Education for all . সবার সাথে সবার শিক্ষা

Education for all . সবার সাথে সবার শিক্ষা

Share

We are a community of students from various colleges of Bengal who aspire to offer logical thinking

'পিঠে বইয়ের বোঝা নিয়ে, না, রাস্তায় ফুটবল নিয়ে,নাকি থিওডোলাইটের নিচে ময়লা কুড়োতে...আমি কোথায় দাঁড়িয়ে?'

Photos from Education for all . সবার সাথে সবার শিক্ষা's post 21/06/2022

এই বছরে EFA র প্রথম সামার ক্যাম্প হলো কুলপি তে, শেষ রবিবার। সে এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা।

ক্যাম্প শুরু হলো কয়েকটা সায়েন্স এক্সপেরিমন্ট দিয়ে। প্রত্যেকদিন যে ঘটনাগুলো দেখি আমরা, সেগুলোই কতটা ব্যাখ্যা করতে পারে, দেখা হচ্ছিল সেটা। ক্লাস এইটের সৌম্যদীপ চায় নিজেই একটা টিউবঅয়েল বানাতে। প্রত্যেকটা এক্সপেরিমেন্টের পরে একটা প্রশ্ন জুড়ে দেয়, যার উত্তর খুঁজতে মাথা চুলকাতে বসে যায় EFA-র ইঞ্জিনি়ারিংয়ের ছাত্রদের।

বিভা চৌধুরীর গল্প শুনতে শুনতে বনানীর চোখে জল চলে আসে, স্বপ্ন দেখতে থাকে সে, একদিন এতো বড় বিজ্ঞানী হবে সে, যাতে করে তার নামেও একটা তারা থাকে মহাকাশে। সত্যজিতের আরো বারোর একটা গল্প একটু বলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। কুণাল সেই গল্পের যা নতুন এন্ডিং বের করলো, তাতে খুব কম রোমাঞ্চকর থাকলো না আর। Zumba dance-ক্লাস এর জোর গানের আওয়াজ পাশের ঘর থেকে আসা সত্বেও, ওদের মজার গল্প শোনার উৎসাহ দমানো যায়নি, দমানো যায়নি তাদের নিষ্পাপ নির্ভেজাল কল্পনা-শক্তি কে।

মাধ্যমিকে 560 পেয়েছে ডালিয়া, বড় হয়ে তার ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা, বাংলা মিডিয়ামে এতদিন পড়েও তার দুই favourite সাবজেক্ট- বায়োলজি ও কেমিস্ট্রির বই ইংলিশে পড়ে NEET পরীক্ষা দেওয়ার অদম্য ইচ্ছা, তাই সে Newspaper আর YouTube-এর সাহায্য নেওয়ার পরেও 'স্যার'-দের কলকাতা থেকে বারবার শুধু পড়ার বই আনার আবদার করে।

ক্লাস শেষে বাচ্চা ছেলেগুলো আবদার করে 'স্যার'-দের সাথে নদীপাড়ে যাবে, কুশল যাওয়ার পথে আমাদের ঘড়ির কাঁটা ও সূর্যের অবস্থান দেখে বলে দেয় যে এখন জোয়ার হবে, এবং গিয়ে দেখি সত্যিই তাই...যেন গঙ্গা নয়, একেবারে দীঘার সমুদ্রতটে এসে পড়েছি, উথাল-পাথাল ঢেউ এসে ধাক্কা খাচ্ছে নদীতীরে, সেখানে কলকাতার গঙ্গার মত জঞ্জাল-আবর্জনা-প্লাস্টিক নেই আছে শুধু সবুজ প্রান্তর, এক পাল ছাগল চড়ে বেড়াচ্ছে, দুদিকে যতদূর চোখ যায় এই বিশাল নদী বিস্তৃত, নেই কেন Concrete- এর বিল্ডিং নেই কোনো যানবাহনের হর্ন...এমন দৃশ্য আমরা কেউই আগে কখনো দেখিনি; চললাম আমরা সকলে কেউ Jeans-এর প্যান্ট গুটিয়ে, কেউবা হাফপ্যান্ট পড়ে, গঙ্গার পবিত্র জলে পা ভেজাতে, এদিকে বাচ্চা ছেলেগুলো সাঁতরে চলে গেল বহুদূর, সংলগ্ন মাঠে খেললো অন্যদের সাথে ফুটবল, গামছা গায়ে জড়িয়ে শেষে খিদের চোটে বাড়ি ফেরা হলো সকলের...

Photos from Education for all . সবার সাথে সবার শিক্ষা's post 12/06/2022

কতটা মেধা আর কতটা পরিশ্রম ?

আমরা সকলেই মোটামুটি উচ্চ মধ্যবিত্ত -মধ্যবিত্ত বাড়ির ছেলেময়ে। মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকে গড়পড়তা ভালো রেজাল্টই ব্যাগে পুরেছি আমরা । যতটুকু মনে পড়ে, ওই সময়গুলোতে ওপরের প্রশ্নটাই বাবা-মা-পাড়া-পড়শি-আত্মীয়-স্বজনদের-পড়শি-আত্মীয়-স্বজনদের-স্বজনদের মুখে কিম্বা টিভিতে আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠতে দেখেছি, যে ছেলেটি বা মেয়েটির ভালো রেজাল্টের পেছনে মেধা কতটা ছিল আর তার সাথে কতটা পরিশ্রম জুড়ে ছিল? মানে যেন, বাবা মায়েদের একটা উদ্যোগ থাকতো প্রশ্নের উত্তরগুলো থেকে মেধা এবং পরিশ্রমের একরকম অনুপাত ঠরে-দরে আন্দাজ করে নিয়ে নিজের ছেলে-মেয়েদের ক্ষেত্রে মেধা বুঝে পরিশ্রমের দৈনন্দিন রুটিন সাজিয়ে দেওয়ার তাগিদ! তাই এই গল্পগুলো রূপকথা হতে পারেনা। রূপকথার গল্প কেমন হয় শুনবেন?

