Learn more

Learn more page is posted by News,Fun,Entertainment,knowledge adventure & More.

Happy Republic Day
26/01/2018

Happy Republic Day

17/01/2018

বলত দেখি পতাকায় মোদের
কয়টি রঙ আছে?
শিক্ষক এসে শুধালেন হেসে
দ্বিতীয় শ্রেণীর কাছে।

একসাথে মিলে সব ছেলে বলে
চিৎকার করে জোরে
তিনটি বর্ন রয়েছে রাঙানো
জাতীয় পতাকা জুড়ে।
শ্রেনীর পিছনে বেঞ্চের কোনে
শিশু ছিল এক বসে,
'পতাকার মাঝে পাঁচ রঙ আছে'
বলল সে মৃদু ভাষে।
কথা তার শুনে বাকি শিশুগনে
হেসে খায় লুটোপুটি,
শিক্ষক রেগে বলেন হেঁকে
বোঝাও কি করে পাঁচটি?

মাথা নিচু করে ভয়ার্ত স্বরে
সরল শিশুটি বলে,
ওপরে গেরুয়া মাঝখানে সাদা
সবুজ আছে তার তলে
আর আছে আঁকা গোলাকার চাকা
নীল রং আছে এতে।
শিক্ষক বলে এটিকে ধরলে
তবুও হচ্ছে চারটে।
অবোধ শিশুটি বলল তখন
রং আছে আর এক।
লাল লাল ছোপ দাগ দেখা যায়
ওই পতাকার মাঝে।
বাবাকে যখন আনলে ওরা
কফিনের ঢাকা খুলে,
জড়ানো রয়েছে দেহখানা তার
পতাকা আর ফুলে।
রক্তের দাগে ছিল লাল ছোপ
ওই পতাকার মাঝে।
এই নিয়ে মোট হল পাঁচটি
এবার ত ঠিক আছে।

সরল শিশুটির জবাবখানি
কাঁপিয়ে দিল বুক
অশ্রু এলো নয়ন ভরে
শুকনো হল মুখ।
আজও যারা দেশের জন্য
করছে বলিদান
স্বাধীনতার শহীদ সম
তাদের অমর প্রাণ।
হয়েছি স্বাধীন পেরিয়ে গেছে
সত্তরটি বছর
দেশ বাঁচাতে যাচ্ছে যে প্রাণ
রাখছি কি তার খবর?
---------------------/---------

ভারতীয় সেনাদের সমর্থনে শেয়ার করুন।

আজ রাত্রেই মেয়েটি জন্মায়। গোকুলে ও গোপনে। তার মা তখন প্রসব-পীড়ায় অচেতন। কিছুক্ষণ পর যমুনার ওপার থেকে একটি লোক আসে। নিজের...
14/08/2017

আজ রাত্রেই মেয়েটি জন্মায়। গোকুলে ও গোপনে। তার মা তখন প্রসব-পীড়ায় অচেতন। কিছুক্ষণ পর যমুনার ওপার থেকে একটি লোক আসে। নিজের সদ্যোজাত ছেলেটিকে গচ্ছিত রেখে চুপিচুপি মেয়েটিকে তুলে নেয়। মায়ের মুখটি ভাল করে দেখার আগেই জন্মের মতো পরিবার-হারা হয় সেই মেয়ে।

মেয়েটিকে পাচার করা হয় মথুরার এক ঘুপচি কারাগারে। ছেলেটির প্রাণ মূল্যবান। তার প্রক্সি হিসেবে মেয়েটিকে রেখে দেওয়া হয়। মথুরার রাজা ছেলেটিকে মারতে এসে মেয়েটিকে পায় ও তাকেই নিয়ে যায়। মেয়েটি দ্বিতীয় বার হাতবদল হয়।

রাজা যখন পাথরের দেওয়ালে আছাড় মারতে যাচ্ছে কয়েক-ঘণ্টা-আগে-জন্মানো পুঁচকে মেয়েটিকে, হাত পিছলে ছিটকে যায় সে। তারপর কোনও এক অজানা ঘটনা-পরম্পরায় তার ঠাঁই হয় দুর্গম বিন্ধ্য পর্বতে। সেখানেই সে বড় হয়।

মেয়েটির মা-বাবার কাছে ছেলেটিও বড় হয়। একটা সময়ে সেই মা-বাবা সত্যিটা জানতে পারে। ছেলেটি মথুরায় আসল মা-বাবার কাছে ফেরৎ যায়। কিন্তু মেয়েটির মা-বাবা ভুলেও হারানো মেয়ের খোঁজ করে না। কী লাভ খুঁজে ? হারানো, চুরি-যাওয়া, বিক্রি-হয়ে-যাওয়া, পাচার-হয়ে-যাওয়া ছেলেদের ঘরে তোলা যায়। মেয়েদের যায় না।

