Truly Mad

Truly Mad

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Truly Mad, Middle School, Wireless more, KOLKATA.

06/10/2023
05/10/2023

The top five largest economies in the world 🌍:

1980:
🇺🇸 USA
☭ Soviet Union
🇯🇵 Japan
🇩🇪 West Germany
🇫🇷 France

1990:
🇺🇸 USA
🇯🇵 Japan
☭ Soviet Union
🇩🇪 West Germany
🇫🇷 France

2000:
🇺🇸 USA
🇯🇵 Japan
🇩🇪 Germany
🇬🇧 UK
🇫🇷 France

2010:
🇺🇸 USA
🇨🇳 China
🇯🇵 Japan
🇩🇪 Germany
🇫🇷 France

2020:
🇺🇸 USA
🇨🇳 China
🇯🇵 Japan
🇩🇪 Germany
🇬🇧 UK

2023:
🇺🇸 USA
🇨🇳 China
🇯🇵 Japan
🇩🇪 Germany
🇮🇳 India

2028: (Protected by IMF)
🇺🇸 USA
🇨🇳 China
🇮🇳 India
🇯🇵 Japan
🇩🇪 Germany

2050: (Projected by PwC)
🇨🇳 China
🇺🇸 USA
🇮🇳 India
🇮🇩 Indonesia
🇧🇷 Brazil

04/10/2023

প্রথম ভারতরত্ন প্রাপক যিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন ?
ক. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
খ. ডক্টর এস রাধাকৃষ্ণাণ
গ. ডাক্তার প্রণব মুখোপাধ্যায়
ঘ. ডাক্তার এপিজে আবুল কালাম

04/10/2023

বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী কোন দেশের নাগরিক ছিলেন ?
ক. অস্ট্রেলিয়া
খ. ভারত
গ. শ্রীলঙ্কা
ঘ. ফিনল্যান্ড

04/10/2023

যুক্তি তর্ক ও ইতিহাস

নেহেরু পদবীর উৎপত্তি এবং বিলুপ্তির ইতিহাস :

জওহরলাল নেহেরুর দাদুর নাম ছিলো গিয়াসুদ্দিন গাজী। গিয়াসুদ্দিনের পূর্বপুরুষরা কত প্রজন্ম আগে মুসলমান হয়েছিলো, সেই তথ্য জানি না, তবে তারা যে মুসলমান শাসকদের সাথে মিলে পাইকারীভাবে হিন্দু হত্যা করেছিলো, সেই প্রমান তার নামের সাথে যুক্ত 'গাজী' শব্দের মধ্যেই আছে।

বিষয়টির একটু ব্যাখ্যা দিই। ইসলামে, "মরলে শহীদ, বাঁচলে গাজী” ব’লে একটা ব্যাপার আছে। এর মানে হলো, অমুসলিমদের সাথে যুদ্ধ করতে গিয়ে কোনো মুসলমান মারা গেলে সে শহীদ হিসেবে গন্য হবে এবং পরকালে সে বিনা বিচারে সর্বশ্রেষ্ঠ বেহেশতে প্রবেশ করে ভোগ করবে অঢেল সুখ ও কমপক্ষে ৭২ জন হুরের সাথে পাবে আনলিমিটেড সেক্স করার সুযোগ। অন্য দিকে যারা যুদ্ধে বেঁচে থাকবে, তারা গাজী উপাধিতে ভূষিত হবে এবং পৃথিবীতেই পাবে পরাজিত অমুসলিমদের ধন-সম্পদ-নারী, যা গনিমতে মাল হিসেবে পরিচিত। তো গিয়াসুদ্দিনের সাথে যেহেতু গাজী উপাধি লাগানো আছে, সেহেতু এটা নিশ্চিত যে, সে অথবা তার বাপ দাদাদের মধ্যে কেউ হিন্দু হত্যা করে এবং তাদের ধন-সম্পদ-নারী লুঠ করে এই উপাধি পেয়েছিলো। শুধু এই নেহেরুর দাদুর বেলাতেই নয়, যাদের নামের সাথে গাজী উপাধি যুক্ত আছে, তাদেরও পূর্বপুরুষ সরাসরি হিন্দু হত্যা এবং তাদের ধন-সম্পত্তি লুঠপাটের সাথে জড়িত ছিলো। বর্তমানে বাংলাদেশের গাজী ট্যাংক এবং গাজী টিভির মালিকের পূর্বপুরুষরাও কোনো এক সময়, অতীতে হিন্দু হত্যা করেই এই গাজী উপাধি পেয়েছিলো।

