09/04/2024
আসসালামু আলাইকুম, আমাদের মধ্যে এরকম অনেকেই আছি যারা মা, বাবা, কোরআন ইত্যাদির কসম করে অনেক কথা বলে থাকি। আমার সবাই আল্লাহ ব্যতিত অন্য কারো নামে কসম করব না ।।।। ইনশাআল্লাহ্ ।।।।
All the Muslim brothers and sisters are requested to follow the Qur'an n Hadiths.
Our mission is to make you understand hadiths and verses of Qur'an in easy way.
09/04/2024
আসসালামু আলাইকুম, আমাদের মধ্যে এরকম অনেকেই আছি যারা মা, বাবা, কোরআন ইত্যাদির কসম করে অনেক কথা বলে থাকি। আমার সবাই আল্লাহ ব্যতিত অন্য কারো নামে কসম করব না ।।।। ইনশাআল্লাহ্ ।।।।
08/04/2024
একদিন রাতের বেলা,
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরবের গলি দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ এক ঘর থেকে অসহায় এক কান্নার আওয়াজ শুনে নবীজি সেই ঘরে গিয়ে দেখলেন,একজন হাতে চ*ক্কি ( হাত দিয়ে আটা তৈরির এক য*ন্ত্র) ঘুরাচ্ছে।
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কি হল তোমার। কান্না করছো কেন.? প্রতি উত্তরে তিনি বললেন, আমি মক্কার সর্দার উমাইয়ার ক্রয় করা গো*লাম (ইসলামের প্রাথমিক সময়) । অনেক য*ন্ত্রণায় আছি আমি। সারাটিদিন মাঠে তার ছা*গল দু*ব্বা ছ*ড়াই,আর রাতে সে আমাকে দিয়ে গম থেকে আটা তৈরি করায়।
ভালো করে খেতে ও দেয়না, ঘুমাইতে ও দেয় না।
শরীরে খুবী অসুস্থতা বোধ হচ্ছে।
এই কথা শুনে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম,সেই ব্যক্তিকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বললেন, তুমি কিছুক্ষণ আরাম কর। আমি ই তোমার কাজ করে দিচ্ছে, এই বলে নবীজি হাতে চ*ক্কি নিয়ে কাজ শুরু করে দিলেন। আর বড় ক্লান্ত শরীর নিয়ে সেই গো*লাম কে ঘুমানোর সুযোগ করে দিলেন।
এইভাবে প্রতি গভীর রাতে নবীজি তার ঘরে গিয়ে তাকে সাহায্য করতেন। এবং নিজে কাজ করে তাকে ঘুমানোর সুযোগ করে দিতেন।
একদিন সেই গো*লাম বলে, সাব*ধানে থাকিয়েন, এইখানে নাকি এক মোহাম্মদ আছে। তার থেকে দুরে থাকবেন, সে নাকি অনেক বড় যা*দু*কর। তার কাছে যে একবার যায় সে নাকি ফেরত আসতে পারেনা। ওর ধর্ম গ্রহণ করে নেয়।
এমন কথা শুনে দয়াল নবীজি মুচকি হাসলেন..
গো*লাম বলে, আপনি হাসছেন কেন.?
