Vivekananda Vidyamandir

Vivekananda Vidyamandir

Comments

চতুর্থ শ্রেণীর অদ্রিজা .....আজকের কবিতা পাঠে
Class IV র উৎসা....স্কুল বন্ধ থাকলেও ওদের পড়াশোনায় কোনো থামা নেই ....
বাড়ি থেকেই চলছে ...প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন দেওয়া ....চতুর্থ শ্রেণীর অদ্রিজা
তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রীর ভাবনায় ....মা দুর্গা

Vivekananda Vidyamandir, Agarpara is a Bengali and English Medium Pre-primary and Primary School. You’re entitled not to.

Our Story

Welcome to the official page of Vivekananda Vidyamandir, Agarpara, a private Bengali and English Medium educational institution for Play-group, Pre-Primary and Primary level children. Following the ideals of Ramkrishna-Saradamoni-Vivekananda, Vivekananda Vidyamandir was established in 1958 by late Sri Samarendra Maitra to impart holistic and balanced education to children so a

Operating as usual

22/12/2022

উজ্জ্বল স্ফুলিঙ্গ ভারতীয় গণিতজ্ঞ শ্রীনিবাস রামানুজন (১৮৮৭ - ১৯২০) :

শ্রীনিবাস রামানুজন অসামান্য প্রতিভাবান একজন ভারতীয় গণিতশাস্ত্রজ্ঞ। মাত্র ৩২ বছরের জীবনকালে তিনি গণিতে সুদূরপ্রসারী অবদান রেখে গেছেন। প্রথাগত শিক্ষা না থাকলেও সম্পূর্ণ নিজের প্রচেষ্টায় তিনি গণিতের বিভিন্ন শাখায় বিশেষ করে গাণিতিক বিশ্লেষণ (analysis), সংখ্যাতত্ত্ব (number theory), অসীম ধারা (infinite series) ও অবিরত ভগ্নাংশ (continued fractions) শাখায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। ২০১২ সালে ভারত সরকার তাঁর জন্মদিবসকে 'জাতীয় গণিত দিবস' রূপে ঘোষণা করে।

রামানুজন চেন্নাই (মাদ্রাজ) থেকে চারশত মাইল দূরে অবস্থিত এরোডে ১৮৮৭ সালের ২২ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেছিলেন l তাঁর পিতা কে. শ্রীনিবাস আয়েঙ্গার ছিলেন এক শাড়ির দোকানের করণিক; মাতা কমলাতাম্মান ছিলেন অত্যন্ত ইচ্ছাশক্তি সম্পন্ন মহিলা যিনি তার পুত্রকে জীবনে উন্নতি করানোর জন্য ছিলেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। রামানুজন তার মায়ের কাছ থেকে গভীর আধ্যাত্মিকতার শিক্ষা পেয়েছিলেন যা তাঁর জীবনে প্রভাব ফেলেছিল।

এক গরীব ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তান রামানুজনের মধ্যে গাণিতিক প্রতিভা প্রকাশ পেয়েছিল যখন তার বয়স মাত্র ১০ l তিনি π (পাই) ও √2 এর মান যেকোন সংখ্যক দশমিক স্থান পর্যন্ত বলতে পারতেন। তাঁর এক বন্ধু তাঁকে জি.এস.কার (G.S. Carr) -এর লেখা Synopsis of Elementary Results in Pure and Applied Mathematics বইটি পড়তে দেন। মূলত এই বইটি পড়েই তার গাণিতিক প্রতিভার বিকাশ ঘটতে শুরু করে।

রামানুজন অনায়াসে নিজে নিজেই গণিত শিখতে পারতেন, এমনকি তার উপরের শ্রেণীর ছাত্রদেরও কোন সমস্যা হলে তার সমাধান করে দিতেন। পরবর্তীতে তিনি কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন এই আশা নিয়ে যাতে মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারেন। কিন্তু তিনি গণিতে মগ্ন থাকায় অন্যান্য বিষয়ে অবহেলা করেছিলেন যার ফলশ্রুতিতে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। তিনি ব্যাচেলার ডিগ্রি অর্জন করতেও সক্ষম হননি।

