Moni with Krishna kotha

Moni with Krishna kotha

Share

Chant Krishna, be happy

09/04/2024

সন্ন্যাসীর সঞ্চয় উচিৎ নয়, তাইতো হরতুকী সঞ্চয় অপরাধে ভক্ত গোবিন্দ ঘোষকে শ্রীমান চৈতন্যমহাপ্রভু অগ্রদ্বীপে থেকে গোপীনাথের সেবার ভার দিলেন এবং বিবাহ করে সংসারধর্ম পালন করতে আদেশ দিলেন।

পূর্ব প্রতিশ্রুতি মতে, মহাপ্রভু শ্রী গোবিন্দ ঘোষকে জানায়, তিনি সারাজীবন তাঁর কাছে গোপীনাথ রূপে অবস্থান করবেন এবং তাঁর ঐ প্রেমময়ী ভক্তবৎসল্যরূপ সমগ্র জগতবাসীকে দেখাবেন।...

যাইহোক, এরপর গোবিন্দ ঘোষ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন এবং শ্রীগোপীনাথের সেবা করতে লাগলেন। এরপর যথাযথ সময়ে তাঁর এক পুত্র সন্তান হয় এবং আদর করে নাম রাখলেন গোপীনাথ। শিশুপুত্রকে রেখে তাঁর স্ত্রী অল্পকাল পরেই লোকান্তরিত হলে গোবিন্দ ঘোষ মানষিকভাবে ভেঙে পড়েন। তবুও অতিকষ্টে গোবিন্দ দুজনকেই পালন করতে লাগলেন।

কালক্রমে যখন পুত্রের বয়স পাঁচ হল, তখন তিনি ধীরে ধীরে পুত্র এবং গোপীনাথ দুজনের প্রতিই আকৃষ্ট হয়ে পড়তে লাগল এবং কখনও তাঁর পুত্রকে দেন আবার পুত্রের দ্রব্য গোপীনাথকে দেন। একইভাবে, কখনো কখনো গোপীনাথকে দুঃখ দিয়ে পুত্রের সেবা করেন, আবার কখনো কখনো পুত্রকে দুঃখ দিয়ে গোপীনাথের সেবা করেন।এইভাবে গোবিন্দের দ্বারা প্রভু ও পুত্রের সেবাকার্য চলতে আগল।...

একদিন গোবিন্দ ঘোষ রান্না করে বালক গোপীনাথকে বললেন আমি আত্মীয় কুটুম্বের বাড়ি যাচ্ছি তুমি মধ্যাহ্নে ঠাকুরকে ভোগ দিও, আমি যথাসময়ে বাড়ি এসে যাব। পিতার আদেশে বালক গোপীনাথ ঠাকুর গোপীনাথের সামনে ভোগ রেখে তা গ্রহণ করার আদেশ দিতে লাগলেন এবং ঠাকুর নিশ্চল থাকায় বালক বলতে লাগলেন, তুমি প্রত্যেকদিন পিতার দ্বারা ভোগ গ্রহণ কর, আজও করতে হবে নচেৎ লাঠি দিয়ে প্রহার করব। বারংবার বলতে থাকায় বিগ্রহ তাঁর ওষ্ঠদ্বয় খুলে দিলেন এবং বালক গোপীনাথের দ্বারা ভোগ গ্রহণ করতে লাগলেন। ভোগ গ্রহণ করে ঠাকুর বালককে স্মরণ করিয়ে দিলেন যে তুমি কাউকে বলবে না যে আমি তোমার দ্বারা ভোগ গ্রহণ করেছি।

যথাসময়ে গোবিন্দ বাড়ি ফিরে এলে বালক সবই বাবার কাছে প্রকাশ করে ফেলল। এই কথা শুনে গোবিন্দ ঠাকুরের কাছে গিয়ে দেখলেন সত্যই তাঁর ওষ্ঠে অনশনের চিহ্ন দেখে আনন্দে উল্লসিত হলেন। আক্ষেপের সুরে বলতে লাগলেন যে এতদিন ধরে তিনি সেবা করলেও তাঁর হাতে গোপীনাথ কোন দিন ভোগ গ্রহণ করেননি, আজ তাঁর পুত্রের হাতে তা গ্রহণ করেছেন। বারংবার একথা বলতে থাকলে গোপীনাথ একথা কাউকে না বলতে বললেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা, তিনি সমস্ত গ্রামবাসীকে জানিয়ে ফেললেন। সকলে তখনই গোপীনাথকে দেখতে আসতে লাগলেন।