যা হোক, ইংরেজরা ভারতের ক্ষমতা দখল করার পর। ভারতে মুসলিম শাসনকে খতম করার জন্য, মুসলিম শাসকদের পৃষ্ঠপোষক এবং উত্তরাধিকারী অনেককে হত্যা করে, সেই সময় ইংরেজরা ব্যাপকভাবে হত্যা করতে থাকে প্রভাবশালী অনেক মুসলমানকেও। ইংরেজদের এই হত্যাকাণ্ডের কবল থেকে বাঁচার জন্য অনেক মুসলমান তখন দাড়ি কামিয়ে, টুপি ফেলে দিয়ে, মুসলমান নাম বাদ দিয়ে, হিন্দু নাম নিয়ে হিন্দু সেজে জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়। এই সময়, এভাবেই, জীবন বাঁচাতে গিয়ে গিয়াসুদ্দিন হয় গঙ্গাধর, কিন্তু তার নামের সাথে "নেহেরু” পদবী এলো কোথা থেকে ?

আপনারা অনেকেই, ভারতীয় হিন্দুদের নামের সাথে, পদবী হিসেবে- প্যাটেল, শেঠ, দেওল ইত্যাদি অনেক শব্দ শুনে থাকবেন; কিন্তু নেহেরু পরিবারের চার প্রজন্মের নাম ছাড়া, কখনো কি কোনো জাতি গোষ্ঠীর নামের সাথে "নেহেরু" পদবী দেখেছেন বা শুনেছেন ? উত্তর একটাই, আর তা হলো 'না' । তাহলে নেহেরু শব্দের বা পদবীর উৎপত্তি হলো কিভাবে ?

হিন্দি 'নহর’ শব্দের অর্থ হলো খাল বা নালা, যে নালা খাল দিয়ে কম-বেশি নোংরা জল শহর থেকে বেরিয়ে নদী বা কোনো বড় জলাশয়ে গিয়ে পড়ে। ইংরেজরা যখন মুসলমানদের মারছিলো, তখন গিয়াসুদ্দিন প্রাণ বাঁচাতে, এরকম এক ছোট খাল বা নালার ভেতর গিয়ে লুকিয়েছিলো। ইংরেজরা তাকে দেখতে পেয়ে সেখান থেকেই তাকে টেনে বের করে এবং সে হিন্দু না মুসলমান, এটা বোঝার জন্য, তার নাম জিজ্ঞেস করে। তখন প্রাণ বাঁচাতে গিয়াসুদ্দিন বলে, "আমার নাম গঙ্গাধর"। ইংরেজরা জিজ্ঞেস করে, গঙ্গাধর কী ? তখন গিয়াসুদ্দিন, যেহেতু খাল বা নহর এর মধ্যে লুকিয়েছিলো এবং নহর এর ভেতরে বা তার পাশে দাঁড়িয়েই ইংরেজদের সাথে কথাবার্তা বলছিলো, তখন সে হঠাৎ বলে ফেলে, "নহর, গঙ্গাধর নহর"। ইংরেজরা তো আর 'নহর' এর মানে বুঝে না। তাই সেই যাত্রায় গিয়াসুদ্দিন রক্ষা পায়। কিন্তু ভারতীয়রা তো 'নহর' এর মানে বোঝে, তাই যখন কাগজপত্রে ঐ নাম লিখতে গেলো, তখন গিয়াসুদ্দিন গাজী, নিজের নাম পাল্টে লিখলো, "গঙ্গাধর নেহেরু"; আর তখন থেকেই সে এবং তার পরিবার নেহেরু পরিবার নামেই পরিচিত ও পরে বিখ্যাত হলো। এই গঙ্গাধর নেহেরুর ছেলে মতিলাল নেহেরু এবং তার ছেলে জওহর লাল নেহেরু, আর জওহর লালের মেয়ে ইন্দিরা নেহেরু। নেহেরু পরিবারের চতুর্থ প্রজন্ম, ইন্দিরার মাধ্যমেই আবার নেহেরু পদবীর বিলুপ্তি ঘটে।

