Alert & Awareness

Alert & Awareness

Share

Like & Share "Alert & Awareness" Facbook Page to get & inform Everyone of All Social Alert & Awarness

প্র্রিয় সদস্যগন এই পেজটি সমাজের বিভিন্ন অসামাজিক কাজের প্রতি প্রতিবাদ জানাতে তৈ্রি করা হয়েছে। জাতে আমরা এই সমাজের অবনমন রুখতে পারি। তাই বন্ধুগন আপনাদেরকে অনুরধ করা হছে যে আপনারা এখাণে সুধু প্রতিবাদ মুলক পোস্ট করুন। যেখানে জেরকম অসামাজিক মুলক কাজ দেখবেন তার বিরুধ্যে গরজে উঠুণ।এবং অন্নান্ন সমস্ত রকমের সামাজিক সাহাজ্য মুলক প্রক্রিয়া কে সন্মান প্রদরসন করে তার উদ্দেশ্যে যেকন পোস্ট আপ্নারা করতে পারেন। আপনাদের কে অনুরোধ করা হছে যে কোনো রাজনৈতিক দল কে উদ্দেশ্য করে কোনো পোস্ট করবেন না।

18/10/2025

💧ORS নিয়ে ব্যবসা বন্ধ হলো -ডা. শিবরঞ্জনি সন্তোষের সত্যের লড়াই।

ভারতের হায়দরাবাদের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. শিবরঞ্জনি সান্তোষ প্রমাণ করেছেন, একজন মানুষও চাইলে দেশের স্বাস্থ্যনীতিতে পরিবর্তন আনতে পারেন।
তিনি একা লড়েছেন “ORS” নামের অপব্যবহার বন্ধ করার জন্য — এমন সব পানীয় কোম্পানির বিরুদ্ধে যারা “ORS drink” নামে ভুল ও বিপজ্জনক প্রোডাক্ট বিক্রি করছিল।

সমস্যার শুরু কোথায়?
বাজারে অনেক পানীয় “ORS” নামে বিক্রি হচ্ছিল, কিন্তু এগুলো WHO অনুমোদিত ORS নয়।
এগুলোতে অতিরিক্ত চিনি ও ভুল ইলেক্ট্রোলাইট অনুপাত থাকায়, ডায়রিয়া বা ডিহাইড্রেশনে আক্রান্ত শিশুদের ক্ষতি হচ্ছিল।
এই প্রতারণার বিরুদ্ধে ডা. শিবরঞ্জনি RTI, আইনগত পদক্ষেপ ও প্রচারণা চালান প্রায় ৮ বছর ধরে।
অবশেষে জয়। FSSAI (Food Safety and Standards Authority of India) ঘোষণা করেছে

“WHO মানদণ্ড না মানলে কোনও পানীয় ORS নামে বিক্রি করা যাবে না।”
এই সিদ্ধান্তের পর ডা. শিবরঞ্জনি আবেগে কেঁদে ফেলেন। তিনি বলেন,“We have won — it took eight years, but truth won.”

কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ?
ORS মানে শুধু একটাই — জীবনরক্ষাকারী দ্রবণ।
ভুল ফর্মুলা মানে বিপদ, বিশেষত শিশুদের জন্য।
ডা. শিবরঞ্জনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন ব্র্যান্ড নয়, বিজ্ঞান ও সততা বেছে নিতে হবে।

copied post

18/10/2025

আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব এমন একটি জিনিসের সঙ্গে যেটি শুধু বিভিন্ন বাইরের খাবারেই মেশানো থাকে না, আমরা নিজেরাও সম্পূর্ণ অশিক্ষিতের মত বাজার থেকে কিনে এনে বাড়ির খাবারে মেশাই। অশিক্ষিত বললাম কেন ??? কারণ এই প্রোডাক্টটির গায়ে প্রস্তুত কর্তারা ছোট ছোট হরফে হলেও “FOR INDUSTRIAL USE ONLY, NOT FOR HUMAN CONSUMPTION”(শিল্পে ব্যবহারের জন্য, মানুষের খাওয়ার জন্য নয়) লিখে নিজেদের আইনগত ভাবে বাঁচার রাস্তা পরিস্কার করে রেখেছে। আর আমরা সেই লেখা পড়ে দেখারও প্রয়োজন মনে না করে যথেচ্ছ পরিমাণে বিষ ইচ্ছাকৃত ভাবে খেয়ে চলেছি প্রতিদিন। আজ্ঞে হ্যাঁ বিষ, ফুডকালারিং হিসাবে ব্যবহার করলেও এটিকে “বিষ” বলে অভিহিত করলে কিছু মাত্র ভুল হবে না।
হ্যাঁ এই স্টিং রিপোর্টের প্রথম পর্বে আমি কামধেনু রঙ সম্বন্ধে বলব। অনেকেই এই লেখা পড়ে অবাক হচ্ছেন, কারণ এই রঙ এতদিন তাঁরা নির্বিচারে ব্যবহার করে এসেছেন বাড়িতে বিরিয়ানী বানাতে। যাঁরা নিজেরা কখনও দোকান থেকে কেনেননি বা বিরিয়ানি খান না তাঁদেরও আশ্বস্ত হবার কিছু নেই, শুধু হোটেলের বিরিয়ানি বা লাল লাল মাংসের ঝোল ই নয় , পাড়ার ফুটপাথে টিকিয়া চাট বা ঘুঘনি খেয়েছেন তো ?
চপ খেয়েছেন? কিম্বা বিভিন্ন ফাস্টফুডের সঙ্গে দেওয়া টুকটুকে লাল সস ? কিম্বা ফলের দোকানে বিক্রি হওয়া চেরী ? এসব খান না ? আচ্ছা বেশ, লাল টুকটুকে ডালিম কিম্বা বাজারের সেরা টাটকা মাছ, যেটার লাল টকটকে রক্ত দেখে তাজা মাছ ভেবে কিনেছেন ? কিম্বা দোকান থেকে কেনা সোনার মত রঙের অঢ়র (অরহর) ডাল ?
অনুষ্ঠান এর রান্না যেমন ডাল ,পাঁচ তরকারী , পোলাও,সবেতে,মিষ্টি দই এ, —— এসবের সব কটাতেই এবং আরও নানা খাবারে ইচ্ছাকৃত ভাবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মিশিয়ে দিচ্ছে কামধেনু রঙ। যা শুধু নিছক রঙ নয়, ভয়ঙ্কর প্রাণঘাতী বিষ।

