Alumni Association of Dum Dum Baidyanath Institution

Alumni Association of Dum Dum Baidyanath Institution

Share

This page will share, publish the cultural events, educational drives, social activities organised by Alumni Association of Dumdum Baidyanath Institution.

08/05/2026

দম দম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন মাধ্যমিক পরীক্ষা ২০২৬ ফলাফল
মোট পরীক্ষার্থী : ১০৫
ষ্টার - ৪
প্রথম বিভাগ - ১৮
দ্বিতীয় বিভাগ - ৪৫
তৃতীয় বিভাগ - ৩৭
অনুপস্থিত - ১
সর্বোচ্চ : দেবাংশু পাল -৬৫৮

দম দম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন আলুমনি এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সকল মাধ্যমিক উতীর্ণ ছাত্রদের জন্য রইলো একরাশ শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা। তোমাদের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাস এই সাফল্যের পথ তৈরি করেছে। ভবিষ্যতের প্রতিটি পদক্ষেপে তোমরা আরও বড় সাফল্য অর্জন করো—এই কামনা করি।

আর যারা এইবার প্রত্যাশিত ফল অর্জন করতে পারোনি , তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই—হতাশ হয়ো না। জীবনে সাফল্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ব্যর্থতাও মানুষকে নতুনভাবে শেখায় ও শক্ত করে তোলে। একটি পরীক্ষার ফল কখনোই জীবনের শেষ কথা নয়। নিজের উপর বিশ্বাস রেখে নতুন উদ্যমে আবার এগিয়ে চলাই আসল সাহস।

সততা, পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ তোমাদের আগামী দিনের পথকে আলোকিত করুক।

সকল ছাত্রছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর জীবনের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ

তথ্য সৌজন্যে : বিদ্যালয়ের বর্তমান Teacher in Charge শ্রী সুদীপ্ত দে ও অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দ

ধন্যবাদান্তে দম দম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন অ্যালুমনি এসোসিয়েশন

30/04/2026

শোক সংবাদ : অত্যন্ত বেদনাহত হৃদয়ে ও গভীর শোকের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র বিশ্বজিৎ সমাদ্দার (মাধ্যমিক -২০০৫) গতকাল গভীর রাতে পরলোকগমন করেছেন।

ছাত্রজীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র, নম্র, সহৃদয় এবং সকলের কাছে প্রিয় এক মানুষ। তাঁর আন্তরিকতা, মধুর আচরণ এবং মানবিক মূল্যবোধ আজও আমাদের স্মৃতিতে উজ্জ্বল হয়ে আছে।

তাঁর এই অকাল প্রস্থান এক অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি করল, যা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। তাঁর স্মৃতি, তাঁর ব্যবহার, তাঁর সরলতা চিরকাল আমাদের হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।

এই শোকাবহ মুহূর্তে আমরা তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। পরম করুণাময়ের নিকট প্রার্থনা করি, তিনি যেন প্রয়াত আত্মাকে চিরশান্তি দান করেন এবং তাঁর পরিবার-পরিজনকে এই অসহনীয় শোক বহন করার শক্তি প্রদান করেন।

গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

দম দম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন প্রাক্তনী সংসদ

18/02/2026

“চলে যাওয়া মানেই হারিয়ে যাওয়া নয়; মানুষ আসলে বেঁচে থাকে তার ফেলে আসা দিনগুলোর ভেতরেই।”

গত ১৮ই জানুয়ারি, শীতের নরম রোদ আর হালকা কুয়াশা মাখা এক সকালে বিদ্যালয়ের চেনা প্রাঙ্গণে আবারও জেগে উঠেছিল ফিরে পাওয়ার এক অদ্ভুত আনন্দ। দম দম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন-এর প্রাক্তনী সংসদ আয়োজিত দ্বাদশ পুনর্মিলন উৎসব যেন শুধু একটি দিন নয়—বরং বহু বছরের অটুট ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা। বছরের পর বছর ধরে এই অনুষ্ঠান একই সুতোয় বেঁধে রেখেছে প্রজন্মকে প্রজন্মের সঙ্গে; পুরনো বেঞ্চ, করিডর আর মাঠ যেন প্রতিবার নতুন করে শুনেছে ফেলে আসা দিনের গল্প।

