Krishnanagar Collegiate School Friends

Krishnanagar Collegiate School Friends Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Krishnanagar Collegiate School Friends, Education, Krishnanagar.

বাংলা ভাষার জয়গান আজ বিশ্বজুড়ে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রক্তাক্ত রাস্তা সে পরিচিতি এনে দিয়েছে। বরকত, জব্বার, ...
22/02/2020

বাংলা ভাষার জয়গান আজ বিশ্বজুড়ে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রক্তাক্ত রাস্তা সে পরিচিতি এনে দিয়েছে। বরকত, জব্বার, সালামদের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি পেয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিও। কিন্তু এর পাশাপাশি, মাতৃভাষার জন্য মানভূমের বাঙালিদের দীর্ঘ আন্দোলন নিয়ে যে কোনও রকম আলোচনা থেকে বিরত থাকেন অনেক বাঙালি। অবহেলা না আত্মবিস্মরণ? ভুলে গেলে চলবে না, আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে যতগুলো ভাষা আন্দোলন হয়েছে, তার মধ্যে দীর্ঘতম ভাষা আন্দোলনও এই বাংলার মাটিতেই। না, সেটি ২১ ফেব্রুয়ারির আন্দোলন নয়। তা হল মানভূমের ভাষা আন্দোলন।

আরও পড়ুন
‘হাতির মতো বড় উৎসব’ সহরায়ের সঙ্গে মিশে সাঁওতালদের ভিটে বাঁচানোর যুদ্ধের ইতিহাস

১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে ভারত স্বাধীনতা লাভ করার পর থেকে, ভাষাভিত্তিক রাজ্য পুনর্গঠনের নীতির বাস্তব রূপায়নের দাবিতে দেশের আঞ্চলিকতা বেড়ে উঠতে শুরু করে। সেই পরিস্থিতিতে, ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু দেশের ভাষাভিত্তিক প্রদেশ কমিশন নিয়োগ করেন। ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে কমিশন মত দেয় যে, শুধুমাত্র ভাষাভিত্তিক প্রদেশ গঠন না করে ভারতের ঐক্যবদ্ধতাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকেই, তৎকালীন বিহার সরকার ওই রাজ্যের মানুষদের ওপর হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। প্রাথমিক স্তরে ও সরকারি অনুদান যুক্ত বিদ্যালয়ে হিন্দি মাধ্যমে পড়ানোর নির্দেশ আসে, জেলা স্কুলগুলিতে বাংলা বিভাগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের স্কুলগুলোতে শুধুমাত্র হিন্দিতে শিক্ষা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বাঙালির মানভূমে তখন থেকেই শুরু হল এক রকম ‘হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ’। একের পরে এক বাংলা স্কুল পরিণত হল হিন্দি স্কুলে। পোস্ট অফিস-সহ সমস্ত সরকারি দফতরে হিন্দি বাধ্যতামূলক করা হল। এর বিরুদ্ধেই মানভূমের ভাষা আন্দোলন। গর্জে ওঠে লক্ষ লক্ষ বাঙালি। শিক্ষা ও প্রশাসনিক স্তরে তাদের মাতৃভাষা বাংলাকে স্বীকৃতির জন্য শুরু হয় আন্দোলন।

বিহার রাজ্য সরকার মানভূমে বাংলার ব্যবহার সীমিত করার জন্য কঠোর হতে শুরু করলে অতুলচন্দ্র ঘোষ, লাবণ্যপ্রভা ঘোষ, অরুণচন্দ্র ঘোষ, বিভূতিভূষণ দাশগুপ্ত সহ ৩৭ জন নেতা কংগ্রেসের জেলা কমিটি থেকে পদত্যাগ করে ‘লোক সেবক সংঘ’ গঠন করেন। এই সংঘ বাংলা ভাষার মর্যাদার প্রশ্নে সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করে।

কিন্তু ১৯৪৬-এর বিহার নিরাপত্তা আইনের ‘নামে’ অত্যাচার শুরু হল ভাষা আন্দোলনকারীদের উপরে। সত্যাগ্রহকে দমন করার জন্য হয়েছে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, বিচিত্র দমন-পীড়ন। শুরু হল ‘টুসু সত্যাগ্রহ’। মানভূমের লোকগান ‘টুসু’, সাধারণের স্বতোৎসারিত আবেগ মিশে থাকে। তাতেও ফুটে উঠতে লাগল বাংলা ভাষার প্রতি আবেগ। ১৯৫২ সালে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হলেন ‘লোকসেবক সংঘে’র দুই জন প্রার্থী (ভজহরি মাহাতো ও চৈতন মাঝি)। বিধানসভায় জিতে এলেন সাতজন। মানভূমে বাংলা ভাষার আন্দোলন দৃষ্টি আকর্ষণ করল কলকাতা ও দিল্লির।

সেই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় গান হল –

শুন বিহারী ভাই, তোরা রাখতে লারবি ডাঙ্ দেখাই
তোরা আপন তরে ভেদ বাড়ালি, বাংলা ভাষায় দিলি ছাই
ভাইকে ভুলে করলি বড় বাংলা-বিহার বুদ্ধিটাই
বাঙালী-বিহারী সবই এক ভারতের আপন ভাই
বাঙালীকে মারলি তবু বিষ ছড়ালি — হিন্দি চাই
বাংলা ভাষার পদবীতে ভাই কোন ভেদের কথা নাই
এক ভারতের ভাইয়ে ভাইয়ে মাতৃভাষার রাজ্য চাই
(গীতিকার – ভজহরি মাহাতো)