বাজারে প্রধানতঃ দু ধরণের কামধেনু রঙ বেশী প্রচলিত। লাল আর হলুদ। কমবেশি সব মুদিখানার দোকানে পাওয়া যায়। বাড়িতে বিরিয়ানি করলে দোকানের মত সাজাতে এই রঙ বাঙালীর চাই ই চাই। বর্তমানে শুধু কামধেনুই নয়, তাকে নকল করে আরও কয়েকটি কোম্পানি বাজার ধরতে নেমে পড়েছে। এসব রঙের প্যাকেটের পিছনে ছোট ছোট হরফে সাবধানবাণী লেখা থাকলেও এরা ইচ্ছাকৃত ভাবে প্যাকেটের ভাঁজ এমন ভাবে করে যে ঐ সাবধানবাণী প্যাকেটের ভাঁজে ঢাকা পড়ে যায়। জনসচেতনতা না থাকায় এবং অতিরিক্ত লাভের আশায় মুদিখানাগুলিও খাবার রঙ বলে নির্বিচারে এগুলি বিক্রি করে।

আসুন দেখে নেওয়া যাক কি আছে এই কামধেনু রঙে। হলুদ রঙটি হল মেটানিল ইয়েলো (C18 H14 N3 Na O3 S) আর লাল রঙটি হল এস এস রেড (potassium dichromate – K2 Cr2 O7). এই দুটি রাসায়নিকই এতটা ভয়ঙ্কর যে এর একটা বিন্দুও ক্যানসার ডেকে আনতে পারে। তাই ল্যাবরেটরিতে এগুলি নিয়ে কাজ করার সময় গ্লাভস ও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। এছাড়াও মেটানিল ইয়েলো ক্যানসারের পাশাপাশি আরও কিছু দীর্ঘস্থায়ী অসুখ তৈরী করতে পারে, যেমন অ্যালঝাইমার্স, প্যারানৈয়া, ইন্সোমনিয়া, কিডনি স্টোন, ব্রেণের ও নার্ভের বিভিন্ন সমস্যা। বিভিন্ন ক্লিনিকাল ট্রায়ালে প্রমাণিত হয়েছে যে, এই কেমিক্যাল শরীরে একবার ঢুকলে তার প্রভাব হয় সুদূরপ্রসারী। এমনকি মায়ের শরীরে থাকা এই কেমিক্যালের প্রভাবে বাচ্চার মস্তিষ্কের গঠন ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে।
Potassium Dichromate রাসায়নিকটি অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি পদার্থ যার প্রভাবে ক্যানসার ছাড়াও আমাদের শ্বসনতন্ত্র মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভবনা দেখা যায়। এছাড়াও থাইরয়েড গ্ল্যান্ড, কিডনি, লিভার, লাংস, পাকস্থলি, জননতন্ত্র ইত্যাদিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রবল সম্ভবনা থাকে।

কি করে বোঝা যায় কোন খাদ্যে এই প্রাণঘাতী বিষ মেশানো আছে কিনা ? বোঝা খুবই শক্ত। ল্যাবরেটরিতে টেস্ট করা ছাড়া উপায় নেই, যা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ। প্রাথমিক ভাবে পরীক্ষা হিসাবে দেখা হয় রঙ পরিবর্তন (মেটানিল ইয়েলো ঘন হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের সংস্পর্শে এলে গোলাপী বর্ণ ধারণ করে আর পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট সালফার ডাইঅক্সাইডের সংস্পর্শে ঘন নীলবর্ণ ধারণ করে)।

