22/12/2025
Follow this and create 400 mtr track for school sports
ENGLISH & BENGALI MEDIUM SCHOOL : ARTS, COMMERCE & SCIENCE ; CO- EDUCATION SCHOOL FORM CLASS V TO XII
22/12/2025
Follow this and create 400 mtr track for school sports
26/09/2025
ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ২০৫তম জন্ম দিবস উৎযাপিত হল।
25/08/2025
DDAHS FOOTBALL TOURNAMENT 2025
11/08/2025
শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর প্রয়ান দিবস ২০২৫
দমদম এয়ারপোর্ট হাই স্কুল
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তর প্রস্তুত হয়েছে। নিচে ৫১ থেকে ১০০ নম্বর প্রশ্ন-উত্তরের কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো:
---
**৫১. চাপ কাকে বলে?**
একক পৃষ্ঠতলে প্রয়োগকৃত বলকে চাপ বলে।
**৫২. চাপের একক কী?**
পাসকেল (Pa)।
**৬১. শব্দ কাকে বলে?**
বস্তু কাঁপলে উৎপন্ন হওয়া তরঙ্গধর্মী কম্পন যা কানে শোনা যায়।
**৬৫. কম্পাঙ্ক কী?**
এক সেকেন্ডে একটি বস্তুর কম্পনের সংখ্যা।
**৭১. আলো কাকে বলে?**
আলো হলো একটি শক্তি যা আমাদের জিনিস দেখতে সাহায্য করে।
**৭৩. প্রতিফলন কাকে বলে?**
আলো কোনো পৃষ্ঠে আপতিত হয়ে ফিরে যাওয়া।
**৮১. তাপ কাকে বলে?**
শক্তির একটি রূপ যা একটি বস্তু থেকে অন্যটিতে স্থানান্তরিত হয় তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে।
**৮৫. তাপ পরিবাহিতির তিনটি প্রক্রিয়া কী কী?**
পরিচালন, সংবহন ও বিকিরণ।
**৯১. বিদ্যুৎ কাকে বলে?**
চার্জের প্রবাহকে বিদ্যুৎ বলে।
**৯৫. ওহমের সূত্র কী?**
V = IR
শ্রেণীর পদার্থবিদ্যার পাঠ্যক্রম অনুযায়ী। নিচে ১১ থেকে ৫০ নম্বর প্রশ্ন-উত্তর দেওয়া হলো:
---
**১১. বেগ ও ত্বরণের মধ্যে পার্থক্য কী?**
বেগ হলো অবস্থান পরিবর্তনের হার, আর ত্বরণ হলো বেগ পরিবর্তনের হার।
**১২. একটি বস্তুর ত্বরণ যদি শূন্য হয়, তবে তার গতি কেমন হবে?**
তাহলে বস্তুটি অভেদ বেগে চলবে বা স্থির থাকবে।
**১৩. বেগের একক কী?**
মিটার/সেকেন্ড (m/s)।
**১৪. ত্বরণের একক কী?**
মিটার/সেকেন্ড² (m/s²)।
**১৫. ধ্রুব গতি কাকে বলে?**
যদি কোন বস্তু সমান সময়ে সমান দূরত্ব অতিক্রম করে, তবে তা ধ্রুব গতি।
**১৬. অবস্থান কাকে বলে?**
বস্তু কোথায় অবস্থিত তা বোঝাতে অবস্থান ব্যবহৃত হয়।
**১৭. বিচ্যুতি কাকে বলে?**
প্রাথমিক ও চূড়ান্ত অবস্থানের সরল রেখার দৈর্ঘ্যকে বিচ্যুতি বলে।
**১৮. অতিক্রান্ত পথ ও বিচ্যুতির মধ্যে পার্থক্য কী?**
অতিক্রান্ত পথ হল মোট পথের দৈর্ঘ্য; বিচ্যুতি হল শুরুর ও শেষের মধ্যকার সরল দূরত্ব।
**১৯. বেগ এবং গতি কি এক জিনিস?**
না, গতি একটি স্কেলার রাশি, বেগ একটি ভেক্টর রাশি।
**২০. গতি নির্ণয়ের আরেকটি সূত্র কী?**
v² = u² + 2as
..