কেউ হয়তো বহু বছর পর বন্ধুর কাঁধে হাত রেখেছেন, কেউ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকেছেন সেই ক্লাসরুমের সামনে, যেখানে প্রথম স্বপ্ন দেখা শিখেছিলেন। মনে হচ্ছিল, সময় এগিয়ে গেছে ঠিকই, কিন্তু হৃদয়ের ভেতর লুকিয়ে থাকা ছাত্রজীবন কোথাও যায়নি—সে শুধু অপেক্ষা করছিল আবার একদিন ডাক পাওয়ার।

এত বছর ধরে এই পুনর্মিলন শুধু একটি অনুষ্ঠান হয়ে থাকেনি; এটি হয়ে উঠেছে এক আবেগের ঠিকানা, এক টান, যা দূরে থাকা মানুষকেও ফিরিয়ে আনে নিজের শেকড়ে। কারণ স্কুল কখনও শুধুই একটি ভবন নয়—এটি আমাদের প্রথম পরিচয়, প্রথম বন্ধুত্ব, প্রথম সাহসের জন্মভূমি।

আর সেই কারণেই দিনটিকে ধরে রাখতে, স্মৃতিকে সময়ের ক্ষয় থেকে বাঁচাতে পুরো অনুষ্ঠানটি ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছিল। স্মৃতি অনেকটা কুয়াশার মতো—ধীরে ধীরে ঝাপসা হয়ে যায়; কিন্তু ভিডিও সেই কুয়াশা সরিয়ে দেয়, মুহূর্তগুলোকে করে তোলে স্পর্শযোগ্য। যারা আসতে পারেননি, তারা যেন দেখেই অনুভব করতে পারেন সেই উচ্ছ্বাস; আর যারা ছিলেন, তারা যেন বছর পেরোলেও ফিরে যেতে পারেন ওই একদিনে।

আজ সেই সম্পূর্ণ ভিডিও প্রকাশ করা হলো(লিংক কমেন্ট বক্স এ )—শুধু একটি অনুষ্ঠান দেখার জন্য নয়, বরং বোঝার জন্য যে সম্পর্কের কোনও অবসর নেই, বন্ধুত্বের কোনও বয়স নেই, আর নিজের স্কুলের প্রতি ভালোবাসা কখনও পুরনো হয় না।

হয়তো এই পুনর্মিলনের আসল অর্থটাই এটাই—
আমরা যত দূরেই যাই, শেষ পর্যন্ত ফিরে আসার জন্য একটা জায়গা থাকেই।
আর সেই জায়গার নাম—আমাদের স্কুল

Photos from Alumni Association of Dum Dum Baidyanath Institution's post 24/01/2026

কিছু স্মৃতি থাকে, যারা সময়কে মানে না—তারা ফিরে আসে ঋতুর সঙ্গে, বাতাসের সঙ্গে, কোনো এক দুপুরের আলোয়।”

জীবনানন্দ দাশের সেই নদী-বোধের মতোই সময় এগিয়ে চলে, অথচ কিছু অনুভূতি হৃদয়ের গহীনে চিরস্থায়ী আবেশ হয়ে রয়ে যায়।

প্রতি বছর বসন্ত যখন হালকা পায়ে এসে দরজায় কড়া নাড়ে, তখন অজান্তেই মনে পড়ে স্কুলজীবনের সরস্বতী পুজোর সেই মধুর দিনগুলি। খাতা-কলমের বাইরেও যে শিক্ষা ছিল—ভালোবাসার, দায়িত্বের, একসাথে বড় হয়ে ওঠার—তারই এক পবিত্র উপলক্ষ ছিল এই পুজো।

এবছরও দমদম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশনের প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো বিদ্যার দেবীর আরাধনা—শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মীবৃন্দ ও বর্তমান ছাত্রছাত্রীদের একাগ্রতায়। এ যেন শুধু এক দিনের পুজো নয়, বরং আমাদের যৌবন-পূর্ব জীবনের স্মৃতিবইয়ের সেই চিরসবুজ পাতাগুলো আবার নীরবে উল্টে দেখার সুযোগ।

