17/09/2020
মহালয়ার এই পুণ্য দিনে,
অঙ্কনে, সায়ন ঘোষ।
We are the group of trainees, for the trainees, of the BITM.
17/09/2020
মহালয়ার এই পুণ্য দিনে,
অঙ্কনে, সায়ন ঘোষ।
03/08/2020
🔴তাজা ফুলের তৈরি রাখি
🔵নির্মাণে : প্রভা বেরা
03/08/2020
বাপ্পাদিত্য সেন, আমাদের এই পেজের সদস্য, ও তার বন্ধুরা মিলে রাখি বন্ধন উৎসবকে কেন্দ্র করে তৈরি করেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। অল্প দিনের প্রস্তুতিতে তারা নিজেরাই দিন–রাত খেটে বানিয়ে ফেলেছে রাখি। সেই রাখি কিছু তারা বিতরণ করেছে, কিছু বিক্রি করেছে। সেই অর্জিত অর্থ তারা ব্যবহার করছে, কিছু দুঃস্থ মানুষের অন্নসংস্থানে ও অসহায় ভাই-বোনদের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণে। এখানেই ওরা রাখি বন্ধন উৎসবকে প্রকৃত সার্থকতা দিয়েছে।
পেজের পক্ষ থেকে বাপ্পাদিত্য সেন ও তার বন্ধুদের জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।❤️🙏
🔴 ব্যাঙের ডাক
🔵 সংগ্রহে : প্রভা বেরা
23/07/2020
🔴 Telegram Quiz Competition 🔴
আমাদের এই গ্রুপে প্রত্যেকদিন (মূলত রাতের দিকে) ক্যুইজ এর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্ন আমরা গ্রূপের সদস্যরাই মিলেমিশে করি, সঙ্গে থাকে নানান বিষয়ের বৈচিত্র্য। অজানাকে জানার পাশাপাশি থাকে ক্যুইজ জেতার অদম্য উদ্দীপনা, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গভীর আলোচনা, বিভিন্ন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা ইত্যাদি। মোট কথা, আমরা মজাদার পদ্ধতিতে, জ্ঞান আহরণের প্রয়াস চালাই এই গ্রুপের মাধ্যমে।
যারা বিভিন্ন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছ, তারা আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারো, এই গ্রুপে যোগদান করে। আমাদের সম্মিলিত প্রয়াস একদিন আমাদের প্রত্যেককেই সাফল্য এনে দেবে, এই আশাতেই এই মজাদার ক্যুইজ প্রতিযোগিতা।
🔵 গ্রুপে যোগদান করার লিঙ্ক 👇
https://t.me/joinchat/Nf8ia0StyeLbQO3T4eDksQ
(কোনো অসুবিধা হলে এই পেজে মেসেজ করতে পারো)
19/07/2020
🔴 Important Announcement 🔴
Hello friends this is our new Telegram group here we discuss about questions answers for government examination, if anybody interested then join our group to enhance our knowledge.