**Basic English Grammar** — suitable for school students or beginners:
---
# # 🟩 1. **Parts of Speech (শব্দের প্রকারভেদ)**
There are **8 main parts of speech**:
| Part of Speech | Explanation | Example |
| ---------------- | ----------------------------------- | --------------------- |
| **Noun** | নাম বা ব্যক্তি, বস্তু, স্থান | Ram, book, Kolkata |
| **Pronoun** | Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত | he, she, it, they |
| **Verb** | কাজ বোঝায় | go, eat, run |
| **Adjective** | Noun/Pronoun-কে বর্ণনা করে | big, red, beautiful |
| **Adverb** | Verb/Adjective-কে বর্ণনা করে | quickly, very, well |
| **Preposition** | Noun/Pronoun-এর সঙ্গে সম্পর্ক বোঝায় | in, on, at, under |
| **Conjunction** | দুটি শব্দ/বাক্যকে যুক্ত করে | and, but, or, because |
| **Interjection** | হঠাৎ অনুভূতির প্রকাশ | oh!, wow!, alas! |
---
# # 🟩 2. **Tenses (কাল)**
Tense বোঝায় **সময়** — কাজটি কখন হয়েছে:
| Tense Type | Example |
| ----------- | ------------------------------- |
| **Present** | I eat rice. (আমি ভাত খাই) |
| **Past** | I ate rice. (আমি ভাত খেলাম) |
| **Future** | I will eat rice. (আমি ভাত খাবো) |
Each tense has 4 forms: simple, continuous, perfect, perfect continuous.
---
# # 🟩 3. **Sentence Structure**
Typical English sentence order is:
**Subject + Verb + Object**
🔸 Example:
* He (subject) reads (verb) a book (object).
* They are playing football.
---
# # 🟩 4. **Articles (a, an, the)**
* **a**: before a consonant sound → a pen
* **an**: before a vowel sound → an apple
* **the**: for something specific → the sun, the Taj Mahal
---
# # 🟩 5. **Subject-Verb Agreement**
Singular subject → Singular verb
Plural subject → Plural verb
🔸 Example:
* She **reads** well.
* They **read** well.
---
# # 🟩 6. **Question Making (WH-questions & Yes/No)**
**WH-words**: who, what, when, where, why, how
🔸 Example:
* What is your name?
* Where do you live?
**Yes/No question:**
* Do you like tea?
* Is he coming?
---
# # 🟩 7. **Negatives**
To make negative sentences:
Use **not** with auxiliary/helping verb
🔸 Example:
* I do **not** play.
* She is **not** here.