সনাতন ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মৃদু সংলাপে এ বছরের পূজামণ্ডপ সেজে উঠেছিল এক গভীর ভাবনার আদলে—বৈদিক যুগের শিক্ষা ব্যবস্থার গুরু-শিষ্য পরম্পরা, তপোবনের শান্ত পরিবেশ, পুঁথি ও ধ্যানের প্রতীকের সঙ্গে সমান্তরালে উঠে এসেছিল আধুনিক সময়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ ও জ্ঞানের নতুন দিগন্ত; যেন হাজার বছরের জ্ঞানধারা আর আগামী দিনের মেধা একে অপরের দিকে তাকিয়ে নীরবে কথা বলছিল

“সবচেয়ে সুন্দর জিনিসগুলো খুব চুপচাপ কথা বলে।”
— শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের মতো করেই যেন সেই শিল্পকর্ম আমাদের মনে কথা বলছিল।

শুধু বিদ্যালয়ের আঙিনা নয়, আমাদের মনও রঙিন হয়ে উঠেছিল সেই সরল সৌন্দর্যের স্পর্শে।

পুজোর ক’দিন আগেই চারপাশে ছড়িয়ে পড়ত এক মিষ্টি উচ্ছ্বাস। নিমন্ত্রণপত্র বিলি, মণ্ডপের নকশা আঁকা, দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া—সব কিছুর মধ্যেই ছিল এক অদ্ভুত উত্তেজনা।

স্কুলের করিডোরে বন্ধুদের জটলা, আলপনায় রঙ মাখা হাত, আর সেই বহুপ্রতীক্ষিত মুহূর্ত—“প্রতিমা আনতে যাওয়া”। মনে হতো,
“শৈশব কোনোদিন শেষ হয় না, সে শুধু লুকিয়ে থাকে।”
— সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মতোই শৈশব যেন পলাশ-রাঙা বিকেলে আবার ডানা মেলত।

পরদিন ভোরের আবেশ—চোখে আধঘুম, অথচ হৃদয়ে এক অনির্বচনীয় শিহরণ। ধূপ-ধুনোর গন্ধ, মন্ত্রোচ্চারণ, নরম আলোয় স্নাত প্রতিমার মুখশ্রী—সব মিলিয়ে এক স্বর্গীয় মুহূর্ত।

শিক্ষক-শিক্ষিকারা যখন আমাদের হাতে দায়িত্ব তুলে দিতেন, তখন বুঝতাম—এই বিশ্বাস, এই কর্তব্যবোধই জীবনের প্রকৃত পাঠ।

উপবাস রেখে, হাতে ফুল-বেলপাতা নিয়ে মায়ের আশীর্বাদ প্রার্থনা—সেই শান্তির জল, হোমের উষ্ণতা, আর প্রসাদের অমৃতস্বরূপ স্বাদ।
ছোট্ট ফল, অথচ তাতে লুকিয়ে থাকত অসীম আনন্দ।

কেউ নিয়ম ভাঙত, কেউ নিয়ম মানত—কিন্তু সবাই মিলেই ছিলাম এক অপার ভালোবাসার বন্ধনে বাঁধা।

আলপনা, কাগজের ঝালর, হাতে আঁকা ছবি—এসবের মাঝে ফুটে উঠত আমাদের শিল্পীসত্তা। প্রতিমার প্রশান্ত নয়ন, বীনার সুর, রাজহাঁসের স্থিরতা—সব মিলিয়ে এক দেবলোকের দৃশ্যপট।

“এই পৃথিবীতে কিছু মুহূর্ত থাকে, যাদের কোনো বিকল্প নেই।”
— শক্তির মতো করেই সেই সৌন্দর্য আমাদের মন ভরিয়ে দিত।

শালপাতার থালায় ভোগ পরিবেশন, ছোটদের উচ্ছ্বাস, বড়দের দায়িত্ব—এই দৃশ্য আজও চোখে ভাসে। ক্লান্ত হাতে দায়িত্ব শেষ করে যখন নিজের ভাগের প্রসাদ নিজেরাই নিতাম, তখন সেই তৃপ্তির সঙ্গে তুলনা চলে না কোনো কিছুর।

