23/07/2024
FORID UDDIN
coming soon bio data
23/07/2024
কলকাতা ঘুরতে গিয়ে সঠিক গাইড লাইনের অভাবে অনেকেই ট্যাক্সি বা ক্যাবের পিছনে অনেক টাকা খরচ করছেন, যারা ওই অতিরিক্ত খরচ কমিয়ে সুন্দর ভাবে ঘুরতে চাচ্ছেন তাদের ভরসার অন্য নাম হতে পারে কলকাতা মেট্রো রেল। এ সম্পর্কে আপনাদের কিছু বিষয় জানাচ্ছি
মেট্রো রেল গুলো প্রতি ৪ মিনিট পর পর সকাল থেকে রাত ১০.২০ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া যায়। আপনি যদি টাকা কে পাইলটের মত উড়াতে ভালোবাসেন তবে এই পোস্ট টি আপনাদের জন্য নয়।
অনেকেই বনগাঁ থেকে সরাসরি শিয়ালদাহ স্টেশনে চলে আসেন। এর পর ক্যাবে ১০০ - ১৫০ রুপি দিয়ে পার্ক স্ট্রিট বা মির্জা গালিব স্ট্রীটে। আপনারা সরাসরি বনগাঁ থেকে দমদম জংশনে এসে নামবেন (দমদম জংশন এবং দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের মধ্যে প্যাঁচ লাগাবেন না)। এখান থেকে মাত্র ১০ রুপি দিয়ে মেট্রো রেলে করে পার্ক স্ট্রীট চলে আসতে পারবেন।
কলকাতা মেট্রো রেলের রুট:
দমদম > বেলগাছি > শ্যাম বাজার > শোভা বাজার > গিরিশ পার্ক > M.G রোড > সেন্ট্রাল > চাঁদনী চক > স্প্লানেড > পার্ক স্ট্রীট > মায়দান > রবীন্দ্র সনদ > নেতাজী ভবন > জতীন দাস পার্ক > কালীঘাট > রবীন্দ্র সরোবর > টালীগঞ্জ > নেতাজি >মাস্টার দা সুর্যসেন > গীতাঞ্জলী > কবি নজরুল > শহীদ ক্ষুদিরাম > কবি সুভাস।
ভাড়া ৫, ১০, ১৫, ২০ রুপি। আপনি যদি দমদম থেকে পার্ক স্ট্রীট আসেন তবে ভাড়া ১০ রুপি আবার পার্ক স্ট্রীট থেকে চাঁদনী চক যান তবে ভাড়া ৫ রুপির মত। চিন্তা করার কোন কারন নেই এই দ্রুত গামী মেট্রো রেলের প্রতিটি স্টেশনে সে স্টেশন থেকে যে স্টেশনে যাবেন সেখানকার ভাড়া লেখা আছে। আপনি টিকিট কেটে উপরের সাইনবোর্ড দেখে বাম বা ডান দিকের প্লাটফর্মের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করবেন।
এবার আসুন আলোচনা করি কোন মেট্রো রেলওয়ে স্টেশনের পাশে কি কি আছে ।
╚►ভিক্টরিয়াল মেমোরিয়ালঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
╚►গড়ের মাঠঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
╚►হাওড়া ব্রিজঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
╚►ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামঃ পার্ক স্ট্রীট অথবা ময়দান মেট্রো স্টেশন।
╚►জোড়া সাঁকোর ঠাকুর বাড়িঃ গিরিশ পার্ক মেট্রো স্টেশন।
╚►রাম মন্দিরঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
╚►মার্বেল প্লেসঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
╚►ময়দানঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
╚►কালীঘাট কালী মন্দিরঃ কালীঘাট মেট্রো স্টেশন।
╚►ইডেন গার্ডেনঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►কার্জন পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►নেতাজী সুভাস স্টেডিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►মিনেলিয়াম পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►দ্বিতীয় হুগলী ব্রিজঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►কলকাতা হাইকোর্টঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►বাবুঘাট কলকাতাঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►প্রিন্সেপ ঘাটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►ফোর্ট উইলিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►শহীদ মিনারঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►সেন্ট পল চার্চঃ রবীন্দ্র সদন মেট্রো স্টেশন।
╚►চাঁদনী চকঃ চাঁদনী চক মেট্রো।
╚►নিউমার্কেটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
╚►বড় বাজারঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
