নামাজে সেজদারত মানুষ যদি জানত,,
"আল্লাহ কতটুকু রহমত দিয়ে তাকে
ঘিরে রাখেন,, তবে সে কোন দিন
সেজদাহ থেকে উঠত না"
_________হযরত আলী (রাঃ)
Islam Is My Heart
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islam Is My Heart, Education, KOLKATA.
05/06/2015
শুধু ফযীলতপূর্ণ হ্যাঁ-বোধক কথা প্রচার করাঃ
===============================
সালাতের পর সম্মিলিত মুনাজত, মুসলীম সমাজে প্রচলিত সবচাইতে জনপ্রিয় বিদ’আত। আমাদের মসজিদেও সালাতের পর সম্মিলিত মুনাজত করা হয়।
এবার আমাদের মসজিদ হতে টংগী ইস্তেমায় গিয়েছেন প্রায় ৪০ জনের অধিক মানুষ। এই ৪০ জনের ৪/৫ জন ছাড়া বাকী সকলকেই দেখি সম্মিলিত মুনাজাত করতে!
গত সপ্তাহে সালাত শেষে সম্মিলিত মুনাজাত চলাকালীন সময়, মসজিদের তাবলীগি মুরুব্বীকে (তিনি অবশ্য সম্মিলিত মুনাজাত করেন না) বললাম,
-আমি আপনাদের এবারের বিশ্ব ইজতেমায় গিয়েছিলাম। সালাতের পর সম্মিলিত মুনাজাত একটা বিদ’আত। আপনাদের একটা বিষয় দেখে ভালো লাগলো যে, ঐখানে এই বিদ’আতটা করা হয় না।
--হ্যাঁ, আমাদের অফিসের মসজিদেও আমরা সম্মিলিত মুনাজাত করি না।
-কিন্তু এইখানে তো করেন।
--না না, আমি করি না।
-আপনি করেন না, কিন্তু আপনাদের প্রায় সকল সাথী করে থাকেন, ঐ দেখেন।
তাবলীগি আরেক ভাই বললেন,
--আমরা আমাদের সাথীদের নিষেধ করি।
-দেখুন, আপনারা কিভাবে নিষেধ করেন তা আমি জানি না। কিন্তু ইজতেমায় কোন এক বয়ানে আপনাদের মাওলানা সাদ বা অন্যকোন আলেম যদি বলতেন, “মোহতারাম ভাই ও বুজুর্গ, সালাতের পর সম্মিলিত মুনাজাত বিদ’আত। বিদ’আত কারীর ইবাদত কবুল হয় না। তাই আপনারা আজ হতে সালাতের পর সম্মিলিত মুনাজাত করবেন না;” তাহলে আমার বিশ্বাস আপনাদের এই ৪০ জনের সকলেই আজ এই বিদ’আত ত্যাগ করতো।
--আসলে জনসমাবেশে বা বক্তৃতায় না-বোধক শব্দ বলা আমাদের মুরুব্বীদের নিষেধ, কারন প্রথমেই না-বোধক কিছু শুনলে তারা দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনতের প্রতি আগ্রহ ও আকর্শন হারিয়ে ফেলবে। তবে আমরা personally ভাইদেরকে বিভিন্ন বিদ’আত সম্পর্কে বলে থাকি।
!
ফেইসবুক তাবলীগ বন্ধুদের নিকট জিজ্ঞাসা যেখানে আল্লাহ খারাপ কাজ থেকে নিষেধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন সেখানে আপনাদের মুরুব্বীরা কেন না-বোধক শব্দ বলা নিষেধ করলেন? মহান আল্লাহ বলেন,
وَلْتَكُن مِّنكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُونَ إِلَى الْخَيْرِ وَيَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنكَرِ ۚ وَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ
-তোমাদের মধ্যে এমন একটি দল থাকা উচিৎ, যারা নেকী ও সৎকর্মশীলতার দিকে আহবান জানাবে, ভালো কাজের নির্দেশ দেবে ও খারাপ কাজ থেকে নিষধ করবে। আর তারাই সফলকাম৷ [সূরা আলে ইমরান ১০৪]
►►এরপরও বললেন, তাবলীগ জামায়াতের মাঝে কোরআন হাদীস বিরোধী কোন আমল নেই?
