Sanat Roy Chowdhury Institution For Girls Alumni association

  • Home
  • India
  • KOLKATA
  • Sanat Roy Chowdhury Institution For Girls Alumni association

Sanat Roy Chowdhury Institution For Girls Alumni association Be a part of our adorable and prestigious institution.

আমাদের ধুলোখেলা ….        জানুয়ারির ২ তারিখ থেকে যে কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে, মোটামুটি নিঃশ্বাস ফেলবার অবকাশ নেই। তার ওপর গ...
31/01/2026

আমাদের ধুলোখেলা ….

জানুয়ারির ২ তারিখ থেকে যে কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে, মোটামুটি নিঃশ্বাস ফেলবার অবকাশ নেই। তার ওপর গোদের ওপর বিষফোড়ার মতো যদি আবার BLO duty থাকে, তাহলে তো সোনায় সোহাগা। তাবলে তো শীতকাল চুপটি করে বসে থাকবেনা। একেই তো হঠাৎ করেই আরো অনেক কিছুর মতো চুপিচুপি এই বছরের শীত চুরি হয়ে গেছে, বুঝে ওঠার আগেই। তাই জানুয়ারি ভরা জানেমনের মতো বিচিত্র কাজকর্ম সামলে, সোমবার থেকে মাধ্যমিক এবং তার পরেই উচ্চমাধ্যমিকের জন্য কোমর বাঁধার মাঝেই টুক করে শীতকে tribute জানিয়ে এই শিক্ষাবর্ষের বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন। ছোট্ট কিন্তু খুব আন্তরিক প্রয়াস।

শীতের নরম রোদ যখন আলতো করে হাত রাখছে সবুজ মাঠের মাথায় তখনই আমরা- সনৎ রায়চৌধুরী ইন্সটিটিউশন ফর গার্লসের - মা আর ছাঁয়েরা একে একে এগোতে থাকি মার্চপাস্ট, মাস ড্রিল, রিলে রেস, ব্যালেন্স রেস আরো অনেক অনেএএএক কিছুকে সঙ্গে নিয়ে। Victory Stand এ হাসিমুখ ঝলমল করে। মাঠজুড়ে উড়তে থাকে টুকরো টুকরো রঙিন হাসি, সাফল্য, ব্যর্থতা আর আমাদের গোলাপি তিতলিরা। আমরাও ভুলে যাই আমাদের কতকিছু নেই; ঘর নেই, শিক্ষক - শিক্ষাকর্মী অপ্রতুল- সব ভুলে যাই। কিশোরী কন্যেদের সঙ্গে মিশে গিয়ে আমরাই যেন victory Stand এ উঠি নামি, প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় পুরস্কার নিই। অনেকেই প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়া। তাই যতটুকু শেখাতে পেরেছি ততটুকুই ওরা উজাড় করে দিয়েছে মাঠজুড়ে। খেলাধূলার পাশাপাশি পড়াশোনার কৃতিত্বের পুরস্কারে মেয়েরা ঝলমল করে। শত প্রতিবন্ধকতাও ওদের মনোবলে এতটুকু চিড় ধরাতে পারেনা। আর আমরা শেষ শীতের রোদ্দুর আর সবুজ মাঠকে সঙ্গে নিয়ে যত্ন করে খুঁটিয়ে দেখি কতটুকু পারলাম আর কতটুকু পারলামনা, যেটা ঠিক একদিন পেরে যাব। তারপর সবাই মিলে খুব খুউউউউব আনন্দ করি, সত্যি সত্যি।

আচ্ছা পাখির ছানারা যেদিন বাসা ছেড়ে নিজের ডানায় ভর দিয়ে উড়ে যায়, পাখি মা সেদিন কি করে? দূর থেকে দেখে, কেমন করে কচি ড...
12/01/2026

আচ্ছা পাখির ছানারা যেদিন বাসা ছেড়ে নিজের ডানায় ভর দিয়ে উড়ে যায়, পাখি মা সেদিন কি করে? দূর থেকে দেখে, কেমন করে কচি ডানা ধীরে ধীরে নিজের ভরসায় নীল আকাশে নিজের জায়গা করে নিচ্ছে; সজাগ চোখে লক্ষ্য রাখে, ঠিক করে উড়তে পারছে তো! বোধহয় মনে পড়ে যায় সেই ছোট্ট ছোট্ট হাঁ করে প্রথম খেতে শেখা, মায়ের বুকের বাইরে গিয়ে ছোট্ট টুলটুলে পুঁতির মতো চোখে এই অবাক পৃথিবীটাকে দেখতে শেখার দিনগুলো। আর ছানারা? তারা কি করে? বারবার পিছন ফিরে দেখতে থাকে মা আছে তো! তারপর নিজের ডানায় জোরে ঐ মস্ত আস্ত নীল আকাশটাকে জয় করতে এগিয়ে যায়।

