Slst Geography coaching 9-12

Slst Geography coaching 9-12 Geography coaching Slst 9-12

29/04/2024

নদ ও নদীর পার্থক্য
********************
'নদ' এবং 'নদী' -- এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য কি? এক কথায় বলতে পারেন নদ ও নদীর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই,

যদিও অধিকাংশই এই উত্তরটা দেন যে, নদীর শাখা আছে, নদের শাখা থাকে না।
আবার অনেক বলেন পার্থক্য টা লিঙ্গগত যদিও
জলধারার এই রকম লিঙ্গ বিভাজন পৃথিবীর অন্য কোনো অঞ্চলে সম্ভবত নেই। একমাত্র ভারতীয় উপমহাদেশের সংস্কৃতিতেই জলধারার লিঙ্গ বিভাজন রয়েছে। ভারতীয় চৈতন্যে ব্রহ্মপুত্র নদ, কিন্তু গঙ্গা নদী।
তাহলে কী ব্রহ্মপুত্রের কোন শাখা নেই?
প্রকৃতপক্ষে নদ ও নদীর সঙ্গে শাখা থাকা না থাকার কোনো সম্পর্ক নেই। এই দুয়ের মাঝে যা পার্থক্য আছে তা হলো ব্যাকরণগত। বাংলা, হিন্দি ও ফার্সি ইত্যাদি ভাষার ক্ষেত্রে, পুরুষবাচক শব্দ সাধারণত অ-কারান্ত এবং নারীবাচক শব্দ আ-কারান্ত বা ই, ঈ-কারান্ত হয়। যেমন -- পদ্মজ (অ-কারান্ত), পদ্মজা (আ-কারান্ত, নামের শেষে আ আছে), রজক (অ-কারান্ত), রজকী (ঈ-কারান্ত, নামের শেষে ঈ আছে)। তাই যে সকল নদীর নাম পুরুষবাচক অর্থাৎ অ-কারান্ত তারা নদ আর যে সকল নদীর নাম নারীবাচক অর্থাৎ আ-কারান্তবা ঈ, ই-কারান্ত তারা নদী। এই কারণে বাংলাদেশের আড়িয়াল খাঁ, এটি পুরুষ নাম জ্ঞাপক হলেও যেহেতু শেষে আকার রয়েছে সে জন্য এটি নদ না হয়ে নদী। আবার মিশরের নীল স্ত্রী নাম জ্ঞাপক একটি প্রবাহ। কিন্তু এর শেষে আকার, একার কিছু নেই, সেই সূত্রে এটি নদ।

15/04/2024
11/03/2024

*🌐 ভূগোল ও পরিবেশ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি প্রশ্নোত্তর 🌐*

