18/02/2026
জানুয়ারি মাসে ঘটনার ঘনঘটা। মাস শেষের শেষ সময়ে ২৮ তারিখ ছাত্রদের পিকনিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল গাদিয়াড়া। সে এক দারুন অভিজ্ঞতা। সকাল সকাল স্কুলের সামনে থেকে দুটো বাসে করে শিক্ষক-ছাত্ররা চললো গাদিয়াড়ার উদ্দেশ্যে। ওখানে পৌঁছে গরম গরম ব্রেকফাস্ট এবং কিছু জলযোগের পর নিজেদের ইচ্ছেমতো খেলাধুলো এবং আর একটু পরে রূপনারায়ণ নদীর পাড় ধরে ঘোরাফেরা এবং তারপর লঞ্চে চেপে নদীর এপার-ওপার করা। সে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। নদীর জলে হঠাৎ শুশুক দেখতে পাওয়ার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তারপর বেশ জমিয়ে মধ্যাহ্নভোজন। পরে সন্ধ্যা নামতে আবার দল বেঁধে আনন্দ করতে করতে বাড়ি ফেরা। পঞ্চম থেকে একাদশ শ্রেণির ছাত্রদের নিয়ে এই পিকনিকের আয়োজন। সেই আনন্দ অনুষ্ঠানের কিছু ছবি এখানে দেওয়া হল।
জানুয়ারি ৩০ তারিখ স্কুলের কনজিউমার ক্লাব একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বিভিন্ন ক্লাসের মধ্যে ক্রেতা উপভোক্তা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হয়।যোগদানকারী ছাত্ররা যথেষ্ট উৎসাহের সঙ্গে প্রশ্নের উত্তর দেয়। সবশেষে তাদের হাতে বিভিন্ন পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সেদিনের অনুষ্ঠানের কিছু ছবিও এখানে দেওয়া হল।
13/02/2026
সরস্বতী পুজো কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এর সঙ্গে জুড়ে আছে এক গভীর নস্টালজিয়া। যে শিক্ষার্থী শিক্ষাঙ্গনের আলোয় এসেছে তার সঙ্গে সরস্বতী পুজোর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংযোগ কখনোই অস্বীকার করা যায় না। তাই সরস্বতী পুজোর দিন বিদ্যালয় থেকে পাশ করে ২৫-৩০-৩৫-৪০ বছর আগে বেরিয়ে যাওয়া ছাত্ররাও একবার তাদের শিক্ষার্থী জীবনের নস্টালজিয়া ঝালিয়ে নিতে আসে বিদ্যালয় অঙ্গনে। এই বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি, সরস্বতী পুজোর দিন স্কুলে কেবল নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো-আর্চা, খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদি যেমন হয়েছে তেমনি পাস করে যাওয়া ছাত্রদের অঘোষিত রিইউনিয়নও হয়েছে।
যেকোনো কাজকর্ম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজন তার সঠিক প্রস্তুতি। এবারকার সরস্বতী পুজোর দিনের আগে থেকেই শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকার সেই সলতে পাকানোর প্রস্তুতি পর্ব হয়েছে যথার্থ। আর সরস্বতী পুজোর দিন শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি, মধ্যাহ্নভোজনে অংশগ্রহণ, বহু আগেও যারা ছাত্র ছিল তাদের দল বেঁধে অংশগ্রহণ শিক্ষকদের টিচার্স রুমে এসে একটু ছবি তুলে যাওয়া এই সমস্ত কিছুই এবারে সুচারুভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে। এই পোস্টের সঙ্গে দেওয়া ছবিগুলো একবার দেখলেই সরস্বতী পুজোর নস্টালজিয়ায় আবার সকলে আক্রান্ত হবে এই কথা নিশ্চিত ভাবে বলা যায়। সেই সঙ্গে রইল ২৩ শে জানুয়ারি সরস্বতী পুজোর দিন আমাদের প্রিয় নেতাজিকে বরণ করার এবং ২৬ শে জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে বিদ্যালয় অঙ্গনে পালন করা ছবি।
25/01/2026
