শুধু না খেয়ে থাকার নাম রোযা নয়...
বরং এর সাথে সাথে সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে হারাম থেকে বাঁচিয়ে রাখা রোযার নৈতিক চাহিদা...
তা না হলে সেটা হবে উপবাস...
এসো দ্বীন শিখি
রসূলুল্লহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—
"প্রত্যেক মুসলিমের উপর দ্বীনী ইলম শিক্ষা করা ফরজ।"
রোযা (সিয়াম) অন্য ধর্মের উপবাসের মতো নয়।
উপবাসে পানি পান করা যায়,
রোযায় কিছুই পানাহার করা যায় না।
#তারবীহ_নামাজ_পড়া
রমজানের অন্যতম একটি আমল হল— তারাবীহ নামায। হাদীস শরীফে এসেছে—
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন— “যে ব্যক্তি পূর্ণ ঈমানের সাথে, সাওয়াবের আশায় রমজানের রাতে (নামাজে) দণ্ডায়মান হয়; তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।" (বুখারী)
অতএব গুনাহ মাফের আশায়, সাওয়াবের নিয়তে গুরুত্ব ও যত্নের সাথে আমরা তারাবীহ নামাজ পড়বো। ইন শা আল্লাহ !
হে নামাজ ত্যাগকারী!
তোমার বিপদ তো ইবলিসের বিপদের চেয়েও বড়।
কারণ ইবলিস আদম (আঃ) কে সেজদা করতে অস্বীকার করেছিলো।
আর, তুমি আদম (আঃ) এর রবকে সেজদা করতে অস্বীকার করছো❓
08/03/2025
https://learnwithsalam.blogspot.com/2024/03/8-march.html
8 March - ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ নারীর মর্যাদা সর্ম্পকে কিছু ইসলামী বাণী —
01/01/2025
https://youtube.com/shorts/Ja6ez3YbGoA
https://tinyurl.com/mudubffv
#newyear #newyear2025 জীবন থেকে আরো একটি বছর চলে যাওয়া আনন্দের কোন বিষয় নয় বরং আফসোস করার বিষয়...আমাদের ভাবা উচিত, জীবন থেকে...
#হাফপ্যান্ট পড়া আধুনিকতা নয়- বরং নির্লজ্জতা,অসভ্যতা, বেহায়াপনা,বদদিনী খাসলত, সুস্থ রুচির অভাবের প্রকাশ।
হাফপ্যান্ট পরা যুবকদের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে শুধু যুবক নয় ইদানিং অনেক বয়স্ক লোকও দেখা যায় হাফপ্যান্ট পরছে। এ অবস্থা আগে আমাদের সমাজে কল্পনাও করা যেতো না৷
আবার অনেককে দেখা যায় এই অবস্থায় সাথে মা-বোনদের নিয়েও চলছেন, আস্তাগফিরুল্লাহ...