জওহরলালের কোনো পুত্র ছিলো না, ইন্দিরা ই তার একমাত্র মেয়ে। ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত জওহরলালের পরিবার ছিলো অত্যন্ত আধুনিক, আর আধুনিক পরিবারে সবাই একত্রে বসে মদ না খেলে প্রেস্টিজ থাকে না। নেহেরু পরিবারে এই মদের সাপ্লাই দিতো, ইউনুস খান নামের এক মুসলমান। ইউনুস খান, মদ নিয়ে আসতে না পারলে, মাঝে মাঝে আসতো তার ছেলে ফিরোজ খান। আস্তে আস্তে এই ফিরোজে খানের প্রেমে পড়ে যায় জওহরলালের মেয়ে ইন্দিরা নেহেরু এবং একসময় ইন্দিরা পাকা সিদ্ধান্ত নেয় ফিরোজ খানকে বিয়ে করার। কিন্তু মুসলমান ছেলের সাথে ইন্দিরার বিয়ে দিলে, ভারতে একটা প্রবল আলোড়ন সৃষ্টি হতে পারে, এমনকি নেহেরুর রাজনৈতিক ভিত্তি ধ্বংস না হলেও ধ্বসে পড়তে পারে, এই ভয়ে নেহেরু ছিলো দ্বিধান্বিত| কিন্তু এই সমস্যা সমাধানেও এগিয়ে আসে গান্ধী। গান্ধীর বুদ্ধিমতো, ইন্দিরাকে পড়াশোনার নাম করে লণ্ডন নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানের এক মসজিদে ইন্দিরাকে গোপনে মুসলমান বানিয়ে ফিরোজের সাথে বিয়ে দিয়ে তাদেরকে লণ্ডনে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। এদিকে ভারতে ইন্দিরার বিয়ে কথা তো আর চাপা থাকবে না। কিন্তু মুসলমান ছেলের সাথে ইন্দিরা বিয়ের কথা ফাঁস হলেও ভারতে শুরু হতে পারে কংগ্রেসের রাজনৈতিক প্রব্লেম। এই সমস্যার সমাধানের কৌশলও বের করে গান্ধী। কংগ্রেস নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া ভারতে প্রচার করে, ফিরোজ নামের এক পার্সি যুবককে, গান্ধী, দত্তকপুত্র হিসেবে নিয়েছেন এবং তার সাথে ইন্দিরার বিয়ে দিয়ে নেহেরু ও গান্ধী পরিবারের সম্পর্কে আরো মজবুত করেছেন।

মিডিয়ার এই প্রচারণা এতই শক্তিশালী ছিলো যে, ফিরোজ যে আসলে মুসলমান না পার্সি, সেটা ইন্দিরার বিয়ের ৫০ বছর পরও লোকজন ঠিক মতো বুঝতে পারে নি, লোকজন এটাও ঠিক মতো বুঝতে পারে নি যে, "ইন্দিরা নেহেরু" আসলে কিভাবে "ইন্দিরা গান্ধী" হলো ? আর নেহেরু ও গান্ধী পরিবারের মধ্যে আসলে সম্পর্কটা ই বা কী ?

যা হোক, লন্ডনেই ইন্দিরা গর্ভে জন্ম হয় ফিরোজের দুই পুত্র সঞ্জয় আর রাজীবের। গান্ধীর দেওয়া সূত্রানুসারে তারাও ভারত এবং লন্ডনে পরিচিত হয় "রাজীব গান্ধী" আর "সঞ্জয় গান্ধী" নামে। এভাবে গিয়াসুদ্দিনের বানানো "নেহেরু" পদবীর বিলুপ্তি ঘটে ইন্দিরার মাধ্যমে। এই দুই পুত্রের জন্মের কয়েকবছর পরেই মুসলমানদের চরিত্রানুসারে ফিরোজ আর একটা মেয়ের সাথে প্রেম করে তাকে বিয়ে করে আনে। সতীনের সংসারে ইন্দিরা নিজেকে মানিয়ে নিতে না পেরে দুই ছেলেকে নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে ভারতে বাপের কাছে চলে আসে। এরপর ইন্দিরা, ফিরোজের প্রেমের কথা ভুলে রাজনীতিতে যোগ দেয় বা মনোযোগ দেয়। এই হলো, গিয়াসুদ্দিন গাজীর, গঙ্গাধর নেহেরু এবং ফিরোজ খান ও ইন্দিরা নেহেরুর ছেলেদের গান্ধী হওয়ার কাহিনী।