1. বায়ুমণ্ডলের কোন স্তর থেকে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয় ?
উঃ) আয়নো স্তর থেকে I
2. একটি জৈব বর্জ্যের উদাহরণ দাও I
উঃ) ধানের খড় I
3. ডিগ্রি শিট (ভূবৈচিত্রসূচক) মানচিত্রের স্কেল কতো ?
উঃ) 1:2,50,000
4. ভারতের রেল বগি তৈরি হয় এমন একটি স্থানের নাম লিখ I
উঃ) পেরাম্বুর I
5. যে সীমারেখার নীচে তুষার গলে জল হয় তাকে কী বলে ?
উঃ) হিমরেখা I
6. বৈপরীত্য উষ্ণতা সম্ভাব্য একটি রাজ্যের নাম লিখI
উঃ) হিমাচল প্রদেশ I
7. চীনের হোয়াংহো অববাহিকায় সৃষ্ট সমভূমিকে কী বলে ?
উঃ) লোয়েস I
8. বায়ুমণ্ডলে সর্বাধিক পরিমাণে উপস্থিত গ্যাসীয় উপাদান কোনটি ?
উঃ) নাইট্রোজেন I
9. ভারতের বৃহত্তম হিমবাহের নাম কী ?
উঃ) সিয়াচেন I
10. ‘ডিম ভর্তি ঝুড়ি ভূপ্রকৃতি’ তৈরি হয় কোন বাহ্যিক শক্তির প্রভাবে ?
উঃ) হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে I
11. ভারতের সাতপুরা কী প্রকৃতির পর্বত ?
উঃ) স্তূপ পর্বত I
12. কোন মাটিতে জলাধারন ক্ষমতা সবথেকে কম ?
উঃ) মরু মাটিতে I
13. ভারতের কোন ফসলের উপর সবুজ বিপ্লবের প্রভাব সর্বাধিক ?
উঃ) গম I
14. ভারতের কোন অংশে খালের মাধ্যমে জলসেচ সবথেকে বেশী ?
উঃ) উত্তর ভারতে I
15. আশ্বিনের ঝড় দেখাযায় কোন রাজ্যে ?
উঃ) পশ্চিমবঙ্গে I
16. ক্ষয় ও সঞ্চয় কার্যের মাধ্যমে ভূমি সমতল হওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলে ?
উঃ) পর্যায়ন I
ছদ্ম রঙে উপস্থাপিত চিত্রে স্বাভাবিক উদ্ভিদকে কোন রং দ্বারা দেখানো হয় ?
উঃ) ঘন লাল (Dark Red) I
18. ভারতের কোন মৃত্তিকার পরিমাণ সর্বাধিক ?
উঃ) পলিমৃত্তিকা I
19. দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কী ?
উঃ) আনাইমুদি I
20. নদী খাতে সৃষ্ট গর্তকে কী বলে ?
উঃ) মন্থকূপ I
21. ভারতে বিমান পরিবহনের সূচনা হয় কবে ?
উঃ) 1911 সালে, এলাহাবাদ থেকে নৈনিতাল পর্যন্ত 10 কিঃমিঃ গতিপথে I
22. ভারতের সর্ব বৃহৎ আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থার নাম কী ?
উঃ) Air India Ltd. যা গঠিত হয় – 1953 সালে I
23. ভারতের প্রথম কাগজ শিল্প কোথায় গড়ে ওঠে ?
উঃ) 1832 সালে পশ্চিমবঙ্গের শ্রীরামপুরে I
24. ভারতের প্রথম বস্ত্রবয়ন শিল্প কোথায় গড়ে ওঠে ?
উঃ) 1854 সালে বোম্বাইয়ে, Bombay Spinning and Weaving Com. Ltd এর প্রচেষ্টায় I
25. Inland Waterways Authority of India কবে গঠিত হয় ?
উঃ) 1986 সালের 27 সে অক্টোবর I
26. গঙ্গা দূষণ রোধের নতুন প্রকল্প ‘নমামী গঙ্গে’ কবে অনুমোদিত হয় ?
উঃ) 2015 সালের 13 ই মে I
27. কোন পরিকল্পনায় ভারতীয় সড়কপথকে চার ভাগে ভাগ করা হয় ?
উঃ) 1943 সালে নাগপুর পরিকল্পনায় I
28. ভারতে পরিবার পরিকল্পনার প্রথম স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কোনটি ?
উঃ) Family Planning Association Of India, এর জন্ম – 1949 সালে বোম্বাইয়ে
29. ভারতীয় জনগণা পদ্ধতিতে ‘Dejure’ পদ্ধতি কবে গ্রহণ করা হয় ?
উঃ) 1941 সালের আদমশুমারিতে I
30. ভারতের আধুনিক আদমশুমারির জনক কে ?
উঃ) ডব্লু. ডব্লু. হান্টার I
31. ভারতীয় অর্থনীতিতে উদারনীতির জনক কে ?
উঃ) ডক্টর মনমোহন সিং I
32. ভারতে National Horticulture Mission চালু হয় কবে ?
উঃ) 2005-06 সালে I
33. ভারতের প্রথম স্পেন্ডেক্স সুতা উত্পাদন কেন্দ্রের নাম কী ?
উঃ) নলধারী I
34. ‘তিন বিঘা করিডর’ কোথায় অবস্থিত ?
উঃ) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে I
35. ভারতের প্রথম কার্বন মুক্ত রাজ্যের নাম কী ?
উঃ) হিমাচল প্রদেশ I
36. ভারতের বৃহত্তম নদীদ্বীপ মজুলিকে ইউনেস্কো কবে ওয়র্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে মনোনীত করে ?
উঃ) 2004 সালে I
37. ভারতে কবে যোজনা আয়োগ (Planning Comission) স্থাপিত হয় ?
উঃ) 1950 সালে I
38. ভারতে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা কালে কোন কোন বাঁধ গঠিত হয় ?
উঃ) মেতুর, হীরাকুন্দ ও ভাকরা।
39. ভারতে কবে প্রথম শিল্পনীতি ঘোষিত হয় ?
উঃ) 1948 সালে I
40. ভারতের জাতীয় জলচর প্রাণীর নাম কী ?
উঃ) ডলফিন I
41. অতি সূক্ষ বা হালকা তুষারকণা কি নামে পরিচিত ?
উঃ) নেভ I
42. নেভ ও বরফের মাঝামাঝি অবস্থাকে কী বলে ?
উঃ) স্ফীর্ণ I
43. কোন হিমবাহ বুনো গোপাল নামে পরিচিত ?
উঃ) সিয়াচেন হিমবাহ I
44. পৃথিবীর গভীরতম ফিয়র্ড এর নাম কী ?
উঃ) নরওয়ের সজনে ফিয়র্ড I
45. একটি সম্পূর্ণ জলচক্রের সময়কাল কতো ?
উঃ) 2.5 বছর I
46. পৃথিবীর জলনিকাশি ব্যবস্থার কত অংশ এশিয়ায় বিকশিত হয়েছে ?
উঃ) 1/4 অংশ I
47. বদ্রীনাথ পাহাড়ের নিকট নীলকণ্ঠ শৃঙ্গ কিরূপ ভূমিরূপের উদাহরণ ?
উঃ) পিরামিড চূড়ার উদাহরণ
48. হিমসিঁড়ির অগ্রবর্তী প্রান্তভাগকে কী বলে ?
উঃ) রাইজার I
49. বদ্বীপ গঠনের আদর্শ ঢাল এর মান কত ?
উঃ) .05ডিগ্রি -1ডিগ্রি ঈ
50) এক্সিমো ভাষায় নুনাট্যাক্স এর মানে কি?
উঃ- বরফমুক্ত ভূমি
51. আইরিশ শব্দ ‘গাইজার’
এর অর্থ কি ?
উঃ) গর্জন করা I
52. ব্লো আউট ভারতে কি নামে পরিচিত ?
উঃ) ধান্দ I
53. ক্রিকমে ক্ষয়চক্রে গঠিত সমভূমিকে কি নামে অভিহিত করেন ?
উঃ) ‘Pan Plane’ নামে I
54. আচরণগত ভূগোলের প্রধান প্রবক্তা কে ?
উঃ) কেটস্ I
55. ভূমির উলম্ব কোন্ মাপা হয় কোন যন্ত্রে ?
উঃ) অ্যাবনি লেভেল এ I
56. কোন অভিক্ষেপে গ্রীনল্যান্ডের সঠিক অবস্থান দেখানো যায় ?
উঃ) অর্থমরফিক অভিক্ষেপে
57. 2012 সালের জীববৈচিত্র সম্মেলন কোথায় সংঘটিত হয় ?
উঃ) হায়দ্রাবাদে I
58. Vital Statistics এর জনক কে ?
উঃ) ক্যাপ্টেন জন গ্রাউন্ট I
59. সার্বজনীন ক্লাইমোগ্রাফের জনক কে ?
উঃ) গ্রিফিথ টেলর (1949) I
60. সামাজিক সমস্যার সমাধানে ফলিত ভূগোলের ব্যবহারকে কি বলে ?
উঃ) আরগন (Ergon) I
61. 1999 সালে প্রেরিত IRS-P5 উপগ্রহের নাম কি ?
উঃ) CARTOSAT-1
62. কে সর্বপ্রথম বায়ু ফটোচিত্র তোলেন ?
উঃ) Gaspard Felix Tournachor (1858)
63. অভিসারী ফটোচিত্রে কয়টি ক্যামেরা ব্যবহার করা হয় ?
উঃ) দুটি I
64. CAC এর পুরা নাম কি ?
উঃ) Computer Assisted Cartography.
65. বায়ুযান থেকে ভূপৃষ্ঠের কোন একটি বিশেষ বস্তুর উলম্ব বা তির্যক ফটোচিত্র গ্রহণকে কি বলে ?
উঃ) পিন-বিন্দু ফটোগ্রাফি I
66. ‘ব্যবহারিক’ ভূগোল শব্দের প্রবক্তা কে ?
উঃ) এ.জে.হার্বার্টসন I
67. ব্যবহারিক ভূগোলে ‘মেগাজিওগ্রাফিক্যাল’ শব্দ কে ব্যবহার করেন ?
উঃ) পিটার নংস I
68. ভারতে ব্যবহারিক ভূগোলের শুভারম্ভ কোন সালে হয় ?
উঃ) 1951 এর পর I
69. WGS এর সম্পূর্ণ নাম কি ?
উঃ) World Geographic Society .
70. GIS এর জন্য বর্তমানে অত্যন্ত জনপ্রিয় সফটওয়্যারটির নাম কি ?
উঃ) Arc View Software
71. আধুনিক GIS এর সূত্রপাত কবে ঘটে ?
উঃ) 1964 সালে কানাডায় I
72. Arc/info সফটওয়্যার এর প্রস্তুতকারক সংস্থার নাম কি ?
উঃ) ESRI .
73. Resolution কয় প্রকারের হয় ?
উঃ) চার প্রকারের I
74. LANDSAT 1,2,3 এর Temporal Resolution এর সময়সীমা কত ?
উঃ) 18 দিন I
75. ভারতে মিথ্যা রং হিসেবে বসতিকে কি রঙে দেখানো হয় ?
উঃ) Greenish Blue রঙে I
76. রাষ্টার ডাটার মৌলিক উপাদানের নাম কি ?
উঃ) পিক্সেল I
77. ভারত কবে IRS কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে ?
উঃ) 1988 সালে I
78. উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত আকাশচিত্রের ত্রিমাত্রিক ব্যখ্যা করা হয় কোন যন্ত্রের সাহায্যে ?
উঃ) স্টিরিও স্কোপ I
79. GDES কোন দেশের কৃত্রিম উপগ্রহ ?
উঃ) ইউ এস এ I
80. সানসিনক্রোনাস উপগ্রহ কোন অঞ্চল বরাবর আবর্তিত হয় ?
উঃ) মেরু অঞ্চল বরাবর I
81. Natural Milieux ধারণার প্রবর্তক কে ?
উঃ) ভিদাল দ্যা লা ব্লাশ I
82. নব নিয়ন্ত্রণবাদের প্রবক্তা কে ?
উঃ) গ্রিফিথ টেলর I
83. নিয়ন্ত্রণবাদের সম্পূর্ণ বিপরীত ভৌগোলিক তাত্বিক পদ্ধতি কোন টি ?
উঃ) সম্ভাবনাবাদ I
84. মাত্রিক বিপ্লবের সূচনা পর্ব কোন দশক ?
উঃ) 1950-60 এর দশক I
85. অভিজ্ঞতাবাদের প্রধান প্রবক্তা কে ?
উঃ) জন লক I
86. লেবেনস্ রাউম তত্বের প্রবক্তা কে ?
উঃ) র‌্যাটজেল I
87. ভূগোলে প্রণালীবদ্ধতা কয় প্রকার ?
উঃ) দুই প্রকার I
88. দৈশিক স্বাতন্ত্র্যবাদের অর্থ কি ?
উঃ) দেশ হল বিশেষ নিয়ন্ত্রণকারী সম্পন্ন স্বাধীন এক পৃথক বিষয় I
89. ডেভিড হার্ভে তার কোন গ্রন্থে ‘সামন্ধীক দেশ’ এর ধারণা দেন ?
উঃ) ‘Social Justice and The City’ নামক গ্রন্থে (1973) I
90. এক বা একাধিক সম ধর্মী বৈশিষ্ট সম্পন্ন দৈশিক একক কে কি বলে ?
উঃ) অঞ্চল I
91. গোর্খাল্যান্ড আন্দোলন ভূগোলের দৃষ্টিতে কোন বোধের ভিত্তিতে সংগঠিত ?
উঃ) আঞ্চলিকতা বোধ I
92. জাতীয়তাবাদের ক্ষুদ্র সংস্করণ কি ?
উঃ) আঞ্চলিকতবাদ I
93. কালিক ভূগোলের প্রবক্তা কে ?
উঃ) হ্যাগার স্ট্রেণ্ড I
94. মূলক ভূগোলের উত্তোরক কোন মার্কসীয় দার্শনিক পরিচিত ?
উঃ) ডেভিড হার্ভে I
95. কোন দশকে নারীবাদ ভূগোলের পটভূমি তৈরী হয় ?
উঃ) 1970 দশকের মাঝামাঝি I
96. নৃতাত্ত্বিক ক্লদ-লেভিস্ট্রাউস ভূগোলের কোন মতবাদের সঙ্গে যুক্ত ?
উঃ) ভূগোলের গঠণবাদ I
97. ‘A Geographical Introduction to History'(1924) গ্রন্থের রচয়িতা কে ?
উঃ) লুসিয়েন ফেবর I
98. কোন দেশ ভূগোলের ধ্রুপদী পর্যায়ের আঁতুড় ঘর ?
উঃ) জার্মানী I
99. ভূগোলের ধ্রুপদী পর্যায়ের অবসানের সূচনা হয় কবে ?
উঃ) 1859 সালে I
100. জিওক্র্যাটিক মতবাদের মূল বক্তব্য কি ?
উঃ) মানুষ সম্পূর্ণভাবে প্রকৃতিদ্বারা নিয়ন্ত্রিত I

