28/03/2026
NRS মেডিকেল কলেজে স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর সাম্প্রতিক নৃশংস আক্রমণের প্রতিবাদে MCDSA-র উদ্যোগে আজ অনুষ্ঠিত হলো প্রতিবাদ ও পোস্টারিং কর্মসূচি।
স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধুমাত্র একটি দাবি নয়, এটি আমাদের অধিকার। সহিংসতা ও ভয়ের পরিবেশে চিকিৎসা পরিষেবা কখনোই স্বাভাবিক থাকতে পারে না। MCDSA দৃঢ়ভাবে পুনরায় জানাচ্ছে—আমরা চাই একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস, যেখানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নির্ভয়ে তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
27/03/2026
Today MCDSA successfully organised a blood donation camp at General Common Room, MCK. The initiative stands as a testament to our unwavering commitment to addressing the critical shortage of blood in government blood banks. Every unit donated today is a promise of hope, healing, and a second chance at life for someone in need.
Together, we rise to bridge the gap and ensure that no life is lost due to lack of blood.
“The blood you donate gives someone another chance at life — a chance many take for granted.” ❤️
26/03/2026
We are proud to announce that
MCDSA is going to organise a blood donation camp on 27th of March from 11 am onwards.
We urge you all to come and participate in this life-saving initiative that will make a difference in someone's life.
25/03/2026
নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ২৩ মার্চ গভীর রাতে ENT ইমার্জেন্সিতে ঘটে যাওয়া নৃশংস হামলার ঘটনায় আমরা তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করছি। একটি শিশুর চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রোটোকল মেনে সাময়িক অপেক্ষার কথা জানানো হলে রোগীর আত্মীয়রা প্রথমে চিকিৎসকদের হেনস্থা করে এবং পরে বহিরাগতদের নিয়ে এসে চিকিৎসক, নার্স ও নিরাপত্তারক্ষীদের উপর সংগঠিত হামলা চালায়।
স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর এই ক্রমবর্ধমান হিংসা শুধুমাত্র একটি পেশার উপর আক্রমণ নয়—এটি জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর সরাসরি আঘাত। হাসপাতাল কখনোই সন্ত্রাসের ক্ষেত্র হতে পারে না।
আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই, প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। নিরাপত্তাহীন পরিবেশে চিকিৎসা পরিষেবা চালানো অসম্ভব। এই ভয়ের পরিবেশ স্বাস্থ্যকর্মীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের মারাত্মক অবনতি ঘটাচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত রোগী পরিষেবাকেও বিপর্যস্ত করছে।
MCDSA অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি রাখছে এবং NRS এর সহপাঠী ও সহকর্মীদের এই আন্দোলনে পূর্ণ সংহতি জানাচ্ছে।
সংহতি আমাদের শক্তি, নিরাপত্তা আমাদের অধিকার।
MCDSA
21/03/2026
সংগ্রামের ৪৯!
প্রায় অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে ও কারোর সামনে মাথানত না করে, মেরুদণ্ড সোজা রেখে স্বমহিমায় উজ্জ্বল নক্ষত্রের মত এগিয়ে চলেছে MCDSA।
সত্তরের দশকে SA-DSA আন্দোলনের হাত ধরে একসময় কলকাতা ও তার বাইরের আরো বিভিন্ন কলেজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এরকম আরো অনেক গণতান্ত্রিক ছাত্রসংগঠন তৈরী হলেও দুর্ভাগ্যক্রমে অনেকেই হারিয়ে যায় গত শতকেই। MCDSA সেই কঠিন পরিস্থিতির সাথে লড়াই করে অস্তিত্ব রক্ষায় সক্ষম হয়েছে। নব্বইয়ের দশকে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ের ইউনিয়ন ইলেকশন আন্দোলন, হোস্টেল আন্দোলন, জুনিয়ার ডাক্তারদের আন্দোলন ও সব রোগীর জন্য মেডিকেল কলেজকে উন্মুক্ত করার আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছে MCDSA।
এই গৌরবান্বিত ইতিহাস এর হাত ধরে আজ ও কঠিন পরিস্থিতিকে নির্ভীকভাবে চ্যালেঞ্জ করে ন্যায্য অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া, সবার জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোগী-চিকিৎসক অধিকাররক্ষায় সরব হওয়া, সামগ্রিকভাবে ছাত্রস্বার্থ ও গণতান্ত্রিক অধিকাররক্ষায় লড়ে যাওয়া। পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি, ক্ষমতাদখলের রাজনীতির উল্টোদিকে দাঁড়িয়ে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধের ভিত্তিতে ভর করে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে মেডিকেল কলেজ ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন।
সাম্প্রতিক ফ্যাসিবাদী সরকারের স্বৈরাচারী শাসনে , গনতন্ত্রের স্রোত স্তব্ধ হয়ে গেছে রাজ্যের প্রায় সমস্ত ক্যাম্পাস এ, ঠিক উলটো দিকে দাড়িয়ে, একমাত্র মেডিক্যাল কলেজে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে MCDSA। শাসক তৃণমূল সরকার ও দলদাস অথরিটির সমস্ত ষড়যন্ত্র কে নৎসাৎ করে, শেষ পর্যন্ত লড়াই করে, ইউনিয়ন ফিরিয়ে এনেছে কলেজে, পথ দেখিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র রাজনীতির।
আজ বহু আন্দোলন, বহু সংগ্রাম পেরিয়ে ১৯৭৭ থেকে ২০২৬ । কিন্তু এখনও যে বহু সংগ্রাম বাকি!
