FORID UDDIN

FORID UDDIN

coming soon bio data

Operating as usual

05/04/2023

াযান_শুক্রবারে_বিকট_শব্দ_ভিত্তিহীন

১৫ রমাযান শুক্রবারে বিকট শব্দ হওয়া সম্পর্কে মতামত ও কলম !

উত্তর:
এটা কয়েকটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। যার কোনটা যয়ীফ জিদ্দান, কোনটা মুনকার, কোনটা মাওযূ বা ভিত্তিহীন/বানোয়াট।
এমন সূত্রের বরাতে হাদীস বলা, বর্ণনা করা, প্রচার করা জায়েয নয়।

এ ধরণের ভিত্তিহীন ও বানোয়াট কথা হাদীসের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।
আসল আমল থেকে বিমুখ করে পেরেশানিতে ফেলা হচ্ছে।
যারা প্রচার করছেন তারা একটু তাহকীক ও যাচাই করে দেখা জরুরী।

আরো দুই বছর আগে রমজানে এই খবর প্রচার হয়েছিল, মধ্য রমজানে নাকি বিকট আওয়াজ হবে। কেউ কেউ এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও দিচ্ছিল।
তখন এই ব্যাপারে বিজ্ঞ উলামায়ে কেরাম এর পক্ষ থেকে বারবার সতর্ক করা হয়েছে।

ফের এই রমজানে একই কান্ড শুরু হল। তাহকীক ছাড়া অডিও, ভিডিও, বিভিন্ন পোস্ট প্রচার করা হচ্ছে।

এতে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে, নাস্তিক মুরতাদরা ইসলামকে ঠাট্টার বস্তু বানাচ্ছে।

তাছাড়া যখন মধ্য রমজানে কিছু হবে না, তখন কি নাস্তিকদের কাছে ইসলাম হাসির পাত্র হবে না ?
আহলে কুরআনদের হাদীস অস্বীকার করার আরো একটি পথ খুলে দেওয়া হবে না ?

আসুন!
এসব ভিত্তিহীন খবর নিয়ে পড়ে না থেকে ঈমান ইলম আমলের চর্চায় রত থাকি,
আল্লহ তাআলা সহজ করুন ও কবুল করুন আমীন।

বিস্তারিত জানতে -
أخرجه نعيم بن حماد في "الفتن " (ق 160/1) ، ومن طريقه أبو عبد الله الحاكم (4/517 - 518) ،
وأبو نعيم في "أخبار أصبهان " (2/199) قال : حدثنا ابن وهب ، عن مسلمة بن علي ، عن قتادة ، عن ابن المسيب ، عن أبي هريرة ...مرفوعاً .

وقد روي هذا الحديث بأسانيد أخرى ،
وقد ساقها السيوطي في "اللآلي " (2/387 - 388) ،
وكلها معلولة ، بعضها مطول ، وبعضها مختصر ،

وقال الحاكم : حديث غريب المتن ، ومسلمة ظن لا تقوم به الحجة .

وقال الذهبي : قلت : ذا موضوع ، ومسلمة ساقط متروك .

قال العقيلي رحمه الله :
" ليس لهذا الحديث أصل من حديث ثقة ، ولا من وجه يثبت " انتهى . " الضعفاء الكبير " (3/52) .

وقال ابن الجوزي رحمه الله في باب خاص عقده باسم " باب ظهور الآيات في الشهور " :
" هذا حديث موضوع على رسول الله صلى الله عليه وسلم " انتهى ." الموضوعات " (3/191)

وذكره العلامة ابن القيم رحمه الله في " المنار المنيف " (ص/98) في أحاديث لا تصح في التواريخ المستقبلية ،
قال : " كحديث : يكون في رمضان هدة توقظ النائم ، وتقعد القائم ، وتخرج العواتق من خدورها ، وفي شوال مهمهة ، وفي ذي القعدة تميز القبائل بعضها من بعض ، وفي ذي الحجة تراق الدماء ، وحديث : يكون صوت في رمضان إذا كانت ليلة النصف منه ليلة جمعة ، يصعق له سبعون ألفا ، ويصم سبعون ألفا " انتهى .

هذه الأحاديث المذكورة ضعيفة وفي بعضها نكارة ولا يصح الاعتماد عليها في تقرير مثل هذه الحوادث.

وقد جاء في الحديث الأول الذي رواه الشاشي نعيم بن حماد الخزاعي وهو ضعيف الحديث ضعفه النسائي وغيره.

وجاء فيه عبد الله بن لهيعة وهو سيء الحفظ ولا يحتج به سواء روى عنه العبادلة أم لا غير أن رواية العبادلة أعدل من غيرها وهذا لا يعني صحتها، وفيه غير ذلك من العلل.

وجاء في الحديث الثاني الذي رواه الطبراني عبد الوهاب الضحاك ليس بشىء.

وله شاهد من حديث أبي هريرة وفيه شهر بن حوشب ضعيف الحديث وفيه مجهول لا يحتج به.

وأنه لا يجوز شرعاً نشر هذه الأحاديث وذلك لأمرين:

الأول: أنها غير صحيحة عن النبي صلى الله عليه وسلم وقد كان أئمة السلف ينهون عن التحديث بالأحاديث المنكرة والباطلة ويوجبون التعزير على من فعل ذلك.

الثاني: أنها ترويع للمسلمين وقد قال النبي صلى الله عليه وسلم: لا يحل لمسلم أن يُرّوع مسلماً. رواه أبو داود في سننه وسنده صحيح.
نقله ورتبه :
المفتي معصوم بالله -عصمه الله تعالى-
استاذ الحديث والفقه ،
الجامعة الاسلامية دار العلوم داكا، (المسجد الأكبر كمبلكس) ميرفور ١,داكا،
ومركز البحوث الإسلامية داكا.

03/04/2023

মৃত্যুর পর মানুষের ৯টি আকাঙ্খা /আফসোস :

১● "হায়! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।" (সূরাহ নাবা, আয়াত : ৪০)

২● "হায়! যদি পরকালের জন্য কিছু করতাম।" (সূরাহ ফজর, আয়াত : ২৪)

৩● "হায়! আমাকে যদি আমার আমলনামা না দেওয়া হতো।" (সূরাহ আল-হাক্কা, আয়াত : ২৫)

৪● "হায়! আমি যদি ওকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম।" (সূরাহ ফুরকান, আয়াত : ২৮)

৫● "হায়! আমরা যদি আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল ﷺ এর আনুগত্য করতাম।" (সূরা আহযাব, আয়াত : ৬৬)

৬● "হায়! আমি যদি রাসূল ﷺ এর পথ অবলম্বন করতাম।" (সূরাহ ফুরকান, আয়াত : ২৭)

৭● "হায়! আমিও যদি তাদের সঙ্গে থাকতাম, তা হলে বিরাট সফলতা লাভ করতে পারতাম।" (সূরাহ আন-নিসা, আয়াত : ৭৩)

৮● "হায়! আমি যদি আমার রবের সঙ্গে কাউকে শরীক না করতাম।" (সূরা কাহফ, আয়াত : ৪২)

৯● "হায়! এমন যদি কোনো সুরত হতো ― আমাদেরকে আবার দুনিয়াতে পাঠানো হতো, আমরা আমাদের প্রভুকে মিথ্যা প্রতিপন্ন না করতাম আর আমরা হতাম ঈমানদারদের শামিল।" (সূরাহ আনআম, আয়াত : ২৭)

সেইদিন আপসোস করে কোন লাভ হবে না। সুতরাং রবের নীড়ে ফিরে আসুন। কারণ, প্রতিটি জীবন মৃত্যুর স্বাদ অস্বাদন করবে।

20/03/2023

পুরুষদের ধ্বংসের ৮টি কারণ :👇👇

১. নেশায় আসক্তি (সিগারেট, মদ-জুয়া ইত্যাদি)
"তোমরা নিজেদের হত্যা কর না"
- (সুরাঃ-নিসা ২৯)

