Prof. Sigma

Prof. Sigma

Share

Exceptionally Excellent Ideas

Photos from Prof. Sigma's post 03/03/2021

ঝিংয়ের কিং কচুরী

আচ্ছা বলুন তো, হিং কোথায় ফলে, গাছে। তাহলে হিং এর যদি কচুরি হতে পারে, তাহলে ঝিংয়ের কেনো হবে না? আলবৎ হবে, করলেই হবে। শুধু কেউ করে না, তাই হয় ও না। ভাবুন রবিবার সকাল সকাল আপনার ব্রেকফাস্ট টেবিলে ঝিঙের কচুরী দিয়ে দিন শুরু হল, দারুন হবে না, ব্যাপারটা?

আর কিং কচুরি, মানে রাজকচুরি। মানে রাজা রাজরা রা খায় এরকম পেল্লায় সাইজের কচুরি। এতে লাভ কি? হিংয়ের কচুরী এর একটাই টেস্ট আর সেটা হিং এর, কোনো ভ্যারাইটি আছে? কিন্তু ঝিঙ্গের অনেক রকম রেসিপি হতে পারে, ভ্যারাইটি যাকে বলে, যেমন ধরুন ঝিঙেপোস্ত পুর দেয়া কচুরি, অথবা হালকা নুন দিয়ে ঝিঙাসিদ্ধ পুরের কচুরি।

প্রফেসর সিগমা রেসিপিটা আবিষ্কার করার পর, আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেন নি। নিজে বানিয়ে মোটামুটি ৪৭ টা ঝিং এর কিং কচুরি, উদরসাৎ করার পর মনে হলো, একটু বোধহয় অম্বল অম্বল লাগছে, তাই আধপেটা খেয়েই রণে ভঙ্গ দিলেন, বেচবে ডে।

আপনাদের আর একটা গোপন তথ্য জানিয়ে রাখি, বিশিষ্ট অভিনেতা সুপারস্টার বলবন খানের বিয়েতেও এই ঝিংগের কচুরী অর্ডার করেছেন, ১,৫০,০০০ পিস। সবাই এসে খেয়ে যাবেন। আর চাইলে হোম ডেলিভারি এর ব্যবস্থা থাকছে, অগ্রিম বুকিং করে নেবেন, ব্রেকফাস্টের জন্য সকাল ৭.০০ তার আগে, আগে ইভিনিং স্নাকশে চাইলে সন্ধ্যে ৫.৩০ এর ভেতর। খেয়ে কেমন লাগলো, আমাদের জানাবেন কিন্তু।

30/01/2021

বলাই দার মেসোমশাই নাক ডাকতো, আবার কলাই দার পিসেমশাই ও নাক ডাকতো। বেজায় বাজখাঁই সব শিল্পী মানুষ, কেউ ড্রাম পেটান, তো কেউ বিউগল বাজান। ঘুমের পুরো দফারফা। আর খেন্তি পিসিমার কথা তো বাদ ই দিন, ঠিক যেনো শঙ্খ বাজছে। আসলে খুব ধার্মিক পিসি তো, তাই নাক ডাকার মধ্যেও একটা ধার্মিক ধার্মিক ভাব ছিল। যেমন রামুদার এর ভায়রাভাই ইংরেজ জমানার বরকন্দাজ ছিলেন, নাকডাকা তে তার ছাপ স্পষ্ট, গলা গুলি ছুটত, আর সর্দি হলে একেবারে কামান দাগত।

না, এই নাক ডাকার নাক গলানো তে প্রফেসর সিগমা এর কত যে রাত না ঘুমিয়ে কেটেছে, কল্পনার বাইরে। আর নয়, অবশেষে উনি বানিয়েই ফেললেন, নাসিকা গর্জন যন্ত্র। বড়ো বিচিত্র এই যন্ত্র, যন্ত্রণার উপসমে এক বিকট যন্ত্র। আসুন দেখা যাক, কি করে কাজ করে এই যন্ত্র।

এটি আসলে একটা বড় সাইজের ভোঁপু, যা বসানো থাকবে নাক ডাকাইয়ার বাড়ির ছাদে, আর ব্লু টুথ কানেকশন থাকবে একেবারে শোয়ার ঘর থেকে।

"হ্যালো হ্যালো মাইক টেস্টিং ওয়ান টু থ্রি, হ্যালো হ্যালো।"

যেই না নাক ডাকা শুরু হবে, সেটা গোটা পাড়ার লোকের......