প্রশ্ন রেখে গেলাম বুদ্ধিমানলোকদের নিকট!
ইবনে তায়মিয়াহ (র:) বলেছেনঃ
“জ্বীনদের দ্বারা মানুষের ফায়দা লোটার নিয়ম পদ্ধতি বিভিন্নভাবে সম্পন্ন হয়। কখনও তাদের নিকট নগদ অর্থ বা খাদ্য জাতীয় বস্তু এবং কাপড় চোপড় ও দৈনন্দিন খরচের অর্থের যোগান দ্বারা তারা মানুষের উপকার করে। এরা মাটির নিচের গচ্ছিত ধনরত্ন ও টাকা পয়সার সংবাদ সরবরাহ করে থাকে।” [মাজমুয়া-আল ফাতাওয়া, ১৩শ খন্ড, ৮৪ পৃ:]
জ্বীনরা মানুষকে শির্ক ও কু-কর্মের দিকে নিক্ষেপ করার পরিপ্রেক্ষিতে মানুষের যে সমস্ত কাজ করে দেয় তার বর্ণনায় শাইখুল ইসলাম লিখেছেনঃ
“কখনো জ্বীনরা পীর সাহেবের মূর্তি ধারণ করে ঐ পীরের ভক্তরা বিপদে পড়ে পীর বা গুরুর নাম স্মরণ করলে ঐ জ্বীন তার পীর বা গুরুর মূর্তিতে এসে ভক্তকে উদ্ধার কল্পে সেখানে উপনীত হয়। এত ভক্তরা মনে করে নেয় যে, স্বয়ং গুরু বা পীর সাহেবই তার সাহায্যের জন্য উপস্থিত হয়েছেন। [মাজমুআ-আল ফাতাওয়া, ১৩শ খন্ড, ৮৪ পৃ:]
তিনি কোন মৃত ব্যক্তি ও নবী (সা:) কে বাস্তবে দর্শন সম্পর্কে বলেন:
“অর্থাৎ কেউ কেউ দেখে থাকে, কোন মৃত ব্যক্তি তার নিকট আসে অথচ সেই ব্যক্তি বহু বৎসর পূর্বে মারা গেছে। শয়তান গ্রুপ মানুষের মূর্তিতে ঐ ধরনের অনেক কাজ করে থাকে। কখনও স্বপ্ন ছাড়া জাগ্রত অবস্থাতেইে এসে বলে: আমি মাসীহ্ ঈসা, আমি মুসা, আমি মুহাম্মাদ। এ ধরনের ঘটনা আমি জানি। অনেকে বিশ্বাস করে যে জাগ্রত অবস্থায় নাবীগণ এসে থাকেন।” [মাজমুআ-আল ফাতাওয়া, ১০ম খণ্ড, ৪৬ পৃ:]
.............
আল্লামা আবূ মুহাম্মদ আলীমুদ্দীন রহ. এর বই থেকে
“কেয়ামতের দিন
এক ব্যক্তিকে আনা হবে। এরপর তাকে
জাহান্নামে ফেলে দেওয়া হবে। তখন
আগুনে পুড়ে তার নাড়িভুড়ি বের হয়ে
যাবে। এ সময় সে এমনভাবে ঘুরতে
থাকবে, যেমন গাধা তার চাকা
নিয়ে তার চারপাশে ঘুরতে থাকে।
তখন জাহান্নামবাসীরা তার কাছে
একত্রিত হয়ে তাকে বলবে, হে অমুক!
আজকে তোমার এই অবস্থা কেনো?