16/07/2023

প্রাকৃতিক ভূগোল:♥️💙♥️💙♥️

1. ভূঅভ্যন্তরের স্তর বিন্যাসের সবথেকে হালকা পদার্থ দ্বারা গঠিত স্তরটি হল- ভূত্বক।
2. মহাসমুদ্রের তলায় ভূত্বকের বিস্তার- 5-10 কিমি।
3. সিয়াল ও সিমা যথাক্রমে যে শিলা দ্বারা গঠিত — গ্রানাইট ও ব্যাসল্ট।
4. সিয়াল ও সিমার মধ্যে বিযুক্তি রেখা অবস্থিত -কনরাড বিযুক্তি।
5. মোহো বিযুক্তি রেখা পৃথক করেছে যে দুটি স্তরকে– ভূত্বক ও উদ্ধ গুরুমণ্ডল।
6. উর্ধ্ব ও নিম্ন গুরুমণ্ডলের মধ্যে অবস্থিত –র্যাপিটি বিযুক্তিরেখা।
7. বহিঃকেন্দ্র মণ্ডল ও নিম্ন গুরুমণ্ডলের মধ্যে অবস্থিত বিযুক্তিরেখা– গুটেনবার্গ।
৪. লেম্যান বিযুক্তিরেখার অবস্থান — অন্তঃ ও বহিঃকেন্দ্রমণ্ডল- এর মাঝে।
9. র্যাপিটি বিযুক্তিরেখার গভীরতা– 700 km
10. গুটেনবার্গ বিযুক্তিরেখার গভীরতা– 2900 km
11. লেহম্যান বিযুক্তিরেখার গভীরতা — 5150 km
12. কনরাড বিযুক্তিরেখার আপেক্ষিক ঘনত্ব কত– 2.8 – 3 গ্রাম/ঘন সেমি।
13. মোহো বিযুক্তি রেখার আপেক্ষিক ঘনত্ব – 3.3-3.4গ্রাম/ঘনসেমি।
14. গুটেনবার্গ বিযুক্তিরেখার আপেক্ষিক ঘনত্ব – 5.5-10 গ্রাম/ঘনসেমি।
15. লেম্যান বিযুক্তিরেখার আপেক্ষিক ঘনত্ব–12.3-13.3 গ্রাম/ঘনসেমি।
16. নিফেসিমা ও ক্রোফেসিমা সম্পর্কিত –গুরুমণ্ডলের সঙ্গে।
17. সিয়াল ও সিমা সম্পর্কিত — ভূত্বকের সঙ্গে।
18. উর্ধ্ব গুরুমণ্ডল পরিচিত– ক্রোফেসিমা নামে।
19. নিফেসিমার গভীরতা কত — 700 – 2900 km
20. র্যাপিটি– 700 km ,গুটেনবার্গ— 2900 km , লেম্যান — 5150 km
21. সঠিক ক্রম — মোহো, র্যাপিটি, গুটেনবাৰ্গ, লেম্যান
22. বহিঃ ও অন্ত কেন্দ্রমণ্ডলের গভীরতা যথাক্রমে — 5150 3 6371 km
23. ‘S’ তরঙ্গ যে স্তরে অদৃশ্য হয়ে যায়– কেন্দ্রমণ্ডল।
24. ক্রোফেসিমার উপাদানগুলি যথাক্রমে — ক্রোমিয়াম, লোহা, সিলিকন, ম্যাগনেসিয়াম।
25. কেন্দ্রমণ্ডলকে সংক্ষেপ বলা হয়– নিফে ।
26. মহাদেশীয় পাত যে শিলা দ্বারা গঠিত — গ্রানাইট।
27. মহাসাগরীয় পাত যে শিলা দ্বারা গঠিত — ব্যাসল্ট।
28. ভূঅভ্যন্তরে স্তর আছে– 3 টি।
29. জলের উৎস হল– শিলামণ্ডল।
30. সিয়াল — মহাদেশীয় ভূত্বক গঠন করে । সিমা -মহাসাগরীয় ভূত্বক গঠন করে।
31. প্রবক্তার নামানুসারে- রেখাগুলির নামকরণ করা হয়েছে।
32. সিয়াল ও সিমা যথাক্রমে যে জাতীয় শিলা দ্বারা গঠিত– গ্রানাইট ও ব্যাসল্ট।
33. সিয়াল ও সিমার প্রকৃতি যথাক্ৰমেঃ– আম্লিক ও ক্ষারকীয়।
34. M বিযুক্তিতলের অপরনাম — মোহো।
35. যে বিজ্ঞনী প্রথম লক্ষ্য করেন ভূত্বকের মহাদেশীয় অংশ গ্রানাইট ও মহাসাগরীয় অংশ ব্যাসল্ট শিলায় তৈরি –এডওয়ার্ড সুয়েস।
36. গুটেনবার্গ বিযুক্তি রেখা : বেনো গুটেনবার্গ : 1912 খ্রীস্টাব্দ।
37. অন্তঃকেন্দ্রমণ্ডলে ‘P’ তরঙ্গের গতিবেগ 11-23 কিমি/সেকেণ্ডে।
38. P ও S তরঙ্গের ব্যাপক গতি বিক্ষেপ ঘটে যে বিযুক্তিরেখায়– ওল্ডহাম।
39. গুটেনবার্গ বিযুক্তিরেখায় P তরঙ্গের গতিবেগ সেকেণ্ডে — 13.6 কিমি।
40. শীল্ড হল- (ক) অতিপ্রাচীন স্থায়ী ভূ-খণ্ড (খ) প্রিক্যামবিয়ানযুগে গঠিত (গ) পৃথিবীতে 11 টি শীল্ড অঞ্চল চিহ্নিত করা হয়েছে।
41. ক্রেটন- ভূত্বকের অপেক্ষাকৃত স্থিতিশীল অংশ।
ইহা– কেলাসিত শিলা দ্বারা গঠিত।
এখানে- মৃদু তাপপ্রবাহ লক্ষ্য করা যায়।
প্ল্যাটফর্ম –ক্রেটনের একটি অংশ।
42. মহীভাবক ও গিরিজনী আলোড়নকে সম্মিলিত ভাবে ডায়াস্ট্রফিজম বলেছেন –গিলবার্ট।
43. মহীভাবক ও গিরিজনী আলোড়ন, ইউস্ট্যাটিক আলোড়ন,সমস্থিতিক আলোড়ন হল–অন্তঃর্জাত প্রক্রিয়া।
44. বহিঃর্জাত প্রক্রিয়া হল- পুঞ্জিত ক্ষয়।
45. অ্যাসথেনোস্ফিয়ার –ভূ-ত্বক ও গুরুমন্ডলের সন্ধি এলাকায় অবস্থিত।
এটি- সান্দ্র, উয়, দুর্বল স্থিতিস্থাপক স্তর।
এটি– পরিচলন তাপস্রোতের চালিকা শক্তি।
46. ভূঅভ্যন্তরে প্রতি 32 মিটারে –1°C হারে তাপমাত্রা বাড়ে।
47. ভূপৃষ্ঠ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দূরত্ব –6370 km
48. দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত পৃথিবীর গভীরতম খনির (সোনা) গভীরতা — 3–4 km
49. শিলামণ্ডলের গড় গভীরতা কত –100 km
50. পৃথিবীর চৌম্বকত্ব সৃষ্টি হয়েছে– বহিঃকেন্দ্র মণ্ডলে।
51. যে বিজ্ঞানে শিলার সমগ্র ক্রিয়া, বৈশিষ্ট্য, প্রকৃতি প্রভৃতি আলোচনা করা হয় তাকে বলা হয়– পেট্রোলজি।
52. পেট্রো একটি – গ্রীক শব্দ, যার অর্থ শিলা।
53. পৃথিবীতে প্রায় 1000 খনিজ পদার্থ আছে এর মধ্যে–10 টি।
54. “সমস্ত শিলার জনক’ বলা হয় –আগ্নেয় শিলাকে।
55. আগ্নেয় শিলা –স্তরীভূত শিলা।
ইহা -স্ফটিকাকার।
এর-ভঙ্গুরতা কম।
56. নিঃসারী শিলা : লাভা শিলা ও পাইরোক্লাস্ট।
উদভেদী শিলা : পাতালিক ও উপপাতালিক।
57. পাইরোক্লাস্ট এর উদাহরণ হল- টাফ।
58. প্রকৃত জমাটবন্ধ হওয়ায় নিঃসারী শিলার কণাগুলি– খুবই সূক্ষ্ম।
অতি ধীর গতিতে শীতল হওয়ায় উদবোধী শিলার কণাগুলির — আকার বড় হয়।
59. আম্লিক শিলায় সিলিকা ও ক্ষারকীয় অক্সাইডের পরিমান যথাক্রমে– 65% ও 35%