বিশ্ব শিশুশ্রম বিরোধী দিবস আজ।

এবার ভাবুন তো, যাদেরকে আমরা জন্মসূত্রে নিম্নমেধাসম্পন্ন ধরে নিই কারণ প্রত্যন্ত এলাকার পিছিয়ে পড়া অংশের অংশীদার তারা আর যাদের অধ্যবসায়ে পরিশ্রম আমাদের চোখেই পড়ে না, কারণ তারা, তাদের বন্ধুবান্ধব সকলেই শিশুশ্রমিক।

মনের ভেতরে একটা বিশ্বাস রয়েছে, সাফল্য বেপারটা একটা বানানো জিনিস। মেধা সকলের মধ্যেই আছে। নানা দিকে নানা ভাবে। সাফল্য সকলের বিচারে কিকরে মাপবো যদি সবাই সমান সুযোগই না পেলো। তাই যখন, এই মনে হওয়াগুলোর বাস্তব প্রমান পাই, তখন চোখ দয়ে আনন্দাশ্রু বয়ে আসে বইকি! বিশেষ করে আজকের কোভিড জনিত দুর্ভিক্ষসম অবস্থা, টানা স্কুল বন্ধ থাকা, অন্যদিকে সর্বগ্রাসী প্রাইভেট ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো , স্মার্টফোন - ট্যাবলেটের মধ্য দিয়ে প্রকট হয়ে ওঠা ডিজিটাল ডিভাইড - এসবের মধ্যেও যদি মাটি কামড়ে পড়ে থাকা স্বপ্নকে বাস্তব হতে দেখি, তখন চোখে জল কেন আসবে না বলুন দেখি!

হাওড়ার চেঙ্গাইল পৃথিবীর পাঠশালায় পড়তে আসা ছয় ছাত্রী জুন,সানিয়া, সালেমা, নাদিয়া, জেবা, আর্শি এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছিল। ওদের বাড়িতে স্মার্টফোন ছিল না , দামী টিউশনে পাঠানোর ক্ষমতাও ছিল না বাড়ির। লক ডাউনের প্রভাবে পড়াশুনাটাই মুলতুবি হওয়ার পথে ছিল। এদের কারোর বাবা জুট মিলের শ্রমিক তো কারোর বাবা জরির কাজ করেন । সেখানেও যখন তখন ছাঁটাই লেগেই রয়েছে। বাবা-মা পুরোটা পেরে ওঠেন না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই। ফলত বাবা মায়ের কাজে সাহায্য করেই দিনের বেশিরভাগ সময় বেরিয়ে যায় জুন, জেবা, আর্শিদের । এত কিছুর পরও কিন্তু নিজেদের স্বপ্ন ভোলেনি ওরা । ওদের প্রাপ্য নম্বর ৪২৬,৪৮৩,৪৪০,৪৮৫,৩৯৪ । ওরা হয়ত টিভিতে আসার মতো চমকে দেওয়া রেজাল্ট করতে পারেনি কিন্তু যেখান থেকে লড়াই করে ওরা বেরিয়েছে, সেটা কি নেহাতই চমকে দেওয়া নয়! প্রথম দিকে খানিক ভয় ও আত্মবিশ্বাস এর অভাব ভালোই ছিল । এখানে পৃথিবীর পাঠশালার মতো উদ্যোগ, যেখানে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা টানা দেড়বছরের বেশি লেগে রয়েছেন ওদের পেছনে, নিখরচায় পড়াচ্ছেন, উৎসাহ যুগিয়ে যাচ্ছেন তাদের অবদান তো আছে নিশ্চয়ই।

দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলার পাথরপ্রতিমা ব্লক, সুন্দরবনের প্রত্যন্ত গ্রাম সুরেন্দ্রনগরের ছাত্র রাজা রয় মাধ্যমিকের পর সায়েন্স নিয়েছিল। অনেকে না করার পরও, এলাকার স্কুলে বিঞ্জানবিভাগ না থাকার পরও রাজা সপ্ন ছাড়েনি। বিঞ্জান বিভাগে কাকদ্বীপে একটি স্কুলে ভর্তি হয়েছিল সে। বাড়িতে কেবল মা, দুই বোন, এক ভাই। বাড়ি বলতে একখান ছিটেবেড়া। সেটাও বলা যায় না। আম্ফানে একবার সে বাড়ি ভেঙে মাটিতে মিশে যায়, তার পরের বছর ইয়াসে সবে বাঁশ-কঞ্চি-খড়-প্লাস্টিক ঢেকে দাঁড় করানো বাড়ি আবার ভেঙে পড়ে। রাজার কথা আমরা এই পেজে আগেও দিয়েছিলাম। সেই সময়ে পোস্টটি থেকে জানতে পেরে রাজাকে খানিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন আমাদের পরিচিত প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তনী সিঞ্জিনি দি। কোনোভাবে রাজার জন্য একটা ছোট্টো স্মার্টফোনের বন্দোবস্ত করা যায়। ওনলাইনেই কোনো ভাবে ওকে অঙ্ক এবং স্ট্যাটিটিক্সটা দেখানোর চেষ্টা করত যাদবপুর বিশ্ববদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র দীপ নারায়ন এবং সন্মিত্র। কম্পিউটারটা দেখাত যাদবপুর প্রাক্তনী অরিজিত। কিন্তু ইন্টারনেটের দুর্বলতার জন্য বেশিরভাগ সময়ই তা ভালো করে হয়ে উঠত না।