মা-বোনদেরও উচিত তাদের বাবা/ভাই/স্বামী/ছেলে বা কোন পুরুষ আত্মীয় যদি এরকম পোশাক পরে তবে তাদেরকে সতর্ক করা।
📌 হাঁটু ঢেকে কাপড় পরিধান করা ফরজ৷ হাঁটু খোলা রাখা হারাম৷
আর এটা এমন হারাম যা গোপনে নয়, প্রতিনিয়ত জনসম্মুখে লিপ্ত হতে হয়৷
আমাদের মুসলিম যুবকদের মাঝে সেই হারামে লিপ্ত হওয়ার প্রবণতা ও ঝোঁক বেড়েই চলেছে৷ কোনো গোনাহ প্রকাশ্য করতে করতে একসময় ভেতর থেকে অনুশোচনা বা অপরাধবোধের অনুভূতিটুকুও বিনষ্ট হয়ে যায়৷
⚠️ #হাদীসে এসেছে রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন- “আমার উম্মতের সবাইকে মাফ করে দেয়া হবে,কেবল প্রকাশ্য গোনাহকারী ছাড়া৷” (বুখারী ও মুসলিম)
কারণ —
◾প্রকাশ্য গোনাহকারীর মধ্যে অপরাধবোধের পরিবর্তে তার ভেতর গোনাহের উপর একপ্রকার অহংকার বোধ চলে আসে৷ যেন ড্যামকেয়ার ভাব৷
◾প্রকাশ্য গোনাহকারী তার কৃত গোনাহের দিকে অপরকে আহবান করতে থাকে৷ মৌখিক আহবান নয়,নিজে আমলের মাধ্যমে নিরব আহবান৷
◾প্রকাশ্য গোনাহকারী অপরকে তার গোনাহের সাক্ষী বানিয়ে নিলো৷ এক/দুইজন নয়,অসংখ্য সাক্ষী৷ এরা কিয়ামতের দিন তার বিপক্ষে তার কৃত গোনাহের সাক্ষী হবে৷
আল্লাহ আমাদের সব রকমের প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য গোনাহ থেকে হেফাজত করুন৷ (আল্লাহুম্মা আমীন)
#স্ট্রোককে চিনুন সহজ তিনটি ধাপে—
S, T, R
সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুন—
S = Smile রোগীকে হাসতে বলুন।
T = Talk রোগীকে আপনার সাথেসাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। (উদাহরণ- আজকের আবহাওয়াটা খুব সুন্দর।)
R = Raise hands. রোগীকে একসাথে দুহাত উপরে তুলতে বলুন।
এ তিনটির কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন।
(বি:দ্র: এখানে রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে)
◾সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে—
রোগীকে বলুন তার জিভ বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, অথবা বেঁকে একপাশে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
একজন খ্যাতনামা হৃদ বিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি আমরা সবাই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো।
আপনি তো শিখলেন। এবার আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখাতে এই তথ্যগুলো শেয়ার করতে ভুলবেন না।
#স্বাস্থ্য
সন্ত্রাসবাদের সব দায় কি মুসলিমদের?
১। #হিটলার একজন অমুসলিম, সে ৬০ লক্ষ ইহুদি হত্যা করেছিল।
২। #মুসলিনী একজন অমুসলিম, সে ৪ লাখ মানুষ হত্যা করেছে।
৩। #জোসেফ_স্ট্যালিন একজন অমুসলিম সে ২০ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে, এবং ১৪.৫ মিলিয়ন মানুষ অসুস্থ হয়ে ধুকে ধুকে মারা গেছে...
#মিডিয়া একবারও বলেনি তারা খ্রিষ্টান টেরোরিস্ট।
৪। #মাও_সে_তুং একজন অমুসলিম, ১৪ থেকে ২০ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে।
অন্ধ মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে বৌদ্ধ টেরোরিস্ট।
৫। সম্রাট অশোক (কালিঙ্গ যুদ্ধে) ১ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছে।
মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি, সে হিন্দু টেরোরিস্ট।
৬। আর জর্জ ডব্লিও বুশ- ইরাকে,আফগানিস্থানে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে।
মিডিয়া কি ভুল করেও একবার বলেছিল? সে একজন খ্রিষ্টান টেরোরিস্ট...???
৭ । কিছুদিন মায়ানমারে লক্ষ লক্ষ মুসলিম রোহিঙ্গাদের খুন, ধর্ষণ, লুটপাট, উচ্ছেদ করছে! অং সান সুচি মুসলিম হত্যা'কে বৈধ ঘোষনা করেছে।
তবুও কোনো মিডিয়া বলে না বৌদ্ধরা টেরোরিস্ট।
📌 ইতিহাস সাক্ষী আছে— পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বড় বড় গনহত্যা করেছে অমুসলিমরা। আর এরাই দিন-রাত গণতন্ত্র জপে মুখে ফেনা তুলে। অথচ এদের দ্বারাই মানবতা লুন্ঠিত হয়েছিলো এবং হচ্ছে—
(১) যারা #প্রথম_বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?
