Hamara News

Hamara News

Share

hamara news..only true news.. hamara news..only true news.......

07/05/2019

যে সিরাজদ্দৌলা সৌম্যাদিপ এর সঙ্গে মিলে আন্দোলনকারী কলেজের ছাত্রীদের বলেছিল ক্যামেরা না থাকলে রেপ করে বডি বিছিয়ে দিতাম আজ সেই সিরাজ এর বিরুদ্ধে নোংরা মন্তব্য করার জন্য কোনরকম ব্যবস্থা না নিয়েই কর্তৃপক্ষ উল্টো তাকেই অ্যান্টি ragging স্কোয়াডের সদস্য বানালো..

ওয়াহ ডিরেক্টর ওয়াহ..

ধিক্কার..

06/03/2019

প্রতারিত নজমুল হক এর wall theke..

ব্লক করে গুজব ছড়িয়ে সত্য লুকানো যায়না..

আমি নজমুল.. মালদার একজন প্রতারিত ছাত্র..কেনো নিজেকে এখনও পর্যন্ত প্রতারিত বলছি??..কারণ বাস্তবেই আমি প্রতারিত..শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রতারিত..উচ্চশিক্ষায় সরকার দ্বারা প্রতারিত..

2014সালে একটি নামিদামি খবরের কাগজে কেন্দ্রীয় সরকারের এই কলেজ তে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি দেখতে পাই..তখন আমি সবে মাধ্যমিক দিয়েছি..কিন্তু মাধ্যমিক পাস করেও এই কলেজে ভর্তি হওয়া যায় এবং মডুলার প্যাটার্নের নিয়মে এখানে মাধ্যমিক পাশের পরেও যথাক্রমে 6বছরের কোর্স (2+2+2 মডিউলে পড়লে) যথাক্রমে 12th সমতুল্য ভোকেশনাল অথবা সার্টিফিকেট কোর্স, তারপর 2বছরের ডিপ্লোমা তারপর 2বছরের বিটেক করিয়ে সম্পূর্ণ মডুলার প্যাটার্নের কোর্স করিয়ে একটি 6বছরের ডিগ্রি কোর্স পাওয়া যাবে..তখন সবে মাধ্যমিক দিয়েছি তাই কোর্স বুঝাটা আমার কাছে একটু অসম্ভবই ছিল..তবে মাধ্যমিকের পরেই কলেজে ভর্তি হবো এই আশায় অনেকটাই বুক বেধেছিলাম..যথারীতি অ্যাডমিশন টেস্ট দিয়ে বৈধ রাঙ্ক করে নিজের পছন্দসই মনে হওয়া কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় মডুলার প্যাটার্নের কোর্সে ভর্তি হয়..কিন্তু কলেজটির এফিলিয়েশন অ্যাপ্রুভাল এর জটে..মডুলার প্যাটার্নের প্রথম ধাপ অর্থাৎ সার্টিফিকেট কোর্স করার পরেই মডুলার প্যাটার্নের দ্বিতীয় ধাপ অর্থাৎ 2বছরের ডিপ্লোমাতে ভর্তি কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ে..তারপর বহু আন্দোলন..কাঠখড় পুড়িয়ে মডুলার প্যাটার্নের দ্বিতীয় ধাপ অর্থাৎ 2বছরের ডিপ্লোমাতে 2017 সালে লেট সেমিস্টার এ ভর্তি নিয়েছিল ঠিকই..কিন্তু আশ্চর্য জনক ভাবে আমার কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখা বদলে কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি তে পরিবর্তিত হয়..তবুও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে একদমই না পাওয়ার থেকে কিছু পাওয়ার চাহিদায় আমি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ দুই বছর পড়ার পরেও কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি শাখাকেই মেনে নিয়ে পড়তে শুরু করি..কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে কম্পিউটার সাইন্স এ পরিবর্তন..কতটা জটিল হয়ে উঠেছিল আমার পড়াশুনাটা সেটা লিখে বুঝানো অসম্ভব..ভেবেছিলাম অন্তত মডুলার প্যাটার্নের শেষ 2 বছরের বিটেক পর্যন্ত পড়তে পড়তে কেমিক্যাল থেকে এই কম্পিউটারের বিভাগ পরিবর্তনের ফলে ক্ষতি হওয়া পড়াশুনার ধাক্কা টা সামলে নিবো..কিন্তু সেটা আর হয়ে উঠেনি অথবা হয়ে উঠতে দেইনি এখানকার কর্তৃপক্ষ..প্রথমত এখানকার মডুলার প্যাটার্নের কোর্সটিকেই বন্ধ করে দেই এখানকার প্রতারক কর্তৃপক্ষ..এবং সরকারি নিয়ম কে কার্যত আঙ্গুল দেখিয়েই পুরনো মডুলার প্যাটার্নের নিয়মে ভর্তি হওয়া ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস ও বন্ধ করিয়ে দেই এখানকার কর্তৃপক্ষ..অথচ ভর্তির সময় বলা হয়েছিল 6বছরের কোর্স করাবে বলে..কিন্তু তারা সেটার দাবি করে ভর্তি নিলেও সেটা করাইনি..