প্রত্যেক বছর এই দিনটায় আমরাও ঐ পাখি মা হয়ে যাই। আমাদের সেই ছোট্ট ছোট্ট পঞ্চমীরা আজ দ্বাদশ শ্রেণির শেষ লগ্নে। এবার ওদের যত্নের ঘেরাটোপ থেকে বাইরের পৃথিবীর রোদ-জল-ঝড়ের দিকে এগিয়ে দিতে হবে। প্রত্যেক বছর এই দিনটিতে আমাদের মেয়েদের বড্ড মনখারাপ থাকে, ছেড়ে যাওয়ার। আর আমাদের থাকে অনন্ত মনকেমন, ছেড়ে দেওয়ার। এই মনকেমনের দাম দিয়ে একটা মস্ত বড় নীল আকাশ আমরা ওদের জন্য নিয়ে আসি, যেটা শুধুমাত্র ওদেরই। তাই বিদায় সম্বর্ধনা আসলে বিদায় দেবার জন্য নয়, একটা ঝকঝকে নতুনের দরজা খুলে দেবার জন্য।

আজ আমাদের তাহলে কি বলা উচিৎ? ঐ অমরীশ পুরীর মতো ‘যা সিমরন যা, জিলে আপনি জিন্দেগি’? বেশ তাই নাহয় বললাম। তবে যতদূরেই পৌঁছে যাস, যত বড়ই হয়ে যাস, সোনা মেয়েরা আমাদের, মনে রাখিস তোদের জন্য আমাদের আদর আর যত্নের আঁচলটা এভাবেই পাতা থাকবে, বরাবর।

10/11/2025
টুং- সোনাদা- ঘুম পেরিয়ে ….                এবারের excursion এর গল্পটা শুরু করবো শেষ থেকে। 5 ই নভেম্বর,  সন্ধ্যে সাড়ে সা...
10/11/2025

টুং- সোনাদা- ঘুম পেরিয়ে ….

এবারের excursion এর গল্পটা শুরু করবো শেষ থেকে। 5 ই নভেম্বর, সন্ধ্যে সাড়ে সাতটা, কলকাতা স্টেশনের 3 নম্বর প্ল্যাটফর্মে হলদিবাড়ি কলকাতা intercity express এর S3 কামরার বাইরে তখন টুকরো টুকরো স্বজন আলিঙ্গনের ছবি। কোথাও সারা tour এ দাপটে leadership করা দ্বাদশের ছাত্রী বাবাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে, কেউ আবার প্রিয় দিদিকে পাশে নিয়ে চিৎকার করে লাফাচ্ছে। আবার কোথাও মা বাবা হারানো কোনো মেয়ের অশীতিপর দাদু নাতনিকে দেখে ছলছলে চোখে দুই হাত জোড় করে শিক্ষিকাদের কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন । কোথাও বা প্রিয় বন্ধুর সাথে হয়তো জীবনের প্রথম ও শেষ বারের মতো কাটানো সোনালী মুহূর্তের কথা মনে করে একে অপরের গলা জড়িয়ে কান্না - শিক্ষিকারা ছাত্রীদের এহেন আচরণে একেবারে হতবাক! বেশ কিছুক্ষণ চারিদিকে ঘাড় ঘুরিয়ে এই খন্ডচিত্রগুলো শুধু দেখলাম। আমরাও বাকরুদ্ধ. এগুলো কি শুধুই নিকট আত্মীয়কে চারদিন বাদে পাওয়ার আনন্দ? নাকি দার্জিলিং পাহাড়কে ছেড়ে আসার বেদনা? নাকি কাছের মানুষদের থেকে কিছু সময়ের জন্য দূরে চলে গিয়ে তাদের আসল গুরুত্ব বোঝার পাঠ? উত্তরটা এখনও পরিষ্কার নয়। সনৎ রায় চৌধুরী ইন্সটিটিউশন ফর গার্লস এর এবারের ভ্রমণটা প্রকৃত অর্থেই অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়েছে ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের, সত্যিই এ এক শিক্ষাসফর। উত্তরবঙ্গে হঠাৎ করে নেমে আসা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, ঘূর্ণি ঝড় মোন্থার প্রভাবে প্রবল বৃষ্টি, লাল সতর্কতা , এই সব কিছুর ভয় কাটিয়ে 2 রা নভেম্বর সকাল 6.50 এ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের চাকা যখন গড়াতে শুরু করল তখনও আমরা বুঝি নি একাদশ দ্বাদশের ভূগোল ও সাংবাদিকতার জনা পঁচিশেক ছাত্রীকে ওদের এই ছোট্ট জীবনের সম্ভবত সেরা উপহারটা আমরা দিতে চলেছি। TTE টিকিট পরীক্ষা করতে এসে বলে ফেললেন পুরো S4 কামরাটা গোলাপি রঙে ভরে গেছে। আমাদের ভালোবাসার সেই গোলাপি তিতলিরা দার্জিলিং পাহাড়ে ওড়ার স্বপ্ন দেখেছিল, আমরা শুধু ওদের সেই স্বপ্নটুকু সত্যি করতে চেয়েছিলাম।