╚►রবীন্দ্র সরোবরঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন।
╚►লায়ন সাফারি পার্কঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন।
অনেকেই নিউমার্কেট এলাকায় অনেক সময় হোটেল সংকটের কারনে বেশি দামে হোটেল ভাড়া দিয়ে থাকে । আপনারা ইচ্ছে করলেই দমদম বা শোভা বাজার এদিকের হোটেলে থাকতে পারেন । সেক্ষেত্রে মাত্র ১০ বা ৫ রুপি দিয়ে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে চলে আসুন। এখান থেকে মিনিট ২ হাটলেই নিউমার্কেট এলাকা।
নোটঃ মেট্রো রেলওয়ে স্টেশন গুলো থেকে ভ্রমনের স্থান গুলো খুব বেশি হলে ১ কিঃ মিঃ এর মধ্যে অবস্থিত, যারা ট্রাভেলার তাদের জন্য এটা কিছুই না। মেট্রো রেলের স্টেশন গুলোতে ছবি তুলা নিষিদ্ধ এবং এই ট্রেন গুলোতে আপনি বড় বড় বস্তা ক্যারি করতে পারবেন না। সাধারন ব্যাগ , হ্যান্ড ব্যাগ, অফিস ব্যাগ, শপিং ব্যাগ ইত্যাদি বহন করতে পারবেন।
16/06/2024
কিছু ভুল এর জন্য ফ্রিজে রাখা গোস্ত এ মাছ নষ্ট হয়ে যায় চলুন যেনে নেয়া যাক কারণ গুলো কি কি।
আমরা কোরবানির গোস্ত সারাবছর খাওয়ার জন্য কুল স্টোরেজ করে রাখি। তবুও মাঝে মাঝে দেখা যায় ডিপ এ রাখা গোস্ত বা মাছ সবুজ রং চলে এসেছে ও এগুলো রান্না করার পর এক ধরনের কলেস্টেরল তেল এর মতো গন্ধ হয়ে এসেছে।এর কারন সঠিক ভাবে গোস্ত/মাছ ফ্রিজিং না করা।
গোস্ত/মাছ সারাবছর ফ্রিজে সংরক্ষণ করার নিয়ম হচ্ছে।
ডিপ এ- গোস্ত/মাছ লোড দেয়ার মিনিমাম ১২ঘন্টা আগে ফ্রিজটি গন্ধ মুক্ত ভাবে পরিস্কার করতে হবে ও ভালো ভাবে কাপর দিয়ে পানিশূন্য করতে হবে ।
ডিপ এ- গোস্ত/মাছ রাখার মিনিমাম ১২ ঘন্টা আগে পরিস্কার ফ্রিজটিকে চালু করে ২ লিটার পানির বোতল বরফ করে রাখতে হবে।
ডিপ এ- ১২ ঘন্টা ফ্রিজ চলার পর গোস্ত/মাছ ফ্রিজে ঢুকাতে হবে। অবশ্যই ফ্রিজে রাখা গোস্ত/মাছ ভালো ভাবে পরিস্কার পানি দিয়ে রক্তশূন্য ও ময়লা শূন্য করে তারপর ফ্রিজে রাখতে হবে নয়তো এই রক্ত ও ময়লা থেকে ছত্রাক জন্ম নিবে আর ছত্রাক হলে বেশিদিন এ গোস্ত ফ্রিজিং করেও ভালো থাকবে না। সব থেকে ভালো হয় ডিপ এ গোস্ত/মাছ রাখার আগে লবন হলুদ গুরো মেশানো পানি দিয়ে গোস্ত/মাছ ভালো ভাবে ধুয়ে তারপর ফ্রিজিং করবেন এতে গোস্ত/মাছ এর স্বাদ সারাবছর অটুট থাকবে ও ছত্রাক হওয়ার আশংকা নেই। ডিপ এ অব্যশই গাদাগাদি করে চেপে গোস্ত/মাছ রাখা যাবে না।ফ্রিজ লোড করার ক্ষেত্রে অবশ্যই ফ্রিজের চার দিকে ও ওপর সাইটে মিনিমাম ২" করে ফাকা রাখতে হবে নয়তো ঠান্ডা বাতাস আসবে না ঠান্ডা বাতাস না আসলে বরফ ঠিকঠাক হবে না তখন ফ্রিজ ও গোস্ত/মাছ সব নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে।
এককথায় ফ্রিজে অপরিস্কার রক্ত ময়লা যুক্ত মাছ গোস্ত রাখা যাবেনা। ও ডিপ এ চর্বি রেখে খাওয়া হতে বিরত থাকুন। চর্বি হচ্ছে বরফ এর শত্রু যে কারণে ফ্রিজে চর্বি রাখলে সব কিছুতেই দুর্গন্ধ সৃষ্টি করবেই ও নষ্ট করবে সব কিছু..... মনে রাখবেন ফ্রিজে যতটা জিনিস রাখবেন পরিস্কার করে লবন হলুদ দিয়ে ভালো ভাবে প্যাক করে রাখবেন অব্যশই এয়ার ব্লক প্যাকিং করার চেষ্টা করবেন এতে সারাবছর জিনিস ভালো থাকবে।
ধীরে ধীরে রাসুল (সাঃ) এর অনেক হাদিস আমরা ভুলেই যাচ্ছিঃ-
১। মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে ভিজা।
📖(সহীহ মুসলিম- ৮৯৮)
২। রাতে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে নির্জনে হাঁটা।
📖(বুখারী- ৫২১১)
৩।বৃষ্টি আসলে দোয়া করা।
📖(সহীহ বুখারী- ১০৩২)
৪। স্ত্রীর রান্না করা হালাল খাবারের দোষ না ধরা।
খেতে মন না চাইলে চুপ থাকা।
📖(মুসলিম- ২০৬৪)
৫। কোনো কিছু জানা না থাকলে স্বীকার করা যে, আমি জানি না।
📖(বায়হাকী- ১৭৫৯৫)
৬। মাঝে মাঝে বিপদে আকাশের দিকে মাথা তোলা।
আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলো আল্লাহকে বলা।
📖(মুসলিম- ২৫৩১)