সমস্ত জানুয়ারি জুড়ে কেবল অনুষ্ঠান আর অনুষ্ঠান। এই বছরের দ্বিতীয় পোস্ট বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার। কম বয়সীদের মধ্যে এখন ছোটাছুটি করে খেলাধুলার উৎসাহ যথেষ্ট কমে যাচ্ছে, তার বদলে ঘরে বসে মোবাইল নিয়ে খেলাতেই তাদের উৎসাহ বেশি। কিন্তু বর্তমান এই অবস্থার কাছে সমর্পণ করে দিলে তো চলবে না তাদের ছাত্রদের খেলাধুলায় উৎসাহ দিয়ে যেতেই হবে এবং তারই ফলশ্রুতি বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। তবে সৌভাগ্য ক্রমে কালীধন ইনস্টিটিউশনের বেশ কিছু ছাত্র বিভিন্ন রকমের ক্রীড়া ক্ষেত্রে তাদের নৈপুণ্য বজায় রেখেছে এবং খেলার মাঠে তাদের আধিপত্য অবশ্যই বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে। এই বছর সেই উৎসাহ মাঠেও চোখে পড়েছে। খেলাধুলার সমস্ত ইভেন্টের ছবি তো তুলে রাখা হয়নি তবে যেসব ছবি এখানে দেওয়া হল তার দিকে একবার চোখ বোলালেই বোঝা যাবে ছাত্রদের সঙ্গে শিক্ষক - শিক্ষিকাদের খেলাধুলার মাঠে উৎসাহী উপস্থিতির বিষয়টা এতোটুকুও কমে যায়নি।
21/01/2026
২০২৬ নতুন শিক্ষাবর্ষ আরম্ভ হয়েছে কয়েকদিন আগে ইতিমধ্যেই স্কুলে ঘটে গেছে অনেক রকম ঘটনা, তার কিছু অনুষ্ঠানের ছবি সমাজ মাধ্যমের বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার না করলে চলে না।
শিক্ষা দপ্তরে নির্দেশ অনুযায়ী জানুয়ারি মাসের ২ থেকে ৮ তারিখ পর্যন্ত চলে শিক্ষার্থীদের সপ্তাহ বা STUDENTS WEEK। প্রথম দিন ছিল book day, সেই দিন নতুন ক্লাসে তাদের সরকার প্রদত্ত নতুন বই-খাতা ইত্যাদি দেওয়া হয়েছে। এই সপ্তাহেরই কোন একদিন ছাত্ররা তাদের class room পরিষ্কার করেছে, কোনদিন নিজেদের হস্তশিল্পের নমুনা প্রদর্শন করেছে, এমনকি বিক্রিও করেছে, কোনদিন তাদের reading , writing, storytelling ইত্যাদি বিষয়ে দক্ষতা নির্ণয় করা হয়েছে। সরকারের তরফ থেকে যেসব scholarship তারা পেতে পারে সে সম্পর্কেও অবহিত করা হয়। আর শেষ দিন আয়োজন করা হয়েছিল খাদ্য উৎসব বা food festival। নিজেদের তৈরি খাবার এনে ছাত্ররা বিক্রি করেছে এবং সবাই মিলে অত্যন্ত আনন্দ করেছে।
এরই মাঝে স্কুলের ছাত্ররা পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ আয়োজিত বিজ্ঞান মেলায় বিজ্ঞান সচেতনতা প্রসারে জন্য পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেছে এবং দশম শ্রেণীর দুই ছাত্র তাদের তৈরি মডেল প্রদর্শন করে প্রশংসিত হয়েছে। এই সমস্ত কিছুর ছবি এই পর্বে দেওয়া হল।
31/12/2025
ডিসেম্বর মাসের ২৩ তারিখ চেতলার অহীন্দ্রমঞ্চে কালীধন ইনস্টিটিউশন পুরস্কার বিতরণী এবং বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের এবং আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রাসবিহারী বিধানসভার বিধায়ক শ্রী দেবাশীষ কুমার ছাত্রদের উৎসাহিত করেন এবং বিদ্যালয়ের সর্বাঙ্গীণ উন্নতি কামনা করেন। খুব অল্পদিনের চেষ্টায় বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষিকার অক্লান্ত পরিশ্রমে সেদিন যে অনুষ্ঠান অহীন্দ্রমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় তাতে ছিল চূড়ান্ত পেশাদারিত্বের ছাপ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই বিদ্যালয়ের ছাত্রদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখে খুবই আনন্দ প্রকাশ করেন। তিন বছরের একাডেমিক এক্সেলেন্স এর পুরস্কার দেওয়া হয় কয়েকটি ধাপে সফল ছাত্রদের মধ্যে। বহুদিন পরে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এইরকম সুন্দর একটা অনুষ্ঠান করতে পেরে সেদিন সকলেই ছিলেন অত্যন্ত পুলকিত। সেদিনের অনুষ্ঠানের কিছু স্থির চিত্র এখানে প্রকাশ করা হলো। যেদিন যারা অহীন্দ্রমঞ্চে উপস্থিত থাকতে পারেননি আশা করি এইসব স্থিরচিত্র দেখে তাদের ভালই লাগবে আগামীতে সংক্ষিপ্ত আকারে সেই সব অনুষ্ঠানের ভিডিও অংশ দেওয়া যাবে।