এদিকে হঠাৎ তাঁর পুত্র মারা গেলেন। এই খবর পেয়ে গোবিন্দ অত্যন্ত মর্মাহত হলেন এবং সিদ্ধান্ত নিলেন গোপীনাথের গৃহে তাঁর সম্মুখে অনাহারে প্রাণ ত্যাগ করবেন। প্রকৃত মনের কথা এই যে, তাঁর গোপীনাথের ওপর রাগ হয়েছে। ভাবছেন দিবানিশি প্রভুর সেবা করি, প্রভুকে ডাকি আর প্রভু কিনা এমন অকৃতজ্ঞ যে স্বচ্ছন্দে আমার স্ত্রী, পুত্রকে কেড়ে নিলেন।...বলছেন আজ কিছুই রান্না করব না দেখি আজ গোপীনাথকে কে খেতে দেয়।সমস্তদিন গোপীনাথ উপবাসী রইলেন। কিন্তু এতে প্রভু রাগ করলেন না, তিনি সমুদয় অত্যাচার সহ্য করতে লাগলেন। যখন রাত হল তখন শ্রীগোপীনাথ বললেন "বাবা গোবিন্দ, আমার যে ভীষণ খিদে পেয়েছে! সারাদিন তুমি আমায় খেতে দিলে না, তোমার কি মায়া মমতা নেই, সারাদিন গেল তবু আমাকে একবিন্দু জল স্পর্শ করালে না! আমার কি অপরাধ, তোমার নিজের ভুলে এই ঘটনা ঘটেছে। আমাকে কেন দোষারোপ করছ? " এইভাবে গোবিন্দকে বললেন হঠাৎ তাঁর চেতনা এলো যে ঠাকুর তাঁর সাথে কথা বলছেন। এবার তিনি উত্তর দিলেন আমার কি ক্ষমতা যে তোমার সেবা করি! আমি চরিদিক অন্ধকার দেখছি। আর আমার দ্বারা তোমার কোন সেবা হবে না। গোপীনাথ তখন ক্ষোভের সাথে বললেন, গোবিন্দ লোকের যদি একটা ছেলে মরে যায়, তবে দ্বিতীয় ছেলেটিকে আবার না দিয়ে বধ করে না। তোমার এক পুত্র মরেছে বলে দুঃখ কর কিন্তু আর এক পুত্রকে অনাহারে বধ করার কোন অধিকার তোমার নেই। তখন গোবিন্দ বললেন ঠাকুর আমার একমাত্র পুত্রকে তুমি কেড়ে নিলে, তোমার কি দয়ামায়া নেই? এখন বলছো আমি কাকে নিয়ে থাকব? আর কে আমাকে দেখবে?
তখন ঠাকুর বললেন, এইরূপ বিপদ যে তোমার একার হয়েছে তা তো নয়। জগতে তোমার মতন লোকের চিরকাল হয়ে থাকে; দুঃখ সম্বরন কর।তোমার পুত্রের ভালোই হয়েছে। একথা শুনে গোবিন্দ ঘোষ একটু ফাঁপরে পড়লেন কি উত্তর দেবেন ভেবে পাচ্ছেন না। শেষে সমস্ত লজ্জা ভয় ত্যাগ করে বললেন, কেন তুমি মাতৃহীন বালকটিকে আমার হৃদয় থেকে কেড়ে নিলে ঠাকুর? এর উত্তরে শ্রীগোপীনাথ যা বললেন, তা বুঝি সাধকের এক বিশেষ পালনীয় সত্য কথা। ঠাকুর বললেন শোনা গোবিন্দ তোমাকে গোপন একটা কথা বলি "দুই পুত্রের পিতার পুত্র হয়ে থাকতে আমি চাই না। "যখন তোমার পুত্র ছিল না তখন তুমি আমায় নিয়েই ছিলে, তোমার পুত্র হওয়ায় তা আর হল না।
তখন গোবিন্দ ঘোষের হঠাৎ এক কথা মনে আসল তিনি বললেন "তুমি আমার সর্বাঙ্গসুন্দর পুত্র, সকল প্রকার ভালো, তা বেশ জানি, কিন্তু তুমি কি আমায় অদিনে দেখবে? তুমি কি আমার শ্রাদ্ধ করবে? তখনই গোপীনাথ বললেন তথাস্তু, গোবিন্দ তুমি আমার পিতা, যদিও শ্রাদ্ধাদি রাজসিক কার্য, তবুও তুমি পিতা যখন আপন পুত্রের কাছে শ্রাদ্ধের কথা উল্লেখ করলে তখন আমি শাস্ত্রমতে তোমার শ্রাদ্ধ করব। যতদিন চন্দ্র সূর্য্য থাকলে ততদিন এই প্রতিশ্রুতি পালিত হবে। এবার গোবিন্দ ঘোষ কাঁদতে লাগলেন। তাড়াতাড়ি তখন তিনি গোপীনাথের জন্য রান্না করে তাঁকে ভোজন করালেন।