এমনকি বহুক্ষেত্রে আমাদের সহপাঠী সিনিয়াররা অন্য কলেজে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হতে গেলেও ভর্তি নেইনি সার্টিফিকেটের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন তথা মডুলার প্যাটার্নের 6বছর পূরণ না হওয়ায় সার্টিফিকেট টি কিসের সমতুল্য সেটা কোথাও উল্লেখ না থাকায়..বঞ্চিত করা হয়েছে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে..তারপর আমরা সার্টিফিকেটের বৈধতা এবং তেই মডুলার প্যাটার্নের কোর্সটি সম্পূর্ণ করানোর দাবি অর্থাৎ শেষ দুই বছরের বিটেক কোর্স করানোর দাবিতে কলকাতার রাজপথে শুয়ে বসে কাটিয়ে আন্দোলন করে এসেছি..এসময় আমাদের দাবি ন্যায্য থাকলেও কর্তৃপক্ষের তরফে এসেছে বিভিন্ন হুমকি..প্রলোভন..কিন্তু আমরা নিজেদের বৈধ সার্টিফিকেট ও উচ্চশিক্ষার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে গেছি..আন্দোলনের চাপে কেন্দ্রীয় সরকার আমাদের সার্টিফিকেট টিকে অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের সমতুল্য বলে এবং 6বছরের মডুলার প্যাটার্ন একটি ডিগ্রি ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স বলে মেনে একটি গেজেট নোটিফিকেশন বের করে..গেজেট নোটিফিকেশন অনুযায়ী আমাদের সমস্ত দাবিদাওয়া পূরণ হয়ে যাওয়ার কথা..কিন্তু বাস্তবে সেটা হয়ে উঠেনি অথবা হয়ে উঠতে দেইনি..গেজেটের পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে আমাদের আন্দোলনের দ্বিতীয় দাবি অর্থাৎ মডুলার প্যাটার্নের শেষ দুই বছরের বিটেক কোর্স করিয়ে 6বছরের মডুলার প্যাটার্ন সম্পূর্ণ করানোর (যা কেন্দ্রীয় সরকারের গেজেটেও উল্লিখিত) দাবিটি সেই আলোচনায় কর্তৃপক্ষ মেনে নেয় এবং আমাদের জানানো হয় যে মডুলার এর দ্বিতীয় ধাপ অর্থাৎ ডিপ্লোমার ফাইনাল সেমিস্টার এর শেষ পরীক্ষার 10দিনের মধ্যে আমাদের মডুলার এর শেষ দুই ধাপ অর্থাৎ 2বছরের বিটেকে ভর্তি নেওয়া হবে..এর ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষের তরফে একটি নোটিশ ও জারি করা হয়..কিন্তু আজ পর্যন্ত সেই নোটিশ কার্যকরী করা হলোনা..আরো একবার আমরা প্রতারিত..আমি প্রতারিত নজমুল থেকে ইঞ্জিনিয়ার নজমুল হয়ে উঠতে পারলাম না..যে নজমুল কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হতে চেয়েছিল..যাকে তার না চাওয়াতেও তার উপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং..তারপরেও যে ভেবেছিল যে অন্তত শেষ দুই বছরের বিটেক অর্থাৎ মডুলার প্যাটার্নের শেষ ধাপ পড়ে সে অন্তত একজন ডিগ্রি ইঞ্জনিয়ার হবে..হয়েছে তার স্বপ্ন ভঙ্গ..

