার্মার। পরিবারের ঐতিহ্য মেনে জিতুও অভিনেতাদের ঘোড়সওয়ারি শেখানো শুরু করেন।

​সোহেল খান যখন তাঁর প্রথম ছবি 'ঔজার' পরিচালনা করছিলেন, তখন জিতু সালমান খানকে ঘোড়সওয়ারি শেখাচ্ছিলেন।
​সালমান খানের পরামর্শেই 'ঔজার' ছবিতে 'ঠাকুর জয়সিং' নামের এক রাজস্থানি চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেন জিতু।
​এরপর অক্ষয় কুমার ও অজয় দেবগনের 'সপূত' ছবিতেও তিনি নজর কাড়েন।
​'জোজো' ও আব্বাস-মাস্তানের সঙ্গে যাত্রা
​আমেরিকা থেকে রোলার স্কেটিং শিখে আসার পর, জিতুর ভগ্নিপতি তথা চিত্রনাট্যকার শ্যাম গোয়েল তাঁর নাম পরিচালক জুটি আব্বাস-মাস্তানের কাছে প্রস্তাব করেন।
​স্কেটিং অডিশন দেখেই আব্বাস-মাস্তান তাঁকে 'সোলজার' ছবির 'জোজো' চরিত্রের জন্য বেছে নেন, যা তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা মাইলস্টোন হয়ে ওঠে।

​পরবর্তীতে আব্বাস-মাস্তানের 'হামরাজ' ছবিতে ড্যান্স ট্রুপ চিফ 'জোজো ফার্নান্দেজ' এবং 'টারজান: দ্য ওয়ান্ডার কার'-এ এক কমেডি চরিত্রে অভিনয় করে তিনি তুমুল জনপ্রিয়তা পান।

​হলিউডে কাজ ও অন্যান্য প্রজেক্ট
​২০০৬ সালের হলিউড ছবি 'দ্য ফল'-এ একজন দক্ষ ভারতীয় যোদ্ধার চরিত্রে অভিনয় করেন। পরিচালক তারসেম সিং ভারতে শুটিংয়ের সময় ঘোড়ার খোঁজে এসে জিতুর অভিনয়ের কথা জানতে পেরে তাঁকে এই রোল দেন।

​এছাড়া 'বড়ে মিঞা ছোটে মিঞা', 'বাদল', 'কুঁওয়ারা', 'কিসনা', 'বোল বচ্চন', 'সন অফ সরদার', 'জঞ্জির', 'জয় হো' ও 'অ্যাকশন জ্যাকশন'-এর মতো বহু ছবিতে তিনি কাজ করেছেন।
​জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ 'মির্জাপুর ২'-এর একটি ছোট দৃশ্যেও তাঁকে দেখা গিয়েছিল।
​ব্যক্তিগত জীবন ও দুর্ঘটনা
​জিতুর স্ত্রীর নাম কুসুম এবং তাঁদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। জিতুর নিজস্ব একটি হর্স রাইডিং ট্রেনিং অ্যাকাডেমিও রয়েছে।
​রাজস্থানের চিতোরগড়ে একবার তাঁর গাড়ির ওপর ভয়াবহ পাথর ছোঁড়ার ঘটনা ঘটে। একটি পাথরে তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অস্ত্রোপচার করাতে হয়।
​সেই কঠিন সময়ে অভিনেতা সুনীল শেট্টি জিতুকে ব্যক্তিগত বিমানে মুম্বাই এনে চিকিৎসার সুব্যবস্থা করে বড় মানবিকতার পরিচয় দেন।
​বহুমুখী প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও বলিউডে হয়তো তিনি সেই মাপের চরিত্র পাননি যাঁর তিনি যোগ্য ছিলেন।



24/08/2026

Today class
New 1st year Girls

শারীরিক ক্লান্তি তে হয়তো মানুষ হেরে যায় না, কিন্তুমানসিক ক্লান্তি মানুষ কাটাতে পারে না।যে কন্যা tsc ot ar লড়াই জিতে আসলো...
23/08/2026

শারীরিক ক্লান্তি তে হয়তো মানুষ হেরে যায় না, কিন্তু

মানসিক ক্লান্তি মানুষ কাটাতে পারে না।

যে কন্যা tsc ot ar লড়াই জিতে আসলো, সে জীবন লড়াই এ হেরে গেলো।

মন থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং স্যালুট।

দীপা খুশি থেকো

UO DIPA

AITSC-2024 OT

23/08/2026

তিরঙ্গা যাত্রা

Address

Majdia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Majdia College N.C.C posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share