এর কিছু কাল পরে শ্রীগোবিন্দ ঘোষ ইহলোক ত্যাগ করলেন। তখন গোপীনাথের চক্ষু দিয়ে অশ্রু মোচিত হতে লাগল যেমনটা পিতৃবিয়োগে পুত্রের কর্তব্য। এরপর পুরোহিত কে নিশিযোগে সব জানালেন শ্রীগোপীনাথ। পরদিন স্নান করে কাছা পরে একমাস ধরে হবিষ্য করলেন। একমাস পরে কৃষ্ণাকাদশীতে কাছা পরে গোবিন্দ ঘোষের সমাধিস্থলে আসলেন শ্রীগোপীনাথ। সকলের সামনে শ্রীগোপীনাথ শ্রীগোবিন্দ ঘোষ ঠাকুরের উদ্দেশ্যে স্বহস্তে তিল অর্পন করলেন। এই দৃশ্য দেখে কেউ কাঁদেন, কেউ ধূলায় গড়াগড়ি দেন, কেউ আনন্দে নৃত্য করেন, কেউ বা মূর্ছিত হন। কেউ গোপীনাথ কে ধন্য ধন্য করতে লাগলেন। ভগবানের কারুণ্যে সকলে উন্মাদ হলেন। বাকি, বৃদ্ধ, নরনারী সকলে বলতে লাগলেন যেমন ভক্ত তেমন ভগবান; যেমন দাস তেমন প্রভু; যেমন পিতা তেমন পুত্র। ভক্তশ্রেষ্ঠ গোবিন্দ ঘোষের পুত্রশ্রেষ্ঠ শ্রীগোপীনাথ।

সাধারণত পুত্রেরা বড়জোড় বিশ/তিরিশ বছর পিতার পারলৌকিক ক্রিয়া করতে পারে; কিন্তু গোপীনাথ আজ পাঁচ'শ বছর যাবৎ এই পারলৌকিক ক্রিয়া করে চলেছেন নিরবচ্ছিন্নভাবে। এখন শ্রাদ্ধকর্মের তিন আগে থেকে কাছা পড়ে হবিষ্য করেন শ্রীগোপীনাথ। তারপর একাদশীতে শ্রাদ্ধ করেন। আজও তা চলছে। ভারতবর্ষ তো বটেই সমগ্রবিশ্বে অগ্রদ্বীপ এক বিরল দৃষ্টান্ত যেখানে কিনা ভগবান স্বয়ং ভক্তের পারলৌকিক অনুষ্ঠান (শ্রাদ্ধকর্ম) করেন।

জয় শ্রী গোপীনাথ।
জয় শ্রী গোবিন্দ ঘোষ।
জয় অগ্রদ্বীপ ধাম।

with Krishna kotha

26/03/2024

শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী গুরুমহারাজের স্মরণ উৎসবে শ্রীধাম মায়াপুরে শ্রীমৎ ভক্তি বিজয় ভাগবত স্বামী মহারাজ বলেছিলেন যে, যতদিন পৃথিবীতে ইসকন থাকবে, ততদিন শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী গুরুমহারাজের বাংলা অনুবাদকৃত শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থগুলি পৃথিবীতে থাকবে। আর সেই সমস্ত গ্রন্থ গুলো পড়ে সবার পরম মঙ্গল সাধিত হবে।

হরে কৃষ্ণ।
জয় শ্রীল প্রভুপাদ।
জয় শ্রীল ভক্তি চারু স্বামী মহারাজ।
জয় শ্রীল ভক্তি বিজয় ভাগবত স্বামী মহারাজ।

Srimat Bhakticharu Swami Gurumaharaj's Remembrance Festival at Sridham Mayapur Srimat Bhakti Vijay Bhagwat Swami Maharaj said that as long as there is ISKCON on earth, Srila Prabhupada's books translated into Bengali by Srimat Bhakticaru Swami Gurumaharaj will remain on earth. Everyone will be blessed to read all those books.