Click here 👇
https://t.me/joinchat/Nf8ia0StyeLbQO3T4eDksQ
🛑 "10" সংখ্যাকে এমন দুটো অংশে (অর্থাৎ দুটো অংশের যোগফল হবে 10) ভাগ করতে হবে, যাদের গুনফল হবে "40" 🤔
মনে মনে কয়েকবার সমাধান করার চেষ্টা করলাম। কিছুতেই হচ্ছে না যে। বড্ড জটিল! হ্যাঁ, এর সমাধানে আমাদের জটিল সংখ্যাই লাগবে, তবে পদ্ধতিটা অত্যন্ত সহজ। ষষ্ঠদশ শতাব্দীতে ইতালির একজন গণিতজ্ঞ "Gerolamo Cardano" এই ধাঁধাঁটির সূত্রপাত করেন, যা জটিল সংখ্যার (Complex Number) সূচনার ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
🔴 সমাধান 👇
(5 + √-15) + (5 - √-15)
= 5 + 5 = 10
(5 + √-15) × (5 - √-15)
= (5 × 5) - (√-15 × √-15)
= 25 - (-15)
= 25 + 15 = 40
অর্থাৎ সংখ্যাদুটি হলো :
(5 + √-15) এবং (5 - √-15)
▶️এরকম সংখ্যার প্রথম অংশটিকে বলে বাস্তব অংশ (এক্ষেত্রে 5) এবং দ্বিতীয় অংশটিকে বলে কল্পিত অংশ (এক্ষেত্রে √-15)।
▶️ শুধু 40 ই বা কেন, এই পদ্ধতিতে 10 কে যেকোনো দুইভাগে ভাগ করা যেতে পারে, যাদের গুনফল নিজের ইচ্ছা মতো হতে পারে। শুধু 25 এর সাথে যত যোগ করে, কাঙ্খিত গুনফলের সংখ্যাটা পেতে চাই, সেই সংখ্যার ঋণাত্মক মানের বর্গমূল কে 5 এর সাথে একবার যোগ, আরেকবার বিয়োগের আকারে লিখতে হবে।
ধরি, আমি 10 কে এমন দুটো অংশে ভাগ করতে চাই যাদের গুনফল হবে 50। তাহলে সেক্ষেত্রে 25 এর সাথে আরো 25 যোগ করতে হবে। তাহলে সংখ্যা দুটো হবে
(5 + √-25) ও (5 - √-25) 🤗
🛑 ব্রহ্মার চাকতি তে পৃথিবীর বিনাশ!
একটি প্রচলিত গল্প আছে যে, বেনারাসের এক গম্বুজের নীচে, যেটা নাকি আবার পৃথিবীর মধ্যিখানও বটে! আছে এক ব্রহ্মার মূর্তি এবং তার সামনে রাখা আছে পিতলের প্লেট, তাতে আটকানো তিনটে হীরের তৈরী লম্বা দণ্ড। কথিত আছে, এরমধ্যে একটি দণ্ডতে সৃষ্টির সময় ব্রহ্মা 64 টি গোলাকার চাকতি রাখেন, কিন্তু প্রত্যকটি চাকতির ব্যাসার্ধ আবার আলাদা। এমন ভাবে রাখা যে, সবচেয়ে বেশি ব্যাসার্ধের চাকতিটি সবচেয়ে নীচে এবং ক্রমহ্রাসমান ব্যাসার্ধ অনুযায়ী একটির উপর একটি চাকতি পর পর সাজানো, এভাবেই সবচেয়ে ছোট ব্যাসার্ধের চাকতিটি সবচেয়ে উপরে থাকবে (দেখতে খানিকটা শঙ্কুর মতই লাগবে)।
এবার কাজটা হলো এই পুরো গঠনটাকে অন্য দণ্ডতে স্থানান্তরিত করা, কিন্তু ব্রহ্মা এতেও আবার বিশেষ বিধান দিয়ে গেছেন :
▶️ একবারে একটা চাকতিকেই সরানো যাবে।
▶️ এই সরানোর সময় কখনোই যেন তুলনামূলক ছোট ব্যাসার্ধের চাকতি, তার চেয়ে বড়ো চাকতির নীচে চলে না আসে।
এইভাবে সমস্ত 64 টি চাকতিই যখন অন্য একটি দন্ডের মধ্যে সাজিয়ে দেওয়া যাবে, তখনই নাকি সবকিছু ধূলোয় পরিণত হবে, আকাশে দেখা দেবে বিদ্যুতের ঝলক এবং সাথে সাথেই ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবী! বোঝো কান্ড!
গল্প তো গল্পই! কিন্তু এর ভেতরে একটা সুন্দর অঙ্ক লুকিয়ে আছে। বাঁচা-মড়ার যখন ব্যাপার, তখন প্রশ্ন তো আসবেই, চাকতি গুলো তাহলে কতবার সরাতে হবে? আর কত সময় পরেই বা পৃথিবীর ধ্বংস হবে?