(২) যারা #দ্বিতীয়_বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?
(৩) যারা হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?
(৪) যারা অস্ট্রেলিয়া আবিষ্কারের পর নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য ২০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসীকে হত্যা করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?
(৫) যারা আমেরিকা আবিষ্কারের পর নিজেদের প্রভাব বিস্তারের জন্য উত্তর আমেরিকাতে ১০০ মিলিয়ন এবং দক্ষিন আমেরিকাতে ৫০ মিলিয়ন রেড-ইন্ডিয়ানকে হত্যা করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?
(৬) যারা ১৮০ মিলিয়ন আফ্রিকান কালো মানুষকে কৃতদাস বানিয়ে আমেরিকা নিয়ে গিয়েছিল। যাদের ৮৮ ভাগ সমুদ্রেই মারা গিয়েছিল এবং তাদের মৃতদেহকে আটলান্টিক মহাসাগরে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তারা কি মুসলিম ছিলো?
#উত্তর হবে- এসব মহাসন্ত্রাসী ও অমানবিক কার্যকলাপের সাথে মুসলমানরা কখনো জড়িত ছিলনা।
আপনাকে সন্ত্রাসের সংজ্ঞা সঠিকভাবে করতে হবে। যখন কোন অমুসলিম কোন খারাপ কাজ করে, তখন এটাকে বলা হয় অপরাধ! আর যখন কোন মুসলিম একই খারাপ কাজ করে, তখন এটাকে বলা হয় ইসলামীয় জঙ্গীবাদ...!
এটা কি মস্তিষ্কের বিকৃতি নয়?
একজন মানুষ প্রত্যেকদিন গড়ে ৩টি অক্সিজেন সিলিন্ডার গ্রহণ করে। প্রতি সিলিন্ডারের বর্তমান বাজার মূল্য ১০০০ টাকা সেই হিসেবে। প্রতিদিনের খরচ ১০০০ X ৩ = ৩০০০ টাকা
বাৎসরিক খরচ ৩০০০ X ৩৬৫ = ১০৯৫০০০ টাকা মানুষের গড় আয়ু ৬৫ বছর হলে সে সারাজীবন ধরে ৭ কোটি টাকার বেশি অক্সিজেন গ্রহণ করে। আল্লাহ গাছের মাধ্যমে আমাদের সেই জীবন দায়ী অক্সিজেন বিনামূল্যে প্রদান করছেন।
আলহামদু লিল্লাহ
#বিয়ের_পর_নিজের_মনের_মত_বানিয়ে_নেওয়া — ঠিক নাকি ভুল❓
⚠️যে ছেলেটা ২৫ বছর ধরে আল্লাহর অবাধ্যতা করে আসছে, আল্লাহর কাছে সিজদাবত হয়নি, কখনো রোজা রাখেনি তাকে বিয়ের পর আপনি আল্লাহর বাধ্যগত বান্দা বানিয়ে ফেলবেন, নামাজে পাবন্দি করিয়ে ফেলবেন, রোজদার বানিয়ে ফেলবেন — এমন ভাবা নিতান্তই আপনার আবেগ।
⚠️যে মেয়েটা ১৮ বছর ধরে পর্দা করেনি, অসংখ্য ছেলে বন্ধুদের সাথে মেলামেশা করে বড় হয়েছে, মাহরম ও গইর মাহরমে কোনো তোয়াক্কা করেনি, যার চরিত্রে দ্বীনদারিতার ছিটে ফোটা নেই; তাকে বিয়ের পর সাচ্চা পর্দানশীল বানিয়ে ফেলবেন, তার ছেলেবন্ধুদের থেকে দূরে রাখবেন বা দ্বীনদার বানিয়ে ফেলবেন — এমন ভাবাও আপনার নিছক কল্পনা। এটাও আবেগ।
বিয়ের পাত্র-পাত্রীর ক্ষেত্রে একটু ছাড় দিতেই অনেক কিছু হারিয়ে যায় যদি দ্বীনদারিতা ও চরিত্রে ছাড় দেওয়া হয়।
তাই বিয়ের আগেই দেখে শুনে ভেবে বিয়ে করুন, বিয়েটা শুধু সারাজীবনের নয়, মরনের পরেরও। আপনার জান্নাতী বা জাহান্নামী হবার ব্যাপারগুলোও এটার সাথে জড়িত৷
অতএব, বিয়ে তো করি, বিয়ের পর নিজের মত বানিয়ে নেবো - এটা ভুল ধারণা ।
অনেকে বলবে, বিয়ের পর যদি দুয়া করি আল্লাহ তো #হিদায়াত দিতেও পারেন?