কয়েক বছর আর্থিক সংকটের সময় তিনি চেষ্টা করেছিলেন গৃহ শিক্ষকতা করতে, কিন্তু সেখানে ব্যর্থ হয়েছিলেন কারণ যখন তিনি গণিত পড়াতেন তখন প্রায়শই কয়েকটি ধাপ বাদ দিয়ে উপরের ধাপে চলে যেতেন। ফলে ছাত্রদের তাঁর পড়ানো বুঝতে অসুবিধে হত। যদিও ছাত্ররা তার অসাধারণ প্রতিভার জন্য তাকে খুব সম্মান করত l এই বিষয়টি রামানুজনের সমস্ত জীবনেই বিড়ম্বনার সৃষ্টি করেছিল l তাঁর মৌলিকত্ব ও উদ্ভাবনী শক্তি অধিকাংশ গণিতবিদদের নাগালের বাইরে ছিল। তারা সন্দেহ করতেন যে রামানুজন সত্যিই প্রতিভাবান নাকি তাঁর কাজ নিছক চালাকি বা ধাঁধা।

সংখ্যার (number) প্রতি রামানুজনের ছিল একটি মোহ। প্রতিটি মূলদ সংখ্যা (rational number) ছিল তার বন্ধু l তাঁর বিখ্যাত নোটবুক বা ডায়েরি ছিল সেকালের গণিতবিদদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। চুলচেরা প্রমাণের প্রয়োজনীয়তা তিনি মনে করেননি। তিনি বিস্ময়কর মানসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছতেন l দুই প্রজন্মের গণিতবিদরা তার নোটবুক গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে বিচার করেছেন এবং সাংকেতিক বক্তব্য গুলো প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। প্রায় ৩৯০০ গাণিতিক ফলাফল ওই নোটবুকে লেখা ছিল যার মাত্র এক বা দু'ডজন এখনো পর্যন্ত প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে।

রামানুজন এরমধ্যে কুড়ি বৎসর বয়স অতিক্রম করেছেন এবং বয়োজ্যেষ্ঠদের চোখে তিনি একজন জীবিকা সংস্থানে অক্ষম ব্যক্তি। তাঁর মা চিরাচরিত ভারতীয় রীতি অনুযায়ী বিবাহ দিয়ে তাঁকে সাবলম্বী করতে চেয়েছিলেন। ১৯০৯ সালে জানকি আম্মালকে বিয়ে করেন এবং ১৯১২ সালে মাদ্রাজ পোর্ট ট্রাস্টে হিসাববিভাগে করণিক এর চাকুরী নেন l পোর্ট ট্রাস্টের প্রধান হিসাবরক্ষক নারায়ণ রাও একজন গণিতবিদ ছিলেন। তিনি এবং ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান Sir Francis Spring রামানুজনের গাণিতিক প্রতিভায় প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেন ও উৎসাহ দেন।

ইংল্যান্ডের গণিতবিদদের কাছে রামানুজন তার গণিতের কাজগুলি মূল্যায়নের জন্য পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু প্রচলিত শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকায়, তা গুরুত্বসহকারে দেখা হয়নি এবং উপেক্ষিত হয়। ১৯১৩ সালে রামানুজন ট্রিনিটি কলেজের গণিতের অধ্যাপক G.H. Hardy - কে একটি চিঠি লিখেছিলেন এবং সেই চিঠিতে প্রায় একশো কুড়িটি গাণিতিক উপপাদ্য ছিল - যাদের প্রমাণের বিশদ বিবরণ ছিল না l এর উত্তরে Hardy একটি চিঠিতে লিখেছিলেন, "---- আমি আগে কখনো এরকম উপপাদ্য দেখিনি l এরকম লেখা একমাত্র উঁচুমানের গণিতবিদরাই করতে পারেন ..."। রামানুজনের চিঠি এবং কাজ Hardy -কে প্রভাবিত করেছিল এবং রামানুজনকে কেমব্রিজে পড়াশোনা করার জন্য আনতে ভীষণভাবে আগ্রহী হয়েছিলেন। ১৯১৪ সালের রামানুজন কেমব্রিজে আসেন l সেখানে তার গবেষণামূলক কাজ প্রভূত উন্নতি লাভ করেছিল।