দীর্ঘ ৩১ বছর বিদ্যালয়ে কর্মজীবন শেষ করে বছর শেষে অবসর নিলেন শিক্ষাকর্মী শ্রী লক্ষ্মী মল্লিক। তাকেও বিদ্যালয়ের তরফ থেকে শেষ দিনে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়। সেই অনুষ্ঠানের কিছু ছবিও এখানে দেওয়া হল।
28/12/2025
তিব্বতের লাসা থেকে পূর্ব সিকিমের যোগাযোগ ছিল নাথুলা, জেলেপ-লা- পাসের মাধ্যমে অতীতে ব্যবসায়ীরা ইউরোপের থেকে তিব্বতের পথ ধরে জেলেপ-লা- পাসের মাধ্যমে অতি দুর্গম সিল্ক রুট ধরে ভারতবর্ষে প্রবেশ করতেন ব্যবসার জন্য। বিভিন্ন জিনিসপত্রের মধ্যে রেশম বা silkই প্রধান পণ্য ছিল বলে এই পথকে 'রেশম পথ' বা 'সিল্করুট' বলা হয়। কালীধন ইনস্টিটিউশন তার ছাত্রদের জন্য এবারে শীতকালের ডিসেম্বর মাসের ১৩ তারিখ থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত পূর্ব সিকিমের সিল্করুট ঘুরে দেখার পরিকল্পনা নেয়। শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রদের এই শিক্ষামূলক ভ্রমণ এক অনন্য অভিজ্ঞতার সাক্ষী হিসেবে উপস্থাপিত হয়। উত্তরবঙ্গের প্রবেশ পথের মূল দরজা নিউ জলপাইগুড়ি থেকে তিস্তার ধার ধরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সিকিমে প্রবেশ করে পুরো দল প্রথম রাত সিকিমের আরিতারের হোটেলে দুর্দান্ত সময় কাটায়। দ্বিতীয় দিন গাড়িতে করে চারপাশ দেখতে দেখতে আরিতার থেকে পুরো দল পৌঁছায় পদমচেনে। তৃতীয় দিন পদমচেন থেকে গাড়িতে করে যাওয়া হয় সুদূর নাথুলার উদ্দেশ্যে। সমস্ত দল তাদের যাত্রা পথে ৪৫০০ ফুটের আরিতার থেকে ৮০০০ ফুটের পদমচেন যেমন থেকেছে, তেমনি ১০,০০০ ফুট উচ্চতার জুলুকের আঁকাবাঁকা ৩২ টি হেয়ার পিন লুপ ধরে পৌঁছেছে ১৪,১৪০ ফুটের ভাষায় প্রকাশ করা যায় না এমন সুন্দর নাথুলায়। যাত্রা পথের অসাধারণ অভিজ্ঞতা তথা পূর্ব হিমালয়ের অসাধারণ সৌন্দর্য ছাত্রদের এতটাই বিমোহিত করেছিল যে তারপরের দিন অনেকেরই ফিরে আসতে মন সায় দিচ্ছিল না। এই অসাধারণ ভ্রমণের কিছু ছবি সকলের সঙ্গে শেয়ার করা হলো এখানে।
09/12/2025
আবার বেশ কিছুদিন পরে। ফেসবুকের বন্ধুদের সঙ্গে এই সময়ের মধ্যে স্কুলে কি কি ঘটনা ঘটে গেছে তা জানানোর জন্য এই পোষ্ট। যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৫ তম জন্ম দিবস পালন করা হয়েছে গত ২৬ শে সেপ্টেম্বর। স্কুলের গণিত বিষয়ে শিক্ষক শ্রী সুদীপ দাস মহাশয়কে অন্য বিদ্যালয়ে যোগদান করার আগে এক বিদায় সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল নভেম্বর মাসের ৬ তারিখ। বিদ্যালয় অন্তপ্রাণ এবং ছাত্রদের অত্যন্ত পছন্দের এই স্যার স্কুলে তার সংক্ষিপ্ত কর্মজীবনে নিজের কার্যকলাপের জন্য ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয়। হাসিখুশি এই মানুষটাকে আমরা অত্যন্ত হাসিখুশির আবহাওয়ার মাধ্যমেই বিদায় জানিয়েছি। ১৪ ই নভেম্বর ছিল শিশু দিবস। সেই দিন স্কুলে এবং স্কুলের বাইরে দুটো অনুষ্ঠানে ছাত্ররা অংশগ্রহণ করে। স্কুলের মধ্যে HDFC ব্যাংক ছাত্রদের জন্য বসে আঁকো প্রতিযোগিতার আয়োজন করে, তাদের পুরস্কৃত করে। কিছু ছাত্রকে বিদ্যালয়ের বাইরে একটি বেসরকারি সংস্থার অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়। যেখানে তাদের উপহার হিসেবে বিভিন্ন উদ্ভিদ দেওয়া হয়। আরেকটু আনন্দ পেতে তাদের পার্শ্ববর্তী শপিংমলে সঙ্গে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া