Digital E Books

Digital E Books

Share

“স্বপ্নের সুরে বাঁধা বাংলা গল্প! � প্রেরণা, আশা আর জীবনের রঙে ভরা গল্প শুনে নতুন স্বপ্ন দেখো। শোনো,

15/06/2025

Story of a bird

27/05/2025

বিয়ের চুক্তি – তৃতীয় অধ্যায়: পরিবারের প্রথম পরিচয়:
সকালে তনিমার ঘুম ভাঙল হালকা আলো আর নরম শব্দে। চোখ মেলে দেখল, বড় বড় জানালাগুলো দিয়ে রোদের আলো ঢুকছে ঘরে। মাথা ঝিমঝিম করছে, রাতের না ঘুমের ক্লান্তি আর অজানা এক দুঃশ্চিন্তা যেন শরীরের সমস্ত শক্তি কেড়ে নিয়েছে।

কাঁথা সরিয়ে বিছানা থেকে নেমে দাঁড়াল তনিমা। দরজার দিকে তাকাতেই বোঝা গেল, বাইরে কেউ কথা বলছে। দরজার কাছে এগিয়ে গিয়ে কানে এল পরিচিত গলার সুর – অরিন্দম।

“ওর ঘুম ভেঙেছে?”
“জি, স্যার। নাশতা তৈরি আছে, ডাইনিং টেবিলে নিয়ে আসছি।”

তনিমার মনে হলো, নিজেকে নিয়ে যেন এক অদ্ভুত দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। এই বাড়ি, এই অচেনা মানুষগুলো – কেউ ওকে কিছু জিজ্ঞেস করছে না, কেউ অস্বস্তি দিচ্ছে না, তবুও নিজের অস্তিত্বটাই যেন হারিয়ে ফেলছে।

কিছুটা সাহস সঞ্চয় করে ও দরজা খুলে বেরিয়ে এল। ডাইনিং টেবিলের কাছে গিয়ে দাঁড়াতেই দেখল, অরিন্দম সাদা শার্ট আর প্যান্ট পরে দাঁড়িয়ে আছে। পরিচারকরা সাজিয়ে রেখেছে নাশতা – ব্রেড, ফল, স্যুপ।

অরিন্দম একঝলক তাকিয়ে বলল, “ঘুম ভালো হয়েছে? বসুন, নাশতা করে নিন।”

তনিমা সঙ্কোচের সাথে টেবিলে বসল। এক চুমুক চা খেয়ে সাহস করে বলল, “আপনার পরিবার… মানে, তাঁরা কবে আসবেন?”

অরিন্দম গভীরভাবে ওর দিকে তাকিয়ে বলল, “আজ সন্ধ্যায়। দাদু, মা, কাকিমা – সবাই আসবেন। আজ প্রথমবার তোমাকে তাঁদের সামনে স্বাভাবিকভাবে আমার স্ত্রী হিসেবে থাকতে হবে। মনে আছে, তিন মাসের জন্য আমাদের একটা চুক্তি হয়েছে?”

তনিমার গলা শুকিয়ে এলো। কণ্ঠে ফিসফিস করে বলল, “হ্যাঁ… মনে আছে।”

অরিন্দম এবার বাস্তবিকভাবে, ঠান্ডা স্বরে বলল, “তুমি আমার স্ত্রী নও, তবে এই তিন মাসের জন্য আমাদের সবাইকে সেটা বিশ্বাস করাতে হবে। এটাই আমাদের মধ্যে শর্ত। আমি আমার কথা রাখব, তুমি শুধু নিজের চরিত্রের প্রতি সৎ থেকো।”

তনিমা বোঝে, এই ‘চুক্তি’ নিছক নাটক নয়। এর পেছনে গভীর বাস্তবতা আছে, এবং সেই বাস্তবতাই হয়তো ওকে আজকের তনিমা থেকে অন্য এক রূপে গড়ে তুলবে।

সন্ধ্যার জন্য সাজতে গিয়ে তনিমা প্রথমবার নিজেকে আয়নায় দেখে। পরিচিত মুখ, কিন্তু অচেনা অনুভূতি। এই লাল-গোলাপি শাড়ি, সোনার চুড়ি, খোঁপায় সাদা ফুল – সব যেন নাটকীয়। কিন্তু এই নাটকে ওর কোনো স্ক্রিপ্ট নেই।