ছেলেটির এখন দু-জোড়া মা-বাবা। তার জীবনে অনেক প্রেম আসে। অনেক স্ত্রী আসে। অনেক সন্তান আসে। আসে রাজত্ব।

মেয়েটির ? কেউ জানে না। তার এক-জোড়া মা-বাবা, একটি প্রেমিক, একটি স্বামী, একটি সন্তান, একটুও ভূমি জুটেছিল কিনা, কেউ খোঁজ রাখেনি।

একটি ছেলে-বাচ্চাকে বাঁচাতে প্রক্সি হয়েছিল সে, এই তার একমাত্র পরিচয়।

শুভ জন্মাষ্টমী। শুধু কৃষ্ণের নয়, আজ যোগমায়ারও জন্মরাত।

Happy Independence Day
14/08/2017

Happy Independence Day

Happy Raksha Bandhan
07/08/2017

Happy Raksha Bandhan

24/03/2017
Wishing You a blessed mahalaya
30/09/2016

Wishing You a blessed mahalaya

05/09/2016

==============  পেঁপে পাতায় ডেঙ্গুর চিকিৎসা! ==============সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় উদ্ভাবিত হয়েছে যে পেপে পাতা ডেঙ্গুর জ...
23/08/2016

============== পেঁপে পাতায় ডেঙ্গুর চিকিৎসা! ==============

সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় উদ্ভাবিত হয়েছে যে পেপে পাতা ডেঙ্গুর জন্য বেশ কার্যকরী প্রতিষেধক। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে পেপে পাতার রসে থ্রম্বোসাইটিস (প্লাটিলেট) উৎপাদনে সাহায্যকারী উপাদান রয়েছে।

গবেষণাটির প্রধান গবেষক ছিলেন AIMST ভার্সিটির প্রফেসর ডক্টর এস. কাঠিরেসান। ডক্টর এস. কাঠিরেসান এর মতে ডেঙ্গুর ভাইরাস মূলত আমাদের রক্তের প্লেটলেট কমিয়ে দেয়। সাধারণত প্লেটলেটের জীবনকাল ৫ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত। এরপরে আবার প্রয়োজন অনুসারে নতুন প্লেটলেট উৎপাদন হয়।

ডেঙ্গুর ভাইরাস শরীরে যতদিন কার্যকর থাকে ততদিন পর্যন্ত নতুন শরীরে নতুন প্লেটলেট উৎপাদনের ক্ষমতা নষ্ট করে দিতে ভূমিকা রাখে। সাধারণত একজন সুস্থ মানুষের রক্তের স্বাভাবিক প্লেটলেটের পরিমাণ হলো প্রতি মাইক্রো লিটারে ১৫০,০০০ থেকে ২৫০,০০০ পর্যন্ত। ডেঙ্গু হলে এই প্লেটলেটের সংখ্যা খুব দ্রুত কমে যেতে থাকে।

তার মতে, ১০০,০০০ এর নিচে প্লেটলেট লেভেল চলে আসলে তা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারেন। প্লেটলেট লেভেল যদি ৫০০০০ এ নেমে আসে তাহলে থ্রমবোসাইটোপেনিয়া হয়ে যায়। ফলে অনেক সময় রোগীর মৃত্যু হতে পারে। তাই ডেঙ্গু হলে প্লেটলেট পরীক্ষা করে দেখা হয়। প্লেটলেট খুব কমে গেলে জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করানো উচিত।

প্লেটলেটের পরিমাণ যখন অস্বাভাবিক কমে যায় তখন রক্ত জমাট বাধতে শুরু করে এবং হ্যামোরেজিং হতে পারে। এর ফলে শরীরের অভ্যন্তরীন রক্তক্ষরণ হয় এবং রোগীর মৃত্যু ঘটে।

পেঁপে পাতার রস ডেঙ্গুর প্রতিষেধক এটা নিয়ে অনেক মানুষ দ্বিমত পোষন করেছে। কিন্তু ইউনিভার্সিটি অফ ফ্লোরিডা রিসার্চ সেন্টারের গবেষক নাম ড্যাং এর মতে পেঁপে পাতার রস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং তা ডেঙ্গু জ্বর খুব দ্রুত সারিয়ে তোলে। এমনকি পেঁপে পাতার রস ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়তা করে। শ্রীলঙ্কার ফিজিশিয়ান ডাক্তার সানাথ হেট্টিগ এর মতে পেপে গাছের কচি পাতার রস ডেঙ্গুর ওষুধ হিসেবে খুবই উপকারী। তার এই গবেষণাটি ২০০৮ সালে শ্রীলংকান জার্নাল অফ ফ্যামিলি ফিজিশিয়ানস এ প্রকাশিত হয়েছিলো।

--:: যেভাবে কাজ করে ;:---

ডাক্তার সানাথ হেট্টিগ এর মতে পেঁপে পাতায় কিমোপাপিন ও পাপেইন নামে দুটি এনজাইম আছে। এই উপাদান দুটি প্লেটলেট উৎপাদন বাড়ায় এবং রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে। এছাড়াও এগুলো ডেঙ্গুর কারণে লিভারের কোনো ক্ষতি হয়ে থাকলে সেটা ঠিক হতে সহায়তা করে। এছাড়াও পেঁপে পাতায় আছে প্রচুর পরিমাণে কমপ্লেক্স ভিটামিন যা বোন ম্যারোকে প্রচুর পরিমাণে প্লেটলেট উৎপাদন করতে সহায়তা করে।

--:: যেভাবে খেতে পারেন ::--

ডাক্তার সানাথ হেট্টিগের মতে পেপে পাতার রস খেতে হলে মোটামুটি কচি পাতা বেছে নেয়া উচিত। এরপর এই পাতা খুব ভালো করে ধুয়ে ব্লেন্ডারে দিয়ে অথবা বেটে রস বের করে ছেঁকে নিতে হবে। এর সঙ্গে কোনো চিনি কিংবা লবণ দেয়া যাবে না। প্রাপ্ত বয়স্কদের দিনে দুবার ৮ ঘন্টার বিরতি দিয়ে ১০ মিলি লিটার পরিমাণ পেপের রস খাওয়া উচিত। ৫ থেকে ১২ বছর বয়সিদের ৫ মিলি লিটার ও ৫ বছরের ছোটদের ২.৫ মিলি লিটার পেঁপে পাতার রস খাওয়া উচিত।

--:: কখন খেতে হবে ::--

ডাক্তার সানাথের মতে ডেঙ্গু জ্বর হলেই পেঁপে পাতার রস খাওয়া উচিত। রক্তের প্লেটলেট লেভেল ১৫০,০০০ এর নিচে নামতে শুরু করলেই পেপে পাতার রস দুই বেলা করে খাওয়া শুরু করতে হবে। তবে সেই সঙ্গে ডাক্তারের পরামর্শে অন্যান্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবাও নিতে হবে।

আপনাদের মনের কথা পোস্ট করতে পেজ টি তে মেসেজ করুন...।।
10/07/2016

আপনাদের মনের কথা পোস্ট করতে পেজ টি তে মেসেজ করুন...।।

বন্ধুরা আমাদের এই পেজ টি শুধু মাত্র ধাধা, জোকস, গল্প ও প্রয়োজনীয় টিপস এর জন্য। আমাদের এই পেজ এ আপনাদের মনের কথা পোস্ট করতে আমাদের message করুন । আমরা আপনাদের মনের কথা পোস্ট করব আপনাদের নামের সাথে...।।

সৎ মামাতো বোন থেকে আদরের স্ত্রী হওয়া মুমতাজের জন্য ২২ বছর ধরে তিল তিল করে তাজমহল বানান শাহজাহানতাঁর আদরের মুমতাজ মহল শুয়...
09/07/2016

সৎ মামাতো বোন থেকে আদরের স্ত্রী হওয়া মুমতাজের জন্য ২২ বছর ধরে তিল তিল করে তাজমহল বানান শাহজাহান

তাঁর আদরের মুমতাজ মহল শুয়ে আছেন সামান্য এক যুদ্ধ শিবিরে | এও দেখতে হল মুঘল সম্রাট শাহজাহানকে ! মুমূর্ষু প্রেয়সীকে দেখে কাতর হয়ে পড়েছিলেন জাহাঙ্গীর-পুত্র | ওই অবস্থায় স্বামীর হাত ধরে কাকুতি জানালেন মুমতাজ | বানাতে হবে এমন এক সৌধ‚ যা স্মারক হয়ে থাকবে তাঁদের অমর প্রেমের | মুমতাজের মৃত্যুবার্ষিকীতে সেখানে যাবেন তাঁর স্বামী | এবং‚ যেটি সবথেকে আশ্চর্যের‚ মুমতাজের মৃত্যুর পরে শাহজাহান যেন আবার বিয়ে করেন |