হয়। কত ১৫ ই নভেম্বর লায়ন্স ক্লাব অফ কলকাতা নর্থ স্কুলে থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্বন্ধীয় একটি সচেতনতা শিবির এবং উপস্থিত ছাত্র দের রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া সম্বন্ধীয় রক্তে কোন অসুবিধা আছে কিনা তার ব্যবস্থা করে। এই অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ছাত্ররা বিনামূল্যে একটি দরকারি পরীক্ষা করতে পেরে বিশেষ লাভবান হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। নভেম্বর মাসের কুড়ি তারিখ Techno India গ্রুপের তরফ থেকে একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রদের জন্য কেরিয়ার কাউন্সিলিং এর এক শিবিরের আয়োজন করা হয়। নভেম্বর মাসের ২২ তারিখ স্কুলের কয়েকজন ছাত্রের কাছে ছিল একটা মজার দিন। সেদিন লায়ন্স ক্লাবের তরফ থেকে এক বিশেষ মার্কেটে তাদের বিনামূল্যে অনেক টাকা মূল্যের কেনাকাটা করার সুযোগ করে দেওয়া হয়। সবশেষে আরেকটি কথা বিশেষভাবে জানানোর বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র রুদ্র মন্ডল রোয়িং প্রতিযোগিতায় ন্যাশনাল লেভেলে খেলাধুলা করতে যাওয়ার আগে স্যার,ম্যাডামদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র উপহার হিসেবে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছে।
29/08/2025
আবার বহুদিন বাদে। ইতিমধ্যে গরমের ছুটি শেষ শেষ হয়েছে। পড়াশোনার সাথে সাথে এই কয়েক মাসে স্কুলে যেসব উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে সকলের সঙ্গে এখানে সেইসব শেয়ার করা হলো।
প্রথমেই বলার, গত জুন মাসের শেষের দিকে কালীধন ইনস্টিটিউশন এর ছাত্ররা প্রি সুব্রত কাপ ফুটবল ম্যাচে অংশগ্রহণ করে সেমিফাইনাল পর্যন্ত যেতে সক্ষম হয়েছে। অনুশীলন আরো গভীর হলে আশা করা যায় আগামী বছর তারা ফাইনালে অন্য স্কুলের খেলোয়ারদের সঙ্গে মোকাবিলা করে জয়যুক্ত হবে।
জুলাই মাসে একাধিক অনুষ্ঠান হয়েছে। কলকাতার রঙ্গশীর্ষ থিয়েটার ছাত্রদের জন্য আয়োজন করেছিল এক নাট্য কর্মশালার। জুলাই মাসের ১৮ তারিখ ছাত্রদের ভারতীয় জাদুঘরে এক শিক্ষামূলক ভ্রমণে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে সমস্ত দিন জুড়ে তারা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে নতুন নতুন অনেক কিছু শেখার সুযোগ পায়। রোটারি ক্লাবের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় কলকাতার "তাজ হোটেল" থেকে কর্তৃপক্ষ এসেছিলেন একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রদের উদ্বুদ্ধ করতে যাতে তারা আগামীদিনে হোটেল ম্যানেজমেন্ট বা ঐ সম্বন্ধীয় পড়াশোনা করে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে।
আমাদের স্কুলের রোইং টিমের উৎকর্ষতার কিছু নমুনাও এখানে দেওয়া রইল।
আগস্ট মাসে ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে ছাত্রদের কেনাকাটা সম্বন্ধীয় নিয়ম কানুন এবং সুরক্ষিত থাকার কৌশল বলা হয়। ১৫ই আগস্ট যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে স্কুল প্রাঙ্গণে ৭৯ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়।
আর বলার আছে অন্যান্য বছরের মত এবারও দ্বিতীয় অভীক্ষা পরীক্ষা শেষে বর্ষার মাঠে অনুষ্ঠিত হয় সত্যপ্রিয় রায় কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা। এতে অংশগ্রহণকারী ছাত্রদের আনন্দের কিছু মুহূর্ত সকলের সঙ্গে এখানে ভাগ করে নেওয়া গেল। আপাতত এই পর্যন্ত......