৭। খুব খুশি হলে সিজদায় লুটিয়ে পড়া।
📖(মুখতাসার যাদুল মা' আদ- ১/২৭)
৮। ধোঁয়া ওঠা গরম খাবার ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত না খাওয়া।
📖(বায়হাকি-৪২৮)
৯। নফল ও সুন্নাহ সালাতগুলো নিজের ঘরে পড়া।
📖(বুখারী- ৭৩১)
১০। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এবং বাসা ফিরে দুই রাকাআত সালাত আদায় করা।
📖(মুসনাদে বাযযার- ৮৫৬৭)
১১। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জুতা না পরা।
বিশেষ করে শু জুতা ( স্যান্ডেল না)।
📖(আবু দাউদ- ৪১৩৫)
১২। যতই ভালো খাবার হোক ভরা পেটে না খাওয়া।
📖(তিরমিযী- ২৪৭৮)
১৩। ফজরের সালাতের পর সালাতের স্থানে বসে তসবি পড়া।
অতঃপর সূর্য উঠার পর দুই রাকাআত সালাত আদায় করা।
📖(আরশিফু মুলতাকা- ৪৫৬৯)
১৪। দ্বীনের দাওয়াত সহজ করার উদ্দেশ্যে নতুন একটি ভাষা শিখা।
📖(মুসনাদে আহমাদ- ২১৬১৮)
১৫। বাড়িতে অজু করে রুমাল দিয়ে হাতপা মুছে মসজিদে জামায়াতে যাওয়া।
📖(তাবরানী- ৬১৩৯)
১৬। মানুষের মাঝে বিবাদ মিটিয়ে দেয়া।
📖(মুসনাদে আহমাদ- ২৭৫০৮)
১৭। রাতে অজু অবস্থায় ঘুমানো।
📖(ফাতহুল বারি- ১১/১১০)
১৮। মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটা।
📖(আবু দাউদ- ৪১৬০)
১৯।যদি কারো উপর কোনো কষ্ট আসে, আল্লাহ তাআলা এর কারণে তার গুনাহসমূহ ঝরিয়ে দেন; যেমনভাবে গাছ থেকে পাতা ঝরে পড়ে।
📖(বুখারি, হাদিস নং: ৫৬৮৪)
২০।রাসুলুল্লাহ(সাঃ) বলেনঃ
আমি টেক(হেলান) লাগানো অবস্থায় কোনো কিছু ভক্ষণ করি না।
📖(বুখারি, হাদিস নং: ৫১৯০)
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুক।
___(আমিন)___
াযান_শুক্রবারে_বিকট_শব্দ_ভিত্তিহীন
১৫ রমাযান শুক্রবারে বিকট শব্দ হওয়া সম্পর্কে মতামত ও কলম !
উত্তর:
এটা কয়েকটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। যার কোনটা যয়ীফ জিদ্দান, কোনটা মুনকার, কোনটা মাওযূ বা ভিত্তিহীন/বানোয়াট।
এমন সূত্রের বরাতে হাদীস বলা, বর্ণনা করা, প্রচার করা জায়েয নয়।
এ ধরণের ভিত্তিহীন ও বানোয়াট কথা হাদীসের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।
আসল আমল থেকে বিমুখ করে পেরেশানিতে ফেলা হচ্ছে।
যারা প্রচার করছেন তারা একটু তাহকীক ও যাচাই করে দেখা জরুরী।
আরো দুই বছর আগে রমজানে এই খবর প্রচার হয়েছিল, মধ্য রমজানে নাকি বিকট আওয়াজ হবে। কেউ কেউ এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও দিচ্ছিল।
তখন এই ব্যাপারে বিজ্ঞ উলামায়ে কেরাম এর পক্ষ থেকে বারবার সতর্ক করা হয়েছে।
ফের এই রমজানে একই কান্ড শুরু হল। তাহকীক ছাড়া অডিও, ভিডিও, বিভিন্ন পোস্ট প্রচার করা হচ্ছে।
এতে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে, নাস্তিক মুরতাদরা ইসলামকে ঠাট্টার বস্তু বানাচ্ছে।
তাছাড়া যখন মধ্য রমজানে কিছু হবে না, তখন কি নাস্তিকদের কাছে ইসলাম হাসির পাত্র হবে না ?
আহলে কুরআনদের হাদীস অস্বীকার করার আরো একটি পথ খুলে দেওয়া হবে না ?
আসুন!
এসব ভিত্তিহীন খবর নিয়ে পড়ে না থেকে ঈমান ইলম আমলের চর্চায় রত থাকি,
আল্লহ তাআলা সহজ করুন ও কবুল করুন আমীন।
বিস্তারিত জানতে -
أخرجه نعيم بن حماد في "الفتن " (ق 160/1) ، ومن طريقه أبو عبد الله الحاكم (4/517 - 518) ،
وأبو نعيم في "أخبار أصبهان " (2/199) قال : حدثنا ابن وهب ، عن مسلمة بن علي ، عن قتادة ، عن ابن المسيب ، عن أبي هريرة ...مرفوعاً .
وقد روي هذا الحديث بأسانيد أخرى ،
وقد ساقها السيوطي في "اللآلي " (2/387 - 388) ،
وكلها معلولة ، بعضها مطول ، وبعضها مختصر ،
وقال الحاكم : حديث غريب المتن ، ومسلمة ظن لا تقوم به الحجة .
وقال الذهبي : قلت : ذا موضوع ، ومسلمة ساقط متروك .
قال العقيلي رحمه الله :
" ليس لهذا الحديث أصل من حديث ثقة ، ولا من وجه يثبت " انتهى . " الضعفاء الكبير " (3/52) .