নবীজি বলেন, তুমি যে মোহাম্মদ এর কথা বলছো, আমি ই হলাম সে মোহাম্মদ।
এই কথা শুনে, নবীজির সুন্দর চারিত্রিক বাস্তব প্রমাণ দেখে ওই গো*লাম অঝোর নয়নে কান্না করতে লাগলেন। সাথে সাথে নবীজির কাছে কালিমা পড়ে মুসলমান হয়ে যান।
সুবহানাল্লাহ।
(সিরাতে নববী-৬৮৩,)
#ইসলামিক_পোস্ট
©
❤️রাসুল (সাঃ) এর প্রিয়তমা স্ত্রী খাদিজা (রাঃ) মারা যাওয়ার আগে রাসুল (সাঃ) এর দুটো হাত ধরে বললেন,
"আমাকে কথা দিন, আপনার গায়ের জোব্বা দিয়ে আমার কাফনের কাপড় বানাবেন আর নিজ হতে আমাকে কবরে নামিয়ে দিয়ে আমার সওয়াল-জবাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপনি কবরের পাশেই থাকবেন।
❤️আমাকে একা ফেলে যাবেন না। রাসুল (সাঃ) অশ্রুসিক্ত নয়নে বললেন,
"হে আমার প্রিয়তমা স্ত্রী, আমি কথা দিচ্ছি। খাদিজা (রাঃ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন।
"গোসল, জানাজা শেষ করে রাসুল (সাঃ) তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রীকে নিজেই কবরে শুইয়ে দিলেন এবং কবরের পাশে অশ্রুজল চোখে কবরের পাশে দাড়িয়ে রইলেন।
হাবীবের এমন বিমর্ষ মান"সিক অবস্থা দেখে মহান আল্লাহ ফে"রে"স্তা জিবরাইল (আঃ) কে পাঠালেন।
❤️জিবরাইল (আঃ) এসে সালাম দিয়ে জানতে চাইলেন,
হে আল্লাহর রাসুল আপনি এভাবে আপনার স্ত্রীর কবরের পাশে এভাবে দাড়িয়ে আছেন কেন?
💞রাসুল (সাঃ) বললেন,
হে জিবরাইল, আমি প্রিয়তমা স্ত্রীকে কথা দিয়েছি তাঁর সওয়াল-জবাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়বো না।
"জিবরাইল (আঃ) বললেন,
'হে আল্লাহর রাসুল, আপনি জেনে রাখুন আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন, খাদিজা (রাঃ) কে করা মুনকার-নাকীর এর সওয়ালের জওয়াব আল্লাহ আরশে আজীম থেকে নিজেই দিয়ে দিবেন।
💓 "সুবহান আল্লাহ"💓
🎴এই সেই খাদিজা (রাঃ), যাকে মহান আল্লাহ সালাম দিয়েছেন। যেখানে তিঁনিই কবরের সওয়াল-জবাবকে ভয় পেয়েছেন। সেখানেই আমরা যেন চিন্তাই করিনা কবরের জীবন নিয়ে।
❣️" আল্লাহ আকবর"❣️
"খাদিজা (রাঃ) এর মৃত্যুর পর প্রায় প্রতি রাতেই আয়িশা (রাঃ) এর ঘুম ভেঙে গেলে, উঠে এসে দেখতেন রাসুল (সাঃ) কান্নারত অবস্থায় আল্লাহর কাছে মিনতি করছেন,
'হে আল্লাহ! যখন শেষ বিচারের দিন ছেলে বাবাকে চিনবে না,বাবা ছেলেকে চিনবে না,স্বামী স্ত্রীকে আর স্ত্রী স্বামীর চেহারা দেখে বিস্তৃত হবে তখন যেনো আমি আমার আমার প্রিয়তমা স্ত্রী খাদিজাকে চিনতে পারি এবং তাঁকে দেখে যেন বিস্তৃত না হই।
🎴খাদিজা (রাঃ) গোশত খেতে পছন্দ করতেন।যদিও খুব কম সুযোগ হতো।কিন্তু কখনো হঠাৎ কোন উট, দুম্বা কিংবা খা"সির গো"শ"তের ব্যবস্থা হতো,তিনি তৃপ্তি করে খেতেন।
"উনার মৃত্যুর পর রাসুল (সাঃ) যখনি কোন গো"শ"ত হাদিয়া পেতেন কিংবা কোনোদিন হঠাৎ কোন
প"শু জ"বা"ই হতো, তখন রাসুল (সাঃ) খুব যত্নে এক ভাগ মা,ং"স সরিয়ে রাখতেন।
🎴সেটা একটা পোটলায় ভরে মদীনার রাস্তায় চোখ মুছতে মুছতে হাটঁতেন, প্রিয়তমা খাদিজা (রাঃ) এর কোন পুরনো বান্ধবীর দেখা পান কিনা, সেই আশায়। কোনো বান্ধবীকে দেখলে, পোটলাটা দিতেন।
"ইয়া আল্লাহ সকল হালাল সম্পর্কের বারাকাহ দান করুক।
প্রত্যেক সংসারকে আল্লাহ ভালবাসা এবং স্নেহের আঁচলে আবৃত করুক।
('আমীন')
©
#ইসলামিক_পোস্ট
একটি কিডনীর ওয়েট কত? সর্বোচ্চ ২০০ গ্রাম। মেডিকেল সাইন্সের দেয়া তথ্য অনুযায়ী প্রায় দেড়শ লিটার ব্লাড এই যন্ত্র ডেইলি ফিল্টার করে। কত টাকা দিতে হয় এর জন্য আমাদের? এক টাকাও না।
একটি ডায়ালাইসিস মেশিনের ওয়েট কত? কমপক্ষে ১০০ কেজি। এই একই কাজ এই মেশিনের মাধ্যমে করাতে খরচ কত? প্রতি চার ঘন্টায় কয়েক হাজার।
সাড়ে তিন হাত শরিরের ভেতরই আল্লাহর দেয়া এরকম হাজারো নিয়ামত আমরা বিনামুল্যে ভোগ করছি নিজেদের অজান্তেই। কোনদিন কি এর জন্য শুকরিয়া আদায়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি?
