30/08/2022
গণেশ চতুর্দশী উপলক্ষে সবাইকে অনেক অনেক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।❤️❤️
এই সময় অনেকে,,,অনেক রকম সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন,এই চতুর্দশী উপলক্ষে কিছু উপায় দিলাম সবার জন্য।🙏🙏🙏🙏
সিদ্ধিদাতা গনেশের প্রায় ৩৫ টি রূপ রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম এবং সবথেকে শক্তিশালী রূপ হল এই পঞ্চমুখি বিনায়ক অবতার। “পঞ্চমুখ” 🙏🙏🙏🙏🙏🙏
কর্মজীবনে সমস্ত সমস্যা দূরীভূত হয়:🗣️
পাঁচ মুখী গনেশজীর মুর্তি অফিসের টেবিলে রাখুন। এর ফলে আপনার চারপাশে পজেটিভ শক্তির প্রাধান্য বাড়বে। তার প্রভাবে মানসিক অশান্তি যেমন দূর হয়, তেমনি প্রতিপক্ষদের নানাবিধ ক্ষতি করার আশঙ্কাও যায় কমে। আপনার সমস্ত মানসিক দুশ্চিন্তা দূরিভূত হয়।
পারিবারিক সমস্যা থেকে মুক্তি: 🗣️
বাড়ির পূর্ব দিকে পাঁচ মুখী গনেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করুন যা শাস্ত্রে উল্লেখ আছে। প্রতিদিন গনেশজীর পূজো করলে বাড়ির মধ্যে পজিটিভ শক্তির পাদুর্ভাব বাড়বে এর ফলে বাড়ির সমস্ত সমস্যা ও কলহ দূরিভূত হবে। তাই পরিবার পরিজন নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে হলে পঞ্চমুখি গনেশজির নিত্য পূজো করুন।
যে কোনও বাঁধা কেটে যায়: 🗣️
কর্ম জীবন, সংসার জীবন ও দৈনন্দিন জীবনে নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়। কোনও কোনও সময় এই বাঁধা এমন রূপ নেয় যে জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠতে সময় লাগে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সুখ-শান্তি সব দূরে পালায়। এমন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে পঞ্চমুখি গনেশের আরাধনা করুন। এর ফলে এই সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
মিরাকেল ঘটে চোখের সামনে: আজ আমরা আধুনিকতার স্পর্শ পেয়েছি নিজেকে উন্নত করেছি নিজের মত করে। এই পরিস্থিতিতে আমরা ঈশ্বরের অস্তিত্ব অস্বীকার করি। কিন্তু ঈশ্বরই পারে সমস্ত বাধা দূরীভূত করে মিরাকেল ঘটাতে। তাই তো বলা যায় চর্ম চক্ষে যদি মিরাকেল দেখতে চান, তাহলে আজই বাড়িতে পঞ্চমুখি গণেশ ঠাকুরের ছবি এনে রাখতে ভুলবেন না যেন।
যে কোনও বিপদ কেটে যায় চোখের পলকে:🗣️
জীবনের পথ চলতে হলে মানুষকে অনেক বিপদের সম্মুখীন হতে হয়। এই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে হলে পঞ্চমুখী গনেশজীর মুর্তি বাড়িতে প্রতিষ্ঠা করুন এবং নিত্য দেবের আরাধনা করুন। এর ফলে সমস্ত বিপদের হাত থেকে রক্ষা পাবেন। জীবনে যত বড়ই বিপদ আসুক না কেন, পঞ্চমুখী গণেশের পুজো করলে সব বিপদ দূরে সরে যাবে।
যে কোনও নতুন কাজে সাফল্য আসবে:🗣️
এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে কোনও নতুন কাজ শুরু করার আগে যদি ‘ওম গাম গনপাতায়ে নমহঃ,’ এই মন্ত্রটিও পাঠ করতে করতে বাপ্পার এই বিশেষ রূপের আরাধনা করা যায়, তাহলে সেই কাজে সফলতা আসে চোখের পলকে। পঞ্চমুখী গণেশের পুজো করলে জীবনে যে কোনও নতুন কাজে সাফল্য আসবে।
সৌভাগ্য সব সময়ের সঙ্গী হবে: 🗣️
আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে গুড্ লাককে নিত্য সঙ্গী করতে হলে প্রত্যহ পঞ্চমুখী গনেশজীর পূজো করুন। কারণ এমনটা করলে গৃহস্তের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে গুড লাক্ সঙ্গ নিতে সময় লাগে না। আর এমনটা যখন হয়, তখন জীবনের ছবিটা যে নিমেষে বদলে যায়, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে! এই মূর্তির পুজো করলে গুডলাক প্রত্যেকে দিনের সঙ্গী হয়ে উঠবে।
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি:🗣️
