24/12/2021
Middle Class Bangali
আমাদের মানবজাতির বিভিন্ন দিক কে সকলের সামনে এক নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরাই এই পেজের একমাত্র লক্ষ্য...
24/12/2021
03/12/2021
কদিন থেকে বাদাম নিয়ে বেশ মাতামাটি ফেসবুক জুড়েই। সবার মুখে মুখে একটাই গান কাঁচা বাদাম। এই গানের সুর শুনেনি এমন লোক কমই আছে। আসুন জেনে নেই কি সেই রহস্য।
আজকাল ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ প্রায় সবকয়টি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বুঁদ হয়ে আছে ‘কাঁচা বাদাম’ গানের সুরে। অথচ এই গানের রচিয়তা কি কখনো ভেবেছিলেন তার সুরে মাতোয়ারা হবে বাঙালিরা? ইউটিউব থেকে টুইটার, ফেসবুক থেকে টিকটক সব জায়গায় নজর কাড়ছে ভুবনের ‘কাঁচা বাদাম’ গানটি।
ভারতের বীরভূম জেলার দুবরাজপুর ব্লকের কুড়ালজুড়ি গ্রামের বাসিন্দা বাদাম বিক্রেতা ভুবন বাদ্যকর। পুরনো বাইকের পিছনে বাদামের বস্তা চাপিয়ে গান গাইতে গাইতে বাদাম বেচছেন ভুবন, কুড়ালজুড়ি গ্রামে এ অতি পরিচিত ছবি। তবে ইউটিউব খুললেই তার গান ভেসে উঠছে, এটি গ্রামের বাসিন্দাদের কাছে নতুন বিষয়। ‘বাদাম বাদাম দাদা কাঁচা বাদাম, আমার কাছে নাই গো বুবু ভাজা বাদাম… ’, ভুবনের এই গান রিমিক্সও করেছেন বহু শিল্পী। ভুবনের গান সাড়া ইন্টারনেটে সাড়া জাগালেও তার সংসারে হতদরিদ্র অবস্থা ঘোচেনি।
ভুবন জানান, চিন্তা-ভাবনা করতে করতে গানটা লিখে ফেলেছি। তাতে আমি সুর বসাই। গ্রামগঞ্জে ঘুরে ঘুরে বাদাম বিক্রি করি। বাংলার বাইরেও ঝাড়খণ্ডে বাদাম বিক্রি করেছি। আগে সাইকেলে করে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বাদাম বিক্রি করতাম। আজকাল মোটরবাইকে চড়ে বিক্রি করি। ১৫ হাজার টাকা জোগাড় করে পুরনো একটা বাইক কিনেছি।
ভুবনের গানে মুগ্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ওয়াহিদ রেজা খানও। তিনি বলেন, আমরা জানতাম না যে আমাদের ছোট্ট গ্রামে এতো প্রতিভা লুকিয়ে রয়েছে। শুধু আমাদের গ্রামেই নয়, গোটা বিশ্বে এই গান ছড়িয়ে গিয়েছে। ভুবন বাদ্যকরের ‘কাঁচা বাদাম’ গানটি নিয়ে বাংলাদেশের শিল্পীরাও রিমিক্স করেছেন।
তবে অদ্ভূদ একটা ব্যাপার হঠাৎ করেই আমরা কোন অখ্যাত মানুষকে বিখ্যাত বানিয়ে দেই।
এটাকে বলে পাওয়ার অফ সোশ্যাল মিডিয়া।।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
13/11/2021
সকলকে জানাই জগদ্ধাত্রী পুজোর আন্তরিক শুভেচ্ছা...
#কৃষ্ণনগরের_পুজো_২০২১
© Middle Class Bangali
16/10/2021
স্বপ্ন পূরণের প্রবল ইচ্ছাই মানুষকে সফল করে তোলে...
