সুপ্রিম কোর্ট : নির্বাচন প্রক্রিয়া --- কলেজিয়াম ব্যাবস্থা এবং National Judicial Appointment Commission Act, 2014-----
সংবিধানের ১২৪ নং ধারায় সুপ্রিম কোর্টের প্রতিষ্ঠা এবং সংগঠন সম্পর্কিত নির্দেশ লিপিবদ্ধ আছে।বলা আছে,দেশে একটি সর্বোচ্চ বিচারালয় বা "সুপ্রিম কোর্ট" থাকবে,যা তৈরি হবে একজন প্রধান বিচারপতি এবং সর্বাধিক সাতজন সহায়ক বিচারপতি নিয়ে, যতক্ষণ না পার্লামেন্ট আইন প্রণয়ন করে বিচারপতিদের সংখ্যার তারতম্য ঘটাচ্ছে।সুতরাং, শুরুতে সুপ্রিম কোর্টের মোট বিচারপতির সংখ্যা ছিল---১+৭ অর্থাৎ মোট ৮ জন।বর্তমানে এই সংখ্যা ---- ১+৩৩
সংবিধানে এও বলা আছে,সুপ্রিম কোর্টের এই বিচারপতিদের নিয়োগ করবেন--রাষ্ট্রপতি।তিনি চাইলে এরজন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সাথে আলোচনা করতে পারেন।
১৯৫০ সালে সংবিধান কার্যকরী হবার পর থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি নিয়োগের সময় আগেকার প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগের সময় তৎকালীন প্রধান বিচারপতির পরামর্শ নিতেন।এক্ষেত্রে কোনো প্রধান বিচারপতির মেয়াদ শেষ হলে তারপরের বিচারপতি "সিনিয়রিটি" অনুসারে ঠিক করা হত।কিন্তু ১৯৭৩'এর পর এই নিয়মের পরিবর্তন দেখা যায়। ফলে এই নিয়ে এক বিবাদের সূত্রপাত হয়,রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা এবং বিচারবিভাগীয় ক্ষমতার মধ্যে।১৯৮২ সালে সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা দায়ের করা হয়---বিচারপতি নিয়োগের সময় সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ গ্রহণ বাধ্যতামূলক কিনা! তাতে কোর্ট জানিয়ে দেয়,রাষ্ট্রপতি,নতুন বিচারপতি নিয়োগের সময়, সুপ্রিম কোর্টের পুরানো বিচারপতিদের মতামত নেবেন কি নেবেন না,সেটা তাঁর নিজস্ব সিদ্ধান্ত---তিনি "বাধ্য নন" নিতে।এর প্রায় এক দশক পরের একটি মামলায়---Supreme Court Advocates-on Record Association (SCARA),সুপ্রিম কোর্ট তার আগের অবস্থান থেকে সরে আসে এবং জানায়, রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমত বিচারপতিদের নিয়োগ করতে পারেন না।এইভাবে একটি নির্বাচন উপদেষ্টামন্ডলী বা "Collegium System"-এর জন্ম হয়।এই কলেজিয়াম তৈরি হয় প্রধান বিচারপতি এবং চারজন সিনিয়র মোস্ট বিচারপতিদের নিয়ে।ঠিক হয়,এরা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কিছু নাম সাজেস্ট করবে,সরকার সেই নামগুলোকে বিচার বিবেচনা করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাবে।কিন্তু এই ব্যাবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই স্বজনপোষণ এবং দুর্নীতির সম্ভাবনা থেকে যায়।
এমত অবস্থায়,৯৯তম সংবিধান সংশোধনের দ্বারা আগেকার কলেজিয়াম সিস্টেমকে বাদ দিয়ে নতুন "National Judicial Appointment Commission Act, 2014" পাশ হয়।এর প্রতিনিধিরা ছিলেন-----
১.সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি।
২.সুপ্রিম কোর্টের ২ জন সিনিয়র মোস্ট জাজ।
৩.ভারতের কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী।
৪.সিলেকশন কমিটির মনোনীত দুজন ব্যাক্তি।
--কিন্তু পরবর্তীকালে সুপ্রিম কোর্ট এই আইনকে বাতিল করে।কারণ এটা বিচারবিভাগের সার্বভৌমত্বকে খর্ব করছিল।
বর্তমানে তাই আবার আগেকার "কলেজিয়াম ব্যাবস্থা"ই পুর্নবহাল আছে।বিচারপতি নিয়োগে,রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ নিতে বাধ্য।
2nd SLST Political science
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from 2nd SLST Political science, Education, KOLKATA.
1. কাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়?
উঃ গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টটলকে।
2. ‘মানুষ সামাজিক জীব’ – উক্তিটি কার?
উঃ অ্যারিস্টটলের।
3. রাষ্ট্রবিজ্ঞান কি ধরণের বিজ্ঞান?
উঃ গতিশীল সামাজিক বিজ্ঞান।
4. ‘রাষ্ট্রবিজ্ঞান শ্রেণি সম্পর্কের বিজ্ঞান’ – এ কথা কে বলেছেন?
