05/08/2023
Ei Samay
সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিভাগ, নেতাজি নগর কলেজ
05/08/2023
Ei Samay
01/08/2023
01/08/2023
নেতাজী নগর কলেজের সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিভাগের প্রথম ‘প্রাক্তনী মিলন’ অনুষ্ঠানে সব প্রাক্তনীদের হাজির হওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি বিভাগের পক্ষ থেকে।
যেসকল প্রাক্তনীরা ওই দিন আসবেন তারা এই হোয়াটসাপ গ্রুপে যোগ দেবেন। কারন ওই দিন সবার জন্য কিছু জল খাবারের ব্যবস্থা করা হবে, তা কতজনের জন্য করতে হবে সেই জানতে এই আবেদন। আশা করছি এই বিষয়ে আপনাদের সহযোগিতা পাবো।
ধন্যবাদ
সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিভাগ
নেতাজী নগর কলেজ
https://chat.whatsapp.com/FVHVS7DNOnt4szzDLMqfDa
23/06/2022
১৯৭৮ সালে ‘প্রণয় পাশা’ ফ্লপ হওয়ার পর অভিনয় জীবন থেকে সরে নিজেকে লোকচক্ষুর আড়ালে নিয়ে যান সুচিত্রা সেন। ফ্লপটাই যে কারণ তা নয়। ইন্ডাস্ট্রির বড় ম্যাডাম কানন দেবী ওনাকে শিখিয়েছিলেন ‘আমাদের অনেক বাজে ছবি করতে হয়েছে টাকার জন্য,তারফলে আমাদের অনেক ভালো কাজ ম্লান হয়ে গেছে। তুমি সে কাজ করোনা সুচিত্রা। নিজের তৈরি করা সম্মান নষ্ট করোনা, খেলো কাজের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করে।’ সুচিত্রা সেনের অদ্ভুত পরিবর্তন হয় স্বামী বীরেশ্বরানন্দজীর সংস্পর্শে এসে। যদিও এর অনেক অনেক আগে সুচিত্রা সেনের ভিতর ঈশ্বরচিন্তা জাগ্রত হয় যখন দেবকী কুমার বসুর ‘ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য'-এ তিনি অভিনয় করেছেন। অন্তরালে যাওয়ার পর একবার ঘরোয়া আড্ডায় বলেছিলেন, “দেবকী বাবুর ‘ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য’ ছবি করে আমার জীবন দর্শন পাল্টে যায়।” যাই হোক, যে গল্প বলছিলাম, স্বামী বীরেশ্বরানন্দজীর কাছে যখনই আসতেন খুব বিনয় ও ভক্তি নিয়ে আসতেন 'ম্যাডাম'। ভরত মহারাজের কাছেও তিনি আসতেন। মহারাজের কাছে ‘সুচিত্রা সেন’ নাম বলতেন না। নাম বলতেন ‘মনোরোমা’ - এটা তাঁর আসল নাম, অনেক বইতে পাওয়া যায়। স্বামীজি শৈশবে তার নাম দিয়েছিলেন মনোরোমা, সেটা মিসেস সেন প্রকাশ করেননি সেভাবে। মহারাজের কাছে অনেকক্ষণ বসতেন। আলাদা করেই কথা বলতেন - একদম শিশুর মতো। মহারাজের জন্য ফুল ও ফল নিয়ে আসতেন। প্রথমে জানতেন না কিভাবে সাধুদের কাছে আসতে হয় এবং কী করতে হয়। ধীরে ধীরে সাধিকা হয়ে ওঠেন মিসেস সেন।...
এক সন্ন্যাসিনীর গল্প ১৯৭৮ সালে ‘প্রণয় পাশা’ ফ্লপ হওয়ার পর অভিনয় জীবন থেকে সরে নিজেকে লোকচক্ষুর আড়ালে নিয়ে যান সুচিত্রা সেন। ফ্লপ...
