16/12/2023
সমাজের বাস্তব চিত্র 😔
Guide of CHEMISTRY H.S. & JEE
16/12/2023
সমাজের বাস্তব চিত্র 😔
15/06/2019
DNR ACADEMY
22/05/2018
2018 এর বার্ষিক পুনর্মিলন উৎসবের কিছু মুহূর্ত।
বাবু, তোমাদেরকে,
দীর্ঘ, বড় দীর্ঘ ছিল দিন... রুক্ষ্ম, বড় রুক্ষ্ম ছিল পথ - শিক্ষক জীবনের আঠারো বছরে আজ একথাই মনে হচ্ছে বারবার, মনে হচ্ছে এতগুলো বছর নিতান্ত সহজ সত্যি নয় বরং তা নিজেকে চিনতে শেখার রকমফের অধ্যায়। সেই শুরুর দিন থেকে একটা দর্শনই আপ্ত বাক্য হয়ে উঠেছে আমার মধ্যে যে - রসায়ন, পরমাণুর অভ্যন্তরীন সৌন্দর্য তার প্রকৃত তাৎপর্য জীবনবোধ অনুসন্ধানে উৎসের অভিমুখে যাত্রায়। সম্পর্কের এই প্রতিশ্রুতিই তোমাদের কথা মনে করিয়ে দেয়, আমার মধ্যে বেজে ওঠে তোমাদের সুর। জীবন তো চারের খেলা, তাই তোমাদের ছাড়া আমি আজো অসম্পূর্ণ। কাজে-কর্মে নানা ব্যস্ততায় সবাই আজ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছি নানা জায়গায়, যদি দরদী কবির মতো এলোপাথাড়ি শব্দগুলোকে সঠিক তালে বাঁধা যায় তাহলে যে কবিতার সৃষ্টি হবে তা নিঃসন্দেহে DNR ACADEMY। সেই কবিতার প্রতিটা নিঃশব্দে তোমরা খুঁজে নেবে তোমাদের শিকড় আর আমি নয় অদ্ভুত মুগ্ধতায় প্রত্যাশা করব আমার অতীত বয়সের জলচ্ছবি।
তাই একাডেমির বার্ষিক উৎসব উপলক্ষে এ বছর নাচ - গান - হই - হুল্লোড়ে মেতে ওঠা স্বপ্নপুরীতে তোমাদের জন্য বৈচিত্র্যের দাবী নিয়ে হাজির হবে "প্রাক্তনী পুনর্মিলন অনুষ্ঠান"। ২০ শে মে, ২০১৮ রবিবার ঠিক বিকেল চারটেয় নাটক জমে যাবে... সব্বার আসা চাই।
ভালোবাসা সহ,
তোমাদের তরুণ দা।
Torun Roy
18/02/2018
DNR Academy Annual Mock Test
1st Mock Test, 2018
Class XI XII
No. of Student - 246
Torun Roy
"একাদশ শ্রেণীর রসায়নের ছাত্র মাত্র-ই জানে যে তাদের কাছে একদম নতুন প্যাকেট ছিঁড়ে বের করে সার্ভ করা ফ্রেশ গন্ধযুক্ত, হঠাৎ করে প্রায় একরকম আকাশ থেকে ছুঁড়ে মারা জৈবরসায়ন ওরফে অরগ্যানিক কেমিস্ট্রির ২০০ পাতা ব্যাপী সিলেবাস কী ভয়াবহ রকমের বাঁশ!! যারা রসায়ন নিয়ে পড়েছেন বা পড়ছেন তারা এ সমন্ধে ভালোমতই অবগত। এমন ছাত্রকে প্রায় ইলেক্ট্রন অনুবীক্ষন যন্ত্রে খুঁজতে হবে যাদের জৈবরসায়ন নিয়ে কোনসময় কোনরকম হোঁচট খেতে হয়নি। আগে বিজ্ঞানের ছাত্র তবে বর্তমানে স্কুল-কলেজের চৌকাঠ পেরিয়ে এসেছেন, এমন অনেকেই এখন চশমা নেড়ে বলবেন 'দেখো বাপু, ওসব কোন ব্যাপার নয়। মন দিয়ে পড়লেই হয়'। এমনকি আপনার অনেক সহপাঠীও আপনাকে বলবে একই কথা (এক্ষেত্রে সে বুঝে বলছে কিনা সেটাও প্রশ্ন!!)