স্কুলের বারান্দা, বন্ধুদের হাসি, গানের কলি—সব মিলিয়ে এক মোহময় দুপুর।

বিকেলের নরম আলোয় শিক্ষকদের পা ছুঁয়ে প্রণাম—তাঁদের আশীর্বাদে ভরে উঠত মন। বাইরে বেরোতে বেরোতে শিমুল গাছের ডালে কোকিলের ডাক যেন নস্টালজিয়ার চাদরে ঢেকে দিত হৃদয়।

পরদিন দধিকর্মা, তারপর বিসর্জন। ঢাকের ধ্বনি, স্নিগ্ধ বিকেলের আলোয় বিদায়ের মুহূর্ত—মনে হতো,
“শেষ মানেই শেষ নয়, কোনো কোনো শেষই স্মৃতির শুরু।”

আজ আমরা কর্মজীবনের ব্যস্ততায় ডুবে, সময় বদলে গেছে—তবু হৃদয়ের এক কোণে রয়ে গেছে সেই পবিত্র আবেশ। যদি আর একবার ফিরে যাওয়া যেত, যদি আবার সেই স্কুলের চৌকাঠে দাঁড়িয়ে মায়ের কাছে প্রার্থনা করা যেত—

জীবনের প্রতিটি বাঁকে যেন আমরা মনে রাখি সেই নিষ্ঠা, আদর্শ আর ভালোবাসা।

সরস্বতী পুজোর সেই স্নিগ্ধ আলো আমাদের জীবন আলোকিত করুক চিরকাল।

দমদম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন প্রাক্তনী সংসদের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
রইল এই বছরের বিদ্যালয়ের সরস্বতী পুজোর কিছু স্মৃতিময় খণ্ডচিত্র—
যা সময়ের সঙ্গে নয়, স্মৃতির সঙ্গে বাঁচে।

19/01/2026

**“সময় আসলে একটি নীরব নদী—
আমরা সবাই তার তীরে দাঁড়িয়ে
একদিন নিজের ছায়াকেই হাতছাড়া করি।”**

পৃথিবীতে কিছুই স্থির নয়।
মানুষ বদলায়, বয়েস বদলায়, সম্পর্ক বদলায়—কেবল স্মৃতিরা একটু জেদি। তারা যায় না, তারা লুকিয়ে থাকে। হঠাৎ কোনো বিকেলে, কোনো নাম ডাকার শব্দে, কোনো পরিচিত হাসিতে তারা ফিরে আসে। তখন মনে হয়—এই তো সেদিনই ছিল, স্কুলের বারান্দা, টিফিনের ঘণ্টা, শেষ বেঞ্চের ফিসফাস, আর ভবিষ্যৎকে নিয়ে অকারণ সাহস।

প্রাক-স্বাধীনতা যুগে জন্ম নেওয়া আমাদের বিদ্যালয় আজ শতবর্ষের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। সেই দীর্ঘ ইতিহাসের শরীরে হাত রেখে দম দম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন প্রাক্তনী সংসদ গত **বারো বছর ধরে** একটিই কাজ করে চলেছে—ফিরে আসার রাস্তা খোলা রাখা।
বারো বছর মানে কেবল অনুষ্ঠান নয়, বারো বছর মানে ফিরে তাকানোর সাহস, আর আবার সামনে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার।

এবারও গত ১৮ ই জানুয়ারি ২০২৬ (রবিবার) বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে মিলিত হয়েছিলেন নানা সময়ের মানুষ। কেউ এসেছেন স্মৃতির ভার নিয়ে, কেউ এসেছেন কৌতূহল নিয়ে, কেউ শুধু এসেছেন—কারণ কোথাও একটা টান ছিল। পঞ্চাশের দশকের ছাত্র থেকে সদ্য প্রাক্তন হওয়া ছেলেমেয়েরা—সবাই একসঙ্গে দাঁড়িয়ে বুঝে নিয়েছিল, সময় আলাদা হতে পারে, কিন্তু শিকড় এক।
হঠাৎ কারও মুখ দেখে মনে হয়েছে—এই মুখটা আমি চিনি, বহু বছর আগে, অন্য এক আয়নায়।
কুড়ি-ত্রিশ-চল্লিশ বছর গলে গিয়েও বলা গেছে—
“তুই ঠিক বদলাসনি রে!”

