03/03/2022
'আতেশগাহ' মানে 'আগুনের গৃহ'_এটি আজারবাইজানের বাকু শহরে কাস্পিয়ান সাগরের তীরে অবস্থিত একটি প্রাচীন মন্দির। মন্দিরটিতে সংস্কৃত এবং দেবনাগিরি অঙ্কিত শিলালিপি রয়েছে, যাতে শিব, জ্বলা জি এবং প্রভু গণেশের আবাহন করা হয়েছে। বহু শতাব্দী প্রাচীন এই মন্দিরে একটি নটরাজ মূর্তিও রয়েছে, যা এত দূরের সংস্কৃতিতেও শিবের অমরত্বের ছাপকে বহন করে। বহু শতাব্দী ধরে ভারতীয় উপমহাদেশের তীর্থযাত্রীরা এখানে তীর্থ করতে এসেছেন। সপ্ত ঋষিরা মধ্য এশিয়ার এই ছোট জায়গাটি সহ সারা বিশ্বে আদিযোগীর সারাংশ বহন করেছিলেন।
16/08/2021
▪️চিরভাস্বর কারবালা-
▪️এ কোন শরীর জানো?
▪️এ কোন শরীর? এ সেই শরীর যার প্রত্যেক স্থানে রাহমাতুল্লিল আলামিন ﷺ চুমু দিয়েছিলেন।
এ কোন শরীর? এ সেই শরীর যে শরীর সিজদারত রাসুলে হাশমী ﷺ এর উপর চড়ে বসলে আল্লাহ সিজদাকে দীর্ঘ করার আদেশ করেন।
এ কোন শরীর? এ সেই শরীর যে শরীরকে দেখলে জুমার খুৎবা বন্ধ করে দিয়ে রাসুলে আরাবী ﷺ তাঁকে কোলে নিয়ে নিতেন।
এ কোন শরীর? এ সেই শরীর যে শরীরকে মুহাদ্দিসিন রাসুলুল্লাহ ﷺ এর অনুরুপ বা নকল বলেছেন।
▪️এ পাক শরীর মোবারকে ১২১ টি তীর বিদ্ধ হওয়ার পরেও শেরে খোদার লাডলা অটল থাকলে তারা আবার তাঁকে ৩৭ টি বল্লম ও ৪০ বার তরবারি দিয়ে আঘাত করে। নাউযুবিল্লাহ।
আল্লাহ আল্লাহ, এ কেমন বর্বরতা!! এ কেমন নৃশংসতা!! এ কেমন যুলুম অত্যাচার!!
▪️ইতিহাস সাক্ষী আছে, এরকম নৃশংসতার উদাহরণ আর দুটি নেই।
তারপরেও কিভাবে কিছু মানুষ ইয়াজিদ কে রাহমাতুল্লাহি আলাই বলে! কিভাবে এই জাহান্নামী পাপিষ্ঠর উপর রহমতের দোয়া করতে পারে? তারা কি ঈমাম হুসাইনের (আঃ) নানাজানের কালেমা পড়েছে নাকি ইয়াজীদের?
_______________________________
লাব্বাঈক ইয়া হুসাইন (আঃ)
labbaik ya hussain (as)
▪️اللهم صل على محمد وال محمد
▪️ أمينا للهمأ أمينا
18/01/2021
হযরত, ফাতেমা (রাঃ) এর দৈহিক আঘাত প্রাপ্তির এবং মৃত্যুর মূল কারণ সমূহ নিম্নরূপ: মাওলা আলী (আঃ) কে বেধে খলিফার নিকট হাজির করা হয়।
"""
পর্ব :২
যারা এজিদের লেখা হাদিস পড়ে অবভাস্ত, তারা আমার লেখা পড়ার চেষ্টা করবেন না।
ওমর এক লাথিতে দরজা ভেঙ্গে ফেলিলেন। দরজার আঘাতে ফাতেমা জোহরা মাটিতে পড়িয়া দৈহিক সংজ্ঞা হারাইয়া ফেলিলেন। ঘরে ঢুকিয়া তাহারা আলীকে এবং তাঁহার খদেমকে জবরদস্তি ধরিয়া বাধিয়া ফেলিল এবং খলিফার নিকট লইয়া যাইতে লাগিল। বাঁধা অবস্থায় আগে আলী, পিছনে বাঁধা অবস্থায় চলিতেছিলেন তাঁহার খাদেম।