আজ কর্তৃপক্ষ আমাদের প্রতারিত করেছে..নিজেদের ভুলগুলো..নিজেদের জালিয়াতি আর আমার মতো কয়েকশো ছাত্রের স্বপ্ন ভঙ্গের কারিগর এই নিজেদের গাফিলতি ঢাকতে এখানকারই কিছু অর্থলোভী পদলোভি ফুটেজ প্রিয় মেরুদণ্ডহীন রাজনৈতিক দালাল কে ভাড়া করেছে..তাদের এর ডিরেক্টর ভর্তি করিয়েছে নিজের টাকা দিয়ে বেসরকারি কলেজে..আর তাকে দিয়ে শুরু করিয়েছে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার..আমাদের দাবি দাওয়া পূরণ না করিয়েই বলা হচ্ছে যে আমাদের দাবি দাওয়া নাকি পূরণ হয়ে গেছে..

এইসব মিথ্যাচারী শিরদাড়াহীন দালালের মুখ লাগতে আমি কোনোদিনই ইচ্ছুক ছিলাম না..নিজেকে কোনোদিনও নেতা বানানোর জন্যেও আন্দোলনে আসিনি..দেওয়ালে পিঠ থেকেছিল..4বছর জোড়াতালি কখনো কেমিক্যাল কখনো কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়েও কার্যত ধোয়াসায় থাকা ভবিষ্যতের অন্ধকার কাটিয়ে উঠতে মডুলার প্যাটার্নের কোর্সটি সম্পূর্ণ করে বৈধ সার্টিফিকেটের দাবিতেই আন্দোলনে এসেছিলাম..এখনও আছি..ততদিন থাকবো..যতদিন সম্পূর্ণ দাবি পূরণ না হয়েছে..তবে গুটিকয়েক টাকা আর নিজেকে নেতা রূপে প্রতিপন্ন করতে বেইমানি করতে কখনই পারিনি আর পারবওনা..তাতে আমাকে সকলে ভুলেই যাকনা কেনো..তাতে আমাকে মিডিয়ার ক্যামেরার সামনে থেকে বিলীন হয়ে যেতেই হোকনা কেনো..তবে যেটা কালকে ভুল ছিল..আজকেও ভুল আছে..আগামীতেও ভুলই থাকবে..

আর এই শিরদাড়াহীন কর্তৃপক্ষের দালালদের বলতে চাই যে সত্যিতেই গেজেটের ফলে সার্টিফিকেট বৈধ তবে কর্তৃপক্ষ আমাদের ভর্তি কেনো নিচ্ছেনা??..প্রশ্ন করতে পারবেন আপনাকে টাকা দিয়ে অন্য কলেজে ভর্তির সুযোগ করে দেওয়া ডিরেক্টর কে??..আছে হিম্মত আমাদের ভর্তির সমর্থনে কথা বলার হিম্মত মিস্টার সমাজসেবী??..

কখনও কেমিক্যাল কখনও কম্পিউটার সাইন্স চাপিয়ে পড়িয়ে 6বছরের কোর্স করাবে বলে ভর্তি নিয়েও এখন 4বছরের কোর্স করিয়ে আমাদের পড়াশুনার সম্ভাবনাময় ভবিষ্যত কে নষ্ট করা হলো কোন স্বার্থে??..আছে কি জবাব??..আপনি তো নাকি সমাজসেবী..

দালালি নাকি রাজপথ..ডিরেক্টরের চামচাগীরি নাকি প্রতারিত নজমুলের প্রতারিত তকমা থেকে ইঞ্জিনিয়ার নজমুল হয়ে উঠার লড়াই..কোনটা বাস্তব..কোনটা সমর্থনযোগ্য..জনগনই এর বিচার করবে..

Photos from Hamara News's post 28/07/2018

লড়ছে দেখো ..
#অবস্থান_বিক্ষোভের_117ঘন্টা_অতিক্রান্ত..

যেখানকার কর্তৃপক্ষ বিনা বিজ্ঞপ্তিতে যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও বহাল তবিয়তে চাকরি করে যাচ্ছে..সেই কর্তৃপক্ষই সেখানকার ছাত্রছাত্রী যারা বৈধ ভাবে সর্বভারতীয় এন্ট্রান্স টেস্ট দিয়ে এই কলেজে ভর্তি হয়েছিল তাদেরকে অবৈধ সার্টিফিকেট দিয়ে বের করছে..ছাত্রছাত্রীরা এই প্রতারণার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলন থেকে সরাতে কর্তৃপক্ষ ফাকা মাঠে বসে ষড়যন্ত্র করছে..তাদের কাছে এই প্রতারিত ছাত্রদের জীবনের কোন মূল্য নেই..যারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু আশা নিয়ে এখানে পড়তে এসেছিল..বহুকষ্টে এখানে পড়াশুনার খরচ চালাতো..শুধুমাত্র কোর্স শেষে একটা বৈধ সার্টিফিকেট নিয়ে ছোট কোনো একটা কাজ পাওয়া..কিন্তু আজ 4-6বছর পর সব কিছুই শুন্য..মাধ্যমিক পাস করে 4-6বছর পর আমরা জানতে পারছি আমাদের সার্টিফিকেট টাই জালি..এই সার্টিফিকেটে না পাওয়া যাচ্ছে কোনো চাকরি না পাওয়া যাচ্ছে কোনো উচ্চশিক্ষার সুযোগ এমনকি কর্তৃপক্ষ নিজেই আমাদের ভর্তি নিচ্ছেনা..