60. গ্ৰথন অনুযায়ী আগ্নেয় শিলাকে—5 ভাগে ভাগ করা যায়।
61. গ্রানাইট ও ব্যাসল্ট শিলায় গঠিত পাহাড়ের চূড়াগুলি যথাক্রমে, — গোল ও চ্যাপ্টা ধরনের হয়।
62. পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য -(a) ইহা স্তরীভূত (b) জীবাশ্ম দেখা যায় (c) সছিদ্রতা (d) স্ফটিক অনুপস্থিত।
63. রুপান্তরিত রুপ- গ্রানাইট > নিস , আগইট > হর্নরেন্ড , ব্যাসল্ট > অ্যাম্ফিবোলাইট।
64. রুপান্তরিত রুপ- (ক) বেলে পাথর > কোয়ার্টজাইট
(খ) চুনা পাথর > মার্বেল
(গ) কাদাপাথর > শ্লেট
65. গ্রাব্রোর রুপান্তরিত রুপটি হল– সাপেন্টাইট
66. নাইস > ফিলাইট, ফিলাইট > শিস্ট এটি -রুপান্তরিত শিলা থেকে সৃষ্ট রুপান্তরিত শিলা.
67. নীচের কোনটি চিহ্নিত করো।
কোয়ার্টজাইট , মার্বেল, বেলেপাথর . শ্লেট –এখানে বিজাতীয় হল- বেলেপাথর।
68. ভূগর্ভে চাপের স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট হলে শিলার যে জাতীয় রুপান্তর ঘটে–গতিশীল।
69. বেলেপাথর শিলায় — খনিজ তেল সঞ্চিত থাকে।
70. নিঃসার আগ্নেয় শিলার উদাহরণ– ব্যাসল্ট।
71. উদবোধী আগ্নেয় শিলার উদাহরণ- গ্রানাইট।
72. উপপাতালিক আগ্নেয় শিলা হল- পরফাইরি ও ডোলেরাইট।
73. পাতালিক শিলা হল- গ্রানাইট ও গ্রাব্রো।
74. ডেকানট্রাপ –ব্যাসল্ট শিলায় গঠিত।
75. দিল্লীর লাল কেল্লা, উদয় গিরি খণ্ড, গিরি মন্দির,খাজুরাহ মন্দির,জয়সলমীরের সোনার কেল্লা যে শিলায় তৈরি — বেলেপাথর।
76. গোলাকার ভূপ্রকৃতি যে শিলা দ্বারা গঠিতঃ — গ্রানাইট।
77. বেলেপাথরের — প্রবেশ্যতা খুব বেশি।
কাদাপাথরের– সছিদ্রতা খুব বেশি।
78. প্রবেশ্যতা বেশি হলে জল ধারণ ক্ষমতা– হ্রাস ও সচ্ছিদ্রতা বেশি হলে জলধারণ ক্ষমতা– বৃদ্ধি পায়।
79. সৈন্ধব লবন — অসংঘাত শিলা ও –রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়।
80. খনিজের কাঠিন্য পরিমানের স্কেলটি হল –মোহো স্কেল।
81. মোহো স্কেলে সর্বনিম্ন কাঠিন্যের খনিজটি হল -ট্যাল্ক।
82. শিলা —-সিলিকার পরিমাণ
1.আম্লিক—> 65%
2. মধ্যবর্তী—65 – 55%
3. ক্ষারকীয়— 55 – 45%
4. অতিক্ষারকীয়— 120° ।
103. দোকোলম ভাঁজ দেখা যায় -জুরা পর্ব…
104. পশ্চাদ কর্ষন ভাজ সৃষ্টি হয়– কঠিন শিলাদ্বয়ের মধ্যস্থিত নরম শিলার যুগ্ম বলের প্রভাবে।
105. আবৃত ভাজে বাহুদুটি হেলে থাকে– ভিন্ন কোণে ।
106. শেভরন ভাজ দেখতে অনেকটা আকৃতির — V
107. একনত ভাজ গঠিত হয় — চাপ পীড়নের ফল।
108. যে ভাজের অক্ষতল অনুভূমিক তলের সঙ্গে প্রায় সমান্তরাল ভাবে অবস্থান করে তাকে— শায়িত ভাজ বলে।
109. দার্জিলিং হিমালয় যে ভাজের উদাহরণ— শায়িত।
110. একনত ভাজ সৃষ্টি হয়– সংকোচনের ফলে।
111. ভাজের জ্যামিতিক উপাদান –গ্রন্থি ও গ্রন্থিরেখা।
112. যে বলের প্রভাবে কোমল পাললিক শিলাস্তরে ভাজ পড়ে– সংনমন।
113. প্রাকৃতিক উধ্বভঙ্গ গুলি—পর্বত রূপে অবস্থান করে।
114. স্তরায়ন তল ও অনুভূমিক তল যে রেখা বরাবর পরস্পরকে ছেদ করে তাকে তাকে বলা হয়–আয়াম।
115. শিলাস্তরের নতি ও আয়াম—ক্লাইনেমিটার যন্ত্রের সাহায্যে পরিমান করা হয়।
116, প্রতিসম ভাজে – বল সমান ও উভমুখী হয়।
117. ভাজযুক্ত শিলাস্তরে অনুগামী নদী সৃষ্টি হয়– ভূমির প্রাথমিক ঢাল অনুযায়ী।
118. অধোভঙ্গের মধ্য দিয়ে ভূমির ঢাল অনুসারে প্রবাহিত নদীকে বলা হয়–অনুদৈর্ঘ্যনদী।
119. চুতির ফলে শিলাস্তরের কোনো অংশের অনুভূমিক বা পাশ্বীয় ব্যবধানকে বলে– ব্যবধি
120. অনুলোম চুতি দ্বয়ের মধ্যবর্তী অবনত অংশকে বলে– সংস্র উপত্যকা
121. বিলোম চুতি দ্বয়ের মধ্যবর্তী অবনত অংশকে বলে– র্যাম্প উপত্যকা।
122. দুটি সমান্তরাল চু্যতির মধ্যবর্তী অংশ যে উচ্চভূমি গঠন করে তাকে বলে–হোস্ট।
123. দুটি তির্যক চুতির মধ্যবর্তী উত্থিত ভূখণ্ডকে বলে– স্তুপ পর্বত।
124. ন্যাপের যে অংশ মূল শিলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে অবস্থান করে তাকে কী বলে– ক্লিপে।
125. পাদমূল প্রাচীর অপেক্ষা ঝুলন্ত প্রাচীর নিচের দিকে বসে গেলে –অনুলোম চ্যুতি উৎপন্ন হয়।
ঝুলন্ত প্রাচীর পাদমূল প্রাচীরের উপরে উর্ধ্বে উঠে এলে –বিলোম চ্যুতি সৃষ্টি হয়।
126. যদি বিলোম চ্যুতির চ্যুতিতলের নতি –45°ডিগ্রীর কম হয় তখন তাকে থ্রাস্ট চ্যুতি বলে।
127. বিজাতীয় চিহ্নিত করো (ক) সমান্তরাল চ্যুতি (খ) সোপান চ্যুতি (গ) পরিধি চ্যুতি (ঘ) অরীয় চ্যুতি —
(খ) সোপান চ্যুতি
128.নতি স্থলন চ্যুতিতে প্রকৃত স্থলন ও নতি স্খলনের পরিমাণ–সমান।
129. যে চ্যুতিতে চ্যুতিরেখাগুলি বৃত্তীয় বা বৃত্তচাপীয় ধরনের হয়– পরিধি চ্যুতি ।
130. একই বিন্দুতে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কেন্দ্রবিমুখ চ্যুতি গোষ্ঠীকে বলে- -অরীয় চ্যুতি।
131. বিলোম চ্যুতির সৃষ্টি হয় —-চাপপীড়ন এর ফলে।
132. অরীয় চ্যুতিতে চ্যুতিরেখা গুলি ——কেন্দ্রবিমুখ অবস্থায় থাকে।
133. চ্যুতির জ্যামিতিক উপাদান হল-ব্যবধি।