Hare Krsna
Jai Srila Prabhupada.
Jai Srila Bhakti Charu Swami Maharaj.
Jai Srila Bhakti Vijay Bhagavata Swami Maharaj.

With krishna kotha

15/03/2024

"কেশব ধৃতশূকররূপ জয় জগদীশ হরে।"

শ্রীবরাহ হলেন ভগবান বিষ্ণবিষ্ণুর তৃতীয় অবতার। পুরাণ অনুযায়ী, হিরণ্যাক্ষ নামক রাক্ষস যখন পৃথিবীকে(ভূদেবি)মহাজাগতিক সমুদ্রের তলায় লুকিয়ে রাখেন, তখন ভগবান বিষ্ণু একশৃঙ্গী বরাহরূপ ধারণ করে আপন একদন্ত শীর্ষে পৃথিবীকে সমুদ্রতলদেশ হতে উদ্ধার করে আনেন।

সত্যযুগে হিরণ্যাক্ষ ব্রহ্মার বরে বলীয়ান হয়ে অত্যাচারী হয়ে ওঠেন এবং সে স্বর্গ অধিকার করে পৃথিবী মাতাকে মহাজাগতিক সাগরে লুকিয়ে রাখলে ব্রহ্মা পৃথিবী উদ্ধারের জন্য শ্রীকৃষ্ণের স্তব করা শুরু করেন এবং ফলস্বরূপ ভগবান ব্রহ্মার প্রার্থনায় সন্তুষ্ট হয়ে একটি ছোটো বরাহ বা শুকরের রূপ ধারণ করে ব্রহ্মার নাসিকা থেকে নির্গত হন। তখন ব্রহ্মা ভগবানকে চিনতে পেরে তাঁর বন্দনা করেন। ভগবান ব্রহ্মাকে আশীর্বাদ করে হিরণ্যাক্ষের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করেন এবং হিরণ্যাক্ষকে বধ করে পৃথিবীদেবীকে উদ্ধার করেন, সেইসঙ্গে ও ভগবান বিষ্ণু বরাহ অবতারে ভূদেবী (পৃথিবীর-দেবী) কে পত্নী হিসাবে গ্ৰহণ করেন।

আসলে বসুন্ধরা হরিপ্রিয়া। তাঁর দুঃখ ভগবান সইতে পারেন না। তাই বারংবার ভগবান তাঁকে উদ্ধার করতে নেমে আসেন। বরাহ অবতারে তাঁর রক্ষকের ভূমিকাটি যেমন স্পষ্ট, তেমনি ব্যঞ্জিত তাঁর প্রেমিক রূপটিও। উদ্ধারকালে পরমপুরুষ তিনি, ধরণীকে একশৃঙ্গে কর্ষণ করে নব সৃষ্টির সূচনা করেছিলেন। শৃঙ্গার রসে তাঁর বরাহমূর্তি উজ্জ্বল হয়ে আছে। তাইতো পূজনীয় জয়দেব যথার্থ-ই বলেছেন-

"বসতি দশনশিখরে ধরণী তব লগ্না।
শশিনি কলঙ্ককলেব নিমগ্না।।
কেশব ধৃতশূকররূপ জয় জগদীশ হরে।।"

মহাভারতেও আছে, এই বরাহ 'একশৃঙ্গী মহাদ্যুতিম'- একশঙ্গী সেই বরাহ অপরূপ দ্যুতিমান। শ্যামল ধরণী তাঁর সেই বিভার পাশে কলঙ্করেখাবৎ, প্রেমিকার মত সংলগ্ন হয়ে থেকে তাঁর রূপ বহুগুণ বাড়িয়ে তুলেছেন। কবি সেই যুগল সৌন্দর্যেরই জয়গান করেছেন।

আজকের দিনেই ভগবান বরাহ রূপে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ভক্তদের রক্ষার জন্য ভগবান বরাহ রূপ ধারণ করতে একটুও সঙ্কোচিত হননি, এজন্য তিনি ভক্তবৎসল ভগবান।

হরে কৃষ্ণ।
জয় শ্রীল প্রভুপাদ।
জয় মাধব আচার্য গোস্বামী মহারাজের জয়।

with Krishna kotha

15/03/2024

পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের কৃপায় সময় প্রতিপদে, প্রতিক্ষণে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আমাদের পরীক্ষা নেয়। তাই কর্তব্য'র পথে, সত্যের পথে চলার সময় যদি কখনো নিজের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের বিরুদ্ধে যেতে হয়, তবে যাওয়া উচিৎ।