উপরের এইস সব কারণের জন্যই দেখবেন, ভারতের রাজনীতি এবং ইতিহাসে ইন্দিরা এবং তার দুই ছেলে, সঞ্জয় এবং রাজীবের যে প্রভাব প্রতিপত্তি, তার বিন্দু মাত্র নেই, দুই রাজপুত্রের জন্মদাতা ফিরোজ গান্ধীর। অনেকে শুধু ফিরোজ গান্ধীর নামই শুনেছে, কিন্তু তার ছবিটি পর্যন্ত তারা কেউ কোনোদিন দেখে নি। ভারতের দুই দুইজন প্রধান মন্ত্রী, ইন্দিরার স্বামী এবং রাজীবের বাবা ফিরোজ গান্ধী খানকে মিডিয়ায় ফোকাস না করার প্রধান কারণ হলো এটাই। কেননা, তাহলে থলের বিড়াল বেরিয়ে গিয়ে, কংগ্রেস এতো দিন ভারতের হিন্দুদের যে ধোকা দিয়েছে তার পর্দা ফাঁস হয়ে যেতে পারে। ফিরোজ খান বেঁচে আছে না মরে গেছে, আর কবে মরলো, সেই ইতিহাসটা পর্যন্ত কংগ্রেস চাপা দিয়ে রেখেছে।

কিন্তু সত্যমেব জয়তে, অর্থাৎ সত্যের জয় একদিন হবেই এবং তা একদিন প্রকাশ পাবেই, এভাবেই বেরিয়ে আসছে কংগ্রেসের নোংরামি আর ভারতের হিন্দুদের প্রতি তাদের ধোকা দেওয়ার ইতিহাস।

04/10/2023

হিটলার তার জীবনকালে কোন ছদ্মনাম ব্যবহার করত ?
ক. স্টিভ ওয়া
খ. ডিউস
গ. আইস ম্যান
ঘ. ফু- য়রার

04/10/2023

✳️✳️📌 𝗠𝗜𝗦𝗖𝗘𝗟𝗟𝗔𝗡𝗘𝗢𝗨𝗦 2023 𝗡𝗼𝘁𝗶𝗳𝗶𝗰𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻 𝗣𝘂𝗯𝗹𝗶𝘀𝗵𝗲𝗱
📌𝗩𝗮𝗰𝗮𝗻𝗰𝘆- 𝗻𝗼𝘁 𝗗𝗲𝗰𝗹𝗲𝗮𝗿✅
📌Form fill up date.- 05 𝗢𝗰𝘁𝗼𝗯𝗲𝗿- 02 𝗡𝗼𝘃𝗲𝗺𝗯𝗲𝗿 ✅

📌Syllabus - Prelims 200 marks : 100 Question Each Question 2'Marks✅
📌GK/GS-75 Question ✅
📌Math-25 Question ✅

✅🔰MAINS-450 marks (Descriptive)
1.Bengali Descriptive-150 marks
2.English Descriptive-150 marks
3.GS/GK Descriptive- 100
4.Arithmatic (Descriptive)-50

✅🔰Personality Test- 100 Marks ✅

🔰Post Name -WBPSC Miscellaneous Posts💯
1. Assistant Child Development Project Officer
2. Savings Development officer
3. Disaster Management (DM) Officer/Block DM officer
4. WB Sub-ordinate Labour Service
5. Block Youth Officer/Municipal Youth Officer
6. Auditor of Co-operative Societies
7.Tax consumer walfare officer
8. Assistant Auditor, Board of Revenue
9. Block Welfare Officer/Welfare Officer
10. Extension officer, Mass Education Extension Inspector.
11. Lady Extension Officer
12. Backward Classes Welfare
13. Assistant Agriculture Marketing Officer
14. Assistant Controller of Correctional Services
15. Assistant Programmer officer
16. Investigating Officer
17. Controller of Correctional Services
18. Revenue Inspector
19. Inspector of Agricultural Income