এই ভয়ংকর বিষের হাত থেকে বাঁচার রাস্তা কি ? চোখ কান খোলা রাখুন। দোকান থেকে এই কামধেনু রঙ কিনে ব্যবহার করা বন্ধ করুন, দোকানদার কে বোঝান যাতে তিনি এই বিষ দোকানে না রাখেন, আরও যাঁরা যাঁরা কেনেন তাঁদের সঙ্গে কথা বলুন, তাঁদেরও বোঝান, সচেতন করুন। রাস্তাঘাটের বেশী রঙচঙ্গা খাবার এড়িয়ে চলুন । পরিচিত কেউ যদি ঘুঘনি বা আচার বা সস ইত্যাদি প্রস্তুত করার ব্যবসায়ে যুক্ত থাকেন তাহলে তাঁদেরকে সচেতন করুন। জনসচেতনতা ছাড়া এই সমস্যার অন্যকোন সমাধান আমাদের হাতে এই মুহুর্তে নেই। সরকার যদি দায়িত্ব নিয়ে এই রঙকে ডোমেস্টিক ইউজের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ ঘোষনা করে বা নিদেনপক্ষে এর প্যাকেটের সামনে বড় বড় অক্ষরে পয়জন বা বিষ লেখা বাধ্যতামূলক করে দেয়, তাহলে কিছুটা কাজ হতে পারে।

অনেকে জিজ্ঞাসা করতেই পারেন, তাহলে খাবার রঙ করার বিকল্প ব্যবস্থা কি ? তাঁদের বলি যে রঙ গুলিতে ফুড কালারিং কথাটি লেখা থাকবে এবং fssai লেখা থাকবে একমাত্র সেই রঙগুলিই খাবার রঙ করতে ব্যবহার করবেন। আর কেউ অনুমোদনহীন রঙ দিয়ে খাবার বানিয়ে তা বিক্রি করলে FSSAI এর কাছে অভিযোগ করার পূর্ণ অধিকার আপনার কিন্তু সবসময় রয়েছে।

এই লেখাটি শেয়ার করুন যতভাবে পারেন, ইচ্ছা হলে কপি পেস্ট করুন, সচেতনতা ছড়িয়ে দিন।
©️

14/06/2025

🥘 হেলদি রান্নার হেল্পার – কোন প্যান বেছে নেবেন?
সঠিক প্যান বেছে নেওয়া মানেই স্বাস্থ্যকর খাবার! চলুন দেখি কোনটা ভালো, কোনটা এড়িয়ে চলা ভালো ⬇️



❌ এড়িয়ে চলুন

🔸 নন-স্টিক
✅ রান্না সহজ
✅ তেল কম লাগে
⚠️ PTFE/PFOA/ PFAS থাকতে পারে – ক্ষতিকর
⚠️ উচ্চ তাপে ক্ষতিকর কেমিক্যাল রিলিজ করে

🔸 অ্যালুমিনিয়াম
✅ হালকা ও সস্তা
✅ গরম হতে সময় কম লাগে
⚠️ উচ্চ তাপে রিঅ্যাকটিভ
⚠️ অ্যাসিডিক খাবারের সাথে ক্ষতিকর রিঅ্যাকশন



⚠️ ভালো বিকল্প

🔸 PFAS-free নন-স্টিক
✅ নিরাপদ নন-স্টিক অপশন
✅ তেল কম লাগে
⚠️ দাম বেশি
⚠️ স্ক্র্যাচ পড়লে দ্রুত নষ্ট হয়

🔸 কপার
✅ দ্রুত গরম হয়
✅ পেশাদার কুকদের পছন্দ
⚠️ সরাসরি ব্যবহার নয় – লাইনার দরকার
⚠️ রিঅ্যাকটিভ ফুডে ক্ষতিকর হতে পারে



✅ সেরা বাছাই

🔸 কাস্ট আয়রন
✅ দীর্ঘস্থায়ী ও নন-টক্সিক
✅ স্বাভাবিক নন-স্টিক প্রপার্টি তৈরি হয়
⚠️ যত্ন নিতে হয়
⚠️ ভারী ও রাস্ট পড়তে পারে

🔸 স্টেইনলেস স্টিল
✅ টক/অ্যাসিডিক খাবারের জন্য নিরাপদ
✅ টেকসই ও স্বাস্থ্যকর
⚠️ রান্নায় তেল লাগে বেশি
⚠️ নতুনদের জন্য একটু কঠিন হতে পারে



🥄 টিপস: সব প্যানে কম তেল, মাঝারি তাপে রান্না করুন আর ভালো করে পরিষ্কার করুন l

24/05/2025

একটি দুর্ঘটনা সারাজীবনের কান্না।
বাইক রাইড করলেই আপনি হেলমেট পড়ুন ও আপনার সঙ্গে যাওয়া প্যাসেঞ্জার কে হেলমেট পড়ান।

07/01/2025

আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খালি করতে পারে, প্রতারকরা আপনার টাকা লুঠতে পারে ঠগরা।

ডিজিটাল দুনিয়ায় (Digital India) এখন সাধারণ বিষয় হয়ে গেছে সাইবার প্রতারণার (Cyber Fraud) মতো ঘটনা। নিত্য়দিন দেশের কোথাও না কোথাও এই জালিয়াতির শিকার হচ্ছে দেশবাসী। দেশের সাম্প্রতিক ডিজিটাল জালিয়াতির অতীত বলছে, এই ১৪ উপায়ে আপনার ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট (Bank Account) খালি করতে পারে স্ক্যামাররা (Scammers Attack)।