وقال ابن الجوزي رحمه الله في باب خاص عقده باسم " باب ظهور الآيات في الشهور " :
" هذا حديث موضوع على رسول الله صلى الله عليه وسلم " انتهى ." الموضوعات " (3/191)
وذكره العلامة ابن القيم رحمه الله في " المنار المنيف " (ص/98) في أحاديث لا تصح في التواريخ المستقبلية ،
قال : " كحديث : يكون في رمضان هدة توقظ النائم ، وتقعد القائم ، وتخرج العواتق من خدورها ، وفي شوال مهمهة ، وفي ذي القعدة تميز القبائل بعضها من بعض ، وفي ذي الحجة تراق الدماء ، وحديث : يكون صوت في رمضان إذا كانت ليلة النصف منه ليلة جمعة ، يصعق له سبعون ألفا ، ويصم سبعون ألفا " انتهى .
هذه الأحاديث المذكورة ضعيفة وفي بعضها نكارة ولا يصح الاعتماد عليها في تقرير مثل هذه الحوادث.
وقد جاء في الحديث الأول الذي رواه الشاشي نعيم بن حماد الخزاعي وهو ضعيف الحديث ضعفه النسائي وغيره.
وجاء فيه عبد الله بن لهيعة وهو سيء الحفظ ولا يحتج به سواء روى عنه العبادلة أم لا غير أن رواية العبادلة أعدل من غيرها وهذا لا يعني صحتها، وفيه غير ذلك من العلل.
وجاء في الحديث الثاني الذي رواه الطبراني عبد الوهاب الضحاك ليس بشىء.
وله شاهد من حديث أبي هريرة وفيه شهر بن حوشب ضعيف الحديث وفيه مجهول لا يحتج به.
وأنه لا يجوز شرعاً نشر هذه الأحاديث وذلك لأمرين:
الأول: أنها غير صحيحة عن النبي صلى الله عليه وسلم وقد كان أئمة السلف ينهون عن التحديث بالأحاديث المنكرة والباطلة ويوجبون التعزير على من فعل ذلك.
الثاني: أنها ترويع للمسلمين وقد قال النبي صلى الله عليه وسلم: لا يحل لمسلم أن يُرّوع مسلماً. رواه أبو داود في سننه وسنده صحيح.
نقله ورتبه :
المفتي معصوم بالله -عصمه الله تعالى-
استاذ الحديث والفقه ،
الجامعة الاسلامية دار العلوم داكا، (المسجد الأكبر كمبلكس) ميرفور ١,داكا،
ومركز البحوث الإسلامية داكا.
মৃত্যুর পর মানুষের ৯টি আকাঙ্খা /আফসোস :
১● "হায়! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।" (সূরাহ নাবা, আয়াত : ৪০)
২● "হায়! যদি পরকালের জন্য কিছু করতাম।" (সূরাহ ফজর, আয়াত : ২৪)
৩● "হায়! আমাকে যদি আমার আমলনামা না দেওয়া হতো।" (সূরাহ আল-হাক্কা, আয়াত : ২৫)
৪● "হায়! আমি যদি ওকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম।" (সূরাহ ফুরকান, আয়াত : ২৮)
৫● "হায়! আমরা যদি আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল ﷺ এর আনুগত্য করতাম।" (সূরা আহযাব, আয়াত : ৬৬)
৬● "হায়! আমি যদি রাসূল ﷺ এর পথ অবলম্বন করতাম।" (সূরাহ ফুরকান, আয়াত : ২৭)
৭● "হায়! আমিও যদি তাদের সঙ্গে থাকতাম, তা হলে বিরাট সফলতা লাভ করতে পারতাম।" (সূরাহ আন-নিসা, আয়াত : ৭৩)
৮● "হায়! আমি যদি আমার রবের সঙ্গে কাউকে শরীক না করতাম।" (সূরা কাহফ, আয়াত : ৪২)
৯● "হায়! এমন যদি কোনো সুরত হতো ― আমাদেরকে আবার দুনিয়াতে পাঠানো হতো, আমরা আমাদের প্রভুকে মিথ্যা প্রতিপন্ন না করতাম আর আমরা হতাম ঈমানদারদের শামিল।" (সূরাহ আনআম, আয়াত : ২৭)
সেইদিন আপসোস করে কোন লাভ হবে না। সুতরাং রবের নীড়ে ফিরে আসুন। কারণ, প্রতিটি জীবন মৃত্যুর স্বাদ অস্বাদন করবে।
পুরুষদের ধ্বংসের ৮টি কারণ :👇👇
১. নেশায় আসক্তি (সিগারেট, মদ-জুয়া ইত্যাদি)
"তোমরা নিজেদের হত্যা কর না"
- (সুরাঃ-নিসা ২৯)
২. কাচা হলুদ ও লাল রঙের কাপড় পরিধান করা। - (মুসলিমঃ ২০৭৭)
৩. পুরুষ হয়েও গোল্ড ব্যবহার করা।
- (ইবনে মাজাহঃ ৩৫৯৫,আবু দাউদ ঃ৪০৫৭)
৪. যেসব পুরুষ নারীদের সাজগোজ অনুকরণ করে। নাক-কান ফোড়ানো অর্থাৎ, মহিলাদের চালচলন অনুকরণ করা পুরুষদের জন্য রাসূল (সঃ) এর অভিশাপ।
- (আবু দাউদঃ৪০৯৭,ইবনে মাজাহঃ১৯০৪
৫. সিল্কের পোশাক বা রেশম পোশাক পরিধান করা। - (নাসাঈঃ৫১৪৪)