এই জাতীয় রাজনৈতিক মিছিলে স্বাভাবিকভাবে যাহা হইয়া থাকে এখানেও তাহাই হইয়াছিল। বিদ্রুপাত্মক কথাবার্তা এবং অপমানজনক ঠেলাধাক্কা, এমন কি কিছু বিদ্রুপের চড়-চাপড়ও খাদেমের ভাগ্যে যে পড়ে নাই তাহা নহে। কথিত আছে খাদেম মনে মনে ভাবিতে লাগিলেনঃ; যুদ্ধক্ষেত্রে মাওলার সিংহ রুপ দেখিয়াছি কিন্তু এমন মেষরূপ তো কখনও দেখি নাই। কেমন করিয়া ইহাও তাঁহার জন্য সম্ভবপর হইতে পারিল? আলী তাহার মনোভাব বুঝিতে পারিয়া তাহাকে সম্বোধন করিয়া এইরূপ বলিলেনঃ ” হে বৎস, জানিয়া রাখ ইহা পরিস্থিতির হেরফের। যে আলীকে তুমি দেখিয়া আসিতেছ এই আলী সেই আলী নহে”। যাহা হউক খলিফার নিকট আলীকে লইয়া গেলে খলিফা ব্যস্ত সমস্ত হইয়া বলিলেনঃ তোমরা অনর্থক সম্মানিত ব্যক্তির এইরূপ অপমান করিয়াছ। তাঁহাকে বাঁধিয়া আনা তোমাদের অন্যায় হইয়াছে। তাঁহাকে ছাড়িয়া দাও। দরজার আঘত এত জোরে লাগিয়াছিল যে, কয়েকদিনের মধ্যেই ফাতেমা জোহরা সালামাল্লাহে আলাইহা এন্তেকাল করেন। এইজন্য শিয়াগণ তাঁহাকেও শহীদ বলিয়া উল্লেখ করিয়া থাকে।
*মা ফাতেমা সালামাল্লাহে আলাইহার এন্তেকাল
ইহা দুঃখের বিষয়, তাঁহার (অর্থাৎ আলীর) অনুভুতি সাড়া (সমাজ) দেয় নাই। সাকিফার সিদ্ধান্ত হযরত আলী মানিয়া লইতে অস্বীকার করার কারণে যে সকল গুরুতর ঘটনা ঘটিয়াছিল তাহার একটি বিবরণ নিম্নলিখিত পুস্তকসমূহে উল্লেখিত হইয়াছে।
১. তাবারী, ২য় খণ্ড, ১৯৮ পৃষ্ঠা।.
২. ইবনে আব্দে রাব্বাহু লিখিত "আকদুল ফরিদ ", ২য় খণ্ড, ১৭৯ পৃষ্ঠা, মিশরে মুদ্রিত।
৩. আবুল ফিদার ইতিহাস, ১ম খণ্ড, ১৫৬ পৃষ্ঠা, মিশরে মুদ্রিত।
৪. আল্লামা ইবনে কাতিবা লিখিত কিতাবুল ইমামমত ওয়া সিয়াসাত ১ম খণ্ড, ২০ পৃষ্ঠা, মিশরে মুদ্রিত (এই পুস্তক এই বিষয়ে অত্যন্ত বিস্তৃত একটি বর্ননা দিয়াছে)।
৫. মোরাভেজ -উল যাহাব মাসুদি, ১৫৯ পৃষ্ঠা।
৬. শাহরিসতানীর লিখিত মিল্লাল ওয়া নাহাল, ১ম খণ্ড, ২৫ পৃষ্ঠা, ভারতের বোম্বাই মুদ্রিত।
৭. শিবলী নোমানীর "আল ফারুক " ভারতে মুদ্রিত।
৮. ইবনে আবিল হাদিদের নাহজুল বালাগার ভাষ্য।
এই সকল পুস্তকের বিভিন্ন প্রকার বিবরণ হইতে যাহা পাওয়া যায় তাহা হইল একটি দুঃখজনক এবং বিষাদময় ঘটনা। ইহাতে দেখা যায়ঃ যদিও হযরত আলী অবসর গ্রহণ করিয়া নিভৃত গৃহ-জীবন যাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছিলেল তথাপি তাঁহার পরিবার ঘরে থাকা অবস্থায় ঘরে আগুন লাগান হইয়াছিল। এবং জ্বলন্ত দরজা অথবা তরবারির বাঁটের শক্ত আঘাত অথবা ভীষণ একটা ধাক্কা লাগিয়া (রাসুল পাকের কন্যা) হযরত ফাতেমার পাঁজর এবং হাত ভাঙ্গিয়া গিয়াছিল। ইহাতে তাঁহার এমন মারাত্মক আঘাত লাগিয়াছিল যে, তাঁহার গর্ভস্থ সন্তান মরিয়া গিয়াছিলেন।*১