ডিজিটাল অ্যারেস্ট
মানুষ লুটপাটের এই পদ্ধতিটাই আজকাল সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করছে প্রতারকরা। প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন শহর থেকে ডিজিটাল মাধ্যমে প্রতারণার খবর আসছে। সাইবার ঠগরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে অসংখ্য মানুষকে গ্রেফতার করে লাখ লাখ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

লোন স্ক্যাম
আজকের যুগে মানুষের প্রায়ই টাকার প্রয়োজন হয়। কোনও কারণে পরিচিতদের কাছ থেকে টাকা জোগাড় করতে না পারলে সাইবার ঠগরা এসব লোককে কাগজপত্র ছাড়াই ঋণ দেওয়ার টোপ দেয়। কেউ তাদের ফাঁদে পা দিলেই তারা তাকে ঋণ দেওয়ার নামে ফি দাবি করে। ফি পাওয়ার সাথে সাথে সাইবার ঠগরা সেই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

লাকি ড্র জালিয়াতি
এই জালিয়াতিতে ঠগরা আপনি লটারি জিতেছেন বলে সবার কাছে মেসেজ পাঠায়। পরে প্রাইজমানির প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে ফাঁদে ফেলে ঠগরা। পরে প্রাইজমানির জন্য আগে কর দিতে বলে তারা। আপনি একবার কর দিলেই আর তাদের হদিশ পাওয়া যাবে না।

বিনিয়োগ কেলেঙ্কারি
বর্তমান সময়ে বিনিয়োগ করা সবার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাইবার ঠগরাও এর সুযোগ নেয়। তারা পঞ্জি স্কিমগুলিতে বিনিয়োগের জন্য বিপুল আয়ের জন্য লোকেদের প্রলুব্ধ করে। তারা 2 লাখের জন্য 10 লাখ এবং 10 লাখের জন্য 50 লাখ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু কেউ এতে বিনিয়োগ করার সাথে সাথেই ঠগরা কোম্পানি বন্ধ করে উধাও হয়ে যায়।

KYC স্ক্যাম
মানুষ ঠকানোর জন্যও এই পদ্ধতি অনেক ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে সাইবার ঠগরা বড় বড় কোম্পানি ও সরকারি দফতরের অফিসার হিসেবে বার্তা পাঠায়। তারা লোকেদের কেওয়াইসি করাতে বলে, অন্যথায় তাদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেয়। এই মেসেজে ক্লিক করার সাথে সাথেই তারা প্রতারিত হয়।

চাকরি প্রতারণার ফাঁদ
চাকরির নামে প্রতারিত হওয়ার অনেক ঘটনা রয়েছে। সাইবার হামলাকারীরা বেকার যুবকদের ভুয়ো চাকরির নিয়োগের লিঙ্ক পাঠায় ও তাদের আবেদন করতে বলে। এরপর কেউ আবেদন করলে কিট ও প্রশিক্ষণে যোগদানের নামে তার কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে।

বিয়ের সাইটে প্রতারণা
এই কেলেঙ্কারিও আজকাল প্রচুর দেখা যাচ্ছে। এখানে প্রতারকরা ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটগুলিতে ভুয়ো প্রোফাইল তৈরি করে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে। বিয়ের বিষয়ে যোগাযোগ করায় স্ক্যামাররা মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে। সিরিয়াসলি দেখায়। সেই ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তি অন্যের বিষয়ে আগ্রহ দেখাতেই ফাঁদে ফেলা হয় তাদের। সেই ক্ষেত্রে বাড়িতে কেউ অসুস্থ আছে বলে টাকা চাওয়া হয় মেয়ে বা ছেলের কাছে। কেউ স্ক্যামারদের বিশ্বাস করলেই হারাবেন টাকা।

পার্সেল কেলেঙ্কারি
এই কেলেঙ্কারিতে প্রতারকরা লোকজনকে ফোন করে জানায়, তাদের নামে একটি পার্সেল আসছে। এতে মাদক পাওয়া গেছে ও তা বাজেয়াপ্ত করেছে সংস্থা। এর জন্য জরিমানা দিতে হবে নয়তো জেলে যেতে হবে। এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে প্রতারকদের কাছে ভুল করে টাকা দিয়ে বসেন অনেকে।

চ্যারিটি স্ক্যাম
এই কেলেঙ্কারিতে যারা প্রতারিত হয়েছেন তারা বুঝতেও পারবেন না যে তারা প্রতারিত হয়েছেন। এতে প্রতারকরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং এনজিওতে অর্থায়নের জন্য মানুষের কাছে টাকা চায়। কখনো দরিদ্র ব্যক্তির চিকিৎসার নামে আবার কখনো এ ধরনের কাজের জন্য টাকা চায় প্রতারকরা।

ক্যাশ অন ডেলিভারি কেলেঙ্কারি
এই স্ক্যামে প্রতারকরা ভুয়ো ওয়েবসাইট তৈরি করে। প্রতারকরা আসল ওয়েবসাইটগুলির মতো দেখতে নকল ওয়েবসাইট তৈরি করে। তারপর যারা এই ওয়েবসাইট ভিজিট করে ক্রয় করে, তারা লোকেদের একটি নকল অন্য় পণ্য পাঠায় বা আসল পণ্যের জায়গায় অন্য কিছু পাঠায়।