রামানুজনের কাজের আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো সূত্র (formula) এবং চিহ্ন বা প্রতীকের (symbol) রহস্যময় মিশ্রণ। তিনি বিশ্বাস করতেন দেবী নামাগিরি (তাঁর পরিবারের আরাধ্যা দেবী) তাঁর স্বপ্ন সফল করতে, তাঁকে পরিচালনা ও অনুপ্রাণিত করতে সর্বদা তাঁর পাশে থাকতেন।১৯১৬ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় রামানুজনকে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি প্রদান করে এবং ১৯১৯ সালে রয়্যাল সোসাইটি -এর ফেলো (FRS) হন l

চিররুগ্ন রামানুজন ইংল্যান্ডে যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন l হাসপাতালে তার গাইড Hardy তাঁকে দেখতে এসে কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন তার Taxi cab এর নম্বরটি ১৭ ২৯ এবং সংখ্যাটি অত্যন্ত নিরস। কিন্তু রামানুজন বলেন সংখ্যাটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং ক্ষুদ্রতম সংখ্যায় প্রকাশ করা যায় l দুটি পৃথক পদ্ধতিতে দুটি ঘনকের যোগফল। আজকাল এটি The Taxi Cab Problem এবং সমীকরণে পূর্ণ সংখ্যার সমাধান হিসেবে উল্লেখিত হয়। ১০ এবং ৯ এর ঘনকের (cube) যোগফল ১৭২৯ l ১০ এর ঘনক ১০০০ এবং ৯ এর ঘনক ৭২৯ এবং যোগফল ১৭২৯ l

রামানুজন ১৯১৯ সালে ভারতে ফিরে আসেন। পরবর্তী বছর (১৯২০) তিনি কুম্ভকনাম -এ মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জন্মের ৭৫ বছর বর্ষপূর্তিতে ভারত সরকার একটি ডাক টিকিট প্রকাশ করেছিল। ১৯৯৭ সালে The Ramanujan Journal প্রতিষ্ঠিত হয় তাঁর কাজের সূত্র ধরে নতুন গাণিতিক চিন্তা ভাবনার প্রকাশের জন্য।

- জীবনচারণায় বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মন্দিরা আচার্য

17/12/2022

UNIT 2 (ENGLISH MEDIUM) 👫👫👫👫👫👫👫👫
"To prepare our hearts for Christmas, we must cultivate the spirit of expectancy."
"Peace with God, peace with others, and peace in your own heart."
"The good news of great joy changed the course of every silent night to come."
"The story of Christmas is the story of God's relentless love for us."

CHRISTMAS CELEBRATION on 16.12.2022.
🎄🎅🤶🧑‍🎄🎉🎆🌟⛪🎈🎁

29/11/2022

বিজ্ঞানাচার্য জগদীশ চন্দ্র বসুর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি -

ঊনবিংশ শতাব্দীর নবজাগ্রত ভারতে, যিনি তাঁর বিজ্ঞান সাধনার মধ্য দিয়ে প্রাচ্যের দর্শন ও পাশ্চাত্যের বিজ্ঞান ধারার মেলবন্ধন ঘটিয়েছিলেন তিনি আপামর বাঙালির গৌরব - জগদীশ চন্দ্র বসু।

মাতৃভাষায় বিজ্ঞানচর্চার অন্যতম পথপ্রদর্শক জগদীশ চন্দ্র বসু 1858 খ্রীষ্টাব্দের 30শে নভেম্বর অধুনা বাংলাদেশের অন্তর্গত ঢাকা জেলার রাড়িখাল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ভগবান চন্দ্র বসু ও মাতা বামাসুন্দরী দেবী। গ্রামের পাঠশালায় প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের পর কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলে ও পরে একই কলেজ থেকে বি.এ পাশ করেন। এইসময় ফাদার লাঁফো র ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্য জগদীশ চন্দ্র বসুকে সমৃদ্ধ করেছে অনুসন্ধিৎসার প্রতি গভীর অনুরাগে। পরবর্তী কালে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি দিয়েছেন বিদেশে - কেমব্রিজ থেকে পদার্থবিদ্যা,রসায়নবিদ্যা ও উদ্ভিদবিদ্যায় 'ট্রাইপোস' সহ বি.এ এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এসসি পাশ করেন। ইংল্যান্ডে তাঁর পরিচয় ও হৃদ্যতা হয় এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠরত সমসাময়িক বিজ্ঞানসাধক আচার্য্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের সঙ্গে।

