All Indian exams preparation by Little Guru

All Indian exams preparation by Little Guru Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from All Indian exams preparation by Little Guru, KOLKATA.

জিগ্গেস করলো আমাদের দেখা হবে কবে ?উত্তর দিলাম ,যেদিন যুদ্ধ থামবে ,সে বললো তাহলে যুদ্ধ থামবে কবে ?আমি বললাম যেদিন আমাদের দেখা হবে ..



মন্দিরে বসে ঈশ্বর কে ভুলে শুধু তোমাকেই চেয়েছি .. দায় তো আমার ই...


কার লাইন গুলো জানিনা ....এরকম যুদ্ধ চলছে নাকি ?।।।।।।।।।                                 #কলকাতা  #লাভ
23/08/2026

কার লাইন গুলো জানিনা ....এরকম যুদ্ধ চলছে নাকি ?










#কলকাতা #লাভ

এখানে বাবা মা হিসেবে ভুল কোথায় ‼️ভাবুন তো…যে বাবা হয়তো সারাজীবন নিজের শখের জিনিস না কিনে সন্তানের চাহিদা পূরণ করেছেন,য...
23/08/2026

এখানে বাবা মা হিসেবে ভুল কোথায় ‼️

ভাবুন তো…
যে বাবা হয়তো সারাজীবন নিজের শখের জিনিস না কিনে সন্তানের চাহিদা পূরণ করেছেন,
যে মা সন্তানের মুখে হাসি দেখার জন্য নিজের কত ইচ্ছা বিসর্জন দিয়েছেন—

একদিন সেই সন্তানই যখন একটা দামি ফোনের জন্য এমন একটা সিদ্ধান্তের কিনারায় দাঁড়িয়ে গেল,
তখন তাকে বাঁচাতে গিয়ে বাবা-মায়ের জীবনও শেষ হয়ে গেল!

এই ঘটনাকে শুধু “একটা ছেলে ফোনের জন্য এমন করল” বলে এড়িয়ে গেলে ভুল হবে।

কারণ সমস্যাটা আইফোন নয়।
সমস্যাটা আরও গভীরে।

আজকের প্রজন্মের অনেক শিশুকে আমরা ছোটবেলা থেকেই এমনভাবে বড় করছি—
“চাইলে পাবে”,
“কাঁদলে পাবে”,
“বন্ধুর কাছে আছে, তোমারও থাকবে”,
“বাচ্চার মন রাখতে হবে…”

কিন্তু আমরা কি তাকে শেখাচ্ছি—

সবকিছু সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যায় না?
অপেক্ষা করতে হয়?
টাকা উপার্জন করতে হয়?
নিজের পরিবারের সামর্থ্য বুঝতে হয়?
কখনো কখনো খুব প্রিয় জিনিসটাকেও ‘না’ বলতে হয়?

কৈশোরে আবেগের তীব্রতা এবং তাৎক্ষণিক পুরস্কারের আকর্ষণ তুলনামূলক বেশি হতে পারে, যখন impulse control ও দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল বিচার করার মস্তিষ্কীয় ক্ষমতা এখনও বিকশিত হচ্ছে।

তার ওপর সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিদিন শেখাচ্ছে—

“ওর আছে, আমারও চাই।”
“ওর জীবন এমন, আমার জীবনও এমন হওয়া উচিত।”

এভাবেই একটা চাওয়া ধীরে ধীরে প্রয়োজন হয়ে যায়,
প্রয়োজনটা হয়ে যায় অধিকার,
আর সেই অধিকার না পেলে তৈরি হয় অসহনীয় হতাশা।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—

সন্তানকে বোঝান, কোনো দামি জিনিস তার মূল্য নির্ধারণ করে না।

তাকে এমনভাবে ভালোবাসুন যেন সে নিজের রাগ, লজ্জা, হতাশা, ব্যর্থতা—সবকিছু আপনাকে বলতে পারে।

কিন্তু ভালোবাসার নামে তার প্রতিটি দাবি পূরণ করবেন না।

কারণ আজ আপনি তার কান্না থামাতে একটা দামি ফোন কিনে দিলেন,
কাল হয়তো সে আরও বড় কিছু চাইবে।

সন্তানকে শুধু ভালো স্কুল, ভালো খাবার আর দামি জিনিস দেওয়াই parenting নয়।

তাকে হতাশা সামলানো শেখানোও parenting।

ছোটবেলা থেকেই কখনো বলুন—

“এখন আমাদের সামর্থ্য নেই।”