দম দম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন একটি বটগাছ।
তার ছায়া কারও পরিচয় জিজ্ঞেস করে না। এখানে পদবি ধুলোয় মিশে যায়, পদমর্যাদা চুপ করে বসে থাকে। প্রবীণ নবীনের কাঁধে হাত রাখেন, নবীন নির্ভয়ে প্রশ্ন করে। এই অবাধ মেলামেশাই আমাদের সংস্কৃতি—এটাই আমাদের উত্তরাধিকার।

সারাদিন জুড়ে খাওয়া-দাওয়া, আড্ডা আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দিনটা যেন একটু ভারী হয়ে উঠেছিল—ভারী মানে গভীর। গান ছিল, আবৃত্তি ছিল, স্মৃতিচারণা ছিল—কিন্তু তার চেয়েও বেশি ছিল না-বলা কথার উপস্থিতি। যাঁরা নিজেদের শিল্প, কণ্ঠ ও স্মৃতি দিয়ে এই অনুষ্ঠানকে পূর্ণতা দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা।

শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি আমাদের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের।
যাঁরা একদিন আমাদের কাঁচা হাতে অক্ষর তুলে দিয়েছিলেন, চোখে তুলে দিয়েছিলেন স্বপ্ন। ছাত্র-ছাত্রীরা একদিন বিদ্যালয় ছেড়ে যায়, কিন্তু শিক্ষকের দেওয়া দৃষ্টি থেকে যায়—আজীবন। এই দান কখনও ফুরোয় না। প্রণাম তাঁদের।

অশেষ ধন্যবাদ সেই সকল প্রাক্তনীকে, যাঁদের আর্থিক সহযোগিতায় এই পুনর্মিলন শুধু একটি দিনের ছবি হয়ে থাকে না—বরং সারা বছরের কর্মকাণ্ড, পরিকল্পনা ও দায়িত্ব নির্বিঘ্নে এগিয়ে চলে।
ধন্যবাদ সমস্ত বিজ্ঞাপনদাতাদের, যাঁরা আমাদের ঐতিহ্যের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন।
আর বিশেষ ধন্যবাদ সেই নীরব প্রাক্তনীদের—যাঁরা আলো চাননি, নাম চাননি, শুধু ভালোবেসে কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন দায়।

বারো বছরের এই যাত্রা আমাদের গর্ব।
তবু একটি কথা রয়ে যায়—এই পথচলা আরও দীর্ঘ হবে, যদি নতুন প্রজন্ম আরও বেশি করে এগিয়ে আসে। কথাটা অভিযোগ নয়, উপদেশও নয়—এ এক অন্তরের ডাক। এই সংসদ অতীতের স্মৃতিসৌধ নয়, এটি ভবিষ্যতের প্রস্তুতি।

সবশেষে বলি—এত বড় আয়োজনে কিছু ত্রুটি থাকতেই পারে। আমাদেরও হয়েছে। প্রতিটি অসাবধানতার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।
কারণ জীবন নিখুঁত হলে স্মৃতির দরকার পড়ত না।

সবাই ভালো থাকুন।
সময়ের নদীর তীরে আবার দেখা হবে—এই আশায়।

**ধন্যবাদান্তে
দম দম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন
প্রাক্তনী সংসদ**

17/01/2026

চকের গন্ধ, বেঞ্চের খোদাই, বন্ধুর নাম ডাকার সেই বিকেলগুলো
পুরনো খাতার পাতার মতো আবার খুলে যাবে।
হাসি, গল্প, স্মৃতি আর বর্তমানের ভিড়ে

12/01/2026

আগামী ১৮ই জানুয়ারি, ২০২৬ (রবিবার) দম দম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন প্রাক্তনী সংসদের উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সকাল ১১টা থেকে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দ্বাদশ পুনর্মিলন উৎসব উপলক্ষে এক সারাদিনব্যাপী মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চা মানুষের সৃজনশীলতার সর্বোত্তম প্রকাশ—যা একটি জাতির পরিচয়, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে বহন করে। এটি কেবলমাত্র বিনোদনের মাধ্যম নয়; বরং মানুষের চিন্তা, অনুভূতি ও সমাজচেতনার এক জীবন্ত প্রতিফলন। সংস্কৃতি চর্চার মধ্য দিয়েই আমরা আমাদের অতীতকে লালন করি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সৃজনশীলতার পথ প্রশস্ত করে দিই।