উঃ লেনিন।
5. রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে একটি ‘প্রগতিশীল বিজ্ঞান’ কে বলেছেন?
উঃ লর্ড ব্রাইস।
6. ‘পলিটিক্স’ গ্রন্থটির লেখক কে?
উঃ অ্যারিস্টটল।
7. ‘দ্য রিপাবলিক’ গ্রন্থটির লেখক কে?
উঃ প্লেটো।
8. বহুত্ববাদী তত্ত্বের একজন প্রবক্তার নাম লেখো?
উঃ ল্যাস্কি।
9. কত সালে প্যারিসে ‘আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
উঃ ১৯৪৮ সালে।
10. কে রাজনীতিকে ‘অর্থনীতির ঘনীভূত প্রকাশ’ বলেছেন?
উঃ লেনিন।
11. ‘মর্ডান পলিটিক্স অ্যান্ড গভর্নমেণ্ট’ গ্রন্থটি কার লেখ?
উঃ অ্যালান বল-এর।
12. রাজনীতি হল ‘মূল্যের কর্তৃত্বমূলক বণ্টন’ – কে বলেছেন?
উঃ ডেভিড ইস্টন।
13. ‘দ্য পলিটিকাল ম্যান’ কার লেখা?
উঃ লিপসেটের।
14. ‘রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সূচনা ও সমাপ্তি রাষ্ট্রকে নিয়েই’ উক্তিটি কার?
উঃ গার্নার।
15. রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান বলতে নারাজ এমন একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর নাম লেখো।
উঃ কোঁৎ।
16. কে রাষ্ট্র বিজ্ঞানকে ‘শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান’ বলেছেন?
উঃ অ্যারিস্টটল।
17. ‘পলিটিক্স’ শব্দটি কোন শব্দ থেকে এসেছে?
উঃ গ্রীক শব্দ ‘পোলিস’ থেকে।
18. কোথায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান শব্দটি সর্বপ্রথম আধুনিক অর্থে ব্যবহৃত হয়?
উঃ ১৮৯০ সালে আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থ তালিকায়।
19. ‘পলিটিক্সঃ হু গেটস্ দ্যাট হোয়াট, হোয়েন, হাউ’ গ্রন্থের লেখক কে?
উঃ হ্যারল্ড ল্যাসওয়ে।
20. ডেভিড ট্রুম্যানের লেখা গ্রন্থের নাম কী?
উঃ দ্য গভর্নমেন্টাল প্রসেস।
21. কে প্রথম ‘রাষ্ট্রবিজ্ঞান’ শব্দটি প্রয়োগ করেন?
উঃ লিবনিজ।
22. একজন ঐতিহ্যবাহী উদারনীতিবাদী চিন্তাবিদের নাম লেখো।
উঃ জন স্টুয়ার্ট মিল।
23. রাষ্ট্রবিজ্ঞান পাঠের দুটি পরস্পরবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি কী?
উঃ উদার নীতিবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও মার্কসীয় দৃষ্টিভঙ্গি।
24. রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সঙ্গে সম্পর্কিত যে-কোন দুটি সমাজবিজ্ঞানের নাম লেখো।
উঃ ইতিহাস ও সমাজতত্ত্ব।
25. ‘রাষ্ট্রবিজ্ঞান হল সমাজবিজ্ঞানের সেই অংশ, যা রাষ্ট্রের ভিত্তি ও সরকারের নীতিসমূহ নিয়ে আলোচনা করে।’ – কার উক্তি?
উঃ পল জেনেট-এর উক্তি।
26. শ্রেণিহীন ও রাষ্ট্রহীন সমাজব্যবস্থাকে মার্কস কী নামে অভিহিত করেন?
উঃ সাম্যবাদী সমাজব্যবস্থা।
27. মিলার রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে কী বলে অভিহিত করেছেন?
উঃ মূলত বিরোধজনিত পরিস্থিতির মীমাংসা।
28. ‘যাঁরা রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান বলতে চান না, তাঁরা বিজ্ঞান কাকে বলে, তা জানেন না’। - উক্তিটি কার?
উঃ ফ্রেডারিক পোলক-এর উক্তি।
29. ‘মানুষের রাজনৈতিক জীবন বিশ্লেষণ করাই হল রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়।’- কে বলেছেন?
উঃ ল্যাস্কি।
30. ‘যখন আমি কোন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের শিরোনামে রাষ্ট্রবিজ্ঞান কথাটি লেখা থাকতে দেখি, তখন আমি ওইরূপ শিরোনামের জন্য বিশেষ দুঃখবোধ করি, প্রশ্নগুলির জন্য নয়’। - কার উক্তি?
উঃ মেটল্যাণ্ডের।
31. ‘বর্তমান অবস্থায় রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান বলে অভিহিত করা তো যায়ই না, এমনকি এটি কলা বিষয়ের মধ্যেও অত্যন্ত অনুন্নত’। - বক্তব্যটি কার?
উঃ বাক্ল-এর।
32. ‘যে মানুষ সমাজে বাস করে না, সে হয় দেবতা, না হয় পশু’। - কে বলেছেন?