কখনো বলুন—

“তোমার বন্ধুর কাছে আছে, কিন্তু তোমার এখন দরকার নেই।”

কখনো বলুন—

“তুমি চাইছ বলেই আমরা কিনে দেব—এমন নয়।”

কিন্তু আপনি যদি আজ তাকে ‘না’ শুনে বাঁচতে শেখান,
কাল জীবনের বড় বড় ‘না’-এর সামনে সে নিজেকে সামলাতে শিখবে।

সন্তানকে শুধু কীভাবে জিততে হয় শেখাবেন না।

কীভাবে অপেক্ষা করতে হয়,
কীভাবে না শুনতে হয়,
কীভাবে না-পাওয়ার কষ্ট সহ্য করতে হয়—
সেটাও শেখান।

কারণ পৃথিবী আপনার সন্তানের প্রতিটি চাওয়া পূরণ করবে না।

তাই বাবা-মা হিসেবে আমাদের কাজ শুধু সন্তানের চাহিদা পূরণ করা নয়—
তাকে এমন একজন মানুষ করে তোলা,
যে চাহিদা পূরণ না হলেও নিজের জীবনকে মূল্য দিতে জানে।

একটা আইফোন কখনোই একটা জীবনের চেয়ে দামি না।
আর কোনো চাওয়াকেই সন্তানের জীবনের চেয়ে বড় হতে দেবেন না।

একটা ছোট ঘটনা, আর পুরো পরিবার শেষ
হৃদয়বিদারক ঘটনা। মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগর জেলার টিসগাঁও এলাকার ১৮ বছর বয়সী তরুণ কুণাল চন্দগুড়ে একটি নতুন দামী মোবাইল ফোন কেনার জেদ ধরেছিলেন, যা নিয়ে মা-বাবার সাথে তার তীব্র ঝগড়া ও পারিবারিক বিবাদ তৈরি হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সকাল ১০টার দিকে তিনি বাড়ি ছেড়ে পাহাড়ের কিনারায় গিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দিতে থাকেন।খবর পেয়ে কুণালের বাবা মুরলীধর (৪৮) ও মা সঙ্গীতা এবং স্থানীয় গ্রামবাসীরা, পুলিশ এবং দমকল কর্মীরা দ্রুত সেখানে পৌঁছান।

স্থানীয় প্রাক্তন সরপঞ্চ সঞ্জয় যাদব সহ সেখানে উপস্থিত সকলে প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে কুণালকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এমনকি পরিস্থিতি শান্ত করতে তাকে একটি আইফোন কিনে দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। দমকল কর্মীরা নিচে সুরক্ষাজাল (Safety Net) বিছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, কিন্তু কুণাল ক্রমাগত পাহাড়ের কিনারায় অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকায় উদ্ধারকাজে ব্যাঘাত ঘটছিল। দুপুর ১টার দিকে কুণাল পাহাড় থেকে নিচে গভীর গিরিখাত বা খাদের দিকে ঝাঁ*প দিতে যান। সেসময় তার বাবা মুরলীধর তাকে টেনে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে সামনে এগিয়ে যান এবং ছেলেকে জাপটে ধরার চেষ্টা করেন। কিন্তু ভারসাম্য হারিয়ে দুজনেই একসাথে পাহাড় থেকে গভীর খাদে পড়ে যান। চোখের সামনে স্বামী ও সন্তানকে এভাবে তলিয়ে যেতে দেখে তীব্র শোকে ও আতঙ্কে মা সঙ্গীতাও সঙ্গে সঙ্গে পাহাড়ের উপর থেকে নিচে ঝাঁ*প দেন। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃ*ত্যু হয়।

শেষ পর্যন্ত কী রইল?

না রইল আইফোন,
না রইল সেই সন্তান,
না রইল বাবা-মা।

রয়ে গেল শুধু একটা পরিবারের অসহনীয় শূন্যতা।

21/08/2026
19/08/2026
ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে তাঁর লেখা—“আমি দুর্নীতি করিনি”—ঘটনাটিকে আরও গভীর ও বেদনাদায়ক করে তুলেছে। পাঁচবা...
16/08/2026

ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে তাঁর লেখা—“আমি দুর্নীতি করিনি”—ঘটনাটিকে আরও গভীর ও বেদনাদায়ক করে তুলেছে।

পাঁচবারের রামপুরহাটের বিধায়ক, প্রাক্তন মন্ত্রী এবং বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার শ্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর সংবাদ অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

স্বাধীনতা দিবস পালন করলেন, ঋষি অরবিন্দের জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানিয়ে ফেসবুক পোস্ট করলেন। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত আপনার শেষ লেখাটা পড়ে মনে হলো কত ঠান্ডা মাথায়, প্রত্যেকটা সম্পর্কের সূত্র ধরে ধরে উল্লেখ করেছেন! কিন্তু এই প্রায় পঁচাত্তর বছর বয়সে এরকম সিদ্ধান্ত কেন? কেন?