"মানুষ যখন তাহার কোন জীবন ও আরাধনা কোন মহৎ উদ্দেশ্যে নিবেদন করে...তখন অসম্ভবরাও সম্ভব হইয়া থাকে ।" - জগদীশ চন্দ্র বসুর এই উক্তি সর্বদা প্রতিফলিত হয়েছে তাঁর কাজে। 'ক্রেসকোগ্রাফ' আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে তিনি যেমন গাছের বৃদ্ধির হার ও গাছের হৃদস্পন্দনও যে স্টেথোর মতোই মাপা যায় তা সর্বসমক্ষে প্রমাণ করেছেন, তেমনই আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞানের জনকরূপেও ধরা দিয়েছেন আমাদের কাছে। তাঁর অগুনতি গবেষণার মধ্যে অন্যতম হল বেতার তরঙ্গ সম্পর্কিত গবেষণা। তিনি বিনা তারে রেডিও সংকেত পাঠানোর যন্ত্র আবিষ্কার করেছিলেন। মহান প্রতিভাধর এই বিজ্ঞানীকে রেডিও বিজ্ঞানের জনকরূপেও অভিহিত করা হয়।

অনুসন্ধিৎসার প্রতি তৃষ্ণা তাকে এনে দিয়েছে একের পর এক সাফল্য। তবে তাঁর এই যাত্রাপথ যে মসৃণ ছিল তা নয়, তাঁকে এবং তাঁর আবিষ্কারকে বারংবার বিদ্ধ হতে হয়েছে বিদ্বেষভাবাপন্ন ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের কাছে। পদার্থবিদ্যায় বেতার যোগাযোগের ভিত্তি স্থাপন করেও তার গৌরব আত্মসাৎ করে নোবেল পুরস্কার হস্তগত করেছেন ইতালিয় পদার্থবিদ গুগলিয়েলামা মার্কোনি।

দীর্ঘসময় প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যাপনার পর 1917-তে কলকাতায় 'বসু বিজ্ঞান মন্দির' (Bose Institute) প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার দায়িত্ব কাঁধে নেন ও 1920 খ্রীষ্টাব্দে রয়েল সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হন।

জগদীশ চন্দ্র বসুর বিজ্ঞানচর্চার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ভগিনী নিবেদিতা তার ক্ষুরধার লেখনশৈলী ও ইংরাজী ভাষার ওপর প্রবল দক্ষতার কারণে জগদীশ চন্দ্র বসুর গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ এবং পুস্তক রচনায় প্রত্যক্ষ সাহায্যও করেছিল। নিবেদিতা ছিলেন 'Living and Non Living', 'Plant Response' সহ একাধিক গবেষণাসংক্রান্ত গ্রন্থের সম্পাদিকা। জগদীশ চন্দ্র বসুর যুগোত্তীর্ণ প্রতিভাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে যে সকল মনীষীবৃন্দ স্বীকৃতি জানিয়েছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁদের মধ্যে অন্যতম।

জগদীশ চন্দ্র বসুর চিরবন্ধু-চিরনির্ভর-চিরশান্তিরস্থল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে উল্লেখ করে বলেছেন -

"ভারতের কোন্ বৃদ্ধ ঋষির তরুণ মূর্তি তুমি
হে আর্য আচার্য জগদীশ! কী অদৃশ্য তপোভূমি
বিরচিলে এ পাষাণ নগরীর শুষ্ক ধূলিতলে!"

1927 খ্রীষ্টাব্দের 23শে নভেম্বর 78 বছর বয়সে এই বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী চিরনিদ্রায় শায়িত হন।

শ্রদ্ধা নিবেদনে বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা-শ্রীমতী মৌসুমী ইন্দ্র।

14/11/2022

'শিশু দিবসে' প্রতিটি শিশুকে জানাই অনেক শুভেচ্ছা ও স্নেহাশীর্বাদ | সবাই খুব আনন্দে থাকো !

Happy Children’s Day !