৬. পুরুষের টাকনুর নিচে প্যান্ট পরা হারাম এবং রাসূল (সঃ) বলেছেন, এটা জাহান্নামি পুরুষের লক্ষ্মণ। - (আবু দাউদঃ৩১৪০)
৭. ইচ্ছাকৃত ভাবে জামায়াতে সালাত আদায় না করা এবং ফরজ সালাতে আদায় অলসতা। কেননা,"যে ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ছেড়ে দিলো সে কাফিররের কাজ করলো।
- (মুসলিম ঃ৮২,তিরমিজি ঃ২৬১৯)
৮. দৃষ্টি সংযত না রাখতে পারা (গান বাজনা শোনা মিউজিক এর সাথে লিপ্ত থাকা)
"নিশ্চয়ই কান, চোখ ও অন্তকরন এদের প্রত্যেকটির হিসাব দিতে হবে"
- (সূরা বনী ইসরাঈলঃ৩৬)
আল্লাহর আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন আমিন।
*জীবন বদলে দেওয়ার মতো ২৮ টি ইসলামিক উপদেশঃ📖*
✍️১.তিনটি সময়ে ঘুমানো থেকে বিরত থাকুন-
(ক) ফযরের পর থেকে সূর্যদয় পর্যন্ত
(খ) আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত এবং
(গ) মাগরিব থেকে এশা পর্যন্ত।
✍️২. দুর্গন্ধময় লোকদের সাথে ওঠাবসা করবেন না।
[যারা ধুমপান বা নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে]
✍️৩. এমন লোকদের সাথে ঘুমাবেন না, যারা ঘুমানোর
পূর্বে খারাপ কথা বলে।
✍️৪. বাম হাতে খাওয়া বা পান করা থেকে বিরত
থাকুন।
✍️৫. দাঁতের ফাকে আটকে থাকা খাবার বের করে
তা খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
✍️৬. হাত ও পায়ের আঙুল ফোটানু থেকে বিরত
থাকুন।
✍️৭. জুতা পরিধানের পুর্বে তা ভালো করে দেখে নিন।
✍️৮. নামাজে থাকা অবস্থায় আকাশের দিকে
তাকাবেন না।
✍️৯. টয়লেট বা গোসল খানায় থুথু ফেলবেন না।
✍️১০. মেসওয়াক বা নিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজার
চেষ্টা করুন।
✍️১১. জামা কাপড় ব্যবহার করার আগে ডান হাত বা
পা প্রথমে ব্যবহার করুন।
✍️১২. ফু দিয়ে খাবার ঠান্ডা করবেন না, প্রয়োজনে
বাতাস করতে পারেন।
✍️১৩. দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু জোর করে ভাঙ্গতে
যাবেন না।
✍️১৪. কোনকিছু করার আগে ভালো করে ভেবে
নিবেন।
✍️১৫. ইকামাত এবং নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে কথা
বলবেন না।
✍️১৬. টয়লেটে থাকা অবস্থায় কথা বলবেন না।
✍️১৭. কারো সম্পর্কে কখনও গীবত করবেন না।
✍️১৮. বন্ধুদের জন্য কখনো প্রতিকূলতা সৃষ্টি করবেন
না।
✍️১৯. কোথাও চলার সময় বারবার পেছনে ফিরে
তাকাবেন না।
✍️২০. হাটার সময় শক্ত করে মাটিতে পা ফেলবেন না।
✍️২১. আবেগবশত বন্ধুদের সন্দেহ করবেন না।
✍️২২. কখনো মিথ্যা বলেবেন না। ঠাট্টা করেও নয়।
✍️২৩. নাকের কাছে নিয়ে খাবারের গন্ধ শুকবেন না।
✍️২৪. স্পষ্ট করে কথা বলুন যা মানুষ সহজেই বুঝতে
পারে।
✍️২৫. একা একা ভ্রমণ করবেন না। দুইয়ের অধিক বা
দলবেঁধে ভ্রমণ করুন।
✍️২৬. গুরুত্বপূর্ণ কাজে কখনো একা একা সিদ্ধান্ত
নিবেন না। বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কারো সাথে
আলোচনা করুন। তবে সিদ্ধান্ত হবে আপনার।
✍️২৭. নিজেকে নিয়ে কখনো গর্ব করবেন না বা
অহংকার করবেন না।
✍️২৮. খাবার নিয়ে কখনো মন খারাপ করবেন না।
আল্লাহ্ পাক আমাদের সকলকে এই কথা গুলোর উপর আমল করার তৌফিক দান করুক ..আমিন..🤲
@ মুনাফিক চেনার সহজ উপায়@
১. কোরআনের নির্দেশনা
কোরআনের আয়নায় মুনাফিক চেনার উপায় একেই বারেই সহজ। আল্লাহ তাআলা তাদের গতি প্রকৃতি এভাবে তুলে ধরেছেন-
وَإِذَا لَقُواْ الَّذِينَ آمَنُواْ قَالُواْ آمَنَّا وَإِذَا خَلَوْاْ إِلَى شَيَاطِينِهِمْ قَالُواْ إِنَّا مَعَكْمْ إِنَّمَا نَحْنُ مُسْتَهْزِئُونَ
‘আর তারা (মুনাফিক) যখন ঈমানদারদের সঙ্গে মিলিত হয়, তখন বলে আমরা ঈমান এনেছি। আবার যখন তাদের শয়তানদের (অবিশ্বাসীদের) সঙ্গে নির্জনে মিলিত হয়, তখন বলে আমরা তোমাদের সঙ্গেই আছি। আমরা তো (মুসলমানদের সঙ্গে) ঠাট্টা-বিদ্রেুাপ করি মাত্র।’ (সুরা বাকারা : ১৪)