কিছুক্ষণ পর থেকেই গোটা পাড়ার লোক, বাড়ির দরজায়, কিল চার হুমকি ধুকমি, সব কিছু। "দাদা, প্লিজ ঘুমোবেন না" টাইপের সরল অহিংস অনুরোধ থেকে "দাদা, একবার ঘুমিয়ে দেখুন, কি করি?" টাইপের সহিংস উপরোধ, সব আছড়ে পরতে শুরু হবে। সমাজ কর্মী রা স্লোগান দেবেন, "নিজে জাগুন, অন্যকে ঘুমের সুযোগ করে দিন ।"

সব মিলিয়ে একটা হুলুস্থুল ব্যাপার, তাই নয়? ব্যস, ঘুমের দফা গেলো। এবার সারারাত জেগে কাটাও, চাইলে পাড়া পাহারা দিতে বেরিয়ে পরতে পারো, একটু বোনাস। আর বাকিরা সকলে বাড়ী ফিরে নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারবেন। জাতির স্বার্থে নিজের সুখ কে গলা টিপে মেরে ফেলার যে কি সুখ, তো কেবল তখন ই বোঝা যায়। কে বলতে পারে, ভবিষ্যতে এই স্বার্থত্যাগ একটা মহান উদাহরণ হয়ে রয়ে যাবে না? কোনো বড়ো পুরস্কার জুটে যাবে না।

কি মহান চিন্তা ভাবনা, ভাবতে পারছেন? তবে এখানেই শেষ নয়, প্রফেসর সিগমা আর একটা এক্সপেরিমেন্ট ও করে চলেছেন, নাসিকা গর্জন এর ফলে উদ্ভুত শব্দ শক্তি থেকে মোটর চালানো যায় কিনা? খুব শীঘ্রই আশা করছি, সাফল্য এসে যাবে।

যায় হোক, বন্ধুরা, আপনাদের চেনা পরিচিত কেউ বাজখাঁই নাক ডাকাইয়া থাকলে, স্বত্তর আমাদের জানাবেন। অ্যাট লিস্ট, নিজের ঘুম টাই যখন, অন্তত নিজের দিক থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, তখন এটুকু চান্স তো নেওয়ায় যায়।

20/01/2021

ফ্যাসাদ বলে ফ্যাসাদ, যাকে বলে একদম রাম ফ্যাসাদে পড়েছেন প্রফেসর সিগমা। ওনার মাস্টার কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এ একটা বাগ ঢুকে পরেছে, তাকে যায় টাইপ করতে বলা হচ্ছে, সব ব্যাটা উল্টোপাল্টা টাইপ করছে। যেমন ধরুন ওর কি বোর্ড এ টাইপ করা হলো, "আমার নাম রনি", মনিটরে ফুটে উঠছে "রমাআ মনা নির।" মহা জ্বালা বলুন তো।

এদিকে আজ কালের মধ্যেই, একটা রিসার্চ পেপার কমপ্লিট করতে হবে, আর এর মধ্যেই কম্পিউটারে কিনা বাগ টাকে ঢুকতে হলো। সেটাকে না বের করলেই যে নয়।

কি আর করা, যেমন ভাবনা তেমন কাজ, বাগ বলে কথা। আরশোলার দাওয়াই যেমন প্যারাগন, ছারপোকার দাওয়াই তেমনি বেগণ। মনিটরের ব্যাক কভার টা খুলে যেখানে যেখানে সম্ভব হলো, বেগান স্প্রে, স্প্রে করে তবেই শান্তি।

Photos from Prof. Sigma's post 18/01/2021

কচুর ঝাল কচুরী

আচ্ছা, বেগুনি তে যদি বেগুন থাকতে পারে, অ্যাট লিস্ট ওর থাকা নিয়ে কারোর কোনো আপত্তি না থাকে, তাহলে কচুরি তে কচু থাকলে, কি মহাভারত অশুদ্ধ হয় শুনি? একবার, ছোটোবেলায় মা কে বলতে, এমন কানমলা খেয়েছিলেন, যে আর নাম করেননি।

কিন্তু, এই কচুর প্রতি অমর্যাদাটা মেনে নিতে পারছিলেন না, প্রফেসর সিগমা। তাই বানিয়েই ফেললেন, নতুন রেসিপি "কচুর কচুরী"। একদম লেটেস্ট মার্কেটে। সবাই খেয়ে বলবেন, কেমন লাগলো?