মানভূম ভাষা আন্দোলনে নারী বাহিনীর ভূমিকা ছিল অপ্রতিরোধ্য। জননেত্রী লাবণ্যপ্রভা দেবীকে পুলিশ ও রাজনৈতিক গুন্ডারা চুলের মুঠি ধরে ঘর থেকে বের করে, সঙ্গে চলে অকথ্য নির্যাতন ও সম্ভ্রমহানি। শবরনেত্রী রেবতী ভট্টাচার্যকে পিটিয়ে জঙ্গলের মধ্যে মৃতপ্রায় অবস্থায় ফেলে রেখে যায় বিহারি পুলিশ। জননেত্রী ভাবিনী মাহাতোর ওপর অকথ্য নির্যাতন করা হয়। এই সময় বিহারের জননিরাপত্তা আইনের ধারায় লোকসেবক সংঘের কর্ণধার অতুলচন্দ্র ঘোষ, লোকসভা সদস্য ভজহরি মাহাতো, লাবণ্যপ্রভা ঘোষ, অরুণচন্দ্র ঘোষ, অশোক চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়।

এরই মধ্যে শুরু হয় সীমা কমিশনের কাজ। সেই সময়ে পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের তৎকালীন দুই মুখ্যমন্ত্রীর (বিধানচন্দ্র রায় ও শ্রীকৃষ্ণ সিংহ) তরফে বঙ্গ-বিহার যুক্ত প্রদেশ গঠন করার প্রস্তাব আসে। ইতিমধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করে ‘টুসু সত্যাগ্রহ’ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মানভূমের ভাগ্যের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হওয়ায়, ১৯৫৬ সালের এপ্রিলে লোক সেবক সংঘের আন্দোলনকারীরা কলকাতা অভিমুখে পদযাত্রার সিদ্ধান্ত নেন। ২০শে এপ্রিল অতুলচন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে সাড়ে তিনশ’ নারীসহ হাজার দেড়েক আন্দোলনকারী দশটি বাহিনীতে ভাগ হয়ে পুঞ্চার পাকবিড়রা গ্রাম থেকে পদযাত্রা শুরু করেন। ষোলো দিন পর, ৬ই মে কলকাতায় উপস্থিত হয় সেই পদযাত্রা। ২০ এপ্রিল থেকে ৬ মে টানা প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পথ হেঁটেছিলেন সত্যাগ্রহীরা। কণ্ঠে ছিল ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’, ‘বাংলা ভাষা প্রাণের ভাষা রে’ গান।

কলকাতাবাসীদের পক্ষ থেকে হেমন্তকুমার, জ্যোতি বসু, মোহিত মৈত্র, সুরেশচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়ের মতো বিশিষ্ট নাগরিকগণ সহ অসংখ্য সাধারণ মানুষ উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। সমাবেশ যেন না হতে পারে। এজন্য পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার আগে থেকে ১৪৪ ধারা জারি করে রেখেছিল। ফলে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের দায়ে পুলিশ ৯৬৫ জন আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করে। বন্দিদের পাঠানো হয় কলকাতা প্রেসিডেন্সি জেল, আলিপুর সেন্ট্রাল জেল ও আলিপুর স্পেশাল জেলে। বারো দিন পর তাঁরা মুক্তি পান। একই সময়ে পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্থানে প্রায় ৩,৩০০ আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করা হয়, যারা প্রধানত লোক সেবক সংঘ অথবা বাম দলগুলোর কর্মী ছিলেন।

আরও পড়ুন
জলের নিচে লুকিয়ে প্রাচীন মন্দির, উঁকি দেয় চূড়া, পুরুলিয়ার তেলাকুপির গল্প এমনই

বাধ্য হয়ে রদ করা হয় বাংলা-বিহার সংযুক্তির প্রস্তাব। বঙ্গ-বিহার ভূমি হস্তান্তর আইন পাশ হয়। ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ই আগষ্ট লোকসভায় ও ২৮শে আগষ্ট রাজ্যসভায় বাংলা-বিহার সীমান্ত নির্দেশ বিল পাশ হয়। ১লা সেপ্টেম্বর এতে ভারতের রাষ্ট্রপতি সই করেন।

মানভূম ভাষা আন্দোলনের চাপ তখন বাড়ছে ক্রমাগত। ১৯৫৬ সালে মানভূমকে তিন টুকরো করে, বাংলা অধ্যুষিত ১৬টি থানা অঞ্চল জুড়ে জন্ম নিল পুরুলিয়া জেলা। অন্তর্ভুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গের।

সীমা কমিশনের রিপোর্ট লোকসভা হয়ে ‘সিলেক্ট কমিটি’ ও আরও নানা স্তর পেরিয়ে ১ নভেম্বর, ১৯৫৬ ২৪০৭ বর্গ মাইল এলাকার ১১,৬৯,০৯৭ জন মানুষকে নিয়ে জন্ম নেয় আজকের পুরুলিয়া। সম্পূর্ণ ধানবাদ মহকুমা বিহার রাজ্যে রয়ে যায়। টুসু সাধিকাদের সেই ভাষা আন্দোলন আজ জনমানসে বিস্মৃতপ্রায় হলেও ইতিহাসের দলিলে তা উজ্জ্বল। মানভূমের এই ভাষা আন্দোলন কোনো স্বাধীন দেশ গড়ার আন্দোলন ছিল না, ছিল কেবল বাংলা ভাষাকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়ার লড়াই। আজকের প্রশাসনিক পুরুলিয়া সেই লড়াইয়েরই ফসল

ভুলে গেলে চলবে না, আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে যতগুলো ভাষা আন্দোলন হয়েছে, তার মধ্যে দীর্ঘতম ভাষা আন্দোলনও এই বাংলার মাটি....