২. কাচা হলুদ ও লাল রঙের কাপড় পরিধান করা। - (মুসলিমঃ ২০৭৭)

৩. পুরুষ হয়েও গোল্ড ব্যবহার করা।
- (ইবনে মাজাহঃ ৩৫৯৫,আবু দাউদ ঃ৪০৫৭)

৪. যেসব পুরুষ নারীদের সাজগোজ অনুকরণ করে। নাক-কান ফোড়ানো অর্থাৎ, মহিলাদের চালচলন অনুকরণ করা পুরুষদের জন্য রাসূল (সঃ) এর অভিশাপ।
- (আবু দাউদঃ৪০৯৭,ইবনে মাজাহঃ১৯০৪

৫. সিল্কের পোশাক বা রেশম পোশাক পরিধান করা। - (নাসাঈঃ৫১৪৪)

৬. পুরুষের টাকনুর নিচে প্যান্ট পরা হারাম এবং রাসূল (সঃ) বলেছেন, এটা জাহান্নামি পুরুষের লক্ষ্মণ। - (আবু দাউদঃ৩১৪০)

৭. ইচ্ছাকৃত ভাবে জামায়াতে সালাত আদায় না করা এবং ফরজ সালাতে আদায় অলসতা। কেননা,"যে ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ছেড়ে দিলো সে কাফিররের কাজ করলো।
- (মুসলিম ঃ৮২,তিরমিজি ঃ২৬১৯)

৮. দৃষ্টি সংযত না রাখতে পারা (গান বাজনা শোনা মিউজিক এর সাথে লিপ্ত থাকা)
"নিশ্চয়ই কান, চোখ ও অন্তকরন এদের প্রত্যেকটির হিসাব দিতে হবে"
- (সূরা বনী ইসরাঈলঃ৩৬)

আল্লাহর আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন আমিন।

21/02/2023

*জীবন বদলে দেওয়ার মতো ২৮ টি ইসলামিক উপদেশঃ📖*

✍️১.তিনটি সময়ে ঘুমানো থেকে বিরত থাকুন-
(ক) ফযরের পর থেকে সূর্যদয় পর্যন্ত
(খ) আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত এবং
(গ) মাগরিব থেকে এশা পর্যন্ত।

✍️২. দুর্গন্ধময় লোকদের সাথে ওঠাবসা করবেন না।
[যারা ধুমপান বা নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে]

✍️৩. এমন লোকদের সাথে ঘুমাবেন না, যারা ঘুমানোর
পূর্বে খারাপ কথা বলে।
✍️৪. বাম হাতে খাওয়া বা পান করা থেকে বিরত
থাকুন।
✍️৫. দাঁতের ফাকে আটকে থাকা খাবার বের করে
তা খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
✍️৬. হাত ও পায়ের আঙুল ফোটানু থেকে বিরত
থাকুন।
✍️৭. জুতা পরিধানের পুর্বে তা ভালো করে দেখে নিন।

✍️৮. নামাজে থাকা অবস্থায় আকাশের দিকে
তাকাবেন না।
✍️৯. টয়লেট বা গোসল খানায় থুথু ফেলবেন না।

✍️১০. মেসওয়াক বা নিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজার
চেষ্টা করুন।

✍️১১. জামা কাপড় ব্যবহার করার আগে ডান হাত বা
পা প্রথমে ব্যবহার করুন।
✍️১২. ফু দিয়ে খাবার ঠান্ডা করবেন না, প্রয়োজনে
বাতাস করতে পারেন।
✍️১৩. দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু জোর করে ভাঙ্গতে
যাবেন না।
✍️১৪. কোনকিছু করার আগে ভালো করে ভেবে
নিবেন।
✍️১৫. ইকামাত এবং নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে কথা
বলবেন না।
✍️১৬. টয়লেটে থাকা অবস্থায় কথা বলবেন না।
✍️১৭. কারো সম্পর্কে কখনও গীবত করবেন না।
✍️১৮. বন্ধুদের জন্য কখনো প্রতিকূলতা সৃষ্টি করবেন
না।
✍️১৯. কোথাও চলার সময় বারবার পেছনে ফিরে
তাকাবেন না।
✍️২০. হাটার সময় শক্ত করে মাটিতে পা ফেলবেন না।
✍️২১. আবেগবশত বন্ধুদের সন্দেহ করবেন না।

✍️২২. কখনো মিথ্যা বলেবেন না। ঠাট্টা করেও নয়।
✍️২৩. নাকের কাছে নিয়ে খাবারের গন্ধ শুকবেন না।
✍️২৪. স্পষ্ট করে কথা বলুন যা মানুষ সহজেই বুঝতে
পারে।
✍️২৫. একা একা ভ্রমণ করবেন না। দুইয়ের অধিক বা
দলবেঁধে ভ্রমণ করুন।
✍️২৬. গুরুত্বপূর্ণ কাজে কখনো একা একা সিদ্ধান্ত
নিবেন না। বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কারো সাথে
আলোচনা করুন। তবে সিদ্ধান্ত হবে আপনার।

✍️২৭. নিজেকে নিয়ে কখনো গর্ব করবেন না বা
অহংকার করবেন না।
✍️২৮. খাবার নিয়ে কখনো মন খারাপ করবেন না।

আল্লাহ্ পাক আমাদের সকলকে এই কথা গুলোর উপর আমল করার তৌফিক দান করুক ..আমিন..🤲

13/02/2023

@ মুনাফিক চেনার সহজ উপায়@

১. কোরআনের নির্দেশনা
কোরআনের আয়নায় মুনাফিক চেনার উপায় একেই বারেই সহজ। আল্লাহ তাআলা তাদের গতি প্রকৃতি এভাবে তুলে ধরেছেন-
وَإِذَا لَقُواْ الَّذِينَ آمَنُواْ قَالُواْ آمَنَّا وَإِذَا خَلَوْاْ إِلَى شَيَاطِينِهِمْ قَالُواْ إِنَّا مَعَكْمْ إِنَّمَا نَحْنُ مُسْتَهْزِئُونَ
‘আর তারা (মুনাফিক) যখন ঈমানদারদের সঙ্গে মিলিত হয়, তখন বলে আমরা ঈমান এনেছি। আবার যখন তাদের শয়তানদের (অবিশ্বাসীদের) সঙ্গে নির্জনে মিলিত হয়, তখন বলে আমরা তোমাদের সঙ্গেই আছি। আমরা তো (মুসলমানদের সঙ্গে) ঠাট্টা-বিদ্রেুাপ করি মাত্র।’ (সুরা বাকারা : ১৪)

মুনাফিকরা সংক্ষেপে নামাজ পড়ে। নামাজ আল্লাহর ভয় ও বিনয়-নম্রতা থেকে খালি হলে তা ধীর-স্থিরতার সঙ্গে আদায় করা বড়ই কঠিন হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন-
اِنَّ الۡمُنٰفِقِیۡنَ یُخٰدِعُوۡنَ اللّٰهَ وَ هُوَ خَادِعُهُمۡ ۚ وَ اِذَا قَامُوۡۤا اِلَی الصَّلٰوۃِ قَامُوۡا کُسَالٰی ۙ یُرَآءُوۡنَ النَّاسَ وَ لَا یَذۡکُرُوۡنَ اللّٰهَ اِلَّا قَلِیۡلًا
নিশ্চয়ই মুনাফিক (কপট) ব্যক্তিরা আল্লাহকে প্রতারিত করতে চায়। বস্তুত তিনি তাদেরকে ধোঁকায় ফেলেন এবং যখন তারা নামাজে দাঁড়ায় তখন শৈথিল্যের সঙ্গে নিছক লোক-দেখানোর জন্য দাঁড়ায় আর আল্লাহকে তারা (সংক্ষিপ্ত নামাজের মাধ্যমে) অল্পই স্মরণ করে থাকে।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১৪২)