প্রফেসর হিসেবে তো আপনার সুনাম ছিল বলেই জানি। কী কারণে এরকম সিদ্ধান্ত নিলেন!!
মানা গেল না। রাজনৈতিক মতবিরোধের বাইরে গিয়েও আমরা তো সবাই মানুষ।

সরকারের কাছে অনুরোধ, এই ঘটনার যথাবিহিত তদন্ত হোক। সত্যটা সামনে আসুক। মানুষটা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার। অন্তত পরিবার যেন সুবিচার পায়।

তাঁর আত্মার চিরশান্তি কামনা করি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি রইল গভীর সমবেদনা।
ওঁ শান্তি 🙏🏻🙏🏻

#রামপুর

অনেকেই মনে করেন, নির্দিষ্ট একটি বয়সের পর নতুন কিছু শেখার সময় ফুরিয়ে যায়। অবসরের পর জীবনের গতি কমে আসে, নতুন স্বপ্ন দেখার...
15/08/2026

অনেকেই মনে করেন, নির্দিষ্ট একটি বয়সের পর নতুন কিছু শেখার সময় ফুরিয়ে যায়। অবসরের পর জীবনের গতি কমে আসে, নতুন স্বপ্ন দেখার প্রয়োজনও যেন থাকে না। কিন্তু সেই প্রচলিত ধারণাকেই ভেঙে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসক ম্যানফ্রেড স্টেইনার। ৮৯ বছর বয়সে তিনি কোয়ান্টাম ফিজিক্সে পিএইচডি সম্পন্ন করে দেখিয়েছেন, শেখার জন্য বয়স নয়, সবচেয়ে বড় বিষয় হলো অদম্য ইচ্ছাশক্তি।

৭০ বছর বয়সে চিকিৎসা পেশা থেকে অবসর নেওয়ার পর অধিকাংশ মানুষের মতো আরাম-আয়েশের জীবন বেছে নেননি তিনি। বরং জীবনের পুরোনো স্বপ্ন পূরণের পথে হাঁটতে শুরু করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আবার শিক্ষার্থী হন। তরুণ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একই ক্লাসে বসে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক কোর্সগুলো সম্পন্ন করেন। ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে তিনি পিএইচডি গবেষণার জন্য নিজেকে তৈরি করেন।

স্টেইনারের পেশাগত পরিচয় একজন চিকিৎসক হিসেবে। দীর্ঘ কয়েক দশক তিনি সফলভাবে চিকিৎসা পেশায় কাজ করেছেন। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাশাপাশি আরেকটি ভালোবাসা সারাজীবন তাঁকে তাড়া করে ফিরেছে—পদার্থবিজ্ঞান। বিশেষ করে কোয়ান্টাম ফিজিক্সের প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ কখনোই ম্লান হয়নি।

অবশেষে ৮৯ বছর বয়সে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আইভি লিগ প্রতিষ্ঠান ব্রাউন ইউনিভার্সিটি থেকে কোয়ান্টাম ফিজিক্সে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। শুধু বয়সের কারণে নয়, সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পেশা থেকে এসে বিশ্বের কঠিনতম গবেষণা ক্ষেত্রগুলোর একটিতে সফল হওয়াও তাঁর এই অর্জনকে আরও অনন্য করে তুলেছে।

আজকের প্রতিযোগিতামূলক পৃথিবীতে অনেক তরুণই বয়স, সময় বা পরিস্থিতিকে অজুহাত হিসেবে দেখেন। অথচ একজন মানুষ জীবনের সাত দশক অন্য একটি পেশায় কাটিয়েও নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠানে পিএইচডি অর্জন করতে পারেন—এটি আমাদের জন্য এক শক্তিশালী বার্তা।

ম্যানফ্রেড স্টেইনারের গল্প কেবল একজন গবেষকের নয়; এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তির গল্প। এটি প্রমাণ করে, স্বপ্নের কোনো মেয়াদ নেই, শেখার কোনো বয়স নেই। আর যখন কোনো লক্ষ্য পূরণের আকাঙ্ক্ষা সত্যিই প্রবল হয়, তখন অসম্ভব বলেও হয়তো কিছু থাকে না।

