03/08/2026
ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ে দশদিবসীয় ‘সংস্কৃতসম্ভাষণশিবির’-এর শুভ সূচনা
ঘাটাল, ৩ আগস্ট ২০২৬: ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের উদ্যোগে এবং সংস্কৃত ভারতী, দক্ষিণবঙ্গ-এর পরিচালনায় নবাগত বি.এ. (অনার্স) সংস্কৃত প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের জন্য দশদিবসীয় ‘संस्कृतसम्भाषणशिविरम्’-এর শুভ সূচনা আজ মহাবিদ্যালয়ের S-13 কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহাবিদ্যালয়ের মাননীয় অধ্যক্ষ, সংস্কৃত বিভাগের প্রধান এবং সংস্কৃত বিভাগের অন্য অধ্যাপকবৃন্দ এবং নবাগত শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে বক্তারা সংস্কৃত ভাষার ঐতিহ্য, আধুনিক প্রাসঙ্গিকতা এবং দৈনন্দিন জীবনে সংস্কৃত ভাষার ব্যবহারিক গুরুত্ব সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের শিবিরে নিয়মিত উপস্থিত থেকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে অধ্যক্ষ প্রফেসর মন্টু কুমার দাস মহাশয় জানান যে - বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত পাঠ্যক্রমে প্রবেশের পূর্বেই আয়োজিত এই ভাষাশিক্ষণ পাঠ্যক্রম শিক্ষার্থীদের অনুকুল পরিস্থিতি প্রদান করবে। তাদের নতুন পাঠ্যককলমে নিজেকে মানিয়েনিতে সহায়তা করবে। বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর সুবোধ কুমার নন্দ জানান এর ফলে আমাদের সংস্কৃত মাধ্যমে পাঠদান এর অনুকুলতা বৃদ্ধি পাবে।
শিবিরটি ৩ আগস্ট থেকে ১৪ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ২:০০ থেকে ৪:০০ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এই দশদিনের প্রশিক্ষণে শিক্ষার্থীরা সহজ ও সাবলীলভাবে সংস্কৃত ভাষায় কথোপকথনের কৌশল, শুদ্ধ উচ্চারণ, প্রাথমিক পাঠ ও লেখার দক্ষতা এবং ভাষার প্রতি আত্মবিশ্বাস অর্জনের সুযোগ পাবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরিবেশ ছিল অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও আগ্রহ শিবিরের সাফল্যের ইঙ্গিত বহন করে। আয়োজকদের আশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংস্কৃত ভাষার প্রতি অনুরাগ বৃদ্ধি পাবে এবং তারা সংস্কৃতকে জীবন্ত ভাষা হিসেবে চর্চায় আরও উৎসাহী হবে।
সংস্কৃত ভারতী দক্ষিণবঙ্গ প্রান্তের মহাবিদ্যালয় কার্যপ্রমুখ অধ্যাপক অশোক মুখার্জি জানান এই ধরনের ছোট ছোট শিবির পরিচালনার দ্বারা তাঁদের মহাবিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে এক উত্তম সংস্কৃতানুকুল ও সংস্কৃতময় পরিবেশ নির্মিত হয় এবং এর সুফল হিসাবে NAAC এর বিচারে তারা ভালো(A) ফল করে! প্রসঙ্গত তাঁরই মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রী এই শিবিরের স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষিকা হিসাবে শিবির পরিচালনা করছে।
শিবিরের মূল বাণী—“এসো সংস্কৃত বলি, সংস্কৃত শিখি, সংস্কৃতকে জীবন্ত করি।” এই আদর্শকে সামনে রেখেই আগামী দশদিন বিভিন্ন ব্যবহারিক ও অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে।
॥ जयतु संस्कृतम्। जयतु भारतम्॥