সন্ধ্যায় ঘণ্টা বাজল। বাড়ির বড় ফটক খুলল। গাড়ি থামল।

তনিমা নিজের শ্বাস ধরে রাখল। আজ অরিন্দমের পরিবারের সামনে প্রথমবার ও নিজেকে দেখাবে – ‘অরিন্দম সেনগুপ্তের স্ত্রী’ হিসেবে।
#বিয়েরচুক্তি
পরবর্তী এপিসোড র জন্য পেজ টিকে ফলো করুন।

27/05/2025

বিয়ের চুক্তি – part-2
দ্বিতীয় অধ্যায়: অচেনা প্রাসাদে প্রথম রাত

রাতের ঘুম তনিমার চোখে নেই। অচেনা ঘর, অজানা মানুষের বাড়ি, আর জীবনের অজানা মোড়— সবকিছু যেন দুঃস্বপ্নের মতো। বিছানায় শুয়ে একপাশে চুপচাপ তাকিয়ে থাকে ছাদে ঝুলতে থাকা ক্রিস্টাল ঝাড়বাতির দিকে। পাশের সোফায় শুয়ে আছে সেই যুবক, যার নাম পর্যন্ত সে জানে না।

ঘড়ির কাঁটা রাত দুটো পার করেছে। হঠাৎ বাইরের জানালা দিয়ে ঠান্ডা বাতাস ঢুকল। তনিমা উঠে জানালা বন্ধ করতে গেল। কিন্তু জানালা বন্ধ করতে গিয়ে টের পেল, পেছন থেকে একজোড়া চোখ তাঁকে লক্ষ্য করছে। ঘুরে তাকাতেই দেখে যুবকটি উঠে দাঁড়িয়েছে।

"ঘুমোতে পারছেন না?" নরম কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল সে।

তনিমা চমকে উঠল। মাথা নেড়ে বলল, "না... এই বাড়ি... এই পরিস্থিতি... আমি অভ্যস্ত নই।"

যুবকটি আস্তে আস্তে এগিয়ে এসে জানালা বন্ধ করে দিল। তারপর পাশের টেবিল থেকে এক কাপ উষ্ণ দুধ এগিয়ে দিয়ে বলল, "এটা খান। ঘুম আসবে। আর ভয় পাবেন না, এই বাড়িতে আপনি নিরাপদ।"

তনিমা কাপটি হাতে নিয়ে চুপচাপ বসে রইল। যুবকটি ফিরে গিয়ে আবার সোফায় শুয়ে পড়ল।

তনিমা এবার সাহস করে জিজ্ঞেস করল, "আপনার নামটা জানতেই পারি?"

যুবকটি একটু থেমে বলল, "অরিন্দম। অরিন্দম সেনগুপ্ত।"

তনিমা নামটা মনে মনে আওড়ালো। অরিন্দম সেনগুপ্ত। এ নাম আগে শোনেনি।

"আপনার?" অরিন্দমও জিজ্ঞেস করল।

তনিমা ধীরে উত্তর দিল, "তনিমা ঘোষ।"

এক মুহূর্তের নীরবতা। তারপর অরিন্দম বলল, "তনিমা, এই তিন মাসে আপনার কোনো অস্বস্তি হবে না, কথা দিচ্ছি। চুক্তি শেষে আপনি মুক্ত।"

তনিমা চুপ করে রইল। ভেতরে কোথাও একটা অজানা শঙ্কা— এই মানুষটাকে না চেনা, না জানা, তবুও যেন তাঁর কথায় এক ধরনের অদ্ভুত বিশ্বাস জন্মাচ্ছে।

তনিমা জানে না, আগামী দিনগুলো কেমন হতে চলেছে। তবে সে এটুকু বুঝতে পারছে, এই বিয়ের চুক্তি শুধু তিন মাসের নয়, বরং এমন এক কাহিনির সূত্রপাত, যা তাদের দুজনকেই বদলে দেবে।

গল্পের পরবর্তী অংশ পড়ার জন্য পেজ টিকে ফলো করুন, লাইক শেয়ার কমেন্ট করতে ভুলবেন না।
#বিয়েরচুক্তি #গল্প

27/05/2025

:বিয়ের চুক্তি: Part-1
প্রথম অধ্যায়: অজানা এক সিদ্ধান্ত

“আমাকে বিয়ে করবেন?”