আল্লামা শাহরিস্তানির লিখিত মিল্লাল ওয়া নাহাল নামক পুস্তকে (১ম খণ্ড ২৫ পৃষ্ঠায়) তিনি বলেন যে, আলী, ফাতেমা এবং তাঁহাদের সন্তানগণ ব্যতীত (যাহাদের বয়স ছিল ৪ হইতে ৮ বৎসর পর্যন্ত) বাড়িতে অন্য কেহই ছিল না। দৃশ্যতঃ এই প্রচণ্ড আক্রমণ ছিল আকস্মিক এবং অপ্রত্যাশিত। কেহই ইহার জন্য প্রস্তুত ছিল না। ফলতঃ যে বিশৃঙ্খল অবস্থায় সৃষ্টি হইয়াছিল তাহার বর্ণনা দেওয়া অপেক্ষা ধারনাই অধিক করা যাইতে পারে। গৃহকর্ত্রী মারাত্মকভাবে আহত হইয়া মূর্ছিত হইয়া গিয়াছিলেন, ঘর ধুয়ায় ভরিয়া গিয়াছিল এবং ছেলেমেয়েরা ভয় পাইয়াছিল। আলী তাঁহার আহত স্ত্রী এবং শ্বাসরুদ্ধ সন্তানদের প্রতি যখন মনোযোগ দিতেছেন তখন তাঁহাকে পরাভূত করিয়া গৃহ হইতে টানিয়া বাহির করিল। হযরত ফাতেমার উত্তরাধিকার অস্বীকৃত হইয়াছিল। দৈহিক এবং মানসিক আঘাতে তিনি ভাঙ্গিয়া পড়িলেন এবং অল্পকাল অসুস্থ থাকিয়া ১১ হিজরির ১৪ই জমাদিউল আউয়াল ইহধাম ত্যাগ করেন।*২
গভীর রাতে তাঁহাকে দাফন করা হয়। বনি হাসেমগণ ব্যতীত রাসুল পাকের সাহাবাগণের মধ্যে শুধুমাত্র এই কয়জন তাঁহার জানাজায় অংশগ্রহণ করেছিলেনঃসালমান, আবুজর, আম্মার এবং মিকদাদ। মৃত্যুর পূর্বে তিনি একটি কবিতায় তাঁহার দুঃখ প্রকাশ করিয়াছিলেন--- যাহার একটি ছত্র আরবি ভাষায় একটি প্রবাদ বাক্যরূপে স্থান পাইয়াছে। তিনি বলিতেছেন :"আমার উপর এত দুঃখ নামিয়া আসিয়াছে যে, সেইগুলি যদি উজ্জ্বল দিনের উপর পতিত হইত তাহা হইলে দিনগুলি রাত্রিতে পরিণত হইয়া যাইত। "
.....................তিনি যৌবনের প্রারম্ভেই পরলোকগমন করেন, যেমন মাওলা আলী আ. বলেনঃ
"একটি ফুল কলি অবস্থায় ছিঁড়িয়া ফেলা হইল। ইহা যেন জান্নাত হইতে আসিয়াছিল এবং জান্নাতেই চলিয়া গেল কিন্তু ইহার সুবাস রাখিয়া গেল আমার মনের মধ্যে।"
---(সৈয়দ মোহাম্মদ আসকারি জাফরী কর্তৃক "নাহাজুল বালাগা " পুস্তক ইংরেজি অনূদিত হইতে লওয়া হইয়াছে)
#টীকাভাষ্যঃ *১. শতাধিক উন্মুক্ত জনতার উচ্ছৃখল কর্মকাণ্ডের মধ্যে কেমন করিয়া কাহার আঘাতে বা কাহার নিষ্ঠুর ধাক্কা মা ফাতেমার উপর মরণ আঘাত হানিয়াছিল তাহা বলা যায় না।
[♥মাওলার অভিষেক ও ইসলাম ধর্মে মতভেদের কারন, সদর উদ্দিন আহমেদ চিশতী ♥🙏♥
#সংগ্রহহিত
03/12/2020
সকল মসজিদের ইমাম,আলেম ওলামা গনের নিকট বিনীত অনুরোধ ইহুদি, খৃষ্টানদের হাতে তৈরি মোবাইল, গাড়ি, ফেজবুক, টিভি, বিমান সহ তাদের তৈরী পন্য ব্যবহার বন্ধ করুন।