134. বিলোম চুতি যে বলের প্রভাবে সৃষ্টি হয়– সংনমন।
135. যে চ্যুতির মাধ্যমে খরস্রোতের সৃষ্টি হয়–সোপান চ্যুতি।
136. কাশ্মীর হিমালয়ের পিরপাঞ্জাল থ্রাস্ট হল- সংঘট্ট চ্যুতি।
137. স্খলিত শিলাস্তরের যে অংশ চুতির ওপর অবস্থান করে তাকে বলে— ঝুলন্ত প্রাচীর।
138. যে চ্যুতির ক্ষেত্রে ভূমিধসের সম্ভবনা বেশি– বিলোম।
139. রাইন নদীর উপত্যকায় যে চ্যুতি দেখা যায়– অনুলোম।
140. অমিল পৃথক করো (ক) বিমিশ্র চ্যুতি রেখা ভৃগু (খ) বিপরা চ্যুতি রেখা ভৃগু (গ) চ্যুতি ভৃগু (ঘ) পুনর্ভবা চ্যুতিরেখা ভৃগু। —(গ) চ্যুতি ভৃগু।
141. বিমিশ্র চ্যুতিরেখা ভৃগুতটের উল্লেখ করেন বিজ্ঞানী– কটন।
142.বিলোম চ্যুতিতে চ্যুতিতলের নতির মান 45° বা তার বেশি হয়।
143. বৈষম্যমূলক ক্ষয়কার্যের ফলে প্রাচীন চুতি, খাড়াতলের স্থানে যে নতুন খাড়াতলের সৃষ্টি হয় তাকে ডব্লু এম. ডেভিস ——চ্যুতিরেখা-ভৃগু বলে অভিহিত করেছেন।
144. চ্যুতিতল ও অনুভূমিক তলের মধ্যে উৎপন্ন কোণকে —-চ্যুতিতলের নতি বলে।
145. চ্যুতিকোণ ও চ্যুতিতলের নতির মধ্যে সম্পর্ক হল- পরস্পরের পরিপূরক।
146. শিলং মালভূমি একটি ——হোস্ট এর উদাহরণ।
147. যে অংশে গ্রস্থ উপত্যকা সৃষ্টি হয়——–অনুলোম চ্যুতিদ্বয়ের মধ্যবর্তী অংশে।
148. চ্যুতিরেখা ভৃগু সৃষ্টি হয়– বৈষম্যমূলক ক্ষয় কার্যের ফলে।
149. অগ্ন্যুৎপাতের সময় লাভার সঙ্গে ভূ-ত্বকীয় শিলার অংখ্য টুকরো নির্গত হলে তাকে -পাইরোক্লাস্ট বলে।
150. 4–32 মিমি ব্যাসের অধিক শিলাখণ্ডের সমন্বয়ে গঠিত পাইরোক্লাস্ট পদার্থকে ——টেপেরা বলে।
151.অগ্ন্যুৎপাতের সময় নির্গত লাভাখণ্ডের মোটামুটি ছিদ্র থাকলে তাকে —সিন্ডার এবং যথেষ্ট ছিদ্র থাকলে তাকে —–ল্যাপিলি বলে।
152. লাভা ও পাইরোক্লাস্ট উভয়ই চূর্ণ-বিচুর্ণ ও Cindery texture হলে ——স্কোরিয়াবলে।
153. আগ্নেয় ভস্ম যখন আগ্নেয়গিরির চারপাশে সিমেন্টের মতো জমাট বাধে তখন তাকে বলে–আগ্নেয় তুফ।
154. আগ্নেয় ভস্ম আগ্নেয়গিরির চারপাশে ঢালাই লোহার মতো দৃঢ়ভাবে যুক্ত হলে তাকে —ইগনিমব্রাইট বলে।
155. রায়োলাইট —–আম্লিক জাতীয় লাভা।
156. অগ্নেয়গিরি থেকে CO2 নির্গত হলে তাকে বলে–মফেতিস।
157. আগ্নেয়গিরি থেকে বোরিক অ্যাসিড নির্গত হলে তাকে বলে– স্যফিওনি।
158. “The valley of Ten thousand Smoke” নামে যে আগ্নেয়গিরি পরিচিত -আলাস্কার কাটমাই।
159. “পিলি কেশ’ নামে পরিচিত — হাওয়াই ধরনের আগ্নেয়গিরি।
160. জ্বালামুখের চারপাশে লাভা ঝামা ইটের ন্যায় কঠিন ভূত্বক সৃষ্টি করলে তাকে —— স্কোরিয়াসিয়াসবলে।
161. ভূমধ্যসাগরের আলোকস্তম্ভ বলা হয়– স্টোম্বলিয় ধরনকে।
162. যে শ্রেণির আগ্নেয়গিরি থেকে আগ্নেয় পদার্থ ফুলকপির মতো গাঢ় কালো মেঘ সৃষ্টি করে–ভলকান।
163. যে শ্রেণির অগ্নদগম সর্বাপেক্ষা ধ্বংসাত্মক–পিলি।
164. ধনাত্মক বা উন্নীত ভূমিরুপ নয়–ক্যালডেরা।
165. অবনত ভূমিরুপ –জ্বালামুখ ও ক্যালডেরা।
166. নিঃসারী (Extrusive) ভূমিরুপ–(ক) ব্যাথোলিথ (খ) স্ট্যাফ (গ) ডাইক।
167. পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বিধ্বংসী আগ্নেয়গিরি হল –মাউন্ট পিলি।
168. দড়ির মতো পাকানো লাভা প্রবাহকে বলে– পা হো হো।
169. ভস্মসঞ্চিত মালভূমিকে বলে– স্টেপটো।
170. সবচেয়ে বেশিসংখ্যক আগ্নেয়গিরি আছে– জাপানে।
171. মাউন্ট এটনা যে ধরনের আগ্নেয়গিরির উদাহরণ– মিশ্র।
172. একটি কর্দম আগ্নেয়গিরি হল– সিন্ধুপ্রদেশের হিংলাজ।
173. উত্তল লেন্সের আকৃতি বিশিষ্ট উদ্ধমুখী উদবোধী আগ্নেয় অবয়বকে বলে–ল্যাকোলিথ।
174. চামচ বা সরার আকৃতি বিশিষ্ট উদবোধী অবয়বকে বলে –লপোলিথ।
175. ল্যাকোলিথ : হেনরি পর্ব ।
176. ফ্যাকোলিথ : কর্ডন পর্বত। লোপোলিথ : ডুলুথ গ্র্যারো।
177. ভারতের ডেকানট্রাপ অঞ্চলে দেখা যায়–ডাইক।
178. ভারতের প্রচুর পরিমাণে ল্যাকেলিথ দেখতে পাওয়া যায় ছোটোনাগপুর অঞ্চলে।
179. যে শ্রেণির অগ্লুদপাতের ফলে ডেকানট্রাপ গঠিত হয়েছে– বিদার।
180. সিডার বৃক্ষের ন্যায়–ল্যাকেলিথ।
181. ভূত্বক ও গুরু মণ্ডলের মাঝে যে বিযুক্তিরেখা তার নাম–কনরাড বিযুক্তি।
182. অ্যাসথেনোস্ফিয়ারের অবস্থান –50 – 250 কিমি গভীরতায়।
183. P এবং S তরঙ্গের গতিবিক্ষেপ ঘটে–2900 কিমি।
184. S তরঙ্গ প্রবাহিত হতে পারে না– বহিঃগুরু মণ্ডলে।
185. ভূকম্পীয় ছায়া বলয়ের অবস্থান – 120–143 কিমি।
186. ভূত্বকের ঘনত্ব— 2.8 কিমি।
187. ভূত্বকের বিস্তার— 30–100 কিমি।
188. ভূঅভ্যন্তরে 2900 কিমি গভীরতায় উষ্ণতা –3700°C
189. বহিঃকেন্দ্র মণ্ডলের আপেক্ষিক ঘনত্ব– 10 – 12.3 গ্রাম / ঘনসেমি
190. P তরঙ্গ অন্ত কেন্দ্রমণ্ডল দিয়ে যে বেগে প্রবাহিত হয় 11.23 কিমি/সেকেণ্ড
191. কনরাড বিযুক্তি রেখাটি আবিস্কৃত হয়–1934 খ্রিস্টাব্দে
192. মোহো বিযুক্তি রেখাটি আবিস্কৃত হয় — 1909 খ্রিস্টাব্দ
193. ওল্ড হাম বিযুক্তি রেখার অপর নাম –গুটেনবার্গ বিযুক্তি
194. লেহম্যান বিযুক্তি রেখা আবিষ্কৃত হয়– 1936 খ্রিস্টাব্দ