অচেনা যুবকের এমন সরাসরি প্রস্তাবে থমকে গেল তনিমা। আশ্চর্য হয়ে তাকিয়ে রইল ও। সেদিন ছিল ওর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন— অন্তত তাই ভেবেছিল সকালবেলা। আজ তন্ময়ের সঙ্গে রেজিস্ট্রার অফিসে বিয়ে হবার কথা। কিন্তু তন্ময় আসেনি। ফোনও বন্ধ।

তনিমা দাঁড়িয়ে ছিল রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে, একা, অসহায়ভাবে। হঠাৎ এই অচেনা যুবক এসে দাঁড়ালো ওর সামনে। সিল্কের পাঞ্জাবী, নিখুঁত চুলের স্টাইল, কব্জিতে দামি ঘড়ি, আর সেই বিদেশি পারফিউমের গন্ধ। এক ঝলকে সম্ভ্রান্ত ঘরের সন্তান মনে হয়।

তনিমা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, "আপনাকে? মানে?"

যুবকটি শান্তভাবে উত্তর দিল, "সরাসরি বলছি, যার সাথে আমার বিয়ে হবার কথা ছিল, সে আসেনি। আপনার যদি আপত্তি না থাকে, তিন মাসের জন্য আমার স্ত্রী হয়ে থাকুন।"

তনিমার চোখ বিস্ময়ে বড় হয়ে গেল। "তিন মাসের জন্য?"

যুবকটি ঘড়িতে তাকিয়ে সময় দেখল, তারপর বলল, "হ্যাঁ, তিন মাসের চুক্তি। আমাদের পরিবারে সবাই ভাববে আমরা সুখী দম্পতি। তবে এটা নিছক চুক্তি।"

তনিমা এবার যুবকটির পেছনের দিকে নজর ফেলল। দুটি দামি গাড়ি, কিছু দেহরক্ষীর মতো চেহারার মানুষ। এরা কারা? এতো আড়ম্বর কেন?

যুবকটি বিরক্তির সুরে বলল, "আমার দাদু অসুস্থ। তাঁর শেষ ইচ্ছা আমি যেন সংসারী হই। এ মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়। সিদ্ধান্ত আপনার।"

তনিমার মনের মধ্যে বিদ্যুৎ খেলে গেল। তন্ময় সকালে ফোনে জানিয়েছে, "তোমাকে বিয়ে করলে বাবা বিষ খাবে বলে হুমকি দিয়েছে। পরিবারের বিরুদ্ধে যেতে পারব না।"

প্রেমিকের এই নিষ্ঠুরতা তনিমাকে ভেঙে দেয়নি, বরং অজানা এক শক্তি এনে দিয়েছিল।

তাই সে চুপচাপ মাথা নিচু করে সম্মতি জানায়।

কিছুক্ষণের মধ্যেই রেজিস্ট্রার অফিসে কাগজপত্রে সই হয়। তনিমা এক অজানা যুবকের ‘চুক্তি-স্ত্রী’ হয়ে যায়।

গাড়ি চেপে এক বিশাল প্রাসাদোপম বাড়িতে পৌঁছে যায় ও। বাড়িতে ঢুকে চোখ জুড়িয়ে যায়— উজ্জ্বল আলো, মার্বেলের মেঝে, ঝাড়বাতি ঝলমল করছে।

কিন্তু রাতে বিছানায় পৌঁছে সবকিছু বাস্তবে ফিরে আসে। একটাই বিছানা। ঘরে দাঁড়িয়ে অপ্রস্তুত তনিমা।

যুবকটি মাথা নীচু করে বালিশ নিয়ে সোফায় গিয়ে বসে, "আপনি বিছানায় শুয়ে পড়ুন। আমি সোফায় রাত কাটিয়ে দেবো।"

তনিমার মনের মধ্যে হাজারো প্রশ্ন: এই মানুষটির নাম কি? পেশা কি? এই তিন মাসের চুক্তির আড়ালে অন্য কোনো উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে কি? আর সে নিজে কি পারবে তন্ময়কে ভুলে যেতে?

তনিমা জানে না, এই চুক্তির ভিতরে লুকিয়ে আছে এমন এক কাহিনী, যা তার জীবন বদলে দেবে চিরকালের জন্য।

গল্পের পরবর্তী অংশ পেতে পেজ টিকে ফলো রাখুন। কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।
#বিয়েরচুক্তি #গল্প

21/05/2025

#ভূতেরগল্প

21/05/2025

নতুন ভূতেরগল্প আসছে

12/05/2025

08/05/2025

Sunamganjer Chele Ami

01/05/2025

OTP রক্ষা করুন -স্ক্যামের ফাঁদ থেকে বাঁচুন Sunamganjer Chele Ami

Want your school to be the top-listed School/college in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Kolkata
Kolkata
700087