24/05/2026
বেলাশেষে -গনপতি Hasirsursuri
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মনের আঙিনায়, Education, Magra hat, Vill Azam khali PO Naria PS Magrahat Dist : South 24 parganas PIN, KOLKATA.
মনের আঙিনায়-Moner Anginay
গল্প, কবিতা, রম্যরচনা,নাটক, ছোটদের গল্প
✍️আপনাদের লেখা পাঠান লিখে-ভয়েস রেকর্ড অথবা ভিডিও করে পাঠিয়ে দিন ইমেলের মাধ্যমে।
What's app-
https://chat.whatsapp.com/HnPKqIpjyIu7IVXYwPAESs
[email protected]
24/05/2026
বেলাশেষে -গনপতি Hasirsursuri
24/05/2026
Blog not found Blogger is a blog publishing tool from Google for easily sharing your thoughts with the world. Blogger makes it simple to post text, photos and video onto your personal or team blog.
26/04/2026
বেলা শেষে
লেখক -গনপতি মন্ডল
পর্ব-১
(লিপিকা একজন উচ্চাকাঙ্খী অভিলাষী আরাম প্রিয় একজন মহিলা,সর্বদা অমলেশকে হেলাছেদ্দা করে)
একদিন লিপি কে বলল ,অমলেশ তোমার সাথে বিয়ে করে আমার জীবনটা অসহ্য হয়ে গেছে,বাঁচার ইচ্ছেটা নেই, এইরকমভাবে বাঁচার থেকে মরে যাওয়ায় ভালো ছিল।
অমলেশ -অসহায়ের মতো,নির্বাক হয়ে নিরব দর্শকের মতো তাকিয়ে আছে।তার বাকশক্তি যেন কে হরন করে নিয়েছে,
অমলেশ কোন কথা বলছে না দেখে, লিপি অমলেশের পরে থাকা জামাটা নিজের দিকে টেনে হিঁচড়ে বলতে লাগলো জীবনে কি দিয়েছো,পেটে দু মুঠো ভাত ছাড়া না দিয়েছো একটা লিপস্টিক, নেইলপলিশ,শাড়ি ,গহনা,ফ্রিজ ,টিভি কিছুই তো দেওয়ার মুরোদ নেই।
কলেজে প্রেম করার সময় তো কতো বড়ো বড়ো ডায়লগ দিয়েছিলে,একটা সরকারি চাকুরি করার থেকে তোমাকে কেউই আটকাতে পারবে না।আর আজ একটা কানা কড়ি রোজগার করার ক্ষমতা নেই।
কি হলো চুপকরে কেন কিছু বলো ,,এখন সব বড়ো বড়ো কথা, কোথায় গেল।
অমলেশ শান্ত গলায় বললো,,আমি তো চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখিনি, তবুও দেখছো তো সরকারি চাকুরির কি অবস্থা ,তাইতো এই রকম শ্রমিকের কাজ করে কোনো মতে দুবেলা দুমুঠো অন্নজল মুখে তোলার ব্যবস্থা করছি,একটু মেনে নাওনা, ঈশ্বর ঠিকই একদিন সুখের আলো জ্বালিয়ে দেবে আমাদের জীবনে।
লিপি রেগে বলল -হুঁ হুঁ জীবন, জীবনটা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে খাক করে দিয়ে এখন জীবন শেখাচ্ছো।
আমাকে এক্ষুনি বাপের বাড়িতে দিয়ে আসো,আর ডিভোর্স পেপারটা পাঠিয়ে দেবো সাইন করে দিও।
অমলেশের দম যেন বন্ধ হয়ে আসছিল,গলা ভারি হয়ে এসেছে, চোখের কোনে জলের বিন্দু ,কাপো কাপো গলায় বললো ঠিক আছে তোমার কথায় সবসময় প্রাধান্য দিয়েছি,আজও তার অন্যথা হবে না তুমি তৈরি হয়ে নাও আমি তোমাকে তোমার বাপের বাড়ি দিয়ে আসবো ,আর যেদিন বলবে ডিভোর্স পেপারে সাইন করে দেব।
লিপি তাড়াহুড়ো করে রেডি হয়ে সমস্ত জিনিস পত্র আলমারি থেকে বের করে নিজের গুলো গুছিয়ে নিয়ে , আলমারি এলোমেলো অগোছালো ভাবে রেখে,বললো এখুনি চলো, অমলেশ একটা জামা ও প্যান্ট পরে লিপিকে নিয়ে বেরিয়ে পড়লো,রাস্তাতে কোন কথা বলল না লিপি, বাপের বাড়ি এসে বাবা মাকে এগুচ্ছে নালিশ করলো লিপি, বলল আমি ওর সাথে ঘর করবো না,লিপির বাবা , মা মেয়ের কথায় সম্মতি দিয়ে অমলেশকে বাড়ি ফিরে যেতে বলল,আসার সময় অমলেশ শেষবারের মতো লিপির দিকে তাকিয়ে থাকে ,কিন্ত লিপির চোখে ঘৃনা, একেবারের জন্য তার দিকে ফিরেও তাকায়নি,