দুর্ঘটনাজনিত ক্যাশ ট্রান্সফার প্রতারণা
এই স্ক্যামে ঠগরা আপনার মোবাইলে একটি বার্তা পাঠায়। যেখানে তারা বলে, ভুলবশত আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার হয়ে গেছে। দয়া করে আমার টাকা ফেরত দিন এবং লোকেরা মেসেজ দেখার পরেই টাকা ফেরত দেয়। কিন্তু দেখা যায়, এরকম কোনও টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়েইনি।

কেওয়াইসি কেলেঙ্কারি
আজকের দিনে দেশবাসীকে যেকোনও সাধারণ আর্থিক কাজের জন্য কেওয়াইসি করাতে হয়। এর সুযোগ নেয় প্রতারকরা। কেওয়াইসির নামে প্রতারকরা সরকারি আধিকারিক পরিচয় দিয়ে নথি জমা দিতে বলে৷ এমন পরিস্থিতিতে লোকেরা তাদের নথি পাঠায়। যে কারণে প্রতারকরা তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা ট্রান্সফার করে।

টেকনিক্যাল ফ্রড
এই প্রতারণায় স্ক্য়ামাররা তাদের সিস্টেমে ভাইরাসের নামে মানুষকে প্রতারিত করে। তারা ফোন করে বলে, আপনার সিস্টেমে একটি ভাইরাস আছে। আমরা আপনাকে এটি সরাতে একটি লিঙ্ক পাঠাচ্ছি। কেউ সেই লিঙ্কে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গে পুরো সিস্টেমের তথ্য তাদের কাছে পৌঁছে যায়। যার ওপর ভিত্তি করে তারা আর্থিক প্রতারণা করে।

Photos from Alert & Awareness's post 17/07/2024

🐍🐍সাপ কামড়ালে যা করবেন না 🚫 🙅

প্রথমেই আপনাকে বুঝতে হবে সাপে কামড়ালে কি করা যাবে না। সতর্কতার এই জায়গাগুলো প্রথম মনোযোগের দাবিদার। যেমন:

🚫অনেকে প্রথমে শক্ত বাঁধন বা গিট দিয়ে ফেলেন। কিন্তু এমনটি করা যাবে না। হাত বা পায়ে কামড় দিলে, কামড়ানো জায়গা থেকে ওপরের দিকে দড়ি বা এ জাতীয় কিছু দিয়ে শক্ত করে বাঁধা হয়, যাতে বিষ ছড়িয়ে না পড়ে। কিন্তু এর বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি নেই। বরং এতে হাত/পায়ে রক্ত প্রবাহে বাধার সৃষ্টি হয়। ফলে রক্ত প্রবাহের অভাবে টিস্যুতে পচন (Necrosis) শুরু হতে পারে।

🚫 কামড়ানোর স্থানে ব্লেড, ছুরি দিয়ে কাটাকুটি করা যাবে না। অনেকে বিষ বের করার জন্য এমনটি করেন কিন্তু এটিও বিশেষজ্ঞ ছাড়া করা যাবে না।

🚫 অনেক মানুষের ধারণা, আক্রান্ত স্থানে মুখ লাগিয়ে চুষে বিষ বের করলে রোগী ভালো হয়ে যাবেন। অন্তত অনেক সিনেমায় এমনটিই দেখানো হয়। এমনটি না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে। সাপের বিষ রক্ত ও লসিকার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা এভাবে বের করা সম্ভব নয়। কোনো অবস্থাতেই আক্রান্ত স্থানে মুখ দেবেন না। আপনার নিজের ক্ষতি হবে।

🚫 কোনো ভেষজ ওষুধ, লালা, পাথর, উদ্ভিদের বীজ, গোবর, কাদা ইত্যাদি লাগানো যাবে না।

🚫 কোনো রাসায়নিক পদার্থ লাগানো বা তা দিয়ে সেঁক দেওয়া ঠিক হবে না।

🚫 যদি আক্রান্ত ব্যক্তির ঢোক বা খাবার গিলতে বা কথা বলতে সমস্যা হয় এবং এর পাশাপাশি বমি, অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ, নাসিক কণ্ঠস্বর ইত্যাদি দেখা দেয় তাহলে কিছু খাওয়ানো যাবে না।

🚫 কিছু খাইয়ে বমি করানোর চেষ্টা করাও এ সময় উচিত নয়।

🚫 ব্যথার জন্য অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো যাবে না ভুলেও।

# # # # # # # # #

🐍🐍 সাপে কামড়ালে করণীয়

এবার তাহলে করণীয়গুলো আমাদের জেনে নেওয়া দরকার। সাপে কামড়ানোর পর প্রাথমিকভাবে আপনাকে প্রাণরক্ষার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত হাসপাতাল অভিমুখে যাত্রা করতে হবে। সেই প্রাথমিক চিকিৎসার ধাপ হলো:

✅ আক্রান্ত ব্যক্তিকে বারবার আশ্বস্ত করতে হবে ও সাহস দিতে হবে। সাপে কামড়ানো ব্যক্তি আতঙ্কগ্রস্ত হলে সমস্যা। কারণ অনেকে আতঙ্কগ্রস্ত হয়েও মারা যান। নির্বিষ সাপের কামড়ে মৃত্যু হয় না। কিন্তু মানসিক আতঙ্ক প্রাণঘাতী হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের ও বাংলাদেশের অধিকাংশ সাপই বিষহীন, অল্প কিছু সাপ বিষধর। আবার বিষধর সাপ পর্যাপ্ত বিষ ঢুকিয়ে দিতে ব্যর্থ হতে পারে। এসব জানানোর মাধ্যমে রোগীকে আশ্বস্ত করা যেতে পারে। তবে খুব বেশি চাপ প্রয়োগের দরকার নেই।

✅ আক্রান্ত অঙ্গ অবশ্যই স্থির রাখতে হবে এবং বেশি নড়াচড়া যেন না করা হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। হাতে কামড়ালে হাত নাড়ানো যাবে না। পায়ে কামড়ালে হাঁটাচলা করা যাবে না। স্থির হয়ে বসতে হবে।

✅ আক্রান্ত অঙ্গ ব্যান্ডেজের সাহায্যে একটু চাপ দিয়ে প্যাঁচাতে হবে। এই প্যাঁচানোকে প্রেসার ইমোবিলাইজেশন বলে। ব্যান্ডেজ না পাওয়া গেলে গামছা, ওড়না বা এ জাতীয় কিছু ব্যবহার করা যেতে পারে।

✅ আক্রান্ত স্থান সাবান দিয়ে আলতোভাবে ধুতে হবে অথবা ভেজা কাপড় দিয়ে আলতোভাবে মুছতে হবে। মূলত জীবাণু দূর করার জন্য এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।

✅ ঘড়ি বা অলঙ্কার বা তাবিজ, তাগা ইত্যাদি পড়ে থাকলে খুলে ফেলুন। কারণ এগুলো রক্তপ্রবাহে বাধা তৈরি করে ও অনেক সময় চিকিৎসা প্রক্রিয়ার জন্য সমস্যা হয়ে যায়।

✅ রোগীকে আধশোয়া অবস্থায় রাখুন।

✅ যদি রোগী শ্বাস না নেন তাহলে তাকে মুখে শ্বাস দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

✅ যদি সাপটিকে ইতোমধ্যে মেরেই ফেলেন, তাহলে সেটি হাসপাতালে নিয়ে আসুন। তবে এ ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কোনোভাবেই হাত দিয়ে ধরা যাবে না। কিছু সাপ মরার ভান করে থাকে। তবে সাপ মারতে গিয়ে অযথা সময় নষ্ট করবেন না।
✅ যত দ্রুত সম্ভব আক্রান্ত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

18/06/2024

🚆 আজ ঘটে যাওয়া আগরতলা থেকে শিয়ালদহগামী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস এর এরকম একটা বড় দুর্ঘটনার পর এই গুরুত্বপূর্ণ পোস্টটি করছি, তাই দয়া করে এই দীর্ঘ পোস্টটি মন দিয়ে পড়ুন, এই Information আপনার কাজে লাগতে পারে 🙏

🔰 IRCTC তে আমাদের নিজস্ব account থেকে আমাদের প্রায়ই টিকিট কাটতে হয়। এখানে আমাদের অনেকের মনেই সংশয় থাকে যে, টিকিট কাটার সময় 35 পয়সা তে যে ইন্সুরেন্সটা দেওয়া হয় সেখানে শুধুমাত্র ইন্সুরেন্স অপশনে ক্লিক করলেই কি তার সুবিধে পাওয়া যায় ?
চলুন একবার এই বিষয়টি বুঝে নেওয়া যাক এই বিশেষ পরিস্থিতিতে 👉

♻ IRCTC account থেকে টিকিট কাটার সময় আপনি যদি ইন্সুরেন্স অপশনে ক্লিক করে ইন্সুরেন্সটা নেন, তাহলে আপনার ইমেইল এ একটা মেইল আসবে ইন্সুরেন্স কোম্পানির থেকে, সেখানে আপনার প্রথম কাজ হলো নমিনেশন আপডেট করার লিংকে ক্লিক করে নমিনি (Nominee) অ্যাড করা। চেষ্টা করবেন এমন কোনো ব্যক্তিকে নমিনি করতে যিনি আপনার সাথে ট্রাভেল করছেন না। সঠিকভাবে ইন্সুরেন্স ক্লেম পাওয়ার জন্য এই নমিনেশন আপডেট করাটা কিন্তু অত্যন্ত জরুরি।

✳ Policy Wordings এ ক্লিক করলেই আপনাকে আপনার PNR ও মোবাইল নম্বর দিয়ে login করতে বলবে, সেটা করলে আপনি আপনার ডিটেইল পলিসি পেয়ে যাবেন, যাত্রার আগে সেটা আপনার ফ্যামিলিকে বা আপনার নমিনিকে দিয়ে যাবেন।

💠 পলিসি তে নিম্নলিখিত দুর্ঘটনাগুলো কভার হয় 👉

🔅 Death: 10 Lakh
🔅 Total permanent disability: Rs. 10 Lakh
🔅 Partial permanent disability: Upto Rs. 7.5 Lakh
🔅 Hospitalization Expenses: Upto Rs. 2 Lakh
🔅 Transport of mortal remains: Rs. 10000