02/05/2025
একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি শুরু হবে এবার। কালীধন ইন্সটিটিউশনে Science, Commerce, Humanities গ্রুপে যে সব বিষয় নিয়ে পড়া যাবে তার সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া হল এখানে।
01/05/2025
Attention Please
এই বছর থেকে কালীধন ইন্সটিটিউশনে একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীতে কয়েকটি নতুন বিষয় পড়ানো আরম্ভ হচ্ছে।
21/03/2025
মার্চ মাসের ৩ তারিখ থেকে শুরু হয়েছিল এবারকার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। আমাদের স্কুল যেমন এই পরীক্ষার অন্যতম একটি venue. তেমনি আশেপাশের আরো অনেকগুলি স্কুলে এই পরীক্ষা পদ্ধতি সঠিক ভাবে চালানোর জন্য main venue হিসেবে কাজ করে। এই বছরও অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সেই কাজটি করেছে আমাদের স্কুল। এই পরীক্ষার কথা নয় বরং তার আগে এবং পরীক্ষা চলাকালীন স্কুলের ছাত্ররা যেসব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে তার কিছু ছবি সবার সঙ্গে শেয়ার করা হলো। CESC র সহযোগিতায় CINI বলে একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান স্কুলে ফেব্রুয়ারি মাসে এসেছিল ছাত্রদের পরিবেশ সম্বন্ধে সচেতন করতে। পরে প্রকল্প শেষে তারা স্কুলের একজন ছাত্র এবং শিক্ষককে আমন্ত্রণ জানান এই সম্বন্ধীয় আলোচনায় অংশগ্রহণ করার জন্য। ফেব্রুয়ারি মাসের ৪ তারিখ কালীধন গাঙ্গুলী যার নামে আমাদের স্কুল, মৃত্যুদিনে তাঁকে স্মরণ করা হয়। ফেব্রুয়ারির ১১ তারিখ আমাদের স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শ্রী সত্যপ্রিয় রায়ের মৃত্যুদিন। অন্যান্য বছরের মতো এবছরও যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে ঐ দিনটি পালন করা হয়। ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে স্কুলের ছাত্রেরা শিক্ষক-শিক্ষিকার নেতৃত্বে কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক সম্বন্ধীয় বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে এবং road safety সম্বন্ধে অনেক জ্ঞান অর্জন করে। ফেব্রুয়ারি মাসের ২১ তারিখ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্কুলের শিক্ষার্থীরা তাদের ক্লাসে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। এর কয়েকদিন আগেই "একটি দল" বলে এক নাট্য সংস্থা স্কুলের ছাত্রদের নাটক সম্বন্ধে অনেক শিক্ষা দান করে একটি theatre workshop এর মাধ্যমে। মার্চ মাসে স্কুলের consumer club এর ছাত্রেরা শিক্ষকের সঙ্গে যোগদান করে world consumer day র এক বিশেষ সরকারি অনুষ্ঠানে।
এই সব কিছুর ছবি নিচে দেওয়া হল।
03/03/2025
বিদ্যালয় জীবনে সরস্বতী পুজো মানে এক অনাবিল আনন্দের সময়। এমন কেউ নেই হয়তো যে তার স্কুল জীবনের সরস্বতী পুজোর আনন্দের কথা মনে রাখেনি। এই বছরও যথাযথ মর্যাদা সঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে সরস্বতী পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। উত্তর কলকাতার কুমোরটুলি থেকে সরস্বতী ঠাকুর আনা, পুজো উপলক্ষে স্কুল সাজানো, আগের দিন রাত জেগে পরের দিনের রান্না-বান্নার আয়োজন করা, পুজোর দিন যথাযথ আনন্দের সঙ্গে পুজো সম্পন্ন করা, খাওয়া-দাওয়া করা এবং পুজোর পরের দিনের দধিকর্মার অনুষ্ঠান আয়োজন করা, সব শেষে বিষর্জনের ব্যবস্থা এই সব কিছুই এবার খুব আনন্দের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। এবারকার পোস্টে ২০২৫ সালে স্কুলে সরস্বতী পুজোর কিছু ছবি সবার সঙ্গে শেয়ার করা হলো।