13/12/2025
ENGLISH MEDIUM 👬 👫 👬 👫
Jingle all the way! 🔔
The best break of the year is here!
🎅🤶👑🎄🎉
CHRISTMAS CELEBRATION held today at our school premises, 😊
Vivekananda Vidyamandir, Agarpara is a Bengali and English Medium Pre-primary and Primary School. You’re entitled not to.
Our Story
Welcome to the official page of Vivekananda Vidyamandir, Agarpara, a private Bengali and English Medium educational institution for Play-group, Pre-Primary and Primary level children. Following the ideals of Ramkrishna-Saradamoni-Vivekananda, Vivekananda Vidyamandir was established in 1958 by late Sri Samarendra Maitra to impart holistic and balanced education to children so a
13/12/2025
ENGLISH MEDIUM 👬 👫 👬 👫
Jingle all the way! 🔔
The best break of the year is here!
🎅🤶👑🎄🎉
CHRISTMAS CELEBRATION held today at our school premises, 😊
10/12/2025
ENGLISH MEDIUM 👬 👫 👬 👫
Bottle art - Nursery
ENGLISH MEDIUM
👬 👫 👬 👫
Class 1 - science
15/11/2025
প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের হাতের কাজ...
দিবা বিভাগ
12/11/2025
ENGLISH MEDIUM 👬 👫 👬 👫
Science + Teamwork = Amazing results!
Class 3
Topic - Different types of leaves 🌿☘️🌱🍀
07/11/2025
= বিপিন চন্দ্র পাল =
বিপিন চন্দ্র পাল ছিলেন ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের এক অগ্রগণ্য নেতা। 'ভারতে বিপ্লবী চিন্তাধারার জনক' এই বহুমুখী ব্যক্তিত্ব একাধারে ছিলেন শিক্ষক, সাংবাদিক, সুলেখক, বাগ্মী, সমাজবিদ ও রাজনীতিবিদ। তিনি ছিলেন বাংলার নবজাগরণের প্রকৃষ্ঠ বাহক। তাঁর সুলেখনীতে সামাজিক ও রাজনৈতিক বক্তব্য চমকপ্রদ প্রভাব বিস্তার করে। তাঁর বাগ্মীতা ও বজ্রধ্বনিময় কন্ঠস্বরে মোহিত হয়ে হাজার হাজার মানুষ স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তিনি ছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রখ্যাত লাল-বাল-পাল ত্রয়ীর অন্যতম।
বিপিন চন্দ্র পাল জন্মগ্রহণ করেন ১৮৫৮ সালের ৭ নভেম্বর অবিভক্ত ভারতের সিলেট জেলার হবিগঞ্জের পইল গ্রামে। তাঁর বাবা রামচন্দ্র পাল ছিলেন জমিদার এবং সিলেট বারের প্রভাবশালী সদস্য। তাঁর মা নারায়ণী দেবী ছিলেন উদার ও মানবিক গুণের অধিকারী। পারিবারিক প্রভাবে তাঁর মধ্যে সাম্য ও মানবতা বোধের দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠে । সিলেটের ইংরাজী ও মিশনারী বিদ্যালয়ে পড়াশুনার সমাপ্তিতে বিপিন চন্দ্র কলকাতায় প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন। স্কুল ও কলেজ জীবনে বাংলা ও ইংরাজী সাহিত্য ও সমসাময়িক বিষয়ে ব্যাপক অধ্যয়নে তাঁর সাহিত্যরুচী গড়ে ওঠে ও জাতীয়তাবাদী সচেতনতা প্রতিষ্ঠিত হয়।
কলকাতায় ছাত্রজীবনে তিনি বিশিষ্ঠ ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসেন যাদের অনুপ্রেরণা তাঁর জীবনপথ ও চিন্তাধারাকে প্রভাবিত করে। ব্রাহ্ম সমাজের কর্ণধার কেশব চন্দ্র সেন এর আদর্শে প্রভাবিত হয়ে তিনি ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন। শিক্ষাবিদ শিবনাথ শাস্ত্রী তাঁর মধ্যে জাগরিত করেন ব্যক্তিবাদ, দেশপ্রেম ও স্বাধীনতাবোধ। দার্শনিক ও হিন্দু সমাজ সংস্কারক বিজয় কৃষ্ণ গোস্বামী তাঁর আধ্যাত্মিক চিন্তাধারাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেন।
