03/11/2024
(৮৭)
কবিতা:-কেস দেবেন না প্লিজ।😜
কলমে:-@কুমারকান্ত ভট্টাচার্য্য
------------------------------------
মনীশ বাবু বিরক্ত ভীষণ
খবরের কাগজ পড়ে।
সর্ব পাতায় জ্যোতিষীর অ্যাড
তবু ভাগ্যটা না ঘোরে।
বেশি কিছু তো চাননা তিনি
শুধু কাগজ পড়ার নেশা।
দু চার খানা সুখবর চান
একটাই মনের আশা।
তা না হয়ে পাতায় পাতায়
দলীয় হানাহানি।
খুন ধর্ষণ লেগেই আছে
এটাই জল পানি।
ভাগ্যটাকে বদলে নেবেন
কোথায় এমন সুযোগ।
সুখবর কি আসবে না আর
কতদিন এই দুর্ভোগ?
সুখবর এর আশায় ঘোরেন
জ্যোতিষ দ্বারে দ্বারে
অর্থ ব্যয় তো হলো প্রচুর
হলেন নিঃস্ব একেবারে।
দোকান বাজার করতে গেলেই
অর্থ টানাটানি।
সব কিছুরই মূল্য ভীষণ
মহার্ঘ্য দানাপানি।
বিপদে পড়ে একে ওকে
বলেন চাকরি চাই।
সবাই বলে এই বয়সের
চাকরি কোথাও নাই।
নিরুপায় বসে বসে
ভাবেন কত কি।
এমন সময় সামনে দেখেন
দিব্য পুরুষটি।
তিনি বলেন সামলে বেটা
কুচ হিন্দী ভী শিখ লে।
নৌকরি তব ঝক মারকে
ইয়ে বাত সমঝ লে।
ছোট্ট থেকে বন্ধু ভীষণ
স্মরণলাল মিশ্র।
দৌড়ে গেলেন তারই কাছে
তুললেন সেই জিক্র।
মেধাবী তিনি ছোট্ট থেকেই
শেখেন অল্প দিনে।
এমন রতন টাটা কোম্পানি
সহজেই নেয় চিনে।
সানন্দে তার কর্ম হল
নতুন ঠিকানা।
সারাদিন সে কর্মব্যস্ত
চলে না বাহানা।
সকাল বিকেল কাগজ পড়েন
ইংলিশে হিন্দীতে।
একটাও নেই খারাপ খবর
ভরা শুধু চাকরিতে।
বেশ কিছুদিন চলল এরাম
সাধুকে মনে পড়ে।
কার সাথে যেন মিল ছিল ঠিক
দেখা যেন সমাচারে।
কথাগুলোও চেনা চেনা ঠিক
আগে শোনা মনে হয়।
বর্ণনা করেন বউয়ের কাছে
এক পরিচিত বের হয়।
আরে একেই তো না দিয়ে গালি
খেতেন না উনি ভাত।
এইভাবে উনি ঠকিয়ে দিলেন
এটা কেমন 'বাত'।
মনের থাকা ইচ্ছে গুলো
দিচ্ছে যেন সীস।
শুধু নিজের স্থানে ফিরলে বলেন
কেস দেবেন না প্লিজ।
@হাইলাইট করুন