চাকতি গুলো নিয়মানুযায়ী সরাতে শুরু করলেই একটা জিনিস লক্ষ্য করা যাবে, সেটা হচ্ছে, প্রত্যেকটি চাকতি সরাতে তার ঠিক আগের চাকতির জন্য যতবার সরাতে হয়েছে, তার চেয়ে দ্বিগুন বার সরাতে হচ্ছে। অঙ্কের ভাষায় একেই বলে গুণোত্তর প্রগতি (Geometric Progression), এক্ষেত্রে পরের সংখ্যা আগের সংখ্যার দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। এই সূত্রানুযায়ী, গল্পের চাকতি গুলো কে যতবার সরাতে হবে তা হলো : 18,446,744,073,703,551,615 ।
(বিস্তারিত হিসাব কমেন্টে আছে)
এখন ধরি কোনো অতিমানবও যদি কোনো বিশ্রাম না নিয়ে, একটুকুও সময় নষ্ট না করে দিনরাত খাটে এবং একটা চাকতি সরাতে 1 সেকেন্ড সময় নেয়, তাহলেও সমস্ত কাজটা করতে সময় লাগবে, পাঁচশো আশি হাজার কোটি বছর ! (এক বছরে 31,558,000 সেকেন্ড)
এত বড় বড় সংখ্যা দেখে তো মাথা ঘুরে যাবার জোগাড়।কিন্তু সূর্যের জ্বালানির হিসাব বলছে, সম্ভাব্য তা আরো দেড়শো কোটি বছর চলতে পারে। কী আর করা যাবে! ব্রহ্মা আমাদের অনেকটা সময় দিলেও, তার অনেক আগেই পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। হাতে যে সময় বড্ড কম!
🛑 পুরুলিয়া জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্র গড়ে ওঠার কাহিনী 👇
প্রথম জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্র তৈরি হয় পুরুলিয়াতেই। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বিজ্ঞান-নির্ভরতা যে দ্রুত হারে বাড়ছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। আমরা পরমাণু বিদ্যুৎ ব্যবহার করব না করবনা, জিনগত পরিবর্তিত খাদ্য গ্রহণ করব বা করবনা, রোবটের ব্যবহার কত দূর পর্যন্ত মেনে নেব-এই সব সিদ্ধান্ত সমস্ত গণতান্ত্রিক দেশে সাধারণ মানুষকেই নিতে হয়। তাই সকলের মধ্যে বিজ্ঞান-সচেতনতা ভীষণ ভাবেই জরুরি।
অথচ, প্রচলিত পদ্ধতিতে বিজ্ঞান শেখার ব্যাপারে অনেক ছাত্রছাত্রী আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। পুরুলিয়ার কথাই যদি ধরি, গ্রামের অনেক উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে আজও বিজ্ঞান বিভাগ নেই। অনেক স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগ থাকলেও বর্তমানে ছাত্রাভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে বা বন্ধ হওয়ার মুখে। কলেজগুলিতে বিজ্ঞান বিভাগ থাকলেও পড়ুয়ার সংখ্যা নগণ্য। এমন অবস্থায় বিজ্ঞান কেন্দ্র অপ্রচলিত ধারায় আমজনতার কাছে বিজ্ঞানকে সহজেই পৌঁছে দিতে পারে।