স্টেইনারের গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রকৃত শিক্ষা কখনোই শুধুমাত্র চাকরি বা ডিগ্রির জন্য নয়। তিনি পদার্থবিজ্ঞান পড়েছেন কৌতূহল থেকে, জেনেছেন আনন্দের জন্য, আর সেই আনন্দই তাঁকে জীবনের শেষ অধ্যায়েও নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

#কলকাতা

॥ তালবাদ্যের ইতিহাস ॥তালবাদ্যের ইতিহাস অতি সুপ্রাচীন। ভারতীয় আর্যগণের আদিগ্রন্থ বেদ, হিন্দুদের পুরাণ, মন্দির ও স্থাপত্যশ...
14/08/2026

॥ তালবাদ্যের ইতিহাস ॥

তালবাদ্যের ইতিহাস অতি সুপ্রাচীন। ভারতীয় আর্যগণের আদিগ্রন্থ বেদ, হিন্দুদের পুরাণ, মন্দির ও স্থাপত্যশিল্প হইতে তালবাদ্যের পরিচয় পাওয়া যায়। সিন্ধু সভ্যতার যুগে হরপ্পা, মহেঞ্জোদারো এবং পরবর্তীকালে অজন্তা, ইলোরা, কোনারক প্রভৃতির গুহাচিত্র ও মন্দিরগাত্রে প্রাচীন বাদ্যযন্ত্রের নিদর্শন পাওয়া যায়। আচার্য ভরত মুনি রচিত "নাট্যশাস্ত্রে” এবং শার্পদেব রচিত "সঙ্গীত রত্নাকরে” তালবাদ্যের বিবরণ আছে। বৈদিক যুগে দুন্দুভি, মৃদঙ্গ; দর্দর, কাদম্বর, বনস্পতি প্রভৃতি বাদ্য প্রচলিত ছিল। বনস্পতির অনুরূপ বাদ্য হইল বর্তমানকালের ঢাক। মহাভারতে শঙ্খ, দুন্দুভি, মৃদঙ্গ, ভেরী, বেণু, বীণা প্রভৃতি বাদ্যযন্ত্রের উল্লেখ আছে।

মহাভারতে বলা হইয়াছে-“শস্ত্রযজ্ঞের সময়শঙ্খশব্দ, মুরজশব্দ, ভেরীশব্দ উৎকৃষ্ট মঙ্গলধ্বনি হইবে” (উদ্যোগপর্ব ১২৪তম অধ্যায়)। মহাভারতের অন্যান্য পর্বেও প্রাচীন বাদ্যযন্ত্রের উল্লেখ আছে। "সূর্যোদয় হইলে ভেরী, মৃদঙ্গ, আনক ও শঙ্খ ধ্বনিত হইতে লাগিল।” (ভীষ্মপর্ব-১০৯ অধ্যায়) “ভেরী, পণবং আনক, গোমুখ সকল আহত এবং তাহা হইতে তুমুল শব্দ প্রাদুর্ভূত হইল। (ভীষ্মপর্ব ২৫ অধ্যায়) ভীষ্মপর্বের ৫৯তম অধ্যায়ে মৃদঙ্গ, ভেরী ও দুন্দুভির সহিত পটহ নামে আর একটি বাদ্যযন্ত্রের উল্লেখ করা হইয়াছে।

#তবলা #শঙ্খ #মৃদঙ্গ #মিউজিক #বাদ্যযন্ত্র

14/08/2026

অফিসে শুধু কাজ ভালো করলেই হয় না, মুখটাও সামলাতে হয়,জেনে নিন অথবা নুতুনদের জন্য অফিসে যে যে কথা গুলো কলিগদের সাথে কখনোই শেয়ার করা উচিত নয়👇শেয়ার করুন নুতুন যারা জব ফিল্ডে প্রবেশ করেছে তাদের জন্য অনেকটা উপকারী হবে কারণ চাকরির প্রথম প্রথম অনেককেই আমি আপনি এই ভুল গুলো করে ফেলেছিলাম ..