‌ সন্ধ্যে ছ'টায় NJP station এ ট্রেন পৌঁছতেই বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস। স্টেশনের পার্কিং এরিয়া থেকে 4 টে গাড়িতে 33 জনের দল 4 ভাগে ভাগ হয়ে যাত্রা শুরু হল।গন্তব্য কার্শিঅং পাহাড়। শিলিগুড়ি শহর ছাড়িয়ে সুকনা elephant corridor মুখী হতেই হঠাৎ আমার গাড়িতে বসে থাকা ছয় জন ছাত্রী ও একজন প্রাক্তন ছাত্রী ও বর্তমানে স্কুলের ICT শিক্ষিকা সমস্বরে উল্লাস করে উঠলো। ততক্ষণে দূরের পাহাড় লক্ষ তারার রোশনাইতে ঝলমলে । মনে পড়ে গেলো আমার জীবনে প্রথম বার পাহাড় দেখার অভিজ্ঞতার কথা। Driver সাহেব হেসে ফেললেন। পাশের সিটে বসা আমি সমতল শহরবাসী অতি সাধারণ পরিবারের মেয়েদের প্রথম পাহাড় দেখার আনন্দ ওনাকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম। Rohini road ধরে গাড়ি যত উঠতে থাকলো বিস্ময়ে আনন্দে ওদের মুখে কথা সরছে না। গুরু নানক জয়ন্তীর প্রাক্কালে রুপোলী চাঁদের আলো আমাদের কন্যেদের মুখের হাসির সঙ্গে মিলেমিশে ম্যাজিক শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। পাহাড়ের এক অদ্ভুত মায়া জড়ানো রূপ দেখতে দেখতে ঘন্টা দেড়েক পরে পৌঁছে গেলাম আমাদের নির্ধারিত থাকার জায়গায়। গোটা শিলিগুড়ি শহর লক্ষ লক্ষ হীরে নেকলেস পরে আমাদের সামনে বিছিয়ে আছে।
ঘরের ব্যালকনিতে হিমেল হাওয়া উপেক্ষা করে অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকা মুখগুলো বলে ওঠে, "ম্যাম এমন সুন্দর জায়গাও পৃথিবীতে আছে এখানে না এলে বুঝতেই পারতাম না"। সারারাত বন্ধুদের সাথে ওদের সেই আনন্দের উত্তাপ আমাদের মানে শিক্ষিকাদের ঘর পর্যন্ত পৌঁছে গেছিল। পরের দিন সকালে গরম গরম ভাত, মুসুর ডাল, আলু মাখা আর ডিম ভাজা খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম দার্জিলিং পাহাড় দেখতে। রং বেরঙের রুচি সম্মত পোষাকে ছাত্রীরা পাড়ি দিল স্বপ্নের জগতে। মেঘ কুয়াশার খেলায় মেতেছে পাহাড়ের রানী। বহু স্বপ্ন আর স্মৃতি মাখা কর্শিয়াং, টুং, সোনাদা, ঘুম শহর ও ষ্টেশন অতিক্রম করে ঘুম monastery, batasia loop , মহাকাল মার্কেট ঘুরে অবশেষে দার্জিলিং ম্যাল এ যখন পৌঁছলাম ওরা তখন পাখির চোখে view point থেকে দেখা তিস্তার মতোই ব্যাকুল। আনন্দের ঢেউ দুকূল ছাপিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে সুদূর কলকাতায় ওদের প্রিয়জনদের কাছে।
মেঘের আড়াল থেকে উঁকি দেওয়া কাঞ্চনজঙ্ঘাকে ওরা যেন ছুয়ে দেখতে চায়। সব মুহূর্তগুলো ভীষণ সত্যি - এতক্ষণে ওরা দার্জিলিং পাহাড়ে মন হারিয়েছে। আমরা শুধু ওদের আগলে রেখেছি আর ওদের ছুঁয়ে একটু একটু করে ফিরে গেছি আমাদের ঊনিশ কুড়িতে।