05/10/2021
মা আসছে... 😍
21/09/2021
অনেকেই হয়তো জানেন আবার অনেকেই জানেন না।
*সাগু বা সাবুদানা আসলে কি?*
সাগু বা সাবুদানা আমাদের খুব পরিচিত একটা খাবার। ছোটবেলা অসুখ হলেই সাগু খেতে হত। জ্বর হয়েছে আর সাগু খাননি এমন লোক খুব কমই আছে। প্রাচীন কালে সাগু রোগী বা বাচ্চাদের খাবারের তালিকায় থাকলেও বর্তমানে সাগুতেও আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে । আজকাল সাগু দিয়ে নানা ধরনের মজাদার ফালুদা, পায়েস , সুজি – সাগুর হালুয়া ছড়াও আলু ও অন্যান্য সব্জির সংগে পানিতে ভেজানো সাগু দিয়ে চপ ,বড়া তৈরি করা হয়। এটি শর্করার বেশ ভাল একটি উৎস। সাধারনত দেখতে ছোট ছোট সাদা দানাদার আকারের মুক্ত দানার মত। সাগুদানাকে ইংরেজিতে “সাগু পার্ল” বলে।
কিন্তু কোথা থেকে আসে এই সাগু বা সাবুদানা। এটি কি কোন গাছে ধরে? নাকি একেবারেই হাতে বা মেশিনে তৈরি করা হয়? আমরা খুব কমজনেই এসকল প্রশ্নের উত্তর জানি। আসুন আমরা জানার চেষ্টা করে দেখি কোথা থেকে আসে এই সাগু। এক প্রকার পাম গাছ থেকে এই সাগু উত্পাদিত হয় যার বৈজ্ঞানিক নাম Metroxylon sagu. এই নামের Metroxylon শব্দটি গ্রিক Metro থেকে এসেছে, যার অর্থ “গাছের নরম অন্তসার” আর xylon অর্থ “কাঠ” থেকে এসেছে। এটি Arecaceae ফ্যামিলির একটি উদ্ভিদ। লম্বায় ৭ থেকে ১৭ মিটার পর্যন্ত হয়। কখনো কখনো ২৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। প্রতিটি গাছে ২০-২৫ টির মত পাতা হয়। এটি একটি ওষধি গাছ, মানে এতে একবারই ফুল ফোটে এবং ফলে ধরার পর গাছ মারা যায়।
অনেকে ধারণা করেন সাগু আসলে গাছের ফল। যদি গাছের ফলই না হয় তা হলে এটা কিভাবে পাওয়া যায়? এখন কথা হচ্ছে, গাছের কোথায় সাগু ধরে? এটা অনুমান করা সহজ কিন্তু সঠিক উৎসটা কল্পনায়ও আসার কথা নয়। আসলে সাগু পাওয়া যায় এই পাম গাছের কান্ডের ভেতরে। তবে ওরকম গোল দানাদার আকারে নয় , ওরকম গোল গোল পরে বানানো হয়। ৭ থেকে ১৫ বছর বয়সে যখন সাগু গাছে ফুল ধরার সময় হয়, তখন গাছ কেটে এর কান্ডকে চিড়ে ফেলা হয়। এরপর এর কান্ডের ভেতরের নরম “পিথ”কে ধারাল কিছু দিয়ে কুপিয়ে আলাদা করা হয়। এরপর একে পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এর ভেতরের স্টার্চ পানির নিচে জমা হয়। পানি দূর করে এই সাদা রংয়ের স্টার্চকে আলাদা করে শুকানো হয়। শুকিয়ে নিলে, এটাকে বলে সাগুর ময়দা। একে এভাবেই খাওয়া যায়। তবে এই ময়দা আকারে সাগু সাধারনত আমরা খাই না। আমরা যে সাগুদানা খাই তা মেশিনে সাগুর ময়দা থেকে ছোট ছোট দানা আকারে তৈরি করা হয়। একটি পূর্ণ গাছ থেকে ১৪০ থেকে ৩৫০ কেজি পর্যন্ত সাগু পাওয়া যেতে পারে।
সাগু প্রধানত উৎপাদিত হয় ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিজি, পাপুয়া নিউগিনি, সিংগাপুর, থাইল্যান্ড, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ও ভারতে। তবে চীনারা এখন সাগু ময়দা আমদানী করে নানা বর্ণের ও নানা আকারের সাগু তৈরী করে বাজারে বিক্রি করে। এটি সহজেই হজম হয় , শরীরে দ্রুত শক্তি যোগায়, পেশী সংকোচন এ সহায়তা করে , পানির ভারসাম্য রক্ষা করে। সম্পৃক্ত চর্বি খুবই কম থাকায় হার্টের রোগীদের জন্য ভালো একটি খাবার।
প্রকৃত পাম বলতে এই সাবুর গাছকেই বোঝায়। এরা এরিকাসি(Arecaceae) পরিবারের সদস্য। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ায় প্রচুর পাম গাছের চাষ হয়।
সাবু গাছের মোটামুটি তিনটি প্রজাতি প্রধান:
মেট্রোক্সিলোন সাগু (ছবিতে যে গাছটি দেখছেন )(Metroxylon sagu ), Cycas Revoluta বা King Sago বা Sago plam এবং Cycas Rumphii বা Queen Sago.