"কান্ডারী! তুমি ভুলিবে কি পথ? ত্যজিবে কি পথ-মাঝ?
করে হানাহানি, তবু চলো টানি, নিয়াছ যে মহাভার"
তাই সামনে কাঁধে যে গুরুদায়িত্ব আছে তাকে স্মরণ করে এখন ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে চলাই কর্তব্য। আর চলার পথে ধ্বনিত হবে মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাসে ও ক্যাম্পাসের বাইরেও,
March on , March on, March on DSA
Long live , Long live , Long live DSA
MCDSA
জিন্দাবাদ ✊️✊️!!!
#প্রতিস্পর্ধার_ ৪৯
08/03/2026
আজ ৮ মার্চ — আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবস
উনিশ ও বিংশ শতাব্দীতে শ্রমজীবী নারীদের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সমঅধিকারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবসের জন্ম। তাই এই দিন কেবল উদযাপনের নয় ,সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করে সমতার লড়াইতে উদ্বুদ্ধ হয়ে ওঠার।
আজ সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান আমাদের কাছে অনস্বীকার্য, তা সত্ত্বেও তাঁরা এখনও লিঙ্গবৈষম্য, সহিংসতা ও সামাজিক অবমূল্যায়নের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত লড়াই করে চলছে নারী সমাজ। চিকিৎসাক্ষেত্রেও আমরা দেখতে পাই নারী চিকিৎসকরা কঠোর পরিশ্রম ও দীর্ঘ কর্মঘণ্টার মধ্য দিয়ে মানুষের জীবনরক্ষায় কাজ করছেন, তবু কর্মক্ষেত্রে নানা বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন হন। একইসঙ্গে বহু নারী রোগী ও এখনও স্বাস্থ্যব্যবস্থায় অবহেলা ও লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যের শিকার হন।
এই বাস্তবতা বদলাতে সমতা ও মর্যাদার লড়াইকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি।
শ্রমজীবী নারীর সংগ্রাম অমর হোক।
— MCDSA
04/03/2026
মানবতার সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন মহান চিকিৎসক ও বিপ্লবী নর্ম্যান বেথুন। চিকিৎসাকে তিনি দেখেছিলেন মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে—ধনী-গরিব ভেদাভেদহীন এক জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি।
আজ তাঁর জন্মজয়ন্তীতে MCDSA গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে । তাঁর আদর্শ আমাদের শেখায়—স্বাস্থ্য কোনও পণ্য নয়, এটি প্রতিটি মানুষের ন্যায্য অধিকার।জনস্বাস্থ্যের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকারে, বেথুনের পথেই এগিয়ে চলুক ছাত্রসমাজ।
জনস্বাস্থ্য হোক সকলের অধিকার।
MCDSA
01/03/2026
কল্যাণী COMJNMH Medical College-এর এক ফাইনাল ইয়ার এর মেডিক্যাল ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় MCDSA গভীর ভাবে শোকাহত, আমরা শোকস্তব্ধ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং তাঁর সহপাঠী ও বন্ধুদের সহিত অটুট সংহতি জানাচ্ছি।
একটি সম্ভাবনাময় তরুণ জীবনের এই অকাল অবসানকে আমরা কেবল ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডির সংকীর্ণ পরিসরে সীমাবদ্ধ করে দেখতে পারি না। চিকিৎসা শিক্ষার ক্রমবর্ধমান একাডেমিক চাপ, অনিশ্চয়তার আবহ এবং পর্যাপ্ত মানসিক সাহায্য কাঠামোর ঘাটতি—এই বৃহত্তর বাস্তবিকতার মুখোমুখি হওয়া আজ অত্যন্ত জরুরি। যখন ভবিষ্যতের চিকিৎসকরা নীরব মানসিক চাপে ভেঙে পড়েন, তখন তা নিছক একটি ঘটনা নয়; বরং গোটা ব্যবস্থার মানবিকতা ও সংবেদনশীলতাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়।NMC আর WBUHS এর এই অমানবিক ও সংবেদনশীলতাহীন নীতির প্রতি তীব্র ধিক্কার জানাই।