19/06/2022
রবীন্দ্রনাথের পরের যুগে আপামর বাঙালির কাছে যিনি দ্বিতীয় আলোর দিশারী তিনি হলেন সত্যজিৎ রায়। রবীন্দ্রনাথের নোবেলের পরে তার অস্কার বাঙালির গর্বের জায়গা। কিন্তু সত্যজিৎ রায় কখনো গুরু তকমা পাননি। যিনি রবি ঠাকুরের পর বাঙালির ডাকে গুরু তকমা পেলেন তিনি হলেন উত্তম কুমার। ৫০-৬০-৭০ এর দশকে গুরু মানেই একজন, উত্তম কুমার। ব্যস্ত কলকাতার রাস্তা দিয়ে উত্তমের গাড়ি গেলে যদি কেউ সেই কালো কাঁচের আড়ালে দেখতে পেত মহানায়ককে চেঁচিয়ে উঠে বলতো ❝গুরু গুরু গুরু❞। উত্তমের এই পাগল করা উন্মাদনাকে কাজে লাগিয়েই সত্যজিৎ রায় ভেবে ফেললেন নায়ক। ৬ই মে ১৯৬৬ সালে সত্যজিৎ রায় পরিচালিত নায়ক ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল শ্রী, প্রাচী এবং ইন্দিরার মতো প্রেক্ষাগৃহে। একদিকে সত্যজিৎ রায়ের ছবি অন্যদিকে সত্যজিতের ছবিতে হিরো ইমেজে মহানায়ক উত্তম কুমার, তাই দর্শকদের উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। নায়কের মতো এমন অভিনব ব্যানার আগে দেখেনি বাংলা ছবির দর্শক। স্টার তারকা হলেন হিরো। তাই স্টার এর মধ্যে উত্তম কুমারের সানগ্লাস পরা মুখ পাশে কালো ফ্রেমের চশমায় শর্মিলা ঠাকুর সঙ্গে চরিত্রাভিনেতাদের মুখ। শর্মিলার এই কালো ফ্রেমের চশমা কিন্তু তখনকার মেয়েদের ফ্যাশন স্টেটমেন্ট হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নায়ক ছবির প্রধান চরিত্র বাংলা ছায়াছবির ম্যাটিনি আইডল অরিন্দম মুখোপাধ্যায়। যিনি বলেন, ❝আমরা ছায়ার জগতের মানুষ আমাদের বেশি কথা বলতে নেই। তাহলে পাবলিকের কাছে আমাদের ইমেজ নষ্ট হয়ে যায়।❞ নায়ক অরিন্দম বিমানের টিকিট না পেয়ে রেলপথে কলকাতা থেকে দিল্লি যাচ্ছিলেন রাষ্ট্রীয় পুরস্কার গ্রহণের জন্য। সেদিনের সংবাদপত্রেই তার চারিত্রিক কুৎসা প্রকাশিত হয়েছে। সেই খবর সেইদিন ওই ট্রেনের যাত্রীদের কাছেও হটকেক। এই ২৪ ঘন্টা যাত্রাপথে ‘আধুনিকা’পত্রিকার সম্পাদিকা অদিতি সেনগুপ্ত নায়ক-এর একটি সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন। যদিও অদিতি এইসব ম্যাটিনি আইডলদের খুব একটা পছন্দ করেন না। অদিতি অরিন্দমের সাক্ষাৎকার নিয়ে বুঝতে পারেন তার খ্যাতির আড়ালে মনের গভীরে রয়েছে ভীষণ একাকীত্ব। এই বাইরের নায়ক আর ভেতরের মানুষ একেবারেই আলাদা। অরিন্দমের প্রতি অদিতির সহানুভূতি জাগে। তিনি সিদ্ধান্ত নেন নায়কের কথা জনমানুষের কাছে প্রকাশ করবেন না। ম্যাটিনি আইডল যাতে জনমানুষের কাছে তার ভাবমূর্তি বজায় রাখতে পারেন সেই বিষয়ে তিনি সাহায্য করবেন। সাতটি ফ্ল্যাশব্যাক এবং দুটি স্বপ্নদৃশ্যের মধ্য দিয়ে নায়ক-এর জীবনও তার মনস্তাত্ত্বিক অবস্থানের বিবর্তমান প্রবাহ প্রকাশিত। ঠিক এই রেল যাত্রার মতোই নায়েকের জীবনের ছন্দ কখনো দুরন্ত আবার কখনো ধীর গতির। নায়ক ছবি করার আগেই বাঙালির ম্যাটিনি আইডল ছিলেন উত্তম কুমার আর তার এই ইমেজ ভেবেই সত্যজিৎ রায় নায়ক এর চিত্রনাট্যটি লিখেছিলেন, এমনই জানিয়েছেন সত্যজিৎ পুত্র সন্দীপ রায়।...