সাবু গাছের ছড়িয়ে পড়া পাতার কেন্দ্রে সাবুর কোন হয়। সে কোন সম্পূর্ণ পেকে গেলে গাছ মরে যায়। তাই কোন হওয়ার আগেই আগা কেটে কান্ড চিরে ফ্লোয়েম কলার সিভনলের নির্যাস বের করে নেওয়া হয়। তা জল দিয়ে ফুটালে আঠালো লেই বেরিয়ে আসে।
বাজারে আমরা যে মুক্তোর দানার মতো সাবু কিনি তা ওই লেই থেকে তৈরি করা হয়। সেই পদ্ধতিকে বলা হয় জিলেটিনাইজেশন (gelatinization).
সাবু হলো স্টার্চে ভরপুর একটি খাদ্য। কিন্তু সহজপাচ্য নয়। কারণ স্টার্চ-এর অণুগুলি অত্যন্ত জটিল বন্ধনীতে বাঁধা থাকে, যা আমাদের পাচনতন্ত্র হজম করতে পারে না। জিলেটিনাইজেশন সেই বন্ধনী শিথিল করে সাবুকে সহজপাচ্য করে তোলে। এ এক রাসায়নিক পদ্ধতি, এর বিপরীতমুখী প্রক্রিয়া হয় না।
শুকনো অবস্থার তুলনায় অঙ্কুরিত ছোলা মটর যেমন সহজপাচ্য, সাবুও তেমনি। বাজারের সাবু আমরা জলে ভিজিয়ে খাই। রোগীকে দেওয়ার সময় সাবু জল বা দুধ দিয়ে ফোটানো হয়। তাতে হাইড্রোজেন বন্ডের শূন্যস্থানে জল প্রবেশ করে সাবুকে আরও সহজপাচ্য করে তোলে।
কিড সাহেব অনাহারী মানুষের জন্য ভাতের বিকল্প হিসেবে সাবুর প্রচলন করার চেষ্টা করেছিলেন।
হারাপ্পা সভ্যতার মানুষ ওট, বার্লি খেত।
(সংগৃহীত)
18/09/2021
Thank you sir ❤️❤️❤️❤️❤️
সতর্কীকরণ_বার্তাঃ-
গতকাল প্রায় দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলো। ফোন তুলতেই একজন মহিলা কন্ঠে জানালেন, খুব দুঃখিত দাদা, আমি অনলাইনে ভ্যাকসিনের রেজিস্ট্রেশন করছিলাম, ভুল করে আমার মোবাইল নাম্বারটার জায়গায় আপনার নাম্বারটা দেওয়া হয়ে গেছে। কারণ, আপনার আর আমার মোবাইল নাম্বারটায় অনেক মিল আছে। তাই ভুল করে ফেলেছি। একটু পরেই আপনার মোবাইলে একটা ওটিপি আসবে, প্লিজ ওটা মেসেজ বা রিং করে দেবেন। নতুন করে রেজিস্ট্রেশন করতে গেলে আবার ২৪ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে।
আমার মোবাইলে একটু পরেই একটা ওটিপি এলো। সাথে সাথে অন্য আরেকটা নাম্বার থেকে আবার সেই ফোন- দাদা ওটিপি টা এসেছে? প্লিজ আমাকে জানান।
আমি একটু বুদ্ধি খাটিয়ে বললাম আপনার যে নাম্বারটা আমার মত সেটা থেকে একটা কল করুন!