10/11/2022

রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রথম যুগের একজন বিশিষ্ট নেতা। স্বাধীনতার সূর্য ডোবার সাথে সাথেই শুরু হল ইংরেজ জাতির শাসন ও শোষণ। আমাদের সোনার দেশ তার গৌরব হারাতে বসলো।
অনেক মনীষীই দেশের মান মর্যাদা ফিরিয়ে আনার সংকল্প নিলেন। শুরু হল আন্দোলন ও সংগঠনের কাজ। এমন ই একজন মনীষী যিনি ইতিহাসের পাতায় সারা জীবন উজ্জ্বল হয়ে আছেন এবং থাকবেন ... তিনি হলেন স্যার সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন বাংলাদেশকে ভেঙে দুভাগ করার চেষ্টা চলছে। ইংরেজদের কূটনীতি বুঝতে পারলেন সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অভিসন্ধির বিরুদ্ধে তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানালেন। শুরু করলেন বিরাট আন্দোলন। এই আন্দোলনের নেতা হিসেবে সুরেন্দ্রনাথ কে সবাই স্বীকার করে নিলেন। 'রাষ্ট্রগুরু' আখ্যায় তিনি ভূষিত হলেন। তিনি ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর রাজনৈতিক সংগঠন 'ন্যাশনাল কনফারেন্সের' প্রতিষ্ঠাতা।
১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দের ১০ ই নভেম্বর জন্ম হয় সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বাবা দূর্গা চরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন একজন নামকরা ডাক্তার। সংসারে কোনো অভাব ছিল না। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। স্কুল, কলেজের প্রতিটি পরীক্ষায় তিনি খুব ভালো ফল করতেন। নিষ্ঠা ও সংকল্প ছিল তাঁর জীবনের ব্রত। তাই তিনি স্হির করলেন কলেজের পড়া শেষ করেই সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা দেবেন। তাহলেই তিনি শাসন বিভাগে উচ্চ পদ লাভ করতে পারবেন। কিন্তু তাঁকে এই পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি, কারণ তিনি নাকি বয়সের সীমা অতিক্রম করে গেছেন। কিন্তু রাষ্ট্রগুরু কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিলেন না। তাই তিনি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালেন। কিন্তু তাতেও যখন কাজ হলো না, তখন তিনি মামলা করতে বাধ্য হলেন। শেষ পর্যন্ত বিলাতের আদালতে তিনি এই মামলায় জয়ী হলেন এবং পরীক্ষায় বসার সুযোগ পেলেন।
সুরেন্দ্রনাথের পক্ষে এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া কঠিন ছিল না। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি সাফল্য লাভ করলেন। সরকার তাঁকে শ্রীহট্ট জেলার সহকারী জেলাশাসক পদে নিয়োগ করলেন। তখন এই জেলার শাসক ছিলেন সাদারল্যান্ড নামে এক ইংরেজ। তিনি সুরেন্দ্রনাথ কে খুব একটা ভালো চোখে দেখতেন না। কারণ, সুরেন্দ্রনাথ ছিলেন সাহসী ও সত্যবাদী। তাঁর স্বাধীন মনোভাব কখনোই কোনো অন্যায় কে প্রশ্রয় দিত না। তাই সামান্য খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে প্রায়শই সাদারল্যান্ডের সাথে তাঁর মনোমালিন্য হত। একদিন উভয়ের মধ্যে চরম মতভেদ দেখা দিল। সাদারল্যান্ড সুরেন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করলেন। ফলে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন। কিন্তু তিনি এতে ভেঙে পড়লেন না। বরঞ্চ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সংকল্প তাঁর মধ্যে আরও দৃঢ় হল।
সুরেন্দ্রনাথ যে তেজস্বী পুরুষ ছিলেন তা অনেক ঘটনা থেকে বোঝা যায়। তিনি অন্যায়ের প্রতিবাদে হাইকোর্টের বিচারপতির সমালোচনা করে প্রবন্ধ লিখলেন। তখন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন নরিস সাহেব। তিনি অনেক কাজ ই অন্যায় ভাবে করতেন এবং এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাই ছিল সুরেন্দ্রনাথের লক্ষ্য। ইংরেজ সরকার যুবক সুরেন্দ্রনাথের এই ঔদ্ধত্য মেনে নিল না। তাঁর বিরুদ্ধে সরকার আদালতে মামলা শুরু করল। বিচারে সুরেন্দ্রনাথের দুমাসের কারাদণ্ড হল। তিনি হাসি মুখেই কারাবরণ করলেন। দেশবাসী বুঝতে পারলো এই মানুষটির মধ্যে লুকিয়ে আছে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে দেশকে মুক্ত করবার, নেতৃত্ব দেবার অসাধারণ ক্ষমতা। দেশবাসীর মনে জাগলো উৎসাহ ও উদ্যম। জাগরণের মন্ত্রে তারা খুঁজে পেল এক নতুন আদর্শ কে। তাদের নিয়ে সুরেন্দ্রনাথ তৈরী করলেন একটি সমিতি। তার নাম দেওয়া হল 'ভারত সভা' বা 'ইন্ডিয়ান এসোসিয়েশন'। এই সমিতি ক্রমে সুপ্রতিষ্ঠিত হল। পরবর্তী কালে তা হয়ে উঠলো একটি বিরাট রাজনৈতিক দল.... ভারতের জাতীয় কংগ্রেস। সে সময়টা ১৯০৫ খৃষ্টাব্দ। বাংলাদেশে তখন স্বাধীনতা আন্দোলন প্রবল হয়ে উঠেছে দেখে তখনকার বড়লাট লর্ড কার্জন বাংলাদেশকে দুভাগে ভাগ করার প্রস্তাব করলেন। শাসন কার্যের সুবিধার জন্য তিনি নাকি এই প্রস্তাব করেছেন, এমন ধারণা সকলের মনে গেঁথে দেওয়ার চেষ্টা করলেও দেশের মানুষ কার্জনের এই কূট উদ্দেশ্য বুঝতে পারলো। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দেশবাসীর প্রতিবাদ তখন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠল। গড়ে উঠলো বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন আর সেই আন্দোলনের নেতা ছিলেন সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী। দেশের মানুষের মন তিনি সহজেই জয় করে নিলেন।
এই মহামানবের দৃঢ় সংকল্প দেখে ইঙরেজ সরকার বাধ্য হলেন বঙ্গভঙ্গের প্রস্তাব তুলে নিতে। সার্থক হল সুরেন্দ্রনাথের স্বপ্ন, তিনি যে সত্যিই রাষ্ট্রগুরু। ১৯২৫ সালের ৬ ই আগস্ট সমস্ত দেশবাসীকে কাঁদিয়ে, সকলকে শেষ বিদায় জানিয়ে চির নিদ্রায় ডুবে গেলেন এই মহামনীষী, আদর্শ দেশনেতা।

