30/07/2025
ধর্মীয় অনুভূতি তে আঘাত লাগলে এর অন্য ধর্মের প্রতি ভয়াবহ হিংসা,
এটাই ধার্মিকদের মূল শিক্ষা.
ধর্ম প্রতিবেশী কে আক্রমণ করতে শেখায়.
নিজের ধর্মের সন্ত্রাসী ধর্ষক কে ও মহান ভাবতে শেখায়
হিমালয় সুন্দরবন
বিদ্রোহ আত্মজ
অনার্য অরিন্দম
বাঙালি চিরন্তন
সত্য সুন্দর
মানুষ হওয়ার সাধন
30/07/2025
ধর্মীয় অনুভূতি তে আঘাত লাগলে এর অন্য ধর্মের প্রতি ভয়াবহ হিংসা,
এটাই ধার্মিকদের মূল শিক্ষা.
ধর্ম প্রতিবেশী কে আক্রমণ করতে শেখায়.
নিজের ধর্মের সন্ত্রাসী ধর্ষক কে ও মহান ভাবতে শেখায়
25/07/2025
না বুঝে অন্ধের মত
হাজার বছরের পুরোনো আনুষ্ঠানিকতা পালন করা মানে
এই না যে মৃতরা জীবন ফিরে পেলো। বরং এর মানে জীবিত যারা
তারাই মৃত
08/06/2025
This is the history of romantic love between men in hundreds of photographs taken between the years 1850 and 1950: https://bbc.in/43Hx7hY
04/06/2025
ধর্ম সাধারণ মানুষের কাছে বড় সত্য, বিজ্ঞজনের কাছে প্রশ্নের বিষয় আর শাসক এর জন্যে কাজে লাগানোর মোক্ষম হাতিয়ার
-Seneca
26/05/2025
কোন দেশে যাবি মন, চল দেখি যাই
কোথা পীর হও তুমি রে।
তীর্থে যাবি, সেখানে কি পাপী নাই রে।।
ও কেউ নারী ছেড়া জঙ্গলেতে যায়,
স্বপ্নদোষ কি হয় না সেথায়;
আপন মনের বাঘে যাহারে খায়
কে ঠেকায় রে।।
সঙ্গে আছে রিপু ষোল আনা জন,
তারা সদাই করে জ্বালাতন;
যথা যাবি তথায় ঘটাবে রে।।
পাগল (ও কেউ) ভ্রমি পথে
পথ না খুঁজে পায় রে।
সিরাজ সাঁই কয়, লালন
তোরও বুদ্ধি নাই রে।।
02/04/2025
প্রথম তিনটি পাথর মাটিতে পুঁতে রাখা নারীটিকে তার বাবা ছুড়ে মারে. এরপর তার স্বামী আনন্দে ঠিক কপাল বরাবর ছুড়ে মারে প্রস্তর.কপাল থেকে রক্ত দ্রুত বের হয়. কারণ স্ত্রী মারা গেলে 14 বছরের কিশোরী কে বউ করতে বাধা নাই. এরপর তার
ছেলে পাথর ছুড়ে.সবাই মিলে বন্য পশুর মত জীবিত একজন মানুষ কে রক্তাক্ত করে ধর্ম পালন করে যাচ্ছে. এটাই ধর্মের শিক্ষা. এটাই ধর্ম ভিত্তিক সমাজ.
ধর্মীয় বর্বর আইনে বন্দি ধর্মান্ধ সমাজ, যেখানে জন্ম নেয় নারীর প্রতি নিপীড়ন আর অন্ধকার যুগের হিংস্র দানব সংস্কৃতি. তেমনি সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র" the Stoning of Suraya"
1986 সালে মোল্লা এর দেওয়া মিথ্যা অপবাদ দিয়ে suraya কে evabe পাথর ছুড়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়. ইসলাম এর মধ্য যুগের sharia বিধান এর চাক্ষুষ রূপ এই সিনেমা.
আমার দেখা অসাধারণ এক সিনেমা
22/02/2025
ইউপি বিহারের একটি শহরের নাম পুরুলিয়া। পুরুলিয়া আগে পশ্চিমবঙ্গে ছিল। বাংলা ভাষার জন্য বিহারের বিরুদ্ধে লড়ে পশ্চিমবঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি পুরুলিয়া ইউপি বিহারে অবস্থান করছে। নাকি ইউপি বিহার পুরুলিয়াতে অবস্থান করছে? সেইখানে একটা ধর্মীয় সভা হচ্ছে। শ্রোতারা অধিকাংশই মুসলমান বাঙালি। শ্রোতাদের প্রায় কেউই মঞ্চ দেওয়া ব্যানারটা পড়তে পারছে না। কারণ ব্যানারটা উর্দুতে।
উর্দু ভাষা বাংলার না। উর্দু ভাষা বাঙালির না।
উর্দু ভাষা ইসলাম ধর্মের না। বাংলার মাটিতে উর্দু ইউপি বিহার থেকে আসা বহিরাগতদের ভাষা এবং এই পশ্চিমা বহিরাগতদের সামনে হীনমন্যতায় ভোগা চাটুকার বাঙালির ভাষা। চাটুকারিতা এক ধরনের অসভ্যতা। কারা নাকি বলে উর্দু সভ্যতার ভাষা 😅।