হঠাত করেই আমার চাকুরীটা চলে গেল....।।বেকার হয়ে গেলাম।ভাবলাম,,,গেছে গেছে,,,কত বন্ধুবান্ধব আমার,,,কতোজন কে চাকুরী দিলাম,,,...
05/01/2020

হঠাত করেই আমার চাকুরীটা চলে গেল....।।
বেকার হয়ে গেলাম।
ভাবলাম,,,গেছে গেছে,,,কত বন্ধুবান্ধব আমার,,,কতোজন কে চাকুরী দিলাম,,,পেয়েই যাবো আবার।
মেসে শুয়ে বসে সময় কাটছিলো আমার।
# বিকেলে বসে এক এক করে সব বন্ধুকে ১মিনিট করে ফোন করলাম....আমার জন্য চাকুরী দেখার জন্য।
সবাই আশা দিলো....যে খুজবে পেলে জানাবে....
একটু ভরসা পেলাম...।।
হঠাত করে মায়া ফোন করল ...ও হ্যা বলাই হয়নি মায়া আমার জিএফ....।।ফেসবুক থেকে পরিচয়,,তারপর দেখা,,কথা,,বন্ধুত্ব, প্রেম।
রিসিভ করলাম,,,
_____হ্যালো,,কোথায় তুমি??(মায়া)
_____এই তো মেসে শুয়ে আছি,,কেন??(আমি)
_____তুমি একটু পার্কে আসবে,, এখনি আসো....টুট টুট টুট....ফোন কেটে দিলো....
# রেডি হয়ে বাসে উঠে গেলাম পার্কে।
মায়া গেটে দাড়িয়ে আছে,,আমাকে দেখেই...
_____(রেগে)এত লেট করলে কেন?কতক্ষন দাড়িয়ে আছি,,,(মায়া)
_____রেডী হয়ে আসতে তো সময় লাগে নাকি??(আমি)
_____বাদ দাও,, চলো,,ফুচকা খাবো(মায়া)
_____ওকে........
ফুচকা খেলাম,,ঘুরলাম,,,,আমার 500 টাকা শেষ....মায়া টাকা দিতে চাইছিলো বাট আমি বিল দিতে দিইনি,,,সবসময় দুহাতে খরচ করেছি তো,,,আজ ও দেবে,, নিজের কাছে কেমন লাগছিলো....যদিও মায়া জানেনা যে,,,আজ আমি বেকার,,,চাকুরী চলে গেছে।
ওকে বিদায় দিয়ে মেসে এসে শুয়ে পরলাম.....
# যতই দিন যাচ্ছিলো টাকার টান পড়ছিলো....আমার কাছে কিছু টাকাছিলো,,,তা দিয়ে কোন রকমে চলছিলাম....।।
তবে হ্যা,,,মনে পড়ছিল সেই সব দিন এর কথা ....যখন দুহাতে খরচ করতাম...আড্ডা দিতাম....কত বন্ধু বান্ধব.....
অবাক হলাম,,,,যে আমার ফোনে সারাক্ষন ফোন আসতো,,,বন্ধুদের,,,সেই বন্ধুদের ফোন আসাও আস্তে আস্তে কমতে থাকে.....
১ মাস কেটে গেলো,,নিজে থেকে ফোন করে বন্ধুদের চাকুরীর কথা বললে.. সবাই শুধু আশাই দেয়,,,চাকুরীর খবর কেউ দেয়না.....
হয়তো আমার কপাল খারাপ.....
মায়ার সাথেও জগড়া চলছিলো....
আগে সারাদিন ফোন করতাম ,,প্রায় প্রতি সপ্তাহে ঘুরতে যেতাম...এখন তো আর তা পারিনা....এসব নিয়ে ঝগড়া....
ঝগড়া চলতে চলতে হয়েই গেল ১দিন ব্রেকআপ....তখনো মায়া জানতো না,,,যে এখন আমার চাকুরী আর নেই ....আমি ও জানাইনি.....কেন জানাইনি জানিনা,,,
টেনেটুনে মেসের বিল দিলাম....পকেট,, হাত সব প্রায় ফাকা....।।
আমি আসলে টাকার কষ্ট,,,টা বুঝিনি,,,কারন বেতন ভালোই পেতাম আর দুহাতে খরচ করতাম......
তবে আজ ভালোই বুঝতে পারছি....
যে বন্ধুরা সময় পেলেই আমার কাছে আসতো,,,এখন আমার আশেপাশে তাদের ছায়াও দেখা যায়না......
হায়রে মানুষ.......
কত বহুরূপী........
দেখতে দেখতে দু মাস হয়ে গেল....চাকুরী হচ্ছেনা....মেসে খাওয়ার বিল যে আমি সবার আগে দিতাম,,,,সেই আমি বাকি রাখলাম,,,,যে একটু ম্যানেজ করুন প্লিজ.. সামনের মাসে দিয়ে দেবো ...কেউ দিতে চায়নি টাকা,,,কারন আজ আমি বেকার....কিন্তু অভি দিয়েছিলো...আমি চাইনি কিন্তু ও আমার হয়ে দিয়েছিল।অভিকে গত বছর আমি গ্রাম থেকে নিয়ে এসে চাকুরী দিয়েছিলাম....।।
লজ্জা লাগে,,,যে হাত,, দিয়ে এসেছে সব সময়,,,সে হাত কারো কাছে চাইবে....এটা ভাবতেও লজ্জা লাগে....।।
একদিন রান্নার মাসি আসেনি,,,মেসে রান্না হয়নি,,,সবাইকে হোটেলে খেতে হবে...
সবাই ডিউটিতে গেছে,,,আমার তো কাজ নাই,,,শুয়ে আছি....সকাল টা না খেয়ে,,শুধু জল খেয়ে কাটিয়ে দিলাম....পকেটে হাত দিয়ে দেখলাম ৪ টাকা আছে।
দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে আসলো....ক্ষুদার জ্বালা টা ভালই টের পাচ্ছিলাম,,,,সহ্য হচ্ছিলো না,,,ক্ষুদার জ্বালা....আমার এক কাছের বন্ধুকে ফোন করলাম ..... ...