রাজার বাবা থাকতেও নেই। একটা সংসারে বাবার যা দায়িত্ব থাকে, সেটা রাজাকেই নিতে হয় । কখনো কারো জমিতে দিন-রাত এক করে খেটে দেওয়া, কখনো কাকদ্বীপে এসে কয়েকদিনের জন্য ছোটো কিছু কাজ করে উপার্জন। রাজার মা অনেকটা দূরে একটি প্রাইমারি স্কুলে ঠিকা হিসেবে মিড-ডে মিলের রাঁধুনির কাজ শুরু করেছিলেন, সেটাও কোভিড আসতে ছাঁটাই। তবু এত কিছুর পরেও কে জানত, যে দুর্ভাগ্যের নির্নিমেষ অশনি স্বপ্নের জোরের কাছে এভাবে হেরে যায়! রাজার বিঞ্জানবিভাগে সাবজেক্ট নিয়েছিল -- গনিত, স্ট্যাটিস্টিক্স, ইকনমিক্স, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশান , সেই সাথে ছিল বাংলা, ইংরাজি। রাজার প্রাপ্ত নম্বর ৫০০ তে ৪০২। অঙ্কে প্রাপ্ত নম্বর ৯০, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশানে ৮২, ইংরাজিতে ৮৪। তবু ওর মন খারাপ, বাংলা এবং ইকনমিক্সে কম পেতে নম্বরটা কমে গেছে বলে! রাজার ইচ্ছে কোলকাতায় ভালো কলেজে পড়ার। রাজার মা যদিও চিন্তা করছেন, রাজা চলে এলে সংসার চলবে কিকরে আর কলেজে ভর্তি করতে এত টাকা লাগে, সেটাই বা জোগাড় হবে কোথা থেকে! সঞ্চয় বলে তো কখনোই কিছু ছিল না।

কিন্তু এরাই তো ভবিষ্যৎ। এদের মাধ্যেমেই তো 'জন-গন-মন' র নিদ্রিত ভারত জেগে ওঠে। হাত লাগান না এই নির্মানযজ্ঞে, যেমনভাবে পারেন তেমনভাবেই।

নইলে ভাবুন, এরকম একটা সময়, যখন শুঁয়োপোকারা কমে আসছে পৃথিবীতে, গুটি আর চোখে পড়ছে না কোথাও, আমরাও কিন্তু আর পিছন ফিরে তাকালাম না, জামাকাপড় আরো বেশি করে নষ্ট করতে শুরু করলাম। একদিন শেষ রেশমপোকা এবং শেষ গুটিপোকাটাও পৃথিবী থেকে বিদায় নেবে।

এরপরে কিন্তু আপনি কখনো আর প্রজাপতি দেখতে পাবেন না।

Photos from Education for all . সবার সাথে সবার শিক্ষা's post 12/04/2022

গত 8 ও 9 এপ্রিল বিষ্ণুপুরের রাধানগর বোর্ড প্রাইমারি স্কুলে আয়োজিত হয় অঙ্ক মেলা। আমরা "এডুকেশন ফর অল" এর পক্ষ থেকে 5 জন সেই মেলায় অংশ গ্রহণ করি, উদ্দেশ্য কিভাবে অঙ্ক কে একজন ছুঁয়ে দেখতে পারে তা প্রত্যক্ষ করা।
আমরা শুক্র বার কলকাতা থেকে বিকেলে রওনা হয় এবং সেই রাত টা আমরা স্কুল এই কাটাই।

পর দিন ভোর 6 টাই স্কুল শুরু হয়। প্রথমেই সবাই মিলে স্কুল মাঠে পরে থাকা নানা কাগজ পরিষ্কার করে তার পর এক সাথে দাড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয়। এর পর সবাই নিজের নিজের জায়গায় গিয়ে তাদের বিভিন্ন মডেল সবাই কে দেখিয়ে অঙ্কর নানান প্রসঙ্গ বোঝানোর চেষ্টা করে। সে এক অন্য রকম অভিজ্ঞতা। ছোট বেলায় যে সব অঙ্ক এর ফর্মুলা মুখস্ত করেছি সেই গুলোই খুব সহজ ও মজার ছন্দে ক্লাস 4,5 এর সেই খুদেরা আমাদের বোঝাতে থাকে। যেমন সুন্দর এই ভাবনা তেমনি সুন্দর তাদের প্রদর্শন।

প্রথমেই আমরা যাই স্থানীয় মান ও প্রকৃত মান এর ধারনা বুঝতে। তারা খুবই সুন্দর ভাবে আমাদের তা বোঝালো এবং অঙ্ক মালার সাহায্যে আমরা কিভাবে স্থানীয় মনের ধারনা পেতে পারি তাও শিখি।
এর পর আমরা ভগ্নাংশ এর দিকে এগোয়। সেখানে তারা একটি বৃত্ত কে নানান ভাবে ভাগ করে ও কিভাবে একটি ভগ্নাংশের লব ও হর কে একই সংখ্যা দিয়ে গুণ করলে আমরা একই মান পাই তাও দেখলাম।

এর পর একে একে লসাগু-গসাগু , যোগ-বিয়োগ, গুণ-ভাগ
ইত্যাদি নানান রকমের সুন্দর অঙ্কের তথ্য ঘুর দেখি।
খানিক পরে আমরা সবাই স্কুল এর মাঠে জমা হয় যেখানে আমরা একসাথে গান গাই। এর পর আমাদের পরিচয় হয় সাথে। তিনি একজন শিল্পী, তার নানান শিল্পের নমুনা দেখে আমরা মুগ্ধ হয়ে যায়। কিভাবে ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়ে আমরা সুন্দর কিছু গড়ে তুলতে পারি তা শিখলাম।