আমরা নিজেদের নায্য দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি..আমাদের নায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলছে চলবে..

আমরা ঐক্য আমরা বল..জ্বলুক ছাত্র দাবানল..

#ছাত্র_দাবানল.......
.......

Photos from Hamara News's post 07/06/2018

একটি খুন হওয়া ভবিষ্যতের গল্প..
লিখাটি অনেক বড় তবুও বাংলার নষ্ট হতে যাওয়া এই ভবিষ্যতেদের স্বার্থে পড়বেন pls..
GKCIET..
মালদার একটি অখ্যাত কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ কলেজ..সেখানকার ছাত্রছাত্রী হিসাবে আজ আমরা ডিগ্রী-রেজাল্ট-পড়াশুনার সুযোগের বদলে পেয়েছি শুধু প্রহসন আর প্রতারণা..
১)২০১০ সাল - সোনিয়া গান্ধী এবং প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এসে উদ্বোধন করলেন মড্যুলার প্যাটার্নে চলা ভারত বর্ষের চার নম্বর কলেজ..
২)মড্যুলার প্যাটার্ন হওয়ার সুবাদে এখানে মাধ্যমিক পাশের পর ভর্তি হলেই ক্রমান্বয়ে প্রথমে দুই বছরের 12th ক্লাস সমতুল্য ডিগ্রী, দুই বছরের ডিপ্লোমা ও দুই বছরের B.Tech কোর্স পড়ানোর পর উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেখিয়ে আমাদের All India Entrance Test-এর মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হলো..
৩)২০১৪সালে এই কলেজে ভারতবর্ষের রাষ্ট্রপতি আসলো..কলেজের নতুন ভবন উদ্বোধন সঙ্গে btech কোর্সের উদ্বোধন করলেন..
৪)২০১৬ সাল ছাত্রছাত্রীদের B.Tech কোর্স শেষ হলো..সার্টিফিকেট চাইতে গিয়ে জানতে পারলো কলেজটি affiliated’ই নয় অর্থাৎ তারা কোনোরকম সার্টিফিকেট প্রদান করতে পারবে না অর্থাৎ এক অর্থে ভুয়ো কলেজ..
৫)ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলনে বসলো..২৬দিন অনশন, জাতীয় সড়ক অবরোধ, রেল ব্লকের পর ডিপ্লোমা পর্যন্ত affiliation দেওয়ার কথা রাজ্য সরকার ঘোষণা করল..B.Tech’এর affiliation দুর্গাপুরের NIT দেবে বলে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক চিঠির মাধ্যমে জানায়.. পুরো ব্যাপারটা মালদার অতিরিক্ত জেলাশাসক, রাজ্য টেকনিক্যাল কাউন্সিলের ও.এস.ডি ও কলেজ-কর্তৃপক্ষ সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতিতে ঘোষণা করেন..
৬)রাজ্য সরকারের কথা মতো পরবর্তীতে রাজ্য টেকনিক্যাল কাউন্সিল pass-out ছাত্রছাত্রীদের সার্টিফিকেট প্রদান ও সার্টিফিকেট কোর্স থেকে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তিও নেয়..কিন্তু দুর্গাপুর NIT কর্তৃপক্ষ তার দেওয়া কথা থেকে সরে আসে এবং কোনো ছাত্রছাত্রীকেই সার্টিফিকেট প্রদান বা ভর্তির ব্যবস্থা করেনি..
৭)২০১৭ সাল..কলেজের আধিকারিক(in-charge) ও GKCIET এর মেন্টর-ডিরেক্টর B.Tech কোর্সের ক্লাস ও ভর্তি প্রক্রিয়া মাঝরাস্তায় বন্ধ করে দিলেন..ছাত্ররা বাধ্য হয়ে affiliation-এর বার্তা নিয়ে আসা মালদার অতিরিক্ত জেলাশাসকের নিকট উপস্থিত হয়..অতিরিক্ত জেলাশাসক ছাত্রদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেন এবং ব্যাপারটি কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের অধীন হওয়ায় তিনি এই বিষয়ে কোনো সাহায্য করতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন..ছাত্রছাত্রীরা আরো একবার প্রতারিত হয়ে এক অনিশ্চিত অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যায়..
৮) ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাস..ডিপ্লোমা ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রছাত্রী যাদের ফাইনাল সেমিস্টার পরীক্ষা জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল, কলেজ কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে তা শেষ হলো ডিসেম্বরে..B.Tech কোর্সে অন্যত্র সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ছাত্রছাত্রীরা ভর্তি থেকে বঞ্চিত হলো..
৯) বঞ্চিত ছাত্রছাত্রীরা পড়াশুনা জীবনের একটা বছর বাঁচানোর উদ্দেশ্যে ও মড্যুলার প্যাটার্নের নিয়ম অনুযায়ী GKCIET'তেই ভর্তির দাবিতে আন্দোলনে নামলে আন্দোলনের কয়েকদিনের মাথায় কর্তৃপক্ষ ছাত্রছাত্রীদের লিখিত আশ্বাস দেয় যে মার্চ, ২০১৮ নাগাদ কলেজ-কর্তৃপক্ষ MAKAUT থেকে affiliation পাবে ও সেই সময় ছাত্রছাত্রীদের একটি লেট সেমিস্টার কলেজ কর্তৃপক্ষ শুরু করবে..মাঝের সময়টুকু ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হরিয়ানাতে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করবে..
