Ghurni Boys High School - HS

Ghurni Boys High School - HS Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ghurni Boys High School - HS, School, SH 11, Ghurni, Krishnanagar.

12/01/2023
01/12/2019

বহুদিন আগে একটি গল্প পড়েছিলাম। একবার বেইজিং শহরের এক মহল্লায়, এক যুবতী ধর্ষিতা হয়েছিলো। এই খবর চেয়ারম্যান বিপ্লবী মাও সে তুং এর কাছে পৌঁছে ছিলো । তিনি সেই ধর্ষিতা মেয়েটির কাছে নিজে পৌঁছে গিয়েছিলেন । তিনি গিয়ে প্রথমেই মেয়ে টিকে জিজ্ঞাসা করলেন, "তুমি যে সময় আক্রান্ত হয়ে ছিলে তখন তুমি বাঁচার জন্য চিৎকার করেছিলে ?"
মেয়ে টি মাথা নেড়ে উত্তর দেয় " হ্যা "।
চেয়ারম্যান মেয়েটির মাথায় হাত বুলিয়ে বলে , "মেয়ে আমার তুমি কি সেই শক্তি দিয়ে আবার চিৎকার করতে পারবে ? " মেয়েটি উত্তর " হ্যা"
এর পর মাও এর নির্দেশে সিপাহিদের আধা কিলোমিটারের সার্কেলে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। আর মেয়েটিকে বলা হয় তুমি আবার সেই শক্তি দিয়ে ই চিৎকার কর। মেয়ে টি তাই করলো , এবং মাও তখুনি দাঁড়িয়ে থাকা সব সিপাহিদের ডেকে প্রত্যেক কে আলাদা আলাদা করে জিজ্ঞাসা করলো , তোমরা মেয়েটির চিৎকার শুনেছো । সবার উত্তর " হ্যা " । চেয়ারম্যান মাও এবার সিপাইদের নির্দেশ দেন "ঐ ঘটনাস্থলের আধা কিলোমিটার সার্কেলের মধ্যে যত পুরুষ আছে সবাইকে গ্রেফতার করা হোক , আর আধা ঘন্টার মধ্যে যদি দোষী শনাক্ত না হয় তবে সবাইকে গুলি করে হত্যা কর ।"
সাথে সাথে ই এই আদেশ পালন হোলো । আর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই খুব বেশি ২০ মিনিটের মধ্যেই দোষী ধরা পড়লো। দোষীকে মাও এর সামনে হাজির করা হোলো । মেয়ে টি দোষীদের চিনিয়ে দিলো । এর পর চেয়ারম্যান এর নির্দেশে সেই দোষী দের মুন্ডচ্ছেদ করা হোলো ।
ধর্ষণের ঘটনা ঘটা থেকে শাস্তি প্রদানের সময় লাগলো বড়জোর তিন ঘন্টা।
একেই বলে ন্যায় বা ইনসাফ। আর এই জন্যই চীন আজ সব দিক থেকে প্রগতির পথে ।
সত্যি যদি এমনটা আমার দেশেও হোতো !!! তবে এত মেয়ে কে আর ধর্ষণের শিকার হতে হতো না ।
কিন্তু আমার দেশে তো মেয়েরা ধর্ষিতা হয়ে বেঁচে থাকলে তাদের বছরের পর বছর কাটে কোর্টের চক্কর খেতে খেতে । আর মরে গেলে তাদের জন্য বের হয় মোমবাতি মিছিল!!!


Salim zafar
দিপ্তী মিশ্রার দেওয়াল থেকে সংগৃহীত
বাংলায় অনুবাদ পীযূষ।

 #সিগারেট_বনাম_ইট১টি সিগারেটের দাম দিয়ে একটি ইট কেনা যায়যারা দৈনিক ১ প্যাকেট টানেনতারা দৈনিক ২০ টামাসে ২০×৩০ = ৬০০বছরে ১...
19/11/2019