04/10/2023

" My world , My side " - গ্রন্থের লেখক কে ?
ক. David Beckham
খ. Adolf Hi**er
গ. Salim Ali
ঘ. Oscar wilde

04/10/2023

বৃষভাবতী নদীর তীরবর্তী শহরের নাম কি ?
ক. চেন্নাই
খ. বেঙ্গালুরু
গ. মুম্বাই
ঘ. বেনারস

04/10/2023

Which Indian State is connected to Sri Lanka by the the Palk Strait?

A. kerala B.Tamil nadu
C. Andhra pradesh. D. Karnataka

04/10/2023

প্রথম ভারতীয় মহিলা রাজ্যপালের নাম কি ?
A. সুচেতা কৃপালিনী
B. শ্রীমতি সরোজিনী নাইডু
C. শ্রীমতি রমাদেবী
D. শ্রীমতি বিজয়লক্ষ্মী পন্ডিত

04/10/2023

(যুক্তি তর্ক ও ইতিহাস)
সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণের জন্মদিন শিক্ষক দিবস হিসেবে সারা দেশে পালিত হয়। নিজের জন্মদিনকে এভাবেই নিজের জীবদ্দশাতেই; অমর করে দিয়েছিলেন ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি। কিন্তু জানেন কি যে দুই খণ্ডের ‘ইন্ডিয়ান ফিলজফি’ বইটির জন্য; রাধাকৃষ্ণণ প্রসিদ্ধ, অভিযোগ সেটি মোটেই তাঁর লেখা নয়। সেটি নাকি লিখেছিলেন; তাঁরই ছাত্র যদুনাথ সিংহ।

১৯২৯ এর জানুয়ারি। মিরাট কলেজের দর্শনের তরুণ অধ্যাপক যদুনাথ সিংহ, সারা ভারতের শিক্ষা সমাজকে নাড়িয়ে দিয়ে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দার্শনিক অধ্যাপক ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণানের বিরুদ্ধে প্লেজিয়ারিজমের অভিযোগ তুলে মামলা করে বসলেন। প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ বৃত্তির জন্য জমা দেওয়া যদুনাথের গবেষণা; “ইন্ডিয়ান সাইকলজি অব পারসেপশন” প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড থেকে, ব্যপকভাবে নকল করে ধরা পড়েছিলেন রাধাকৃষ্ণাণ।

যদুনাথ সিংহ ১৯১৭ সালে এমএ পাশ করার পর; তাঁর গবেষণাপত্রের প্রথম খণ্ড ১৯২২ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেমচন্দ রায়চন্দ স্কলারশিপের আবেদনের সঙ্গে জমা দিয়েছিলেন। অভিযোগ, এই গবেষণাপত্রের দ্বিতীয় খণ্ড থেকেই অনেকটা নকল করে; রাধাকৃষ্ণ ১৯২৭ সালে একটি বই লন্ডন থেকে স্বনামে প্রকাশ করেন। ওই সময়ে রাধাকৃষ্ণাণ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চপদে কর্মরত ছিলেন।

যদুনাথ তাঁর অসাধারণ মেধা ও পাণ্ডিত্যের জন্য ১৯২৩ সালে গ্রিফিথ পুরস্কার; ১৯২৪ সালে মোয়াট মেডেল ও তার আগে ১৯১৫-১৬ সালে ক্লিন্ট মেমোরিয়াল ও ফিলিপ স্মিথ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন। রাধাকৃষ্ণাণ বইটি লন্ডন থেকে প্রকাশ করার বেশ কিছু দিন পর; তা যদুনাথের নজরে আসে। তাঁর মতে, ‘ইন্ডিয়ান ফিলজফি’ বইটির অনেকটা অংশ; তাঁর গবেষণাপত্রের হুবহু নকল। তিনি ১৯২৯ সালের ২২ অগস্ট কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন।