আজ থেকে ছ'দশক আগেই বিষয়টি উপলব্ধি করেছিলেন বিধানচন্দ্র রায়। মূলত তাঁর প্রচেষ্টায় এবং তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের উদ্যোগে কলকাতার বুকে গড়ে উঠেছিল ভারত তথা এশিয়ার প্রথম বিজ্ঞান সংগ্রহশালা, যা "বিড়লা শিল্প ও কারিগরি সংগ্রহশালা", নামে পরিচিত। 2019 সালের ২মে এই সংগ্রহশালার ৬০ বছর পূর্তি হল। এই সংগ্রহশালার ইতিহাস ঘটলে দেখা যায় যে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুও এ বিষয়ে উৎসাহী ছিলেন। সংগ্রহশালার জন্য বাড়িটি দান করেন বিড়লা পরিবার। তবে এর পাশাপাশি, ভারত তথা এশিয়ার প্রথম জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্রও গড়ে উঠেছিল এরাজ্যে। আর তা তৈরি হয়েছিল পুরুলিয়ার মতো তথাকথিত পিছিয়ে পড়া জেলায়।
ষাটের দশকে বিড়লা বিজ্ঞান সংগ্রহশালা এক অভিনব পরিকল্পনার শুরু করে। আর তা হল ভ্রাম্যমান বিজ্ঞান প্রদর্শণী। এর উদ্দেশ্য ছিল একটাই- 'তুমি যদি বিজ্ঞান সংগ্রহশালাতে আসতে না পার, সংগ্রহশালা তোমার কাছে যাবে'।একটা বড় বাস নিয়ে তাতে ২৪ টি বিজ্ঞানের মডেল চাপিয়ে যেন ছোটখাটো একটা সংগ্রহশালা। তার সঙ্গে বিজ্ঞানের সিনেমা, হাতে কলমে বিজ্ঞান শেখানোর ব্যবস্থা-সে সময়ে গ্রামগঞ্জের স্কুলগুলিতে দারুন সাড়া ফেলে দিয়েছিল।
১৯৬৬ সালে পুরুলিয়ার মানভূম ভিক্টোরিয়া বিদ্যালয়ে এই ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান প্রদর্শনীটি আসে। শিক্ষক, ছাত্র, সাধারণ মানুষ সবাই অভিভূত হন। সে সময়ের প্রধান শিক্ষক নিতাই গঙ্গোপাধ্যায় প্রদর্শনীটি দেখে এতটাই অভিভূত হন যে, সহকর্মীদের কাছে জানান, একবার 'বিড়লা কারিগরি ও শিল্প সংগ্রহশালা'দেখে আসবেন। কলকাতায় সংগ্রহশালাটি দেখে অভিভূত হয়ে অধিকর্তা সরোজ ঘোষের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। আলোচনায় জানতে পারেন, হাতেকলমে বিজ্ঞান শিক্ষা দেওয়ার জন্য বিড়লা কারিগরি ও শিল্প সংগ্রহশালা কয়েকটি স্কুলে 'বিদ্যালয় বিজ্ঞান কেন্দ্র' তৈরির প্রকল্প নিচ্ছে। শুনে পুরুলিয়ার মানভূম ভিক্টোরিয়া বিদ্যালয়ে এমন বিজ্ঞান কেন্দ্র গড়ে তোলার আবেদন রাখেন।
সরোজ ঘোষ আত্মীয়তা সূত্রে মাঝেমধ্যেই পুরুলিয়ায় এসে থাকতেন। বিষয়টি জানতে পেরে নিতাইবাবু ও তাঁর সহকর্মীরা ঠিক করলেন, সরোজবাবু পুরুলিয়ায় এলে তার কাছ থেকে বিদ্যালয় বিজ্ঞান কেন্দ্র বানানোর অনুমোদন আদায় করেই ছাড়বেন। বাস্তবে হলও তাই। সরোজবাবুর ভাষায় পুরুলিয়ার মানুষজন তাঁকে রীতিমতো 'কিডন্যাপ' করেছিলেন বিজ্ঞান কেন্দ্র গড়ে দেওয়ার জন্য। মানভূম ভিক্টোরিয়া বিদ্যালয়ের দুটি শ্রেণিকক্ষ নিয়ে শুরু হয় বিদ্যালয় বিজ্ঞান কেন্দ্রের পথচলা। ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান প্রদর্শনীর ২৪টি মডেল-বিষয় নিয়ে গড়ে ওঠে কেন্দ্রটি।