তিনি আল্লাহ, আমাদের এই শরিরের নির্মাতা যিনি। তাঁর অস্তিত্বের প্রমাণে পশু পাখির গায়ে তার নাম অংকিত থাকার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন নেই মেঘের ভাঁজে তাঁর নাম ফুটে উঠার। তার অস্তিত্বের প্রমান আমরা নিজেরাই।
"বিশ্বাসীদের জন্যে পৃথিবীতে নিদর্শনাবলী
রয়েছে এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও,
তোমরা কি অনুধাবন করবে না?"
((সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত: ২০,২১))
©
আমাদের মাথার খুলির ভিতরে মস্তিষ্কের প্রকৃত ওজন ১২০০ - ১৪০০ গ্রাম। এই পরিমাণ ওজন আমরা মাথার ভিতরে অনুভব করি না কেন? এর কারণ হলো, এটা মাথার ভিতরে সেরেব্রোস্পাইনাল নামের এক প্রকার তরলে ভাসে। সুবহানাল্লাহ!
সাধারণত আমরা জানি, কোনো জিনিস পানিতে ডুবে থাকলে তার ওজন কমে যায় এবং তা তখন খুবই কম অনুভূত হয়,সেরেব্রোস্পাইনাল ফ্লুইডে ব্রেইন ভাসতে থাকে ফলে ব্রেইনের ওজন ১২০০ গ্রামের জায়গায় ৫০ গ্রাম অনুভূত হয়।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো সিজদায় গেলে আমরা এক ধরণের স্বস্তি অনুভব করি, এর কারণ আমরা যখন হাটু গেড়ে সামনে ঝুকে যাই তখন আমাদের সেরেব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড মাথার সামনে চলে আসে। ব্রেইনের উপর মাসাজ প্রদান করে এবং ব্রেইনে তখন রক্ত চলাচল খুব ভালো হয় বলে স্বস্তি অনুভূত হয়।
আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন:
ٱلَّذِىٓ أَحْسَنَ كُلَّ شَىْءٍ خَلَقَهُۥۖ وَبَدَأَ خَلْقَ ٱلْإِنسَٰنِ مِن طِينٍ
"যিনি তাঁর প্রত্যেকটি সৃষ্টিকে সৃজন করেছেন উত্তমরূপে।"(সুরা সিজদাহ ,আয়াত ৭)
সুবাহান আল্লাহ। ❤️
©
চারজন পুলিশ এক যুবককে আটক করলো নবি করিম সা.-এর রওজা শরীফের পাশ থেকে।
পুলিশ কোনো কথা না বলেই সাথে সাথে যুবকের পিঠের পেছনে দড়ি দিয়ে তার হাত বেঁধে ফেললো। যুবক পুলিশদের বলতে লাগলো: তোমাদের কি হয়েছে!? আমিতো চোরও নই, ডাকাতও নই, তবে কেন আমার সাথে এই আচরণ!?