এ আয়াতের ভিত্তিতে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘এটা মুনাফিকের নামাজ। এটা মুনাফিকের নামাজ, এটা মুনাফিকের নামাজ। সে বসে বসে সূর্যের অপেক্ষা করতে থাকে। অবশেষে যখন সূর্য শয়তানের দুইটি শিংয়ের মধ্যবর্তী স্থানে (অস্ত যাওয়ার কাছাকাছি সময়ে) পৌঁছে, তখন (তড়িঘড়ি) উঠে চারটি ঠোকর মেরে নেয়।’ (মুসলিম, মুয়াত্তা মালেক)

২. হাদিসের নির্দেশনায়
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যার মাঝে ৪টি অভ্যাস পাওয়া যাবে; সে নিখাদ মুনাফিক। এছাড়া যার মধ্যে এর কোনো একটি পাওয়া যায়, সে তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকের একটি অভ্যাস হিসেবে বিদ্যমান থাকে। অভ্যাস ৪টি হলো-
> কখনও আমানত রাখলে সে খেয়ানত করে।
> কথা বললে মিথ্যা বলে।
> প্রতিশ্রুতি দিলে ভঙ্গ করে এবং
> যখন কারও সঙ্গে ঝগড়া করে তখনই (নৈতিক ও সততার) সব সীমালঙ্ঘন করে।’ (বুখারি ও মুসলিম)

৩. নামাজে অলসতা
নামাজ ইসলামের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ রোকন ও ফরজ কাজ। এতেও তারা অবহেলা ও অলসতা প্রদর্শন করত। কারণ তাদের অন্তর ঈমান, আল্লাহভীতি এবং ঐকান্তিকতা থেকে ছিল বঞ্চিত ও শূন্য। বিশেষ করে তারা ইশা ও ফজরের নামাজকে ভারী মনে করে। হাদিসে এসেছে-
إِنَّ أَثْقَلَ صَلَاةٍ عَلَى الْمُنَافِقِينَ صَلَاةُ الْعِشَاءِ وَصَلَاةُ الْفَجْرِ
মুনাফিকদের উপর ইশা এবং ফজরের নামাজ সব থেকে বেশি ভারী।’ (বুখারি ও মুসলিম)মুনাফিকের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও চরিত্র
যুগে যুগে মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য ও চরিত্র ছিল দ্বিমুখী। তারা যখন ইসলামের অনুসারীদের বিজয় দেখতো তখন তারা বলতো আমরা কি তোমাদের সঙ্গে ছিলাম না? আবার যখন অবিশ্বাসীরা কোনো কিছুতে বিন্দুমাত্র সফল হতো তখন তাদেরকেও এরকম কথা বলতো। মুনাফিকদের এ বৈশিষ্ট্যও আল্লাহ তাআলা কোরআনে এভাবে তুলে ধরেছেন-
الَّذِیۡنَ یَتَرَبَّصُوۡنَ بِکُمۡ ۚ فَاِنۡ کَانَ لَکُمۡ فَتۡحٌ مِّنَ اللّٰهِ قَالُوۡۤا اَلَمۡ نَکُنۡ مَّعَکُمۡ ۫ وَ اِنۡ کَانَ لِلۡکٰفِرِیۡنَ نَصِیۡبٌ ۙ قَالُوۡۤا اَلَمۡ نَسۡتَحۡوِذۡ عَلَیۡکُمۡ وَ نَمۡنَعۡکُمۡ مِّنَ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ ؕ فَاللّٰهُ یَحۡکُمُ بَیۡنَکُمۡ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ ؕ وَ لَنۡ یَّجۡعَلَ اللّٰهُ لِلۡکٰفِرِیۡنَ عَلَی الۡمُؤۡمِنِیۡنَ سَبِیۡلًا
‘যারা তোমাদের (অমঙ্গলের) প্রতীক্ষায় থাকে; সুতরাং আল্লাহর অনুগ্রহে তোমাদের বিজয় হলে তারা (তোমাদেরকে) বলে, ‘আমরা কি তোমাদের সঙ্গে ছিলাম না?’ আর যদি অবিশ্বাসীদের আংশিক বিজয় লাভ হয়, তাহলে তারা (তাদেরকে) বলে, ‘আমরা কি তোমাদের বিরুদ্ধে জয়ী ছিলাম না এবং আমরা কি তোমাদেরকে বিশ্বাসীদের হাত থেকে রক্ষা করিনি? অতএব আল্লাহই কেয়ামতের দিন তোমাদের মধ্যে বিচার-মীমাংসা করবেন এবং আল্লাহ কখনই বিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে অবিশ্বাসীদের জন্য কোনো পথ রাখবেন না।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১৪১)

বিজ্ঞাপন

مُّذَبۡذَبِیۡنَ بَیۡنَ ذٰلِکَ لَاۤ اِلٰی هٰۤؤُلَآءِ وَ لَاۤ اِلٰی هٰۤؤُلَآءِ ؕ وَ مَنۡ یُّضۡلِلِ اللّٰهُ فَلَنۡ تَجِدَ لَهٗ سَبِیۡلًا
‘(মুনাফিকরা) দোটানায় দোদুল্যমান; না এদের দিকে, না ওদের দিকে! আর আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন আপনি তার জন্য কখনো কোন পথ পাবেন না।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১৪৩)

তাফসিরে তাবারিতে এসেছে, মুনাফিক নিজেকে মুশরিকও বলতে চায় না। আবার ঈমানদারও হতে চায় না। তাইতো প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপমা তুলে ধরেছেন এভাবে- ‘মুনাফিকের উদাহরণ হচ্ছে, ঐ ছাগীর ন্যায়, যে দুই পাঠা ছাগলের মধ্যে ঘুরে বেড়ায়। (প্রবৃত্তির তাড়নায়) কখনও এটার কাছে যায়, কখনও অপরটির কাছে যায়।’ (মুসলিম)

মুনাফেকির পরিণাম
মুনাফিকরা অভিশপ্ত। মুনাফিকরা অবাধ্য ফাসিক। মুনাফিক নারী-পুরুষরা নিশ্চিত জাহান্নামি। জাহান্নামে তাদের অবস্থানও আল্লাহ তাআলা সুস্পষ্ট করে নির্ধারণ করে দিয়েছেন। মুনাফিকদের চিরকাল জাহান্নামে থাকতে হবে মর্মে ঘোষণা করেছেন মহান রব। মুনাফিকদের নিয়ে সুরা তাওবার একাধিক আয়াত-
১. মুনাফিকরা ফাসিক
اَلۡمُنٰفِقُوۡنَ وَ الۡمُنٰفِقٰتُ بَعۡضُهُمۡ مِّنۡۢ بَعۡضٍ ۘ یَاۡمُرُوۡنَ بِالۡمُنۡکَرِ وَ یَنۡهَوۡنَ عَنِ الۡمَعۡرُوۡفِ وَ یَقۡبِضُوۡنَ اَیۡدِیَهُمۡ ؕ نَسُوا اللّٰهَ فَنَسِیَهُمۡ ؕ اِنَّ الۡمُنٰفِقِیۡنَ هُمُ الۡفٰسِقُوۡنَ
‘মুনাফিক পুরুষ এবং নারীরা এক অপরের অনুরূপ। তারা অসৎ কাজের নির্দেশ দেয়, সৎকাজ থেকে বিরত রাখে এবং নিজেদের হাতগুলোকে (আল্লাহর পথে ব্যয় করা থেকে) সংকুচিত করে রাখে। তারা আল্লাহকে ভুলে গেছে, সুতরাং তিনিও তাদেরকে ভুলে গেছেন। নিঃসন্দেহে মুনাফিকরাই হচ্ছে অতি অবাধ্য।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ৬৭)