উঃ অ্যারিস্টটল।
33. ‘সৌন্দর্যতত্ত্বের বিজ্ঞান বলে যেমন কোনো বিজ্ঞান নেই, তেমনি রাষ্ট্রতত্ত্বের বিজ্ঞান বলেও কিছু নেই’। কার উক্তি?
উঃ বার্ক-এর।
34. ‘মার্কসিজম অ্যান্ড পলিটিক্স’ গ্রন্থের প্রণেতা কে?
উঃ র্যাল্ফ মিলিব্যাণ্ড।
35. ‘দ্য আইডিয়া অফ পলিটিক্স’ গ্রন্থের প্রণেতা কে?
উঃ মরিস দ্যুভারজার।
36. ‘মূল্যবোধ ছাড়া সামাজিক ঘটনার আলোচনা আসবে’। কার উক্তি?
উঃ লিও স্ট্রস-এর উক্তি।
37. ‘দ্য নেচার অফ পলিটিক্স’ গ্রন্থের লেখক কে?
উঃ জে. ডি. বি. মিলার।
38. ‘রাজনৈতিক কাজকর্ম ক্ষমতার পরিপ্রেক্ষিতেই নিষ্পন্ন হয়’। কার উক্তি?
উঃ ল্যারল্ড ল্যাসওয়েল
39. রাষ্ট্রবিজ্ঞান পাঠের দুটি দৃষ্টিভঙ্গি কী কী?
উঃ সাবেকী ও আধুনিক।
40. অ্যারিস্টটল কোন শতাব্দীর দার্শনিক?
উঃ চতুর্থ শতাব্দীর।
41. সিস্টেম্যাটিক পলিটিক্স বইটির লেখক কে?
উঃ ক্যাটলিন।
42. নতুন রাজনৈতিক অর্থতত্ত্বের প্রবক্তা কে?
উঃ জে. এম. বুকানন।
43. উদারনীতিবাদী দৃষ্টিভঙ্গির আদি প্রবক্তা কে?
উঃ লক।
44. ‘রাজনীতি সমাজের প্রতিরূপ’ – কার উক্তি?
উঃ মিলার-এর।
45. ‘দ্য পলিটিক্যাল সিস্টেম’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উঃ ডেভিড ইস্টন।
46. রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আচরণবাদী আন্দোলন কোন শতকের আন্দোলন?
উঃ বিশ শতকের আন্দোলন।
47. ‘সর্বাপ্রেক্ষা কম ক্ষমতাশালী রাষ্ট্র’ তত্ত্বের প্রচারক কে?
উঃ রবার্ট নজিক।
48. ‘রাষ্ট্রবিজ্ঞান’ শব্দটি প্রথম কত সালে ব্যবহৃত হয়?
উঃ ১৭০১ সালে।
49. ‘মানুষ রাজনৈতিক প্রাণী’- এ কথা কে বলেছেন?
উঃ অ্যারিস্টটল।
50. রাষ্ট্রবিজ্ঞানের রাষ্ট্রনিরপেক্ষ সংজ্ঞা কে দিয়েছেন?
উঃ ডেভিড ইস্টন।
51. রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে একটি ‘প্রগতিশীল বিজ্ঞান’ কে বলেছেন?
উঃ লর্ড ব্রাইস।
52. ‘দ্য প্রসেস অফ গভর্নমেণ্ট’ গ্রন্থটির লেখক কে?
উঃ আর্থার বেন্টলি।
53. ‘হিউম্যান নেচার ইন পলিটিক্স’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উঃ গ্রাহাম ওয়ালস।
54. রাজনীতির তত্ত্বগত ধারণা সর্বপ্রথম কে শুরু করেন?
উঃ অ্যারিস্টটল।
55. সামাজিক রাজনীতির সপক্ষে তাত্ত্বিক আলোচনা কে শুরু করেন?
উঃ বেনফিল্ড।
56. ‘সমাজে যে কোন বিরোধ ও তার নিষ্পত্তিই হল রাজনীতি’- এই অভিমত কার?
উঃ অ্যালান বল।
57. ‘ল অফ কনস্টিটিউশন’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উঃ এ. ভি. ডাইসি।
58. ‘রাজনীতি হয় যৌথ কার্যকলাপের প্রকাশ’ – এটি কার মন্তব্য?
উঃ এ. আন্ডারসন।
59. রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ঐতিহ্যবাদী সংজ্ঞা দিয়েছেন এমন দুজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর নাম লেখো।
উঃ ব্লুন্টস্লি এবং গার্নার।
60. দুজন আচরণবাদী রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর নাম লেখো।
উঃ রবার্ট ডাল ও ডেভিড ইস্টন।
61. রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান মনে করেন এমন দুজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর নাম লেখো।
উঃ অ্যারিস্টটল এবং লর্ড ব্রাইস।
62. রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান বলতে নারাজ এমন দুজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর নাম লেখো।
উঃ কোঁৎ ও মেইটল্যান্ড।
Janmejoy Hazra.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Kolkata