১৯২৫ সালে যদুনাথের গবেষণা শেষ হয়েছিল। আর ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল রাধাকৃষ্ণানের বই; “ইন্ডিয়ান ফিলজফি”র দ্বিতীয় খণ্ড। যদুনাথ সুদূর মিরাটে থাকার দরুন কলকাতার শিক্ষা সমাজের সব খবর যথাযথ সময়ে ঠিকঠিক পেয়ে ওঠেন নি। তিনি ঘুণাক্ষরেও টের পান নি যে; তাঁর মৌলিক গবেষণাটি থেকে রাধাকৃষ্ণাণ ভোবে টুকলি করে বসে ছিলেন।

বিষয়টি তাঁর গোচরে আসতেই পরের বছর; অর্থাৎ ১৯২৮ সালে রাধাকৃষ্ণাণের “দ্য বেদান্ত অ্যাকর্ডিং টু শংকর অ্যান্ড রামানুজ” নামে; আরও একটি বই বেরোল। এই বইটি ছিল আসলে “ইন্ডিয়ান ফিলজফি”-র দ্বিতীয় খণ্ডের অষ্টম এবং নবম অধ্যায়ের একটি পুনর্মুদ্রণ। এই বইটি পড়েই যদুনাথ আবিষ্কার করেছিলেন যে, তাঁর গবেষণার প্রথম দুটি অধ্যায় থেকে অনুচ্ছেদের পর অনুচ্ছেদ; নিজের বইতে টুকে বসিয়েছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম জর্জ অধ্যাপক ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণান!

ক্ষুব্ধ যদুনাথ, সরাসরি রাধাকৃষ্ণাণকে চুরির দায়ে অভিযুক্ত করে, দীর্ঘ এক চিঠি লিখে পাঠিয়েছিলেন সেই সময়ের বিখ্যাত “মর্ডার্ন রিভিয়্যু” ইংরেজি পত্রিকার দপ্তরে। কারণ রাধাকৃষ্ণাণের “ইন্ডিয়ান ফিলজফি”-র দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হওয়ার পর, এই পত্রিকাই দেখিয়েছিল যে রাধাকৃষ্ণান তাঁর বেশ কিছু সিদ্ধান্তের পিছনে যথাযথ তথ্যসূত্র উল্লেখ করেনি। তারা সেই নিয়ে প্রশ্নও তুলেছিল। কিন্তু রাধাকৃষ্ণাণ কোনো জবাব দেন নি।

প্রমাণ হাতেই ছিল। যদুনাথের গবেষণাকর্মের প্রথম দুই অধ্যায়ের নির্যাস নিয়ে, যদুনাথ বেশ কয়েকটি প্রবন্ধ রাধাকৃষ্ণাণের বই প্রকাশিত হওয়ার আগেই, ১৯২৪ থেকে ১৯২৬ সালের মধ্যে মিরাট কলেজের পত্রিকায় ছাপিয়ে ফেলেছিলেন।

এই খবরটা সম্ভবত রাধাকৃষ্ণাণ জানতেন না। কিন্তু এর ফলে যদুনাথের পক্ষে রাধাকৃষ্ণাণের চুরি প্রমাণ করা খুব সহজ হয়ে গিয়েছিল। মর্ডার্ন রিভিয়্যুর পাতায় নিজের লেখা থেকে এবং রাধাকৃষ্ণানের লেখা থেকে প্রাসঙ্গিক অংশ উদ্ধৃত করে করে, চুরির বহর সে সময় সবিস্তারে দেখিয়েছিলেন যদুনাথ।

১৯২৯ এর আগস্টে কলকাতার উচ্চ ন্যায়ালয়ে; যদুনাথ স্বত্বাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ দাবী করেন কুড়ি হাজার টাকা।