১০) ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে কলেজ-কর্তৃপক্ষ ডিপ্লোমা passout ছাত্রছাত্রীদের সাফ জানিয়ে দেয় যে তারা কোনোরকম ট্রেনিং করাতে পারবে না..কেউ যদি তারপরেও ট্রেনিং করতে চায় তাহলে তাকে ট্রেনিং-খরচা বাবদ কর্তৃপক্ষকে ১৫,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে..ছাত্রছাত্রীরা আরো একবার প্রতারিত..কিন্তু তারা এবার আন্দোলনে যায়নি..তারা চুপ থেকেছে, শুধুমাত্র মার্চে ভর্তি হবে সেই আশায়..
১১)২০১৮-এর মার্চ মাস..বঞ্চিত ছাত্রছাত্রীরা, কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে যাদের একবছর নষ্ট হয়েছে তাদের বহু প্রতীক্ষার পর একটি আশার মাস ছিল..কিন্তু কলেজ-কর্তৃপক্ষ মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে এই ব্যাচের কিছু ছাত্রকে ডেকে সাফ জানিয়ে দেয় যে GKCIET-এর এখনো affiliation হয়নি..তাই তারা ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি নিতে পারছে না..আর কবে affiliation হবে সেটাও কর্তৃপক্ষের অজানা..ছাত্রছাত্রীরা তারপরেও কর্তৃপক্ষকে আরো দুই মাস সময় দেয়..
১২)কর্তৃপক্ষ এবারও ব্যর্থ..জুনের এক তারিখ পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীরা কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে কর্তৃপক্ষ তাদের তখন পর্যন্ত বলেন যে জমিসংক্রান্ত সমস্যার জন্য কলেজের affiliation হচ্ছেনা..কবে হবে তারা জানেনা.. তার সঙ্গে কর্তৃপক্ষের দোলাচলে এবছরের ডিপ্লোমা ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রছাত্রীদের সেমিস্টার’ও গত বছরের ছাত্রছাত্রীদের সেমিস্টারের মতো দেরিতে শেষ হবে..
১৩)ছাত্রছাত্রীরা আরো একবার প্রতারিত হয়ে তাদের পড়াশুনার ভবিষ্যতকে অচিরেই খুন হতে দেখছে..এবার ছাত্রছাত্রীরা চুপ থাকেনি..তারা আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু করে..কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের ন্যায্য দাবি পূরণ করতে না পারলেও..ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলন থেকে সরানোর কাজে দক্ষতার সঙ্গে লেগে পড়ে.. বহু ছাত্রছাত্রীকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, পরীক্ষায় ফেলের ভয়, বাড়িতে ফোন করানোর ভয় দেখাতে থাকে..আন্দোলন আরো জোরদার হয়..
১৪)৪ঠা জুন, ২০১৮..ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের ন্যায্য দাবি B.Tech কোর্সের affiliation, approval ও সমস্ত ব্রাঞ্চের ছাত্রছাত্রীদের B.Tech’এর দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তির দাবিতে কলেজের প্রধান আধিকারিক ডিরেক্টরের অফিসের প্রধান ফটকের সামনে ধর্ণায় বসে..ধর্ণায় বসার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ‘দিল্লিতে আছি' বলে দাবি করা ডিরেক্টর কলেজে আসে এবং সমস্ত শিক্ষকের সঙ্গে মিটিং ক’রে আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের জানায় যে জমি সংক্রান্ত জট মিটে গেছে এবং affiliation দ্রুত হয়ে যাবে। তাই ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলন থেকে সরতে বলে..কিন্তু পুরোনো ছাত্রছাত্রীদের B.Tech’এ GKCIET’তেই ভর্তির ব্যাপারটি তিনি এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করেন..ছাত্রছাত্রীরা কর্তৃপক্ষের কাছে affiliation হওয়ার পরে তাদের ভর্তির ব্যাপারে লিখিত আশ্বাস চাইলে কর্তৃপক্ষ তা নাকচ করে..ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলন অব্যাহত রাখে..
১৫)আন্দোলনের ৬ দিনের মাথায় কর্তৃপক্ষ জানায় যে GKCIET’এর affiliation হয়েছে রাজ্য সরকারের কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং affiliation মিলেছে লিখিত। MAKAUT প্রদত্ত কাগজ ছাত্রছাত্রীরা দেখলে দেখা যায় সেখানে পুরনো ছাত্রছাত্রীদের ভর্তির ব্যাপারে কোনো কথা লেখা নেই..আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীরা কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করলে কর্তৃপক্ষ নীরব থাকে..