বিজ্ঞাপন

২. মুনাফিকরা ধোঁকাবাজ
মুনাফিকরা মহান আল্লাহকেও ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত থাকে। কোরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন এভাবে-
اِنَّ الۡمُنٰفِقِیۡنَ یُخٰدِعُوۡنَ اللّٰهَ وَ هُوَ خَادِعُهُمۡ ۚ وَ اِذَا قَامُوۡۤا اِلَی الصَّلٰوۃِ قَامُوۡا کُسَالٰی ۙ یُرَآءُوۡنَ النَّاسَ وَ لَا یَذۡکُرُوۡنَ اللّٰهَ اِلَّا قَلِیۡلًا
‘নিশ্চয়ই মুনাফিক (কপট) ব্যক্তিরা আল্লাহকে ধোঁকা দিতে চায়। বস্তুত তিনিও তাদেরকে ধোঁকায় ফেলেন। এবং যখন তারা নামাজে দাঁড়ায় তখন শৈথিল্য তথা অলসতার সঙ্গে নিছক লোক-দেখানোর জন্য দাঁড়ায় আর আল্লাহকে তারা অল্পই স্মরণ করে থাকে।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১৪২)

৩. মুনাফিকরা চিরস্থায়ী জাহান্নামি
وَعَدَ اللّٰهُ الۡمُنٰفِقِیۡنَ وَ الۡمُنٰفِقٰتِ وَ الۡکُفَّارَ نَارَ جَهَنَّمَ خٰلِدِیۡنَ فِیۡهَا ؕ هِیَ حَسۡبُهُمۡ ۚ وَ لَعَنَهُمُ اللّٰهُ ۚ وَ لَهُمۡ عَذَابٌ مُّقِیۡمٌ
আল্লাহর পক্ষ থেকে মুনাফিক পুরুষ, মুনাফিক নারী ও কাফেরদের জন্য জাহান্নামের আগুনের প্রতিশ্রুতি। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। এটা তাদের জন্য যথেষ্ট। আল্লাহ তাদেরকে অভিশাপ করেছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে চিরস্থায়ী শাস্তি।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ৬৮)

৪. মুনাফিকদের সঙ্গে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ
یٰۤاَیُّهَا النَّبِیُّ جَاهِدِ الۡکُفَّارَ وَ الۡمُنٰفِقِیۡنَ وَ اغۡلُظۡ عَلَیۡهِمۡ ؕ وَ مَاۡوٰىهُمۡ جَهَنَّمُ ؕ وَ بِئۡسَ الۡمَصِیۡرُ
‘হে নবি! আপনি কাফের ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করুন এবং তাদের প্রতি কঠোর হোন। তাদের বাসস্থান হবে জাহান্নাম এবং তা কতই না নিকৃষ্ট ঠিকানা।’ (সুরা তাওবাহ : আয়াত ৭৩)

৫. জাহান্নামে মুনাফিকদের অবস্থান
اِنَّ الۡمُنٰفِقِیۡنَ فِی الدَّرۡکِ الۡاَسۡفَلِ مِنَ النَّارِ ۚ وَ لَنۡ تَجِدَ لَهُمۡ نَصِیۡرًا
মুনাফিক (কপট) ব্যক্তিরা অবশ্যই জাহান্নামের সর্ব নিম্ন স্তরে অবস্থান করবে এবং তাদের জন্য তুমি কখনও কোনো সাহায্যকারীও পাবে না।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১৪৫)

এছাড়াও কোরআনের একাধিক আয়াতে আল্লাহ তাআলা মুনাফিক নারী ও পুরুষদের নিশ্চিত জাহান্নামী ঘোষণা করেছেন। চিরকাল তাদের অবস্থান হবে জাহান্নাম তা-ও নিশ্চিত করেছেন।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, মুনাফেকির সব চরিত্র থেকে নিজেদের বিরত রাখা। কোরআন-সুন্নায় ঘোষিত কঠিন পরিণাম থেকে মুক্ত থাকা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে মুনাফেকির চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য থেকে মুক্ত থেকে জাহান্নামের কঠিন আজাব থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

11/02/2023

দুনিয়ার সুখঃ
১. মা-বাবা। ২.নেক স্বামী। ৩. নেক বিবি। ৪. নেক ছেলে মেয়ে।

আখেরাতের সুখঃ
১. ইলম। ২. পরহেজগারী। ৩. সদকা। ৪. নেক আমল।

শরিরের সুখঃ
১. কম খাওয়া। ২. কম ঘুমানো। ৩. কম কথা বলা। ৪. কম হাসা।

মনের সুখঃ
১. সবর। ২. জিকির ও তাসবীহ পাঠ করা। ৩. আল্লাহর শোকর আদায় করা। ৪. ভাবগাম্ভির্য থাকা।

ঈমানের স্বার্থকতাঃ
১. লজ্জা। ২. পাক পবিত্র থাকা। ৩. সত্যের সাথে থাকা। ৪. ইনসাফ করা।

যেসব কথায় আল্লাহ নারাজ হনঃ
১. পারস্পরিক সম্পর্ক ছিন্ন করা। ২. মা বাপের উপর কথা বলা। ৩. স্বামী অবাধ্য হওয়া এবং স্বামীর সাথে সম্পর্ক নষ্ট করা। ৪. কারো সাথে প্রতারণা, ছলনা এবং মোনাফেকি করা। ৫. আজানের সময় কথা বলা আর কাজ করা। ৬. নামাজের পর দোয়া না করা। ৭. দাঁড়িয়ে পানি পান করা। ৮. গালাগালি করা। ৯. হিংসা রাখা। ১০. ঘরে মেহমান দেখে নারাজ হওয়া। ১১. চিরন্তন সত্যকে মিথ্যা প্রচার করা। ১২. ইসলামি শরীয়াহ অস্বীকার করা। ১৩. কারো সাথে তিন দিনের বেশী কথা বলা বন্ধ রাখা। ১৪. ওয়াক্ত মত সালাত আদায় না করা।

উপকারী কয়েকটি কথাঃ
যদি খুশি পেতে চাও তাহলে সময়ে ইবাদত করো। যদি মুখের ঔজ্জল্যতা বৃদ্ধি করতে চাও তাহলে নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়ো।

যদি হৃদয়ে প্রশান্তি পেতে চাও তাহলে কুরআন তেলাওয়াত করো।
যদি শরীর সুস্থ পেতে চাও তাহলে রোজা রাখো।
যদি মুসিবত থেকে বাঁচতে চাও তাহলে ইসতেগফার পড়ো।
যদি ঘরে বরকত চাও তাহলে দরুদ শরিফ পড়ো।
যদি সব মুশকিল শেষ করতে চাও তাহলে লা হাওলা ওলা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পড়ো।
যদি দুঃখ থেকে নাজাত পেতে চাও তাহলে দোয়া করো।

আল্লাহ পাক আমাদেরকে ভাল থাকার ও ভাল কাজের তওফীক দান করুন,l

05/01/2023
15/12/2022

জীবনকে বুঝতে হলে আপনাকে তিনটি জায়গায়

যেতে হবে-

১। হাসপাতাল

ঘ কারাগার

তা কবরস্থান

হাসপাতালে, আপনি বুঝতে পারবেন সুস্থ ছাড়া আর কিছুই সুন্দর নয়।

কারাগারে, আপনি দেখতে পারবেন স্বাধীনতা সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস।

কবরস্থানে, আপনি বুঝতে পারবেন জীবনের কোনো মূল্য নেই। আজকে যে মাটিতে হাঁটছি আগামিকাল তা আমাদের ছাঁদ হবে।

14/11/2022

মুমিনের শীতকাল

ইদানীং রাত হলে ঘরের পাখাগুলো বন্ধ করে রাখতে হচ্ছে। আবহাওয়া জানান দিয়ে চলেছে, শীত আসছে। গ্রামাঞ্চলে অবশ্য ইতোমধ্যে লেগে গেছে শীতের ছোয়া। ভোর হলেই দেখা যায়, কুয়াশায় ঢেকে গেছে অনেক পথঘাট।