_____হ্যালো রাজীব তুই কোথায়??(আমি)
____এই তো বাজারে,,,কেন??(রাজীব )
_____দাড়া,,আমি আসছি.....
বলেই বাজারের দিকে হাটা দিলাম....ওকে আমি অনেক খায়িয়েছি....ও নিশ্চয়ই আমাকে একদিন খাওয়াতে আপত্তি করবেনা,,,,পেটে তখন কামড় দিচ্ছিলো আমার......
বাজার গিয়ে দেখলাম,,,ও ওর কয়েকটা বন্ধুকে নিয়ে দাড়িয়ে আছে.....আমাকে দেখেই
_____কিরে কেমন আছিস??(দোস্ত)
_____এইতো চলছে...আজকাল যে আর দেখাই করিসনা,,,কি ব্যাপার??(আমি)
_____আসলে ব্যাস্ত থাকি রে তাই,,,আচ্ছা যাই রে,,,তাড়া আছে....
চলে গেল,,,
আমিও কিছুই বলতে পারলামনা.ওর বন্ধুরা ওর পাশে ছিলো....
পেটে তখন আমার এত ক্ষিদে,, যে কেউ যদি আমার রক্তের বিনিময় খেতে দেয়,,তবু আমি রাজি.....
আমি যে হেটে মেসে যাবো,,,সেই শক্তি পাচ্ছিলাম না,,,বসে পরলাম........
ক্ষিদের জ্বালা যে কতটা ভয়ানক,, আজ বুঝতে পারছি....
কত মানুষ আসছে,,যাচ্ছে,,, কেউ একবার ও তাকিয়ে দেখেনা আমার দিকে,,,বলেনা,,,ও না খেয়ে আছে,,ওকে কিছু খাওয়াই......
ঈশ্বর মহান,,,,তিনি তো আছেন....
তিনি তো কাউকে মারেননা,,...আমি বসে আছি,,,,ক্ষুদার জালায় কাতরাচ্ছি,,,,এমন সময় মায়া কোথা থেকে এল ....ও নাকি কি এক কাজে এদিকে আসছিলো....
# মায়া আমার কাছে আসতেই চমকে উঠলাম,,কিন্তু চুপ করে বসে আছি.....
______একি অবস্থা হয়েছে তোমার??শরীরের যত্ন নাও না??(মায়া)
______(চুপ)(আমি)
______কি হলো,,,চুপ করে আছো কেন(মায়ার চোখের কোনে জল)
_____খুব লজ্জা লাগছে,,একটা কথা বলবো??(আমি)
_____বলো(মায়া)
______সারাদিন কিছু খাইনি,,খুব খিদে পেয়েছে ,,,আমাকে ৩০...৪০ টাকা ধার দাও ,,প্লিজ??
______এসো......
মায়া আমাকে নিয়ে গিয়ে একটা রেস্টুরেন্ট এ বসালো,,,,
তারপর,,,,
ভাত,, মাংস,,ডাল,,ডিম,,ভাজি...সব অর্ডার করলো....
আমার সামনে দেয়া মাত্র গপ গপ করে খেতে লাগলাম,,,,আর কোন দিকে খেয়াল নেই....২ প্লেট ভাত,, ডিম মাংস ভাজি,,,সব সাবার করে যেন রাক্ষুসে পেট টা ভরলো,,,এত শান্তি লাগছিলো,,,যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না ....
মায়ার দিকে তাকালাম,,,,মায়া আমাকে দেখে শুধুই কাঁদছে ,,,হয়তো বুঝতে পেরেছে,,,কারণ মায়া ভালো করেই জানে,,আমি কারো কাছে চেয়ে খাওয়ার ছেলে না.....
মায়া বিল দিল.....
তারপর বাইরে একটা একটু নির্জন জায়গায় এসে আমার হাত দুটো ধরে চোখে চোখ রেখে বললো...
______তোমার কি হয়েছে,,প্লিজ আমাকে বলো,,আমার দিব্বি দিলাম,,বলো??(মায়া)
______আমার চাকুরীটা আড়াই মাস আগে চলে গেছে...তারপর বেকার.....
_____মায়া রেগে আমার গালে ঠাস....
তারপর বললো....এটা আমাকে আগে কেন বলোনি??তাহলে এতো কষ্ট পেতামনা??তোমাকে সত্যি ভালোবাসি...
সুসময়,,দূঃসময় সবসময়....জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলো.....
আমিও বুঝলাম...মায়ার ভালোবাসা,,,আমি আসলে হয়তো এটা দেখার জন্যই আগে ওকে জানাইনি আমি বেকার....মায়া আমাকে ১৫০০ টাকা দিয়ে গেল,,,নিলাম,,কারন না নিয়ে উপায় ছিলোনা.....২ মাস ২৫ দিনের মাথায় আমার অফিস থেকে ফোন করে.. আমাকে আবার চাকুরীতে জয়েন করার জন্য অফার করলো,,,আর সাথে আগের থেকে ৫০০০ টাকা বেশী স্যালারি.....।।আমি তো অনেক খুশী...ফিরে পেলাম চাকুরী,,,আর সাথে আমার মায়া....
দূঃসময় কেটে গেল,,,কিন্তু আমিও বদলে গেছি,,,,কেন যেন এই তিনটা মাস মনে পড়ে যায়,,,চিনে নিয়েছি অনেক মানুষকে.....
হয়তো ঈশ্বর আমার পরীক্ষা নিয়েছিলো,,,,বাড়ির সবার সাথে যোগাযোগ নেই,,,ঝগড়া করে বন্ধ করে দিয়েছিলাম.......
এখন কেন যেন মন চাইছে যোগাযোগ করতে....যারা আমাকে বড়ো করেছে,,,কখনো ক্ষিদের জালা কি বুঝতে দেয়নি.....
আজ ই বাবাকে ফোন করে কথা বলবো....
জানিনা বাবা কেমন রিএক্ট করবে??..
# খারাপ সময় গুলো থাকেনা,,,রাত যখন আছে,,,তো ভোর হবেই....কিন্তু খারাপ সময় অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে যায়,,,যা আগে চলার পথে অনেক কাজে লাগে....
চিনিয়ে দিয়ে যায় কে আসল বন্ধু.........(সংগৃহীত)।

