Rohan Chowdhury

Rohan Chowdhury

Share

�"""*অচিরেই তোমার প্রতিপালক তোমাকে এত দেবেন যে, তুমি খুশী হয়ে যাবেন।"""" 📖««আদ দুহা - 5»»📖

29/01/2026

🟦ঈমানের ছয়টি মূল স্তম্ভের একটি হলো তাকদিরে বিশ্বাস রাখা—তার ভালো ও মন্দ উভয়ের উপর।✨

এবং যেন তুমি সকল বিষয়কে শুধু বাইরের দৃষ্টিতে না বিচার করো। কারণ বাস্তবে বিষয়গুলো বাইরের চেহারার মতো নাও হতে পারে।

তুমি যেন আল্লাহ্র তাকদির ও সিদ্ধান্তে পূর্ণ বিশ্বাস রাখো এবং তাঁর আদেশের সামনে আত্মসমর্পণ করো।

🟨আল্লাহ্ কেন আমাদের প্রতি সপ্তাহে সূরা কাহফ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যা নফল ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত?

এই সূরার গভীর ও মহান শিক্ষা হলো, দুনিয়ার ঘটনা ও চিত্র সবসময় বাইরের মতো হয় না। যেমনটা এসেছে খিদর (আ.) এবং মূসা (আ.)-এর কাহিনিতে।

ঘটনাবলি সবসময় আমাদের দৃষ্টিতে যেমন দেখায়, বাস্তবে তা তেমন নয় ৷

এইজন্য ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন:
যে ব্যক্তি আল্লাহকে তাঁর নাম ও গুণাবলির মাধ্যমে চেনে সে নিশ্চিত জানে যে তার জীবনে যেসব দুঃখ-কষ্ট ও অপছন্দনীয় বিষয় আসে—তার মধ্যে এমন কল্যাণ ও উপকারিতা রয়েছে যা তার জ্ঞান ও বুদ্ধিতে ধরা পড়ে না। বরং কোনো কোনো সময় বান্দার উপকার তার অপছন্দের মধ্যেই বেশি হয়, প্রিয় জিনিসের চেয়ে

এরচেয়েও সুন্দর হলো আল্লাহ্ তাআলার এই বাণী: "হতে পারে, তোমরা কোনো কিছু অপছন্দ করো অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর; এবং হতে পারে, তোমরা কোনো কিছু ভালোবাসো অথচ তা তোমাদের জন্য ক্ষতিকর।" [সূরা বাকারা: ২১৬]📖

মানুষের উচিত তার সকল বিষয় আল্লাহ্ ওপর ছেড়ে দেওয়া, তাঁর ফায়সালায় সন্তুষ্ট থাকা।—🌼

🎙️শায়খ ড. ইয়াসির আল-দোসারী হাফি:
[ইমাম ও খতীব, মসজিদুল হারাম, মক্কা]

➡️এই বয়ানে আমাদের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে যে, জীবনের প্রতিটি ঘটনা, হোক তা সুখের বা দুঃখের- এর পেছনে রয়েছে আল্লাহ্ তায়ালার গভীর হিকমত ও কল্যাণ। সূরা কাহফে খিদর ও মূসার কাহিনির মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের বুঝিয়ে দেন—জীবনের সব কিছু তার বাহ্যিক চেহারা দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। একজন মুমিনের উচিত আল্লাহ তায়ালার ফয়সালায় আস্থা রাখা, ধৈর্য রাখা এবং তাকদিরে বিশ্বাস রেখে সকল কিছু আল্লাহ তায়ালার হাতে সোপর্দ করা। কারণ তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ পরিকল্পনাকারী।💚

29/01/2026

🤲

PERLIS INTERNATIONAL SUNNAH CONVENTION

26/01/2026

শাইখ সালেহ আল-উসায়মিন রহিমাহুল্লাহ -কে প্রশ্ন করা হয়েছিল— বিবাহ কি ইলম অর্জনের পথে বাধা সৃষ্টি করে?