মুনাফিকরা সংক্ষেপে নামাজ পড়ে। নামাজ আল্লাহর ভয় ও বিনয়-নম্রতা থেকে খালি হলে তা ধীর-স্থিরতার সঙ্গে আদায় করা বড়ই কঠিন হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন-
اِنَّ الۡمُنٰفِقِیۡنَ یُخٰدِعُوۡنَ اللّٰهَ وَ هُوَ خَادِعُهُمۡ ۚ وَ اِذَا قَامُوۡۤا اِلَی الصَّلٰوۃِ قَامُوۡا کُسَالٰی ۙ یُرَآءُوۡنَ النَّاسَ وَ لَا یَذۡکُرُوۡنَ اللّٰهَ اِلَّا قَلِیۡلًا
নিশ্চয়ই মুনাফিক (কপট) ব্যক্তিরা আল্লাহকে প্রতারিত করতে চায়। বস্তুত তিনি তাদেরকে ধোঁকায় ফেলেন এবং যখন তারা নামাজে দাঁড়ায় তখন শৈথিল্যের সঙ্গে নিছক লোক-দেখানোর জন্য দাঁড়ায় আর আল্লাহকে তারা (সংক্ষিপ্ত নামাজের মাধ্যমে) অল্পই স্মরণ করে থাকে।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১৪২)
এ আয়াতের ভিত্তিতে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘এটা মুনাফিকের নামাজ। এটা মুনাফিকের নামাজ, এটা মুনাফিকের নামাজ। সে বসে বসে সূর্যের অপেক্ষা করতে থাকে। অবশেষে যখন সূর্য শয়তানের দুইটি শিংয়ের মধ্যবর্তী স্থানে (অস্ত যাওয়ার কাছাকাছি সময়ে) পৌঁছে, তখন (তড়িঘড়ি) উঠে চারটি ঠোকর মেরে নেয়।’ (মুসলিম, মুয়াত্তা মালেক)
২. হাদিসের নির্দেশনায়
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যার মাঝে ৪টি অভ্যাস পাওয়া যাবে; সে নিখাদ মুনাফিক। এছাড়া যার মধ্যে এর কোনো একটি পাওয়া যায়, সে তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকের একটি অভ্যাস হিসেবে বিদ্যমান থাকে। অভ্যাস ৪টি হলো-
> কখনও আমানত রাখলে সে খেয়ানত করে।
> কথা বললে মিথ্যা বলে।
> প্রতিশ্রুতি দিলে ভঙ্গ করে এবং
> যখন কারও সঙ্গে ঝগড়া করে তখনই (নৈতিক ও সততার) সব সীমালঙ্ঘন করে।’ (বুখারি ও মুসলিম)
৩. নামাজে অলসতা
নামাজ ইসলামের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ রোকন ও ফরজ কাজ। এতেও তারা অবহেলা ও অলসতা প্রদর্শন করত। কারণ তাদের অন্তর ঈমান, আল্লাহভীতি এবং ঐকান্তিকতা থেকে ছিল বঞ্চিত ও শূন্য। বিশেষ করে তারা ইশা ও ফজরের নামাজকে ভারী মনে করে। হাদিসে এসেছে-
إِنَّ أَثْقَلَ صَلَاةٍ عَلَى الْمُنَافِقِينَ صَلَاةُ الْعِشَاءِ وَصَلَاةُ الْفَجْرِ
মুনাফিকদের উপর ইশা এবং ফজরের নামাজ সব থেকে বেশি ভারী।’ (বুখারি ও মুসলিম)মুনাফিকের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও চরিত্র
যুগে যুগে মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য ও চরিত্র ছিল দ্বিমুখী। তারা যখন ইসলামের অনুসারীদের বিজয় দেখতো তখন তারা বলতো আমরা কি তোমাদের সঙ্গে ছিলাম না? আবার যখন অবিশ্বাসীরা কোনো কিছুতে বিন্দুমাত্র সফল হতো তখন তাদেরকেও এরকম কথা বলতো। মুনাফিকদের এ বৈশিষ্ট্যও আল্লাহ তাআলা কোরআনে এভাবে তুলে ধরেছেন-
الَّذِیۡنَ یَتَرَبَّصُوۡنَ بِکُمۡ ۚ فَاِنۡ کَانَ لَکُمۡ فَتۡحٌ مِّنَ اللّٰهِ قَالُوۡۤا اَلَمۡ نَکُنۡ مَّعَکُمۡ ۫ وَ اِنۡ کَانَ لِلۡکٰفِرِیۡنَ نَصِیۡبٌ ۙ قَالُوۡۤا اَلَمۡ نَسۡتَحۡوِذۡ عَلَیۡکُمۡ وَ نَمۡنَعۡکُمۡ مِّنَ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ ؕ فَاللّٰهُ یَحۡکُمُ بَیۡنَکُمۡ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ ؕ وَ لَنۡ یَّجۡعَلَ اللّٰهُ لِلۡکٰفِرِیۡنَ عَلَی الۡمُؤۡمِنِیۡنَ سَبِیۡلًا
‘যারা তোমাদের (অমঙ্গলের) প্রতীক্ষায় থাকে; সুতরাং আল্লাহর অনুগ্রহে তোমাদের বিজয় হলে তারা (তোমাদেরকে) বলে, ‘আমরা কি তোমাদের সঙ্গে ছিলাম না?’ আর যদি অবিশ্বাসীদের আংশিক বিজয় লাভ হয়, তাহলে তারা (তাদেরকে) বলে, ‘আমরা কি তোমাদের বিরুদ্ধে জয়ী ছিলাম না এবং আমরা কি তোমাদেরকে বিশ্বাসীদের হাত থেকে রক্ষা করিনি? অতএব আল্লাহই কেয়ামতের দিন তোমাদের মধ্যে বিচার-মীমাংসা করবেন এবং আল্লাহ কখনই বিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে অবিশ্বাসীদের জন্য কোনো পথ রাখবেন না।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১৪১)