#সিগারেট_বনাম_ইট
১টি সিগারেটের দাম দিয়ে একটি ইট কেনা যায়
যারা দৈনিক ১ প্যাকেট টানেন
তারা দৈনিক ২০ টা
মাসে ২০×৩০ = ৬০০
বছরে ১২×৬০০ = ৭২০০
৫ বছরে ৭২০০×৫ = ৩৬০০০
তারমানে ৫ বছরে ৩৬০০০ ইট কিনতে পারবেন
মানে একটি ছোটখাটো একতালা বিল্ডিং এর মালিক হতে পারবেন
এখন সিদ্ধান্ত আপনার, বিল্ডিং বানাবেন
না ফুসফুসে ক্যন্সার বানাবেন?
বর্তমানে সিগারেট এর দাম যে হারে বাড়ছে বাড়ি বানানোর পর একটা বাইক ও কিনতে পারবেন ।

বি.দ্র. সিদ্ধান্ত আপনার..

 ার_দেখা_সেরা_ছবি।
29/10/2019

ার_দেখা_সেরা_ছবি।

অমিত বাবুকে জানিয়ে দিও  ইউনেস্কো বাংলা ভাষাকে সুইটেস্ট ল্যাঙ্গুয়েজ অফ দি ওয়ার্ল্ড আখ্যা দিয়েছে..পৃথিবীর ৩০ টা দেশের বিশ্...
14/09/2019

অমিত বাবুকে জানিয়ে দিও ইউনেস্কো বাংলা ভাষাকে সুইটেস্ট ল্যাঙ্গুয়েজ অফ দি ওয়ার্ল্ড আখ্যা দিয়েছে..পৃথিবীর ৩০ টা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা পড়ানো হয়। আফ্রিকার শিয়েরা লিওনের দ্বিতীয় অফিসিয়াল ভাষা বাংলা।
তথ্য সূত্র 👇👇 https://indianexpress.com/article/research/how-bengali-became-an-official-language-in-sierra-leone-in-west-africa-international-mother-language-day-2017-4536551/
রাষ্ট্রিয় ভাষা যদি রাখতেই হয় তাহলে বাংলা হোক রাষ্ট্র ভাষা, খোট্টাদের অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়াতে আজ একথা বলার সাহস করছে। ভাষাটার নিজস্ব লিপি পর্যন্ত নেই, দেবনাগরী লিপিতে কাজ চালায়, সেই ভাষায় নাকি গোটা দেশকে কথা বলতে হবে ছ্যা !

দেশের জাতিয় সঙ্গীত, রাষ্ট্রিয় গান দুই বাংলা গান,
স্বাধীনতা সংগ্রামে যে জাতির সব থেকে বেশি অবদান সেটা হল বাঙালি জাতি,
দেশের আসল জাতির জনক নেতাজির মাতৃ ভাষা বাংলা,
বাংলা হোক ভারতের রাষ্ট্রভাষা (হিন্দি চাপাতে চাই তাই এটা বলছি)।


আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস বাংলা ভাষার জন্য বলিদানকে মনে রেখে। অষ্ট্রেলিয়ার সংসদে স্বীকৃত বাংলা ভাষা।আর এই দেশটা বহু ভাষাভাষীর..দক্ষিন ভারতে হিন্দি না জানা মানুষই সাক্ষরতার হারে এগিয়ে।সুতরাং ক্ষ্যাপামো না করে ভারতের ভাষার ইতিহাস পড়ুন...আর আপনাদের অনুগত হনু গুলোকে পড়ান। মনে রাখবেন সালাম,সফিকুলরা আমাদের মাঝেই বেঁচে আছে! প্রয়োজনে আবার রক্ত দেব..
জয় বাংলা ❤️❤️।

The contribution made by the Bangladeshi peacekeeping force was hugely appreciated by the Sierra Leone government.

ফেসবুকে অনেক ছবি দেখেছি,,কিন্তু এইটার মতো সুন্দর ছবি আর দেখিনি 💕বাবা মা ও সদ্যজাত শিশুর  এক সাথে অপূর্ব  হাসি 💖    অসাধা...
13/09/2019

ফেসবুকে অনেক ছবি দেখেছি,,
কিন্তু এইটার মতো সুন্দর ছবি আর দেখিনি 💕
বাবা মা ও সদ্যজাত শিশুর এক সাথে অপূর্ব হাসি 💖