দূর থেকে এক বৃদ্ধমুরব্বি এই অবস্থা অবলোকন করছিলেন। মুরব্বি কাছে এসে পুলিশদের বললেন: আমি এই যুবককে চিনি।
পুলিশরা মুরব্বিকে বললো: আপনি তাকে কীভাবে চিনেন?
মুরব্বি বললেন: আমি তাকে দেখি সে সবসময় রসুলুল্লাহ সা.- এর রওজার সামনে দাঁড়িয়ে, বসে দোরূদ পড়ে, সালাম দেয়, কান্নাকাটি করে। তোমরা তাকে আটোক করেছ কেন? সে কি চোর?
যুবকটি ছিলো আলবেনিয়ার, বয়স ৩৫ অথবা ৩৬ হবে, ঘন বাবরি চুল, মুখে হালকা দাড়ি।
পুলিশ বললো: না, সে চোর নয়। এই যুবক আলবেনিয়ার অধিবাসী, সে মদিনায় ৬ বছর ধরে বসবাস করছে এবং এখানে তার কোনো বসবাসের কাগজপত্র নেই। আমরা তাকে ধরে আলবেনিয়ায় পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছি ৬ বছর যাবৎ কিন্তু প্রতিবারই তাকে ধরার পর, সে আমাদের থেকে পালিয়ে যায়। আমরা তাকে প্রতিবারই রসুল সা. এর মসজিদ থেকে ধরি। এবারও তাই হলো। তাকে এবার পাওয়া মাত্রই সাথে সাথে দড়ি দিয়ে বাঁধা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় ছিলনা!
মুরব্বি পুলিশদের বললেন: এখন তোমরা তাকে নিয়ে কি করবে?
তারা বললো: রাষ্ট্রিয় আইন প্রয়োগ করবো। আমরা তাকে এখন ধরে নিয়ে প্লেনে উঠিয়ে দিবো এবং তারপর সে আলবেনিয়ায় .....
যুবকটি তখন কাঁদছিল আর ভাবছিল এবার মনেহয় তাকে সত্যি সত্যিই রসুল সা. -এর মসজিদ ছেড়ে যেতে হবে! রসুল সা.- এর স্মৃতি বিজড়িত মদিনার শহর ছেড়ে যেতে হবে! কিছুক্ষণ ভেবে যুবকটি পুলিশদের বলতে লাগলো: দেখুন ভাই, আমি এখানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও কারো সাথে প্রতারণা করি না। আমি এখানে এসেছি আল্লাহর রসুল সা. -এর ভালোবাসার টানে, এ ছাড়া অন্য কোনো দুনিয়াবি উদ্দেশ্য আমার নেই!
পুলিশরা বললো: না, এটা গ্রহণযোগ্য কথা নয়, আপনাকে অবশ্যই দেশে ফিরে যেতে হবে।বহিরাগতদের রাষ্ট্রীয় আইন এখানে থাকার সুযোগ নেই।
পুলিশরা যুবককে নিয়ে মসজিদে নববি থেকে বের হয়ে গেলো। যুবক পথিমধ্যে তাদের বললেন: আমার একটি শেষ অনুরোধ রাখবেন? পুলিশরা তার অনুরোধ শুনলেন এবং সুযোগ দিলেন।
যুবকটি তখন সবুজ গম্বুজের দিকে তাকিয়ে আবেগতাড়িত কণ্ঠে বললো:
هل هكذا كان الإتفاق بيننا ؟!
"ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমাদের মধ্যে চুক্তিটা কি এমন হয়েছিল!"
হে রসুল সা. ! আপনার প্রতিবেশী হবো, তাই আমি আমার দোকান, ব্যবসা, মা-বাবাকে ছেড়ে এখানে এসেছি! কিন্তু তারা আমাকে আর থাকতে দিচ্ছে না! এই কথা বলতে বলতে যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়লো।
পুলিশরা বলেছে: আমরা ভাবলাম, যুবক ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে, সে জ্ঞান হারানোর ভান করছে, হয়তো আবার পালানোর পাঁয়তারা।
পুলিশ সদস্যরা কিছুক্ষণ পর যুবককে মাটি থেকে টেনে উঠালো, দেখল সে সত্যিই অচেতন! মুখে পানি ঢেলে দিলেও যুবক আর নড়ছে না!