পরের দিন মায়েরা কন্যেদের হাত ধরে কার্শিয়ং পায়ে হেঁটে ঘুরতে বেরোলেন। কোনো জায়গাকে চিনতে গেলে পায়ে হেঁটে তার ঘর গেরস্থালি ছুঁয়ে না দেখে উপায় নেই। Giddha পাহাড় tea factory, Hanuman top view point , Netaji museum এবং সংকীর্ণ রাস্তার এক পাশে দাঁড়িয়ে toy train এর যাতায়াত, আর পাহাড়ের chicken momo র স্বাদ তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করেছে ওরা। সেই সুখের অজস্র ছবি উঠেছে ওদের ফোন ক্যামেরায় আর আমাদের মন ক্যামেরায়। সবটুকু আশ্চর্য ঝলমলে, কৈশোরের রঙে রঙিন।

চারদিন পাহাড়ে কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত যেমন ওদের সারা জীবনের পাথেয় তেমনই , আমাদের ওপর চোখ বন্ধ করে ভরসা রাখা ওদের হাসিমুখগুলো আমাদের বাকি কর্মজীবনের inspiration হয়ে থেকে যাবে। আসলে এটি একাদশ দ্বাদশের ভূগোল ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষা মূলক ভ্রমণ ছিল ঠিকই, কিন্তু
ইংরেজি ক্লাসে সেই যে রাশিয়ান লেখক Leo Tolstoy এর লেখা Three Questions গল্পে ওরা শিখেছিল যে জীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সময় হল বর্তমান সময় , গুরুত্বপূর্ণ কাজ সেই মুহূর্তের কাজ আর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হলেন ওই মুহূর্তে যার সঙ্গে আমরা থাকি তিনি – এক অদ্ভুত co relation দেখলাম সাহিত্যের সঙ্গে ওই ভূগোল আর সাংবাদিকতা বিভাগের মেয়েদের। জীবনের সবথেকে বড় সত্য ওরা যে এভাবে বুঝতে পারবে এই চার দিনের excursion এ না গেলে বোধহয় বুঝতেই পারতাম না। ফেরার আগের রাতে সারারাত ওদের উল্লাসে আমরা বাধা দিই নি, তবুও পরের দিন ভোর বেলা নির্দিষ্ট সময়ের অনেক আগেই বেরিয়ে পড়েছিলাম NJP স্টেশন এর উদ্দেশ্যে। সকালের মিঠে রোদে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা আমাদের সঙ্গী হল। সে যেনো চাইছেনা আমাদের বিদায় দিতে। বুদ্ধদেব তখনও শান্তির বার্তা নিয়ে হিমালয়ের শিয়রে শায়িত। আলুয়াবাড়ি স্টেশন পর্যন্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা আমাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে গেল। আমাদের ছাত্রীরাও সেই Three Questions এর পাঠ নিয়ে ওদের জীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ব্যক্তি আর সময়কে সাদরে আলিঙ্গন করে গৃহমুখী। আর কলকাতায় ফেরার পর যে প্রশ্ন গুলোর উত্তর খুঁজে পাচ্ছিলাম না তার নেপথ্যেও ওই Three Questions এর উত্তরগুলো। ওরে মেয়েরা, জীবনের পথে যখন অনেকটা এগিয়ে যাবি, আরো অনেকবার পাহাড় সমুদ্র ঘোরা হয়ে যাবে তোদের - তখন হয়তো কখনো কখনো শীতের কমলালেবুর মতো নরম রোদ্দুর তোদের মনের ঐ রঙিন খামের মুখটা খুলে দেবে, যার মধ্যে তোদের ইস্কুলের মায়েরা দার্জিলিং পাহাড়ের অনেক হাসি আর খুশি যত্ন করে খুঁজে এনে দিয়েছিল।