১৬)টানা ১১ দিন রাত-দিন কলেজ গেটে অবস্থান বিক্ষোভের পর ছাত্রছাত্রীরা বাধ্য হয়ে অনশনে নেমে আসে..প্রথমদিন ৪ জন ছাত্র অনশন শুরু করে...তারপরের দিন আরেকজন আন্দোলনকারী ছাত্র অনশনে বসে..
১৭)এই গ্রীষ্মে টানা অনশন চলার ফলে একের পর এক অনশনকারী ছাত্র অসুস্থ হতে থাকে..তারপরেও কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি..ছাত্রছাত্রীরা বাধ্য হয়ে কলেজের ডিন(একাডেমিক)-কে ঘেরাও করে..লাভ হয়নি..ঘেরাওয়ের ৫ ঘন্টা পরেই ছাত্রছাত্রীদের দাবি পূরণে ব্যর্থ ডিন ছাত্রছাত্রীদের ন্যায্য দাবিগুলি মাড়িয়ে আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের উপর দিয়ে টপকে পালিয়ে যায়..প্রতারিত ছাত্রছাত্রীরা আরো একবার হতাশ হয়..
১৮)অনশনের ১৩তম দিনেও ছাত্রছাত্রীদের ন্যায্য দাবি পূরণে কর্তৃপক্ষ উদ্যোগী না হওয়ায় আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীরা বাধ্য হয়ে কলেজের গণ্ডী পেরিয়ে নিজেদের ন্যায্য দাবিতে রাস্তায় নামে..ছাত্রছাত্রীরা মালদা শহরে মিছিল করে তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে জেলাশাসকের নিকট উপস্থিত হয় ও তাকে সমস্যা সমাধানের অনুরোধ করে..জেলাশাসক ব্যাপারটা দেখবে বলে আশ্বাস দেয়..
১৯)অনশনের ১৫তম দিনে হঠাৎ কলেজের ডিরেক্টর ও অতিরিক্ত জেলাশাসক কলেজে উপস্থিত হয় এবং অনশনকারীদের নিয়ে আলোচনায় বসবেন বলে জানায়..
২০) কলেজ কর্তৃপক্ষ, অতিরিক্ত জেলাশাসক ও পুরাতন মালদা থানার I.C. এবং ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর জেলাশাসক ও কলেজ কর্তৃপক্ষ অনশনকারীদের তাদের B.Tech’এর দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তির ব্যাপারে করা বিভিন্ন চিঠি ও কাগজপত্র দেখায় এবং সভার বিবরণীতে ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি নেওয়া হবে ব’লে লিখে সেখানে সকলে সই করেন..বহু ছাত্র অতিরিক্ত জেলাশাসককে পুরোনো প্রতারণার সময় তার নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুললে অতিরিক্ত জেলাশাসক ও GKCIET-এর ডিরেক্টর সমস্বরে বলে ওঠেন যে পুরনো কর্তৃপক্ষ যে প্রতারণা করেছে সেগুলো না ভেবে আরও একবার তাদেরকে বিশ্বাস করার কথা.. ছাত্রছাত্রীদের ন্যায্য দাবি দ্রুত পূরণ হবে এবং না হলে তিনি নিজে দায়িত্ব নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের ন্যায্য দাবি B.Tech কোর্সে দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তির ব্যবস্থা করবেন বলে জানান অতিরিক্ত জেলাশাসক এবং তিনি ছাত্রছাত্রীদের অনশন থেকে সরে আসতে বলেন..
২১)আমরা GKCIET-এর সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা আমাদের আগামী ৪ঠা জুন থেকে তৃতীয় সেমিস্টার পরীক্ষার কথা ভেবে ও বহুবার বিশ্বাস ভাঙার পরেও কিছুটা হলেও অতিরিক্ত জেলাশাসকের কথায় আরো একবার বিশ্বাস করে আন্দোলন থেকে না সরলেও আপাতত কয়েকদিনের জন্যে অনশনের ১৬তম দিনে এসে শুধুমাত্র অনশন স্থগিত রাখছি..
তার সঙ্গে জনগণের কাছে একটা আবেদন রাখছি যে বহুবার আমরা GKCIET-কর্তৃপক্ষ, প্রশাসনকে বিশ্বাস করেছি এবং বারবার প্রতারিত হয়েছি..এই প্রতারণার ফলে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার..এই অন্ধকার ভবিষ্যতের মধ্যেও অতিরিক্ত জেলাশাসকের আশ্বাস ও লিখিত আমাদের কাছে কিঞ্চিৎ আলো স্বরূপ লেগেছে, তাই শেষবারের মতো আমরা আরো একবার কলেজ কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনকে বিশ্বাস করতে যাচ্ছি..
এইবারও কি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে?..বহুবার প্রতারণার ফলে আজ নষ্ট ভবিষ্যতে আমরা বিরক্ত..এইবারও যদি আমাদের ন্যায্য দাবি B.Tech দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তি না করানো হয়, প্রতারণা করা হয় এবং এর ফলে হতাশ হয়ে কোনো ছাত্র বা ছাত্রী আত্মহত্যার পথ বেছে নিলে এই প্রাতিষ্ঠানিক হত্যার দায় কি GKCIET-কর্তৃপক্ষ তথা প্রশাসন নেবে?..সাধারণ জনগণ কি এই প্রতারণা এবং এর ফলে ঘটতে চলা কোনো ছাত্রছাত্রীর প্রতারিত হয়ে সম্ভাব্য আত্মহত্যার বিচার পাইয়ে দেবে??..নাকি আরো একবার এই মৃত উপতক্যার দেশে আরোও কিছু ছাত্র বা ছাত্রীকে প্রতারিত হয়ে অচিরেই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে খুন হতে হবে আর আপনারা চুপ থাকবেন??..
.......
.......