*** খুব ভালো লাগলো তাই শেয়ার করলাম***

10/12/2019
17/11/2019


কেউ যদি কৃষ্ণনগর কাঠুরিয়া পাড়ার কাছে থাকে (ষষ্ঠী তলার কাছে) তাহলে সেই রাস্তাটার এবং ষষ্ঠী তলার রাস্তা থেকে কাঠুরিয়া পাড়ায় ঢুকতে ডান দিকের কয়েকটি বাড়ির এবং মসজিদে পরেই যে বাড়ি আছে তার ফোটো তুলে আমাকে পাঠালে খুব আনন্দ পাব। ছোটবেলায় ওখানে ছিলাম । রেবন্ত গোস্বামী।

আজ ১১ই সেপ্টেম্বর...আজ সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ১৮৯৩ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর আমেরিকার চিকাগো ধর্ম মহাসভায় বক্তৃতা দিয়েছিলেন স্বাম...
12/09/2019

আজ ১১ই সেপ্টেম্বর...

আজ সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।
১৮৯৩ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর আমেরিকার চিকাগো ধর্ম মহাসভায় বক্তৃতা দিয়েছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। আজ তার ১২৬ বর্ষপূর্তি। চিকাগো ধর্ম সম্মেলনে ভারত সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ বৈদিক জ্ঞানের আগুন জালিয়ে দিয়ে এলেন প্রতীচ্যে। তুলে ধরলেন বিজয় কেতন। আজ আমাদের সমগ্র জাতির কাছে গর্বের দিন। স্বামী বিবেকানন্দের সেই বক্তৃতার বঙ্গানুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হল আপনাদের সকলের জন্যে আরো একবার আজকের এই মহাপুণ্য দিনে... জয়তু স্বামীজী মহারাজ!!!