10 টাই স্কুল ছুটি হয়ে যাই। আমরা এবং স্কুল এর সব শিক্ষকেরা এই মেলা নিয়ে আলোচনা করি। যার বেশির ভাগ সময় ই ছাত্র ছাত্রী দের প্রশংসায় পর হয়। শিক্ষর- শিক্ষকেরা সবাই খুবই উত্তেজিত এই মেলা নিয়ে তা বেশ বুঝতে পারলাম।

বিকেলে সকল অভিভাবকদের ডাকা হয় এবং সব ছাত্র ছাত্রী রা সবার সামনে প্রজেক্টর এর সাহায্যে তাদের পরীক্ষা করে দেখায়। সব শেষে তারা একটি নাটক পরিবেশন করে যা পুরোটাই ছাত্র ছাত্রীরা নিজেরা আয়োজন করে।

এর পর একে একে শিক্ষক শিক্ষিকারা ও মেলার নেপথ্যে থাকা সবাই তাদের বক্তব্য রাখেন ও মেলার পরিসমাপ্তি হয়।

07/04/2022

প্রাচীনকাল থেকে জ্ঞানবিজ্ঞানের দুনিয়ায় ভারতের অবদান সম্পর্কে আমরা সবাই অবগত। অসীম গর্ব অনুভব করি ভারতীয় হিসেবে।এইতো সেদিনই তো একজন বাঙালী গবেষক বেতার আবিষ্কার করেছিলেন।সেই পরাধীন ভারতে। কিংবা সেই দক্ষিণ ভারতীয় যুবক। যার প্রতিভা দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন তাঁর উপদেষ্টা প্রফেসর হার্ডি।
এখন কেমন আছে আমাদের স্বাধীন দেশের তরুণ গবেষকেরা? যারা তাদের মেধাকে চোখ-ধাঁধানো মোটা টাকার চাকরি পাওয়ার জন্য ব্যবহার না করে উৎসর্গ করে দেয় গবেষণার পেছনে? বছরের পর বছর শারীরিক মানসিক পরিশ্রমের পরে, দিনরাত এক করে দেশবিদেশের সমস্ত প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সাথে পাল্লা রেখে কাজ করার পরে? আমরা জানতে চাইনা৷ বা আমরা জেনেও গায়ে মাখিনা। যে কারণে IISER Kolkata এর গবেষক শুভদীপ রায় বেছে নিলেন আত্মহননের পথ।
শিক্ষা বা গবেষণাক্ষেত্রে আত্মহত্যা নতুন খবর নয়। এর আগে বহু তাজা প্রাণ ঝরে গিয়েছে জীবনযুদ্ধে হার মেনে। শুভদীপ রায়ের ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দিলো যে, এই সুইসাইড কেসগুলো আমাদের কাছে জল খাওয়ার মত স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে গিয়েছে।
শুভদীপ তার সুইসাইড নোটে উল্লেখ করে গিয়েছেন তার উপদেষ্টা তাকে গবেষণার কাজে কোনো সাহায্য করেনি। দীর্ঘ আট বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করে গেছেন শুভদীপ। ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছেন সহকর্মী-ছাত্রদের, বিভিন্ন সময়ে। ইন্টারনেটে ঘাঁটলেই পাওয়া যাবে অনেক পেপার যেখানে নিজের কাজের প্রমাণ রেখেছেন তিনি। সলিড স্টেট ফিজিক্সের মতন জটিল বিষয়ে কাজ করতেন।
কেন বেছে নিচ্ছেন শুভদীপের মতন তাজা প্রাণেরা সুইসাইডের পথ? কেন একজন উপদেষ্টা তার ছাত্রকে উৎসাহ দিতে পারছেন না জীবনে আরো এগিয়ে চলবার জন্য? গবেষণার কথা উঠলেই কেন আমাদের দেশে প্রচুর ছাত্রছাত্রীদের প্রথম পছন্দের তালিকায় থাকে কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান?
কেন তরুণরা গবেষণাবিমুখ, বা গবেষণায় যোগদান করে ছেড়ে দিচ্ছেন, কারণটা খুব দুর্ভেদ্য নয়। প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা দিয়ে মূল্যায়ন করা হয় একজন শিক্ষার্থীর পরিশ্রমকে, সাথে সাথে সৃজনশীল চিন্তাভাবনা কে গ্রাস করে নিয়েছে প্রতিযোগিতাসুলভ মানসিকতা। শিক্ষার্থীরা হয়ে উঠেছেন তাদের উপদেষ্টাদের পারিশ্রমিকবিহীন ভৃত্য। দীর্ঘ একটা সময় ধরে গবেষণাক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে স্বচ্ছতা এবং পরিকাঠামোর অভাব। এসব মেনে নিয়েও শুভদীপরা দেশের মাটিতে কাজ করতে চায়৷ স্বপ্ন দেখে, একদিন পরিবর্তন আসবে, ওরাই আনবে৷ কিন্তু একদিন সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায় বাস্তবের সামনে। একলা সৈনিক, হার মেনে নেয়।
এভাবে শুভদীপদের আত্মবলিদানকে আমরা ব্যর্থ হতে দিতে পারিনা। আমরা যারা জ্ঞানের অনুসন্ধানী, তাদের উচিত এর ন্যায় চেয়ে নেওয়া। চুপ করে বসে না থেকে আমাদের উচিত, দেশীয় গবেষণাক্ষেত্রে যাতে শিক্ষার্থীদের অসহায় অবস্থায় না পড়তে হয়, তার জন্য আওয়াজ তোলা।

Photos from Education for all . সবার সাথে সবার শিক্ষা's post 31/03/2022

Some moments from today's screening of our ground report documentary - "সুন্দরবন সমাধান চায় " at TEQIP, Jadavpur University.
Further discussions on an engineer's role in addressing today's climate crisis and how climate change has ruptured our surrounding ecology were held by Biplab Adhikary( Scholar , Civil Engineering Department Jadavpur University )and Nur Alam ( Asst. Prof. Microbiology , Presidency University respectively) . EFA will undertake further physical projects to mitigate climate crises in the Sundarbans along with uniting with other environmental movements to build a better planet.