অসাধারণ ♥️

 #বাঙালি_বিদ্বেষী_নিপাত_হউক #আমরা_আমিষ_বাঙালীএটা একদিন হবে তা আগেই জানতামপুজোর আগে আগে "অনলি ভেজ", "বি ভেগান", "গাই হামা...
12/09/2019

#বাঙালি_বিদ্বেষী_নিপাত_হউক
#আমরা_আমিষ_বাঙালী
এটা একদিন হবে তা আগেই জানতাম

পুজোর আগে আগে "অনলি ভেজ", "বি ভেগান", "গাই হামারী মাইয়া হ্যায়", "মাছ খাবেন না, মাছ বিষ্ণুর অবতার"-এর রোল ওঠা + "ইন্ডিয়া মে রেহেনা হ্যায়, তো হিন্দি বলনা হ্যায়" মিলে কেমন যেন দুয়ে দুয়ে গেরুয়া হয়ে যায় না?

না কি বাঙালি অংকে কাঁচা?

এই অংক বুঝে নাও। হিসেব মেলাতে হবে যে...নয়তো দাম চোকাতে হবে।

ভাবো, কোনটা করবে?

অবাঙালীরা প্রথমে বাঙালির ভাষার ওপর আহাত করেছে, তারপর বাঙালির আচার রীতিনীতি ও সংস্কৃতিকে নষ্ট করার চেষ্টা করছে আর এবার ওদের পরবর্তী টার্গেট হল বাঙালির খাদ্যাভ্যাস পুরোপুরি নষ্ট করে দেওয়া।

আমরা মাছ মাংস কারও বাবার টাকায় খাইনা, তাই কাওকে জমা খরচ দেব না।

আজ ১১ই সেপ্টেম্বর...আজ সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ১৮৯৩ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর আমেরিকার চিকাগো ধর্ম মহাসভায় বক্তৃতা দিয়েছিলেন স্বাম...
12/09/2019

আজ ১১ই সেপ্টেম্বর...

আজ সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।
১৮৯৩ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর আমেরিকার চিকাগো ধর্ম মহাসভায় বক্তৃতা দিয়েছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। আজ তার ১২৬ বর্ষপূর্তি। চিকাগো ধর্ম সম্মেলনে ভারত সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ বৈদিক জ্ঞানের আগুন জালিয়ে দিয়ে এলেন প্রতীচ্যে। তুলে ধরলেন বিজয় কেতন। আজ আমাদের সমগ্র জাতির কাছে গর্বের দিন। স্বামী বিবেকানন্দের সেই বক্তৃতার বঙ্গানুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হল আপনাদের সকলের জন্যে আরো একবার আজকের এই মহাপুণ্য দিনে... জয়তু স্বামীজী মহারাজ!!!

