18/05/2026
স্টাইল কাকে বলে, সেটা সবার এই মানুষ টাকে দেখে শেখা উচিত...🙏🏻"বাঙালি মেয়েরা তো আজকাল শাড়ি, সিঁদুর, আলতা পরা ভুলেই গিয়েছে" বলে যারা বাঙালীদের ঐতিহ্য রক্ষার ভার কেবল মাত্র মেয়েদের ঘাড়ে চাপান, তারা দয়া করে এনাকে দেখে একটু শিখুন... 🙏🏻
দক্ষিণ ফ্রান্সের নীল জলরাশি আর পাম গাছের সারিতে ঘেরা ফ্রেঞ্চ রিভিয়েরা যখন সেজে উঠেছে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র উৎসব ‘কান’-এর গ্ল্যামারে, ঠিক তখনই সেখানে ইতিহাস লিখলেন বাংলার এক ভূমিপুত্র।
তিনি নিরঞ্জন মণ্ডল, যাঁকে ডিজিটাল দুনিয়া এক ডাকে চেনে ‘লাফটারসেন’ নামে। বিশ্বের তাবড় সেলিব্রিটি আর হলিউড-বলিউডের নামী তারকাদের ভিড়ে ১৬ মে-র সেই সন্ধ্যাটি ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ, সেই দিন কানের লাল গালিচায় কোনো বিদেশি ব্র্যান্ডের স্যুট-টাই বা বিলাসবহুল ডিজাইনার পোশাক নয়, বরং দৃপ্ত পদক্ষেপে হেঁটে গেলেন এক ‘বাঙালি বাবু’।
এ যেন ফরাসি পাতে বাংলার শুটকি...
কলকাতা থেকে কান, লাফটারসেনের এক স্বপ্নের উড়ান দেখলো গোটা বাংলা। বিশ্ব মঞ্চে বাঙালিরা বরাবরই কলার তুলে প্রবেশ করে। লাফটারসেনও তার ব্যাতিক্রম নন।
লাফটারসেনের 'শুটকি কান্ড' একসময় গোটা বাংলার সমাজ মাধ্যমে ঝড় তুলেছিল। সেই ঝড় এখন বদলে গেছে সাইক্লোনে। এই সাইক্লোন এবার আরবসাগর হয়ে মুম্বাইতে আছড়ে পড়বে কিনা সেটা সময় বলবে।
বিশ্বের তাবড় তাবড় নক্ষত্রদের ভিড়ে, কান (Cannes) আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে, আটপৌরে ধুতি-পাঞ্জাবিতে বাঙালির প্রতিনিধি হিসেবে এক চিলতে খাঁটি বাংলার আলপনা এঁকে দিলেন Laughtersane ... ❤️নিরঞ্জনের পরনে ছিল ধবধবে সাদা ধুতি আর পাঞ্জাবি, উপরে একটি কালো কোট। চোখে সেই পরিচিত গোল ফ্রেমের চশমা আর কবজিতে পুরনো দিনের একটি এনালগ হাতঘড়ি। তাঁর এই রূপ দেখে মনে পড়ে যাচ্ছিল সত্যজিৎ রায়ের সেই অমোঘ কথা— “আসলে সাধারণ মানুষের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে অসাধারণ সব গল্প।” নিরঞ্জন যেন সেই সাধারণ মানুষের গল্পের প্রতিনিধি হয়েই পৌঁছে গিয়েছিলেন ওই আন্তর্জাতিক মঞ্চে। যখন বিদেশি সাংবাদিকরা অবাক হয়ে তাঁর ধুতি কিংবা পুরনো ঘড়িটির দিকে তাকাচ্ছিলেন, তিনি মিষ্টি হেসে তাঁদের বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন এই পোশাকের মাহাত্ম্য। সেই মুহূর্তে তাঁর চোখেমুখে কোনো কুন্ঠা ছিল না, বরং ছিল নিজের সংস্কৃতির প্রতি এক অটল বিশ্বাস।
সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি যখন কথা বলছিলেন, তখন তাঁর গলায় আবেগ ছিল স্পষ্ট। তিনি গর্বের সাথে বলছিলেন, কেন তিনি এই পোশাক বেছে নিয়েছেন। আসলে তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছাতে গেলে নিজের শেকড়কে উপড়ে ফেলার প্রয়োজন নেই। বরং শেকড় যত গভীর হয়, ডালপালা তত বেশি আকাশ ছুঁতে পারে। ১০ লক্ষ ফলোয়ারের এই স্রষ্টা প্রমাণ করে দিলেন যে, মেধা আর মৌলিকতা থাকলে ভাষার গণ্ডি বা ভৌগোলিক সীমানা কোনো বাধাই নয়।
এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে এক দীর্ঘ লড়াই আর সৃজনশীলতার গল্প। অনলাইনে ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষের ভালোবাসা পাওয়া নিরঞ্জন তাঁর ভিডিওতে ফুটিয়ে তোলেন বাঙালির রান্নাঘরের আলু-ফুলকপির গল্প থেকে শুরু করে ‘মিষ্টি বাপী’-র মতো অতি পরিচিত সব চরিত্র। এই ঘরোয়া আড্ডার মেজাজকে তিনি যেভাবে শিল্পে রূপ দিয়েছেন, তার স্বীকৃতিই মিলল কান-এর এই ৭৮তম আসরে। ১২ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত চলা এই উৎসবে ব্রুট ইন্ডিয়ার হাত ধরে অফিসিয়াল পার্টনার হিসেবে তাঁর এই উপস্থিতি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এটি বাংলার কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এক নতুন দিগন্ত।
তুমি যদি সেই মুহূর্তের ভিডিওগুলো দেখো, তবে বুঝতে পারবে ফ্লাশগানের ঝলকানির মাঝেও নিরঞ্জনের পা দু’টি ছিল মাটির খুব কাছাকাছি। রেড কার্পেটে হাঁটার সময় তাঁর সেই ধুতি সামলে এগিয়ে যাওয়ার ভঙ্গিটি মনে করিয়ে দিচ্ছিল অপুর সেই বিস্ময়ভরা চোখ দুটিকে। সত্যজিৎ রায় একবার বলেছিলেন, “পায়ে চলার পথটা যখন বড় রাস্তার সাথে মিশে যায়, তখন গন্তব্যটা বড় হয়ে ওঠে।” নিরঞ্জনের ক্ষেত্রেও উত্তর ২৪ পরগনার সাধারণ পথ আজ কানের সেই বৈশ্বিক রাজপথের সাথে মিলেমিশে এক হয়ে গেছে।
১৬ মে-র সেই রাতটি বাংলার মানুষের জন্য ছিল এক পরম প্রাপ্তির মুহূর্ত। কোনো নামী সিনেমার অভিনেতা হিসেবে নয়, বরং একজন স্বাধীন শিল্পী হিসেবে নিরঞ্জন মণ্ডলের এই জয়যাত্রা আসলে প্রতিটি সাধারণ মানুষের জয়, যাঁরা স্বপ্ন দেখতে ভয় পান না। কানে তাঁর এই ধুতি-পাঞ্জাবি পরা পদচারণা দীর্ঘকাল মনে রাখবে বিশ্ববাসী— এক বাঙালি যুবকের হাত ধরে বাংলার সংস্কৃতি আবারও বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়াল।
এই প্রথম কোনও বাঙালি কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে কানের লাল গালিচায় হাঁটলেন তিনি...
বিশ্ব দরবারে নতুন ইতিহাস গড়লেন ,আন্তর্জাতিক মঞ্চেও নিজের শিকড় ও বাঙালিয়ানাকে যেভাবে তুলে ধরলেন তার জন্য কুর্নিশ, আমরা গর্বিত... 🙏🏻বাংলা এবং বাঙালিকে একটা গর্বের মুহূর্ত উপহার দেওয়ার জন্য অসংখ্য শুভেচ্ছা এবং ভালবাসা। ❤️
*******************************************
[Serving sharp elegance with a touch of tradition ✨
Niranjan Mondal aka Laughtersane's Cannes look brings together structured tailoring and classic drapes in the most effortless way. 🖤
Somehow, his success feels personal!
