Durbar Kalam News Paper

Durbar Kalam News Paper

Share

www.durbarkalambooks.webs.com Durbar Kalam is a news paper in South 24 Paraganas rural area in purticulars

01/04/2024

ভারতবর্ষ এক পা’য়ে খাড়া
এক নেতা পেতে ভোট ইশারা ।
দুর্নীতি যেথা খিল তুলে ঘরে
ইডি-সিবিআই -এর অপেক্ষা করে!

ভোট ক্যাচার যত বাংলার মুখ
একে একে ওরা জেলে করে সুখ।
শত চোরেদের উর্বর মাথা—
সাধ্য কোথায় বলবে সে কথা?
—রাজহংস
ভিক্টলবাড়ি, থানে, মহারাষ্ট্র।

01/04/2024

গণতান্ত্রিক উৎসব
—————————
গণ-উৎসবের নাগরদোলায়
নিত্য যারা দোল খায়
জিলিপি আর জিবে-গজায়
মনটা তাদের তৃপ্ত।

এদের ছোঁড়া টুকরো খেয়ে
চার পেয়ে আর দু পেয়েরাই
উৎসবের অঙ্গনজুড়ে করে
গৌর নেতাই নৃত্য।

এরাই দেশের গণ উৎসবে
স্বাধীন রঙা আবির মেখে
নাচতে নাচতে কালী লাগান
গণতান্ত্রিক ভৃত্য।
—রাজহংস
ভিক্টলবাড়ি, থানে, মহারাষ্ট্র।
—————————~~~~~~
“১০শতংশের হাতে দেশের মোট সম্পদের ৭২শতংশ। ধনিতম ১শতংশের সম্পদ জনসংখ্যার ৫০শতংশের হাতে তেরো গুণ। ১০১৮ সালের হিসেবে ভারতের জনসংখ্যার ০-৬ শতাংশের মোট সম্পদের পরিমাণ এক লক্ষ আমেরিকান ডলারের বেশি। বিশ্বের ১২৫টি দেশের মধ্যে ক্ষুধাসূচকে ভারত ১১১তম। প্রায় ২২কোটি মানুষ প্রতি রাতে ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাতে ঘুমায়।
কেউ বলতেই পারেন যে, কোন গরিব ক্ষেতমজুর, শ্রমিক নির্বাচনে দাঁড়াতেই পারেন। কিন্তু কেউ না আটকালেও এই ব্যবস্থার অন্তনির্হিত শক্তি তাকে প্রতিহত করে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জিতে সংসদে পৌঁছানোর জন্য যে অর্থবল ও সামাজিক পুঁজি লাগে তা এদেশে খুবই সামান্য সংখ্যক মানুষের আছে। গণতন্ত্রের উৎসবে সেই বিরাট সংখ্যক ‘গণ’ শুধুই দর্শকের ভূমিকায়।” --আ।বা।১/৪/২০২৪

30/03/2024

আঙ্গুরফল টক
লাফিয়ে ছিলাম মিষ্টি ভেবেই
কিন্তু স্বস্তি লক।

ভোট আসে ভোট যায়
বেলুন উড়িয়ে সব পক্ষই
ভোটার ধরে খায়।

সৌম্য স্বাধীন দাড়ি
এরাই ফেরে বৃন্দাবনে
বদলে হাঁড়ি-কুঁড়ি।

বয়স বাড়ে যত
স্বাধীন ভারত ততই পুঁজির
কোলে দুলছে অবিরত।
—রাজহংস
ভিক্টলবাড়ি, থানে, মহারাষ্ট্র।

29/03/2024

কত রূপে, কত ঢঙে
কত নীতি নৃত্য—
কত জল, গুলিয়ে খাওয়া
নাক কান কাটা ভৃত্য।

নীতির কোন ভীতি নেই
প্রীতি অফুরন—
উগ্রতার বিরুদ্ধে কেউ
দাঁড়ায় না কখন!