বড়ো কথা হল সবসময় মন দিয়ে শুধু পড়লেই হয়না। অনেক সময় শিক্ষককেও বিষয়কে মনোগ্রাহী ও সহজ পাচ্য করে তুলতে হয়, যাতে ছাত্র সেটি নিদেনপক্ষে বদহজম না করে মাথায় রাখতে পারে। কারন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, কপালে সুদৃশ্য দইয়ের ফোঁটা, ঠাকুরের ফুল প্রভৃতি পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষার হলে যাওয়ার পর-ও জৈবরসায়নের প্রশ্নগুলো দেখে গা গুলোতে আরম্ভ করে। কী যেন ছিল কী যেন ছিল মনে হয়! ঘেঁটে ক খ গ ঘ হয়ে যায় SN1 আর SN2 এর পার্থক্য, রেজোনেন্স ঘুরতে ঘুরতে হয়ে যায় সুদর্শন চক্র, কিন্তু মেলে না!!!!
আসল কথা ও সুসংবাদ হল, হ্যাঁ এই সহজপাচ্য করার উদ্যোগ নিয়েছেন কেউ একজন, আমাদের পরমশ্রদ্ধেয় তরুনস্যার। তিনি প্রথম থেকেই আমাদের বোঝাচ্ছেন যে, "বাবুরে অর্গ্যানিক পড়তে হবে ক্ল্যাসিকাল পদ্ধতিতে। অর্গ্যানিক-কে নিরবিচ্ছিন্ন প্র্যাক্টিসের মাধ্যমে আয়ত্ত্ব করতে হয়"
স্যার প্রত্যেক দিন একই কথা বলে যাচ্ছেন বারবার, নিরন্তর। কিন্তু ছাত্রজীবনের সার্থকতা কোথায় তা বোঝানোর জন্য কিছু যুগাবতার যন্তর বাচ্চাকাচ্চা(তথাদা ধার নিলাম) পাওয়াই যায় বিভিন্ন ব্যাচে, যাদের যেন কেউ একজন প্রতি রাতে সুনিপুনভাবে গ্রুম করে যায়, কাল পড়তে গিয়ে কী কী অত্যাধুনিক উপায়ে শিক্ষকমহাশয়ের মস্তিষ্ককে নির্মমভাবে পেষন করতে হবে। নিত্যনতুন তাদের পদ্ধতির অভাব নেই।
-R বলতে অ্যালকিল গ্রুপকে বোঝায়। এই অতিসহজ বিষয়টি কমবেশী প্রায় সবাই জানে। এই -R নিয়েও স্যার ক্লাসে যথেষ্ট সময় ব্যয় করেছিলেন। তারপর অনেককিছু পড়ানো হয়েছে কিন্তু -R নামক বন্ধু আমাদের পিছু ছাড়েনি। বুঝে গিয়েছি জৈবরসায়ন মানে ৪ এর খেলা, হাইড্রোকার্বন-ও শুরু হয়েছে। আমরা স্যারের দৌলতে জেনেছি ও সহজে বুঝেছি HALOGENATION, HYDROGENATION, HYDRATION, WURTZ REACTION মতো আরো অনেককিছু।
এসবের পর স্যার একদিন ক্লাসে কোলবে ইলেক্ট্রোলিসিস বোঝাচ্ছেন। তার বিবৃতিটি হল অনেকটা এইরকম - 'Platinum তড়িদ্দ্বারের উপস্থিতিতে Sodium(Na) গঠিত ২ অনু কার্বক্সিলিক অ্যাসিডের এর লবনের উপস্থিতিতে তড়িৎবিশ্লেষন করলে অ্যানোডে এ অ্যাল্কেন উৎপন্ন হয়।' উদাহরন দেওয়া হল এইরকম ভাবে যে,
RCOOH + NaOH=RCOONa + H2O
2COONa = RCOO- + 2Na+
2H2O = 2H+ + 2OH-
এর থেকে ক্যাথোডে H2 গ্যাস এবং অ্যানোডে বিভিন্ন অর্ন্তবর্তী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে R-R পাওয়া যায়।
সহজেই অনুমেয় যে -R মানে অ্যাল্কেন।
কিন্তু এসবের মধ্যেই একজন ভাবুক যুগাবতার, যে স্যারের কথামতো মাঝেমাঝে এয়ারসেলের কানেকশনের ন্যায় মাথায় টাওয়ার পায়না, সে বলে ওঠে যে বোর্ডে ওটা কী R লেখা হয়েছে? স্যার জানান ওটা R-ই লেখা। কিন্তু সবাইকে অবাক করে এবার সে জানায় যে R নামক কোন অক্ষর তার আগে জানা নেই এবং সে আরো জানায় যে R ফর Rabbit অথবা Raddish কিন্তু -R এর কেমিস্ট্রিতে কী দরকার সেটি সে জানেনা।[বিঃ দ্রঃ ঐ ছাত্র সব অর্গ্যানিক ক্লাসে উপস্থিত ছিল]