31/10/2022

SARDAR VALLABHBHAI PATEL (31 OCTOBER 1875 - 15 DECEMBER 1950)

Vallabhbhai Patel was an Indian lawyer, influential political leader, barrister and statesman who served as the first Deputy Prime Minister of India and first Home Minister of India from 1947 to 1950. Patel was born in Nadiad, Kheda district, and raised in the countryside of the state of Gujarat. He was often called Sardar which means "chief" in Hindi, Urdu, Bengali and Persian languages.

Being influenced by and supportive to Mahatma Gandhi he organized peasants from Kheda, Borsad, and Bardoli in Gujarat in non-violent civil disobedience against the British Raj, becoming one of the most influential leaders in Gujarat.

He led the task of forging a united India, successfully integrating into the newly independent nation those British colonial provinces that formed the Dominion of India. Besides those provinces that had been under direct British rule, approximately 565 self-governing princely states had been released from British rights and obligations by the 'Indian Independence Act of 1947'. His commitment to national integration in the newly independent country was total and uncompromising, earning him the sobriquet (an unofficial title) "Iron Man of India". He is also remembered as the "patron saint of India's civil servants" for having established the modern All India Services system.

'Rashtriya Ekta Diwas'
(National Unity Day)

'Rashtriya Ekta Diwas' (National Unity Day) was introduced by the Government of India in the year 2014 to pay tribute to Patel, who was instrumental in keeping India united. It is to be celebrated on 31 October every year as annual commemoration of the birthday of the Iron Man of India Sardar Vallabhbhai Patel, one of the founding leaders of Republic of India. The official statement for 'Rashtriya Ekta Diwas' by the Home Ministry of India cites that the
National Unity Day:

"will provide an opportunity to re-affirm the inherent strength and resilience of our nation to withstand the actual and potential threats to the unity, integrity and security of our country."