হাদীসে এসেছে,
নবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,

“শীতকাল হলো মুমিনের বসন্ত।”
(মুসনাদু আহমাদ, ১১৭১৬)

বাইহাকিতে আরেকটু অতিরিক্ত রয়েছে,
“শীতের রাত লম্বা হয়। তাই (মুমিন) তাতে ইবাদাত করে। আর শীতের দিন ছোটো হয়। তাই তাতে সে সিয়াম পালন করে।”
[বাইহাকি, ৪/৪৮৯]

প্রকৃতপক্ষে শীতকাল মুমিনের বসন্ত। কারণ এই ঋতুতে মুমিন আনুগত্যের বাগানে তৃপ্তিসহ হেঁটে বেড়ায়, ইবাদাতের প্রান্তরে বিচরণ করে এবং সহজ আমলের বাগিচায় তার অন্তরকে আনন্দ দেয়। যেভাবে গবাদি পশু বসন্তের চারণভূমিতে তৃপ্তিসহ বিচরণ করে এবং তার দেহ সুস্থ থাকে, তেমনিভাবে শীতকালে মুমিনের দ্বীন সুস্থ ও সঠিক থাকে, কারণ আল্লাহ তাআলা তার জন্য আমল সহজ করে দেন।

একজন মুমিন কষ্ট ছাড়াই দিনের বেলায় সিয়াম পালন করতে পারে। কোনো ক্ষুধা লাগে না, তৃষ্ণাও পায় না। কারণ শীতের দিন ছোটো ও শীতল। তাই দিনের বেলায় সিয়ামের কষ্টই অনুভব হয় না।

আবূ হুরায়রা (রদি.) বলতেন, 'তোমাদেরকে ঠাণ্ডা গনীমতের কথা বলে দেবো কি?'
লোকেরা বলল,
'অবশ্যই।'
তিনি বললেন,
‘শীতকালের সিয়াম।'

একে ঠাণ্ডা গনীমত বলার অর্থ হলো, এটি এমন এক গনীমত (সম্পদ), যা লাভ করতে কোনো যুদ্ধ করতে হয়নি, কোনো কষ্ট করতে হয়নি এবং কোনো পরিশ্রমও করতে হয়নি। সুতরাং এই গনীমতের অধিকারী কোনো কষ্ট ছাড়াই সেটা লাভ করে।

শীতের রাত দীর্ঘ হওয়ায় ইবাদাতকারী প্রয়োজন মতো ঘুমাতে পারে। এরপর সালাত আদায় করতে পারে। এরপর কুরআনের সকল ওযীফা আদায় করতে পারে।
অতএব শীতের রাতে একই সাথে প্রয়োজনীয় ঘুমও সম্পন্ন হয় এবং কুরআনের বিভিন্ন ওযীফাও আদায় করা যায়।
তাই একই সাথে দ্বীনের স্বার্থ এবং দেহের শাস্তি দুটোই পুরোপুরি আদায় হয়ে যায়।

ইয়াহইয়া ইবনু মুআয (রহ.) বলেন, 'রাত অনেক লম্বা। অতএব ঘুমিয়ে রাতকে ছোটো করে ফেলো না। ইসলাম স্বচ্ছ পরিষ্কার। পাপরাশি দিয়ে একে নোংরা করো না।'

অপরদিকে গ্রীষ্মের রাত কিন্তু এমন নয়। কারণ গ্রীষ্মকালে রাত ছোটো হয় এবং অনেক গরম পড়ে। ফলে বেশি ঘুম ধরে। তাই সারারাত ঘুমানো লাগে। গ্রীষ্মের রাতে ইবাদাত করতে হলে অনেক কষ্ট স্বীকার করতে হয়। রাত ছোটো হওয়ার কারণে কখনো তো কুরআনের ওযীফাই শেষ করা যায় না।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রদ.) বলেন,
'অভিনন্দন শীতকাল!
শীতে বরকত অবতীর্ণ হয়। রাত লম্বা হয়, তাই ইবাদাত করা যায়। দিন ছোটো হয়, তাই সিয়াম পালন করা যায়।'

হাসান (রহ.) বলেছেন,
'মুমিনের জন্য চমৎকার ঋতু হলো শীতকাল। লম্বা রাত, তাতে ইবাদাত করা যায়। ছোটো দিন, তাতে সিয়াম পালন করা যায়।

17/10/2022

রিযিকের চাবিকাঠি এবং রিযিক বৃদ্ধির কিছু উপায়👇

✅১ - ঈমান *মহান আল্লাহ ﷻ বলেন:

وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ ٱلْقُرَىٰٓ ءَامَنُوا۟ وَٱتَّقَوْا۟ لَفَتَحْنَا عَلَيْهِم بَرَكَٰتٍ مِّنَ ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ وَلَٰكِن كَذَّبُوا۟ فَأَخَذْنَٰهُم بِمَا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ.

«আর যদি জনোপদের অধিবাসীবৃন্দ ঈমান আনতো ও তাকওয়া অবোলম্বন করতো, তাহলে তাদের জন্য আমি আকাশমনণ্ডলী ও পৃথিবীর কল্যাণ-দ্বার উন্মুক্ত করে দিতাম» [সূরা আরাফ :৯৬]

✅২ - তাকওয়া অবোলম্বন করা. (আল্লাহকে ভয় করে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা)

☝মহান আল্লাহ ﷻ বলেন:☝

وَمَن يَتَّقِ ٱللَّهَ يَجْعَل لَّهُۥ مَخْرَجًا--- وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُۚ وَمَن يَتَوَكَّلْ عَلَى ٱللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُۥٓۚ إِنَّ ٱللَّهَ بَٰلِغُ أَمْرِهِۦۚ قَدْ جَعَلَ ٱللَّهُ لِكُلِّ شَىْءٍ قَدْرًا.

«আর যে কেউ আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার নিষ্কৃতির পথ করে দেবেন» [সূরা তালাক : ২-৩]

✅৩ - তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর উপর ভরসা করা.

📚হযরত উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতো, আমি রাসুলুল্লাহ ﷺ -কে বলতে শুনেছি:

لَوْ أَنَّكُمْ تَوَكَّلْتُمْ عَلَى اللَّهِ حَقَّ تَوَكُّلِهِ لَرَزَقَكُمْ كَمَا يَرْزُقُ الطَّيْرَ تَغْدُو خِمَاصًا وَتَرُوحُ بِطَانًا.‏

“যদি তোমরা যথার্থই আল্লাহর উপর ভরসা করতে, তাহলে তিনি অবশ্যই তোমাদেরকে পাখির মতো রিযিক দান করতেন। ভোরবেলা পাখিরা খালিপেটে (বাসা থেকে) বের হয়ে যায় এবং সন্ধ্যাবেলা উদর পূর্তি করে (বাসায়) ফিরে আসে» [সুনানে তিরমিযী, হাদীস সহীহ]

✅৪ - কৃতোজ্ঞতা বা শুকরিয়া জ্ঞাপন করা.

☝মহান আল্লাহ বলেন:☝

وَإِذْ تَأَذَّنَ رَبُّكُمْ لَئِن شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْۖ وَلَئِن كَفَرْتُمْ إِنَّ عَذَابِى لَشَدِيدٌ.

«যখন তোমাদের প্রতিপালক ঘোষণা করেছিলেন, তোমরা কৃতোজ্ঞ হলে তোমাদেরকে অবশ্যই অধিক দান করবো, আর অকৃতোজ্ঞ হলে অবশ্যই আমার শাস্তি হবে কঠোর » [সূরা ইবরাহীম : ৭]

✅৫ - আল্লাহর নিকটে বেশী বেশী ইসতিগফার ও ক্ষমা প্রার্থণা করা.