১৮৭৭ সালে শিক্ষক শিবনাথ শাস্ত্রীর আমন্ত্রণে বিপিন চন্দ্র স্বাধীনতার সাধকদলের সদস্য হিসাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন, যা ব্রাহ্মসমাজের ধার্মিক ও সামাজিক চিন্তাধারার সাথে সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীর রাজনৈতিক মতাদর্শের মিলন ঘটায়। সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীর প্রভাবে সক্রিয় রাজনীতিতে তিনি আরও উৎসাহিত হন। পরবর্তীকালে বাল গঙ্গাধর তিলক, লালা লাজপত রায় এবং অরবিন্দ ঘোষের সান্নিধ্যে তিনি চরমপন্থি রাজনীতিতে লিপ্ত হন। ১৮৮৬ সালে দ্বিতীয় অধিবেশন থেকেই বিপিন চন্দ্র পাল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করেন। মাদ্রাজের তৃতীয় অধিবেশনে বৈষম্যমূলক অস্ত্র আইন বাতিলের জন্য জোরাল যুক্তি দেন। চতুর্থ অধিবেশনে কারিগরি শিক্ষা ও শিল্প ব্যবস্থার অনুসন্ধানে একটি কমিশন গঠনের প্রস্তাব রাখেন।
১৮৯৮ সালে বৃত্তি নিয়ে বিপিন চন্দ্র ইংল্যান্ডে যান পড়াশুনা করতে, কিন্তু বৃত্তি পরিত্যাগ করে ভারতের জাতীয়তাবাদী কর্মকান্ডে ব্যস্ত হয়ে পরেন। দেশাত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশে ফিরে সক্রিয়ভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনে নিয়োজিত হন এবং তাঁর সাপ্তাহিক পত্রিকা 'নতুন ভারত' এ জাতীয়তাবাদ, যুক্তিবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা বিষয়ে লিখতে শুরু করেন। তিনি বাল গঙ্গাধর তিলকের হিন্দু জাতীয়তাবাদ এর পক্ষপাতী ছিলেন না। বঙ্গভঙ্গ রদের পরে ১৯০৬ সালে শুরু করেন দৈনিক পত্রিকা 'বন্দেমাতরম', ডাক দেন বিদেশী সামগ্রী বর্জন করে স্বদেশীর ব্যবহারে। অরবিন্দ ঘোষের বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করায় তিনি ছয় মাস কারাবরণ করেন।
কারাবরণের পর নির্বাসনে ১৯০৮ সালে তিন বছর ইংল্যান্ডে গিয়ে তিনি 'স্বরাজ' পত্রিকার সম্পাদনা করেন। পরবর্তীতে অ্যানি বেসান্ত ও তিলকের সাথে তিনি পূর্ণ স্বরাজের দাবীতে আন্দোলনে যোগদান করেন। দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন রাষ্ট্র শাসনের পর্যালোচনা করে বিপিন চন্দ্র পূর্ণ স্বরাজ সম্পর্কে তাঁর অভিমতের রূপরেখা জানিয়েছিলেন যা ছিল - প্রভূত স্বায়ত্ব শাসনের, শুধু ভাষাভিত্তিক রাজ্য বা জেলায় নয়, প্রান্তিক গ্রামেও। ১৯২১ সালে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচীতে মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতির সাথে চরমপন্থার মতবিরোধে তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে তাঁর বৈপ্লবিক ধারণা তিনি লেখনী ও বাগ্মীতার মাধ্যমে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনকে তীব্রভাবে প্রভাবিত করেছিলেন।অরবিন্দ ঘোষ তাকে 'জাতীয়তাবাদের সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী ভাববাদী নেতা' রূপে বর্ণনা করেন।