---
# # 🟩 8. **Pronouns & Possessives**
| Subject | Object | Possessive |
| ------- | ------ | ---------- |
| I | me | my |
| You | you | your |
| He | him | his |
| She | her | her |
| It | it | its |
| We | us | our |
| They | them | their |
---
# # 🟩 9. **Common Helping Verbs**
* do, does, did
* is, am, are, was, were
* have, has, had
* will, shall, can, could, may, might, must
---
# # 🟩 10. **Some Basic Vocabulary (with Bengali meaning)**
| English | Bengali Meaning |
| ------- | --------------- |
| Eat | খাওয়া |
| Run | দৌড়ানো |
| Book | বই |
| Happy | খুশি |
| Big | বড় |
| Red | লাল |
---
**ভগবদ্ গীতা** থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক বাংলায় অনুবাদসহ দেওয়া হলো। এগুলো সাধারণত পাঠ্যপুস্তকে, ধর্মীয় আলোচনা বা জীবনের শিক্ষায় ব্যবহৃত হয়।
---
# # # 🔹 ১. কর্মযোগ – অধ্যায় ২, শ্লোক ৪৭
**श्लोक (সংস্কৃত):**
**कर्मण्येवाधिकारस्ते मा फलेषु कदाचन।
मा कर्मफलहेतुर्भूर्मा ते संगोऽस्त्वकर्मणि॥**
**বাংলা অনুবাদ:**
তোমার কাজ করার অধিকার আছে, কিন্তু ফলের উপর নয়। কাজের ফলের আকাঙ্ক্ষা করোনা, এবং কর্ম না করাতেও আসক্ত হয়ো না।
➡️ **শিক্ষা:** নিজের কর্তব্য পালন করো, ফল নিয়ে চিন্তা কোরো না।
---
# # # 🔹 ২. জ্ঞানযোগ – অধ্যায় ৪, শ্লোক ৭
**श्लोक:**
**यदा यदा हि धर्मस्य ग्लानिर्भवति भारत।
अभ्युत्थानमधर्मस्य तदात्मानं सृजाम्यहम्॥**
**বাংলা অনুবাদ:**
হে ভারত (অর্জুন), যখনই ধর্মের হানি হয় এবং অধর্মের বৃদ্ধি ঘটে, তখন আমি নিজেকে অবতীর্ণ করি।
➡️ **শিক্ষা:** ভগবান প্রতিকূল সময়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য অবতরণ করেন।
---
# # # 🔹 ৩. শ্লোক – অধ্যায় ২, শ্লোক ২০
**श्लोक:**
**न जायते म्रियते वा कदाचि-
न्नायं भूत्वा भविता वा न भूयः।
अजो नित्यः शाश्वतोऽयं पुराणो
न हन्यते हन्यमाने शरीरे॥**
**বাংলা অনুবাদ:**
আত্মার কখনও জন্ম হয় না, মৃত্যুও হয় না। আত্মা চিরন্তন, অজ এবং অবিনাশী। শরীর মারা গেলেও আত্মা মারা যায় না।
➡️ **শিক্ষা:** আত্মা অবিনাশী; এটি দেহান্তরের পরেও থাকে।
---
# # # 🔹 ৪. ভক্তিযোগ – অধ্যায় ৯, শ্লোক ২২
**श्लोक:**
**अनन्याश्चिन्तयन्तो मां ये जनाः पर्युपासते।
तेषां नित्याभियुक्तानां योगक्षेमं वहाम्यहम्॥**
**বাংলা অনুবাদ:**
যারা একনিষ্ঠভাবে আমার ধ্যান করে, আমি তাদের অভাব পূরণ করি এবং যা আছে তা রক্ষা করি।
➡️ **শিক্ষা:** একাগ্রচিত্তে ভগবানের উপাসনা করলে তিনি নিজের দায়িত্বে সমস্ত কিছু রক্ষা করেন।
---