তাদের একজন বললো: তার হয়তো স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে, এক্ষুনি অ্যাম্বুলেন্স আনো।
অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল এবং যুবককে হাসপাতালেও নেয়া হয়েছিল, ডাক্তার তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বললেন: আরো দেড় ঘণ্টা আগে যুবক এই পৃথিবী থেকে চলে গেছে! সে বেঁচে নেই।
পুলিশ সদস্যরা তখন কান্নায় ভেঙে পড়েছিল এবং বলছিল: আল্লাহর শপথ! আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন কালে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসার নমুনা অনুভব করতে পারিনি!
এরপর, গোসল ও জানাযা শেষে যুবককে অ্যাম্বুলেন্সে করে জান্নাতুল বাকিতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়।
আলবেনিয়ার পথে রওনা দেয়া যুবক, জান্নাতুল বাকিতে চলে গেলেন। রেখে গেলেন পৃথিবীবাসীর জন্যে রসুল সা.-এর প্রতি মহব্বতের অনন্য দৃষ্টান্ত!
|। রসুলুল্লাহ সা. -এর মহব্বত।|
ইতিহাসটি লিখেছেন: درر_النابلسي
অনুবাদ: মুহাম্মদ ইউনুস
M***i Zilani হাফিজাহুল্লাহর টাইমলাইন থেকে নেয়া
#হতাশা_দূর_করার_দুটি_মোক্ষম_হাতিয়ারঃ
১/ অনবরত ইস্তেগফার। হাঁটতে, চলতে,
বসতে, গাড়িতে, বাড়িতে, ফেসবুকের
নিউজফিড স্ক্রল করার সময়। মোটকথা
যতক্ষণ ফুরসত (সুযোগ) পাওয়া যায় ততক্ষণ
২/ দরূদ পড়া। যত বেশি পারা যায়। ১ বার
দরূদ পাঠের বিনিময়ে ১০ বার রহমত বর্ষিত
হয়।
সহজ দুটি আমল। আসুন প্রয়োগ করে দেখি।
ইন শা আল্লাহ্ ঠকবো না।
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন জিবরাঈল (আ.)-কে বললেন,
আপনি যতোবার আমার নিকট এসেছেন,
ততোবার-ই আপনার কপালে শোক ও
দুশ্চিন্তার ছাপ ছিলো......এর কারণ কী ?
জিবরাঈল (আ.) নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম - এর প্রশ্নের জবাবে বললেন,
‘ জাহান্নাম সৃষ্টির পর থেকে
আমার ঠোঁটে কখনো হাসি ফুটেনি।
জাহান্নাম কেমন হবে?
১।জাহান্নামের গভীরতা এমন যে,
এর মুখ থেকে একটি পাথর ফেলে দিলে
জাহান্নামের তলদেশে পৌছাতে ৭০ বছর সময় লাগে।
বিচারের দিন জাহান্নাম কে ৭০ হাজার শিকল দ্বারা টেনে আনা হবে যার প্রত্যেক শিকল
৭০ হাজার ফেরেশতা বহন করবেন।
২।জাহান্নামে চাঁদ এবং সূর্যকে নিক্ষেপ করা হবে আর জাহান্নামে তা অবলীলায় হারিয়ে যাবে।
৩।জাহান্নামবাসীদের শরীরের চামড়া
১২৬ ফুট পুরো করে দেওয়া হবে
যাতে করে আযাব অত্যন্ত ভয়াবহ হয়,
তাদের শরীরে আরও থাকবে তিল
যার এক একটি উহুদ পাহাড়ের সমান।
৪।প্রতিদিন জাহান্নামের আযাব পূর্বের দিন থেকে আরও তীব্র আর ভয়াবহ করা হবে।