দুর্নীতির নাগর দোলায়
দুলতে যারা মগ্ন—
আসকারাতে তাদের এখন
সময় হচ্ছে ভগ্ন।
—রাজহংস
ভিক্টলবাড়ি, মহারাষ্ট্র, থানে।

26/03/2024

আধুনিক শহর
———————
আকাশের নীল এখানে অমিল
ক্রংক্রিট-রড-সিমেন্ট—
মাথা তোলে শুধু অট্টোহাসিতে
অট্টালিকার টেন্ট।

গাছপালা যারা ধুঁকে ধুঁকে সারা
সূর্য দেয়নি ছোঁয়া—
বাতাস হেথায় বিষে সিক্ত
পরিবেশ মাথা নোওয়া।

এমন জীবন যন্ত্রণা নিয়ে আধুনিক
পৃথিবীর দ্বারে—
আগামী যেন এই পরিবেশই
সহ্য করতে পারে।
—রাজহংস
হীরাবাগ। মুম্বাই

26/03/2024

হকের কড়ি ধরি ধরি ধরতে পারা যাচ্ছে না—
মাঝ পথে কেউ এঁটো করে ফেলছে শুধু আঁটি- দানা।
ঘরের খেয়ে মোষ তাড়াতে ব্যস্ত যারা সারাক্ষণ
তারাই নাকি হক ফেরাতে তোমার
-আমার আপনজন।
কিন্তু ভায়া লোভের ছায়া আপন পর বাছবে কিসে
টিকে থাকতেই হকের কড়ি কাড়তে শিখল মুচকী হেসে।
—রাজহংস
হীরাবাগ। মুম্বাই

25/03/2024

যত নেতা দাদা
মনটি সাদা
সুযোগ পেলেই তিনি
জনগণের জন্য টাকায়
বৌকে সাজান গিনি।

বিশ্বমানের সুযোগ সবই
নিজের জন্য ধার্য্য
জিতে এলেই ফিতে মাপেন
বাকীরা সব ত্যাজ্য।

আইনকানুন বানান যারা
তারাই ভাঙেন আইন
গরীব তারাই যাদের জন্য
জেল জরিমানা ফাইন!
—রাজহংস
হীরাবাগ। মুম্বাই

23/03/2024

“হীরবাগ” ধর্মশালার কার্নিসে পায়রাযুগল আসে
খুনসুটি আর প্রেম নিবেদন বকম বকম শব্দে ভাসে।
আমি খাটে শুয়েই দেখি ওদের লীলাখেলা
নিত্য ওদের চিত্ত সুদ্ধির বৃত্তেই সারাবেলা।
সুদূর বোম্বে চিকিৎসা পেতে যন্ত্রণাতে আমি
প্রকৃতির এ প্রেম দৃশ্য যেন স্বর্গীয় আঁতলামী।
—রাজহংস
হীরাবাগ,মুম্বাই

22/03/2024

আমার দেশ লুঠত নিত্য বিদেশিরা আগে
পরাধীনতা শৃঙ্খল ছিল ভারতবাষীর পায়ে।

পঁচাত্তর পেরিয়ে স্বাধীন দেশের মানুষ মাটি
গণতন্ত্রের মোড়কেই লুঠছে সাধারণ ঘটিবাটি।

ন্যায় জানতে আইন কানুন, সেটাও কব্জা ওদের
ওরাই দেশের গণতন্ত্র নিত্য কলঙ্কিত করে শের।

নির্বাচিতরাই কী বলো আজ শান্তি আনবে দেশে
বিড়াল থেকে "টাইগন"কেই দেখব ভোটে ফেঁসে।
—রাজহংস
হীরাবাগ। মুম্বাই

21/03/2024

দামী গাড়ি, দামী বাড়ি, দামী জুতোয় নেতা
ভোট এলেই গরিবকে দেখাবে প্রেমের মহিমা।

কবি-সাহিত্যিক এড়িয়ে যান নোংরা ঘাঁটবেন কেন
মানুষ মরুক চোখ বোজা সব সরকারি বিদ্যান যেন।

হুড়মুড়িয়ে ব্রিজ ট্যাঙ্ক বহুতল মানুষ যতই মরে
টাকা দিয়েই সব সমাধান আহা অনুকূলে ঘোরে।

এমন ছবি স্বাধীনোত্তর সব শাসকই জানে
খিলখিলে হাসো, সন্দেশখালি সময় ফিরিয়ে আনে।

রাজনীতি এড়িয়ে কবিরা চায় বিশ্ব পিতার দর্শন
মানুষ ছাড়া সে কাব্যে কোথাও নেই বিদ্যুৎ মন্থন?
—রাজহংস
হীরাবাগ, মুম্বাই

21/03/2024

ভোট
———
গণতন্ত্রের সর্ব অঙ্গে একটাই
স্পষ্ট দাগ—
সমর্থনের পাল্লায় যাদের
সর্বোচ্চ ভাগ।

বুদ্ধি-সুদ্ধি তারাই রাখেন
আপন বগলে চেপে—
নিজের পকেটে সমস্ত কিছুই
কিঞ্চিত দেন মেপে।