স্যার প্রথমে তাকে প্র্যাক্টিস খাতায় কেমিস্ট্রি এর বদলে খিস্তিখামারী প্র্যাক্টিস করতে বলেন। এরপর স্যার সস্নেহে তাকে জানান যে -R বলতে Alkyl Group এর কথা বলা হচ্ছে, তবে সে চাইলে ওখানে অ্যালকিল গ্রুপের স্থানে কোন খিস্তী লিখলেও কোন অসুবিধা নেই। সেক্ষেত্রে তার নাম দেওয়া যেতে পারে খিস্তাইল গ্রুপ এবং খিস্তাইল গ্রুপ বলতে সব বাংলা সব কাঁচা পাকা খিস্তীর গোষ্ঠীসম্ভারকে একত্রে বোঝানো যেতে পারে। স্যার বলেন তাহলে বিক্রিয়া টা প্রায় পূর্বের মতোই হবে তবে কার্বক্সিলিক অ্যাসিডের সোডিয়াম লবনের স্থানে সোডিয়াম খিস্তানোয়েট লেখা যাবে এবং অ্যানোডে খিস্তেন উৎপন্ন হবে।।।!!
[বিঃ দ্রঃ- ঘটনাটির সাথে যদি কোন বাস্তব যুগাবতার এর মিল থাকে, তাহলে তা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত ও কাকতলীয়। এর জন্য লেখক ও তরুন স্যার কোনরূপ দায়ী নয়]"
- তুহিন
বেঞ্জিন বলয় //৩//
ভ্যান্ডারওয়ালস দূরত্ব সম্পর্কে আমরা সকলেই কম-বেশী জানি। খুব কাছাকাছি থাকা দুটো পরমানুর নিউক্লিয়াসের মধ্যবর্তী দূরত্বই হল ভ্যান্ডারওয়ালস দূরত্ব, আর সেই দূরত্বের অর্ধেক কে বলে ভ্যান্ডারওয়ালস ব্যাসার্ধ। এখন এই তত্ত্ব টি জল-ভাত কিন্তু এগারো ক্লাসে পড়বার সময় এটুকু বুঝতেই মাথার ঘিলুর বিন্যাস-সমবায়ের প্রোবাবিলিটি মাইনাসে রান করেছিল। এরকমই একটা কঠিন সময়ে তরুন দা একটা অদ্ভুত কান্ড করলেন, ক্লাস ভর্তি ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে আমাকে সরাসরি প্রশ্ন করলেন- " এই বাবু, প্রেম করো নাকি? ভালোবাসা কি এসেছে মরুভূমিতে বৃষ্টি হয়ে?" এই রকম প্রশ্নের সামনে আমি বরাবরই ক্যাবলা হয়ে যাই, ভেতর টা বড্ড মোচড় দিয়ে ওঠে। সেই বয়সে সত্যি ডানা গজিয়েছিল, প্রেস্টিজ পাংচার যাতে না হয় তাই বীরের মতো সত্যি কথাটা স্বীকার করলাম। স্বীকার করা মাত্রই বুঝলাম ভয়ঙ্কর ভুল করে ফেলেছি। কেননা দাদার চটজলদি প্রশ্ন- " ভালোবাসার সেই মানুষ কে কখনো জড়িয়ে ধরোনি? খুব কাছাকাছি আসোনি?" আমি এবার আর কিছু বলতে পারছিনা, আমতা আমতা করছি, এ প্রশ্নের উত্তর মরে গেলেও দেব না। কিন্তু দাদা মন পড়তে পারেন। তাই স্থিতচিত্ত সাধকের মতো বললেন, "প্রেমিক যখন প্রেমিকার সবচেয়ে কাছাকাছি, ঘন সন্নিবিষ্ট, তখন তারা একে অপরকে গভীর ভালোবাসায় জড়িয়ে ধরলেও, আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচব না বললেও তাদের দুজনের হৃদয় কখনো স্পর্শ করতে পারেনা। এই দুটো হৃদয়ের মধ্যবর্তী দূরত্বই ভ্যান্ডারওয়ালস দূরত্ব, যা কখনো শূণ্য হতে পারেনা। আর সেই পৃথিবী বদলে দেওয়া টান, যে টানে অদ্ভুত বিশ্বাসে দুটো সবচেয়ে দূরের মানুষ সবচেয়ে কাছের হতে পারে, সেই টান-সেই বিশ্বাসই হল ভ্যান্ডারওয়ালস আকর্ষন বল।"
সবশেষে দাদা অনেকটা চুপ করে থেকে বলেছিলেন, "বিছানার চেনা মানুষ,অচেনা সে অন্তরে।"
রসায়ন তো এমনই, সীমার মাঝে অসীম......