The man who has made us laugh with his familiar, witty contents over the years is now representing Bengal at the Cannes! ❤️
Way to go Niranjan Mondal aka Laughtersane! 🙏
Take a bow 🫶
Indian Fashion
15/05/2026
R G Kar হাসপাতালের সেই বিভীষিকাময় রাত আজও বাংলার মানুষ ভুলতে পারেনি,একজন তরুণী চিকিৎসক — যাকে অনেকেই আজ “অভয়া” নামে মনে রেখেছেন — নিজের কর্মস্থলেই যে নৃশংস পরিণতির শিকার হলেন, তা শুধু একটি অপরাধ ছিল না, গোটা সমাজের বিবেককে নাড়িয়ে দেওয়া এক কালো অধ্যায়।
ঘটনার পর মানুষ আশা করেছিল সত্য দ্রুত সামনে আসবে, দোষীরা শাস্তি পাবে, আর প্রশাসনের প্রতিটি স্তর স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল প্রশ্নের পর প্রশ্ন জমতে শুরু করেছে। প্রমাণ সংগ্রহ থেকে শুরু করে ঘটনাস্থল ঘিরে নানা বিতর্ক, তথ্য প্রকাশে অস্পষ্টতা, এবং তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ে মানুষের মনে সংশয় আরও গভীর হয়েছে।
এই পুরো ঘটনায় যাঁর ছবি আজ সোশ্যাল মিডিয়ায় আবার ভাইরাল, তাঁর ভূমিকাও নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। সংবাদমাধ্যমের সামনে আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে প্রমাণ তুলে ধরা, নানা ব্যাখ্যা দেওয়া, এবং তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে ধারাবাহিক বক্তব্য— সবকিছুই জনমনে প্রবল কৌতূহল ও বিতর্ক তৈরি করেছিল। অনেকেরই অভিযোগ ছিল— ঘটনার গভীর ক্ষত ঢাকতে এবং কাউকে আড়াল করতে প্রশাসনিক ভাষ্যকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
মানুষের মনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল — এক নারীর নিরাপত্তা যদি তাঁর নিজের কর্মস্থলেও নিশ্চিত না হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় নিরাপদ?
“Justice for Abhaya” শুধুমাত্র একটি স্লোগান ছিল না, সেটা ছিল বাংলার অসংখ্য মানুষের জমে থাকা ক্ষোভ, বেদনা আর নিরাপত্তাহীনতার প্রতিধ্বনি।
আজ সময় বদলেছে, পরিস্থিতিও বদলেছে। কিন্তু সেই রাতের স্মৃতি, মানুষের কান্না, প্রতিবাদের ঢেউ আর প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন — সবকিছু এখনও ইতিহাসের পাতায় তাজা। হাতে লেখা “My Life My Way” হয়তো একসময় আত্মবিশ্বাসের প্রতীক ছিল, কিন্তু জীবন শেষ পর্যন্ত মানুষকে বুঝিয়ে দেয় — ক্ষমতা, পদ বা পরিচয়ের থেকেও বড় হল সময় এবং সত্য।
যতই হাতে উল্কি আঁকা থাকুক — “My Life My Way” জীবন কিন্তু সবসময় নিজের লেখা স্ক্রিপ্ট মেনে চলে না। সময়, পরিস্থিতি আর কর্ম— এই তিনেই বদলে যায় পথের দিশা।
আজ আপনার জীবন আর শুধু “ Your Life Your Way” নয় ম্যাডাম,এখন সেটা সময়ের হাতে লেখা এক নতুন অধ্যায়।
আপনার জীবন আপনার পথে আর নেই ম্যাডাম !
।
।
।
#বাংলা Message of daughter to Modi ji
Modi ji
The country has accepted your appeal from heart
Now you also don't make any shortage in your safety.
You are not just a PM
Millions of countrymen have hope and trust.
You will be safe
Only then the country will remain strong and safe.