হরে কৃষ্ণ।
জয় শ্রীল প্রভুপাদ।
জয় মাধব আচার্য গোস্বামী মহারাজের জয়।

with Krishna kotha

11/03/2024

"নামসংকীতনং যস্য সর্বপাপপ্রণাশনম।
প্রণমো দুঃখশমনস্তুং নমামি হরিং পরম্।।"

অর্থাৎ, যাঁর নাম সংকীর্তন করলে সমস্ত পাপ দূর হয়ে যায়, যাঁর চরণে প্রণাম করলে সমস্ত দুঃখ দূর হয়ে যায়, সেই পরম হরি শ্রীকৃষ্ণকে আমি প্রণাম জানায়। (শ্রীমদ্ভাগবত: 12/13/23)

So, That is, I bow down to the supreme Krsna(Sri Hari), whose name all sins are removed by chanting, at whose feet all sorrows are removed by prostration.(Shrimad Bhagavat: 12/13/23)

হরে কৃষ্ণ।
জয় শ্রীল প্রভুপাদ।
জয় মাধব আচার্য গোস্বামী মহারাজ।
জয় শ্রীল ভক্তি চারু স্বামী মহারাজ।

with Krishna kotha

02/02/2024

মাতা লক্ষ্মী হলেন ত্রিদেবীর একজন। ইনি সমুদ্র মন্থনে উত্থিত হয়ে শ্রীহরি তথা ভগবান বিষ্ণুকে পতি রূপে বরণ করেন। ক্ষীরদ সাগর থেকে উত্থিত হন বলে মাতা লক্ষ্মীকে ক্ষীরোদ কণ্যাও বলা হয়ে থাকে। ইনি ধনসম্পদ, আধ্যাত্মিক সম্পদ, সৌভাগ্য ও সৌন্দর্যের দেবী।

মাতা লক্ষ্মী হলেন ভগবান বিষ্ণুর শক্তির উৎস। মহাবিশ্বের সৃষ্টি, সুরক্ষা এবং রূপান্তর করতে বিষ্ণুকে সহায়তা করেন। যখন ভগবান বিষ্ণু অবতার হিসেবে পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন, তখন মাতা লক্ষ্মীও তাঁর সাথে সঙ্গী হিসেবে আসেন। যেমন ভগবান রাম ও কৃষ্ণ রূপে অবতার গ্রহণ করলে তাঁর সঙ্গে মাতা লক্ষ্মী সীতা, রাধা, রুক্মিণী রূপে সঙ্গিনী হিসেবে অবতীর্ণ হন।

বৈদিক শাস্ত্রে মাতা লক্ষ্মীর আঠারো হাতের কথার উল্লেখ রয়েছে এবং ঐ হাতে জপমালা, কুঠার, গদা, শর, বজ্র, পদ্ম, কলস, দণ্ড, তরবারি, ঢাল, শঙ্খ, ঘন্টা, মদিনা পাত্র, ত্রিশূল, ফাঁশ, ও চক্র রয়েছে।

হরে কৃষ্ণ।
জয় মা লক্ষ্মী।
জয় শ্রীল প্রভুপাদ।

# Moni with Krishna kotha

31/01/2024

একজন সদ্ গুরুদব কখনো তারঁ শিষ্যকে ভোলেননা।
শ্রীল প্রভুপাদের থেকে সন্ন্যাস নেওয়া এক ভক্ত( ফরাসি) প্রভুপাদের অপ্রকটের পর তিনি ইসকন ছেড়ে চলে যায়।
কোন একসময় ইসকনের এক ভক্ত প্রচারে গেলে এক মহিলা ঐ ভক্তকে জিজ্ঞেস করেন যে, আচ্ছা শ্রীল প্রভুপাদ কে?
তখন ঐ ভক্ত তাঁকে প্রভুপাদের সম্পর্কে যথাযথভাবে বললেন এবং ঐ ভক্ত জানতে চান যে, ব্যপারটি।
তখন বলেন যে আমার স্বামী ছিলেন প্রভুপাদের ভক্তি। তাঁর ক্যান্সার হয়েছিল। তিনি মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে বলেছিলেন, Prabhupada you came!

হরে কৃষ্ণ।
জয় শ্রীল প্রভুপাদ।

Want your school to be the top-listed School/college in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Kolkata