জবাব এলো- ঐ নাম্বারটায় একদম ব্যালেন্স নেই, তাই এই নাম্বার থেকে কল করেছি।
পরক্ষণেই আমার মোবাইলে ব্যাংকের মেসেজ এলো- "আপনি কি আপনার নেট ব্যাংকিং এর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন এর জন্য রিকোয়েস্ট করেছেন? তাহলে পাঠানো ওটিপি টা ব্যাবহার করুন, রিকোয়েস্ট না করে থাকলে নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন"।
মাথা গরম হয়ে গেলো। সঙ্গে সঙ্গে প্রথম ও দ্বিতীয় নাম্বারে ফোন করলাম, জবাব এলো- সার্ভিস এরিয়ার বাইরে তাই যোগাযোগ সম্ভব নয়।
এটা একটা নতুন ভাবে ব্যাংক জালিয়াতির প্রচেষ্টা। আমি দু'টো নাম্বারই ব্যাংকে জানিয়ে দিয়েছি। তাই, সবার কাছে অনুরোধ এই খবরটা যত জনকে পারবেন ফরোয়ার্ড করুন ও নিরাপদে থাকুন, ধন্যবাদ।
সংগৃহীত
12/09/2021
#স্মরণে_বিভূতিভূষণ
★কলমে:পুষ্পল চক্রবর্ত্তী।
★তাং:১২/০৯/২০২১
***********************************************
১৮৯৪ সালের ১২ই সেপ্টেম্বর জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় উঃ ২৪ পরগণা জেলার কাঁচরাপাড়ার নিকটবর্তী ঘোষপুরে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মহানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়, মাতা মৃণালিনী দেবী। ছেলেবেলা থেকেই চরম আর্থিক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে বিভূতিভূষণকে পড়াশোনা চালাতে হয়। দারিদ্র্যের কারণেই চিরকাল হেঁটেই স্কুলে যেতেন। এই সময় থেকেই পল্লীগ্রামের সৌন্দর্য দু চোখ ভরে উপভোগ করতেন। পথের সৌন্দর্যই তাঁর মনে প্রকৃতি প্রেম জাগিয়ে তোলে। সবসময় প্রকৃতিকে নিরীক্ষণ করতেন। গাছের ডালে বসে আকাশের বদলাতে থাকা রং দেখতেন। গভীর রাতে দেখতেন গভীর কালো আকাশ। তার প্রতিফলন ঘটেছিল তাঁর লেখনিতে।
"উপেক্ষিতা" নামক উপাখ্যান দিয়ে যে সাহিত্যচর্চার শুরু হয়েছিল, সে কলম আর থামে নি। দু'চোখ ভরে জগৎকে দেখেছেন। সংসার জীবনে দারিদ্র্যতা আর একাকিত্বের আগুনে দগ্ধ হয়ে দুনিয়ার পথ বেয়ে এগিয়ে চলেছেন আর সৃষ্টি করেছেন একের পর এক কালজয়ী সাহিত্যকর্ম।
প্রথম স্ত্রী গৌরী দেবীর মৃত্যু তাঁর মনরাজ্যে চরম অন্ধকার সূচিত করলেও তাঁর বাস্তববোধ ও উন্নত জীবনবোধ ম্লান করতে পারে নি। তাই তাঁর জীবনে যখন রমাদেবীর আবির্ভাব ঘটে এবং দুজন, ক্রমে যখন প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পড়েন এবং রমাদেবী তাঁকে বিবাহের প্রস্তাব দেন তখন লেখক তাঁর উদ্দেশ্যে বলেন, "আমার সাথে তোমার বয়সের অসম্ভব তফাৎ। তুমি না হয় ছেলেমানুষ, বুঝতে পারছ না, কিন্তু আমি একজন বয়স্ক লোক হয়ে, কি করে তোমাকে ডোবাই"? যা কি না, সেই বাস্তববোধ ও উন্নত জীবনবোধেরই পরিচায়ক। তবে তাঁর ভালোবাসা ছিল অকৃত্রিম। দিনলিপিতে তিনি লিখেছিলেন, "ভালোবাসা করুণা নয়, ভালোবাসা সহানুভূতি নয় এমনকি বন্ধুত্বও নয়- ভালোবাসা, ভালোবাসা"।
তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতাই, তাঁকে প্রকৃতি ও মানুষের মন নিয়ে এত জটিল কাটাছেঁড়া করতে সাহায্য করেছিল। তার লেখনীর মূল বিষয়বস্তু প্রকৃতি ও মানুষ। প্রকৃতির রূপ বর্ণনা আর মানুষ নিয়ে বিভূতিভূষণ ভয়ের কিছু বাস্তবচিত্র এঁকেছিলেন।
এত তীক্ষ্ণ প্রকৃতি প্রেমের কারণেই বোধ হয়, এইচ. এইচ. জনস্টন, রোসিটা ফোবর্স এর মতো কয়েকজন বিখ্যাত পর্যটকের বই পড়েই আফ্রিকার ভূপ্রকৃতির নিখুঁত বর্ণনায় সাজিয়েছিলেন "চাঁদের পাহাড়"। যে প্রকৃতির স্পর্শ আমরা পাই, "আরণ্যক" ও "দেবযান"-এর মতো সাহিত্যকর্মে।
বিভূতিভূষণের অনেক চরিত্রই অভুক্ত, দারিদ্র্য জর্জরিত।
"পথের পাঁচালী" উপন্যাসে পাই, অপু দুর্গার আঁশ শ্যাওড়ার ফল খাওয়ার গল্প। বিভূতিভূষণ লিখেছেন, জন্মে থেকে তারা কোনও ভাল জিনিস খেতে পায়নি।
"তালনবমী" গল্পে সেই ক্ষুধাতুর, যন্ত্রণাক্লীষ্ট উক্তি, "খা খা-খুব খা- আজ-তালনবমী রে--।"
"দৃষ্টিপ্রদীপ" উপন্যাসে জ্যাঠামশাইয়ের বাড়িতে, জিতুর দাদার, বাড়ির ছেলেমেয়েদের সঙ্গে সমানভাগে খাবার না পাওয়ার আক্ষেপ লক্ষ্যনীয়।
"সই","পুঁইমাচা" বা "অনুবর্তন"-এ বারবার খিদে উঠে এসেছে, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলমে। বড়ো বেশি দারিদ্র্য দেখেছেন লেখক, তাই সাহিত্যেও তার ছাপ লক্ষ্যনীয়।
আজ তাঁর জন্মদিনে, অমর কথাসাহিত্যিক #বিভূতিভূষণ_বন্দ্যোপাধ্যায়ের চরণে আমার অন্তরের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলাম।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
11/09/2021
।। হুগলির ইমামবাড়া ।।
https://youtu.be/ATv8oSjG6K0
হুগলীর ইমামবাড়া জেলার অন্যতম প্রসিদ্ধ একটি স্থান। বিখ্যাত দানবীর হাজী মহাম্মদ মহসিন এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে ১৮৪১ সালে এই ইমামবাড়ার নির্মাণকাজ শুরু হয়। এটি নির্মাণ করতে প্রায় কুড়ি বছর সময় লেগেছিল বলে জানা যায়।
ইমামবাড়ায় বাইরে থেকে ভিতরে ঢোকার সময়ে প্রথমেই প্রবেশের মুখে চোখে পড়ে আকাশছোঁয়া একটি চূড়া যার আনুমানিক উচ্চতা ১৫০ ফুট। এই চূড়াটিতে রয়েছে লন্ডনের বিগ বেনের পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম ঘড়ি। এই চূড়ার মাঝখানে, সবচেয়ে উপরে রয়েছে বৃহত্তম ঘড়িটি আর ঠিক তার নিচের ঘরে রয়েছে ঘড়ির যন্ত্রপাতি ও ঘন্টা - যা সিঁড়ির ফাঁকফোকর দিয়ে দেখা যায়। এই ঘড়িটি কিনতে তৎকালীন সময়ে খরচ হয়েছিল ১১,৭২১ টাকা । ঘড়িটিতে সপ্তাহে একদিন দম দিতে হয়, আর এই দম দিতে দুইজন লোকের প্রয়োজন হয়। দম দেওয়ার চাবিটির ওজন ২০ কিলোগ্রাম। ঘড়িতে তিনটি তিন আকারের ঘন্টা আছে, যাদের ওজন যথাক্রমে ৮০মণ, ৪০মণ, এবং ৩০মণ। মাঝারি ও ছোট ঘন্টা দুটি প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর বাজে এবং বড় ঘন্টাটি প্রতি ১ ঘন্টা অন্তর বাজে। ঘড়ির ডায়ালে লেখা আছে আরবি হরফ।