বৈবাহিক জীবনকে সুখ ও শান্তিতে ভরিয়ে তুলতে হলে পঞ্চমুখি গনেশজির পূজো করুন। তাই তো বলি বন্ধু, ভালবাসার মানুষটির সঙ্গে যদি আনন্দে থাকতে চান, তাহলে প্রতি বুধবার বাক্রাতুন্ডা গণেশ মন্ত্রটি কম করে ১০৮ বার পাঠ করতে করতে করতে বাপ্পার আরাধনা করতে ভুলবেন না যেন। গণেশের এই মূর্তির পুজো করলে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের উন্নতি হয় এবং দু’জনের মধ্যে মধুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
রোগ কাছে ঘেঁষবে না: 🗣️
শাস্ত্র মতে পঞ্চমুখি গণেশ ঠাকুরের কপালে সিঁদুর লাগিয়ে বাপ্পার আরাধনা করলে দেবের আশীর্বাদে গৃহস্থের অন্দরে এত মাত্রায় পজেটিভ শক্তির বিকাশ ঘটে যে শরীরে বাসা বেঁধে থাকা ছোট-বড় নানা রোগ ব্যাধি দূরে পালায়। সেই সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া সুখ-শান্তিও ফিরে আসে। পাঁচমুখী গণেশের মূর্তি পুজো করলে কোনও রোগ সহজে কাছে ঘেঁসতে পারবে না।
চরম অর্থনৈতির সমৃদ্ধির স্বাদ মিলবে:🗣️
অনেকের মতো আপনিও নিশ্চয় বড়লোক হতে চান? তাহলে প্রতি বুধবার সকাল সকাল উঠে স্নান সেরে হলুদ রঙের জামা পরে পঞ্চমুখি গণেশ ঠাকুরের ছবি বা মূর্তির সামনে একটা প্রাদীপ জ্বালাতে হবে। সঙ্গে তাঁর কপালে সিঁদুর লাগিয়ে ‘সিন্ধুরন শ্বভূম রক্তবিন্দু শুভদন কামদন চাউ সি সিন্ধুরন প্রতিঘরেয়তমঃ’, এই মন্ত্রটি জপ করতে হবে। এর পর বাক্রাতুন্ডা গণেশ মন্ত্র পাঠ করে শেষ করতে হবে পুজো। এইভাবে প্রতি বুধবার দেবের আরাধনা করলে দেখবেন অনেক অনেক টাকায় পকেট ভরে উঠতে সময় লাগবে না।
এখন দেখে নেওয়া যাক বিভিন্ন সমস্যার জন্য আলাদা আলাদা গণেশ অভিষেকের নিয়মঃ—
১। আপনি যদি চাকরি পাওয়ার জন্য পূজা করেন, তা হলে আগের দিন রাত্রে একটি পাত্রে গঙ্গাজল দিয়ে তার মধ্যে একটু সুপারি ভিজিয়ে রাখুন। পর দিন ওই সুপারিটি তুলে নিয়ে ওই জল দিয়ে মন্ত্র বলতে বলতে অভিষেক অর্থাৎ স্নান করান।
২। যদি প্রচুর শত্রুতা বৃদ্ধি পেতে থাকে, তবে হাতির দাঁতের তৈরি কোনও জিনিস গঙ্গাজলে ডুবিয়ে রেখে সেই জল দিয়ে অভিষেক করান। বা গঙ্গাজলের মধ্যে লাল চন্দন গুঁড়ো ফেলে তার মধ্যে দেবদারু পাতা ভিজিয়ে সেই জল দিয়ে অভিষেক করালেই শত্রু দমন হয়।
৩। ব্যবসায় মন্দা দেখা দিলে বা চাকরিতে পদোন্নতি আটকে গেলে আপনি পান পাতার রস কাপড়ে ছেঁকে তার সঙ্গে একটি এলাচ, একটি লবঙ্গ এবং একটু মৌরি বেটে তার রসটুকু কাপড়ে ছেঁকে নিয়ে অর্ধেক সুপারি এক সঙ্গে গঙ্গাজলে মিশিয়ে সেই জল দিয়ে অভিষেক করাবেন।
৪। অনেকের বহু দিনের ইচ্ছা একটা নিজস্ব বাড়ি। কিন্তু কিছুতেই তা পূরণ হচ্ছে না। সিদ্ধিদাতার কাছে মনপ্রাণ দিয়ে কামনা করুন। দেখবেন ঠিক উনি পূরণ করবেন আপনার সাধ। পূজার আগে গঙ্গাজলে একটু বেসন মিশিয়ে নিয়ে সেই জল দিয়ে ওঁর অভিষেক করাবেন।
৫। কোথাও কোনও টাকা পাওয়ার কথা রয়েছে, কিন্তু পাচ্ছেন না। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সিদ্ধিদাতার কাছে প্রার্থনা জানাবেন এবং অভিষেকের সময় গঙ্গাজলের পাত্রে একটু আখের রস মিশিয়ে নেবেন।
৬। স্বামীর সুস্থতার জন্য সিদ্ধিদাতা গণেশের পূজা করুন। যাতে তিনি দীর্ঘজীবী হন, আপনার সিঁদুর যাতে চির অক্ষয় থাকে। সে ক্ষেত্রে গঙ্গাজলে অল্প সিঁদুর(মেটে লাল) ও ঘি মিশিয়ে নেবেন। তারপর সেই জলে অভিষেক করাবেন।
গনেশজির সুর যেদিকে থাকা সব থেকে শুভ।🙏🙏
বামাবর্ত শুঁড়বিশিষ্ট গণপতিই সবথেকে শুভ মূর্তি। তাঁর শুঁড় যদি বাম দিকে কুণ্ডলী পাকিয়ে থাকে, তবে তিনি মা পার্বতীর গুণাবলির দিকে ধাবিত। অর্থাৎ, তিনি গৃহ-সুখের সন্ধান দিতে সমর্থ। তাঁর কৃপায় গৃহে শান্তি-সমৃদ্ধি স্থায়ী হয়। গৃহে তাই বামাবর্ত শুঁড়বিশিষ্ট গণেশ মূর্তি রাখাই শ্রেয় বলে মনে করা হয়।
অধিক জানকারি জন্য এই নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ বা ফোন করুন।🙏🙏🙏7908949668🗣️🗣️🗣️