19/02/2021
প্রাথমিকে কাউন্সেলিং নিয়ে কি বললেন পর্ষদ সভাপতি, জানুন নিচের লিঙ্কে।
https://youtu.be/dqMh5Jpint4
পরবর্তী আপডেট পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।
বিদ্রঃ- এই অডিও সত্যতা যাচাই করা হয়নি,সোশ্যাল মাধ্যম থেকে সংগৃহীত, তাই এই ওডিওর বিশ্বাস যোগ্যতা ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে,তাই এর দায় চ্যানেলের নয়।
ফাঁস হল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সভাপতির কথোপকথন।।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের কাউন্সেলিং নিয়ে কি বললেন পর্ষদ সভাপতি?
16/08/2019
-PRIMARY TOTAL FINAL VACANCY(EXCLUDING 10% RESERVATION FOR PARA-TEACHER) -14339
Intimation Letter for verification in reference to Court Case in c/w 1st SLST, 2016 (Upper-Primary Level Except Physical Education and Work Education)
�http://13.233.110.134/phaseverification.php
01/03/2017
ফের বিপাকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ
============================================
★স্পেশাল এডুকেশন দের নিয়োগে মান্যতা দেওয়ার নির্দেশ আদালতের।
★২১৪ জন মামলাকারীকে প্রশিক্ষনের জন্য বরাদ্দ নাম্বার দিয়ে অগ্রাধিকার।
★এর ফলে বড়সড় বদল ঘটতে পারে নিয়োগ তালিকায়।
17/02/2017
Y নামের এক ব্যক্তি রয়েছেন প্রাইমারী চাকরির নিয়োগের তালিকায় উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া,Y কি কারো নাম হতে পারে? উঠছে অস্বচ্ছতার অভিযোগ।
Y নামের এক ব্যক্তিকে প্রাইমারী চাকরীর প্যানেলে দেখা যাচ্ছে ,এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন চাকরী প্রার্থীরা।
অনেকে নিয়োগে অস্বচ্ছতার প্রমান হিসাবেও এটাকে দেখছেন।
ওয়েবসাইটে 070064796 রোল নম্বর দিলেই ভেসে উঠছে Y এর নাম যাকে আবার এমপ্যানেলডও দেখাচ্ছে।
অনেকে আবার এই বিষয়ে সাইট হ্যাকেরও তথ্য শোনাচ্ছেন ।।
16/02/2017
প্রাথমিক টেট প্রশ্নপত্র চুরির মামলায় বিপাকে পড়তে পারেন নব নিযুক্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক শিক্ষিকারাও।
★★টেট নিয়ে ওঠা অভিযোগ মারাত্মক, বলল হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যের ব্যাখ্যা তলব।★★
★★ রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলিকে বুধবার ‘মারাত্মক’ বলে মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকারের পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এবং জেলা প্রাথমিক স্কুল কাউন্সিলগুলিকেও অভিযোগের বিস্তৃত জবাব দিতে বলেছে আদালত। মামলাকারীদের তার পালটা অভিমত দিতে হবে পরবর্তী দু’সপ্তাহের মধ্যে। অর্থাৎ, ছ’সপ্তাহ পরে মামলার পরবর্তী শুনানি।
মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য আদালতকে জানান, ১,২,৩,৪ ফেব্রুয়ারি ভোররাত পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি ছিল সরস্বতী পুজো। অর্থাৎ, ছুটির দিন থেকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। তাঁর অভিযোগ, টেট প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার পর তার সুবিধা যাঁরা পেয়েছিলেন, তাঁদের নিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য এমনই বেশকিছু পদক্ষেপ করা হয়েছে। এও জানানো হয়, প্রশ্ন ফাঁস হওয়া সংক্রান্ত মামলা এই এজলাসেই বিচারাধীন রয়েছে। আদালত জানিয়েছে, তাহলে প্রশ্ন ফাঁস মামলাটির শুনানি প্রথমে হবে। মামলাকারীদের দাবি, প্রশ্ন ফাঁস মামলা সফল হলে সব নিয়োগ বাতিল হবে।