বিপিন চন্দ্র পাল সাহিত্য রচনায় বিশেষ কৃতিত্বের অধিকারী ছিলেন। বাংলা ও ইংরাজী ভাষায় তাঁর অসংখ্য প্রবন্ধ, গ্রন্থ, উপন্যাস ও রচনায় তৎকালীন সমাজজীবন, গ্রাম্য জীবন, রাজনীতি, সমাজনীতি, স্বাধীনতা আন্দোলনের ভাবনা, দেশ ও মানুষের জীবনের বিভিন্ন রূপের প্রকাশ পায়, যা সামাজিক ও আধুনিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান । সত্তর বছর বয়সে পদার্পণ করে তিনি লেখেন আত্মজীবনী, যার নামকরণ করেন 'সত্তর বছর'।
বাংলার নবজাগরণের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক বিপিন চন্দ্র রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধেও সোচ্চার ছিলেন। এই মর্মে তাঁর আন্তরিক প্রত্যয়ের নিদর্শন রেখে তিনি আন্তঃবর্ণে বিধবা বিবাহ করেন। তিনি নারীশিক্ষা ও ভারতীয় শিক্ষাবিস্তারেও গুরুত্ব দেন।
বিপিন চন্দ্র পাল কোনদিন ব্রাহ্মত্ব ত্যাগ করেননি, কিন্তু ক্রমে ক্রমে ধর্মমত পরিবর্তিত হয়ে ১৮৯৫ সালে বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর কাছে দীক্ষা নিয়ে বৈষ্ণব সাধনায় অনুরাগী হন। ১৯৩২ সালের ২০ মে তাঁর মৃত্যু হয়। জন্মদিনে এই মহান ব্যক্তিত্বকে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম।
- শ্রদ্ধাজ্ঞাপনে বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা গায়ত্রী সেনগুপ্ত
29/10/2025
বাংলা ও ইংরাজী মাধ্যমে আগামী শিক্ষাবর্ষের (২০২৬) ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদনপত্র বিদ্যালয় অফিসে পাওয়া যাচ্ছে।
17/10/2025
ENGLISH MEDIUM 👬👫👬👫
Making memories and learning at the same time :
STUDY TOUR : MAA ANONDOMOYEE ASHRAM
Agarpara
Date : 17.19.25
ENGLISH MEDIUM 👬 👫 👬 👫
SCIENCE PROJECT (1st term)
Class 3
Topic - Food chain
🌿🌳➡️🐛➡️🐸➡️🐍➡️🦚
07/10/2025
= নীলস বোর =
বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে, প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউরোপে একঝাঁক তারকা খচিত বিজ্ঞান সাধকের আবির্ভাব হয়েছিল, যাঁদের চিন্তাভাবনায় আধুনিক বিজ্ঞানের ভীত রচিত হয়। তাঁদেরই এক উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক ডেনিশ পদার্থবিদ নীলস বোর - অনুর গঠন ও কোয়ান্টাম তত্ত্ব সম্পর্কে যাঁর আবিষ্কৃত মূল সূত্র আধুনিক বিজ্ঞানের পথপ্রদর্শক।
নীলস হেনরিক ডেভিড বোর (Niels Henrik David Bohr) জন্মগ্রহণ করেন ১৮৮৫ সালের ৭ই অক্টোবর ডেনমার্কের কোপেনহাগেন শহরে। তাঁর পিতা ক্রিস্টিয়ান বোর ছিলেন কোপেনহাগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যার অধ্যাপক, মাতা ইলেন এডলার ছিলেন ডেনমার্কের এক ইহুদি ব্যাংকের মালিকের কন্যা। নীলস ও তাঁর ছোট ভাই হ্যারল্ড ছিলেন দক্ষ ফুটবলার; ভবিষ্যতের গণিতজ্ঞ হ্যারল্ড ফুটবলে ডেনমার্কের প্রতিনিধিত্বও করেছিলেন ১৯০৮ অলিম্পিকে। কোপেনহাগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রূপে ডেনমার্কের রাজার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক পরিচিতির সময় বোরকে রাজা জিজ্ঞাসা করেন - তুমিই কি সেই বিখ্যাত ফুটবলার?