হে আমেরিকাবাসী ভগিনী ও ভ্রাতৃবৃন্দ, আজ আপনারা আমাদিগকে যে আন্তরিক ও সাদর অভ্যর্থনা করিয়াছেন, তাহার উত্তর দিবার জন্য উঠিতে গিয়া আমর হৃদয় অনিবর্চনীয় আনন্দে পরিপূর্ণ হইয়া গিয়াছে। পৃথিবীর মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন সন্ন্যাসি-সমাজের পক্ষ হইতে আমি আপনাদিগকে ধন্যবাদ জানাইতেছি। সর্বধর্মের যিনি প্রসূতি-স্বরূপ, তাঁহার নামে আমি আপনাদিগকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করিতেছি। সকল জাতি ও সম্প্রদায়ের অন্তর্গত কোটি কোটি হিন্দু নরনারীর হইয়া আমি আপনাদিগকে ধন্যবাদ দিতেছি।
এই সভামঞ্চে সেই কয়েকজন বক্তাকেও আমি ধন্যবাদ জানাই, যাঁহারা প্রাচ্যদেশীয় প্রতিনিধিদের সম্বন্ধে এরূপ মন্তব্য প্রকাশ করিলেন যে, অতি দূরদেশবাসী জাতিসমূহের মধ্য হইতে যাঁহারা এখানে সমাগত হইয়াছেন, তাঁহারাও বিভিন্ন দেশে পরধর্মসহিষ্ণুতার ভাব প্রচারের গৌরব দাবি করিতে পারেন। যে ধর্ম জগৎকে চিরকাল পরমতসহিষ্ণুতা ও সর্বাধিক মত স্বীকার করার শিক্ষা দিয়া আসিতেছে, আমি সেই ধর্মভুক্ত বলিয়া নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করি। আমরা শুধু সকল ধর্মকেই সহ্য করিনা, সকল ধর্মকেই আমরা সত্য বলিয়া বিশ্বাস করি। যে ধর্মের পবিত্র সংস্কৃত ভাষায় ইংরেজী ‘এক্সক্লুশন’ (ভাবার্থঃ বহিঃস্করণ, পরিবর্জন) শব্দটি অনুবাদ করা যায় না, অমি সেই ধর্মভুক্ত বলিয়া গর্ব অনুভব করি। যে জাতি পৃথিবীর সকল ধর্মের ও সকল জাতির নিপীড়িত ও আশ্রয়প্রার্থী জনগণকে চিরকাল আশ্রয় দিয়া আসিয়াছে, আমি সেই জাতির অর্ন্তভুক্ত বলিয়া নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করি। আমি আপনাদের এ-কথা বলিতে গর্ব অনুভব করিতেছি যে, আমরাই ইহুদীদের খাঁটি বংশধরগণের অবশিষ্ট অংশকে সাদরে হৃদয়ে ধারণ করিয়া রাখিয়াছি; যে বৎসর রোমানদের ভয়ংঙ্কর উৎপীড়নে তাহদের পবিত্র মন্দির বিধ্বস্ত হয়, সেই বৎসরই তাহারা দক্ষিণ ভারতে আমাদের মধ্যে আশ্রয়লাভের জন্য আসিয়াছিল। জরাথুষ্ট্রের অনুগামী মহান পারসীক জাতির অবশিষ্টাংশকে যে ধর্মাবলম্বিগণ আশ্রয় দান করিয়াছিল এবং আজ পর্যন্ত যাহারা তাঁহাদিগকে প্রতিপালন করিতেছে, আমি তাঁহাদেরই অন্তর্ভুক্ত। কোটি কোটি নরনারী যে-স্তোত্রটি প্রতিদিন পাঠ করেন, যে স্তবটি আমি শৈশব হইতে আবৃত্তি করিয়া আসিতেছি, তাহারই কয়েকটি পঙক্তি উদ্ধৃত করিয়া আমি আপনাদের নিকট বলিতেছিঃ ‘রুচীনাং বৈচিত্র্যাদৃজুকুটিলনানাপথজুষাং। নৃণামেকো গম্যস্ত্বমসি পয়সামর্ণব ইব।।
–বিভিন্ন নদীর উৎস বিভিন্ন স্থানে, কিন্তু তাহারা সকলে যেমন এক সমুদ্রে তাহাদের জলরাশি ঢালিয়া মিলাইয়া দেয়, তেমনি হে ভগবান, নিজ নিজ রুচির বৈচিত্র্যবশতঃ সরল ও কুটিল নানা পথে যাহারা চলিয়াছে, তুমিই তাহাদের সকলের একমাত্র লক্ষ্য।
পৃথিবীতে এযাবৎ অনুষ্ঠিত সন্মেলনগুলির মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাসন্মেলন এই ধর্ম-মহাসভা গীতা-প্রচারিত সেই অপূর্ব মতেরেই সত্যতা প্রতিপন্ন করিতেছি, সেই বাণীই ঘোষণা করিতেছি ‘যে যথা মাং প্রপদ্যন্তে তাংস্তথৈব ভজাম্যহম্। মম বর্ত্মানুবর্তন্তে মনুষ্যাঃ পার্থ সর্বশঃ।।'–যে যে-ভাব আশ্রয় করিয়া আসুক না কেন, আমি তাহাকে সেই ভাবেই অনুগ্রহ করিয়া থাকি। হে অর্জুন মনুষ্যগণ সর্বতোভাবে আমার পথেই চলিয়া থাকে।
সাম্পদায়িকতা, গোঁড়ামি ও এগুলির ভয়াবহ ফলস্বরূপ ধর্মোন্মত্ততা এই সুন্দর পৃথিবীকে বহুকাল অধিকার করিয়া রাখিয়াছে। ইহারা পৃথিবীকে হিংসায় পূর্ণ করিয়াছে, বারবার ইহাকে নরশোণিতে সিক্ত করিয়াছে, সভ্যতা ধ্বংস করিয়াছে এবং সমগ্র জাতিকে হতাশায় মগ্ন করিয়াছে। এই-সকল ভীষণ পিশাচগুলি যদি না থাকিত, তাহা হইলে মানবসমাজ আজ পূর্বাপেক্ষা অনেক উন্নত হইত। তবে ইহাদের মৃত্যুকাল উপস্থিত; এবং আমি সর্বতোভাবে আশা করি, এই ধর্ম-মহাসমিতির সন্মানার্থ আজ যে ঘন্টাধ্বনি নিনাদিত হইয়াছে, তাহাই সর্ববিধ ধর্মোন্মত্ততা, তরবারি অথবা লিখনীমুখে অনুষ্ঠিত সর্বপ্রকার নির্যাতন এবং একই লক্ষ্যের দিকে অগ্রসর ব্যক্তিগণের মধ্যে সর্ববিধ অসদ্ভাবের সম্পূর্ণ অবসানের বার্তা ঘোষণা করুক।