১০টি জেলার টেট উত্তীর্ণ এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রায় ১৫০ জন মামলাকারীর তরফে আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্ট থেকে দেশের বিভিন্ন হাইকোর্ট বারংবার বলেছে, কোনও নিয়োগ প্রক্রিয়ার ফল এসএমএস করে প্রকাশ করা যাবে না। তা স্বচ্ছতার পরিপন্থী। সফল প্রার্থীদের প্যানেল প্রকাশ করতেই হবে। কিন্তু, আশ্চর্যজনকভাবে তা এক্ষেত্রে মানা হয়নি। বরং অদ্ভুত গোপনীয়তা, লুকোছাপার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। যার কোনও যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা নেই।
মামলার বয়ান অনুযায়ী, ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত বিধি অনুযায়ী শূন্যপদগুলি প্রথমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের দিয়ে পূরণ করতে হবে। তারপরেও শূন্যপদ থাকলে সেখানে প্রশিক্ষণহীনদের নেওয়া যাবে। এবার ঘোষিত শূন্যপদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার। সেখানে প্রশিক্ষণহীনদেরই নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়ে এদিন কিছু নথি পেশ করা হয়। যা পর্যবেক্ষণ করে আদালত অভিযোগের সারবত্তা আছে বলে মনে করছে। মামলাকারীরা এদিন এমনও অভিযোগ করেন, অর্থের বিনিময়ে নিজেদের লোকজনকে শিক্ষক করার জন্যই এমন অস্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।
৪ জানুয়ারি বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সংক্রান্ত এক মামলায় বলেছিল, ছ’ সপ্তাহের আগে সফল প্রার্থীদের প্যানেল প্রকাশ করা যাবে না। সেই সময়সীমা ১৫ ফেব্রুয়ারি অতিক্রম করার আগেই ফল প্রকাশ করা হয়। এই অবস্থায় রাজ্য জানিয়েছে, ৪২ হাজার নিয়োগ সম্পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু, সেই প্রক্রিয়া বেআইনি দাবি করে বলা হয়, টেট সফলদের প্রাপ্য আলাদা নম্বর দেওয়া হয়নি। প্রশিক্ষণহীনদের একাংশও এদিনের শুনানিতে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতার অভিযোগ আনেন।
এদিকে, অন্য এক মামলায় বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য গৃহীত সর্বশেষ এসএলএসটি পরীক্ষার ফলাফল ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রকাশ করা যাবে না। ২১ ফেব্রুয়ারি হবে মামলার পরবর্তী শুনানি।
অন্যদিকে, আইনজীবী এক্রামুল বারি এদিন জানিয়েছেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্যারাটিচারদের জন্য ১০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকার কথা। কিন্তু, এমন প্রার্থীদের ব্যাপকভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবন্ধীরাও একইরকম বঞ্চনার শিকার। এমন প্রায় ১৫০ প্রার্থী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন।
10/02/2017
প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল পুরুলিয়া..... বঞ্চনার প্রতিবাদে,সংসদ ঘেরাও করল হাজার খানেক চাকুরি প্রার্থী আর তারি জেরে এখনো শুরুই করতে পারল না আজকের কাউন্সিলিং।
30/01/2017
ঝুলেই রইবে প্রাথমিকের ফল? নাকি এই মাসেই বেরোবে প্রাথমিকের মেধা তালিকা?