You can watch the documentary at - https://youtu.be/rZRew0UWr5c

31/03/2022

ইয়াস সাইক্লোনের পর আমরা বানিয়েছিলাম ডকুমেন্টারি সুন্দরবন সমাধান চায়। সেই ডকুমেন্টারি প্রথমবার স্ক্রীনিং হলো আজ যাদবপুরে।

ডকুমেন্টারি দেখতে পাবে ইউটিউবে : https://youtu.be/rZRew0UWr5c

25/03/2022

আজ ২৫ শে মার্চ, বিশ্ব জলবায়ু ধর্মঘট দিবস

EFA থেকে আমরা গত বছর একটা ডকুমেন্টারি বানিয়েছিলাম, "সুন্দরবন সমাধান চায়" নামে। সুন্দরবনের প্রত্যেক বছর সাইক্লোনে বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়ার কারণ আর এর থেকে বাঁচার উপায় নিয়ে আলোচনা করে।

জলবায়ু দিবস উপলক্ষ্যে সেই ডকুমেন্টারি একবার স্ক্রিনিং হবে যাদবপুরে, মঙ্গলবার ২৯ শে মার্চ বিকেলে আর আলোচনা হবে প্রকৃতি ধ্বংস র থেকে বাঁচার উপায় খুঁজে।

