বাংলার পুতুল। শিশুদের নিয়ে কুসুমকুঞ্জের কর্মশালা।
Kusumkunja
We believe "Art is inside" and therefore must be expressed as inside out.
"KUSUMKUNJA", the garden of flowers- is an interactive institute for cultivation of soul through aesthetic development by music, painting, dancing and all other creative activities. This garden is not confined through barriers of syllabus, examination but open for art lovers of all age groups so that the breeze of fresh tunes, rhythm, forms, figures of our traditional art forms can nurture the ten
19/05/2026
অন্তরে আজ দেখব।
আত্মদর্শন কি ভাবে হয়? নিজেকেই নিজের সাক্ষী করে তুলে বাইরে থেকে দেখা। রবীন্দ্রনাথ বারে বারে এ ভাবে নিজেকে দেখেছেন। একরাত্রে, তাঁকে বিছে দংশন করেছিল। যন্ত্রনা যখন প্রবল হয়েছে, তিনি বলছেন, "নিজেকে নিজের থেকে সরিয়ে আনলাম। এই যে তোমরা যাঁকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলো, সে এত সামান্য বিষে কাতর হয়ে উঠলো! তখন নিজেকে দেখে লজ্জা পেলাম। ভোররাতে আস্তে আস্তে যন্ত্রনার উপশম হল।" রবীন্দ্রনাথ পারেন। আমরা কি পারি না! কত গানে কত মর্মন্তুদ যন্ত্রনার উপশমের পথ তিনি দেখিয়ে দিয়ে গেছেন৷ সত্যকে সহজে নেওয়ার সংকল্প করে গেছেন৷
আজকাল অনেকেই রবিঠাকুরের গান নিয়ে মনবিকার নিরাময়ের পথ খুঁজছেন।
মনোবিজ্ঞানের ভাষায় কাউন্সেলিং ও থেরাপির একটা নির্ভরশীল বিষয় হতে পারে রবীন্দ্রসঙ্গীত। অনেকেই বলেন, "মন শান্ত হয়।" এটুকুই কি যথেষ্ট!
ফ্রয়েডের অবচেতন মনের সুপ্ত বাসনার কেন্দ্রে ছিল কামনার প্রবৃত্তির কথা। রবীন্দ্রনাথ সে কথা মানেন নি। তিনি বলেন, অবচেতনের একেবারে কেন্দ্রে আছে "self assertion" বা আত্ম প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা। একটি সদ্যজাত শিশুর মনে যৌন বাসনার আকাঙ্খা থাকে না, কিন্তু সে যখন বাবা-মায়ের আদর, স্বীকৃতি পায়, সে আনন্দিত হয়। এই যে বাবা-মায়ের, সমাজের স্বীকৃতি ও প্রতিষ্ঠা, এই ভাবনাই তার অবচেতনের ক্রিয়া হয়ে সমস্ত কাজে আত্মপ্রকাশ করে। উপনিষদেও সেই পরমব্রহ্ম, এক থেকে দুই হয়েছেন, নিজেই নিজের সাক্ষী হবেন বলে।
আমার সামান্য আয়োজনে কুসুমকুঞ্জে আগামী মাসে আত্মসমীক্ষনের উদ্দেশ্যে একটি কর্মশালার আয়োজন করেছি। এই কর্মশালার উদ্দেশ্য মানসিক সমস্যা নির্ণয় নয়, নিরাময় তো নয়ই বরং মানসিক সুস্থতার দিকটাকে তুলে ধরা। আমরা নিজেদের শারীরিক সুস্থতা চোখে দেখতে পাই কিন্তু মানসিক সুস্থতাকে কি অনুভব করি? কি করে অনুভব করব নিজেকে! এই সংকট থেকে মুক্তি দিতে পারে রবীন্দ্রসঙ্গীত।
দুটি স্তরে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত একদল নতুন প্রজন্ম। তাদের চিন্তাভাবনা, দর্শন একটু পৃথক। তাদের পথটা এগোবার, তাদের সমস্যাগুলোও সেইমত।
আরেকটি বিভাগ যাদের বয়স ৪০ পার হয়েছে। তাদের যাত্রা পিছন ফিরে দেখবার। তাদের ভাবনাচিন্তা অনুসারে সেই কর্মশালা পরিকল্পিত।
রবীন্দ্রগানের চর্চা হেতু যেটুকু আমার উপলব্ধি, তার সাথে মনোবিজ্ঞানের পড়াশোনা মিলিয়ে এই প্রচেষ্টা।
যারা কুসুমকুঞ্জে গান শেখেন, তারা তো আছেনই, বাইরের যদি কেউ আসতে চান, সাদর আমন্ত্রন জানাই।
আজ Avijit Majumder স্যারের জন্মদিনে...