সত্যজিতের নায়ক রবীন্দ্রনাথের পরের যুগে আপামর বাঙালির কাছে যিনি দ্বিতীয় আলোর দিশারী তিনি হলেন সত্যজিৎ রায়। রবীন্দ্রনাথের নোব...
12/06/2022
“আশ্বিনের শারদপ্রাতে বেজে উঠেছে আলোক মঞ্জীর ধরণীর বহিরাকাশে অন্তরিত মেঘমালা প্রকৃতির অন্তরাকাশে জাগরিত জ্যোতির্ময়ী জগৎ মাতার আগমন বার্তা|” আলোচ্য অংশটি পাঠ করলেই যার নাম মস্তিষ্ক স্থির ভাবে জানান দেয় তিনি হলেন চিরস্মরণীয় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র| শরৎ-এর শিশিরে ভেজা কাশফুলেরা যখন বাতাসে মাথা দুলিয়ে মায়ের আগমণের বার্তা দূর থেকে দূরান্তে ছড়িয়ে দিচ্ছে, তখন এই কোমল ও গাঢ কন্ঠস্বর পারিপার্শ্বিক পরিবেশে পবিত্রতার জানান দিয়ে সেই বার্তাকে দৃঢীকরণ করে| তার কন্ঠতে ভর দিয়েই যেন মা নেমে আসেন মর্ত্যে| দীর্ঘ সময় পার করেও তিনি যেন গেঁথে আছেন প্রতিটি বাঙ্গালীর মনে| তাঁর এই …...
বেতার ও বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র “আশ্বিনের শারদপ্রাতে বেজে উঠেছে আলোক মঞ্জীর ধরণীর বহিরাকাশে অন্তরিত মেঘমালা প্রকৃতির অন্তরাকাশে জাগরিত জ্যোত.....
12/06/2022
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সান্নিধ্যে বড় হওয়া সত্যজিৎ রায় তাঁর তিনটি নারী কেন্দ্রিক উপন্যাসকে বেছে নেন তার সিনেমার গল্প রূপে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চিরকালই নারীদের স্বাধীনতা ও তাদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অজস্র রচনা করে গেছেন। গান, কবিতা, উপন্যাসের এর মাধ্যমে নারী জাতির জন্য কত উপহার রেখে গেছেন তিনি। তাঁর যুগের থেকে এগিয়ে এই ভাবনা অনুপ্রাণিত করেছে কালজয়ী পরিচালক সত্যজিৎ রায়কে। পারিবারিক সূত্রে সত্যজিৎ রায় ছেলেবেলা থেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সংস্পর্শে বড় হয়েছেন। সত্যজিৎ রায়ের পিতামহ উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঘনিষ্ঠতম বন্ধু । তাঁর পিতা সুকুমার রায় ছিলেন কবিগুরুর স্নেহভাজন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বয়স যখন ৬০ বছর তখন সত্যজিৎ রায়ের জন্ম হয় । কবির সঙ্গে সত্যজিৎ রায়ের প্রথম দেখা শান্তিনিকেতনে। তখন সত্যজিৎ রায়ের বয়স মাত্র ১০ বছর। শিশু সত্যজিৎ রায় তখন কবিগুরুর কাছে একটি অটোগ্রাফ চাইলে কবি তাঁকে একটি কবিতা লিখে দেন । কবিতাটি হল –...
সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রে রবীন্দ্র কাব্যের নায়িকারা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সান্নিধ্যে বড় হওয়া সত্যজিৎ রায় তাঁর তিনটি নারী কেন্দ্রিক উপন্যাসকে বেছে নেন ত....
01/06/2022
মেয়ের হাতে মায়ের বোধন সমাজের প্রচলিত স্রোতের বিপরীতে গিয়ে মহিলারাও আজ পৌরহিত্যে পুরুষদের সমকক্ষ হয়ে উঠেছেন । 'ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মটি' গল্পের লেখিকা দেবারতি মুখোপাধ্যায়। বাংলা ভাষার একটি সামাজিক চলচ্চিত্র, পরিচালক হলেন অরিত্র মুখোপাধ্যায় । উইন্ডোজ প্রোডাকশন হাউজের ব্যানারে নির্মিত ছবিটির প্রযোজক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়। এই ছবির রচয়িতা এবং কাহিনীকার জিনিয়া সেন। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন ঋতাভরী চক্রবর্তী, শুভাশিস মুখোপাধ্যায়, সোমা চক্রবর্তী, সোহম মজুমদার, অম্বরিশ ভট্টাচার্য্য আরো অন্যান্য। এই ছবিটি মুক্তি পায় ৬ মার্চ ২০২০ সালে। অরিত্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের এটি প্রথম ছবি আর তাতেই পরিচালক বুঝিয়ে দিয়েছেন চিত্রনাট্য তার কাছে কতটা জরুরী। এই ছবিটির মুখ্য চরিত্রে সংস্কৃত এর অধ্যাপিকা আলোকপ্রাপ্তা নারী শবরী ও বাতাসি পুরের বিক্রমাদিত্য যার সঙ্গে বিয়ে হয় শবরীর। শবরীর শাশুড়ি ছিলেন গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান। শবরী সম্বন্ধে তারা জানত যে পুজো করে (বাড়ির পুজো)। একদিন এক বিয়েবাড়িতে অতিথি হয়ে আসে তার শাশুড়ি এবং তার স্বামী ও দেখেন তার বৌমা সেই বিয়ে দিচ্ছেন অর্থাৎ পুরোহিতের আসনে। সেটা দেখে তারা অপমানিত বোধ করে, তারা সেইখান থেকে বেরিয়ে যায়। একজন মহিলা হওয়া সত্ত্বেও সে পুজো করতে চায় তখনই সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ বিশেষত পুরোহিতগণ অসন্তুষ্ট হয়, এমনকি তার শশুরবাড়িতে এই নিয়ে অশান্তি শুরু হয়, শুরু হয় একজন মহিলা পুরোহিতের পুজো - অর্চনার অধিকারের লড়াই। না হয় হলেন একজন সংস্কৃত এর অধ্যাপিকা, কলেজে পড়ানো আর প্রত্যহ শাস্ত্র চর্চা কি এক হলো?...
মেয়ের হাতে মায়ের বোধন মেয়ের হাতে মায়ের বোধন সমাজের প্রচলিত স্রোতের বিপরীতে গিয়ে মহিলারাও আজ পৌরহিত্যে পুরুষদের সমকক্ষ হয়ে উঠেছেন...
| Monday | 4pm - 9pm |
| Tuesday | 12am - 9pm |
| Wednesday | 12am - 9pm |
| Thursday | 12am - 9pm |
| Friday | 12am - 9pm |