'The Statue of Unity'

'The Statue of Unity' is a monument dedicated to Patel, located in the Indian state of Gujarat, facing the Narmada Dam, 3.2 km away from Sadhu Bet near Vadodara. At the height of 182 metres (597 feet), it is the World's Tallest Statue, exceeding the Spring Temple Buddha by 54 meters.

Historian Rajmohan Gandhi argues:

"Patel the realist was home minister and deputy premier, Nehru the visionary was premier and foreign minister. The two constituted a formidable pair. Patel represented Indian nationalism's Hindu face, Nehru India's secular and also global face. Their partnership, necessary and fruitful for the country, was a solemn commitment that each made to the other."

Our Story

Welcome to the official page of Vivekananda Vidyamandir, Agarpara, a private Bengali and English Medium educational institution for Play-group, Pre-Primary and Primary level children.

Following the ideals of Ramkrishna-Saradamoni-Vivekananda, Vivekananda Vidyamandir was established in 1958 by late Sri Samarendra Maitra to impart holistic and balanced education to children so as to lay their foundations for higher education and journey of life. Supported by his wife, late Srimati Gita Maitra, the institution adopts to the contemporary educational systems for curricular and co-curricular learning.

The Bengali medium school operates in both morning and day sections and follows January-December academic calendar, guided by the West Bengal Board of Primary Education curriculum.

The English medium school operates in the morning following April-March academic calendar, guided by the ICSE curriculum.

Videos (show all)

Location

Telephone

Website

Address


Kolkata
700109

Other Elementary Schools in Kolkata (show all)
Starkids Starkids
530(P), Rajarhat Road, Bablatola
Kolkata, 700136

Starkids is a chain of Early Education Centres offering various programs and services for children.

OFDC Primary School OFDC Primary School
Kolkata, 700080

This is Free Primary School From class I to V Run by Ordnance Factory Dumdum, Ministry of Defense an

BNUPSS_PaschimBanga BNUPSS_PaschimBanga
26 Bidhan Sarani
Kolkata, 700006

Bangiya NabaUnmesh Prathamik Sikshak Sangha (Bnupss) is an organisation for nationalist primary teachers which is affliated to Akhil Bharatiya Rashtriya Shaikshik MahaSangha(ABRSM).THIS IS OFFICIAL fb page OF THIS ORG.

Time Kids Birati Time Kids Birati
5 Mahajati, Bidhan Market, Birati
Kolkata, 700051

T.I.M.E Kids always is renowned for taking good care of the children in this society. With there goo

CSC BAL Vidyalaya Kolkata CSC BAL Vidyalaya Kolkata
Tegharia Loknath Mandir, Jhawtala Road
Kolkata, 700157

CSC Bal Vidyalaya is a flagship initiative of CSC Academy. It is the fastest growing network of tech

Kidzee -Ultadanga Kidzee -Ultadanga
P-177, C. I. T Road, SCHEME-VII-M, GROUND FLOOR, NEAR ULTADANGA TRAM DEPOT
Kolkata, 700054

Kidzee, the expert in preschool education is the best choice for your child! No. one preschool in I

Northend Public School Northend Public School
85, Deshbandhu Road West
Kolkata, 700108

Baranagar Northend Public School 85, Deshbandhu Road, Opposite UBI Alambazar, Kolkata 700035

Bidhannagar Municipal School Bidhannagar Municipal School
Salt Lake
Kolkata, 700106

Foster Kids Barrackpore Foster Kids Barrackpore
Tanchi Apartment, 9(9) Of B. T. Road, P. O./Barrackpore, P. S./Titagarh, Distric
Kolkata, 700120

A Pre-school to work with a missionary zeal in Early Childhood Education and Care with an absolute

Little Millennium Preschool- Circus Avenue Little Millennium Preschool- Circus Avenue
34 Circus Avenue
Kolkata, 700017

‘Little Millennium’ is a growing chain of pre-schools initiated by the best and the most experie

Baghar ghol primary school Baghar ghol primary school
Baghar Ghol Nabadoy Palli
Kolkata, 700103

School Residencial

Kidzee Survey Park Kidzee Survey Park
B-232 Survey Park, Santoshpur, Near Ajay Nagar
Kolkata, 700075

KIDZEE Survey Park, near Ajay Nagar, a franchise of ZEE Learn Ltd. B-232 Survey Park, Ajay Nagar, S