30/05/2018

গত 13দিন ধরে চলতে থাকা মালদার সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের অনশনের পরেও কলেজ কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের ঘুম না ভাঙ্গায় আজ এর সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা এক মিছিলের মাধ্যমে জেলা প্রশাসনের প্রধান আধিকারিকের দপ্তরে ডেপুটেশন জমা করেন..অনশনরত এই ছাত্রছাত্রীদের মিছিলের আহ্ববানে সাড়া দিয়ে জেলা তথা রাজ্যের বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা সাড়া দিয়ে এই মিছিলে যোগদান করেন..আমাদের মিছিল জেলা আধিকারিক d.m এর কাছে পৌছানোর আগেই কর্তৃপক্ষের তরফে জেলা অধিকারিককে অনশনরত ছাত্রদের মুলদাবী গুলোর কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করেই একটি চিঠি পাঠানো হয়..ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে জেলা আধিকারিক কথা বললে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের মূলদাবি গুলি তুলে ধরেন..জেলা অধিকারিক ছাত্রদের বিষয় গুলো higher education দপ্তরে জানাবে বলে আশ্বাস দিয়েছে..

এই মিছিলের মাধ্যমে আমরা মালদা তথা রাজ্যের সমস্ত সচেতন মানুষ, বুদ্ধিজীবী, খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষ ও ছাত্রসমাজকে আমাদের পাশে দাড়ানোর আহব্বান জানাচ্ছি..