কুসুমকুঞ্জের প্রাণপুরুষ আমাদের পরম প্রিয় Avijit Majumder স্যারের জন্মদিনে আজ আমরা...
15/05/2026
ভারতীয় সংস্কৃতিকে বিশ্বের শিল্পীজগৎ বরাবরই শ্রদ্ধা ও সম্মানের চোখে দেখেছে। এখনও তাঁদের গভীর বিস্ময় এর মূলগত ঐক্য নিয়ে। উত্তর থেকে দক্ষিণ ভারতে নানা বৈচিত্রময় শিল্পশৈলি থাকলেও তার মধ্যে একটা ঐক্যতান প্রতিধ্বনিত হয়। পূবে আমাদের কলকাতার কালিঘাটের পট বা পশ্চিমের মিনিয়েচার, সেই কাপড়, মাটি, খনিজ রং এবং একই ধরনের বিষয়বস্তু নির্বাচন।
সুদূর আমেরিকা থেকে ডাক এসেছে কালিঘাটের পট নিয়ে একদিনের একটি অনলাইন কর্মশালা করানোর জন্য। কালিঘাটের পটুয়া শ্রীশ চন্দ্র চিত্রকরের সান্নিধ্যে আমি প্রথম এই শৈলির প্রশিক্ষণ পেয়েছিলাম। রং বানানো, পট নির্বাচন, তুলি বানানো ইত্যাদির প্রচলিত পরম্পরা ওঁর কাছে শিখেছি। ওনার কাছেই শুনেছিলাম কালিমন্দিরে বলি হওয়া পাঁঠার লেজের চুল থেকেই নাকি একসময় ছবি আঁকার তুলি বানানো হত। শ্রীরামপুরের পেপার কলের নিউজপ্রিন্ট পেপার মোটা করে ভাঁজ করে তৈরি হত চিত্রপট। ছেলেবেলায় এগুলো গল্পকথার মতো শোনালেও পরে বইপত্র থেকে এর যথার্থতা সম্পর্কে জানতে পেরেছি। দীর্ঘদিন কালিঘাটের পট আঁকা ও ছাত্রছাত্রীদের শেখানোর অভিজ্ঞতাকে একত্রিত করেই সেদিন কর্মশালায় অংশ নেব।
আমি কৃতজ্ঞ শ্রীমতি Swati Biswas দিদির Artsy way of life- এর কাছে। ওখানকার মানুষরা ওখান থেকে জুম মিটিং এ দেখবেন। এখানকার মানুষরাও দেখতে চাইলে ফ্রী রেজিস্ট্রেশন করে নিন। এখানকার সময় অনুযায়ী শনিবার, ১৬ই মে, সন্ধ্যা ৭-১৫ থেকে প্রস্তুত থাকতে হবে। দেড়ঘন্টার কথোপকথন। Live demonstration and discussion.
For registration-
https://woburnpubliclibrary.assabetinteractive.com/calendar/indian-art-workshop-madhubani-art-presented-by-the-artsy-way-of-life/
ওই মহামানব আসে...
বর্ষার গান...
রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপনের দ্বিতীয় পর্ব
05/05/2026
আলোকময় কবিকে নিয়ে আগামী রবিবার ১০ই মে, বিকেল ৫-৮টা কুসুমকুঞ্জের ঘরোয়া নিবেদন - "আলোর আলো"। তিনি আমাদের প্রাণের প্রাণ, আলোর আলো, খেলার সাথী, পরমশরণ। শিশুবিভাগের নিবেদন
"খেলার সাথী" বিকেল ৫টা থেকে ৬-৩০।
বড়দের অর্ঘ্যদান "প্রাণের প্রাণ" সন্ধ্যা ৬-৩০ থেকে রাত ৮টা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
764A, Vidya Sagar Sarani, Thakurpukur
Kolkata
700063