🌀 ট্রেন দুর্ঘটনা হবার 4 মাসের মধ্যে claim intimate করতে হবে।
দুর্ঘটনার ফলে যদি কোনো ব্যক্তি injured/disabled হন, এবং সেই কারণে নেক্সট 12 মাসের মধ্যে মারা যান, তাহলে তাঁর ফ্যামিলি death claim করতে পারবেন। Disability বাবদ দেওয়া টাকা death claim এর সাথে অ্যাডজাস্ট করে নেওয়া হবে।

🌀 ট্রেন দুর্ঘটনা ছড়ারাও, আপনার যাত্রাকালীন সময়ে যদি আপনার সামগ্রী চুরি বা ডাকাতি হয়, তাহলেও আপনি ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন এই ইন্সুরেন্স ক্লেম এর মাধ্যমে।

🌀 এছাড়া তেজাস এক্সপ্রেস এর মতো কিছু প্রিমিয়াম ট্রেনে যাত্রাকালীন যদি আপনার গন্তব্যে পৌঁছতে 1-2 ঘণ্টা দেরি হয়, সেক্ষত্রেও আপনি ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন ইন্সুরেন্স ক্লেম এর মাধ্যমে।

📌 যদি এই information টি যদি একটুও ভালো লেগে থাকে, অবশ্যই এই পোস্ট টি শেয়ার করবেন , যাতে আরো কিছু মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে | সুস্থ থাকুন || 🙏🏻 😇

29/05/2024

জেনে নিন আপনার ফ্রিজকে কীভাবে এ ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করবেন-

কখন রেফ্রিজারেটে বিস্ফোরণ হয়?
রেফ্রিজারেটর বিস্ফোরণের আগে থেকেই আপনি বুঝতে পারেন, যে তাতে কী কী সমস্যা দেখা দিচ্ছে। হঠাৎ ফ্রিজটি শব্দ করতে শুরু করবে। ঠান্ডা হতে চাইবে না। যখন রেফ্রিজারেটর ঠিকভাবে কাজ করে, তখন কম্প্রেসার থেকে একটি হালকা আওয়াজ আছে। যদি ফ্রিজের কম্প্রেসার ঠিকভাবে কাজ করে না এবং সেই আওয়াজ আরও বেশি হয়। তাই সেই দিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।

রেফ্রিজারেটরে আগুন ধরে যায় কেন?

রেফ্রিজারেটর বিস্ফোরণের পিছনে অনেক কারণ আছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় কারণ হল কম্প্রেসার। ফ্রিজে রাখা জিনিসগুলোকে ঠান্ডা করতে কম্প্রেসার ব্যবহার করা হয়, কিন্তু যখন এতে কোনো সমস্যা হয়, তখনই আসল বিপদ দেখা দেয়। বিস্ফোরণের আগে ফ্রিজের পেছনের দিক খুব গরম হয়। ফ্রিজের কম্প্রেসার ঠিকভাবে কাজ না করার কারণেই গরম হয়। যার ফলে হঠাৎ আগুন ধরে যায় ফ্রিজে।

গরম হয়ে গেলে কী করবেন?

যদি বুঝতে পারেন ফ্রিজটি গরম হয়ে যাচ্ছে এবং ঠান্ডা হতেও চাইছে না। তখন প্রথমেই ফ্রিজটি বন্ধ করে দিন। মানে কোনোরকম বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকে। তারপরে ধীরে ধীরে ফ্রিজটি যখন বাইরে থেকেই ঠান্ডা হয়ে যাবে, তখন কোনো বিশেষজ্ঞকে ডেকে পরীক্ষা করে নিন।

-collected

21/04/2024
20/04/2024

Courtesy: West Bengal Government Health and Family Welfare Department.

28/12/2023

একটি বিশেষ সতর্কতা মূলক পোষ্ট।

বাঁচতে হলে জানতে হবে। মিনিকেট চালের ভাত গরমকালেও অনেকক্ষণ ভালো থাকে! আহারে! কত ভালো চাল! তাইনা?

আসুন জেনে নিই আসলেই কি আমরা ভালো চাল খাচ্ছি?নাকি আবর্জনা?

❌ মিনিকেট নামে কোন ধান চাষ হয়না বাংলাদেশে।
তাহলে, এই চাল বাজারে আসে কোথা থেকে- এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ, মিনিকেট চাল তৈরী হয় কারখানায়।

🌾দেশী জাতের ধান (মোটা চালের) চালকলে আসার পর শুরু হয় তেলেসমাতি। প্রথমে ধানের খোসা ছাড়ান হয়। খোসা ছাড়ানোর পর চালের অকৃত্রিম/ন্যাচারাল রঙে কিছুটা খয়েরি/বাদামি আভা থাকে। এরপর কেমিক্যাল ও হোয়াইটনার মেশিনের মাধ্যমে চালের খয়েরি/বাদামি আভার আবরণটিকে আলাদা করা হয়। এই আবরণটি বাদ দেওয়ার পর চাল কিছুটা সরু ও সাদা হয়। এখানেই শেষ নয়, পলিশার মেশিনের মাধ্যমে পলিশ করলেই হয়ে গেল মিনিকেট চাল।