যদুনাথ সিংহ সুবিচার পাননি। শিক্ষাজগতের প্রবীণ সদস্যেরা প্রায় সকলেই যদুনাথের অভিযোগের সত্যতা মেনে নিয়েছিলেন। অনেকেই সহানুভূতিশীলও ছিলেন প্রকৃত বিদ্বান এই মানুষটির প্রতি। কিন্তু সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণাণের খ্যাতি-প্রতিপত্তি ও রাজনৈতিক মহলে তাঁর প্রতাপের কারণে, এঁরা কেউ সেদিন রাজি হননি আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য দিতে। বরং রাধাকৃষ্ণাণের পরোক্ষ প্রভাবের কারণে যদুনাথ সিংহের উপর তখন নানাভাবে চাপ তৈরি করা হয়েছিল আদালতকক্ষের বাইরে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার জন্য। এমনকি যদুনাথের গবেষণাপত্রের অন্যতম পরীক্ষক ব্রজেন শীল মশাইও, “বিশেষ অনুরোধ” করেছিলেন যাতে তাঁকে এই মামলায় সাক্ষ্য দিতে না ডাকা হয়।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকাও ছিল সেই সময় আশ্চর্যজনক। তাঁদেরই এক অধ্যাপকের সঙ্গে তাঁদেরই এক গবেষকের মামলা চলছে, তাঁদেরই শিলমোহর পাওয়া গবেষণা নিয়ে। অথচ তাঁরা উচ্চবাচ্যও করেনি।

১৯২৯ এর আগস্টে শুরু হয়ে মামলা চলেছিল ১৯৩৩ এর মে মাস পর্যন্ত। মামলার বিপুল খরচ টানা, তাঁর পক্ষে অসুবিধাজনক হয়ে উঠছিল। মামলার রফা-নিষ্পত্তি হয় আদালতের বাইরে। ১৯৩৩ সালের মে মাসের প্রথম সপ্তাহে অ্যাক্টিং চিফ জাস্টিস ফণীভূষণ চক্রবর্তীর সামনে; একটি ডিক্রির মধ্যে দিয়ে দুটি মামলা মিটিয়ে দেওয়া হয়। ডিক্রির শর্তগুলি কিন্তু আজও সবার অজানা।

03/10/2023

13 হোক আর 33 হোক তোমরা শুধুমাত্র এই ভেবেই পড়াশোনা কর যে একটাই পদ আছে আর ওটা তোমার।

11/07/2023

আপনি নিজে থেকেই নক দিলে যারা আপনার খবর নেয়, 'আন্তরিকতা' দেখায় কিন্তু আপনি নক না দিলে ভুলেও খবর নেয়না,তারা আপনার কেউ না!

05/07/2022
Want your school to be the top-listed School/college in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Wireless More
Kolkata
Other Middle Schools in Kolkata (show all)
The Forest Farm School The Forest Farm School
Kolkata, 700049

Earth centric farm based open board school of sustainable education

Ruhul khan Ruhul khan
Kolkata, 742148

like koro

SIP Abacus Sonarpur SIP Abacus Sonarpur
Upendra Bhawan, Sahebpara, Beside Sonarpur Recreation Club
Kolkata, 700150

Education Centre is pioneered in developing students and focus on fundamentals

Online Kaksha Online Kaksha
KOLKATA
Kolkata, 700116

Online learning for CBSE, CISCE (ICSE/ISC) board students. Contact at [email protected]

S’akman S’akman
Kolkata, 700099

Make people laugh and knowledgeable!

Exclusive ICSE English Class From VIII To XII By Ex Student Of St Xavier's. Exclusive ICSE English Class From VIII To XII By Ex Student Of St Xavier's.
Sodepore
Kolkata, 700110

This Is Tanay (An Ex -Student Of SXI,Panihati ) Providing Guidance To All English Medium Students Fr

The Learning Hub Pampa Majumdar The Learning Hub Pampa Majumdar
Merrill Residency, 243/1 B. T Road
Kolkata, KOLKATA-700036

It is an educational platform for kids, D.E.C.Ed students and teachers who are looking for a job

Mathztar Mathztar
5 No Jatin Das Nagar, Belgharia
Kolkata, 700056

Private teacher for Mathematics & Science

St.Andrews Public School St.Andrews Public School
Kolkata, 700059

St.Andrews Public School (affiliated to WBBSE) English Medium (CO-ED..) Secondary School

Nangi High School Official Nangi High School Official
Chatterjee Para, Batanagar
Kolkata, 700140

This is the Official Page of Nangi High School, created and maintained by School Authority. Please l

Sri Sri Omkarnathdev Vaidic Vidyapitha Sri Sri Omkarnathdev Vaidic Vidyapitha
7/7 Sitaramdas Omkarnath Sarani (P. W. D Road) Mahamilan Math
Kolkata, 700108