প্রথমে, ৫০০ গ্রাম কচি দেখে কচু কিনে নিন, সেগুলোকে খোসা ছাড়িয়ে কচলে ধুয়ে, কুচি কুচি করে কেটে নিন। তাতে কয়েক কুচো আদা, ২৭ টা কাঁচা লঙ্কা, আর হাতের কাছে যা যা মশলা পাবেন, ধনে গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো থেকে শুরু করে, জায়ফল জয়িত্রি, সব মিশিয়ে নিন। কোনো বাছ বিচারের ধার না ধরে, সব দিয়ে দিন, কিছু না কিছু একটা টেস্ট তো হবেই, তাই না?নামানোর সময় একটু গরম মসলা, আর অবশ্যই একটু আয়োডিন ওয়ালা নুন দিন, ওই আয়োডিন টাই আসল, ওটা ভুলবেন না, বাচ্চাদের বুদ্ধির বিকাশ ফ্রি।

কুচকুচে কালো নন স্টিকি তে তেল নিন, ঠিক ঘড়ি ধরে ওই মশলা মেশানো কচু টাকে হাই ওভেনে ১২ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড, তার পর লো ওভেনে ৭ মিনিট ১৭ সেকেন্ড, তারপর জনতা জ্বেলে শেষ ৩৪ মিনিট ০৭ সেকেন্ড ভালো করে কসবেন, জনতাটা যেনো ভুল নাহয়, পুর টায় একটা কেরোসিন তেলের ফ্লেবার টা আসা দরকার। বুঝলেন? ব্যস পুর রেডী, ভাবছেন তো এবার পুরিতে পুরে ভেজে ফেলবেন, একদম ই তো নয়।

ওটাকে প্রেসার কুকারে ৩৭ টা সিটি দিন, তারপর ছাঁকনিতে ছেকে নিন। থকথকে গাঢ় তামাটে বাদামি রঙের যেটা...... অনেকটা ইয়ের মত দেখতে পাবেন, সেটা আসলে পুর, বুঝলেন?

ওটাকে (জোয়ার + ময়দা + আটা = ১.০:১.৭: ০.৫) লেচির ভিতর পুরে, লুচির মত বেলে তিন দিনের পুরনো চপের দোকানের ফেলে দেওয়া সর্ষের তেলে লাল লাল করে ভেজে ফেলুন, ব্যস কচুর কচুরী রেডী।

যদি হাতে বা দাঁতে ছেঁড়া যায় তো কুছ পরোয়া নেহি, নাহলে একটা পা দিয়ে চেপে ধরে আর একটা দিক দুই হাত দিয়ে ধরে টানুন, নিশ্চয়ই ছিঁড়বে। ছোটো ছোটো টুকরো করে লংকার আচার সহযোগে খান। আর ওটা খাওয়ায় পর ৫ ঘন্টা জল খাবেন না, খুব ইচ্ছা করবে, তাও নিজেকে কন্ট্রোল করবেন। নিশ্চয়ই আনন্দে চোখে জল এসে যাবে, প্রফেসর সিগমা এর এই নতুন আবিষ্কারটি খেয়ে। আর হ্যাঁ, সবাই কে তিনটে করে অম্বলের বড়ি চুষে খেতে হবে, আর শেষে একটা জলজিরা। দেখবেন ফাটাফাটি খেতে লাগবে। খুব স্বাস্থ্যকর ও বটে।

তো বন্ধুরা, আজ সন্ধ্যে বেলা একবার দেখবেন নাকি, ট্রাই করে. কেমন লাগে খেতে? আর খেয়ে কেমন লাগলো, অবশ্যই জানাবেন কিন্তু।

