29/01/2026
🟦ঈমানের ছয়টি মূল স্তম্ভের একটি হলো তাকদিরে বিশ্বাস রাখা—তার ভালো ও মন্দ উভয়ের উপর।✨
এবং যেন তুমি সকল বিষয়কে শুধু বাইরের দৃষ্টিতে না বিচার করো। কারণ বাস্তবে বিষয়গুলো বাইরের চেহারার মতো নাও হতে পারে।
তুমি যেন আল্লাহ্র তাকদির ও সিদ্ধান্তে পূর্ণ বিশ্বাস রাখো এবং তাঁর আদেশের সামনে আত্মসমর্পণ করো।
🟨আল্লাহ্ কেন আমাদের প্রতি সপ্তাহে সূরা কাহফ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যা নফল ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত?
এই সূরার গভীর ও মহান শিক্ষা হলো, দুনিয়ার ঘটনা ও চিত্র সবসময় বাইরের মতো হয় না। যেমনটা এসেছে খিদর (আ.) এবং মূসা (আ.)-এর কাহিনিতে।
ঘটনাবলি সবসময় আমাদের দৃষ্টিতে যেমন দেখায়, বাস্তবে তা তেমন নয় ৷
এইজন্য ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন:
যে ব্যক্তি আল্লাহকে তাঁর নাম ও গুণাবলির মাধ্যমে চেনে সে নিশ্চিত জানে যে তার জীবনে যেসব দুঃখ-কষ্ট ও অপছন্দনীয় বিষয় আসে—তার মধ্যে এমন কল্যাণ ও উপকারিতা রয়েছে যা তার জ্ঞান ও বুদ্ধিতে ধরা পড়ে না। বরং কোনো কোনো সময় বান্দার উপকার তার অপছন্দের মধ্যেই বেশি হয়, প্রিয় জিনিসের চেয়ে
এরচেয়েও সুন্দর হলো আল্লাহ্ তাআলার এই বাণী: "হতে পারে, তোমরা কোনো কিছু অপছন্দ করো অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর; এবং হতে পারে, তোমরা কোনো কিছু ভালোবাসো অথচ তা তোমাদের জন্য ক্ষতিকর।" [সূরা বাকারা: ২১৬]📖
মানুষের উচিত তার সকল বিষয় আল্লাহ্ ওপর ছেড়ে দেওয়া, তাঁর ফায়সালায় সন্তুষ্ট থাকা।—🌼
🎙️শায়খ ড. ইয়াসির আল-দোসারী হাফি:
[ইমাম ও খতীব, মসজিদুল হারাম, মক্কা]
➡️এই বয়ানে আমাদের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে যে, জীবনের প্রতিটি ঘটনা, হোক তা সুখের বা দুঃখের- এর পেছনে রয়েছে আল্লাহ্ তায়ালার গভীর হিকমত ও কল্যাণ। সূরা কাহফে খিদর ও মূসার কাহিনির মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের বুঝিয়ে দেন—জীবনের সব কিছু তার বাহ্যিক চেহারা দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। একজন মুমিনের উচিত আল্লাহ তায়ালার ফয়সালায় আস্থা রাখা, ধৈর্য রাখা এবং তাকদিরে বিশ্বাস রেখে সকল কিছু আল্লাহ তায়ালার হাতে সোপর্দ করা। কারণ তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ পরিকল্পনাকারী।💚