195. মহাদেশের প্রাচীনতম ভূখণ্ড/শীল্ড যে যুগে গঠিত- প্রিক্যাম্বিয়ান।
196. ভারতের দাক্ষিনাত্যের মালভূমি অঞ্চল গঠিত –আগ্নেয় শিলা দিয়ে।
197. টাফ যে ধরনের শিলা– পাইরোক্লাস্ট।
198. একটি আম্লিক শিলার উদাহরণ হল— অবসিডিয়ান।
199. একটি মধ্যবর্তী শিলার উদাহরণ– পরফাইরি।
200. গ্যারো একটি কি ধরনের শিলা –ক্ষারকীয়।
201. একটি অতিক্ষারকীয় শিলা হল— কিম্বারলাইট।
202. গ্র্যারো যে ধরনের শিলা –ফ্যানেরাইটিক।
203. গ্রানাইট শিলায় সিলিকার পরিমান– 65%
204. কর্ণাটকের মালনাদ অঞ্চলের ভূমিরুপ গঠিত -গ্রানাইট শিলায়।
205. তুফ (Tuff) যে ধরনের পাললিক শিলা–সংঘাত।
206. বালুকাময় পাললিক শিলার কণার ব্যস– 0.06 – 2 মিমি।
207. কোয়ার্টজাইট যে ধরনের রুপান্তরিত শিলা–অ্যারিনাসিয়াস।
208. শ্লেট যে ধরনের রুপান্তরিত শিলা –আজিলাসিয়াস।
209. একটি ক্যালকেরিয়াস শিলার উদাহরণ হল– মার্বেল।
210. একটি কার্বোনিফেরাস শিলার উদাহরণ হল– মার্বেল।
211. একটি ফেলসিক শিলার উদাহরণ হল– মাসকোভাইট।
212. একটি ম্যাফিক শিলার উদাহরণ হল–বায়াটাইট।
213. খনিজ তেল তৈরি হয় যে প্রাণীর দেহনির্যাস থেকে–ফোরামিনিফেরা।
214. ফিলাইট যে শিলায় রুপান্তরিত হয়– শিষ্ট।
215. পত্রায়ন তল লক্ষ্য করা যায় যে শিলায় –রুপান্তরিত।
216. ‘প্লেট কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন–জে. টি. উইলসন.
217. পাতসংস্থানতত্ত্ব বিকাশ লাভ করে– 1960 খ্রিস্টাব্দে.
218. ভূত্বকে বড় পাতের সংখ্যা– 6 টি.
219. পাতসংস্থানতত্ত্বের দ্বারা যে আলোড়নকে ব্যাখ্যা করা যায় –মহিভাবক ,গিরিজনি, সমসিথতিক ।
220. গঠনকারী সীমান্ত বলা হয় কাকে- প্রতিসারী পাতসীমান্ত।
221. “সান আন্দ্রিজ ফল্ট” হল– নিরপেক্ষ পাতসীমান্ত।
222. অলাকোজেন দেখা যায়– ত্রিপাত সম্মেলনে।
223. পরিচলন স্রোত তত্ত্বটি উপস্থাপন করেন— হোমস।
224. যে রেখা বরাবর দুটি পাতের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে তাকে বলে –জীবন রেখা।
225. বেনিয়ফ অঞ্চল চিহ্নিত করেন–হিউগো বেনিয়ফ।
226. কুরী পয়েন্টের উষ্ণতা হল- 600°Ꮯ
227. মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা যে ধরনের পাত সীমানার উদাহরণ–অপসারী পাতসীমানা।
228. যে পাতটি ত্রিপাত সম্মেলনে অবস্থিত- প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাত।
229. সামুদ্রিক ভূত্বক প্রসারনের ধারনা প্রথম দেন- হ্যারি হেস।
230. সামুদ্রিক ভূত্বক প্রসারনের তত্ত্ব প্রকাশিত হয় – 1960 সালে।
231. আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশের বিস্তারের হার বছরে— 2 সেমি।
232. ভারত মহাসাগরের বিস্তারের হার বছরে – 1.5 – 3 সেমি।
233. পৃথিবীর চৌম্বকীয় বিচূতি মাপা হয় যে যন্ত্র দিয়ে- ম্যাগনেটোমিটার।
234. চতুস্তলক মতবাদ প্রকাশ করেছিলেন- লোথিয়ান গ্রীন।
235. মহীসঞ্চরন মতবাদ 1910 সালে প্রকাশ করেন- এফ. বি. টেলর
236. এফ. বি. টেলর তার মহাদেশীয় সঞ্চরনের ধারনায় যে যুগে তৈরি পর্বতমালার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন- টার্সিয়ারি।
237. প্রথম মহীসঞ্চারনের একটি পূর্ণ ধারনা অবতারনা করেছিলেন- ওয়েগনার
238. ওয়েগনার তার মহীসঞ্চারনের ধারনা দেন- 1912 সালে।
239. “Die Entstehung der Kontinente and ozeane’-বইটির লেখক- ওয়েগনার
240. ড্যুটয়েট মহীখাতের নাম দিয়েছিলেন – সামফ্রাউ
241. সমস্থিতি কথাটা প্রথম ব্যবহার করেন- ডাটন।
242. জি. বি. এইরি তার তত্ত্ব প্রকাশ করেন – 1855 খ্রিস্টাব্দ।
243. জে. এইচ প্র্যাট তার তত্ত্ব প্রকাশ করেন -1859 খ্রিস্টাব্দ।
244. ‘ওরোজনি’ শব্দটির প্রবর্তক হলেন- জি. কে. গিলবার্ট।
245. ‘ওরোজোন’ শব্দটি প্রবর্তিত হয় -1890 সালে।
246. Oros’ কথাটির অর্থ কি- পর্বত।
247. পর্বত সৃষ্টির মহীখাত তত্ত্বের প্রবক্তা – ডালি।
248. মাধ্যিক ভর-এর ধারনাটি উপস্থাপন করেন- ভূতত্ত্ববিদ কোবার।
249. পর্বত গঠনের তাপীয় সংকোচন মতবাদের প্রবক্তা – জেফ্রিস।
250. ‘কার্ডিলেরা’ শব্দের অর্থ -পর্বত শ্রেণী।
251. একটি কর্ডিলেরার উদাহরণ হল- আন্দিজ।
252. জিওসিনক্লাইনের প্রথম ধারনা দেন- জেমস হল ও জেমস ডানা।
253. জিওক্লাইন কথাটি উপস্থাপন করেন- সেলবি।
254. জেনটিক্লাইন দেখা যায়—ইন্দোনেশিয়ায়।
255. একটি সঞ্চয়জাত পর্বতের উদাহরণ হল- ভিসুভিয়াস।
256. অ্যাপলেশিয়ান একটি – ক্ষয়জাত পর্বত।
257. রকি – ভঙ্গিল পর্বত।
258. পৃথিবীর বৃহত্তম গ্রস্ত উপত্যকা – দ্যি গ্রেট রিফট ভ্যালি।
259. দক্ষিণাত্য মালভূমিতে অগ্ন্যুৎপাত ঘটে- ফিসার অগ্ন্যুৎপাত।
260. পিলীর কেশ দেখা যায় – হাওয়াই শ্রেণির আগ্নেয়গিরিতে।
261. প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয়মেখলায় পৃথিবীর–৮৫ শতাংশ আগ্নেয়গিরি আছে।
262. পৃথিবীতে হটস্পট আছে – 21টি।
263. একটি প্লিউমের উদাহরণ হল- ট্রিবেস্টি।
264. পৃথিবীর বৃহত্তম কালডেরা- জাপানের আসোয়ান