Message of daughter to Modi ji
🙏🙏
#दिव्यातिवारी Narendra Modi I Support Yogi
েখে #বাংলা
✍️ সুদীপ চন্দ
15/05/2026
“কিছু যুদ্ধ বইয়ের পাতায় লেখা থাকে না…
লেখা থাকে হাসপাতালের বেডে, কেমোথেরাপির কষ্টে, আর চোখের জলে ভেজা রাতগুলোতে…” 🌿
ষষ্ঠ শ্রেণিতে যখন অন্য বাচ্চারা স্কুল, খেলা আর স্বপ্ন নিয়ে ব্যস্ত,
ঠিক তখনই অদ্রিজার জীবনে আসে এক ভয়ংকর শব্দ — “ক্যান্সার”।
৮২টি কেমোথেরাপি…
অসংখ্য সূচের ব্যথা…
চুল ঝরে যাওয়া…
অসংখ্য রাতের কান্না…
আর মৃত্যুভয়কে সঙ্গে নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই।
কিন্তু কিছু মানুষ হার মানতে শেখে না।
শরীর ক্লান্ত হয়েছিল,
কিন্তু স্বপ্ন ক্লান্ত হয়নি। ❤️
আজ সেই মেয়েটাই ক্যান্সারকে হারিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে দশম স্থান অর্জন করেছে।
এ শুধু একটি রেজাল্ট নয়…
এ এক যোদ্ধার ফিরে আসা।
এ প্রমাণ —
জীবন যত কঠিন হোক,
ইচ্ছাশক্তি আর সাহস থাকলে মানুষ অসম্ভবকেও হারাতে পারে।
টলাতে পারেনি ক্যান্সারের কামড়, জয় করেছে একের পর এক মাইলফলক ,একের পর এক ৮২টি কেমোর ধাক্কা সামলে জীবনের পরীক্ষায় বাজিমাতের পর স্কুলজীবনের শেষ পরীক্ষাতেও লক্ষ্যভেদ করলেন কর্কট-বিজয়িনী অদ্রিজা গণ
মারণরোগের থাবা থেকে মুক্তির লড়াই করেছিলেন টানা চার বছর ধরে।সেই মেয়েই উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় নাম তুললেন প্রথম দশে। এই তালিকায় অদ্রিজার সঙ্গেই নাম রয়েছে আরও ১২ জনের। প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৭।
অদ্রিজা শুধু পরীক্ষায় নয়,
জীবনের কাছেও “জয়ী” হয়েছে। 🌸
অনেক ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা এই ছোট্ট যোদ্ধার জন্য।
তোমার গল্প হয়তো আজ হাজার মানুষকে নতুন করে বাঁচার সাহস দেবে। ✨
এ লড়াই কে কুর্নিশ জানায় আমাদের All Indian exams preparation by Little Guru পেজের পক্ষ থেকে ,আগামীর জন্য রইলো অনেক অনেক শুভেচ্ছা শুভকামনা
।
।
#বাংলা #অনুপ্রেরণা #ক্যান্সারযোদ্ধা #হারমানবেনা #সাহস #লড়াই #জীবনযুদ্ধ
#এক্সাম #লড়াই #অভিনন্দন #বাংলা #কি #ড #বাঙালি Link https://bengali.abplive.com/education/wb-higher-secondary-result-cancer-survivor-girl-in-10th-position-1179115
HS Exam
HS Result
WBCHSE 2026
14/05/2026
ইনি মুসলমান, নিষ্ঠাভরে ধর্মাচরণ করেন। চাইলে খুব সহজেই একটি MLA সিট ম্যানেজ করতে পারতেন। কিন্তু তিনি রাজনীতির চেয়ে সাংবাদিকতার পথকেই বেছে নিয়েছেন। কারণ, তাঁর কাছে সত্য বলা আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।
তিনি দেশকে ভালোবাসেন, রাজ্যকে ভালোবাসেন, নিজের সম্প্রদায়কেও ভালোবাসেন। আর সেই কারণেই তিনি চান না মুসলিম সমাজকে কেউ শুধুমাত্র ভোটের সময় “তেজপাতা”-র মতো ব্যবহার করুক — প্রয়োজন ফুরোলেই ফেলে দিক।
সবচেয়ে বড় কথা, তিনি কারও অন্ধ সমর্থক নন। সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর সাহস রাখেন বলেই মানুষ তাঁকে সম্মান করে। তাই আগামী দিনে প্রয়োজন হলে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধেও তিনি একই স্পষ্টতায় কথা বলবেন — এ বিশ্বাস অনেকেরই আছে।
কালেক্টেড
Follow 👉 All Indian exams preparation by Little Guru
Thank you, Safikul Bhai 💐
ব্যথাটা এমন জায়গায় দিলি রে💔🖤
゚viralシ ゚viralシfypシ゚viralシ
#বাংলা #সাংবাদিকতা #মানুষেরকথা