Photos from Prof. Sigma's post 08/01/2021

পঞ্চপাণ্ডব

ওফ, আজ অনেক দিনের সাধনা সম্পূর্ণ হলো, প্রফেসর সিগমা এর। ওনার বহুদিনের স্বপ্ন ছিল, একটা পঞ্চপাণ্ডব টিম তৈরি করবেন। ফাইনালি, সেটা সম্ভব হয়েছে। অনেক শিখিয়ে পরিয়ে, পুরোদস্তুর ট্রেনিং দিয়ে উনি তৈরি করেছেন ওনার পঞ্চপাণ্ডব টিম।

ওদের মধ্যে অগ্রজ ক্যান্ডিডেট অন্তত বিচ্ক্ষণ, কারোর গায়ে হুল ফোটানোর আগে, তার শারীরিক অবস্থা, ব্লাড সুগারলেভেল, কোনো ক্রনিক রোগ আছে কিনা, সব জেনে, বুঝে খতিয়ে দেখে, তবেই কামরান, তারপর কামড়ানোতে একটা প্রিন্সিপাল বজায় রাখেন, প্রফেসর ওনার নাম দিয়েছেন যুধিষ্ঠিররুল।

সেজ জনের হাতের, ইয়ে থুড়ি হুলের টিপ সাংঘাতিক, মোটামুটি ২০ ফুট দুর থেকেও কানের ফুটো, মাফলারের সামান্য ফাঁক, কিংবা হেলমেটের ঢাকনার, ব্যাট প্যাডের মাঝের গ্যাপ খুঁজে নিজে পারেন। অব্যর্থ লক্ষ্যভেদ। উনি অর্জুনরুল।

কনিষ্ঠা দুই জন অত্যন্ত ক্ষিপ্র, ওই চাকের সকলের হুল শান দিয়ে ফোঁটানোর যোগ্য রাখেন এনারাই, তারা যথাক্রমে নকুলরুল আর সহদেবরুল।

এই রে, দেখেছেন তো, সবার কথাই বললাম, কিন্তু মেজভাই এর কথা বলতে ভুলে গেছি, উনি মহাপরক্রমী, একবার হুল বেঁধালে ১০ দিন বেজায় ব্যথা থাকবে, ফুলে একেবারে আলু হয়ে যাবে, শুধু এনার জন্য প্রফেসর সিগমা কে কোনো নতুন নাম ভাবতে হয়নি, উনি ওনার পূর্ব পুরুষ দের দেওয়া নাম টাই ব্যবহার করেন, ভীমরুল।

বাকি রাও আছেন সব, ছোটো ছোটো রোলে, কিন্তু এই পাঁচজনের থেকে খুব সাবধান, হাজার হোক, পঞ্চপাণ্ডব বলে কথা। যাক ভালো থাকবেন, আর এদের হুল থেকে সাবধানে থাকবেন।

05/01/2021

কি জ্বালা বলুন তো? কুমীর, কিন্তু সে কামড়ায় না, গিলে খায় না, এমনকি রোদে হাঁ করে ঘাপটি মেরে শিকার ধরার জন্য অপেক্ষায় ও থাকে না। এ একেবারে শান্ত শিষ্ট, হ্যাঁ লেজ বিশিষ্ট তো বটেই, অহিংস একটা জীব, যে বিস্কিট খেতে দিলে টুক করে খেয়ে নেবে, খুশি হলে লেজ নাড়বে, পায়ে পায়ে গোটা ঘর বাড়ি ঘুরে বেড়াবে, এটা এরকম একটা কুমীর, যাকে দেখতে কুমীর কুমীর কিন্তু স্বভাবে কুকুর কুকুর। এ কামড়ায় না, তবে কামড়ালে কত গুলো ইনজেকশন দিতে হবে, সেটা এখনো জানা নেই।

ঠিক ধরেছেন, কুমিরের এই কুকীর্তি গুলো প্রফেসর সিগমা এর একদম পছন্দ ছিল না, তাই এরকম কুমীর আর কুকুর এর DNA শিলনোরায় বেটে উনি বানিয়েছেন, নতুন এক প্রজাতি "কুক্কুমির"। কুমীর, কিন্তু ঠিক কুমীর নয়, স্বভাবটা কুকুরের, আবার পুরোটা কুকুর ও না।