৫।জাহান্নামের খাদ্য হবে কাঁটা যুক্ত গাছ আর পানীয় হবে ফুটন্ত পানি,পুঁজ ও রক্তের মিশ্রণ এবং উত্তপ্ত তেল।এরপরও জাহান্নাম বাসীর পিপাসা এতো বেশী হবে যে তারা এই পানীয় পান করতে থাকবে।
৬।জাহান্নামের এই ভয়াবহ কল্পনাতীত আযাব অনন্তকাল ধরে চলতে থাকবে,
জাহান্নাম বাসীরা এক পর্যায়ে জাহান্নামের দেয়াল টপকিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাদেরকে লোহার হাতুড়ি দ্বারা আঘাত করে ফেলে দেওয়া হবে।
এই জন্যই বলছি ভাই / বোন
আসুন আমরা দীনের পথে চলি
ইসলাম মেনে চলি, আমাদের কখন কি হবে আমরা কিন্তু কেউ জানি না,কেউ আমার যাবে না,আমার হিসাব আমাকেই দিতে হবে, দুনিয়া টা একটা দুখা, লালসাময়,
তাই আসুন জাহান্নাম থেকে আমরা বাচিঁ আমাদের পরিবার কে বাচাঁই
হে আল্লাহ,
আমাদেরকে আপনি জাহান্নাম থেকে রক্ষা করুন।
আমিন।।🤲
©
18/10/2023
আপনার সন্তানকে আল-আ'কসা মসজিদ চিনিয়ে রাখুন, তার অন্তরে আল-আ'কসার প্রতি ভালবাসা তৈরি করুন!
আল-আ'কসা হলো সেই মসজিদ যার ব্যাপারে কোরআনে আল্লাহ নিজে আয়াত নাজিল করে বলেছেন,
سُبْحٰنَ الَّذِيْٓ اَسْرٰى بِعَبْدِهٖ لَيْلًا مِّنَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ اِلَى الْمَسْجِدِ الْاَقْصَا الَّذِيْ بٰرَكْنَا حَوْلَهٗ لِنُرِيَهٗ مِنْ اٰيٰتِنَاۗ اِنَّهٗ هُوَ السَّمِيْعُ الْبَصِيْرُ
মহান পবিত্র সে সত্তা, যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে নিয়ে গিয়েছেন আল মাসজিদুল হারাম থেকে আল মাসজিদুল আ'কসা পর্যন্ত, যার আশপাশ আমি বরকতময় করেছি, যেন আমি তাকে আমার কিছু নিদর্শন দেখাতে পারি। তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।
(সূরা আল-ইসরা (বনী-ইসরাঈল) ১৭ঃ আয়াত ১)
এই আয়াতে আল্লাহ নিজে ঘোষণা দিচ্ছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম'কে মেরাজের রাতে মক্কার হারাম মসজিদ থেকে বরকতময় আল-আ'কসা মসজিদে নিয়ে গিয়েছিলেন।
আপনার সন্তানকে জানিয়ে দিন এই আল-আ'কসা ছিল কাবা'র পূর্বে আমাদের কিবলা, অর্থাৎ এই দিকে ফিরেই আমরা নামায পড়তাম। অতঃপর আল্লাহ তা কাবার দিকে পরিবর্তিত করেছিলেন। এটি পৃথিবীতে সৃষ্ট দ্বিতীয় মসজিদ, প্রথম মসজিদ হচ্ছে মক্কার মসজিদ আল-হারাম।
আপনার সন্তানকে আরো জানিয়ে দিন, ইসলামের সর্বোচ্চ সম্মানিত মসজিদ তিনটি হলো-
১/ কাবা ঘরের মসজিদ আল-হারাম।
২/ মদিনার মসজিদে নববী।
৩/ আল-আ'কসা বা বাইতুল মু'কাদ্দাস।
অর্থাৎ আমরা মসজিদুল হারাম ও নববীর পরেই যে মসজিদের প্রতি আবেগ রাখবো তা হলো আল-আ'কসা!