- তথাগত
বেঞ্জিন বলয় //২//
"দাদা, কেমিস্ট্রিই কেন?" একবার কেবল একবারই তরুন দা কে জিজ্ঞেস করেছিলাম অবাক দার্শনিকের মতো। চিনি ছাড়া লাল চায়ে বিরক্তির চুমুক দিয়ে দাদা অদ্ভুদ স্বীকারোক্তি করলেন, "বাবু,লা শাঁতেলিয়ার এর জন্য..."
"A reaction goes to that direction where the reaction gets some relaxation." রাসায়নিক সাম্য সংক্রান্ত ফরাসী রসায়নবিদ লা শাঁতেলিয়ারের এই কথাটিকে দাদা মানবসভ্যতার চিরন্তন সত্য বলে মানতেন। কোনো রাসায়নিক সমীকরণ, রাসায়নিক প্রক্রিয়া চলাকালীন সেইদিকেই অগ্রসর হয় যেদিকে সে স্থায়িত্ব পায়। মানুষ ও ঠিক তাই। সে সবসময় সব পরিস্থিতিতেই চায় সুখী হতে, স্থায়ী হতে আর এতেই তার জীবনের নিরাপত্তা। বাজারে আলু কিনতে গেলে আমরা সবার আগে দেখি কোথায় আলুর দাম কম অথচ মোটামুটি মানের আলু বিকোচ্ছে, দেখার পর অন্য দোকান কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সেই দিকে যাই। একই কারনের জন্য একঘর লোকের সামনে নগ্ন হতে আমাদের বাঁধে কেননা স্থায়িত্ব ক্ষুন্ন হবার ভয় থাকে। নতুন বিয়ে হওয়া দম্পতি তাদের বেডরুমের বন্ধ দরজাটাকেই স্থায়িত্বের সীমানা ভাবেন, দরজা খুলে গেলে বাইরের পরিবেশের সঙ্গে তাকে ভিন্ন ভাবে স্থায়িত্বের খোঁজ করতে হয়,পূর্বোক্ত অবস্থা সেখানে অচল।
এই সব কথাগুলো খাতার পাতা দিয়ে নয় মনের জানালা দিয়ে অন্তরে প্রবেশ করেছিল। তাই কোনোদিন লা শাঁতেলিয়ারের নীতি ভুলতে পারিনি আমি। এখনো মনে পড়ে দাদার সেই দিনের প্রশ্ন -"মানুষ স্বাভাবিক ভাবে ২৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনী খোঁজে কেন? তুমি তো মানুষের মন নিয়ে কাজ করো, সাহিত্য প্রেমী; উত্তর টা দাও তো।" হাঁ করে চেয়ে রইলাম শুকনো মুখে। দাদা আবার মনে করিয়ে দিলেন শাঁতেলিয়ারের নীতি....
উত্তর টা পরে ভেবেছিলাম। আমার ভিতর টা তোলপাড় হয়ে গেছিল। একটা আলাদা মন খারাপের বিকেল তৈরী হয়েছিল ভেতরে ভেতরে। আর তখনি বুঝেছিলাম দাদার চিরাচরিত সেই বাণী- " এই বাবু, জীবন টা বোঝো, নইলে কেমিস্ট্রি হবে না!"
- তথাগত (১০/৩/১৭)
26/10/2017
# Class 12 # 2017
14/10/2017
Teacher's Day 2017
Sent By - Kuntal Ojha
17/09/2017
2nd Year
Durganagar Batch
Sent By - AV Jit
| Monday | 7am - 11pm |
| Tuesday | 7am - 11pm |
| Wednesday | 7am - 11pm |
| Thursday | 7am - 11pm |
| Friday | 7am - 11pm |
| Saturday | 7am - 11pm |
| Sunday | 7am - 11pm |