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের উপর ভিত্তি করে পূর্ণাঙ্গ, ধারাবাহিক ও শিক্ষার্থী-উপযোগী তথ্য । নিচে তাঁর জীবনের প্রধান দিকগুলো দেওয়া হলো:
---
# # 🟩 ১. জন্ম ও শৈশব
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের জন্ম খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৩৪০ সালের দিকে, সম্ভবত বর্তমান বিহারের কোন এক নিম্নবর্গের ক্ষত্রিয় পরিবারে। তাঁর শৈশব খুবই দরিদ্র ও সংগ্রামী ছিল। তাঁকে একটি গোরু পালকের পরিবারের সদস্য বলা হয় কোনো কোনো প্রাচীন উৎসে।
---
# # 🟩 ২. উত্থান ও মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা
চন্দ্রগুপ্ত কৌটিল্য বা চাণক্যের সহায়তায় নন্দ বংশের পতন ঘটিয়ে প্রথম মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন (প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৩২১)। তিনি প্রথম ভারতীয় সম্রাট যিনি উত্তর ভারত, পশ্চিম ভারত এবং কেন্দ্রীয় ভারতকে একত্রিত করেছিলেন।
---
# # 🟩 ৩. চাণক্যের (কৌটিল্য) ভূমিকা
চাণক্য ছিলেন একজন জ্ঞানী ব্রাহ্মণ ও রাজনৈতিক কৌশলবিদ। তিনি অর্থশাস্ত্র রচয়িতা। চন্দ্রগুপ্তকে তিনি শাসক হিসেবে গড়ে তোলেন এবং রাজনীতিক হিসেবে পরিচালনা করেন। তাঁর বুদ্ধি ও পরিকল্পনার মাধ্যমেই চন্দ্রগুপ্ত ক্ষমতায় আসেন।
---
# # 🟩 ৪. আলেকজান্ডারের ভারতের আক্রমণের পর প্রেক্ষাপট
আলেকজান্ডার ভারত আক্রমণ করেন খ্রিস্টপূর্ব ৩২৬ সালে, কিন্তু পশ্চিম ভারতের অনেক অংশ অব্যবস্থাপনায় পড়ে যায় তার মৃত্যুর পর। এই শূন্যতা কাজে লাগিয়ে চন্দ্রগুপ্ত সেখানে মৌর্য প্রভাব বিস্তার করেন।
---
# # 🟩 ৫. নন্দ রাজবংশের পতন
নন্দ রাজারা মগধের শাসক ছিলেন, তবে তারা দুর্নীতিপরায়ণ ও জনপ্রিয় ছিলেন না। চাণক্যের পরিকল্পনায় ও চন্দ্রগুপ্তের নেতৃত্বে নন্দ রাজবংশকে উৎখাত করা হয়।
---
# # 🟩 ৬. শাসন ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক নীতি
চন্দ্রগুপ্তের শাসনে প্রশাসনিক ব্যবস্থা ছিল সুসংগঠিত। রাষ্ট্র ছিল কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত। কৌটিল্যের *অর্থশাস্ত্র* অনুযায়ী, রাজস্ব, গুপ্তচর ব্যবস্থা ও আইন কঠোর ছিল। তিনি একটি স্থায়ী সেনাবাহিনী গঠন করেছিলেন।
---
# # 🟩 ৭. সেলিউকসের সঙ্গে যুদ্ধ ও সন্ধি
চন্দ্রগুপ্ত খ্রিস্টপূর্ব ৩০৫ সালে আলেকজান্ডারের উত্তরাধিকারী সেলিউকস প্রথমের সঙ্গে যুদ্ধ করেন। পরে সন্ধি হয়, যার মাধ্যমে চন্দ্রগুপ্ত আফগানিস্তান, বেলুচিস্তান ইত্যাদি অঞ্চল লাভ করেন এবং সেলিউকসকে কন্যা বিবাহ দেন। বিনিময়ে গ্রিক দূত মেগাস্থিনিস মৌর্য দরবারে পাঠানো হয়।
---