265. উত্তল গম্বুজাকৃতির আগ্নেয় ভূমিরুপকে বলে -ল্যাকোলিথ।
266. ভূগর্ভের ফাটলে উল্লেখ ভাবে ম্যাগমা জমাট বাধলে তাকে বলে- ডাইক।
267. ভূগর্ভের ফাটলে উল্লম্ব ভাবে মাগমা জমাট বাধলে তাকে বলে- সিল।
268. একটি মৃত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ – মাউন্ট পোপো।
269. চিম্বোরাজো- মিশ্র শঙ্কু ধরনের আগ্নেয়গিরি।
270. একটি গম্বুজাকৃতি আগ্নেয়গিরির উদাহরণ- মাউন্ট পিলি।
271. সালফাটরা থেকে নিঃসৃত হয়- গন্ধক মিশ্রিত গ্যাস।
272. –1. প্রতিসম ভাঁজ – দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য ও নতি সমান
2. অপ্রতিসম ভাজ – দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য ও নতি অসমান
3. সমনত ভাজ- দুটি বাহু সমান কোনে সমান্তরাল ভাবে একই দিকে হেলে থাকে।
4. শায়িত ভাজ – সমতল প্রায় অনুভূমিক হয়
273. ছত্রাকার ভাজের নীচের অংশে পার্শ্বচাপ সর্বাধিক হলে তা- শায়িত ভাজে পরিণত হয়।
274. যে রেখা বরাবর অনুভূমিক তলের সঙ্গে ভাজপ্রাপ্ত শিলাস্তরটি ছেদ করে তাকে বলে- আয়াম রেখা 275. সিনিস্ট্রাল বলতে বোঝায়- বা হাতি আয়াম স্খলন চুতি।
276. হর্ন ব্লেণ্ড- অগাইট শিলার রুপান্তরের ফলে সৃষ্টি হয়।
277. বৈপরীত্য ভূমিরুপে উদ্ধভঙ্গ ও অধোভঙ্গতে যে ভূমিরুপ গঠন করে তাকে যথাক্রমে বলে— উপত্যকা ও শৈলশিরা।
278. সর্বাপেক্ষা বিধ্বংসী তরঙ্গের নাম হলো— এল তরঙ্গ।
279. রিখটার স্কেল এর মাত্রা হলো- 0 – 10 মাত্রা।
280, ত্রিপাত সম্মেলন এর নিস্ক্রিয় বাহুর নাম হলো— আলকাজেন।
281. ‘পাত সঞ্চরণ তত্ত্বের জনক হলেন- পিচো।
282. সিমাটোজেনি ধারনার প্রবর্তন করেন— এল সি কিং
283. প্লুটোনিক শিলা বলা হয়— গ্রানাইট কে।
284. ‘S’ তরঙ্গ দ্বারা সৃষ্ট ছায়া বলয়ের পরিমাণ -26.5%
285. ‘L’ তরঙ্গ ধ্বংসাত্মক হওয়ার কারণ(ক) পৃথিবীর পরিধি বরাবর কার্যকরী হয়।
286. ল্যাপিলি হলো আগ্নেয় বোমা থেকে প্রাপ্ত -অতিক্ষুদ্র শিলাখণ্ড।
287. প্লিউম হলো— ম্যাগমার উর্ধ্বমুখী প্রবাহ।
288. পৃথিবীর বৃহত্তম ক্যালডেরা অবস্থিত – জাপানে।
289. পরিচলন স্রোত’ তত্ত্বটির আবিষ্কর্তা হলেন- আর্থার হোমস।
290. পাতগুলি মহাদেশের তলদেশে – 150 কিমি বিস্তৃত।
291. নিউটনের মহাকর্য সূত্র অনুযায়ী ১৭৯৮ সালে পৃথিবীর গড় ঘনত্ব পরিমাপ করেছিলেন-
ক্যাভেনডিস।
292. উত্তর আমেরিকার হেনরি পর্বত একটি– ল্যাকোলিথ।
293. প্যানজিয়া বিভক্ত করেছিল যে যুগে সেই যুগটির নাম- মেসোজোয়িক।
294. মহীসঞ্চারন তত্ত্ব এর প্রথম ধারনা দেন– আলফ্রেড ওয়েগনার
295. পদার্থের ভাসমানতার ধর্মের ওপর ভিত্তি করে সমস্থিতি তত্ত্ব প্রবর্তন করেন- জর্জ এইরি।
296. 1950 সালের অসমের ভূমিকম্পে কোন নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয় ?
Ans. ডিবং নদীর ।
297. সুনামির প্রধান কারণ কী ?
Ans. সমুদ্রের তলায় ভূমিকম্প ।
298. ভূমিকম্প উপকেন্দ্রের প্রায় বিপরীত দিকে অবস্থিত অঞ্চলকে কী বলে ?
Ans. ভূমিকম্পের ছায়া অঞ্চল (Shadow zone of earthquake)।
299. লাভ তরঙ্গ কে আবিষ্কার করেন ?
Ans. A.E.H. Love ।
300. ভারতের একমাত্র জীবন্ত আগ্নেয়গিরি কোনটি ?
Ans. ব্যারেন ।
301. পৃথিবীর সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি কোনটি ?
Ans. মৌনালোয়া ।
302. বেশি ধ্বংসত্মক ভূ – কম্পীয় তরঙ্গ কোনটি ?
Ans. L তরঙ্গ ।
303. ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র থেকে প্রতিপাদ কেন্দ্রের কৌণিক দূরত্ব কত ?
Ans. 180 ডিগ্রি ।
304. হাওয়াই দ্বীপে অবস্থানকারী পৃথিবীর উচ্চতম আগ্নয়গিরি কোনটি ?
Ans. মাউনা কিয়া ।
305. ভূ – অভ্যন্তরে ভূমিকম্পের উৎস অঞ্চলকে কি বলে ?
Ans. বেনিয়ফ অঞ্চল ।
306. ভূমিকম্পের কেন্দ্রের সোজাসুজি ভূ – পৃষ্ঠের ওপরের স্থানটিকে কি বলে ?
Ans. উপকেন্দ্র ।
307. ভূমিকম্পের ‘P’ তরঙ্গ , ‘S’ তরঙ্গ এবং পৃষ্ঠ তরঙ্গ যে শিলা গঠিত অংশের ভিতর দিয়ে চলাচল করতে পারে তাকে কি বলে ?
Ans. ভূ – ত্বক ।
308. অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট দুটি পদার্থ কি কি ?
Ans. পাইরোক্লাস্ট ও সিন্ডার ।
309. বেনিয়ফ মণ্ডলের ঢাল ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে কত ডিগ্রি কোণ করে অবস্থান করে ?
Ans. 30 – 80 ডিগ্রি ।
310. সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি কোনটি ?
Ans. কটোপ্যাক্সি ।
311. আগ্নেয় পদার্থ সমৃদ্ধ কাদার প্রবাহকে কী বলে ?
Ans. লাহার ।
312. ‘P’ – তরঙ্গ সৃষ্ট ছায়া অঞ্চলের পরিমান কত ?
Ans. 26.5% ।
313. বিশ্বের বৃহত্তম ও সমুদ্র তলদেশ থেকে সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নয়গিরি কোনটি ?
Ans. কিলাউই ।
314. ভূমিকম্প তরঙ্গের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে কত ?
Ans. 5-6 kms ।
315. ভূমিকম্প নির্মাণ কেন্দ্র প্রথম তৈরি করেন কে ?
Ans. মিলনে ।