১৯০৩ সালে বোর যখন কোপেনহাগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা শিক্ষায় ভর্তি হন তখন এই বিষয়ের অধ্যাপক ছিলেন মাত্র একজন এবং কোন ল্যাবরেটরি ছিল না। বোর তাঁর পিতার ল্যাবরেটরি ব্যবহার করে তরলের পৃষ্ঠ-টান (surface tension) নির্ণয় পদ্ধতির মৌলিক অনুসন্ধান করে রয়াল ডেনিশ একাডেমী অফ সায়েন্সর এক বিজ্ঞান প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন ও নিজের বিজ্ঞান প্রতিভার প্রথম স্বাক্ষর রাখেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে বোর কোপেনহাগেন বিশ্ববিদ্যালয়ে পত্তন করেন Institute of Theoretical Physics, যা এখন প্রসিদ্ধ Niels Bohr Institute নামে।
যে কোন পদার্থ যে অসংখ্য অনুর সমষ্টিতে গঠিত - এ বিষয়ে তৎকালীন বিজ্ঞান-মহল ছিলেন প্রায় নিশ্চিত। একটি অনুর গঠন যে সৌরজগতের মত, যেখানে একটি নিউক্লাসকে কেন্দ্র করে অনেক ইলেক্ট্রন ঘোরে - তাও সম্পূর্ণ অজানা ছিল না, তবে এবিষয়ে তাত্ত্বিক গবেষণার ভরকেন্দ্র ছিল ইংল্যান্ড। নীলস বোর তাঁর ডক্টরেট পত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলেন যে তৎকালীন ইলেক্ট্রন সম্পর্কিত ধারণা ধাতুর চুম্বকীয় ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারে না।
১৯১১ সালে বোর এক বছরের জন্য ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণারত বিজ্ঞানীদের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ পান, যাদের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের আর্নস্ট রাদারফোর্ডের অনুর গঠনতত্ত্ব তাঁকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে। ডেনমার্কে ফিরে বোর কোপেনহাগেন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ান শুরু করেন ও ১৯১৩ সালে তিনটি নিবন্ধে অনুর গঠনের নিজস্ব ব্যাখ্যা প্রকাশ করেন যা 'the trilogy' নামে খ্যাত। এই নিবন্ধ-ত্রয়ীতে রাদারফোর্ডের অনুর গঠনতত্ত্ব ও নোবেল বিজয়ী জার্মান বিজ্ঞানী ম্যাক্স প্ল্যাংকের কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রভাব ছিল। নবীন বিজ্ঞানীরা বোরের এই নিবন্ধ-ত্রয়ীর স্বাদর অভ্যর্থনা করেন; আইনস্টাইন জানান - বোরের চিন্তাভাবনা সঙ্গীতের মধুরতম সুরের মূর্ছনার মত শোনাচ্ছে!
১৯২১ সালে নীলস বোর আরেকটি গবেষণা পত্র প্রকাশ করে অনুর গঠন সুস্পষ্টরূপে ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান - পদার্থের রাসায়নিক ধর্ম প্রভাবিত হয় তার অনুর বাইরের কক্ষপথে কতগুলি ঋনাত্বক চার্জ বিশিষ্ট ইলেক্ট্রন ঘুরছে তার উপর। ইলেক্ট্রনের কক্ষপথগুলি নির্দিষ্ট কোয়ান্টার শক্তি বিশিষ্ট। কোন ইলেক্ট্রন উচ্চ কক্ষ থেকে নিম্ন কক্ষে আসলে অনুর থেকে নির্দিষ্ট পরিমান শক্তির বিচ্ছুরণ হয়। বোরের এই মডেল তৎকালীন অধিকাংশ অজানা প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম হয়, যদিও পরবর্তীতে এর বহু পরিমার্জন এসেছে। ১৯২২ সালে অনুর গঠন ও বিচ্ছুরণের গবেষণার জন্য নীলস বোর নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