☝মহান আল্লাহ ﷻ বলেন:☝

فَقُلْتُ ٱسْتَغْفِرُوا۟ رَبَّكُمْ إِنَّهُۥ كَانَ غَفَّارًا --- يُرْسِلِ ٱلسَّمَآءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا --- وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوَٰلٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنَّٰتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهَٰرًا.

«অতঃপর আমি বললাম, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয় তিনি মহা ক্ষমাশীল---তিনি তোমাদের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত করবেন। তিনি তোমাদেরকে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দ্বারা সমৃদ্ধ করবেন এবং তোমাদের জন্য স্থাপন করবেন বহু বাগান ও প্রবাহিতো করবেন নদী-নালা» [সূরা নূহ : ১০-১৩]

✅৬ - আত্মীয়তার সম্পর্ক দৃঢ় করা.

📚হযরত আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতো, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি:

"‏ مَنْ سَرَّهُ أَنْ يُبْسَطَ لَهُ رِزْقُهُ أَوْ يُنْسَأَ لَهُ فِي أَثَرِهِ فَلْيَصِلْ رَحِمَهُ ‏"‌‏

“যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে, তার জীবিকা বৃদ্ধি হোক অথবা তাঁর মৃত্যুর পরে সুনাম থাকুক, তবে সে যেনো আত্মীয়ের সঙ্গে সদাচরণ করে” [সহিহ বুখারী]

✅৭ - বিয়ে করা *মহান আল্লাহ বলেন:

وَأَنكِحُوا۟ ٱلْأَيَٰمَىٰ مِنكُمْ وَٱلصَّٰلِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَآئِكُمْۚ إِن يَكُونُوا۟ فُقَرَآءَ يُغْنِهِمُ ٱللَّهُ مِن فَضْلِهِۦۗ وَٱللَّهُ وَٰسِعٌ عَلِيمٌ.

«তোমাদের মধ্যে যাদের স্বামী-স্ত্রী নেই, তাদের বিবাহ দাও এবং তোমাদের দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ, তাদেরও। তারা অভাবগ্রস্ত হলে, আল্লাহ নিজো অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন। আর আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ» [সূরা নূর :৩২]

✅৮ - দান-সদকাহ করা.

☝মহান আল্লাহ ﷻ বলেন:☝

قُلْ إِنَّ رَبِّى يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ وَيَقْدِرُ لَهُۥۚ وَمَآ أَنفَقْتُم مِّن شَىْءٍ فَهُوَ يُخْلِفُهُۥۖ وَهُوَ خَيْرُ ٱلرَّٰزِقِينَ

«বলো, ‘আমার প্রতিপালক তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা তার জীবিকা বর্ধিতো করেন অথবা সীমিতো করেন। তোমরা যা কিছু ব্যয় করবে তিনি তার বিনিময় দেবেন। আর তিনিই শ্রেষ্ঠ জীবিকাদাতা » [সূরা সাবা : ৩৯]

✅৯ - দূর্বল-অসহায়দের প্রতি সহানুভূতি দেখানো.

📚নবীজি ﷺ বলেন:

هَلْ تُنْصَرُوْنَ وَتُرْزَقُوْنَ إِلَّا بِضُعَفَائِكُمْ.

«তোমরা দুর্বলদের (দু‘আয়) ওয়াসীলায়ই সাহায্য প্রাপ্ত ও রিয্‌ক প্রাপ্ত হচ্ছো» [সহিহ বুখারী]

✅১০ - হিজরত করা *মহান আল্লাহ ﷻ বলেন:

وَمَن يُهَاجِرْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ يَجِدْ فِى ٱلْأَرْضِ مُرَٰغَمًا كَثِيرًا وَسَعَةًۚ.

«আর যে কেউ আল্লাহর পথে দেশ ত্যাগ করবে, সে পৃথিবীতে বহু আশ্রয়স্থল ও প্রাচুর্য লাভ করবে» (সূরা নিসা ,)

17/10/2022

mind blowing performance

02/10/2022

পুজা ব্যাপারে দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া

আযহারুল হিন্দ দারুল উলূম দেওবন্দের ফতোয়া: হিন্দুদের পূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানো, পূজায় চাঁদা দেয়া, অংশগ্রহণ করা এবং প্রসাদ খাওয়া মুসলিমদের জন্য সম্পূর্ণ হারাম ও নাজায়েয

ভারতের বিভিন্ন জায়গা থেকে দেওবন্দ মাদ্রাসায় এই মর্মে প্রশ্ন প্রেরণ করা হয় যে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে কী আমরা শুভেচ্ছা জানাতে পারবো, পূজায় টাকা দিতে পারবো, অমুসলিমদের এসব উৎসবে অংশগ্রহণ করা এবং তাদের প্রসাদ খাওয়া কী আমাদের জন্য জায়েয হবে?
জবাবে মাদারে ইলমী দারুল উলূম দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগ থেকে বলা হয়, “অমুসলিমদের অনুষ্ঠান ও উৎসবগুলো তাদের শিরকযুক্ত আকীদা-বিশ্বাসের ভিত্তিতে হয়ে থাকে। তাই আমাদের জন্য জরুরি হলো, মুশরিকের সাথে সম্পর্কহীনতার প্রকাশ করা। আর যেহেতু শুভেচ্ছা জানালে তাদের চিন্তা-চেতনা ও আকীদার সমর্থন হয় সেহেতু এর থেকে বিরত থাকা আমাদের জন্য আবশ্যক। অনেক সময় এটা ঈমান চলে যাওয়ার কারণও হতে পারে।
(ফতোয়া নং ১৪৫৬৪৯, লিঙ্ক: http://www.darulifta-deoband.com/home/ur/World-Religions/145649)।
পূজা হিন্দুদের একটি বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান। তাদের প্রোগ্রামে চাঁদা দেয়া কুফর, শিরক এবং নাজায়েয কাজে সাহায্য করার নামান্তর। এটা কুরআনের আলোকে সম্পূর্ণ নাজায়েয। আল্লাহ তাআলা বলেন—
وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ.
“আর তোমরা গুনাহ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে সাহায্য করো না।”
(সূরা মায়িদা: আয়াত ২)।
[ফতোয়া নং ১৫৫২৬৪, লিঙ্ক: http://www.darulifta-deoband.com/home/ur/Islamic-Beliefs/155264]।

এমনিভাবে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করাও হারাম। পরস্পর সম্পর্কের ভিত্তিতে হোক অথবা চাপে পড়ে; কোনো অবস্থাতেই যাওয়া জায়েয নয়। ঘুরেফিরে দেখার জন্যও যাওয়া যাবে না। কুরআনে পাকের হুকুম—
وَلَا تَرْكَنُوا إِلَى الَّذِينَ ظَلَمُوا فَتَمَسَّكُمُ النَّار.
“আর পাপিষ্ঠদের (কাফেরদের) প্রতি (তাদের ধর্মীয় বিষয়ে ও কাজে শরীক হয়ে কিংবা সাদৃশ্য রেখে) ঝুঁকবে না। নতুবা তোমাদেরও আগুনে ধরবে।”
(সূরা হূদ: আয়াত ১১৩)।
তাদের প্রতি সামান্য ঝুঁকলে এবং তাদের সাথে সাদৃশ্য রাখলেই যদি জাহান্নামে যাওয়ার শঙ্কা থাকে তাহলে তাদের কুফরি ও শিরকি উৎসবে অংশগ্রহণ করা তো আরও মারাত্মক হবে। তেমনিভাবে তাদের অনুষ্ঠানে দেব-দেবি এবং ভূতের নামে যেসব মিষ্টি ও প্রসাদ উৎসর্গিত করা হয়, সেগুলোও খাওয়া জায়েয নয়।”
(ফতোয়া নং ৬২৪৬৪, লিঙ্ক: http://www.darulifta-deoband.com/home/ur/Islamic-Beliefs/62464/ ফতোয়া নং ৬৩৯৫০, লিঙ্ক: http://www.darulifta-deoband.com/home/ur/Halal--Haram/63950)।

01/10/2022

রিলেশনশিপ সম্পর্কে জানে না এমন লোক পাওয়া দুষ্কর!!!