14/03/2022

Sci থেকে π

কলমে সৌরভ দেবনাথ

কেশব নাগ স্যারের টিউশন থেকে বেরিয়ে সৌম্যর মন খারাপ। বেচারা বকুনি খেয়েছে পাই মূলদ সংখ্যা নাকি অমূলদ সংখ্যা বলতে না পারার জন্য। এরপর আবার বিজ্ঞান পড়তে যাবে তাদের পাড়ার তিস্তাদির কাছে। তিস্তাদি ফিজিক্স অনার্স পড়ে থার্ড ইয়ারে। এই তিস্তাদির কাছে পড়তেই ওর সবথেকে বেশি ভালো লাগে। বিজ্ঞান এত সুন্দর করে বুঝিয়ে দেয় মাঝে মাঝে ও নিজে অবাক হয়ে যায়। এর অনেকগুলো কারণ আছে। তিস্তাদি পড়া না পারলে বকেনা। সময় নিয়ে খুব ভালোভাবে বুঝিয়ে দেয়। আরো একটা কারণ হল ক্লাস সিক্সের একটা বাচ্চার স্কুলের ল্যাবগুলোর প্রতি যে কৌতূহল থাকে সেটা কৌতূহল হয়েই থেকে যায়। কারণ ইলেভেনের আগে কাউকে ল্যাবে ঢুকতে দেয়না। কিন্তু তিস্তাদি সেই ইচ্ছে পূরণ করে দেয়। দিদির বাড়িটা যেন আস্ত একটা ল্যাব। মাইক্রোস্কোপ থেকে শুরু করে টেলিস্কোপ পর্যন্ত আছে। আগেরদিনই দিদি আকাশ দেখাচ্ছিল টেলিস্কোপ দিয়ে। সেইসাথে বলেছিল গ্যালিলিওর করুণ পরিণতির কথা। তিস্তাদির ইচ্ছে এরপর অ্যাস্ট্রফিজিক্স নিয়ে পড়ার। অ্যাস্ট্রফিজিক্স কথাটা দিদির কাছেই শুনেছে সৌম্য। তিস্তাদির কাছে এইজন্য পড়তে ভালো লাগে সৌম্যর যে দিদি বিজ্ঞানের আবিস্কার, উদ্ভাবন এমনকি বিজ্ঞানীদের নিয়ে অনেককিছু বলে যেগুলো স্কুলের স্যার কোনোদিন বলেননি। আজকে পড়ার ঘরে ঢুকতেই গোমড়া মুখ দেখে বলল " কিরে নাগ স্যারের কাছে বকুনি খেয়েছিস?" সৌম্য গোমড়া মুখে বলল "হুমম!" । দিদি জিজ্ঞাসা করল
- " কি হয়েছিল?"
- " পাই মূলদ নাকি অমূলদ বলতে পারিনি"
হাসতে হাসতে তিস্তাদি বলল
- "পাই ডের দিন এমন ভুল!"
- "পাই ডে মানে?"
- "মানে আজকের দিনটা তো ১৪ই মার্চ। ইংরেজিতে লিখলে সেটা হয় ৩.১৪.২২। এবার বৃত্তের পরিধি বের করার সময় যে ২২/৭ লিখিস সেটা দশমিকে লিখলে ৩.১৪ লেখা হয়।"
- "অ! বুঝলাম। আচ্ছা তুমি তো বলেছিলে আজকে আইনস্টাইনের জন্মদিন তাই না?"
- "হ্যাঁ ঠিক বলেছিস। আর সাথে স্টিফেন হকিংয়ের মৃত্যুদিন।"
- " হ্যাঁ মনে পড়েছে। সেই হুইলচেয়ারে বসা লোকটা। ডিসকভারিতে ওনার একটা শো দেখেছিলাম তোমার ল্যাপটপে। আচ্ছা দিদি ওনাদের ব্যাপারে কিছু বলোনা।"
- " বলব। তার আগে তোকে মূলদ সংখ্যা, অমূলদ সংখ্যার ব্যাপারটা বোঝাই। আর সাথে বাকি পড়াটা করে আজকে আবার আকাশ দেখাবো।"
সৌম্যর মুখে এবার ভীষণ চওড়া একটা হাসি দেখা গেল।
পড়ার পর্ব শেষ হওয়ার পর তিস্তাদি টেলিস্কোপটা ছাদে নিয়ে এল। সেট করে দেওয়ার সাথে সাথে সৌম্য একরাশ কৌতূহল নিয়ে আইপিসে চোখ রাখলো। সৌম্য বলল
-"পাই এর দশমিকের পরের সংখ্যাগুলোর মতোই মহাশূন্য অসীম তাইনা?"
-" কাব্যি করে বলতে পারিস। তবে এটারও একটা শুরু আছে। আর যে মহাশূন্য আদৌ শুন্য নয়।"
শঙ্খ আইপিস থেকে চোখ সরিয়ে বলল
-" মানে? আমার তো কিছুই মাথায় ঢুকছেনা।"
-"স্বাভাবিক। আইনস্টাইন যখন তার আপেক্ষিকতাতত্ত্ব প্রকাশ করেন তখনো তাবড় তাবড় বিজ্ঞানীদের মাথায় ঢোকেনি ব্যাপারগুলো। বলি তবে তোকে। তুই যেমন ক্লাস থ্রি থেকে জেনে এসেছিস পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘোরে পাঁচশো বছর আগেও মানুষ উল্টোটা ভাবত। বলতে পারিস ব্যাপারটা শুরু ডেনমার্কের একজন জ্যোতির্বিদ টাইকো ব্রাহের হাত ধরে। ভদ্রলোক কিন্তু এটাই বিশ্বাস করতেন সূর্য্য পৃথিবীর চারিদিকে ঘোরে। কিন্তু মঙ্গল গ্রহের গতিপথ ব্যাখ্যা করতে পারছিলেননা কিছুতেই। তাঁর মৃত্যুরপর তাঁরই ছাত্র যোহানেস কেপলার সেই ডেটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে দেখলেন যদি পৃথিবীকে সূর্যের চারিদিকে ঘোরানো যায় তাহলে একদম খাপে খাপে সব বসে যাচ্ছে। সব প্রেডিকশন মিলে যাচ্ছে। ঐ সময়েই পোল্যান্ডের এক গণিতজ্ঞ নিকোলাস কোপারনিকাস একই কথা বলেন। ততদিনে কিন্তু টেলিস্কোপ আসেনি। টেলিস্কোপ আসে কোপারনিকাসের মৃত্যুর পর। হল্যান্ডের হানস লিপার্সে একটা যন্ত্র বানান যেটা দিয়ে দূরের জিনিস কাছে দেখা যায়। কিন্তু সেটা উল্টো। এই খবর শোনার পর ইতালির পিসা শহরের একজন বিজ্ঞানী সেই ডিজাইন ঠিক করার চেষ্টা শুরু করলেন। তিনি গ্যালিলিও গ্যালিলি। সফলও হলেন। বিপ্লবটা এখান থেকেই। এতদিনে একটা ঠিকঠাক যন্ত্র তৈরি হলো যেটা দিয়ে এতগুলো শতাব্দী ধরে চলে আসা ভুল ধারণার মুলে কুঠারাঘাত করা যায়। তিনি চাক্ষুষ প্রমাণ দেখিয়ে দিলেন। চার্চের এসব সহ্য হলনা। কারণ সত্যিটা বেরিয়ে পড়লে যে মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবেনা। তখন তো চার্চের সাথে রাজার একেবারে গলায় গলায় সম্পর্ক। ব্যাস কারারুদ্ধ করা হলো গ্যালিলিওকে। সেটা নিয়ে আরেকদিন বলবো। এবার আমাদের গল্পে এলেন স্যার আইজ্যাক নিউটন। যে বছরে গ্যালিলিও মারা যান সেই বছরেই জন্ম হয় নিউটনের। কেপলার তিনটে সূত্র দিয়ে যান গ্রহগুলোর চলন ব্যাখ্যা করার জন্য। নিউটন বললেন তিনটে সূত্র লাগবেনা। যে কারণে গাছ থেকে আপেল মাটিতে পড়ে সেই কারণেই গ্রহগুলো সূর্য্যকে প্রদক্ষিণ করে। কিন্তু নিউটন ব্যাখ্যা দিতে পারলেননা কিভাবে কোনো স্পর্শ ছাড়া কোনো বল কাজ করে। এখানে এলেন তার প্রায় দুশো বছর আলবার্ট আইনস্টাইন। তিনি বললেন মহাশূন্য আদতে শুন্য নয়। ভরের প্রভাবে মহাশূন্য দুমড়ে মুচড়ে যেতে পারে। ধর একটা চাদরের ওপর একটা ভারী বল রাখলাম। এবার তার পাশে একটা হালকা বল রাখলে সেটা ঐ বলটাকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকবে। আইনস্টাইন বললেন স্পেস হলো সেই ত্রিমাত্রিক চাদর। শুধু তাই নয় সময়ের গতিও ভরের প্রভাবে বাড়ে কমে। এবার বিজ্ঞান তো ধর্মীয় গল্পকথা নয়। তুমি যাই বলনা কেন তোমাকে প্রমাণ দিতে হবে। এমনকি আইনস্টাইন নিজে বলেছিলেন বিজ্ঞানমহল যেন প্রমাণ ছাড়া তাঁর তত্ত্ব গ্রহণ না করে। নিউটন তখন অবধি সর্বকালের সেরা বিজ্ঞানী। সবাই তাকে ঈশ্বরের আসনে বসিয়ে রেখেছে। কিন্তু বিজ্ঞানের পরিধিতে যেমন ঈশ্বরের ঠাঁই নেই তেমন ঈশ্বরের আসনেও কাউকে বসানো সে কখনো মেনে নেয়না। ব্রিটিশ অ্যাস্ট্রোনমার আর্থার এডিংটনের সাহায্য নিয়ে ১৯১৯ সালের এক সূর্য্যগ্রহণের সময় দেখিয়ে দিলেন আলো কিভাবে ভরের প্রভাবে বেঁকে যায়। সেই ঘটনা আলাদা একটা দিনের জন্য তোলা রইলো। হিটলার সেই সময় ইহুদিনিধনযজ্ঞ শুরু করেছিল। এই সমস্ত ইহুদি বিজ্ঞানীরা আশ্রয় নিলেন আমেরিকায়। আমেরিকা পরমাণু বোমা বানাতে পেরেছিল ঠিক এই কারণেই। প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট তাঁর চিঠি পেয়েই সেই কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু আইনস্টাইন নিজে সেই বোমা প্রয়োগের বিপক্ষে ছিলেন। জাপানে পরমাণু বোমা ফেলার পর সবথেকে বেশি কষ্ট মনে হয় তিনিই পেয়েছিলেন। কারণ তিনি সর্বতভাবে শান্তিকামী মানুষ ছিলেন। তাঁর কাজ তো মহাবিশ্বকে নিয়ে। তাঁর বাড়ি তাঁর দেশ তো ছিলো সমগ্র পৃথিবীটা। এই স্টিফেন হকিং আর ওনার মধ্যে একটা বড় মিল হলো ওনারা এমন একটা সমীকরণ দিয়ে যেতে চেয়েছিলেন যেটা খুব বড়ো হবেনা কিন্ত পরমাণুর অন্দর থেকে বড়ো বড় নীহারিকার চালচলন ব্যাখ্যা করা যাবে তাই দিয়ে। হকিংয়ের নাম শুনলে প্রথমেই মনে আসে ব্ল্যাকহোলের কথা। সবাই মনে করত ব্ল্যাকহোল সব কিছু গিলে খায়। কিছুই বেরোতে পারেনা তা থেকে। কিন্তু উনি অঙ্ক কষে দেখালেন ব্ল্যাকহোল থেকেও কিছু জিনিস বেরিয়ে আসতে পারে। অবশ্য সেটা এখনও প্রমাণ করা যায়নি। ২০২০ তে ফিজিক্সে নোবেল পেলেন রজার পেনরোজ তাঁর হকিংয়ের সাথে কাজ আছে সিংগুলারিটি নিয়ে। এই সব কাজের সাথে একজন বাঙালির নামও জড়িয়ে আছে। পদার্থবিদ অমল কুমার রায়চৌধুরী। ২০১৮ সালের আজকের দিনেই মৃত্যু হয় হকিংয়ের। হুইলচেয়ারে বসে যে মানুষটা শুধু মস্তিষ্কের জোরে যুক্তি দিয়ে ঈশ্বর নামক কাল্পনিক সত্বাকে কিস্তিমাত করেছেন।"
চোখ বড় বড় করে সৌম্য এতক্ষন শুনছিল। এবার বললো
- " অসাধারণ!"
-"এই মানুষগুলো আমাদের শিখিয়েছেন জ্ঞানের কাছে মাথা নত করতে। যেখানে আমাদের সীমাবদ্ধতা সেখানে যেন আমরা নতমস্তকে স্বীকার করি যে আমি জানিনা। শিখিয়েছেন সমগ্র পৃথিবীকে আপন করে নিতে। আজকের দিনটা তাই সত্যিই গুরুত্বপূর্ন। আমরা এখন পৃথিবীটাকে কি করে ফেলেছি দেখ। প্লাস্টিক দূষণ, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, কাল্পনিক ঈশ্বরকে নিয়ে অহেতুক মারামারি। সেই সবকিছুর উর্ধ্বে উঠে আমাদের ভাবতে হবে। ওনারা মহাবিশ্বকে দেখে বিস্মিত হয়েছেন। ওনাদের জ্ঞান মশালের মত আমাদের হাতে দিয়ে গেছেন। হয়তো ওনারা না থাকলে আমরা কয়েক শতাব্দী পিছিয়ে থাকতাম জ্ঞানের দিক থেকে। জ্ঞান তো পাই এর শেষ সংখ্যাগুলোর মতোই অসীম।"
-" জানো তো দিদি আমাদের স্কুলে স্যার বা ম্যাডাম কেউ এমনভাবে বলেনা।"
তিস্তাদি সৌম্যর মাথায় হাত রেখে একটু হেসে বলল
-" বললে কি আর আমার কাছে আসতিস?"