চূড়াতে পুরুষ ও মহিলাদের একসাথে প্রবেশ নিষেধ। দুই দিক থেকে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা ভাবে প্রায় ১৫২টি করে সিঁড়ি রয়েছে।
ইমামবাড়ার খিড়কির অংশে গঙ্গার তীরে আরও একটি ঘড়ি রয়েছে। ফুট তিনেক উঁচু এই সূর্য ঘড়িটিতে সূর্যের ছায়া দেখে সময় হিসাব করা যায়। ভারতে প্রাচীন কাল থেকেই সূর্যঘড়ির চল রয়েছে। জানা যায় মূল ঘড়িতে পিতলের ফলক ছিল। পিতলের ফলক চুরি যাওয়ার পরে তাতে পাথরের ফলক লাগানো হয়েছে।
প্রধান ফটক দিয়ে পেরিয়ে ইমামবাড়ার ভিতরে প্রবেশ করলে আঙ্গিনায় রয়েছে একটি জলাধার এবং একটি ফোয়ারা বাঁ দিকে শরবতখানা, ডান দিকে তাজিয়াখানা।
মাঝখানে বেলজিয়াম থেকে আনা ঝাড়লণ্ঠন দিয়ে সাজানো অত্যন্ত দৃষ্টি নন্দন বিশাল উপাসনাগৃহ যার নাম জরিদালান। জরিদালানের দেওয়ালে লেখা রয়েছে কোরানের বাণী।
ইমামবাড়া থেকে বেরিয়ে সোজা বাঁদিক ধরে হেঁটে কিছুটা দূরে এগিয়ে গেলেই রয়েছে দানবীর হাজী মোহাম্মদ মহসিন ও তার পরিবারের আত্মীয় স্বজনের সমাধি। বর্তমনে এই জায়গাটিকে ভ্রমণার্থীদের জন্য সরকারি তত্বাবধানে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে।
আগে মহরমের সময় তাজিয়ার সাথে হাতি,ঘোড়াও থাকতো। এখন আর তার হয় না। তবে মহরম মাসের ৭ ও ১০ তারিখে তাজিয়া বের হয়, শোভাযাত্রা করে সেই তাজিয়া নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় কারবালা মাঠ পর্যন্ত। ঈদের দিন এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণীয় জায়গা হয়ে ওঠে এই ইমামবাড়া।
সময় : সকাল ৮.০০ টা থেকে বিকেল ৫.৩০ টা পর্যন্ত।
প্রবেশ মূল্য : ১০ টাকা।
কিভাবে যাবেন :
নিজস্ব গাড়ি বা বাইকে আসতে চাইলে,ফোনের গুগল ম্যাপ থেকে লোকেশন অন করে খুব সহজে চলে আসতে পারবেন এখানে।
ট্রেনে ব্যান্ডেল হাওয়া বা শিয়ালদা থেকে ব্যান্ডেলগামী যে কোন ট্রেনে হুগলীঘাট স্টেশনে নেমে টোটোতে বা হেঁটে সহজেই আসা যাওয়া যায়।
01/09/2021
দুর্গাপূজা উপলক্ষে সেজে উঠছে আমাদের শহর...
Location : Biswa bangla subway
Clicked by : unknown
আপনি চাইলে এবার আপনার তোলা ছবিও পাঠাতে পারেন আমাদের page এর inbox-এ। ছবিতে watermark দিয়ে photographer এর পরিচয় থাকা must ... সাথে কয়েক লাইনের মধ্যে লিখে দিন caption !! আমাদের admin panel এর পছন্দ হলে অবশ্যই পোস্ট করা হবে আপনার তোলা ফটো... তাহলে আর দেরী কিসের ??