সবকটি কথা রেখেছিলেন শাহজাহান | তাজমহল বানাতে সময় লেগেছিল ২০-২২ বছর | তবে বেশি সময় লাগেনি মুমতাজের বোনকে বিয়ে করতে | সম্ভবত নিজের সন্তানদের সতীন-নজর থেকে বাঁচাতে এই অনুরোধ করে গিয়েছিলেন মুমতাজ |

১৬৩১ সালের জুন মাসে বুরহানপুরে ( আজকের মধ্যপ্রদেশে ) প্রয়াত হন মুমতাজ | ৩৭ বছর বয়সী সম্রাজ্ঞীকে সমাহিত করা হয় প্রমোদ উদ্যান জাইনাবাদে | এই বাগান বানিয়েছিলেন শাহজাহানের কাকা দানিয়েল |

জাইনাবাদে মুমতাজ শায়িত ছিলেন ৬ মাস | আগ্রায় যমুনার তীরে স্থান নির্বাচন করা হয়ে গেলেই শাহজাহান নির্দেশ দেন এ বার নিয়ে আসতে হবে তাঁর আদরের মুমতাজকে | তাঁর নির্দেশে রওনা দেন পুত্র শাহ সুজা | সোনার শবাধারে করে নিয়ে আসেন মায়ের দেহ | প্রথমে যমুনার তীরে এক জায়গায় সমাহিত করা হয় মুমতাজকে | ততদিনে অবশ্য শুরু হয়ে গেছে তাজমহল বানানোর কাজ | সে এক এলাহি আয়োজন |

প্রধান স্থপতি ছিলেন আহমদ শাহ লহৌরি | তাঁর নির্দেশে কাজ করেছিলেন কয়েক হাজার শিল্পী এবং মিস্ত্রি | এক হাজারের বেশি হাতি গোটা এশিয়া মহাদেশ ঢুঁড়ে বয়ে এনেছিল অমূল্য রত্নরাজি |

তাজের মূল উপকরণ মার্বেল পাথর বা মর্মর এসেছিল রাজস্থানের মারকানা থেকে | সাজানোর জন্য দামী রত্নগুলো অবশ্য এসেছিল ভারতের বাইরে থেকে | তিব্বত থেকে এসেছিল টারকোয়াইজ‚ গজনী বা আজকের আফগানিস্তান থেকে এসে জমা হয় লাপিস লাজুলি‚ চিন থেকে আমদানি হয় স্বচ্ছ স্ফটিক আর সবুজ জেড পাথর | সিংহল আর আরব দেশের বণিকদের থেকে কেনা হয় স্যাফায়ার | পরম যত্নে তা খোদাই করা হয় তাজের সর্বাঙ্গে | একটা একটা করে |

সবুজ ঘাস আর যমুনার নীল জলের সঙ্গে মানানসই করে তৈরি হয়েছিল তাজ | এমনভাবে‚ যাতে এর মর্মর দেওয়াল প্রতিফলিত করে আকাশের রং | তাই সারাদিন বারবার নিজের রং পাল্টে ফেলে এই প্রেমসৌধ | একেবারে ভোরে সে থাকে হাল্কা গোলাপি | বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুটে ওঠে দুধসাদা রং | সূর্যাস্তের সময় সোনালি আর পূর্ণিমায় অপার্থিব রজতাভ |

তাজমহলের কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর খুব বেশিদিন বাইরে থাকেননি শাহজাহান | ছেলের হাতে বন্দি হয়েছিলেন | তাজে মুমতাজের পাশে শেষ শয্যায় শায়িত হওয়ার আগে অবধি ছোট্ট একফালি জানালাই ছিল তাঁর অনিমেষ নয়নের গন্তব্য | ওখান দিয়েই তিনি মানসভ্রমণে পৌঁছে যেতেন তাজ মহলে শায়িত স্ত্রী মুমতাজের কাছে |

সেদিনের যৌবনবতী যমুনা আজ জরাগ্রস্ত বৃদ্ধা | তার তীরে দাঁড়িয়ে আছে প্রেমের মর্মর সৌধ | সময়ের গালে একটি অশ্রুবিন্দু হয়ে |

ঋণস্বীকার : A Short Introduction to the Muslim World by Akbar Ahmed & other sources

কেউ চায় না কাউকে ভুলতে, কিন্তু সময় ভুলিয়ে দেয়…………কেউ চায় না কাউকে হারাতে, কিন্তু ভাগ্য ছিনিয়ে নেয়।
27/06/2016

কেউ চায় না কাউকে ভুলতে,
কিন্তু সময় ভুলিয়ে দেয়…………
কেউ চায় না কাউকে হারাতে,
কিন্তু ভাগ্য ছিনিয়ে নেয়।

Address

Kolkata
700108

Telephone

9932009944

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Learn more posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category