অমলেশ ব্যাথিত মনে সেখান থেকে বেরিয়ে গেল।।
(পরবর্তী অংশ=পর্ব-২)
#গল্প #গল্পকথা #রূপকথা
#গনপতি_মন্ডল #গল্পপ্রিয়
#প্রেমের_গ্ল্প
#বাংলা_প্রেমের_গল্প
#
13/11/2025
🍂প্রিয়তমার দুল🍂
✍️লেখক-গণপতি মন্ডল🍂
হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পরে বাড়ি ফিরে,
কখনোই তোমার ভালো মন্দের খোঁজ নেওয়া হয়নি।কোন ক্রমেই দু' মুঠো অন্ন মুখে গুজেই ,
বিছানায় শুয়ে পড়তে মন চায়।
একদিনও আমি, তোমার ইচ্ছার কথা জানতে চাইনি। হয়তো অভিমানের পাহাড় জমে আছে তোমার বক্ষে,হয়তো তোমার পছন্দ অপছন্দের খবর রাখা হয়নি কখনো। তুমি সবসময়, মুখ বুজে সয়ে গেছো সবিই।সবসময় নিজের প্রাধান্যকে সুপ্ত রেখে, আমার সেবাযত্ন করে গেছো নিঃস্বার্থভাবে।
সেই ভোর থেকে উঠে শুরু হয় তোমার কর্মকাণ্ড,
ঘর বাড়ি ঝাঁটা দেওয়া,জল দিয়ে মোছা, উঠোনে জল ছড়া দিয়ে ঝাঁটা দেওয়া। তারপর শৌচাগার সেরে ,কাপড় ছেড়ে রান্না করা। তোমার রান্নার শেষ হওয়ার কিছু পূর্বে আমি উঠেই ব্রাশটা মুখে নিয়েই শৌচাগারের দিকে ছুটি, শৌচাগার থেকে বেরোতেই তুমি মগে করে জল নিয়ে এগিয়ে দাও আমার দিকে মুখ ধোওয়ার জন্য।তারপর তেল,সাবান, শ্যাম্পু ও গামছা হাতে তুলে দিয়েই,
রান্না ঘরের বাকি থাকা কাজ করতে চলে যাও, টিফিন বক্সে ভাত তরকারি গুছিয়ে ব্যাগে ভরে দেওয়া, সকালে খাবার জন্য ভাত বেড়ে তালপাতার পাখা দিয়ে হাওয়া করে সদ্য গরম ভাত ও তরকারি ঠান্ডা করতে থাকো,আর অপেক্ষা করো আমার জন্য ! স্নান থেকে ফেরার অপেক্ষায়।দেরি হলে মাঝে মাঝে হাঁক দিয়ে ডাকো কৈ-গো তোমার স্নান হলো ,সাতটা তিরিশ হয়ে গেছে।আমি তরিঘরি করে এসে দাঁড়ায়,তার মধ্যেই তুমি আমার প্যান্ট , জামা,রোমাল ,বেল্ট ও মানিব্যাগ সবই প্রস্তুত রাখো হাতের নাগালে,খাটের এককোনে।আমি তরিঘরি জামা প্যান্ট পরতে থাকি, তারমধ্যে তুমি ভাত সুন্দর করে মাখিয়ে মুখের দিকে এগিয়ে দাও খাওয়ানোর জন্য আমিও খেয়ে নিই গোগ্রাসে, জলের বোতলটা হাতে তুলে দাও খাওয়া র জন্য । আমার খাওয়া দাওয়া বরাবরই খুবই
তাড়াতাড়ি।সেই স্কুল -কলেজ জীবন থেকেই তাড়াতাড়ি খাওয়ার অভ্যাসটা রপ্ত করে ছিলাম ।ভাত গালে দিয়ে অল্প চিবিয়েই গিলে ফেলা আমার অভ্যাস আর তার সাথে এক ঢোক জল খেতেই হবে। তুমি আমার সাথে ১২ বছর আছো,
আমার অভ্যাস-অনভ্যাস,ইচ্ছা-অনিচ্ছা,
সবই জেনে গেছো একে একে। তুমি আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছো। তারপর খাওয়া শেষে ,কাজে বেরনোর আগে ব্যাগটা এগিয়ে দাও আমার দিকে।কাছে কোন খরচার টাকা আছে কিনা জিজ্ঞাসা করো,না থাকলে নিজের ব্যাগের থেকে টাকা বের করে আমাকে দাও বরাবরই।
কত টাকা যে তোমার থেকে এমন ভাবে নিয়েছি তার ইয়াত্তা নেই। কোনদিন ১০ টাকাও দেওয়া হয়নি তোমার হাত খরচার জন্য, সংসার চালাতে প্রতিমাসের টাকা বেরিয়ে যায় বেতনের প্রথম মাসেই। তুমি সারাদিনের হার ভাঙা খাটুনির পরেও ঠোঙা করে সংসারের ছোট ছোট খরচা চালিয়ে সাহায্য করো আমাকে। টিভির কেবলের টাকা,মেয়ের স্কুলের টিফিনের খরচা,মাঝে মাঝে মেয়ের প্রাইভেট টিউটর এর খরচাও তুমি দাও নিঃস্বার্থভাবে। কোনদিন মুখফুটে তোমার নিজের জন্য কোন কিছুর দাবি করোনি আমার থেকে। আমার সাথে কোথাও গেলে বাহুল্যতা করে কিছু খেতে চাওনি ইচ্ছামতো,আমি যা কিনে দিয়েছি খেয়েছো তৃপ্তি করে। আমার বাবা-মা কে আপন করেছো তুমি। যদিও তোমার বাবা মায়ের তুমি একা সন্তান। তবুও তোমার সম্পর্কে যতটা বলব অনেক স্বল্প বলা হবে। সেদিন খুবই খুশি মনে ,ঘরে