এখন সবথেকে চাপে আছে, পোষা বিড়াল মুন্নী, বেচারি অনেকবার ভুলোর তাড়া খেয়েছে, কিন্তু কুমিরের, ইয়ে মানে কুক্কুমিরের তাড়া খাওয়া টা ওর, আউট অফ সিলেবাস হয়ে গেছে।

যাই হোক, প্রফেসর দেখছেন, যদি ওকে একটু ক্যাট ফ্রেন্ডলী করা যায়, যাই হোক, আপনারা কেউ পুষবেন তো, জানাবেন। লেজ নাড়িয়ে নাড়িয়ে আপনাদের আনন্দ দিতে, কুক্কুমীরের ছানা শুধু মাত্র অনলাইনেই পাওয়া যাচ্ছে।

Photos from Prof. Sigma's post 03/01/2021

রবিবারের ভারীভোজ, থুড়ি থুড়ি ভুঁড়িভোজ

একে নতুন বছর, চারদিকে পিকনিক পিকনিক ভাব, কনকনে ঠান্ডায় হাত পা জমে যাচ্ছে, এর মাঝে আজ আবার রবিবার। কিন্তু আম জনতার পকেটের এত রেস্ত নেই যে কব্জি ডুবিয়ে মটনকারি প্লেটে সাজিয়ে পেটে সেঁধিয়ে দেবে। অনেকদিন ধরেই প্রফেসর সিগমা এই ব্যাপার নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছেন। আর তার ফল ও মিলেছে হাতে নাতে।

তো অবশেষে আজই মার্কেটে এসেছে, প্রফেসর সিগমা এর মাংসয়াবিন বড়ি মিক্স। ৫০ গ্রাম খাসির মাংস কিনে ছোটো ছোটো টুকরো করে নিন এক একটা ওই ৫-৬ গ্রাম সাইজের, তারপর এই মিক্স মাখিয়ে ২ ঘন্টা রোদে শুকিয়ে নিন। তারপর জলে ফোটালেই সব টুকরো গুলো ফুলে পাক্কা ১০০ গ্রামের পিস হয়ে যাবে। তারপর আপনি কষা খান আর চাপ নাকি রেজালা, সে আপনার ব্যাপার। আর স্বাদ, এক্কেবারে রেওয়াজি খাশি।

মনে হচ্ছে, এই আর্থিক টানাটানির বাজারে এই মাংসয়াবিন বড়ি মিক্স টা ভালই চলবে, আমরা দেখছি যদি এটাকে অনলাইন মার্কেটিং করা যায়। আপনাদের লাগলে জানাবেন, ডেলিভারি চার্জ ফ্রি।

Photos from Prof. Sigma's post 03/01/2021

টক ঝাল ফুচকারী

জাতির উদ্দেশে আজ প্রফেসর সিগমা, তার একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার উৎসর্গ করে দিলেন, কারণ এই যে নারী পুরুষ নির্বিশেষে ফুচকার প্রতি এই আকুলতা, এটা ওনার মন ছুঁয়ে গেছে, মানুষ কত কত মূল্যবান সময় শুধু ফুচকার স্টলে লাইন দিয়ে কাটিয়ে দিচ্ছে, এটা বন্ধ করতেই হবে।

কারিপাতা গাছ তো প্রায় সবার কিচেন গার্ডেন এই থাকে, সেই কারিপাতা গাছের DNA এর সাথে ফুচকার পুর কে হামোলদিসটায় চটকে শালপাতার বাটিতে এই চারা গাছটা বসাতে হবে, নাম দিয়েছেন, ফুচকারী পাতা। গাছের পাতা গুলো কারিপাতা হিসাবে খাওয়া যাবে, আর একবছর পর থেকেই গাছে ফলবে গোল গোল ফুচকা। শুধু মাটিতে পোতার পর জলের জায়গায় তেঁতুল গোলা জল দিতে হবে, ব্যস, তাহলেই হলো। একদম রেডিমেড ফুচকা, গাছ থেকে পারো আর খাও।

তো, বন্ধুরা আজ তাহলে আসি। ফুচকারী পাতার গাছ আজ ই বসান, আর ফুচকা গুলো খেয়ে কেমন লাগলো, অবশ্যই জানাবেন কিন্তু। প্রফেসর সিগমা কিন্তু অপেক্ষায় থাকবে।

Want your school to be the top-listed School/college in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Kolkata