MCDSA দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে—শিক্ষা ব্যবস্থার যেকোনো নীতি, মূল্যায়ন প্রক্রিয়া বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ ছাত্রছাত্রীদের মানসিক সুরক্ষা, মর্যাদা এবং সুস্থ বিকাশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নির্ধারণ হওয়া উচিত। আমরা এই ঘটনার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করছি। পাশাপাশি সমস্ত মেডিক্যাল ছাত্রছাত্রীদের জন্য কার্যকর, সহজলভ্য ও বিশ্বাসযোগ্য মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা ব্যবস্থাকে অবিলম্বে শক্তিশালী করার আহ্বান জানাচ্ছি প্রতিটি কলেজ ও হাসপাতালে।
আমাদের অটল বিশ্বাস—একটি নিরাপদ, মানবিক ও ছাত্রবান্ধব চিকিৎসা শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই মুহূর্তের সর্বাধিক জরুরি কর্তব্য। আর একটি প্রাণ যেন নীরব চাপ ও অবহেলার অন্ধকারে হারিয়ে না যায়—এই প্রতিশ্রুতিই হোক আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার।
শোকাহত পরিবার, পরিজন দের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা।
ছাত্রসমাজের পাশে MCDSA অতীতের মতো আজও অটল, আগামী দিনেও থাকবে।
MCDSA
21/02/2026
"মোদের গর্ব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা"
আজকে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস । আজকের দিনটি আমাদের ভাষা আন্দোলনের অমর শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতি বহন করে । মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার যাদের রক্তে রক্তিম হয়েছিল অমর একুশ, তাঁদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। তাঁদের সংগ্রাম আমাদের শিখিয়েছে—ভাষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি সংস্কৃতি, পরিচয় ও আত্মমর্যাদার প্রতীক।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানাই পৃথিবীর সকল ভাষাভাষী মানুষকে। প্রতিটি ভাষাই আমাদের মানবসভ্যতার অমূল্য সম্পদ—আমরা সব ভাষাকে সমান সম্মান জানাই। ভাষা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য রক্ষা করা আজ সময়ের দাবি; তাই সকল ভাষার সুরক্ষা ও চর্চা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।
ভাষাকে কেন্দ্র করে কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিভাজন আমরা মানি না। আসুন, আমরা এমন এক বিশ্ব গড়ে তুলি যেখানে সব ভাষা সমান মর্যাদা পায়, সব সংস্কৃতি নিরাপদ থাকে, এবং বৈচিত্র্যের মধ্যেই গড়ে ওঠে ঐক্যের শক্তি। তাই মুক্তির মন্দিরের এই সোপানতলে সকলকে ভাষা দিবসের অভিনন্দন জানায় MCDSA।
MCDSA
08/02/2026
সম্প্রতি আবারও সামনে এলো থ্রেট কালচার এবং র্যাগিং-এর নিন্দনীয় ঘটনা। দেবেন মাহাতো মেডিক্যাল কলেজের প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়ার কাছে তার ফোনের পাসওয়ার্ড চায় দ্বিতীয় এবং চতুর্থ বর্ষের দুই সিনিয়র পড়ুয়া। পাসওয়ার্ড দিতে রাজি না হওয়ায় তীব্র কটূক্তি এবং গালিগালাজ করে সেই পড়ুয়ারই ব্যাচমেট দের বাধ্য করে তাকে মারধর করতে। তারা থ্রেট দেয় যে কলেজের আধিকারিকদের সাথে তাদের কানেকশন আছে এবং ওই পড়ুয়াকে না মারলে তাদের পরীক্ষাতেই বসতে দেবে না অথবা ফেল করিয়ে দেবে। মারধরের ফলে আহত পড়ুয়াকে ভর্তি হতে হয় হাসপাতালে।