এসে দেখি তুমি কেমন নিশ্চুপ মনমরা।প্রথমে তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে আমার কেমন সন্দেহ হয়েছিল, জিঞ্জাসা করেছিলাম কিছু হয়েছে নাকি, কারোর সাথে ঝগড়া হয়েছে। তুমি হাসি মুখে বললে কৈ- নাতো। তোমার হাসির মাঝেই আমি সেদিন অসীম দুঃখের আভাস পেয়েছিলাম, কিন্তু তুমি এক মুহুর্তের জন্য একটুও বুঝতে দাওনি সেদিন। পরের দিন কোন কারনে একি ভাবে তোমার মুখে বিষন্নতার ছাপ দেখে মনে সন্দেহ হয় , ভালো করে তোমার মুখের বিষন্নতার পর্যালোচনা করতে থাকি ,আর তখনই তোমার কানের দিকে লক্ষ্য দিয়ে দেখি তোমার কানের দুটো দুল নেই। আমার বুঝতে এক মুহুর্তও সময় যায়নি তোমার দুঃখের কারন।ভয়ে আমাকে বলোনি কি না কি বলি তোমাকে।আমি জিজ্ঞেস করলাম তোমার কানের দুল কোথায় গেছে,কান খালি কেন, তুমি বললে খুলে রেখেছি কানটা মিশ মিশ করছে বলে।আমি হেঁসে বললাম আমার দিব্যি দিয়ে বলো দুলটা কোথায়,ও আমার হাসি দেখে হাল্কা হয়ে বলল বুঝতে পারিনি কিভাবে কোথায় দুলটা পড়েছে, তবুও পুকুরের ঘাটে সাবান শ্যাম্পু মেখে ছিলাম তাই জলে ছেকুনিজাল কাটিয়ে মাটি তুলে দেখেছি অনেকক্ষন তবুও পায়নি। যদিও ওর দুলটা অনেক দিনের পুরাতন ছোট্ট বেলাকার ছোট ও পাতলা হয়ে গেছে ।আমি আশ্বাস দিয়ে বললাম ছাঁড়ো তো হারিয়ে গেছে যাক আমি একটা সোনার দুল কিনে দেবো তোমাকে।ও যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো। দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বলল আমার খুবই কান্না পাচ্ছে কত ছোট্ট বেলা থেকে পড়েছি দুলটা।আমি জানতাম এত্ত বড়ো সংসারটা চালিয়ে টাকা বাঁচিয়ে তোমার দুল কবে যে কিনতে পারবো 'তা' একমাত্র ঈশ্বর জানেন।
প্রিয়তমার দুল আমি কিনব'ই,আর সেদিন আমার কাছে তোমার জন্য কিছু করার ইচ্ছা সফল হবে।
একটা "দুল" আমার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো যে তুমি আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছো।
তোমার জায়গা আমার জীবনে কতটা প্রভাব বিস্তার করে আছে।
যতদিন বাঁচবো বোধ হয় বাবা মায়ের মতো তোমার ঋন বোধ হয় শোধ করতে পারবো না।।
ভালো থেকো তুমি "হে প্রিয়তমা"।
29/09/2025
আপনি কি লেখেন?
আপনার লেখা পাঠান আমাদের
29/09/2025
Celebrating my 7th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
07/08/2025
আপনার লেখা বই প্রকাশ করতে আপনার লেখা পাঠান শিঘ্রই,
11/04/2025
Follow moner Anginai
আমার লেখা কবিতা প্রকাশিত হলো -
(জীবনের ইতিপ্রহর ও শব্দের ধারা) কাব্যগ্রন্থ গুলোতে।।
সবাই আর্শীবাদ করবেন।।
আপনাদের ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।।
#জীবনের_ইতিপ্রহর
#শব্দের_ধারা
#বর্নধারা #অপ্রতুল_বাংলা #বন্দরের_কিনারে #প্রেমানুভূতি
Gonopati Mondal
01/04/2025
আমার লেখা কবিতা প্রকাশিত হবে
(বর্নধারা, অপ্রতুল বাংলা, বন্দরের কিনারে,প্রেমানুভূতি) কাব্যগ্রন্থ গুলোতে।।
সবাই আর্শীবাদ করবেন।।
আপনাদের ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।।
#বর্নধারা #অপ্রতুল_বাংলা #বন্দরের_কিনারে #প্রেমানুভূতি
Gonopati Mondal