হে আমেরিকাবাসী ভগিনী ও ভ্রাতৃবৃন্দ, আজ আপনারা আমাদিগকে যে আন্তরিক ও সাদর অভ্যর্থনা করিয়াছেন, তাহার উত্তর দিবার জন্য উঠিতে গিয়া আমর হৃদয় অনিবর্চনীয় আনন্দে পরিপূর্ণ হইয়া গিয়াছে। পৃথিবীর মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন সন্ন্যাসি-সমাজের পক্ষ হইতে আমি আপনাদিগকে ধন্যবাদ জানাইতেছি। সর্বধর্মের যিনি প্রসূতি-স্বরূপ, তাঁহার নামে আমি আপনাদিগকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করিতেছি। সকল জাতি ও সম্প্রদায়ের অন্তর্গত কোটি কোটি হিন্দু নরনারীর হইয়া আমি আপনাদিগকে ধন্যবাদ দিতেছি।
এই সভামঞ্চে সেই কয়েকজন বক্তাকেও আমি ধন্যবাদ জানাই, যাঁহারা প্রাচ্যদেশীয় প্রতিনিধিদের সম্বন্ধে এরূপ মন্তব্য প্রকাশ করিলেন যে, অতি দূরদেশবাসী জাতিসমূহের মধ্য হইতে যাঁহারা এখানে সমাগত হইয়াছেন, তাঁহারাও বিভিন্ন দেশে পরধর্মসহিষ্ণুতার ভাব প্রচারের গৌরব দাবি করিতে পারেন। যে ধর্ম জগৎকে চিরকাল পরমতসহিষ্ণুতা ও সর্বাধিক মত স্বীকার করার শিক্ষা দিয়া আসিতেছে, আমি সেই ধর্মভুক্ত বলিয়া নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করি। আমরা শুধু সকল ধর্মকেই সহ্য করিনা, সকল ধর্মকেই আমরা সত্য বলিয়া বিশ্বাস করি। যে ধর্মের পবিত্র সংস্কৃত ভাষায় ইংরেজী ‘এক্সক্লুশন’ (ভাবার্থঃ বহিঃস্করণ, পরিবর্জন) শব্দটি অনুবাদ করা যায় না, অমি সেই ধর্মভুক্ত বলিয়া গর্ব অনুভব করি। যে জাতি পৃথিবীর সকল ধর্মের ও সকল জাতির নিপীড়িত ও আশ্রয়প্রার্থী জনগণকে চিরকাল আশ্রয় দিয়া আসিয়াছে, আমি সেই জাতির অর্ন্তভুক্ত বলিয়া নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করি। আমি আপনাদের এ-কথা বলিতে গর্ব অনুভব করিতেছি যে, আমরাই ইহুদীদের খাঁটি বংশধরগণের অবশিষ্ট অংশকে সাদরে হৃদয়ে ধারণ করিয়া রাখিয়াছি; যে বৎসর রোমানদের ভয়ংঙ্কর উৎপীড়নে তাহদের পবিত্র মন্দির বিধ্বস্ত হয়, সেই বৎসরই তাহারা দক্ষিণ ভারতে আমাদের মধ্যে আশ্রয়লাভের জন্য আসিয়াছিল। জরাথুষ্ট্রের অনুগামী মহান পারসীক জাতির অবশিষ্টাংশকে যে ধর্মাবলম্বিগণ আশ্রয় দান করিয়াছিল এবং আজ পর্যন্ত যাহারা তাঁহাদিগকে প্রতিপালন করিতেছে, আমি তাঁহাদেরই অন্তর্ভুক্ত। কোটি কোটি নরনারী যে-স্তোত্রটি প্রতিদিন পাঠ করেন, যে স্তবটি আমি শৈশব হইতে আবৃত্তি করিয়া আসিতেছি, তাহারই কয়েকটি পঙক্তি উদ্ধৃত করিয়া আমি আপনাদের নিকট বলিতেছিঃ ‘রুচীনাং বৈচিত্র্যাদৃজুকুটিলনানাপথজুষাং। নৃণামেকো গম্যস্ত্বমসি পয়সামর্ণব ইব।।
–বিভিন্ন নদীর উৎস বিভিন্ন স্থানে, কিন্তু তাহারা সকলে যেমন এক সমুদ্রে তাহাদের জলরাশি ঢালিয়া মিলাইয়া দেয়, তেমনি হে ভগবান, নিজ নিজ রুচির বৈচিত্র্যবশতঃ সরল ও কুটিল নানা পথে যাহারা চলিয়াছে, তুমিই তাহাদের সকলের একমাত্র লক্ষ্য।
পৃথিবীতে এযাবৎ অনুষ্ঠিত সন্মেলনগুলির মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাসন্মেলন এই ধর্ম-মহাসভা গীতা-প্রচারিত সেই অপূর্ব মতেরেই সত্যতা প্রতিপন্ন করিতেছি, সেই বাণীই ঘোষণা করিতেছি ‘যে যথা মাং প্রপদ্যন্তে তাংস্তথৈব ভজাম্যহম্। মম বর্ত্মানুবর্তন্তে মনুষ্যাঃ পার্থ সর্বশঃ।।'–যে যে-ভাব আশ্রয় করিয়া আসুক না কেন, আমি তাহাকে সেই ভাবেই অনুগ্রহ করিয়া থাকি। হে অর্জুন মনুষ্যগণ সর্বতোভাবে আমার পথেই চলিয়া থাকে।
সাম্পদায়িকতা, গোঁড়ামি ও এগুলির ভয়াবহ ফলস্বরূপ ধর্মোন্মত্ততা এই সুন্দর পৃথিবীকে বহুকাল অধিকার করিয়া রাখিয়াছে। ইহারা পৃথিবীকে হিংসায় পূর্ণ করিয়াছে, বারবার ইহাকে নরশোণিতে সিক্ত করিয়াছে, সভ্যতা ধ্বংস করিয়াছে এবং সমগ্র জাতিকে হতাশায় মগ্ন করিয়াছে। এই-সকল ভীষণ পিশাচগুলি যদি না থাকিত, তাহা হইলে মানবসমাজ আজ পূর্বাপেক্ষা অনেক উন্নত হইত। তবে ইহাদের মৃত্যুকাল উপস্থিত; এবং আমি সর্বতোভাবে আশা করি, এই ধর্ম-মহাসমিতির সন্মানার্থ আজ যে ঘন্টাধ্বনি নিনাদিত হইয়াছে, তাহাই সর্ববিধ ধর্মোন্মত্ততা, তরবারি অথবা লিখনীমুখে অনুষ্ঠিত সর্বপ্রকার নির্যাতন এবং একই লক্ষ্যের দিকে অগ্রসর ব্যক্তিগণের মধ্যে সর্ববিধ অসদ্ভাবের সম্পূর্ণ অবসানের বার্তা ঘোষণা করুক।

- স্বামী বিবেকানন্দ


জয়তু স্বামীজি!!!