==========================================
এমাসেই প্রাথমিকের নিয়োগ সম্পন্ন হবে বিভিন্ন জায়গায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমনটাই জানিয়ে এসেছেন শিক্ষামন্ত্রী, প্রসঙ্গত জানুয়ারি মাস শেষ হতে আজ নিয়ে আর মাত্র ২ দিন।শিক্ষামন্ত্রকের নানান সূত্র মারফতও এতদিন জানিয়ে এসেছে দুই এক দিনের মধ্যে মেধা তালিকা প্রকাশিত হয়ে যাবে, আশায় বুক বেঁধেছেন লক্ষ লক্ষ প্রাথমিকে চাকুরিপ্রার্থী।
টেট পরীক্ষা হয়ে গেছে বহুদিন, ফলপ্রকাশ হয়ে প্রার্থীদের মৌখিক পরিক্ষাও হয়ে গেছে প্রায় সাড়ে তিন মাস আগে,কিন্তু চূড়ান্ত নিয়োগ কবে পাবেন তাঁরা এই নিনেই নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে,নতুন কোন আইনি সংশয়ে পুরো নিয়োগটাই আরও দির্ঘায়িত না হয়ে যায় এই উৎকন্ঠায় প্রহর গুনছেন সকলে,এর একমাত্র কারন হল প্রাথমিকে স্পেশাল ডি.এড দের করা মামলা।
অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী নানা সময়ে প্রাথমিক নিয়োগ নিয়ে নানান প্রতিশ্রুতি দিলেও ফলপ্রসূ হয়নি কোনটিও।কয়েদিন আগেই এই নিয়ে আবারও তাঁকে সাংবাদিকরা এই নিয়ে প্রশ্ন করলে তিঁনি কোন 'রি -একসন' দিতে চাননি বরং 'একশনের ' উপরেই জোর দেন।
কিন্তু প্রশ্ন একটাই আদৌ হবে কি কোন একসন ?
নাকি পুরোটাই ওমিশন?
সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যেতে পারে আজকে।
আজকেই সেই স্পেশাল ডি.এল.এড মামলার চূড়ান্ত শুনানি, ইতিমধ্যে একই রকম একটি মামলায় এস.এস.সি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষক নিয়োগে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদালত, আজ দেখার এই মামলাতেও প্রাথমিক নিয়োগে সত্যিকারের কোন আইনি সংশয় খাড়া হয় কি না?
নাকি সরকারের নিয়োগে সদিচ্ছার অভাব প্রকট হয়?
--------রাজীব
★সংগৃহীত (WBSSC FB Group)
28/01/2017
বার বার এই ছলনা কেন?কাজেই করে দেখান না?
★ছবি -সংগৃহীত
27/01/2017
রেজাল্ট হোক, রেডি পুরুলিয়া ডিপিএসসি
*****************************************************
পুরুলিয়া: রেজাল্ট যবেই বার হোক,আমরা প্রস্তুত। বললেন,পুরুলিয়া ডিপিএসসির চেয়ারম্যান হেমন্ত রজক। সার্কেল অনুযায়ী ভ্যাকেন্সি তৈরি করা হয়েছে। আমাদের জেলায় শূন্যপদ প্রায় ১৮০০। যেমন অনুমোদন আসবে,তেমন নিয়োগ করবো।কিছু উইথহেল্ড তো থাকবেই,জানালেন চেয়ারম্যান। এবারও কি চাকুরী প্রার্থীদের জন্য থাকবে কাউন্সেলিং এর ব্যবস্থা? শ্রী রজক বলেন, এখনও নির্দেশ পাইনি। যেমন নির্দেশ পাব,তেমন পদক্ষেপ নেব।
প্রথম পাতা
জঙ্গলমহল 27/01/2017
রেজাল্ট হোক, রেডি পুরুলিয়া ডিপিএসসি
পুরুলিয়া: রেজাল্ট যবেই বার হোক,আমরা প্রস্তুত। বললেন,পুরুলিয়া ডিপিএসসির চেয়ারম্যান হেমন্ত রজক।
27/01/2017
শিক্ষক নিয়োগ, TET-এর ফলাফল কবে ? সব প্রশ্নেই নিরুত্তর শিক্ষামন্ত্রী
কলকাতা, ২৭ জানুয়ারি : প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হয়েছে। ইন্টারভিউও শেষ। কিন্তু TET-এর রেজ়াল্ট বেরোবে কবে ? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে শিক্ষামহল ও পরীক্ষার্থীদের মধ্যে। জানুয়ারির মধ্যে স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ হবে বলে বিধানসভায় আশ্বাস দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু, মাস শেষ হতে চললেও TET-এর রেজ়াল্ট এখনও বেরোয়নি। কবে বেরোবে TET-এর রেজ়াল্ট ? স্কুল সার্ভিস কমিশনের আরও তিন স্তর- আপার প্রাইমারি, নাইন-টেন ও ইলেভেন-টুয়েলভ স্তরের শিক্ষক নিয়োগ কবে হবে তাও স্পষ্ট নয় এখনও। কবে হবে নিয়োগ ? শিক্ষামন্ত্রীকে সামনে পেয়ে এই প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। তবে এর উত্তর কিন্তু দিতে চাইলেন না শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আজ হাজরায় শ্রমিক মেলার উদ্বোধন করতে এসে তিনি জানান, এখানে এই প্রশ্নের উত্তর দেব না।
গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রাইমারিতে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা এবং জেলাভিত্তিক ইন্টারভিউ ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু, এখনও চূড়ান্ত ফলাফল বের হয়নি। কবে ফল বের হবে, তা নিয়ে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। আর এই নিয়ে আজ সাংবাদিকরা শিক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন। তাঁর জবাবে তিনি বলেন, “এখানে কোনও রিঅ্যাকশন নেই, এখানে সব অ্যাকশন।"
http://m.bangla.eenaduindia.com/Rainbow/CareerScope/2017/01/27144355/Partha-Chatterjee-avoids-answer-on-tet-result-teacher.vpf
শিক্ষক নিয়োগ কবে ? TET-এর রেজ়াল্ট ? উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী যা বললেন...