এর আগেও এই কলেজে কলেজে এই থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে সওয়াল করে এসেছে MCDSA এবং সমগ্র ডাক্তার সমাজ। তবুও সরকার কোনো পদক্ষেপ তো দূর, বরং থ্রেট কালচারকে বাঁচিয়ে রাখা ব্যক্তিদের পাশে এসেই দাঁড়িয়েছে। তার ফলেই আজ ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে, শাসক দলের ঘনিষ্ঠ কিছু পড়ুয়ারা এই র্যাগিং সংস্কৃতি কায়েম করে রেখেছে। এধরনের ঘটনা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, কেন প্রত্যেক ক্যাম্পাসে একটি নির্বাচিত স্টুডেন্ট ইউনিয়ন আজকের সময়ের দাবি। একটি নির্বাচিত স্টুডেন্ট ইউনিয়ন থাকলে, র্যাগিং এর মত পাশবিক অপসংস্কৃতি বন্ধ করা সম্ভব।
MCDSA দাবি জানায় এই ঘৃণ্য ঘটনার দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযুক্ত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে কলেজে কর্তৃপক্ষ কে। পাশাপাশি, কলেজের আণ্টি র্যাগিং সেল কে শুধু খাতায় কলমে একটি কমিটি হিসেবে অকেজো করে রাখা চলবেনা। অবিলম্বে, এই সেল কে কার্যকর করে তুলতে হবে, যাতে এরম কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীরা সহজেই যাতে এই সেলের অধীনে পৌঁছতে পারে।
04/02/2026
২৬শে জানুয়ারি রাত ৩টে , আনন্দপুরের ওয়াও মোমো গুদাম এ মালিকপক্ষের নিষ্ঠুরতার শিকার হয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা পড়ে পঞ্চাশ এর অধিক শ্রমিক। আনন্দপুরের গুদামে ছিল একটি মাত্র দরজা, আর ছিল না কোনো অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। সেই অমানবিক অবস্থায়, মালিকপক্ষ প্রতি রাতে বন্ধ করে যেতেন শ্রমিকদের কে । সেই কারণেই বন্ধ হয়ে নির্বিচারে মারা পড়ে শ্রমিকরা । এই নিষ্ঠুরতার তীব্র প্রতিবাদ জানায় MCDSA । ওয়াও মোমো কোম্পানি ও সেই গুদামের মালিকদের যোগ্য শাস্তির দাবি জানায় আর যতো দিন না বিচার আসছে তত দিন ওয়াও মোমো কে বয়কট করার দাবি জানায় MCDSA। নির্লজ্জ WOW কোম্পানি তাদের বিবৃতি তে কেবল ৩ জন শ্রমিক কে নিজেদের কর্মী হিসেবে চিহ্নিত করে ক্ষতিপূরণ দেবে বলে জানায়। পুঁজিবাদী শক্তির এই সর্বগ্রাসী লেলিহান জিহ্বার আগ্রাসন প্রতিরোধ না করতে পারলে অচিরেই যে সামাজিক ও মানবিক বিপর্যয় আসবে তার প্রতিবাদে গর্জে উঠতে হবে। আরেকটা গুরুত্বপুর্ন বিষয় হলো, এই ঘটনাটা আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, প্রশাসনের কাছে কারখানার লাইসেন্স পেতে গেলে ফায়ার সেফটি সহ পর্যাপ্ত পরিমাণের নিরাপত্তার যে ন্যূনতম ব্যবস্থা থাকতে লাগে, তা ছাড়াই কিভাবে পুঁজিপতিরা খাস কলকাতা শহরে গড়ে ফেলছে একের পর এক কারখানা। একদিকে মালিকপক্ষ কোটি কোটি টাকা মুনাফা করছে, আরেকদিকে শ্রমিকদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। শ্রমিকদের ওপর অমানবিক পরিস্থিতিতে কাজ করিয়েও, পার পেয়ে যাচ্ছে মালিকপক্ষ। সরকার এবং পুঁজিপতিদের এই বর্বর আঁতাত আবারও পরিষ্কার। কর্মক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবিতে, শ্রমের যথোপযুক্ত দাম, সমকাজে সমবেতন, শ্রমিক শোষণের বিরুদ্ধে ছাত্রছাত্রী সমাজ এক হও !
WOW Company !