গর্বের সঙ্গে আমরা বলতে পারি—পাঠ্য শিক্ষার পাশাপাশি দম দম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন চিরকালই ছাত্রছাত্রীদের সাংস্কৃতিক ও শিল্পচর্চায় উৎসাহ দিয়ে এসেছে। এরই সুফলস্বরূপ আমাদের বিদ্যালয়ের বহু কৃতি প্রাক্তনী আজ রাজ্য ও দেশের সীমানা অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক স্তরেও সংস্কৃতির জগতে নিজ নিজ প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

এই সুদীর্ঘ ও গৌরবময় ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই প্রাক্তনী সংসদের এই প্রয়াস। তাই উক্ত দিনে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আপনাদের সকলের সশ্রদ্ধ উপস্থিতি ও আন্তরিক অংশগ্রহণ আমরা একান্তভাবে কামনা করি।

আসুন, স্মৃতি–সংগীত–সৃজনশীলতার এই মিলনমেলায় একসঙ্গে অংশ নিয়ে অনুষ্ঠানটিকে সাফল্যমণ্ডিত ও স্মরণীয় করে তুলি।

Photos from Alumni Association of Dum Dum Baidyanath Institution's post 11/01/2026

১১ই জানুয়ারি, ২০২৫।
সময়ের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে আজ ৮৭ বছরে পদার্পণ করল বৃহত্তর দমদম অঞ্চলের চেতনায় প্রোথিত এক অনন্য নাম—দমদম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন। এই দিনটি কেবল একটি প্রতিষ্ঠা দিবস নয়; এটি স্মৃতি, সাধনা ও সংগ্রামের এক পবিত্র তীর্থক্ষণ। এই ঐতিহাসিক লগ্নে বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সংসদ গভীর শ্রদ্ধায় অবনত চিত্তে প্রণাম জানায় সেই সকল অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীদের, যাঁদের নিরলস অধ্যবসায়, ত্যাগ ও প্রজ্ঞায় এই বিদ্যালয় একটি ইট-পাথরের পরিসর ছাড়িয়ে হয়ে উঠেছে ইতিহাসের এক সুদৃঢ় মহীরুহ।

প্রতিষ্ঠার প্রথম প্রভাতলগ্ন থেকেই এই বিদ্যালয় কেবল পাঠদানের কেন্দ্র নয়—এ এক জীবন্ত চেতনা। এখানে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষ যেন এক একটি নদী, যার প্রবাহে মিশে আছে বাঙালির ভাষা, সংস্কৃতি, মানবিকতা ও আত্মমর্যাদার অনন্ত সুর। সময়ের স্রোতে যখন ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষার জাঁকজমক সমাজকে আচ্ছন্ন করেছে, তখনও এই বিদ্যালয় মাতৃভাষার হাতে দীপ তুলে দিয়ে প্রমাণ করেছে—শিক্ষা তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা হৃদয়ের ভাষায় কথা বলে। সমাজের সর্বস্তরের ছাত্রছাত্রীদের মানবিক ও নৈতিক শিক্ষায় দীক্ষিত করার যে নিঃশব্দ অথচ দৃঢ় সাধনা এই প্রতিষ্ঠান চালিয়ে এসেছে, তা আমাদের কাছে গর্বের নয়, বরং উত্তরাধিকার।

এই বিদ্যালয় আমাদের শিখিয়েছে—শিক্ষা কখনও কেবল পরীক্ষার নম্বর কিংবা সাফল্যের সিঁড়ি নয়। শিক্ষা এক অন্তর্দীপ, যা মানুষের ভিতরে আলোর জন্ম দেয়; চরিত্রে গাঁথে নৈতিকতার শিকড়; স্বার্থপরতার সংকীর্ণ গণ্ডি ভেঙে মানুষকে সমাজ ও জাতির বৃহত্তর কল্যাণের পথে আহ্বান করে। অসংখ্য কৌতূহলী চোখ, জ্ঞানপিপাসু মন আর তাদের ভবিষ্যতের নীরব রূপকার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি আজ আমাদের কৃতজ্ঞতা ভাষায় বাঁধা যায় না—তা শুধু অনুভবে নতজানু হয়ে থাকে।

