1966 সালে বেঙ্গালুরুতে ড. মুমতাজ আহমদ খান প্রতিষ্ঠিত আল -আমিন আন্দোলন শিক্ষা,স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে, বিশেষ করে সংখ্যালঘু ও সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়ের জন্য, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।"বাবা-এ-তালিম" উপাধিতে সম্মানিত ড. খান পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে এই মহৎ উদ্যোগ পরিচালনা করেছেন। ২০২১ সালে তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র উমর ইসমাইল খান ও সেক্রেটারি জুবায়ের আনোয়ার সাদাতের নেতৃত্বে এক নিবেদ
িতপ্রাণ দল শিক্ষা আন্দোলনটিকে আরও সম্প্রসারিত করছে। আল-আমিন ভারতের কেরালা থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত ২০০ টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে, যেখানে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত , বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার সুযোগ রয়েছে। বিশেষত মেডিকেল,ফার্মাসি,আইন, ম্যানেজমেন্ট,ইঞ্জিনিয়ারিং,ইনফরমেশন সাইন্স,ডিগ্রী কলেজসহ উচ্চশিক্ষার প্রতিটি বিভাগ পরিচালিত হচ্ছে।NEET JEE, এবং IAS কোচিং সেন্টারও রয়েছে। কর্ণাটকে এটি উচ্চশিক্ষা,ক্রীড়া ,ব্যাঙ্কিং,মিডিয়া,স্বাস্থ ও সামাজিক ক্ষেত্রে অগ্রগামীর ভূমিকা পালন করছে, যেখানে জাতীয় পর্যায়ের মেধাবী শিক্ষার্থীরা গড়ে উঠছে। পশ্চিমবঙ্গে,বিশেষ করে সংখ্যালঘু সমাজে আল-আমিন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে, যেখানে আবাসিক স্কুল, কলেজ এবং NEET-UG/JEE কোচিং ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানসম্পন্ন শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছে। বর্তমানে দুইলাখেরও বেশি শিক্ষার্থী আল-আমিনের প্রতিষ্ঠানগুলোতে অধ্যয়ন করছে I প্রতি বছর বহু মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়। আল-আমিন আন্দোলনের অসামান্য অবদান স্বীকৃতি পেয়েছে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের কাছ থেকে যেমন ড. এ.পি.জে. আব্দুল কালাম, ড. মনমোহন সিং, এ.আর. রহমান, দিলীপ কুমার,মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন, এম.জে. আকবর এবং খুশবন্ত সিং প্রমুখ।