পুরুলিয়ার সাধারণ মানুষদের আগ্রহ, শিক্ষকদের নিষ্ঠা এই কেন্দ্রের বিশেষত্ব ছিল। স্কুল ছুটির পরেও প্রতিদিন এই কেন্দ্রটি জনসাধারণের জন্য কয়েক ঘন্টা খোলা থাকত। শিক্ষকেরা প্রতিদিনই স্বেচ্ছাশ্রম দিতেন। এর পরে 'বিড়লা কারিগরি ও শিল্প সংগ্রহশালা' কর্তৃপক্ষ পরীক্ষামূলক ভাবে ধীরে ধীরে এই কেন্দ্রটিকে বিজ্ঞান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সলতে পাকানোর কাজ শুরু করে দিলেন।
পুরসভার দেওয়া সাহেববাঁধের পাড়ে এক একরের কিছু কম জমিতে ১৯৭৭ সালে একটি বিজ্ঞান উদ্যান গড়ে ওঠে। পরে তারই লাগোয়া জমিতে বিজ্ঞান কেন্দ্রের মূল ভবনটি চালু হয় ১৯৮২ সালের ১৫ ডিসেম্বর। বিজ্ঞান কেন্দ্রের উদ্ঘাটন করেন পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন রাজ্যপাল ভৈরব দত্ত পাণ্ডে। শুরুতে পুরুলিয়ার সম্পদ আর কৃষিবিদ্যা- এই দুই বিষয়ে প্রদর্শনী কক্ষ নিয়ে এই কেন্দ্রের যাত্রা শুরু হয়। পাঁচ বছরের মধ্যে নতুন কক্ষ সংযোজিত হলে আরও জনপ্রিয় বিজ্ঞান প্রদর্শনী স্থান পায়। পুরুলিয়ার বিজ্ঞান কেন্দ্রের এই সাফল্যের কথা কর্তৃপক্ষ তথা সরকারকে অনুপ্রাণিত করে। তারা অন্য রাজ্যগুলিকেও এমন কেন্দ্র তৈরিতে এগিয়ে আসতে অনুরোধ করেন। এর পরে তামিলনাডু, কেরল, কর্ণাটকের মতো রাজ্যগুলিতে একে একে তৈরি হয় বিজ্ঞান কেন্দ্র। পুরুলিয়া জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্র সারা দেশের কাছে উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায়। সরোজ ঘোষের কথায়, "এই বিজ্ঞান কেন্দ্র পুরুলিয়াকে কেউ গড়ে দেয়নি বা জোর করে চাপিয়ে দেয়নি। একেবারে সাধারণ মানুষের চাহিদার ফসল এই বিজ্ঞান কেন্দ্র।"
এই বিজ্ঞান কেন্দ্রের জন্য পুরুলিয়ার আমজনতার অবদানের কথা শুনিয়ে জাতীয় বিজ্ঞান সংগ্রহশালা কর্তৃপক্ষ সারা ভারতে এই আন্দোলন গড়ে তুলতে পেরেছিলেন, যা পুরুলিয়াবাসীর কাছে এক গর্বের অধ্যায়। জেলার মানুষের এই প্রয়াস অনেক পুরুলিয়াবাসীর কাছে আজও অজানা।
✍️লেখক - ধ্রুবজ্যোতি চট্টোপাধ্যায়
(পুরুলিয়া জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্রের আধিকারিক)
⚠️ [ বিশেষ দ্রষ্টব্য : লেখাটি ফেসবুক থেকে সংগৃহীত। লেখাটি তথ্যসমৃদ্ধ হওয়ায়, সবার সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছি। ]
🛑 দেখতো চিনতে পারো কিনা!