তবে গতানুগতিক হারাম রিলেশনশিপ,ফ্রি মিক্সিং,গার্ল ফ্রেন্ড, বয়ফ্রেন্ড, জাস্ট ফ্রেন্ড, এনলি ফ্রেন্ডস, ক্নোজ ফ্রেন্ড, দ্বীনি বোন/ভাই বা বলতে যে ইসলামে কিচ্ছু নেই তা আমরা অনেকই জানি কিন্তু এরিয়ে চলি। আমরা ঠিকই নামায পরছি রোজা রাখছি, দ্বীনের অন্যান্য বিষয়গুলো পালন করতে চেষ্টা করছি কিন্তু এখানেই যত রাজ্যের অনিহা। আমরা ভূলে যাই দয়াময় আল্লাহ এ সম্পর্কে কি বলেছেনঃ
وَ لَا تَقْرَبُوا الزِّنٰۤی اِنَّهٗ كَانَ فَاحِشَةً ؕ وَ سَآءَ سَبِیْلًا.
তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেও না। নিশ্চয় তা অশ্লীলতা ও বিপথগামিতা। (সূরা বনী ইসরাইল ১৭)

যেখানে আল্লাহ কাছে যেতে পর্যন্ত মানা করেছেন সেখানে আপনি বলছেন, আরে আমরা তো ভাই বোন/ভাল বন্ধু । আচ্ছা এমন ট্যাগ লাগিয়ে আপনি যে হারাম কাজকে বৈধ বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন তা কতদিন? কি জবাব দিবেন? যদি আল্লাহকে ফাঁকি দিতে পারেন করেন যত ইচ্ছা করেন আর যদি না পারেন আল্লাহর জন্য ফিরে আসুন আল্লাহ আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন।
📌 জানেন আল্লাহ কি বলেছেন?
তিনি সূরা যুমার ৫৩ নং আয়াতে বলেনঃ
বল- হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর বাড়াবাড়ি করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। আল্লাহ সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। তিনি অতি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।
আহ! আমার রবের দয়া কতই না বিশাল আর বান্দা হিসেবে আমরা কতই না অকৃতজ্ঞ।

আপনার মাথায় হয়তো এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ছেলেটা খুব দ্বীনদার/মেয়েটা খুব ধার্মিক আমরা তো কোন বাজে কথা বলি না। সে অন্য ছেলে/মেয়েদের মতো না। সে আমাকে তাহাজ্জুদে ডেকে দেয়,পর্দা করতে বলে, নামায পরতে বলে,দ্বীনের সকল বিষয়.......
কত্তো দ্বীনদার না?

📍 মনে রাখবেন, দ্বীনদার ছেলে/ধার্মিক মেয়ে কখনো রিলেশনশিপ করেতে পারে না। আর যাকে আপনি দ্বীনদার বলে মনে করছেন সে ঐ ব্যক্তির মত যে কোরবানির নিয়তে গরু চুরি করে। (বিয়ের আগে পবিত্র ভালবাসা বলতে কিছু হয় না।)

📣 তবে আপনি সমাজে এমন কিছু ছেলে/মেয়ে খুঁজে পাবেন যারা রিলেশনশিপ করে না কিন্তু কেন? তাদের কি মন চায় না?
উত্তরঃ
তাদেরও মনে চায়, তারা করে না কারণ তারা আল্লাহর পক্ষ থেকে মহা পুরষ্কারের আশা করে।
আল্লাহ তা'য়ালা ইরশাদ করেনঃ
وَلِمَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّهٖ جَنَّتٰنِۚ
"যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে পেশ হওয়ার ভয় রাখে, তার জন্যে রয়েছে দু’টি জান্নাত।"(সূরা আর রহমানঃ ৪৬)
সুবহানাল্লাহ 🖤
📍রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ
যে ব্যক্তি মুখ ও লজ্জাস্থানের হেফাজতের জামিনদার হবে আমি তার বেহেশতের জামিনদার হবো।’(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৩০)

📌 প্রিয় পাঠক আপনিও অবশ্যই চাইবেন দু'টি জান্নাত। তবে ভয় কিসের আমাদের গন্তব্য তে জান্নাত। তাই বেলা ফুরাবার আগে ফিরে আসুন রবের দুয়ারে। আল্লাহ তা’আলা বান্দার তওবার কারণে সেই লোকটির চেয়েও অধিক খুশী হন, যে লোকটি মরুভূমিতে তাঁর উট হারিয়ে পরে তা পেয়ে যায়।
সুবহানাল্লাহ 🖤
✏️ শেষ কথাঃ
তাই আজ এই মুহূর্তে নিয়ত করি "ছেড়ে দিব সে কাজ, যে কাজে রব হবে নারায।"
পারবো তো ইন শা আল্লাহ?
ওমা তাওফিক ইল্লাবিল্লাহ

25/09/2022

__মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে কখনো পড়িনি

একটু পড়েই দেখুন না,🙏

জাযাকাল্লাহ।❤️

পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -

"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"

يُجَرِّدُونَنِي مِنْ مَلَابِسِي

তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,

يَغْسِلُونَني

আমাকে গোসল করাবে,

يَكْفِنُونَنِي

(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,

يُخْرِجُونَنِي مِنْ بَيْتِي

আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,

يَذهَبُونَ بِي لِمَسَكِنِي الجَدِيدِ (القَبْرُ)

আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,

وَسَيَأتِي كَثِيرُونَ لِتَشْيِيْعِ الجَنَازَتِي

আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,

بَلْ سَيَلْغِي الكَثِيرُ مِنهُم أَعْمَالَهُ وَمَوَاعِيدَهُ لِأَجْلِي دَفْنِي

অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,

وَقَدْ يَكُونُ الكَثِيرُ مِنهُم لَمْ يَفَكِّرْ في نَصِيحَتِي يَوماً مِنْ الأيّامِ

কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,

أَشْيَائِي سَيَتِمُّ التَّخَلُّصُ مِنهَا

আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,

مَفَاتِيحِي

আমার চাবির গোছাগূলো,

كِتَابِي

আমার বইপত্র,

حَقِيبَتِي

আমার ব্যাগ,

أَحْذِيَتِي

আমার ‍জুতোগুলো,

وإنْ كانَ أَهْلِي مُوَفِّقِينَ فَسَوفَ يَتَصَدِّقُونَ بِها لِتَنْفَعَنِي

হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,

تَأَكِّدُوا بِأَنَّ الدُّنيا لَنْ تَحْزَنْ عَلَيَّ

এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,

وَلَنْ تَتَوَقَّفْ حَرَكَةُ العَالَمِ

এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,

وَالاِقْتِصَادُ سَيَسْتَمِرُ

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,

وَوَظِيْفَتِي سَيَأتِي غَيرِي لِيَقُومَ بَها

আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,

وَأَمْوَالِي سِيَذْهَبُ حَلَالاً لِلوَرَثِةِ

আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,

بَينَمَا أنا سَأُحَاسِبُ عَليها

অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,

القَلِيلُ والكَثِيرُ.....النَقِيرُ والقَطمِيرُ......

ছোট এবং বড়….অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)

وَإن أَوَّلَ ما مَوتِي هو اِسمِي !!!!

আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!

لِذَلكَ عِنْذَما يَمُوتُ سَيَقُولُونَ عَنِّي أَينَ "الجُنَّةُت"...؟

কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?

وَلَن يَنَادُونِي بَاِسمِي....

কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,

وَعِندَما يُرِيدُونَ الصَّلاةَ عَلَيَّ سِيَقُلُونَ اُحْضُرُوا "الجَنَازَةَ" !!!

যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,

وَلَن يُنَادُونِي يِاسْمِي ....!

তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না….!

وَعِندَما يَشْرَعُونَ بِدَفنِي سَيَقُولُونَ قَرِّبُوا المَوتَ وَلَنْ يَذكُرُوا اِسمِي ....!

আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না…!

لِذَلِكَ لَن يَغُرَّنِي نَسبِي وَلا قَبِيلَتِي وَلَن يَغُرَّنِي مَنْصَبِي وَلا شَهرَتِي ....

এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,

فَمَا أَتْفَهُ هَذِهِ الدُّنْيَا وَمَا أَعْظَمَ مُقَلِّبُونَ عَليهِ .....

এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়…

فَيا أَيُّهَا الحَيُّ الآنَ ..... اِعْلَمْ أَنَّ الحُزْنَ عَليكَ سَيَكُونُ على ثَلَاثَةٍ أَنْواعٍ:

অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,….জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দু:খ করা হবে,

1ــ النَّاسُ الَّذِينَ يَعْرِفُونَكَ سَطْحَيّاً سَيَقُولُونَ مِسْكِينٌ

১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,

2ــ أَصْدِقَاؤُكَ سَيَحْزُنُونَ سَاعَات أَو أَيَّامَاً ثُمَّ يَعُودُونَ إِلَى حَدِيثِهِم بَلْ وَضَحِكَهُم.....

২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দু:খ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,

3ــ الحُزْنُ العَمِيقُ فِي البَيْتِ سَيَحْزُنُ أَهْلِكَ أُسْبُوعاً.... أُيسْبُوعَينِ شَهراً ....شَهرَينِ أَو حَتَّى سَنَةً وَبَعْدَهَا سَيَضْعُونَكَ فِي أَرْشِيفِ الذَّكَرِيّاتِ !!!

৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দু:খ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!!!

اِنْتَهَتْ قِصَّتُكَ بَينَ النَّاسِ وَبَدَأَتْ قِصَّتُكَ الحَقِيْقِيّةِ وَهِيَ الآخِرةُ ....

মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,

لَقدْ زَالَ عِندَكَ:

তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):

1ــ الجَمَالُ

১. সৌন্দর্য্য

2ــ والمَالُ

২. ধনসম্পদ

3ــ والصَحَّةُ

৩. সুস্বাস্থ্য

4ــ والوَلَدُ

৪. সন্তান-সন্তদি

5ــ فَارقَت الدَّور

৫. বসতবাড়ি

6ــ القُصُورُ

৬. প্রাসাদসমূহ

7ــ الزَوجُ

৭. জীবনসঙ্গী

وَلَمْ يَبْقِ إِلَّا عَمَلُكَ

তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,

وَبَدَأَتِ الحَيَاةُ الحَقِيقَيَّةُ

শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,

وَالسُّؤَالُ هُنا : ماذا أَعْدَدْتَ لِلقُبَرِكَ وَآخِرَةَكَ مِنَ الآنَ ؟؟؟

আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?

هَذِهِ حَقِيقَةٌ تَحْتَاجُ إلى تَأمَّلٍ

*ব্স্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,*

لِذَلِكَ أحرصُ عَلى :

এজন্য ‍তুমি যত্নবান হও,

1ــ الفَرَائِضِ

১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি

2ــ النَّوَافِلِ

২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি

3ــ صَدَقَةُ السِّرِّ

৩. গোপন সাদাকাহ’র প্রতি

4ــ عَمَلُ الصَّلِحِ

৪. ভালো কাজের প্রতি

5ــ صَلاةُ اللَّيلِ

৫. রাতের নামাজের প্রতি

لَعَلَّكَ تَنْجُو....

যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো….

إِنْ سَاعَدْتَ عَلى تَذْكِيرِ النَّاسِ بِهَذِهِ المُقَالَةِ وَأنتَ حَيُّ الآنَ سَتَجِدُ أَثَرَ تَذكِيرِكَ في مِيزَانِكَ يَومَ القِيامَةِ بِإِذْنِ اللهِ .....

এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ’র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,

قال الله تَعالى : ((فَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَ تَنْفَعُ المُؤمِنِينَ))

আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))

لِمَاذَا يَخْتَارُ المَيِّتِ "الصَّدَقَةَ لو رَجَعَ للدُّنيا....

তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?

كَمَا قَالَ تَعَالى: ((رَبِّ لَو لا أَخَّرْتَنِي إلى أَجَلٍ قَرِيبٍ فَأَصَّدَّقَ....))

আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম….))

ولَمْ يَقُلْ :

তারা বলবে না,

لِأعتَمَرَ

উমরাহ পালন করতাম,

أو لِأُصَلَّي

অথবা, সালাত আদায় করতাম,

أو لِأصُومُ

অথবা, রোজা রাখতাম,

قالَ العُلَماءُ : ما ذَكَرَ المَيِّتُ الصَّدَقَةَ إلا لِعَظِيمِ مَا رَأى مِن أَثَرِها بَعدَ مَوتِهِ

আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ’র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,

فَأَكْثِرُوا مِنَ الصَّدَقَةِ وَمِن أَفضَلِ ما تَتَصَدَّقُ بِهِ الآنَ 10 ثَوَان مِنْ وَقْتِكَ لِنشَرِ هذا الكَلامَ بِنِيَّةِ النَّصْحِ فَالكَلمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ.

আর, গুরুত্ববহ এই সাদাকাহ’র কাজটি তুমি এই কথাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করে করতে পারো, যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় এর মাধ্যমে মানুষকে উপদেশ প্রদান করা। কারণ, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।।।!

Want your school to be the top-listed School/college in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Goalpota. North 24 (pgn)
Kolkata
Other Education and learning in Kolkata (show all)
Raddix Institute Raddix Institute
2, Rama Nath Sadhu Lane, Behind Sri Ram Mandir, Girish Park
Kolkata, 700007

#Spoken English #Personality Grooming and Development #public speaking #Image consultation #Interview

Ikeworld Institute Ikeworld Institute
1st Floor Panchadeep Market, Santoshpur Road/1
Kolkata, 700066

Ikeworld Institute is a Computer Institute and Training Centre with Financial Investing services lik

Educid Educid
B-73-80, Plot No. 8, Salt Lake Bypass, LB Block, Sector III, Bidhannagar
Kolkata, 700106

Educid is an online platform for helping all of you through proper guidance. Check about for more !

Genius Club Genius Club
125, Adarshnagar, P. O./Barabahera, Dist-Hooghly
Kolkata, 712246

We care about your future.

Gurukul Niketan XYZ Gurukul Niketan XYZ
Kolkata

Education

Equivaluesearch Equivaluesearch
Fartabad Bijoy Dutta Garden Garia Kolkata:
Kolkata, 700084

Animatrix Academy Of Media Studies Animatrix Academy Of Media Studies
56 Raja SC Mullick Road
Kolkata, 700032

ANIMATION ACADEMY | 2D & 3D ANIMATION | GFX | VFX | VIDEO EDITING | AUDIO EDITING | SCRIPT WRITING

Fact masti 5.0 Fact masti 5.0
Barasat
Kolkata, 700125

Hello friends Here you will find mind blowing experiment and fact videos.So keep watching and enjoy.

ADA Abacus Classes in South Roy Nagar Kolkata ADA Abacus Classes in South Roy Nagar Kolkata
SOUTH ROY NAGAR
Kolkata, 700070

Achievers Destination Academy offers top-of-the-line Abacus Classes.

Our Little Sprouts Our Little Sprouts
Bhuban Mohan Banerjee Road
Kolkata, 700056

Our Little Sprouts is the perfect place for young children to come and learn! We have curated differ

S Golpo S Golpo
Kolkata, 700009