আপনার সন্তানকে জানিয়ে দিন, আল-আ'কসা মসজিদ মুসলিমদের মসজিদ, এই মসজিদের প্রতি ভালবাসা আমাদের ঈমানের অংশ, ঈমানের দাবী।
ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন- সোনালী গম্বুজকে বলা হয় কুব্বাত আসসাখরা বা ডোম অফ দ্যা রক। কালো গম্বুজের কিবলি মসজিদকেই আল আ'কসা মসজিদ হিসেবে চেনা হয়। তবে সবুজ চিহ্নিত সম্পূর্ণ জায়গাটিই আমাদের আ'কসা মসজিদের অংশ। অর্থাৎ এখানে অবস্থিত কিবলি মসজিদ, মারওয়ানি মসজিদ, বুরাক মসজিদ এবং ডোম অফ দ্যা রক সহ ১৪৪ একর সমস্ত জায়গাটুকুই আল আ'কসা মসজিদের অন্তর্ভুক্ত।
প্রচারে- অর্ধেকদ্বীন ডটকম
কুরআনের ৪ টি মোটিভেশনাল শব্দ খুবই উপকারী ছোট্ট হলেও ব্যাপক অর্থবোধক!!! ♥
"লা তাহযান"
অর্থঃঅতীত নিয়ে কখনো হতাশ হবেন না।
"লা তাখাফ"
অর্থঃভবিষ্যত নিয়ে কখনো দুশ্চিন্তা করবেন না। তা ন্যাস্ত করে দিতে হবে আল্লাহর কাছে।
" লা তাগদাব"
অর্থঃজীবনে চলার পথে বিভিন্ন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়ের সম্মুখীন হতে হবে। রাগ করবেন না।
" লা তাসখাত"
অর্থঃআল্লাহর কোন ফয়সালার প্রতি অসন্তুষ্ট হবেন না।
~সুবহানআল্লাহ❤
©
****একটু সময় দিয়ে ১/২ মিনিট পরবেন ****
আমার এক বন্ধু বিশাল শিল্পপতি। ১০ টার উপর ফ্যাক্টরি, শত কোটি টাকার উপর ব্যাংক লোন। এক মুহূর্তের জন্য শান্তি নেই। সারাদিন ব্যাস্ত দুনিয়ার পেছনে। একদিন তার অফিসে বসে গল্প করছিলাম, এমন সময় তার এক কর্মচারী আসল। তার কোন কারণে কিছু টাকার দরকার। সে ইনিয়ে বিনিয়ে বলল, সে অত্যন্ত অভাবি ব্যক্তি, তাকে সাহায্য করার জন্য।
আমার বন্ধু হেসে বলল ''যদি অভাবের কথাই বলতে হয়, এই পুরো অফিসে আমার চেয়ে অভাবি আর কেউ নেই। আমরা একটু থতমত হয়ে গেলাম। আমি বললাম 'আমাদের সবার মিলিয়ে যত সম্পদ আছে তোর একারই তার বেশি আছে।'
সে বলল তোদের একটা গল্প শুনাই। তাহলেই আমার অভাবের রহস্য বুঝবি।
এক বিশাল ব্যবসায়ি, তার সবই আছে খালি শান্তি নেই। খালি হাহাকার আর টেনশান। চিন্তায় মাথার চুল একটাও বাকি নেই। সে একদিন দেখল তার অফিসের পিয়ন টেবিল মুছছে আর গুনগুন করে গান গাচ্ছে।
সে পিয়নকে দেকে বলল এই যে তুমি মনে মনে গান গাও, তোমার কি অনেক সুখ, তোমার মনে কি কোন দুঃখ নেই, কোন হতাশা নেই?।
পিয়ন বলে না, হতাশা কেন থাকবে স্যার, আপনি যা বেতন দেন তা দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমার ভালই চলে যায়। আল্লাহর রহমতে কোন অভাব নেই।
ব্যবসায়ি তো আরো টেনশানে পড়ে গেলেন। ওনার ম্যানেজারকে ডেকে বললেন, আমার সব আছে কিন্তু শান্তি নেই, আর ওই লোককে আমি সামান্য কয়টা বেতন দেই, সে আছে মহা সুখে, এর রহ্স্যটা কি?