- স্বামী বিবেকানন্দ


জয়তু স্বামীজি!!!

ব্যর্থ কে? কলকাতায় ফণী নাকি হুজুগে বাঙালি?********************************রেললাইনের সঙ্গে লোহার চেন দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছ...
04/05/2019

ব্যর্থ কে? কলকাতায় ফণী নাকি হুজুগে বাঙালি?
********************************
রেললাইনের সঙ্গে লোহার চেন দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে ট্রেনের বগি। বলা হল ঝড়ের দাপটে নাকি ট্রেন বেলাইন হতে পারে কারশেডে। এর সত্যতা কতটা তা কিন্তু পরিষ্কারভাবে বললেন না রেল কোম্পানির কোনও অধিকর্তা।

শুরুতেই স্বস্তির শ্বাস ফেলা যাক। ভুবনেশ্বরের আশেপাশে যা ঘটেছে তার সরাসরি খবর পেয়েছি সেই জায়গার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা ছাত্রদের কাছ থেকে। ওড়িশার এই অঞ্চলকে লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে গেছে প্রকৃতি। তার মধ্যেও মানুষকে অবশ্যই সাহায্য করেছে আবহাওয়া বিজ্ঞান। আগের থেকে জানা থাকায় সাবধান হয়েছে প্রশাসন, সতর্ক থেকেছেন সাধারণ মানুষ। এতো বড় একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগের তুলনায় প্রাণহানি হয়েছে বেশ কম। ওড়িশার সরকার সময়োচিত ব্যবস্থা নিয়েছে। বিজ্ঞানের সাহায্য নিয়ে ভবিষ্যৎ দর্শনের কথা এখানে বারবার উঠে আসবে।

আবহাওয়া বিশ্লেষণ বিজ্ঞানের কোন মৌলিক শাখা নয়। পৃথিবীর ভূগোলের সঙ্গে সে আজকের দিনে নির্ভর করে থাকে অঙ্ক, পদার্থবিজ্ঞান, বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি এবং দূর যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতমানের বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতির ওপর। বিশেষ করে কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ছবি, এবং তার ওপর নির্ভর করে দ্রুতগতিতে গণকযন্ত্রের অসংখ্য অঙ্ক কষার ক্ষমতা আমাদের সাহায্য করে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে একটা ধারণা দিতে। আবহাওয়ার বিষয়ে আজকাল অনেক কিছুই মিলে যায়। ঠিক সেই নিয়মেই গত দিন দিন ধরে আমরা বেশ ভালোভাবে জানতাম ঘূর্ণিঝড় ফণী সম্পর্কে। ভগবানের দয়ায় ফণী কলকাতায় কিংবা সে ভাবে ভাবতে গেলে পশ্চিমবঙ্গের কোন অঞ্চলেই তেমন ছোবল মারে নি। কলকাতার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় একশো কিলোমিটার গতির ঝড় বয়ে গেলে কি হতে পারত তা ভাবলে শিউরে উঠতে হয়। সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিযোগিতামূলক সাম্প্রদায়িকতায় অংশগ্রহণ করে বিধাতা, আল্লা, যীশু, এবং আর বিভিন্ন ধর্মের যে সমস্ত দেবদেবী আছেন তাঁরাই আমাদের রক্ষা করেছেন।