# # 🟩 ৮. ধর্ম বিশ্বাস (জৈন ধর্ম গ্রহণ)
চন্দ্রগুপ্ত শাসনকালে হিন্দু ধর্মাবলম্বী হলেও পরবর্তীতে **জৈন ধর্ম** গ্রহণ করেন আচার্য ভদ্রবাহুর প্রভাবে। তিনি সহিংসতা পরিহার করে আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ত্যাগের পথে চলতে শুরু করেন।
---
# # 🟩 ৯. সান্ন্যাস ও শেষ জীবন
চন্দ্রগুপ্ত তাঁর পুত্র বিন্দুসারকে রাজ্য হস্তান্তর করে দক্ষিণ ভারতের শ্রবণবেলগোলায় চলে যান এবং জৈন সন্ন্যাস গ্রহণ করেন। ধারণা করা হয়, তিনি সেলিবেট হয়ে উপবাসে মৃত্যু বরণ করেন (সালেখনা)।
---
# # 🟩 ১০. ঐতিহাসিক গুরুত্ব
* চন্দ্রগুপ্ত ভারতবর্ষে প্রথম বৃহৎ সাম্রাজ্য স্থাপন করেন।
* তিনি একটি রাজনৈতিক ঐক্যের সূচনা করেন এবং মৌর্য সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন।
* তাঁর শাসন ব্যবস্থায় চাণক্যের *অর্থশাস্ত্র* এক মূল্যবান দলিল হিসেবে বিবেচিত।
* পরবর্তী মৌর্য শাসক অশোক তাঁর বংশধর ছিলেন, যিনি বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
---
13/05/2025
৮ম থেকে ১০ম শ্রেণির জন্য উপযোগী আলোর সম্পূর্ণ পাঠ্যভিত্তিক তথ্য - মধ্যে থাকবে আলোর প্রকৃতি, গতি, প্রতিফলন, প্রতিসরণ, বিচ্ছুরণ, দর্পণ ও লেন্স সংক্রান্ত সূত্র এবং এগুলোর উদাহরণ। সব কিছু বাংলায় এবং সহজ ভাষায় উপস্থাপন করা হবে যাতে শিক্ষার্থীরা সহজে বুঝতে পারে।
# আলো (Light)
# # আলোর প্রকৃতি ও গতি
* আলো **তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ** হলেও ফোটন নামক কণা বৈশিষ্ট্যও দেখায়। অর্থাৎ আলোর কিছু বৈশিষ্ট্য তরঙ্গের মতো এবং কিছু কণার মতো।
* শূন্যস্থলে আলোর গতি ধ্রুব এবং প্রায় $3\times10^8$ মি./সে. (প্রায় ৩০ লক্ষ কিমি/সে.)। আলোর গতি প্রতিটি পর্যবেক্ষকের জন্য সমান থাকে।
* উদাহরণ: সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছতে প্রায় ৮ মিনিট সময় নেয়।
# # আলোর প্রতিফলন (Reflection)
* **সংজ্ঞা:** আলোর কোনো মসৃণ পৃষ্ঠে আঘাত করলে আলো সেই পৃষ্ঠ থেকে ফিরে আসে; এই ঘটনাকে **প্রতিফলন** বলে।
* **নিয়ম:** আপতিত রশ্মি, প্রতিবিম্ব রশ্মি এবং স্বাভাবিক রেখাটি একই সমতলে থাকে এবং আপতিত কোণ $\theta_i$ ও প্রতিবিম্ব কোণ $\theta_r$ সমান (যেমন, $\theta_i=\theta_r$)।
* **উদাহরণ:** আয়নায় নিজের মুখের প্রতিবিম্ব দেখা (এই আলো প্রতিফলনের কারণে)। প্লেইন মিররে বস্তু ও চিত্রের দূরত্ব সমান থাকে।
# # আলোর প্রতিসরণ (Refraction)
* **সংজ্ঞা:** আলোর রশ্মি যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন তার গতি পরিবর্তিত হয়ে দিক বদল করে; এই ঘটনাকে **প্রতিসরণ** বলে।
* **নিয়ম:** স্নেলের সূত্র অনুযায়ী, আপতিত কোণ $i$ ও প্রতিসরণ কোণ $r$ এর সাইনদের অনুপাত ধ্রুব: $\dfrac{\sin i}{\sin r}=$ ধ্রুব (যা দুই মাধ্যমের প্রতিসরণ সূচকের অনুপাত)। অর্থাৎ, $\sin i:\sin r= n_2:n_1$।