ম্যানেজার বলল , রহস্য বললে বুঝবেননা। সত্যিই যদি বুঝতে চান তাহলে, ওই পিয়নকে প্রমোশান দিয়ে একটা বড় পোস্টে দিন। আর তাকে ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে দিন। এরপর দেখুন।
ব্যবসায়ি তাই করল। এতোগুলো টাকা, আর এতবড় চাকরি, পেয়ে পিয়ন আনন্দে আত্মহারা। বাসায়ও সবাই খুশি। যেহেতু এখন অফিসার হয়ে গেছে, এখন তো আর টিনের ঘরে থাকা যায়না। কলিগরা কি মনে করবে।
প্রথমেই বাসা পরিবর্তন করে আরেকটু অভিজাত এলাকায় এপার্টমেন্টে উঠলো। দেখল, বিল্ডিং এর সবাই সন্তানকে বড় স্কুলে পাঠায়, তাই বাচ্চার স্কুলও চেঞ্জ করতে হল। কিছুদিন পড় বউ ঘ্যনঘ্যন শুরু করলো সবার বাসায় কত দামি আসবাব, ফ্রিজ, টিভি, আর আমাদের বাসায় কিচ্ছু নেই। ওগুলোও কিনতে হোল। এরপর শুরু হোল বাচ্চার প্রাইভেট টিউশান, নানা রকম দাবি দাবা। আগে ঈদে একজোড়া জুতা পেয়েই সবাই কত খুশি হত, আর এখন প্রতি মাসে একজোড়া দিলেও তৃপ্তি নেই।
যেহেতু সে এখন বড় চাকরি করে , পরিবারের সবার তাঁর কাছে প্রত্যশাও অনেক। সাধ্যমত চেষ্টা করে, তাও সবার চাহিদা মেটাতে পারেনা। আত্মীয় স্বজন বন্ধু গন তাকে অহংকারি ভেবে দুরে সরে গেলো।
এদিকে অফিসের সবাই ফ্ল্যাট/ প্লট এ বুকিং দিচ্ছে। বৌ সারাদিন বাসায় খোটা দেয় , তোমাকে দিয়ে কিছুই হবেনা। ছেলে মেয়ের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। সে চাকরির ফাকে একটা দুইটা টিউশানি করা শুরু করলো। তাতেও কিছু হয়না। নানাবিধ টেনশান আর দুশ্চিন্তায় তারো মাথার চুল আসতে আসতে কমতে লাগলো।
ব্যবসায়ি লক্ষ্য করলেন ব্যপারটা। উনি বললেন কি ব্যপার , তোমাকে এতো বড় প্রমোশান দিলাম, এতো টাকা দিলাম, আর এখন দেখি তুমি আগের মত আর প্রাণবন্ত নেই। ঘটনা কি?
সে বলল স্যার , কিছু দুনিয়াবি সম্পদ দিয়েছেন, কিন্তু তার সাথে যে এতো চাহিদা আর অভাব আসবে তাতো আর বুঝিনি। আগে আমার কিছুই ছিলনা, অভাবও ছিলনা। আর এখন যেদিকেই তাকাই , খালি নাই আর নাই। আগে আমার অভাব পড়লেও সেটা ছিল এক দুই হাজারের ব্যপার। কোন ভাবে মেটান যেত। আর এখন আমার অভাব লক্ষ কোটি টাকার। এটা কিভাবে মেটাবো সে চিন্তায় আমার এখন আর রাতে ঘুম আসেনা স্যার।
ব্যবসায়ি বলল, এতদিনে বুঝলাম, আমার মুল অসুখ। এক টাকার সম্পদের সাথে ২ টাকার অভাব আসে। যতই দুনিয়ার পিছনে ছুটি কবরের মাটি ছাড়া এই অভাব আর অন্য কিছু দিয়েই পূর্ণ হবেনা।
---------------------------------------------------
আদম সন্তানের যদি স্বর্ণে পরিপূর্ণ একটি উপত্যকা থাকে, তবে সে (তাতে সন্তুষ্ট হবে না, বরং) আরেকটি উপত্যকা কামনা করবে । তার মুখ তো (কবরের) মাটি ছাড়া অন্য কিছু দ্বারা ভর্তি করা সম্ভব নয় । যে আল্লাহর দিকে রুজু করে আল্লাহ তার তওবা কবূল করেন - [বুখারী]
-সংগ্রহিত