অর্থাৎ এখানে যেটা বলা প্রয়োজন তা হল ওড়িশায় বিজ্ঞানকে হাতিয়ার করে সরকারের যে প্রস্তুতি সেখানে বিজ্ঞান ভবিষ্যতকে দেখতে পেয়েছিল ঠিকঠাক। ক্ষতি কিছু হয়েছে, কিন্তু সব মিলিয়ে সে পরিমাণ সীমিত। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষতি প্রায় কিছুই হয় নি, তার কারণ বিজ্ঞান অকৃতকার্য। যে ভয় দেখানো হয়েছিল, তা একেবারেই ঠিক নয়। আবহাওয়াবিদরা যদি বারবার বলেন যে ব্যাপক ঝড় হবে কলকাতায়, এবং যখন অজ্ঞ হলেও পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে ঝড় কলকাতায় আসছে না, সেই সময়েও বিভিন্ন গল্প বানিয়ে যদি মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা হয় অনাগত ভয়াবহতার কথা, তাহলে সে ব্যর্থতা বিজ্ঞানীর, সে ব্যবসা সংবাদমাধ্যমের, সে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা ভোটপিপাসু রাজনৈতিক দলের।

ভাবুন একবার পশ্চিমবঙ্গের কথা। ঝড়ের সরলরৈখিক গতিবেগ বলা হচ্ছে ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটারের আশেপাশে। এটা কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের আছড়ে পড়ার সময় বিধ্বংসী গতিবেগ নয়। ঝড় কীভাবে এগোচ্ছে তার গতিবেগ। সেই হিসেবে কলকাতা থেকে যখন কয়েকশো কিলোমিটার দূরে ঘূর্ণিঝড়, তখন থেকেই লাল সতর্কতা। শুক্রবার রাতের আগে কিছুই ঘটবে না সেকথা বোঝা যাচ্ছিল বারবার। তা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের ঘোষণায় এবং মিডিয়ার বাড়াবাড়িতে জনজীবন বিপর্যস্ত। অবশ্যই খোলা ছিল কিছু বেসরকারি বিদ্যালয়, কিন্তু সেখানেও পড়ুয়াদের পাঠাতে বিশেষ সাহস পান নি অভিভাবককুল। রেল কর্তৃপক্ষ বুঝেশুনেই বাতিল করেছেন বিভিন্ন ট্রেন। কিন্তু সংবাদমাধ্যমে দেখানো হল রেললাইনের সঙ্গে লোহার চেন দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে ট্রেনের বগি। বলা হল ঝড়ের দাপটে নাকি ট্রেন বেলাইন হতে পারে কারশেডে। এর সত্যতা কতটা তা কিন্তু পরিষ্কারভাবে বললেন না রেল কোম্পানির কোনও অধিকর্তা।

সব থেকে গোলমাল হল কলকাতা বিমানবন্দরে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম ঘোষণা করা হল বিমানবন্দর বন্ধ থাকার বিষয়ে। সবথেকে বড় কথা তার অনেক আগে থেকেই বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলো অকারণে বাতিল করতে শুরু করল বিভিন্ন উড়ান। শুক্রবার দুপুরে বিশাখাপত্তনম কিংবা ভুবনেশ্বরের কিছু উড়ানে গোলমাল হতে পারে একথা স্বাভাবিক। কিন্তু তার সঙ্গে সারা দেশের অন্যান্য বেশ কয়েকটি নির্ধারিত বিমান বাতিল করার কোন যুক্তিযুক্ত কারণ খুঁজে পাওয়া গেল না।

উড়ান। শুক্রবার দুপুরে বিশাখাপত্তনম কিংবা ভুবনেশ্বরের কিছু উড়ানে গোলমাল হতে পারে একথা স্বাভাবিক। কিন্তু তার সঙ্গে সারা দেশের অন্যান্য বেশ কয়েকটি নির্ধারিত বিমান বাতিল করার কোন যুক্তিযুক্ত কারণ খুঁজে পাওয়া গেল না।