জন্মক্ষণেই নিশ্চিত হয়ে যায় এই জীবন অনিশ্চিত। এই মায়াবী পৃথিবী ছেড়ে আবার ফিরে যেতে হবে পরম স্রষ্টার কাছে। সবটুকু জানা...
26/10/2025

জন্মক্ষণেই নিশ্চিত হয়ে যায় এই জীবন অনিশ্চিত। এই মায়াবী পৃথিবী ছেড়ে আবার ফিরে যেতে হবে পরম স্রষ্টার কাছে। সবটুকু জানার পরেও আকস্মিক প্রয়াণ বড় বেদনাবহ। প্রিয় বিয়োগের ব্যথা অসহনীয়। আমরা, সনৎ রায়চৌধুরী ইন্সটিটিউশন ফর গার্লস বিদ্যালয়ের ছাত্রী, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী- তেমনই এক স্বজন বিয়োগের যন্ত্রণা অতিক্রমের দুঃসাধ্য চেষ্টা করে চলেছি। বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের করণিক শ্রী স্বপন দাশগুপ্ত- আমাদের সকলের স্বপন দা, গত ১৭ ই অক্টোবর অমৃতলোকে যাত্রা করেছেন। তাঁর আকস্মিক প্রয়াণে আমরা বেদনাহত। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে স্বপন দার অনন্ত শান্তি কামনা করি।
খুব ভালো থেকো স্বপন দা।

79 তম স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডে আমাদের ছাত্রীরা..
15/08/2025

79 তম স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডে আমাদের ছাত্রীরা..

ইংরেজিতে বহুল প্রচলিত একটা proverb আছে,  "where there is a will there is a way " . ইচ্ছাশক্তি , কঠোর পরিশ্রম ও শৃঙ্খলাপর...
13/05/2025

ইংরেজিতে বহুল প্রচলিত একটা proverb আছে, "where there is a will there is a way " . ইচ্ছাশক্তি , কঠোর পরিশ্রম ও শৃঙ্খলাপরায়নতা যখন একে অপরের হাত ধরাধরি করে চলে তখন শারীরিক প্রতিবন্ধকতা আকাশ ছোঁয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতেই পারে না তা আবার প্রমাণ করলো আমাদের বিদ্যালয়ের 2025 দশম উত্তীর্ণ, বিশেষভাবে সক্ষম ছাত্রী দীপা মণ্ডল. শুধুমাত্র মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো নম্বর নিয়ে পাশ করাই নয় , জাতীয় স্তরে মূক ও বধির ছাত্রীদের জন্য আয়োজিত Athletics প্রতিযোগিতায় দুটি স্বর্ণপদক এখন দীপার দখলে. এই কঠিন পথ চলায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সব সময় দীপাকে সব রকমের সাহায্য করে গেছে. এক অসম লড়াই - এ বারংবার উৎসাহ দিয়ে গেছে. এগিয়ে চল দীপা. বিদ্যালয় সর্বতোভাবে তোমাকে উৎসাহ প্রদান করে যাবে. তোমার সাফল্যে গর্বিত আমরাও...

Heartiest congratulations to all successful candidates of Higher secondary 2025. Wish you all the best for the bright fu...
08/05/2025

Heartiest congratulations to all successful candidates of Higher secondary 2025. Wish you all the best for the bright future ahead. A world of success awaits to embrace you..

Admission open for Class XI
02/05/2025

Admission open for Class XI

02/05/2025
মাধ্যমিক 2025 এর সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য আগাম শুভেচ্ছা রইল. Result দেখতে নীচে দেওয়া website গুলোর যেকোনো একটাতে log in ক...
01/05/2025

মাধ্যমিক 2025 এর সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য আগাম শুভেচ্ছা রইল. Result দেখতে নীচে দেওয়া website গুলোর যেকোনো একটাতে log in করো.

Step in and ask for further information..
26/04/2025

Step in and ask for further information..

Address

12/3 Gobinda Khatick Road, Kolkata/46
Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sanat Roy Chowdhury Institution For Girls Alumni association posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category