এই বিদ্যালয়ের ইতিহাসের পাতায় খোদাই হয়ে আছে অগণিত কীর্তিমান মানুষের নাম। এখানকার পাঠশালা থেকেই জন্ম নিয়েছেন দেশ ও বিদেশে প্রতিষ্ঠিত বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যাঁরা নিজেদের কর্ম, মেধা ও আদর্শে বিদ্যালয়ের পবিত্র নামকে বিশ্বময় উজ্জ্বল করেছেন। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ধারাবাহিক সাফল্যের সঙ্গে সঙ্গে ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার নানা ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের শ্রেষ্ঠত্ব তার ঐতিহ্যকে আরও দীপ্ত করেছে—যেন প্রতিটি সাফল্য অতীতের কাছে একটি নীরব প্রণাম।

আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, এই আলোকধারা কখনও ক্ষীণ হবে না। ভবিষ্যতের পথেও দমদম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন অগণিত জীবনে আলোর দিশা দেখাবে, মানুষ গড়বে, সভ্যতার নির্মাণে নিজের অনিবার্য ভূমিকা রেখে যাবে।

এই গৌরবময় দিনে সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে উৎসারিত শুভেচ্ছা ও প্রণাম। আমাদের প্রিয় শিক্ষাঙ্গনের সাফল্যের এই মহাকাব্য যেন সময়ের সীমা ছাড়িয়ে অক্ষয় ও অনন্ত হয়ে থাকে।

— দমদম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন প্রাক্তনী সংসদ

04/01/2026

যে ক্লাসরুমে প্রথম স্বপ্ন দেখা,
যে করিডোরে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠা,
যে মাঠে হাসি-কান্না মিশে থাকা—
সেই স্মৃতির ঠিকানায় আবার ফিরবার সময় এসে গেছে

21/12/2025

প্রিয় প্রাক্তনীবৃন্দ

কিছু জায়গা থাকে, যেগুলো কালের নিয়মে জীর্ণ হয় না—শুধু আমাদের ভেতরে জমে থাকে। দম দম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন তেমনই একটি নাম। জীবনের বহু দূরে চলে গিয়েও হঠাৎ কোনো বিকেলে,অকারণ নীরবতায় এই নামটা মনে পড়ে যায়—ক্লাসঘরের আলো, মাঠের ধুলো, পরিচিত কণ্ঠস্বর—সব একসঙ্গে ফিরে আসে।

বিদ্যালয় আমাদের কাছে শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। এখানেই প্রথম বন্ধুত্ব, প্রথম আলাদা হয়ে যাওয়ার কষ্ট, প্রথম বড় হয়ে ওঠার অনুভব। বোর্ডে লেখা অক্ষর, করিডরের প্রতিধ্বনিত পদধ্বনি, শিক্ষক-শিক্ষিকা দের স্নেহ-মমতা-শাসনের অদৃশ্য বন্ধন,নীরব আশীর্বাদ আর শেষ বেঞ্চের চাপা হাসি—সব মিলিয়ে এখানেই আমাদের জীবনের এক দীর্ঘ,অনিবার্য অধ্যায় তৈরি হয়েছিল।

সেই স্মৃতিগুলোর কাছেই আবার ফিরে আসার উদ্দেশ্যে
আগামী ১৮ই জানুয়ারি ২০২৬,
বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে
দ্বাদশ পুনর্মিলন উৎসব।

বছরের পর বছর পুনর্মিলনের দিনটি আমাদের জীবনে ফিরে এসেছে এক অদ্ভুত নিশ্চয়তার সঙ্গে। কাজ বদলেছে, ঠিকানা বদলেছে, কারও চুলে রুপোলি রেখা নেমেছে—তবু এই পুনর্মিলন কখনও থেমে থাকেনি। কেউ নিয়ম করে এসেছে, কেউ বহু বছর পর হঠাৎ এসে দাঁড়িয়েছে—তবু প্রতিবারই দিন শেষে জায়গাটা ভরে উঠেছে পরিচিত মুখে, অচেনা বয়সে।