🗣️এবার প্রশ্নের তীর তাক করে কেউ বলতেই পারেন- মোটা চালকে এতোভাবে প্রসেস করে মিনিকেট বানালে তো চাল ব্যবসায়ীর ক্ষতি।
এবার ক্ষতির হিসেবটা করা যাক- ১০০০কেজি মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানালে সাধারণত চাল পাওয়া যায় ৯৩৩কেজি, সাদা খুদ ২৬.৫ কেজি, কালো খুদ ১৪কেজি, মরা চাল ৪.৫ কেজি, ময়লা ০.৭৫ কেজি এবং পলিশ ২৭ কেজি। যোগ করলে দেখা যায় এক হাজার কেজি চাল প্রসেস করার পর পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৬কেজি বেশী।
এই ছয় কেজি হচ্ছে জলীয় বাষ্প ও পানি। রাইস ব্রান তেল কারখানাগুলো পলিশ কিনে নেয়, সাদা খুদ বাজারে চালের অর্ধেক দামে বিক্রি হয়। কালো খুদ আর মরা চাল পশুখাদ্য হিসেবে বিক্রি হয়। ভাবছেন চাল প্রসেসের খরচ কত? ১০০০কেজি মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানাতে খরচ হয় মাত্র ৯০০টাকা হতে ১৫০০টাকা। অর্থাৎ কেজিপ্রতি ৯০পয়সা থেকে দেড় টাকা।

🤔মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানিয়ে বিক্রেতা একটু বেশী লাভ করলে ক্রেতার ক্ষতি কি?
ছোট ক্ষতি হচ্ছে ক্রেতা চিকন চালের দামে মোটা চাল কিনছেন, অর্থাৎ কেজিতে ১৫থেকে ২০টাকা পর্যন্ত ঠকছেন। বড় ক্ষতি হলো কেজিতে ১৫ থেকে ২০টাকা বেশী দিয়ে মিনিকেট চাল নয়, ক্রেতা কিনছেন মোটা চালের আবর্জনা। কারণ, প্রসেস করার মাধ্যমে চালের উপরি আবরণ (bran অর্থাৎ pericarp, seed coat, aleurone layer, embryo) বা পুষ্টিকর অংশ বাদ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, চালের সর্বমোট ৮৫ ভাগ ভিটামিন B3 থাকে pericarp–এ, প্রোটিন আর ফ্যাট থাকে Aleurone layer -এ, খনিজের ৫১ ভাগ ও মোট আঁশের ৮০ ভাগ থাকে bran –এ, ভিটামিন B1 ও ভিটামিন E থাকে embryo -তে। চালের সব পুষ্টিকর উপাদান তেলের মিলে বিক্রির জন্য প্রসেস করে আলাদা করার পর চাল আর চাল থাকেনা, হয়ে যায় চালের আবর্জনা।

❌ মিনিকেট চাল নামে চালের আবর্জনাকে যতোটা ক্ষতিকর মনে করছেন বাস্তবে আরও বেশী ক্ষতিকর। মোটা চালকে মিনিকেটে রূপান্তর করার বিভিন্ন পর্যায়ে সোডিয়াম হাইড্রোক্লোরাইড, সোডিয়াম হাইড্রোক্লোরাইড + টুথপেস্ট +এরারুটের মিশ্রণ, সোয়াবিন তেল, ফিটকারি, বরিক পাউডার ব্যবহার করা হয়। প্রতি মৌসুমেই বের হয় নিত্য নতুন কৌশল।

❌ মিনিকেট চালে কখনো পোকা ধরেনা। কারণ পোকাও জানে এই চাল খাওয়ার যোগ্য নয়, এতে পুষ্টিগুণ নেই।
অথচ দেখতে সুন্দর এই অখাদ্যকে আমি আপনি আমাদের পরিবার কে নিশ্চিন্তে খাওয়াচ্ছি এবং নিজেরাও খাচ্ছি!
কিন্তু কেন!?😕

✨শুধু চাল নয়, এমন আরও হাজারো অখাদ্য, আবর্জনা আমরা প্রতিনিয়ত খেয়ে যাচ্ছি জেনে- না জেনে আর তার ফলাফল স্বরূপ ভুগতে হচ্ছে কঠিন কঠিন রোগে সেই সাথে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাচ্ছি এক ভয়াবহ অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনব্যবস্থা!
হিসেব টা মেলানো খুবই সহজ, বাড়িতে কোনো মুরব্বী থাকলে একটু জেনে নিতে হবে আগেকার দিনে তারা কেমন খাবার খেয়ে জীবন যাপন করেছে আর তাদের রোগ বালাই কেমন ছিলো এবং তাদের চিকিৎসা-ই বা কেমন ছিলো।
আজকের দিনে আমরা হাজারো নিত্য নতুন রোগে আক্রান্ত হচ্ছি আর নিত্য নতুন ঔষধ সেবন করে চলেছি যা একটা রোগকে ঠিক করে আরো শত রোগের জন্ম দিচ্ছে আমাদের শরীরে। এ যেনো এক চোরাবালির মধ্যে ডুবে আছি আমরা।

"সুস্বাস্থ্য যেমন
সকল সুখের মূল,
ঠিক তেমন
স্বাস্থ্যকর খাবার সুস্বাস্থের মূল।"

(সংগৃহীত)

©©

Want your school to be the top-listed School/college in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Kolkata