হ্যাঁ, আল্লাহ তায়ালাই হিদায়াতের মালিক, তিনি হিদায়াত দিলে, অন্তর পরিবর্তন করে দিলে তো আলহামদু লিল্লাহ। আর যদি আপনার জীবনসঙ্গীনির তকদীরে আল্লাহ তায়ালা হিদায়াত রাখেন? তাহলে তো আপনার ইহকাল-পরকাল দুইটাই গেল...
#বিয়ে করা হয় দ্বীনের অর্ধেক পূরণে, যাকে বিয়ে করলে দ্বীনের অর্ধেক পূরণ হবে না, বরং নিজের যেটুকু দ্বীন ছিল সেটুকুও হুমকির মুখে পড়তে পারে, কী লাভ তাকে বিয়ে করে?
বাস্তববাদী হন।
#বিয়ের_দিনের_স্মৃতি_আজীবনের_জন্য_রাখা
অনেকেই বিয়ের দিনের ফটোগ্রাফিকে খুব হালকাভাবে নেন। মনে করেন- “আরে একদিনই তো!”
যে মেয়ে বাইরে বের হবার সময় সবসময় নিকাব পরতো, যাকে তার কলেজ-ইউনিভার্সিটির কোনো ছেলে কখনো দেখেনি, সেই মেয়েও দেখা যায় বিয়ের দিন হাসিমুখে ছবি তুলছে।
বিয়েতে কনের ছবি তোলা হবে কিনা, কনেকে অন্য পুরুষরা দেখতে পারবে কিনা সেটা সাধারণত সেই মেয়েটির হাতে থাকে না। মেয়ের পরিবার এবং পাত্রকেই উদ্যোগ নিতে হয়।
পাত্র যদি এসব ক্ষেত্রে শক্ত অবস্থান নিতে না পারে, তাহলে পাত্রীর যতই অনিচ্ছা থাকুক না কেনো, সম্ভব হয় না।
একজন পুরুষ হিসেবে আপনাকেই এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে- আমার স্ত্রী যেদিন থেকে আমার স্ত্রী, সেদিন থেকে কোনো পরপুরুষ তাকে দেখতে পারবে না।
একজন ফটোগ্রাফার ছবি তুলতে গিয়ে যেভাবে আপনার স্ত্রীকে দেখবে, বিয়ের আগে কোনো পুরুষ সেভাবে সেই মেয়েকে দেখেনি...
সবসময় মনে রাখবেন, ফটোগ্রাফার একজন পুরুষ, আপনার যেমন পুরুষত্ব আছে, তারও আছে। তাকে স্রেফ ফটোগ্রাফার ভেবে খোঁজা মনে করবেন না।
আর বাড়ির প্রত্যেকটা মেয়ে শুধু একদিনের জন্য খোলামেলা, নোংরা পোশাক পরিধান করে, পুরুষের সাথে ফটো তুলতে ব্যস্ত।
আর ফ্যামিলি সেটাকে খারাপ মনে করে না।
দ্বীনদার পরিবার তখন বোঝা যাবে, যখন যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজে আর নিজের ফ্যামিলি কে হেফাজত রাখবে।
আপনি নিজেকে যত বড়ই দ্বীনদার মনে করেন না কেন, এ জায়গাতে আপনি কিন্তু দূর্বল।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Learn With SALAM
Kolkata