এই ছবিটি খুবই দুর্লভ একটি ছবি।ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৃতদেহ।শশ্মানে নিয়ে যাওয়ার পর বিদ্যাসাগরের মৃতদেহের যে দুটি ছব...
10/09/2019

এই ছবিটি খুবই দুর্লভ একটি ছবি।ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৃতদেহ।শশ্মানে নিয়ে যাওয়ার পর বিদ্যাসাগরের মৃতদেহের যে দুটি ছবি তোলা হয়েছিল এ ছবিটি তাদের মধ্যে একটি।

মৃতদেহকে বসিয়ে রাখাতে ছবিটি অস্বাভাবিক এবং দৃষ্টিকটু হয়েছে।বসে আছেন বাঁদিক থেকে ঈশান চন্দ্র,শম্ভু চন্দ্র,সূর্য কুমার অধিকারী ও পঞ্চম ব্যক্তি নারায়ন,চতুর্থ জনের পরিচয় জানা যায়নি।১৮৯১ সালের ২৯ জুলাই বাংলা তথা ভারতবর্ষের নারী জাগরণের অগ্রদুত মারা যান।আজ আমাদের ছেলে
মেয়েদের শোবার ঘরে শাহরুখ-সালমানের ছবি পাওয়া যায়।অথচ প্রতিটি ভারতবর্ষের তরুনদের বিশেষ করে মেয়েদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত এই অসামান্য মেধাবী,দানবীর মহৎপ্রান মানুষটির প্রতি।
(কালেক্টেড)
#জয়শ্রীরাম।ভগবান তাঁকে স্বর্গবাসী করুন।
LIKE : Our Page

বাঙালি মেয়ের নাসা যাওয়ার গুজব; শিক্ষার নামে কয়েকশ কোটি টাকার অলিম্পিয়াড ব্যবসা। ব্যবসা করতে গেলে নতুন নতুন পরিকল্পনা চাই...
30/08/2019