26/08/2021
★ অভাব কাকে বলে ★???? 😢😢
========================
🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔🤔
অর্থনীতি ক্লাসে বয়স্ক একজন স্যার রুমে ঢুকেই সামনে বসা ছেলেটিকে প্রশ্ন করলেন,,,,
বলো তো অভাব কাকে বলে ?
"অর্থনীতিতে বস্তুগত বা অবস্তুগত কোনো দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্খাকে অভাব বলে।"
ছেলেটি উত্তর দিল।
এটা তো অর্থনীতির ভাষা,,,
সাধারণত অভাব কাকে বলে?
ছেলেটি মাথা নিচু করে বেঞ্চের
দিকে তাকিয়ে আছে।
কি বলবে ভাবছে সে।
স্যার আবার তাড়া দিলেন
"বলো অভাব কাকে বলে ?"
ছেলেটি এবার বলতে শুরু করল!!
💔 ১। আমি কলেজে আসার সময় মা আমাকে ভাড়া দিতে গিয়ে তার ব্যাগ তন্ন তন্ন করে খুঁজে অনেক কষ্টে ২০/৩০ টাকা বের করে দেন,
আর আমি বাড়ি থেকে বের হয়ে ৫/৭ মিনিট পর বাড়িতে ফিরে ভাড়ার টাকাটা মাকে দিয়ে বলি, মা! আজ কলেজে ক্লাস হবে না।
মা তখন বলেন আগে খবর নিবি না
কলেজ হবে কিনা?
মায়ের সাথে এই লুকোচুরি হচ্ছে অভাব !!
💔 ২। বাবা যখন রাত করে বাড়ি আসেন মা
তখন বাবাকে জিজ্ঞেস করেন এত রাত হলো
কেন ফিরতে ?
বাবা বলেন ওভারটাইম ছিল।
ওভারটাইম না করলে সংসার কিভাবে চলবে ?বাবার এই অতিরিক্ত পরিশ্রম হচ্ছে
আমার কাছে অভাব !!
💔 ৩। ছোট বোন মাস শেষে প্রাইভেট টিচারের টাকা বাবার কাছে চাইতে যখন সংকোচবোধ করে সেটাই হলো আমার কাছে অভাব !!
💔 ৪। মাকে যখন দেখি ছেঁড়া কাপড়ে সেলাই দিতে দিতে বলে কাপড়টা অনেক ভাল আরো কিছুদিন পরা যাবে এটাই অভাব !!
💔 ৫। মাস শেষে টিউশনির পুরো টাকাটা
মায়ের হাতে দিয়ে বলি,,
মা এটা তুমি সংসারে খরচ করো,
মা তখন একটা স্বস্তির হাসি হাসেন।
এই স্বস্তির হাসি হচ্ছে অভাব !!
💔 ৬। বন্ধুদের দামী স্মার্টফোনের ভিড়ে নিজের নর্মাল ফোন লজ্জায় যখন লুকিয়ে রাখি এই লজ্জাই আমার কাছে অভাব !!
💔 ৭। অভাবী হওয়ায় কাছের মানুষগুলো যখন আস্তে আস্তে দূরে সরে যায়,,😢😢
এই দূরে সরে পড়াটাই আমার কাছে অভাব !!
পুরো ক্লাসের সবাই দাঁড়িয়ে গেল !!
অনেকের চোখে জল !!
স্যার চোখের জল মুছতে মুছতে ছেলেটিকে
কাছে টেনে নিলেন !! 💝💝
বস্তুতঃ আমাদের সহপাঠীদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে,,,,
যারা কয়েক মাস অপেক্ষা করেও বাড়ি থেকে সামান্য টাকা পায় না !!
সব দুঃখ-কষ্টকে আড়াল করে হাসিমুখে দিনের পর দিন পার করে দেয় খেয়ে না খেয়ে !!
তাদের হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা কষ্ট টুকু বোঝার সুযোগ হয়তো আমাদের হয়ে ওঠে না,,😢😢
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Kolkata