উত্তরে তিনি যা বলেছিলেন তার সারমর্ম হলো :
বিবাহ ইলম অর্জনে বাধা সৃষ্টি করে না, বরং ইলম অর্জনে সাহায্য করতে পারে। বিবাহের মাধ্যমে একজন পুরুষ এমন স্ত্রী পেতে পারে যে কিনা তাকে লেখা ও পড়ার মাধ্যমে ইলম অর্জনে সাহায্য করবে। যদি সে তা না পারে তাহলে অন্তত; তার মন থেকে বিবাহের দুশ্চিন্তা দূর করতে পারবে। তালেবে ইলমকে ঘরের কিছু কাজ করতে হয়, স্ত্রী সেগুলো করে দিয়ে স্বামীর জন্য কিছুটা সময় বাঁচিয়ে দেবে। এভাবে স্ত্রী স্বামীর জন্য ইলম অর্জনে প্রয়োজনীয় শান্তিপূর্ণ ও উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে সাহায্য করবে।

সুতরাং যুবকদের প্রতি আমার উপদেশ হলো; তাদের উচিত বিবাহ করা, কারণ এতেই লুকিয়ে রয়েছে বহুবিধ কল্যাণ আর রাসূল ﷺ -এর আদেশ গ্রহণের দৃষ্টান্ত এবং তাঁর ও সাহাবীগণের সুন্নাহর অনুসরণ।

ইসলামকিউএ.ইনফো থেকে অনূদিত।
কালেক্ট : তাইবাহ একাডেমি

22/01/2026

হে মুসলমানগণ! আত্মাকে যদি আনুগত্যে ব্যস্ত না রাখা হয়, তবে তা পাপাচারে লিপ্ত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে এই ডিজিটাল যোগাযোগের যুগে,যেখানে মানুষ প্রতিদিনের ছবি, শিরোনাম আর ব্যক্তিগত পেজ সাজানোর পেছনে ছুটে বেড়াচ্ছে।

তুমি দেখতে পাবে—একজন মানুষ এমন কল্পনার বন্দী, যার কোনো শেষ নেই, এবং এমন সব আকাঙ্ক্ষার দাস, যা কখনো শেষ হয় না। এর চেয়েও খারাপ হলো, যারা অন্যের জীবনের মুহূর্তে বেঁচে থাকে এবং নিজের দিনগুলো অপচয় করে।

লোকজনের জীবন পর্যবেক্ষণ করতে করতে নিজের জীবন ভুলে যায়। এই নিন্দনীয় ব্যস্ততা থেকে শরীয়তে সতর্ক করা হয়েছে, এমন বিষাক্ত আচরণ, যা মানুষের দ্বীনকে নষ্ট করে দেয় এবং তার জীবনকে ব্যর্থ করে তোলে।

আবু হুরাইরা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: "একজন ব্যক্তির ইসলামের সৌন্দর্য এই যে, সে এমন বিষয়ে নিজেকে বিরত রাখে যা তার জন্য গুরুত্বহীন।" (তিরমিজি)

আবু বকর সিদ্দীক (রাদিয়াল্লাহু 'আনহু) বলেছেন: "কিছু মানুষ এমন হয়েছে, যারা তাদের জীবনের সময় অন্যদের জন্য বিলিয়ে দিয়েছে এবং নিজেদের ভুলে গেছে। তোমরা যেন তাদের মতো না হও।”

হে আল্লাহর বান্দারা! জেনে রাখো-সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন অধিকাংশ ক্ষেত্রে হয়ে গেছে মিথ্যা জীবনের মঞ্চ। এটি হয়ে গেছে অন্যায় তুলনার জায়গা, যার ফলে অনেকের মাঝে হিংসা ও বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়েছে।

তাদের হৃদয়ে ঘৃণা বাসা বেঁধেছে, এবং আল্লাহর দেওয়া নিয়ামত ও অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা কমে গেছে আর বিপদের মধ্যে অন্যতম হলো—সেই ভুয়া একাউন্টগুলো, যা সমাজে বিষ ছড়ায়, ফিতনা ও অপবাদ ছড়ায়, মিথ্যা বক্তব্য, গুজব এবং আলেমদের নামে মিথ্যা বক্তব্য তৈরি করে। ভাড়াটে অভিযানে সাজানো মিথ্যা ফতোয়া ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিকৃত তথ্য ছড়ানো হয়, যাতে না ধর্ম দেখা হয়, না নৈতিকতা৷

আশ্চর্যের বিষয় হলো, যারা এসব একাউন্টের পেছনে অন্ধভাবে ছুটে যায়, যাচাই না করেই। এবং নির্ভরযোগ্য উৎস বা অফিসিয়াল চ্যানেল যাচাই না করে তৎক্ষণাৎ এগুলো ছড়িয়ে দেয় ৷