"Exploration is in our nature. We began as wanderers, and we are wanderers still. We have lingered long enough on the shores of the cosmic ocean. We are ready at last to set sail for the stars." - Cosmos, Professor Carl Edward Sagan

Pic source: space.com

Photos from Education for all . সবার সাথে সবার শিক্ষা's post 12/03/2022

আজ ১২ই মার্চ ২০২২, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের TEQIP Buildingএ আয়োজিত হলো একটি সফল Workshop যার বিষয় ছিল Low-cost No-cost Experimentএর মাধ্যমে বিজ্ঞান শিক্ষাকে আরো প্রাণবন্ত আরো মজাদার করে তোলা যাতে শিশুমন তা আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করতে পারে তাকে মুখস্থ করতে না হয় ।
আমরা আমাদের রোজকার জীবনে প্রতিদিনই বিজ্ঞান ব্যবহার করি, সেটা আলো জ্বালানো হোক বা dropperএ করে ওষুধ খাওয়া এবং এই প্রতিটা ছোট ছোট কাজের পিছনে থাকে প্রচুর বৈজ্ঞানিক ঘটনা যেগুলো আমরা ঠিক সেভাবে খেয়াল করি না ব্যস্ততার কারণে। এই ছোটো ছোটো ঘটনাগুলো থেকেই আমরা বিজ্ঞান শিখতে চেষ্টা করলাম আজ, আর এই ছোটো ঘটনাগুলোই একজন শিশুর মনে জাগিয়ে তুলতে পারে প্রশ্ন যা আসলে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রথম ধাপ। যেমন খুব ছোটো উদাহরণ হলো Dropperএর ব্যবহার বা Vacuum Cups, বায়ু চাপকে এবং পদার্থের নমনীয়তা কাজে লাগিয়ে খুব সহজ বিজ্ঞানের প্রয়োগ কিন্তু খুব brainstorming এবং একজন শিশুর কাছে খুব মজার এবং এমন কিছু যা থেকে সহজে বায়ুচাপ এবং বল সক্রান্ত বিজ্ঞান শিখতে পারে।
এরকম আরো বেশ কিছু রোজকার জীবনে ঘটে চলা ঘটনার বাখ্যা খোঁজার চেষ্টা করলাম আজ, আমাদের সাহায্য করলেন SCF(Science Communicators Forum)র সদস্যরা, তাদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন আমাদের সাথে, শেখালেন বিজ্ঞানের নানা খুঁটিনাটি। ভবিষ্যতে আমরা এমনি আরো Workshop করার চেষ্টা করবো এবং চেষ্টা করবো Study Camp করার যাতে এই ছোটো ছোটো No-cost Low-cost Experimentগুলো শিশুদের কাছে নিয়ে যেতে পারি এবং বিজ্ঞানমনন আরো কিছুটা ছড়িয়ে যায় আরো কিছু হাসি হাসি মুখ নিয়ে। তোমার/আপনার ভালো লাগলে, উৎসাহ থাকলে আসুন/এস একসাথে হাঁটা যাবে।

নীচে রইলো আজকের Workshopএর কিছু মুহৃর্ত।

10/02/2022

Education have never been a priority of any sitting government despite whatever their claims may be. However, the direct assault on education and logical thinking have reached unprecedented levels during the current BJP government. From fund cuts to almost every sector of education, to controlling the directions of academic curriculum and research and funding Cow Science research in IITs, the current government has practically done away with even the pretense of caring about education. Education in its truest form is a journey of constant exploration; exploration of nature, of society, of one's true self. It is something that uplifts the people, enabling them to think and analyse things critically. The ruling forces have always tried to force the narratives of the education to their benefit, hell bent on suppressing any semblance of critical thinking in the population. Students, particularly in universities and colleges are most often raise the righteous voice of protests against the regressive and undemocratic practices and policies of the government, from Shahbag in Bangladesh to Hokkolorob in our very own Jadavpur University. Hence, it is no wonder that authoritarian regimes across the world, throughout history have made it one of the prime targets in the attack on the citizens of their country, from the dismantling of Gotingen to the recent attacks on JNU or SUST, Sylhet we find plenty of examples . Moreover, if the said regime have a 'target' population, education again becomes a key point of attack; we can see that from the exclusion of the people of colour from the school system in the apartheid south africa or the segregation of schools in the U.S.A. to how Dalit and Adivasi population have been excluded from the educational sector in our very own country. And it's

During the lockdown, the vast majority of students in our country were practically disenfranchised from the education system. Even as schools and colleges reopens now, we see absolutely no effort from the government to address these lost two years. Rather than concerning themselves with any of the myriad of issues facing our country’s youth going back to their schools and colleges after this prolonged and unprecedented gap, the Karnataka Government’s pre university colleges have made it their highest priority to prevent girls from entering the campus premises if they are wearing hijab. We see a mob of hooligans harassing a woman, a student going to submit her assignment purely because she chose to not give up her fundamental right to religion to pursue her fundamental right to education and the government, rather than trying to take any action against these perpetrators, endorses them.

These events are to be viewed in the context of a nation where the prime minister proudly boasts that the protesting citizens 'can be identified by their clothes', of a time when history is being changed to create a false narrative of their own hindutva agenda. It is absurd for the government to claim they want to distance education from religion when they do 'Bhitti Puja' to set up buildings in Indian Institute of Science - Bangalore, when they try to impart 'Knowledge of the Vedas' on students across IITs and other government colleges. As always, education and students are under assualt from all fronts from an authoritarian regime, the narratives of history are being changed, sciences and logical thinking are being redefined through government policy, students are barred from educational institutes based on their identities. We also take our inspiration from history, no attempt to put us, the students, the academicians, the people who treasure education, knowledge and scientific temperament have ever succeeded throughout history, across the globe. Education is a light that keeps shining through it all and despite all the onslaught, it would always emerge victorious.

Illustration Courtesy: Agrima Kaji

09/02/2022

Education for All is a platform by the students of Jadavpur University, aiming to locate the problems in today's education system and invent the solutions for them - curating new methods of teaching, setting up pathshala around Bengal, doing science camps in school and much more.

In the venture, we, your seniors, invite you all to be a part of it to make us stronger and making changes that matter!

Let's meet in the online orientation program this Saturday evening. Fill up the form below, so that we can reach you out.

https://forms.gle/PpCMGVF1cm6FYnU3A

Want your school to be the top-listed School/college in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Kolkata
7000071