কলকাতা, ২৭ জানুয়ারি : প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হয়েছে। ইন্টারভিউও শেষ। কিন্তু TET-এর রেজ়াল্ট বেরোবে কবে ? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে শিক্ষামহল ও পরীক্ষার্থীদের মধ্যে। জানুয়ারির মধ্যে স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ হবে বলে বিধানসভায় আশ্বাস দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু, মাস শেষ হতে চললে...
26/01/2017
উধাও ঘোষণা, ৭২ দিনেও নিয়োগ নেই শিক্ষকপদে!
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
ধীমান রক্ষিত
কলকাতা : ২৫শে জানুয়ারি— ঘোষণার ৭২দিন কেটে গেছে। ৭২হাজার থাক, ৭২দিনে একজনকেও চাকরি দেয়নি মমতা ব্যানার্জির সরকার। প্রাথমিক ৪১হাজার ৫৫৯, উচ্চ প্রাথমিক ১৪,০৮৮, মাধ্যমিকে ৬,২৯৬ এবং উচ্চ মাধ্যমিকে ১০,২৩৩শিক্ষকের শূন্যপদ ঘোষণা করা হয়েছিল গত বছর অক্টোবর মাসে। ৭২হাজার শিক্ষক পদের ঘোষণা করে শিক্ষামন্ত্রী সর্দপে বলেছিলেন, ‘৭২ঘণ্টার মধ্যে সরকার ৭২হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।’ এর পাঁচদিন আগে ধর্মতলায় এক প্রকাশ্য সভায় মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা ছিল, ‘মামলা তুলে নিলে ১৫দিনের মধ্যে ৭০হাজার শিক্ষকের নিয়োগ হবে।’ মামলা প্রত্যাহার হয়ে নিয়োগের ফল প্রকাশ হলেও একজনেরও জোটেনি চাকরির বরাত।
কেন বন্ধ রয়েছে শিক্ষক নিয়োগ? স্কুল সার্ভিস কমিশন সূত্রের দাবি, ‘নতুন করে মামলা হওয়ায় উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের নিয়োগ আপাতত স্থগিত রয়েছে।’ এক্ষেত্রে মামলার দোহাই থাকলেও কেন প্রাথমিকে ৪১হাজার ৫৫৯জনের নিয়োগ করা যাচ্ছে না? এ ব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্যের যুক্তি, ১লক্ষ ২৫হাজার প্রার্থীর তথ্যপঞ্জী যাচাই করার জন্য সময় তো লাগবেই। এক-একজন প্রার্থীর ৭-৮টা মার্কশিট রয়েছে। সেগুলিকে পরীক্ষা করা, প্রার্থীদের মধ্যে প্রশিক্ষিত, অপ্রশিক্ষিত সংখ্যা বের করা ইত্যাদি কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে। চেষ্টা হচ্ছে দ্রুত নিয়োগ শুরু করে দেওয়ার।
সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্তারা যাই বলুন না কেন শিক্ষক নিয়োগ আপাতত বন্ধ বলে স্কুলশিক্ষা দপ্তরসূত্রের খবর। দপ্তরের এক কর্তার বক্তব্য, ‘এস এস সি-তে মামলা হওয়ায় এখন প্রাথমিক, এস এস সি সব নিয়োগই বন্ধ থাকবে। ১৫দিন আগে বৈঠকে মন্ত্রী এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন।’ যেভাবে গত পাঁচ বছর ধরে চাকরির টোপ ঝুলিয়ে রাজ্য সরকার শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের প্রতারণা করে চলেছে এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না।