আপনার সাইড ইনকাম।

অনেকেই অফিসের পাশাপাশি Upwork বা Fiverr এ কাজ করেন। ভালো কথা,কিন্তু অফিসে বলে বেড়ানোর কিছু নেই। ম্যানেজমেন্ট সাথে সাথে ভাবে আপনার মনোযোগ ভাগ হয়ে গেছে।
আর অনেক চুক্তিতে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা থাকে, যেটা অনেকে পড়েই দেখেননি।

পরিবার বা সম্পর্কের সমস্যা।

সমস্যা সবার থাকে। কিন্তু অফিসে বারবার বললে মানুষ আপনাকে সমস্যা দিয়েই চিনতে শুরু করে।বড় প্রজেক্টে নাম বাদ পড়ার এইটাও একটা কারণ হতে পারে।

আপনার বেতন।
আর এইখানেই আমার আপত্তি।প্রচলিত উপদেশ হলো বেতন নিয়ে কথা বলবেন না, হিংসা তৈরি হবে।

কথাটা পুরোপুরি ঠিক না।

আমেরিকার শ্রম অধিকার সংস্থা NLRB তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে পরিষ্কার লিখে রেখেছে, প্রাইভেট সেক্টরের কর্মীদের নিজেদের বেতন নিয়ে আলোচনা করার অধিকার আইনত সুরক্ষিত। কোম্পানি চাইলেও নিষেধ করতে পারে না।

এমন একটা আইন দরকার হলো কেন?

Institute for Women's Policy Research এর জরিপে দেখা গেছে, ৪৮% ফুল-টাইম কর্মী বলেছেন তাদের কোম্পানি বেতন নিয়ে কথা বলতে নিরুৎসাহিত করে বা সরাসরি নিষেধ করে। নারীদের ক্ষেত্রে ৫২%।

এই চুপ থাকাটা কার লাভে যায়, একবার ভাবেন।

কোম্পানি জানে সবার বেতন কত। আপনি জানেন শুধু নিজেরটা।

এই তথ্যের অসমতাটাই দরকষাকষিতে আপনাকে দুর্বল করে রাখে।

তাহলে করণীয় কী?

অফিসে সবার সামনে নিজের অ্যামাউন্ট ঘোষণা করবেন না। ওইখানে সত্যিই ঝামেলা হয়।

কিন্তু যাদের বিশ্বাস করেন, সেই দুই একজনের সাথে ইন্ডাস্ট্রির রেঞ্জটা নিয়ে কথা বলেন। নিজের সংখ্যা না, বাজারের সংখ্যা।

শুধু একটা কথা, নিজের চুক্তিতে confidentiality clause আছে কি না দেখে নিবেন। আমেরিকান ওই আইনি সুরক্ষাটা ভারতে নেই।

বসের দুর্বলতা।

অভিযোগ থাকলে সঠিক জায়গায় বলেন। চা খাওয়ার ফাঁকে না।অফিসে কথা ঘুরতে সময় লাগে না, আর ঘুরে ফিরে ঠিক তার কাছেই পৌঁছায় যার কাছে পৌঁছানো উচিত ছিল না।

অফিসের গসিপ।

এইটা লিখতে গিয়ে আমি নিজেই একটু থেমেছি। কারণ এই ফাঁদে আমরা প্রায় সবাই পড়ি।যেই মানুষটা আপনার সাথে বসে অন্যের নামে বলছে, সে অন্যের সাথে বসে আপনার নামেও বলছে।

রাজনৈতিক আর ধর্মীয় মতামত।

এইখানে কেউ কারো মত বদলায় না। শুধু সম্পর্কটা নষ্ট হয়।যেই কলিগের সাথে আগামী তিন বছর কাজ করতে হবে, তার সাথে অকারণে দূরত্ব বানিয়ে লাভ নেই।

আর এইটাই সবচেয়ে দ্রুত ক্ষতি করে।

অন্য কেউ আপনাকে বিশ্বাস করে যেই কথাটা বলেছিল, সেটা।নিজের গোপন কথা ফাঁস করলে আপনি একা ক্ষতিগ্রস্ত হন। অন্যেরটা ফাঁস করলে আপনার উপর থেকে সবার বিশ্বাস উঠে যায়।
অফিসে হারানো বিশ্বাস ফিরে পাওয়া প্রায় অসম্ভব।

চাকরি ছাড়ার প্ল্যান।

কলিগকে বলা মানে অফিসের বাতাসে ছেড়ে দেওয়া। রিজাইন লেটার জমা দেওয়ার আগেই কথাটা বসের কানে চলে যেতে পারে।আর তখন আপনার হাতে দরকষাকষির কিছুই থাকে না।

ভালো লাগলে লাইক করবেন জনস্বার্থে শেয়ার করে দেবেন


#জব #অফিস #পলিটিক্স

📢ডাক্তারকে অপমান করলে বিষয়টা বড় হয়ে যায়,কিন্তু নার্সকে অপমান করলে—“ও তো নার্স!” বলে বিষয়টা এড়িয়ে যাওয়া যায়!প্রো...
12/08/2026

📢ডাক্তারকে অপমান করলে বিষয়টা বড় হয়ে যায়,
কিন্তু নার্সকে অপমান করলে—
“ও তো নার্স!” বলে বিষয়টা এড়িয়ে যাওয়া যায়!