১৯৩২ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জেমস চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করার আগে ধারণা ছিল যে অনুর নিউক্লিয়াসে শুধু ধনাত্বক চার্জ বিশিষ্ট প্রোটন থাকে। এর ভিত্তিতে ১৯৩৬ সালে বোর নতুন তত্ত্বের ধারণা দেন যে দুটি নিউক্লিয়াস পরস্পরের সাথে সংঘর্ষে একটি বা অধিক নতুন নিউক্লিয়াস তৈরী করতে পারে। ১৯৩৮ সালে জার্মান রসায়নবিদ ওটো হ্যান ইউরেনিয়ামের উপর গবেষণা করে আবিষ্কার করেন নিউক্লিয়াস বিভাজনের, যার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেন অস্ট্রিয়ান পদার্থবিদ লিস মেয়িটনের। ১৯৩৯ সালে নীলস বোর জানান যে দুর্লভ ইউরেনিয়াম-২৩৫ আইসোটোপ ব্যবহার করলে নিউক্লিয়াস বিভাজনের ফলস্বরূপ তেজস্ক্রিয় নিউট্রন ও বিপুল শক্তি উৎপাদন সম্ভব। এই আবিষ্কার গুলির সংযোগে উদ্ভাবিত হয় পারমাণবিক শক্তি, যা ১৯৪০ সালে ল্যাবরেটরিতে প্রত্যক্ষ করেন মার্কিন পদার্থবিদ জন আর ডানিং।
জার্মানিতে নাৎজি শাসনের প্রভাবে বহু শিক্ষাবিদ দেশত্যাগ করতে বাধ্য হন ১৯৩৩ সাল থেকেই। বোর আমেরিকার জনহিতকর সংস্থা রকফেলার ফাউন্ডেশন থেকে আর্থিক সাহায্য আদায় করে সেইসব বাস্তুত্যাগী শিক্ষাবিদদের কাজের সুযোগ করে দেন। অতঃপর ১৯৪৩ সালে খবর পৌঁছয় যে বোর ও তাঁর পরিবারকে ইহুদি বলে চিহ্নিত করে নাৎজিরা গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা করেছে। বোর ডেনমার্ক থেকে পালিয়ে সুইডেনে চলে যান ও সুইডেনের রাজাকে অনুরোধ করে ডেনমার্কের ইহুদিদের সে দেশে আশ্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন। বোরের পলায়নের সংবাদে ইংল্যান্ড তাঁকে সুইডেন থেকে উদ্ধার করে ও তাদের পারমানবিক প্রকল্পের সাথে যুক্ত করে। অচিরেই বোর আমেরিকা যাত্রা করেন যেখানে অত্যন্ত গোপনীয়তায় তৈরী হচ্ছিল পারমাণবিক অস্ত্র, যে প্রকল্পে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তিতে ১৯৪৫ সালে দেশে ফিরে বোর বিশেষ উদ্যোগ নেন ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের আমেরিকায় দেশান্তর রুখতে। ১৯৫২ সালে ইউরোপের বারোটি দেশ সম্মিলিত ভাবে গঠন করে European Organisation for Nuclear Research। ১৯৪৯ সালে রাশিয়া তাদের প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করলে, বোর ১৯৫০ সালে জাতিসংঘে আবেদন রাখেন পারমাণবিক শক্তির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মৈত্রীর, যার ফলস্বরূপ সেই বছরেই পত্তন হয় আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার। ১৯৫৭ সালে নীলস বোর কে 'Atoms for Peace' পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বিপুল বৈজ্ঞানিক কর্মকান্ডে ব্যস্ততা সত্বেও নীলস বোর তাঁর মানবিক স্বত্বা বজায় রেখেছিলেন। ১৯৪০ সালে তিনি নোবেল পদকটি দান করেন ফিনল্যান্ডের এক ত্রাণ তহবিলের অর্থ সংগ্রহে। সেটির ক্রেতা পরে তা ফিরিয়ে দেন ডেনিশ ঐতিহাসিক জাদুঘরে। ২০২৩-২৪ সালে প্রথম ডেনিশ মহাকাশচারী পদকটিকে নিয়ে মহাকাশে ঘুরে আসেন। মৌলিক পদার্থের পর্যায় সারণি (Periodic Table) গঠনেও বোরের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর নির্দেশিত আনুমানিক বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করায়, আণবিক সংখ্যা ৭২ বিশিষ্ট মৌলটির নামকরণ করা হয় হাফনিয়াম (ল্যাটিনে কপেনহাগেন)।
১৯৬২ সালের ১৮ নভেম্বর কালজয়ী এই পদার্থবিদের মৃত্যু হয় কোপেনহাগেনে।
- স্মরণে বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সুস্মিতা মন্ডল।
সকলকে জানাই
শুভ বিজয়ার
আন্তরিক
প্রীতি ও শুভেচ্ছা !
20/09/2025
দ্বিতীয় শ্রেণীর প্রকল্পের কাজ...
এই ভাবে একসাথে মিলিত ভাবে তৈরী করা হয় আমাদের বিদ্যালয়ের প্রতিটি প্রকল্পের কাজ...