আমাদের ন্যায্য দাবি btech কোর্সের affiliation, approval ও সমস্ত ব্রাঞ্চের ছাত্রছাত্রীদের btech 2nd ইয়ারে ভর্তি না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অনশন চলছে চলবে.......

আমরা বঞ্চিত আমাদের পাশে দাড়ান.......

ছাত্র ঐক্য জিন্দাবাদ..
না রং..না দল..আমরা ছাত্রবল.......

29/05/2018

बीटेक 2nd ईयर मैं लेटरल एंट्री आडमिशन के मांग मैं 12दिन से चल रही भूख हड़ताल करि छात्राओ ने कल सुबह 9बजे राथबरी गनी खान मूर्ति के सामने से डीएम आफिस तक रैली करके डेपुटेशन प्रोग्राम का आयोजन किया है..

सभी छात्राओ को आने के लिए बताया जा रहा है..9बजे गनि खान के मूर्ति के सामने से रैली मैं भाग ले.......

29/05/2018

এর সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ন্যায্য দাবিতে চলতে থাকা অনশনের আজ 12th দিন..অশনের ফলে একের পর এক ছাত্রছাত্রীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে..রাতদিন ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করেই এরা কলেজেই অবস্থান করছে..এদের অনশন মঞ্চেই কখনো আসছে সাপ..কলেজ কর্তৃপক্ষ এদের দিকে ফিরেও দেখছেনা..এরা আজ মরতে বসেছে..বাধ্য হয়েই এরা জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে আগামীকাল একটি পথসভা ও মিছিলের মাধ্যমে মালদা জেলা শাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়ার আয়োজন করেছে..

এরা আপনার মালদার ছেলে এরা আপনার বাংলার ছেলে..এরা বহুদিন ধরে প্রতারিত..এদের প্রতিবার মিথ্যা আশ্বাসে কর্তৃপক্ষ ঠকাই..এরা আজ হতাশ..বেচে থাকার মানেই এরা আজ খুজে পাচ্ছেনা..

12দিন থেকে অনশনরত এই ছেলেরা আপনার থেকে কোনো টাকা পয়সা চাইনি..চাইনি কোনো চাকরিও..শুধু এরা চেয়েছে নিজেদের অধিকার..নিজের ন্যায্য দাবি btech এ পড়তে..
চলেই আসুন না..এই ছাত্রদের সাহায্য করতে একটু খানি..এরাও তো কারো ছেলে মেয়ে..ভাই বোন..

এই ক্ষুদাতুর অনশনরত মুখগুলোতে একটু হাসি ফুটিয়ে দিতে আগামীকাল সকাল 10টায় রথবাড়ির গনি খান মূর্তি থেকে শুরু হওয়া অনশনরত এর ছাত্রছাত্রীদের মিছিলে একজন সমাজের সাধারণ মানুষ, ছাত্র যুব হিসাবে যোগদান করুন..

এই ছাত্রগুলোর ন্যায্য অধিকার পাইয়ে দিন..
এরা বঞ্চিত এদের পাশে দাড়ান.......

না রং..না দল..আমরা ছাত্রবল.......

.......
.......

Photos from Hamara News's post 27/05/2018

.......

Avi kuch der pehle apni sahi maang pe hunger strike rahe students ka hunger strike manch pe ek bahut bada sap aya..ye pehlibar nahi thha..ye 2nd bar thha.. Authority students ka maang puri karna to dur andokankari students ko hunger strike se hatane k liye clg ka jungal v saf nahi kiya..aur usi jungal se sap aata hai hunger strike manch pe.......

Dhikkar nakam director..ajj 10din ho gaye hunger strike ko..firvi students ka sahi maang btech 2nd year mai admission karne mai nakam raha.......

.......
bachao.......
.......
...
....

গনি খান চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিটেক কোর্সে মান্যতা ও অনুমোদনের দাবিতে আমরণ অনশন পড়ুয়াদের | TDN Ban 23/05/2018

http://www.tdnbangla.com/news/state/the-hunger-strike-students-demanded-recognition-and-approval-for-the-bitak-course-at-ganikhan-chowdhury-university/

গনি খান চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিটেক কোর্সে মান্যতা ও অনুমোদনের দাবিতে আমরণ অনশন পড়ুয়াদের | TDN Ban সাদ্দাম হোসেন, টিডিএন বাংলা, মালদা: মালদার গনিখান চৌধুরী ইনস্টিটিউট ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫ দি.....

Want your school to be the top-listed School/college in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Kolkata
732141