আল্লাহ তায়ালা বলেন"হে মুমিনগণ! যদি কোনো ফাসিক তোমাদের কাছে কোনো খবর নিয়ে আসে, তবে তা যাচাই করে নাও, না হয় অজ্ঞতাবশত কোনো গোষ্ঠীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে বসবে, পরে নিজের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হবে।" সূরা হুজুরাত [আয়াত:৬]

🎙️শায়খ ড. ইয়াসির আল-দোসারী হাফি:
[ইমাম ও খতীব, মসজিদুল হারাম, মক্কা]

10/01/2026

যে ব্যক্তি গুনাহ করতে গিয়ে আল্লাহর ব্যাপারে লজ্জা পায়,
তার সাথে সাক্ষাতের দিনে আল্লাহ তাকে শাস্তি দিতে লজ্জা পাবেন।

- ইবনুল কাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ)
[আল-জাওয়াবুল কাফী: ১/৬৯]

07/01/2026

💚

05/01/2026

▌কোরআনের অনুসারীরাই আল্লাহর
প্রিয়জন এবং তাঁর বিশেষ বান্দা...!




04/01/2026

হে প্রিয় বোন!

01/12/2025

সবাই নিজের বিয়েটাকে "স্পেশাল" করতে ব্যস্ত, কারণ হিসেবে বলা হয়- "বিয়ে তো জীবনে একবার-ই হয়"।।
অথচ "মৃত্যু জীবনে একবার-ই হয়" এটার জন্য স্পেশাল প্রিপারেশন কি নিচ্ছি?

29/11/2025

আপনার স্ত্রী সাহরির সময় আপনাকে আলতো করে ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিয়ে মজাদার রান্নার পসরা বানিয়ে বলবে সাহরি খাও। আপনি বিসমিল্লাহ বলে সাহরি খেয়ে মসজিদে ফজর পড়তে যাবেন।

সারাদিনের পরিশ্রম শেষে স্ত্রী ইফতারের ফলের জুস বা লেবুর শরবত বানিয়ে বলবে, খাও। আপনি বিসমিল্লাহ বলে রোজা ভাঙ্গবেন, ইফতার শেষে মসজিদে যেয়ে মাগরিব পড়বেন।

ঈদের সকালে আপনার স্ত্রী মিষ্টি শেমাই রান্না করে খাওয়াবে, আপনি বিসমিল্লাহ বলে খেয়ে ঈদের নামায পড়তে যাবেন। বিকালে স্ত্রীর হাত ধরে ঘুরে বেড়াবেন পার্কে বা বিভিন্ন সুন্দর পরিবেশে।

কত স্বপ্ন মনের মাঝে লুকিয়ে রেখে দিন পার করছেন, তাই না ভাই?




-- প্রশ্ন হলো, সেই স্ত্রীর জন্য মোহরের টাকা কি জমিয়েছেন? বা জমানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন? বিয়ের দিন হালাল টাকা দিয়ে স্ত্রীকে নগদ মোহর দেয়ার নিয়ত কি আছে? বিয়ের পরে স্ত্রীর পর্দার সমস্ত ব্যবস্থা কি করেছেন? পারিবারিকভাবে ইসলামিক তরিকায় বিয়ে করার উপযুক্ত ব্যবস্থা কি নিয়েছেন বা পরিবারকে বুঝিয়েছেন? পরিবারকে যৌতুক, গায়ে হলুদ ইত্যাদি কুপ্রথার বিরুদ্ধে বুঝিয়েছেন?

যদি উত্তর না হয়? তাহলে এটাকে স্বপ্ন না বলে বিয়ে ফ্যান্টাসি বলা যায়। স্বপ্ন হলো তাই, যা বাস্তবায়নের জন্য মানুষ চেষ্টা-সাধনা করে। আপনি স্বপ্ন দেখবেন কিন্ত সাধনা করবেন না, তাকে স্বপ্ন না বলে ফ্যান্টাসি বলাই যুক্তিযুক্ত।

যে কোনো হালাল কাজের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনে সময় দিন। নগদ মোহরের মত সম্মান দিয়ে আপনার ঘরে স্ত্রী আনুন ও স্বপ্ন পূরণ করুন।

ফি'ত'না'র জামানায় চরিত্র হেফাজতের জন্য বিয়ের বিকল্প নেই। আর বিয়ের জন্য মোহরের টাকা ও ভরণপোষণের বিকল্প নেই।

জাঝাকুমুল্লাহ খাইরান।

©অর্ধেকদ্বীন.কম

Want your school to be the top-listed School/college in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Kolkata