বাঙালি মেয়ের নাসা যাওয়ার গুজব; শিক্ষার নামে কয়েকশ কোটি টাকার অলিম্পিয়াড ব্যবসা। ব্যবসা করতে গেলে নতুন নতুন পরিকল্পনা চাই। আর সেটা যদি হয় স্কুলের ছেলে-মেয়েদের নিয়ে; তাহলে তো আর কথাই নেই। নিজের ছেলে মেয়ের শিক্ষা ও অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকা নিয়ে সব বাবা-মা-ই সর্বদা উৎকণ্ঠিত। আর বাবা-মায়ের সেই আবেগকে হাতিয়ার করেই ভারত জুড়ে কয়েকশো কোটি টাকার ব্যবসা ফেঁদেছে সিলভার জোন পাবলিশার্স।
আর তার মধ্যে; “নাসা যাওয়ার ডাক পেল পুরুলিয়ার কিশোরী”; এইধরনের কোন ভুয়ো খবর যদি বাজারে ছাড়া যায়; তাহলে তো সোনায় সোহাগা। “নাসা যাওয়ার ডাক পেল পুরুলিয়ার কিশোরী”। কয়েকদিন আগেই সব বাংলা সংবাদমাধ্যমে; বড়বড় করে নিউউ হয়। বড় হয়ে সে মহাকাশে যেতে চায়; আর তার আগেই; পুরুলিয়া শহরের কিশোরী অভিনন্দা ঘোষের হাতে যেন চাঁদ এসে হাজির। দিল্লির একটি বেসরকারি সংস্থা আয়োজিত; বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে সফল হয়ে সুযোগ মিলেছে; ‘নাসা’-য় পাড়ি দেওয়ার।
খবরটি পড়ে পুরুলিয়া সহ; গোটা রাজ্যের বহু মানুষ উল্লসিত। হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ঘটনাটি কি আদৌ সত্য বা কত টুকু সত্য নিহিত আছে? বিষয়টি নিয়ে পুরুলিয়া যুক্তিবাদী সমিতির এক সম্পাদক এবং এক সাংবাদিক; সত্য উতঘাটনের চেষ্টা করেন। International Science Olympiad নামক একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা; কিছু বিষয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে; এবং তা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত হয়।
নাসার এক কর্মকর্তাকে মেল করলে উত্তরে নাসা জানায়; “NASA does not sponsor and is not associated with the organization (Silver Zone) that you refer to in your message”। তবে তারা আরও জানায়,”However, the general public is welcome to visit and tour many NASA installations”।
আসলে গোটা বিশ্বের মত; ভারতের যে কোন স্কুলই তাদের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে; নাসাতে যেতেই পারে। আগে থেকে স্কুলের নাম দিয়ে অনুমতি নিয়ে রাখলেই হল। আর এটাকেই নিজেদের প্রচারের অঙ্গ করে; সাধারণ মানুষকে বোকা বানাচ্ছে সিলভার জোন বই পাবলিশার্স।
Siver Zone তাদের বই বিক্রির এক বিরাট ব্যবসা ফেঁদেছে; এবং নানাভাবে মানুষকে বোকা বানাচ্ছে। এবং দেশ ও রাজ্যের কিছু ইংলিশ মাধ্যম স্কুল; তাদের বাজারদর আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। কারন ওই সব স্কুল ব্যবসার এক একটা কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষ দুষছেন সংবাদমাধ্যমকেও। খবরের সত্যতা যাচাই না করেই; বাংলার সংবাদ মাধ্যম দিল ‘নাসার ডাক’ গল্প।
এবার আসা যাক আসল তথ্যে। Silver Zone এর International Olympiad ১০ টি বিষয়ে হয়। সায়েন্স, ম্যাথস, জিকে, ইংলিশ, কম্পিউটার সায়েন্স সহ মোট ১০টি বিষয়ে। পড়তে হবে তাদেরই বই। নিচু ক্লাসের একটি একটি বিষয়ে বইয়ের দাম; মোটামুটি ৩৫০ টাকা দিয়ে শুরু। আর একটি বিষয়ে পরীক্ষা দিতে গেলে দিতে হবে ১৫০ টাকা পরীক্ষা ফি। অর্থাৎ একটি সাবজেক্টে পরীক্ষা দিলে; একজন ক্লাস থ্রির ছাত্রের খরচ (বই ৩৫০ টাকা + ফি ১৫০ টাকা) মোট ৫০০ টাকা।
সাধারণত সকলেই ৩-৪ টি বিষয়ে পরীক্ষা দেয়। কারণ এটা এখন বাবা-মা দের প্রেস্টিজ ইস্যু। “তোমার ছেলে International Olympiad দিয়েছে? আমার ছেলে গতবার সায়েন্সে রুপো পেয়েছে”। সবচেয়ে কম যদি ধরি; একটি ছাত্র বা ছাত্রী যদি ২টি সাবজেক্টে পরীক্ষা দেয়; তাহলে তার খরচা ২টি বই ৩৫০ টাকা করে ৭০০ টাকা। আর ২টি বিষয়ে এন্ট্রি ফি ১৫০ টাকা করে ৩০০ টাকা। অর্থাৎ সবচেয়ে নিচু ক্লাসের; একজন ছাত্র বা ছাত্রীর মাথাপিছু খরচ ১০০০ টাকা।
এবছর পরীক্ষা দিচ্ছে ১৮ লক্ষ্ ছেলে মেয়ে। সবচেয়ে নিচু ক্লাসের বই ও সবচেয়ে কম ২টি সাবজেক্টে পরীক্ষা ধরে; সিলভার জোনের ইনকাম ১৮০ কোটি টাকা। বড় ক্লাসের বইয়ের খরচা আরও বেশি বেশি। আর অর্ধেক ছাত্র ছাত্রী যদি ৪টি সাবজেক্টে পরীক্ষা দেয়; তাহলে এই ইনকাম বেড়ে দাঁড়াবে; আরও ২০০ কোটির বেশি। অর্থাৎ প্রতি বছর এই International Olympiad এর নাম করে প্রায় ৩০০-৪০০ কোটি টাকা আয় করে সিলভার জোন।
#সূত্র_হোয়া

28/08/2019
নিজের দুই ছেলে,ছোটো ছেলের বিয়ের তিন দিনের মাথায় মাকে নবদ্বীপ প্লাটফর্মে রেখে ছেলেরা হাওয়া।এক সপ্তাহ ধরে এখানেই,দিনরাত...
28/08/2019

নিজের দুই ছেলে,ছোটো ছেলের বিয়ের তিন দিনের মাথায় মাকে নবদ্বীপ প্লাটফর্মে রেখে ছেলেরা হাওয়া।এক সপ্তাহ ধরে এখানেই,
দিনরাত শুধু কষ্ট গিলে খায়
ওরা কিভাবে পারে জানিনা,আমার তো ভাবলেই কান্না পায়

ফেলে দেওয়া সদ্যোজাতকে কুড়িয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা করে সুস্থ করে তুললেন এই পুলিশ কর্মী.. স্যালুট স্যার 🙏
26/08/2019

ফেলে দেওয়া সদ্যোজাতকে কুড়িয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা করে সুস্থ করে তুললেন এই পুলিশ কর্মী.. স্যালুট স্যার 🙏

 #রেল_থেকে_পরে_গেলো_অজ্ঞাত_পরিচিত_শিশু বৃহস্পতিবার ভোরে UP 13141 TISTA TORSA EXPRESS  থেকে এই শিশু টি তিন মাইল স্টেশনে প...
23/08/2019

#রেল_থেকে_পরে_গেলো_অজ্ঞাত_পরিচিত_শিশু

বৃহস্পতিবার ভোরে UP 13141 TISTA TORSA EXPRESS থেকে এই শিশু টি তিন মাইল স্টেশনে পরে যায় ! শিশুটি এখন প্রায় সুস্থ তবে NJP RAILWAY HOSPITAL এ রয়েছে ।

আসুন না এই post টিকে share করে শিশুটির প্রকৃত মা বাবার কাছে ফিরিয়ে দেই !

Address

Krishnanagar
741101

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Krishnanagar Collegiate School Friends posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category