বিজ্ঞান তো ভবিষ্যতের কথা বলবে মোটামুটি ঠিকঠাক। লক্ষ্য করলে দেখবেন বিজ্ঞান থেকে পাওয়া তথ্য কিন্তু একবারও বলে নি যে শুক্রবার রাতের আগে কলকাতায় কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয় হবে। আবহাওয়াবিদরা যে গাদাগাদা বক্তব্য রাখলেন, তাতে কিন্তু এই অংশটা সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। অর্থাৎ বিদগ্ধ বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যায় ঘেঁটে গেল বৈজ্ঞানিক অনুসিদ্ধান্তের সঠিক নিয়ম। আর সংবাদমাধ্যমকে তো সংবাদ বিক্রি করেই বেঁচে থাকতে হয়। তাই দিঘায় সামান্য বৃষ্টির ছাঁট আর ঝোড়ো হাওয়া সারাদিন মশলামুড়ি মাখিয়ে পেশ করা হল দর্শকদের সামনে। সাদামাটা ঝড় বৃষ্টিতেই পেশাদার সাংবাদিকদের অনেকটা অভিনয় করতে হল ক্যামেরার সামনে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুক্রবার সারাদিন পেশ করা হল বিভিন্ন সতর্কবাণী। একবারও ভালোভাবে দেখা হল না বিজ্ঞান কী বলছে।

শনিবার সকালেও গল্প ভেসে বেড়াচ্ছে যে নদিয়া আর মুর্শিদাবাদ ঘুরে রাজশাহীর দিকে এগোচ্ছে সাইক্লোন। সপ্তাহান্তের উত্তেজনা আমাদের রাজ্য ছাড়িয়ে পড়শি দেশের দিকে। আর রাখালের পালে বাঘ না পড়লেও পরোক্ষভাবে ভোটপ্রচার কিছুটা হয়ে গেল বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তার ঘনত্বও বাড়ল অনেকটা।

তাই কলকাতার কান ঘেঁষে ফণীর উড়ে যাওয়ার খবর যতই স্বস্তির হোক না কেন, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকল ব্যাপক এক অস্বস্তির খবরও। তা হল সত্যিই কি কান ঘেঁষে গেল ফণী, নাকি লাল সতর্কতা নিয়ে অনেকটা বেশি বাড়াবাড়ি করা হল! কলকাতার চিকিৎসাক্ষেত্রেও অনুযোগ শোনা যায় যে সামান্য পেটব্যথা নিয়ে গেলে বিষয়টাকে কর্কট রোগের মাত্রায় পৌঁছে দিয়ে রুগীকে ভড়কে দেওয়ার প্রবণতা থাকে কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তির। সরকারি স্কুলগুলোতে হঠাৎ করে গ্রীষ্মকালীন ছুটি বেড়ে গেল একাধারে প্রচণ্ড গরম এবং ঘূর্ণিঝড়ের কারণে। কিন্তু একটা ঘটনাও ঘটল না। বরং আবহাওয়া বেশ মনোরম। আসলে বাঙালির বেশিটাই এখন ফাঁপা, গভীরে গিয়ে ভাবার সুযোগ কম। শুধু রাজনীতিকে দোষ দিয়ে লাভ নেই, বিষয়টা সামাজিক। হুজুগে বাঙালি তাই মেতে উঠল ঘূর্ণিঝড়ে, আর অবিমৃশ্যকারিতার ঠেলায় এ যাত্রায় ব্যর্থ বিজ্ঞান।

(শুভময় মৈত্র ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত।)

JIHADI দেখেছো কখনও? আজকে দেখে নাও। পারলে অন্যজন কেও দেখিয়ে দিও!  #জিহাদি
29/04/2019

JIHADI দেখেছো কখনও?

আজকে দেখে নাও।

পারলে অন্যজন কেও দেখিয়ে দিও!

#জিহাদি

আজকের...সেরা ..ছবি ....ছবি...সংগৃহীত ...
29/04/2019

আজকের...সেরা ..ছবি ....
ছবি...সংগৃহীত ...

Address

SH 11, Ghurni
Krishnanagar
741103

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ghurni Boys High School - HS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category