তুমিনা আমাদের সতকাজে আদেশ
করতে আর অন্যায় কাজ হতে নিষেধ
করতে? সে বলবে, আমি তোমাদের
সতকাজে আদেশ করতাম বটে, কিন্তু
আমি তা করতাম না আর আমি
তোমাদেরকে অন্যায় কাজ হতে
নিষেধ করতাম, অথচ আমি নিজেই তা
করতাম।”
সহীহুল বুখারী, হাদীস নং ৩০৩৯।
✓✓মুমিন বান্দাদের কারামত প্রকাশিত হওয়া ও আম্বিয়া কেরামের মুযিযা বিশ্বাস করা আহলে সুন্নাহর আকিদা।
✓✓কিন্তু ভন্ড সূফিবাদী ও ভন্ড পীর-মুর্শিদীর দল এগুলোর ফায়দা উঠায়। এই শ্রেনীর মধ্যে রয়েছে উপমহাদেশের দুই সূফিপন্থী দল - তাঁর একটা হলো প্রচন্ড মাত্রার গোমরাহী ব্রেলভী দল - যারা শির্ক ও বিদায়াত ডুবে আছে। তারা তাদের ভ্রান্ত আকিদা লুকায় না, সরাসরি প্রকাশ করে।
আরেকটি সূফিবাদী দল রয়েছে কিন্তু কম গোমরাহ। এরা মুখে মুখে ব্রেলভীদের কুফরী আকিদা অস্বীকার করে কিন্তু বহু ক্ষেত্রে দেখা যায় তাদের বইপত্রের মধ্যে তারাও একই ধরনের আকিদা লালন করে। এদের কিতাবে যত ধরণের শিরকপূর্ণ আজগুবী কিচ্ছা কাহিনী আছে তারা এগুলো কেরামত হিসেবে চালিয়ে দেয়। (অবশ্য এই পন্থিদের মাঝেও অনেকে ব্যতিক্রম রয়েছেন।)
✓✓ আরেক খারেজীপন্থি দল রয়েছে ইখওয়ানী, কুতবী দল। তাদের অন্যতম একজন আবদুল্লাহ আযযাম। তিনি আফগানিস্তানে যুদ্ধে নিহতদের কেরামত বর্ণনা করেছেন। যেগুলোর অধিকাংশ যুদ্ধ নিহতদের মৃত্যুর পর তাদের লাশের জীবিতদের মতো আচরণের উপর। যেগুলো কুরআনের আয়াত ও সহীহ হাদীসের পরিপন্থি। তারাও সেই ঘটনাগুলোকে কেরামত হিসেবে প্রচার করে।
✓✓ আমার কথা হলো এই সমস্ত কেরামতের সত্যতা কি? যাদের মাধ্যমে তিনি এগুলো সংগ্রহ করেছেন তারা কি সত্যবাদী ছিলেন? তাদের সত্যতার সার্টিফিকেট কে দিয়েছে? তারা তো মাজহুল? তাদের বর্ণণা কিভাবে গ্রহণ করা যাবে?
✓✓ আর আবদুল্লাহ আযযামই তো একজন চরমপন্থি (আহলুল হাওয়া)। তিনি আলবানী রহ. সম্পর্কে মিথ্যা প্রচার করতেন। আলবানী রহ. নাকি সাইয়্যিদ কুতুবকে তাকফির করেছেন। তিনি আলবানী রহ. কে বয়কট করতেন। একবার আলবানী রহ. সাথে দেখা হলে আলবানী রহ. তাকে বিষয়টি ক্লিয়ার করে বুঝিয়ে দেন যে তিনি সাইয়্যিদ কুতুবের ভুল আকিদাকে বাতিল বলেছেন, কিন্তু তাকে তাকফির করেন নি। এভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার পরও আবদুল্লাহ আযযাম আলবানী রহ. সম্পর্কে মিথ্যাচার করতেই থাকেন।
✓✓ সুতরাং এরকম একটা লোক যখন যুদ্ধ নিহতদের কারামত অপরিচিত লোকের মাধ্যমে বর্ণনা করেন সেগুলোর সত্যতার ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ রয়েছে।
রাসূল (সা) বলেছেন "তোমরা প্রেমময়ী অধিক সন্তান সম্ভাব্য নারীকে বিয়ে করবে । কারণ, আমি তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে অন্যান্য উম্মাতের উপর গর্ব করব ।"(আবু দাঊদ-নাসাঈ)সম্পুরক আয়াতঃ "পৃথিবীতে বিচরণশীল এমন কোন জীব নেই যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহ তায়ালা গ্রহন করেন নি ।"(সূরা হুদ : ৬)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Kolkata
700125
07/05/2015