প্রোফাইল রিচ, ভাইরাল আর পপুলারিটির একটাই সফট টার্গেট—সাদা অ্যাপ্রন পরা নার্স!

কারণ সবাই জানে—
নার্সকে অপমান করলে খুব বেশি মানুষ প্রতিবাদ করতে আসবেন না।
না Nursing Authority,
না Hospital Authority,
না কেউ!

ক্যামেরা অন করুন 📹
Facebook Live চালু করুন 🔴
তারপর সামনে যদি একজন নার্স থাকেন—
ব্যস! ভিউ, রিচ আর কমেন্ট—সব পাওয়ার রাস্তা যেন খুলে গেল!

রোগীর অভিযোগ থাকলে অভিযোগ করুন।
ভুল হলে ব্যবস্থা নিন।
প্রয়োজনে আইনগত পথ নিন।

একজন নার্সও একজন trained healthcare professional।
তারও আত্মসম্মান আছে, পেশাগত মর্যাদা আছে, পরিবার আছে, মানসিক চাপ আছে।

কিন্তু ক্যামেরা চালু করে একজন নার্সকে প্রকাশ্যে অপমান করে নিজের Popularity বাড়ানো—এটা সাংবাদিকতা নয়, এটা প্রতিবাদের ভাষাও নয়।

আর Nursing Authority-র কাছেও প্রশ্ন—

নার্স যখন সবার সামনে অপমানিত হয়, তখন তাঁর পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্বটা কার?

কারণ মনে রাখবেন—

🩺 নার্স হাসপাতালের সফট টার্গেট নয়।
🤍 সাদা অ্যাপ্রন মানে দুর্বল মানুষ নয়।
✊ সম্মান পাওয়া নার্সের অধিকার।

এটাই কি আমাদের Healthcare System-এর বাস্তবতা?

গা শিউড়ে ওঠার মত ঘটনা ! ডিজিটাল শেষ কৃত্য!! ঘোর কলিযুগে এটাই দেখার বাকি ছিল মনে হয়!! নারী জাতির কলঙ্ক এরাই ...ভিডিও কল...
06/08/2026

গা শিউড়ে ওঠার মত ঘটনা ! ডিজিটাল শেষ কৃত্য!! ঘোর কলিযুগে এটাই দেখার বাকি ছিল মনে হয়!! নারী জাতির কলঙ্ক এরাই ...ভিডিও কলের মধ্যেই শেষকৃত্য চলাকালীন এক মেয়ে প্রশ্ন করেন, “আর কত ক্ষণ চলবে? স্নান-খাওয়া বাকি আছে আমাদের।”

নিজের সবটুকু দিয়ে পড়াশোনা শিখিয়েছিলেন তিন মেয়েকে। তিন মেয়েকেই নিজের পায়ে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বৃদ্ধাশ্রমে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন এক বাবা।

বৃদ্ধাশ্রমেই শেষ বাবা, শেষকৃত্যে আসার সময় হল না তিন মেয়ের কারও, ভিডিও কলে হাজিরা দিলেন, ৫১০০ টাকা দিয়েই ক্ষান্ত।

শুধু তাই নয়, মৃত্যুর পর মেয়েদের একজনকেও দেখা গেল না তাঁর শেষকৃত্যে।

নেপালে শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আরেক মেয়ে অনলাইন ৫১০০ টাকা পাঠান।

গত দু’বছর ধরে ছিলেন বৃদ্ধাশ্রমেে। স্ত্রী মীনাও তাঁর সঙ্গে বৃদ্ধাশ্রমে থাকতেন। কয়েক বছর আগে মারা যান মীনা দেবী। এবার বৃদ্ধাশ্রমে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন শিবচরণও।

কি বলবেন এইবার ,আমি তো বাকরুদ্ধ !

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when All Indian exams preparation by Little Guru posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to All Indian exams preparation by Little Guru:

Shortcuts

Share