বিজ্ঞাপন
مُّذَبۡذَبِیۡنَ بَیۡنَ ذٰلِکَ لَاۤ اِلٰی هٰۤؤُلَآءِ وَ لَاۤ اِلٰی هٰۤؤُلَآءِ ؕ وَ مَنۡ یُّضۡلِلِ اللّٰهُ فَلَنۡ تَجِدَ لَهٗ سَبِیۡلًا
‘(মুনাফিকরা) দোটানায় দোদুল্যমান; না এদের দিকে, না ওদের দিকে! আর আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন আপনি তার জন্য কখনো কোন পথ পাবেন না।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১৪৩)
তাফসিরে তাবারিতে এসেছে, মুনাফিক নিজেকে মুশরিকও বলতে চায় না। আবার ঈমানদারও হতে চায় না। তাইতো প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপমা তুলে ধরেছেন এভাবে- ‘মুনাফিকের উদাহরণ হচ্ছে, ঐ ছাগীর ন্যায়, যে দুই পাঠা ছাগলের মধ্যে ঘুরে বেড়ায়। (প্রবৃত্তির তাড়নায়) কখনও এটার কাছে যায়, কখনও অপরটির কাছে যায়।’ (মুসলিম)
মুনাফেকির পরিণাম
মুনাফিকরা অভিশপ্ত। মুনাফিকরা অবাধ্য ফাসিক। মুনাফিক নারী-পুরুষরা নিশ্চিত জাহান্নামি। জাহান্নামে তাদের অবস্থানও আল্লাহ তাআলা সুস্পষ্ট করে নির্ধারণ করে দিয়েছেন। মুনাফিকদের চিরকাল জাহান্নামে থাকতে হবে মর্মে ঘোষণা করেছেন মহান রব। মুনাফিকদের নিয়ে সুরা তাওবার একাধিক আয়াত-
১. মুনাফিকরা ফাসিক
اَلۡمُنٰفِقُوۡنَ وَ الۡمُنٰفِقٰتُ بَعۡضُهُمۡ مِّنۡۢ بَعۡضٍ ۘ یَاۡمُرُوۡنَ بِالۡمُنۡکَرِ وَ یَنۡهَوۡنَ عَنِ الۡمَعۡرُوۡفِ وَ یَقۡبِضُوۡنَ اَیۡدِیَهُمۡ ؕ نَسُوا اللّٰهَ فَنَسِیَهُمۡ ؕ اِنَّ الۡمُنٰفِقِیۡنَ هُمُ الۡفٰسِقُوۡنَ
‘মুনাফিক পুরুষ এবং নারীরা এক অপরের অনুরূপ। তারা অসৎ কাজের নির্দেশ দেয়, সৎকাজ থেকে বিরত রাখে এবং নিজেদের হাতগুলোকে (আল্লাহর পথে ব্যয় করা থেকে) সংকুচিত করে রাখে। তারা আল্লাহকে ভুলে গেছে, সুতরাং তিনিও তাদেরকে ভুলে গেছেন। নিঃসন্দেহে মুনাফিকরাই হচ্ছে অতি অবাধ্য।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ৬৭)
বিজ্ঞাপন
২. মুনাফিকরা ধোঁকাবাজ
মুনাফিকরা মহান আল্লাহকেও ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত থাকে। কোরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন এভাবে-
اِنَّ الۡمُنٰفِقِیۡنَ یُخٰدِعُوۡنَ اللّٰهَ وَ هُوَ خَادِعُهُمۡ ۚ وَ اِذَا قَامُوۡۤا اِلَی الصَّلٰوۃِ قَامُوۡا کُسَالٰی ۙ یُرَآءُوۡنَ النَّاسَ وَ لَا یَذۡکُرُوۡنَ اللّٰهَ اِلَّا قَلِیۡلًا
‘নিশ্চয়ই মুনাফিক (কপট) ব্যক্তিরা আল্লাহকে ধোঁকা দিতে চায়। বস্তুত তিনিও তাদেরকে ধোঁকায় ফেলেন। এবং যখন তারা নামাজে দাঁড়ায় তখন শৈথিল্য তথা অলসতার সঙ্গে নিছক লোক-দেখানোর জন্য দাঁড়ায় আর আল্লাহকে তারা অল্পই স্মরণ করে থাকে।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১৪২)
৩. মুনাফিকরা চিরস্থায়ী জাহান্নামি
وَعَدَ اللّٰهُ الۡمُنٰفِقِیۡنَ وَ الۡمُنٰفِقٰتِ وَ الۡکُفَّارَ نَارَ جَهَنَّمَ خٰلِدِیۡنَ فِیۡهَا ؕ هِیَ حَسۡبُهُمۡ ۚ وَ لَعَنَهُمُ اللّٰهُ ۚ وَ لَهُمۡ عَذَابٌ مُّقِیۡمٌ
আল্লাহর পক্ষ থেকে মুনাফিক পুরুষ, মুনাফিক নারী ও কাফেরদের জন্য জাহান্নামের আগুনের প্রতিশ্রুতি। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। এটা তাদের জন্য যথেষ্ট। আল্লাহ তাদেরকে অভিশাপ করেছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে চিরস্থায়ী শাস্তি।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ৬৮)
৪. মুনাফিকদের সঙ্গে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ
یٰۤاَیُّهَا النَّبِیُّ جَاهِدِ الۡکُفَّارَ وَ الۡمُنٰفِقِیۡنَ وَ اغۡلُظۡ عَلَیۡهِمۡ ؕ وَ مَاۡوٰىهُمۡ جَهَنَّمُ ؕ وَ بِئۡسَ الۡمَصِیۡرُ
‘হে নবি! আপনি কাফের ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করুন এবং তাদের প্রতি কঠোর হোন। তাদের বাসস্থান হবে জাহান্নাম এবং তা কতই না নিকৃষ্ট ঠিকানা।’ (সুরা তাওবাহ : আয়াত ৭৩)
৫. জাহান্নামে মুনাফিকদের অবস্থান
اِنَّ الۡمُنٰفِقِیۡنَ فِی الدَّرۡکِ الۡاَسۡفَلِ مِنَ النَّارِ ۚ وَ لَنۡ تَجِدَ لَهُمۡ نَصِیۡرًا
মুনাফিক (কপট) ব্যক্তিরা অবশ্যই জাহান্নামের সর্ব নিম্ন স্তরে অবস্থান করবে এবং তাদের জন্য তুমি কখনও কোনো সাহায্যকারীও পাবে না।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১৪৫)
এছাড়াও কোরআনের একাধিক আয়াতে আল্লাহ তাআলা মুনাফিক নারী ও পুরুষদের নিশ্চিত জাহান্নামী ঘোষণা করেছেন। চিরকাল তাদের অবস্থান হবে জাহান্নাম তা-ও নিশ্চিত করেছেন।
সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, মুনাফেকির সব চরিত্র থেকে নিজেদের বিরত রাখা। কোরআন-সুন্নায় ঘোষিত কঠিন পরিণাম থেকে মুক্ত থাকা।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে মুনাফেকির চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য থেকে মুক্ত থেকে জাহান্নামের কঠিন আজাব থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।
দুনিয়ার সুখঃ
১. মা-বাবা। ২.নেক স্বামী। ৩. নেক বিবি। ৪. নেক ছেলে মেয়ে।
আখেরাতের সুখঃ
১. ইলম। ২. পরহেজগারী। ৩. সদকা। ৪. নেক আমল।
শরিরের সুখঃ
১. কম খাওয়া। ২. কম ঘুমানো। ৩. কম কথা বলা। ৪. কম হাসা।
মনের সুখঃ
১. সবর। ২. জিকির ও তাসবীহ পাঠ করা। ৩. আল্লাহর শোকর আদায় করা। ৪. ভাবগাম্ভির্য থাকা।
ঈমানের স্বার্থকতাঃ
১. লজ্জা। ২. পাক পবিত্র থাকা। ৩. সত্যের সাথে থাকা। ৪. ইনসাফ করা।
যেসব কথায় আল্লাহ নারাজ হনঃ
১. পারস্পরিক সম্পর্ক ছিন্ন করা। ২. মা বাপের উপর কথা বলা। ৩. স্বামী অবাধ্য হওয়া এবং স্বামীর সাথে সম্পর্ক নষ্ট করা। ৪. কারো সাথে প্রতারণা, ছলনা এবং মোনাফেকি করা। ৫. আজানের সময় কথা বলা আর কাজ করা। ৬. নামাজের পর দোয়া না করা। ৭. দাঁড়িয়ে পানি পান করা। ৮. গালাগালি করা। ৯. হিংসা রাখা। ১০. ঘরে মেহমান দেখে নারাজ হওয়া। ১১. চিরন্তন সত্যকে মিথ্যা প্রচার করা। ১২. ইসলামি শরীয়াহ অস্বীকার করা। ১৩. কারো সাথে তিন দিনের বেশী কথা বলা বন্ধ রাখা। ১৪. ওয়াক্ত মত সালাত আদায় না করা।
উপকারী কয়েকটি কথাঃ
যদি খুশি পেতে চাও তাহলে সময়ে ইবাদত করো। যদি মুখের ঔজ্জল্যতা বৃদ্ধি করতে চাও তাহলে নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়ো।
যদি হৃদয়ে প্রশান্তি পেতে চাও তাহলে কুরআন তেলাওয়াত করো।
যদি শরীর সুস্থ পেতে চাও তাহলে রোজা রাখো।
যদি মুসিবত থেকে বাঁচতে চাও তাহলে ইসতেগফার পড়ো।
যদি ঘরে বরকত চাও তাহলে দরুদ শরিফ পড়ো।
যদি সব মুশকিল শেষ করতে চাও তাহলে লা হাওলা ওলা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পড়ো।
যদি দুঃখ থেকে নাজাত পেতে চাও তাহলে দোয়া করো।
আল্লাহ পাক আমাদেরকে ভাল থাকার ও ভাল কাজের তওফীক দান করুন,l
05/01/2023
15/12/2022
জীবনকে বুঝতে হলে আপনাকে তিনটি জায়গায়
যেতে হবে-
১। হাসপাতাল
ঘ কারাগার
তা কবরস্থান
হাসপাতালে, আপনি বুঝতে পারবেন সুস্থ ছাড়া আর কিছুই সুন্দর নয়।
কারাগারে, আপনি দেখতে পারবেন স্বাধীনতা সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস।
কবরস্থানে, আপনি বুঝতে পারবেন জীবনের কোনো মূল্য নেই। আজকে যে মাটিতে হাঁটছি আগামিকাল তা আমাদের ছাঁদ হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Goalpota. North 24 (pgn)
Kolkata