দেশের মাটি লুটের জন্য
তাদের লালা ঝরে—
সাধারণের বেঁচে থাকাটাও
মন্দির-মসজিদ ’পরে।

এমন এক রূপ লাবণ্যের ভোট
পাঁচ বছরে আসে নেচে—
জোড় হাত,ফুলের মালায়
হাসি মুখ সব নকল ভালোবেসে।
—রাজহংস
মুম্বাই, হীরাবাগ।

20/03/2024





হোমজনপ্রিয় প্রবীণ সাংবাদিক অমর নস্কর অসুস্থ। টাটা মেমোরিয়াল হসপিটাল মুম্বই তে চিকিৎসাধীন।

জনপ্রিয় প্রবীণ সাংবাদিক অমর নস্কর অসুস্থ। টাটা মেমোরিয়াল হসপিটাল মুম্বই তে চিকিৎসাধীন।

K.Deyমার্চ ১৯, ২০২৪





জাহাঙ্গীর বাদশার রিপোর্ট:অমরদা ভালো নেই, অমরদা অসুস্থ.....খবরটা ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগেনি । কলকাতা তথা দক্ষিণ ২৪ পরগণার সংবাদজগতে অত্যন্ত পরিচিত এবং জনপ্রিয় প্রবীণ সাংবাদিক, সকলের প্রিয় "অমরদা" । অমর নস্কর । বর্তমানে তিনি চিকিৎসা করানোর জন্য রয়েছেন মুম্বাইতে । টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নাম রেজিষ্ট্রেশন করানো, হোটেলের ব্যবস্থা করা, হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি করা, সবকিছুই সামলাচ্ছেন ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে ।



মহেশতলা সংলগ্ন সরকারপুল এলাকার গোপালপুরের বাসিন্দা অমরবাবু । স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে নিয়ে তাঁর সংসার । দুই ছেলেই ছোটখাট প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন । প্রথমে সরকারপুল মেন্টাল হসপিটালে চাকরি করতেন অমরবাবু । পরবর্তীকালে চাকরি ছেড়ে দিয়ে ২০০০ সালে সাংবাদিকতার জীবন বেছে নেন তিনি । প্রকাশ করেন "দূর্বার কলম" পত্রিকা, যেটি সম্প্রতি পদার্পণ করেছে ২৪ বছরে । যাত্রাপথ, বলা বাহুল্য, খুব একটা সহজ ছিল না । কিন্তু অদম্য ইচ্ছাশক্তি, সততা আর পরিশ্রমের মাধ্যমে "দূর্বার কলম"কে দূর্বার গতিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি । সম্পূর্ন একা হাতে ! তিনি অসুস্থ হওয়ার আগে পর্যন্ত কোনও সময়, কোনও অবস্থায় একবারের জন্যও ছেদ পড়েনি দূর্বার কলমের প্রকাশনায় । ডিটিপি'র কাজ , সামান্য কিছু ডোনেশন বা বিজ্ঞাপন জোগাড় করা, সমস্ত খবরাখবর টাইপ করা , কাগজ ছাপানো এবং বিনা পয়সায় বিভিন্ন জায়গায় সেই কাগজ পৌঁছে দেওয়া-- সবই এক সময় একা হাতে সামলেছেন অমরবাবু । জেলায় যারা বিভিন্ন সংবাদপত্র নিয়ে কাজকর্ম করেন, তাদের কিন্তু বিভিন্ন প্রতিকূলতার সামনে পড়তে হয় । যার মধ্যে অন্যতম সমস্যা হল "ফান্ডিং", অর্থাৎ সংবাদপত্র প্রকাশ করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা । অমর নস্করও এর ব্যতিক্রম ছিলেন না । কিন্তু দাঁতে দাঁত চেপে তাঁর সংবাদপত্র নিয়ে তিনি তাঁর নিজের লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন ।

বিভিন্ন সময়ে অসংখ্য সাংবাদিকদের নানা রকম সমস্যায় বা বিপদে তিনি পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন বড় দাদা বা বন্ধুর মতো । তাঁদের সকলের প্রিয় "অমরদা" সম্পর্কে এই বিষয়টি কৃতজ্ঞচিত্তে জানিয়েছেন অনেক সাংবাদিক ।

গলায় কিছুটা সমস্য

Want your school to be the top-listed School/college in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Gopalpur, Sarkarpool
Kolkata
700142