* **উদাহরণ:** পানিতে দাঁড়িয়ে কাঠি ভেসে ওঠা দেখায় বা কাঠি ভাঙ্গা মনে হয় (এটি আলো প্রতিসরণের কারণে)। লেন্সে আলো প্রতিসরণের ফলে জড়বর্তী বিন্দুতে ফোকাস হয়।
# # বিচ্ছুরণ (Dispersion)
* **সংজ্ঞা:** সাদা আলো যখন প্রিজমের মতো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন আলোর ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রশ্মি বিভিন্ন কোণে প্রতিসরিত হয় ও আলাদা আলাদা রঙে বিভক্ত হয়। এই ঘটনাকে আলো **বিচ্ছুরণ** বলে।
* **রঙের বিন্যাস:** ফলস্বরূপ সাদা আলো সাতটি বর্ণে বিভক্ত হয় – বেগুনি, নীল, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল (VIBGYOR)। বেগুনী রশ্মি সর্বাধিক বাঁকায়, লাল সর্বনিম্ন বাঁকায়, তাই বর্ণটির বিন্যাসে বেগুনি লাল থেকে ভিন্ন পাশে অবস্থান করে।
# # দর্পণ ও লেন্স
* **উত্তল দর্পণ (Convex Mirror):** তলটি বাহিরের দিকে উঁচু আকৃতির; আলো ছড়িয়ে দেয়; সবসময় **আপাত** উলম্ব, ক্ষুদ্র প্রতিবিম্ব তৈরি করে। যেমন, রাস্তার বাঁকে বিপরীত যানবাহন দেখার জন্য উত্তল দর্পণ বসানো হয়।
* **অবতল দর্পণ (Concave Mirror):** তলটি অভ্যন্তরের দিকে ঢালু; আলো একত্রিত করে; **বাস্তব** বা **আপাত** উলম্ব প্রতিবিম্ব তৈরি করে। উদাহরণ: শেভিং আয়নায় বা হেডল্যাম্পে আলো ফোকাস করার জন্য অবতল দর্পণ ব্যবহৃত হয়।
* **উত্তল লেন্স (Convex Lens):** মাঝখানে পুরু ও প্রান্তে পাতলা; আলো একত্রিত করে; বস্তু দূরত্ব অনুসারে বাস্তব বা আপাত উলম্ব চিত্র দেয়। উদাহরণ: ম্যাগনিফায়িং গ্লাস, ক্যামেরার লেন্স, দূরদর্শী চশমায় ব্যবহৃত।
* **অবতল লেন্স (Concave Lens):** মাঝখানে পাতলা ও প্রান্তে পুরু; আলো ছড়িয়ে দেয়; সবসময় আপাত উলম্ব, ক্ষুদ্র চিত্র দেয়। উদাহরণ: দৃষ্টিদোষের চশমা, দৃষ্টি-বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়।
* **লেন্স-দর্পণ সূত্র:** বস্তু-চিত্র দূরত্ব $u,v$ এবং ফোকাল দৈর্ঘ্য $f$ একসাথে সম্পর্কিত হয়:
$$
\frac{1}{v} + \frac{1}{u} = \frac{1}{f}
$$
(এখানে লক্ষণ মতে সংকেত ব্যবহার করলে প্রয়োজনীয় অঙ্কন হয়)। এ সূত্র দিয়ে লেন্স বা দর্পণে চিত্রের অবস্থান নির্ণয় করা হয়।
# # বাস্তব ও আপাত দৈর্ঘ্য ও দূরত্ব
* স্বচ্ছ মাধ্যমে কোনো বস্তু দেখলে তার প্রকৃত (বাস্তব) দূরত্ব ও চোখে অনুভূত (আপাত) দূরত্বের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, পানির মধ্যে রাখা একটি নীচের মুদ্রা প্রকৃত গভীরতায় থাকলেও চোখে উপরের দিকে মনে হয়। পানির প্রতিসরণ সূচক μ≈4/3 হওয়ায় বাস্তব গভীরতা এবং আপাত গভীরতার অনুপাত μ=বাস্তব/আপাত। ফলে বস্তুটি প্রায় প্রকৃত উচ্চতার $\tfrac{3}{4}$ অংশ উচ্চে দেখা যায়।