যে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষক নিয়োগ থমকে রয়েছে তা নেহাতই মামুলি বলে মামলাকারীরা মনে করছেন। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষক নিয়োগে এবার বি এড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যেসব প্রার্থী রিহ্যাবিটেশন কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া থেকে স্পেশাল বি এড করেছেন তাঁদের এস এস সি কর্তৃপক্ষ মান্যতা দিতে নারাজ। ফলে উচ্চ মাধ্যমিক অর্থাৎ নবম থেকে দ্বাদশ পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগে আবেদন করতে পারেননি স্পেশাল বি এড প্রার্থী। এর বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করে রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া। মামলাকারীদের বক্তব্য, সাধারণ বি এড প্রার্থীদের সমতুল্য স্পেশাল বি এড-রাও। শিক্ষার অধিকার আইনেও তা বলা রয়েছে। তা সত্ত্বেও মান্যতা দেওয়া হচ্ছে না। সরকার যদি মেনে নিতো তাহলে মামলার কোনো দরকার হতো না। অন্যান্য রাজ্যের স্পেশাল বি এড-রা যদি সাধারণ বি এড-র সমতুল্য হয় তাহলে এ রাজ্যে হবে না কেন?’
এদিকে শিক্ষকের অভাবে স্কুলগুলির পঠনপাঠন ধুঁকছে। রাজ্যে সর্বশেষ শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল ২০১২সালে। সেসময় প্রাথমিকে ৪৬হাজার শূন্যপদের মধ্যে ৩৭হাজার নিয়োগ হয়েছিল। তখনই প্রাথমিকে ৯হাজার শূন্যপদ ছিল। ২০১৬সালে তা বেড়ে মোট শূন্যপদের সংখ্যা দাঁড়ায় সাড়ে একচল্লিশ হাজারে। ২০১২সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ৩০হাজার শূন্যপদের মধ্যে ১৮হাজার শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল। ২০১৬সালে তা বেড়ে শূন্যপদের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩০হাজার ৬১৭-তে। গত পাঁচ বছরে প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৭৫হাজার শিক্ষকের শূন্যপদ থাকা সত্ত্বেও একজনও নিয়োগ করা হয়নি। অথচ বামফ্রন্ট সরকার প্রতিবছর স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে গেছে। ১৯৯৮সালের পর থেকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে ১৯৯৮সালে নিয়োগ হয়েছে ৮০৭২জনের। ১৯৯৯সালে এস এস সি-তে নিয়োগ হয় ১০হাজার ৯৮৭জনের। ২০০১-এ ১২হাজার ৬৪১জনের, ২০০২-এ ৯হাজার ৯৮০জনের, ২০০৪-এ ৮হাজার ৬৮৫জনের, ২০০৫সালে ১৪হাজার ২৬৭জনের, ২০০৭সালে ২০হাজার ৮৮৭জনের, ২০০৮সালে ১০হাজার ৯৯৫জনের, ২০০৯সালে ১২হাজার ৯৩১জনের, ২০১০সালে ১৩হাজার ৬৭৭জনের এবং ২০১১সালে ১১হাজার ৭২৩জনের নিয়োগ হয়েছে। অথচ, মমতা ব্যানার্জির সরকার একবার ছাড়া গত পাঁচ বছরের মধ্যে একজনও নতুন শিক্ষক নিয়োগ করেনি। (গণশক্তি)
☞http://bangla.ganashakti.co.in/patrika/2017/1/26/cache/20170126_6_4248_50514.jpg
bangla.ganashakti.co.in