সম্পর্কের মেলবন্ধন আলাদা করে টিকিয়ে রাখতে হয়নি। গল্প নিজেরাই এসে বসেছে, সময় আপন খেয়ালে বয়ে গেছে। পাশাপাশি বসে থাকতে থাকতে হঠাৎ বোঝা গেছে—এত বছর পেরিয়েও কিছু সমীকরণের কোথাও ভাঙন ধরেনি। বাইরে থেকে দেখলে এটি একটি অনুষ্ঠান, ভেতরে ভেতরে এটি বহু বছরের প্রত্যাবর্তন।

উৎসবের দিনটিতে চারপাশ ভরে ওঠে প্রাণখোলা হাসি, ব্যস্ত আড্ডা আর উৎসবের উচ্ছ্বাসে—যেখানে স্মৃতি আর বর্তমান একসঙ্গে মিলেমিশে যায়। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও একসঙ্গে সময় কাটানোর মধ্য দিয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গন আবার জীবন্ত হয়ে ওঠে। বয়সের ব্যবধান এখানে গুরুত্ব পায় না—সবাই একই স্মৃতির জায়গায় এসে দাঁড়ায়।

মিলনোৎসবটি সকলের জন্য পরিকল্পিত ও সুচারুভাবে আয়োজন করার উদ্দেশ্যে অংশগ্রহণের বিষয়টি আগেভাগেই জানা প্রয়োজন। পোস্টারে উল্লেখিত যে যোগাযোগ নম্বরগুলি দেওয়া রয়েছে, সেগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে রেজিস্ট্রেশন ও অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় তথ্য সহজেই জানা যাবে।

পরিশেষে বলা যায় - ধারাবাহিকতাই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। দ্বাদশ বর্ষে এসে বোঝা যায়—এটি কেবল একটি উৎসব নয়, স্মৃতির সেই অবিরাম ধারা, যা বারবার আমাদের আবার একসাথে এনে দেয়। যারা একবার এসেছে, তারা অনুভব করেছে— দিনটা শুধুই ফিরে আসার নয়, আবার নতুন করে জীবনের কিছু অংশকে পুনরায় জীবন্ত করে তোলার।

দম দম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন প্রাক্তনী সংসদ
সকল প্রাক্তনী বর্গকে এই অনুষ্ঠানে সঙ্গে থাকার আন্তরিক আমন্ত্রণ জানাচ্ছে।

10/12/2025

শোকবার্তা

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র শ্রী প্রশান্ত ভৌমিক (মাধ্যমিক – ১৯৮৪) ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ ও কঠিন লড়াই শেষে গত ৬ই ডিসেম্বর পরলোকগমন করেছেন—এই সংবাদ আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।

ক্যান্সারের নির্মমতার সামনে দাঁড়িয়ে তিনি যে সাহস, স্থিরতা ও মানসিক শক্তি দেখিয়েছেন, তা সত্যিই অনন্য। দীর্ঘদিন ধরে চলা চিকিৎসা ও যন্ত্রণার মাঝেও তিনি কখনও হাল ছাড়েননি—এই নীরব, ধারাবাহিক লড়াই সকলের কাছে এক উজ্জ্বল উদাহরণ ও গভীর প্রেরণার হয়ে থাকবে।

একজন প্রাক্তনীর চলে যাওয়া মানে শুধু একটি জীবনের শেষ নয়—এটি প্রাক্তনী পরিবারের এক নীরব শূন্যতা, এক অব্যক্ত ব্যথা

আমরা তাঁর পরিবার-পরিজনের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। এই গভীর শোকের সময়ে ঈশ্বর তাঁদের শক্তি ও সাহস দিন—এই প্রার্থনা করি।

ধন্যবাদান্তে
দম দম বৈদ্যনাথ ইনস্টিটিউশন প্রাক্তনী সংসদ

Want your school to be the top-listed School/college in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


17 Harimohan Dutta Road . Dum Dum Cantton, Ment
Kolkata
700028