( Guess the person ) 🤔
▶️ Financial civil service এ যোগদান করে, Assistant accountant general পদে নিযুক্ত হয়ে, পোস্টিং নিয়ে আসেন কলকাতায়।
▶️ কিন্তু বিজ্ঞান ছিল তাঁর ভালোবাসা। অবসর সময়ে Indian Association for the Cultivation of Science (IACS) এ শব্দ বিজ্ঞান (Acoustics) নিয়ে কাজ শুরু করেন। দশ বছরের মধ্যেই বৈজ্ঞানিক হিসাবে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে এবং অবশেষে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসাবে নিযুক্ত হন।
▶️ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করতে প্রথমবারের জন্য জাহাজে করে যখন অক্সফোর্ড যাচ্ছিলেন, তখনই তাঁর মনে এক প্রশ্ন জাগে। আচ্ছা, সমুদ্রের জলের রঙে এত বৈচিত্র্য কেন? তখন ধারণা ছিল, আকাশের নীল রঙের প্রতিবিম্ব জলে পড়ার জন্যই সমুদ্রের জলের রঙ নীল, আরও যদি কিছু থেকে থাকে তা হলো জলীয় বস্তু দ্বারা আলোর শোষণ। কিন্তু তিনি দেখালেন, আসলে এর পিছনের কারণ হলো আণবিক অপবর্তন (Molecular diffraction)।
▶️ আলোর সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে গিয়েই আবিষ্কার করেছিলেন এক বিখ্যাত ঘটনার, যা পরে তাঁরই নামাঙ্কিত হয়। এই ঘটনা অনুযায়ী, এক বিশেষ পদ্ধতিতে আলোর বিচ্ছুরণ ঘটালে, আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তন হয় (যা সাধারণত বিচ্ছুরনে হয় না)। এই পরিবর্তিত বিচ্ছুরিত আলো থেকে আমরা বস্তুর আণবিক গঠন সম্পর্কে জানতে পারি। এই ঘটনা খুলে দেয় কোয়ান্টাম তত্ত্বের এক নতুন দিক।
▶️ কোনো এক বছর, 39 জন ব্যাক্তির কাছ থেকে নোবেল পুরস্কারের জন্য যোগ্য ব্যাক্তিদের নামের অনুমোদন চাওয়া হয়। 37 ব্যাক্তি তা জমা দেন, তার মধ্যে 21 টি গ্রহণযোগ্যতা পায় এবং তার মধ্যে 10 টি তেই তাঁর নাম এককভাবে অথবা যৌথভাবে সুপারিশ করা হয়।
▶️ তাঁর এতটাই আত্মবিশ্বাস ছিল যে, সেই বছর নোবেল পুরস্কার ঘোষণা হওয়ার আগেই, তিঁনি সুইডেনে যাওয়ার জন্য জাহাজের টিকিট কেটে ফেলেন।
▶️ হ্যাঁ, তাঁর আশা মিথ্যে হয়নি। প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ এশীয় তথা ভারতীয় হিসাবে নোবেলজয়ী হন, শুধু তাই নয়, রেকর্ড সময়ে তা পান। তিঁনি তাঁর আবিষ্কারের দুই বছরের মধ্যে নোবেল পুরস্কার পান, যা নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসে এক দৃষ্টান্তমূলক ঘটনা।
07/06/2020
ভেসে যায় আদরের নৌকো...
ধুয়ে যায় আদরের পথ-ঘাট...
🔵⛈️ বর্ষা ⛈️🔵
আকাশ কালো, মেঘ করেছে, বৃষ্টি হবে বুঝি!
এক ছুটেতে পথ পারা বার, ছাতনাতলা খুঁজি।
হঠাৎ করে হুড়মুড়িয়ে, দমকা বাতাস এলো,
আঁধার করে দিনের বেলা, দীপ নিভিয়ে দিলো।
তাল, সুপারি গাছের মাথায়, হওয়ার নাচন দেখি,
আকাশ থেকে মেঘ কাঁপানো, বাজ পড়ছে একি!
ঝম ঝমিয়ে বাদল ধারা, একটু পরেই শুরু,
ক্ষনে ক্ষনেই আলোর ঝলক, বুক যে দুরু দুরু।
কোথাও ভেজে রাখাল, কোথাও নীড়ের পাখি,
কোথাও নিঝুম গাছ গাছালি, শুধুই চেয়ে দেখি।
এমন দিনে মন যেতে চায়, দূরে কোথাও উড়ে,
উদাস আমি, পদ্য সাজাই, বর্ষা ভেজা সুরে...!
✒️সুরজিৎ কুমার পাত্র
🛑 সঙ্গীতে : পৌষালী উকিল
পুরোটা শুনতে হলে যেতে হবে এই লিঙ্কে👇
https://www.facebook.com/100009336585284/posts/2642511072736753/?app=fbl