সংগৃহীত।

01/11/2022

আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিল প্রতিরোধ করে টেনে হিঁচড়ে আমাদের বিধাননগর সাউথ থানায় আনা হয়েছে। আমাদের এখানে আটকে রাখা হয়েছে। দীর্ঘ ৬ বছর আমাদের SSC পরীক্ষা হয়নি। তার দাবিতে ন্যায্য আন্দোলন ভেঙে দিয়েছে সরকারের মদতপুষ্ট পুলিশ। রাজ্য জুড়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।

04/08/2022

স্কুল সার্ভিস কমিশনের 2nd (নবম দশম, একাদশ দ্বাদশ ) শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়োগের সম্ভাব্য নতুন নিয়ম

✍️IX X যোগ্যতা: গ্রাজুয়েট/পোস্ট গ্রাজুয়েট 50% মার্কস (রিজার্ভ ক্যাটাগরি 5% ছাড় পাবেন)
✍️XI XII যোগ্যতা: পোস্ট গ্রাজুয়েট 50% মার্কস (রিজার্ভ ক্যাটাগরি 5% ছাড় পাবেন)
N.B- প্রার্থীরা তিনভাবে একাডেমিক হিসাব করতে পারেন।
i)Pass
ii) Honours
iii) Pass+Honours
◾Pass graduate only pass number হিসাব করবেন ইউনিভার্সিটি অনুযায়ী 1200/1350 হবে।
◾অনার্স গ্রাজুয়েট অনার্স অথবা পাস অনার্স হিসাব করবেন, যেক্ষেত্রে বেশি নম্বর হবে।
◾শুধু অনার্স হলে 800 মধ্যে।
◾পাশ অনার্স ধরলে 1550 মধ্যে।
🔶নিয়োগ পদ্ধতি:
লিখিত পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউ

🔷লিখিত পরীক্ষা হবে দুটি ধাপে
PART 1:PT(PRELIMINARY TEST) MCQ 100 MARKS

🔷PART 2: SUBJECT MCQ 100 MARKS

📌STEP 1:প্রথমে 100 মার্কের PT (PRELIMINARY TEST) হবে ,এই পরীক্ষায় কোয়ালিফাই করলে বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
TIME:2Hrs
📌বিষয় ভিত্তিক,মিডিয়াম ভিত্তিক,ক্যাটাগরি ভিত্তিক, লিঙ্গ ভিত্তিতে কাট অফ মার্কস হবে।

📌PT (PRELIMINARY TEST) SYLLABUS
GENERAL KNOWLEDGE (GK)-50 MARKS
ENGLISH -25 MARKS
MATHEMATICS -25 MARKS

N.B-বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে ফাইনাল শুন্যপদের পাঁচগুণ প্রার্থীকে।

📌STEP 2: PT QUALIFIED প্রার্থীরা সুযোগ পাবেন বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা দেওয়ার। আবেদন বিষয়ের উপর একশো নম্বরের পরীক্ষা হবে, Multiple Choice Questions.
Time:2Hrs
📌এখানেও বিষয় ভিত্তিক,মিডিয়াম ভিত্তিক,ক্যাটাগরি ভিত্তিক, লিঙ্গ ভিত্তিতে কাট অফ মার্কস হবে।

🔷ইন্টারভিউ -সব শেষে বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা তে সফল প্রার্থীদের ইন্টারভিউ হবে।
N.B- বিষয়ভিত্তিক সফল প্রার্থীদের মধ্যে দেড় গুণ প্রার্থী ইন্টারভিউ তে ডাকা হবে।

🔷PANNEL : প্যানেল তৈরি হবে 100 নম্বরের মধ্যে।
PT WEIGHTAGE:30 MARKS
SUBJECT WEIGHTAGE:60 MARKS
INTERVIEW:10 MARKS

📌অথবা সাবজেক্ট 90 মার্কস হতে পারে এবং ইন্টারভিউ 10 মার্কস, মোট 100 নম্বর।

🔶শুন্যপদ নিরিখে এই 100 নম্বরের মধ্যে EMPANELL কাট অফ মার্কস হবে বিষয়ভিত্তিক, মিডিয়াম, ক্যাটাগরি, লিঙ্গ ভিত্তিতে।

🔶এবার থেকে চালু হতে পারে
EMPANELLED/NOT EMPANELLED
অথবা
EMPANELLED/WAITING LISTED/NOT EMPANELLED OR NOT WAITING LISTED

WAITING: এবার থেকে waiting

16/03/2022
10/11/2021

Address

Majdia

Telephone

9851775651

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Slst Geography coaching 9-12 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category